নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০২:২৭
রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে সরকার রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি প্রদর্শন করছে। দেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে এবং এর নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতারা অন্তর্ভুক্ত থাকেন, যা সাংবিধানিক শাসনেরই প্রকাশ।’
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘১৭৮৭ সালে গৃহীত মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর বেশ মিল রয়েছে।’ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও একই ধরনের এখতিয়ার অনুশীলন করে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ সবসময় স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার অনুপ্রেরণা পায়।
অতীতে বিএনপির ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন এবং প্রায় ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়ের করেছিল।’ অনুষ্ঠানে এক বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তুলে ধরেন, কীভাবে অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবিধানে নতুন সংশোধনী যুক্ত করার অধিকারের ওপর গুরুত্ব দেয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি দৃঢ় ও টেকসই ভিত্তি পেয়েছে। এছড়াও ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।