সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ের মধ্যে নতুন করে উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৭৮৯ জনের মধ্যে।শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।অধিদফতরের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬১৫ জন মারা শিশু মারা গেছে।
১০ ঘন্টা আগে
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০২ জনে।শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে ৪ শিশুর। এ সময় ৮৬৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্তের সংখ্যা ১০৭।এ ছাড়া, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭০২ শিশু।
১ দিন আগে
চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, অগ্রগামী হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থকন্ঠ এবং বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এনামুল হক এনাম। এনআরবি ওয়ার্ল্ড, বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন এবং সাপ্তাহিক অর্থকণ্ঠের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ সেমিনার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, নৈতিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সংস্কারে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন আয়েশা মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতালে যোগদানের পর তাঁর অসামান্য প্রশাসনিক দূরদর্শিতা ও প্রচেষ্টায় ২০১৩ সালে এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’-এ রূপান্তরিত হয়। তাঁর দক্ষ পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি আজ ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এবং ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজসহ একটি বৃহৎ, স্বনামধন্য ও অন্যতম রেফারেল স্বাস্থ্যসেবা হাবে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী তাঁর এই মাইলফলক ছোঁয়ার পেছনে বড় বোন ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান, আইকনিক নারী উদ্যোক্তা প্রীতি চক্রবর্তীর নিরলস সমর্থন ও দিকনির্দেশনার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তাঁর স্ত্রী - করপোরেট ব্যক্তিত্ব নীতা চক্রবর্তী এবং একমাত্র পুত্র দিব্যময় চক্রবর্তী (রিজু)-কে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। ডাঃ আশীষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার উচালিয়া পাড়ার স্বর্গীয় আশুতোষ চক্রবর্ত্তী ও পূষ্প চক্রবর্ত্তীর পুত্র।উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটিতে “Role of Non-Resident Bangladeshi (NRB) Scientists in Advancing Biotech and Biosimilar Drugs in Bangladesh's Pharmaceutical Industry” শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ওপর ফলপ্রসূ আলোচনা এবং "100 Healthcare Titans of Bangladesh" বিশেষ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসা ও ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, করপোরেট নেতৃবৃন্দ এবং সংবাদমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুন সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বহির্ভূতভাবে একজন সদস্যের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়েছিল। একই সভায় পুনরায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, যা ছিল বিধিবহির্ভূত। তাই নিয়োগ অনুমোদন করা যায় না।এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৬ সালের ১৩ জুন ৯৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেয়া আজীবন নিয়োগটি বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ৯২তম সভার তারিখ (২০২৪ সালের ২০ জুন) থেকে অধ্যাপক ইমেরিটাস পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত বেতন-ভাতাদিও ফেরত দেয়ারও নির্দেশ রয়েছে অফিস আদেশে।
২ দিন আগে