কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগের কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। শান্তিপ্রিয় জনগণকে নিয়ে আমরা এর সমুচিৎ জবাব দেবো। গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে ফ্যাসিস্ট আ'লীগ বিগত ১৬ বছরে গণতন্ত্র, অর্থনীতিসহ রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে। এখন বিদেশে বসে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির হুমকি ধামকি দিচ্ছে। যা দুর্ভাগ্যজনক।সোমবার (২১সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র ও অশুভ তৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি ড.খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরীপুর থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়েছে। দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠন এই বিশাল মিছিলের আয়োজন করেছে। ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, দেশের জনগণ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদে থাকুক, আ'লীগ তা কখনই চায়নি। এই দলটি যখনই ক্ষমতায় থাকে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হয়। মানুষ কষ্ট পায়। তারা একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন ও বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলো। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে দেশে টেকসই উন্নয়ন, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছেন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে মাত্র ৩৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে নিউইয়র্ক গেছেন। তিনি রাষ্ট্রের ব্যয় হ্রাসের জন্য নির্ধারিত ৯ দিনের সফর ৪দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা একাধিকবার নিউইয়র্ক সফরে সরকারী অর্থ অপচয় করে রাজসিক আয়োজনে দুই শতাধিক সফর সঙ্গীর বিশাল বহর নিয়ে গেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সীমিত আয়োজন, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন, সংযম ও দায়িত্ববোধ এক ভিন্নমাত্রার রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা বহন করছে।তিনি বলেন, তারেক রহমান ঘুষ, দুর্নীতি ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। ফলে তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নজিরবিহীন শিষ্টাচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জনগণের দৃষ্টি কেড়েছেন। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।ড. খন্দকার মারুফ বলেন,তারেক রহমানের মানবিকতা,মমত্ববোধ,দেশপ্রেম অসাধারণ।এমন একজন নন্দিত সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে বিরোধী জোট কটূক্তি করছে। যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। একই সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতারা বিদেশে বসে সন্ত্রাস ও সহিংসতার হুমকি দিচ্ছে। এটি নিন্দনীয় ও দু:খজনক।তিনি জনগণের জানমাল এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সন্ত্রাস ও সহিংস কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকার জন্য তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি নেতা এম.এ লতিফ ভূইয়া, দাউদকান্দি পৌর বিএনপি নেতা নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, দাউদকান্দি বিএনপি নেতা আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ,ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, আরিফ মাহামুদ ও সালাউদ্দিন ভুইয়া, যুব দল নেতা ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, শাহ্ আলম সরকার, মো.রোমান খন্দকার,শরীফ চৌধুরী, মহিউদ্দিন তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আনোয়ার হোসেন আনন্দ, মহিউদ্দিন,আলাউদ্দিন,কামাল হোসেন, জামাল মোল্লা, ছাত্র দল নেতা আসিফ কবির, আবদুল বাসেদ ও রিমন খন্দকার প্রমুখ।