নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ০১:২০:১৯
দেশে পৌঁছেছে সৌদি আরবে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে বাকি সাতজনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিমানবন্দর থেকেই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২১ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
এর আগে, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর প্রথম দফায় গত ২৭ আগস্ট ৯ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছিল। বাকি সাত জনের মরদেহ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল না। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া এই সাতজনের মধ্যে পাঁচজন নওগাঁর এবং দুজন নাটোরের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনের মরদেহ নিতে এসে কান্না আর আহাজারিতে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানান, ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো সড়কপথে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকেই বিমানে করে মরদেহগুলো ঢাকায় আনা হয়েছে।
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার পার নওগাঁ গ্রামের শাহিন; আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের হাসিবুল হাসান, মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক, মাধবপুর গ্রামের মাসিদুল সরদার এবং সাহানগর গ্রামের সাগর আলী।
এছাড়া নাটোরের লালপুর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের শরিফ হোসেন রয়েছেন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলোতেই পরীক্ষা দিতে পারবেন তারা। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।
বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় শিক্ষার্থীদের। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলো অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
তবে এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে তাদের শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষা কমবে এবং দ্রুত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের তারিখ, আবেদনপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হবে।