নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:১৪:৩৮
ভারতের সঙ্গে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান
ভারতের বিপক্ষে আইসিসি পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্ধারিত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। দেশটির সরকার সবার অনুরোধে এমন ঘোষণা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া
এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সরকার থেকে জানানো হয়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান
মহসিন নকভির কাছ থেকে আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে হওয়া উচ্চপর্যায়ের
আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিসিবির পক্ষ থেকে পিসিবির কাছে পাঠানো
আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এবং শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্য সদস্য দেশগুলোর সমর্থনমূলক
বার্তা পর্যালোচনা করেছে পাকিস্তান সরকার। এসব বার্তায় সাম্প্রতিক সংকট নিরসনে পাকিস্তানের
নেতৃত্ব কামনা করা হয়।
সরকার আরও জানায়, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বক্তব্যও
গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো কৃতজ্ঞতা ‘উষ্ণতার
সঙ্গে গ্রহণ’
করেছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
এদিন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের
সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের ফোনালাপও হয় বলে জানানো হয়। আলোচনায় শ্রীলঙ্কার
প্রেসিডেন্ট বর্তমান অচলাবস্থা সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধানের অনুরোধ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বহুপক্ষীয় আলোচনার অগ্রগতি এবং বন্ধুসুলভ
দেশগুলোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের
বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামার জন্য পাকিস্তান জাতীয় দলকে নির্দেশ দিচ্ছে।”
সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং
অংশগ্রহণকারী সব দেশে বৈশ্বিক এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে
জাতীয় দলের প্রতি শুভকামনাও জানানো হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তান ১৫ ফেব্রুয়ারির
ম্যাচটি বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছিল।
এদিকে, এক বিবৃতিতে বিসিবি পিসিবির সংহতির জন্য ধন্যবাদ
জানিয়ে আবারও পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানায়। বিসিবি সভাপতি
আমিনুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তান সফর শেষে আলোচনার সম্ভাব্য ইতিবাচক ফল এবং পুরো ক্রিকেট
ইকোসিস্টেমের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে তিনি এই অনুরোধ করেছেন।
অন্যদিকে আইসিসি জানিয়েছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ
না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের ওপর কোনো ধরনের আর্থিক, ক্রীড়া বা প্রশাসনিক
শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি ২০৩১ সালের বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশে একটি আইসিসি ইভেন্ট
আয়োজনের ব্যাপারেও নীতিগতভাবে সম্মতি হয়েছে।