নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬ রাত ০৭:২২:১৯
রোডক্র্যাশ রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ আবশ্যক: এমপি নওশাদ জমির
রবিবার (১০ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর ধানমন্ডীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-এর প্রধান কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন বিষয়ে তরুণদের আলোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টর।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির বলেন, মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের কারণে তরুণদের মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সঠিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ এবং নিরাপদ সড়ক গঠনে সামাজিক উদ্যোগে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) মুনতাসিরুল ইসলাম, পিপিএম। তিনি বলেন, রোডক্র্যাশ প্রতিরোধে আরও জোরালো উদ্যোগ প্রয়োজন। সড়কে প্রাণহানির প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে কার্যকর সমাধান গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-এর সহ-সভাপতি ড. এস এম খলিলুর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ। বক্তারা দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান। এসময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহা। তিনি তরুণদের পক্ষ থেকে সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও এর কঠোর বাস্তবায়নের দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংগঠনের শতাধিক তরুণ শিক্ষার্থী অংশ নেন। তারা বলেন, জাতিসংঘের ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুযায়ী একটি পূর্ণাঙ্গ সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা জরুরি। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, চালক ও পথচারীসহ সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। নীতিনির্ধারণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত তরুণদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।