নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬ রাত ০৭:২৫:৩৩
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে এসব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সেবা আরও বাড়াতে বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চলা অধিবেশনে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান— দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা সেবা বৃদ্ধির জন্য সরকারের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, থাকলে তা কী?
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোয় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তথাপি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা সেবা যাতে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:
> বিমানবন্দরের প্রবেশ ও বাহির পথসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপনসহ বিমানবন্দর এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
> কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
> গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপতৎপরতা রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
> পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলিতে নিরাপত্তা সেবা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
> বিমানবন্দর এলাকায় চুরি, ছিনতাই রোধকল্পে পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
> গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
> বিমানবন্দরসমূহে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
> নিষিদ্ধ কোনও বস্তু যাতে বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
> সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
> বিমানবন্দরগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক লাগেজ সিস্টেম, ইমিগ্রেশন কাউন্টার বৃদ্ধি, আধুনিক স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি ও পুনর্বিন্যাসসহ বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর মনিটরিং এবং সহায়তা ডেস্ক চালু করা হয়েছে।