ওবায়দুর রহমান, ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৯:০৫
ভাঙ্গায় শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক অবরুদ্ধ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষক এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে হামালায় চালায়। উত্তেজিত এলাকাবাসী হামলায় মাদ্রাসার সুপার সহ ১০জন আহত হয়েছে এবং ৪টি দোকান ভাংচুর করেছে।
সোমবার দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের ভরিলহাট নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আমির হোসেন ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ শিক্ষককে উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা ছুটির পর এক শিক্ষার্থীকে উপহার দেওয়ার কথা বলে তার সঙ্গে যৌন হারানির অভিযোগ ওঠে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবক সহ এক থেকে দেড় হাজার স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তখন মাদ্রাসার সুপারসহ কয়েক শিক্ষককে মারধর করে।
সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় মাদ্রাসার সামনে থাকা ৪টি দোকান ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়৷
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আপনারা একটি ঘটনা সম্পর্কে জানেন। আমি এঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌছিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৩য় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দিয়েছে বা যৌন হারানির অভিযোগ তুলে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন। এসময় মাদ্রাসার সুপারকে মারধর করে এলাকাবাসী। আমরা অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।