ডিসি মাসুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১০:৪১:৩৪
প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে সেই অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ৪
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৩), ইশরাক ইয়ামিন লিখন (২০), হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম (২১) ও মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ (২২)।
পুলিশ বলছে, ওই চক্রে ১০-১২ জন রয়েছে। তারা উঠতি বয়সী তরুণদের মাদকসহ বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ডেকে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে।
গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন তার স্কুলপড়ুয়া ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এ খবর শুনেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ফোন করে ডিসি মাসুদ আলমকে নির্দেশনা দিলে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে খিলগাঁওয়ের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করা হয়। তবে সেদিন ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ডিসি মাসুদ আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা আসামিদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ভুক্তভোগী ছেলেটার কাছে কিছু বর্ণনা শুনেছি, আর আশপাশের সিসিটিভি ভিডিও দেখে পাঁচজনকে শনাক্ত করতে পেরেছি।
এই চক্রে ১০-১২ জন আছে জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনে যে ভিডিও পেয়েছি, সেগুলো দেখে আঁতকে ওঠার মতো। তারা কাউকে টার্গেট করে টোপ দিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে বিভিন্নজনকে নক করে মাদকের কথা বলে। কখনো বলে এখানে আসলে মাদক পাবে। কিছু আছে বিভিন্ন বাহানা, মেয়েদের সঙ্গে গল্প করা যাবে, এরকম বলে। এই ছেলেটাকেও কিছু একটা বলে টেলিগ্রামে নক করেছে। বলেছে, আসো একটু কথাবার্তা বলবো। কোনো একটা লোভ বা প্রলোভন দেখিয়েছে, আর ছেলেটাও ট্র্যাপে পা দিয়েছে।
ডিসি মাসুদ আরও বলেন, ওই স্কুলছাত্রের স্কুল বন্ধ ছিল, বাসা থেকে সাইকেল নিয়েই সেদিন সে গিয়েছিল। অপহরণকারীরা বেশি টাকা আদায় করে না, কিন্তু ডেকে নেওয়ার পর ব্যাপক নির্যাতন করে। আশা করছি, জড়িত বাকিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারবো।