নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৪ এপ্রিল ২০২৬ রাত ০৮:২৫:৪৪
গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন: নিহত-আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কেরাণীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমাান নিয়েছেন। তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এরইমধ্যে শনিবার (০৪ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয় ২ লাখ টাকা দিবেন। এখানে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, অনেকে নিখোঁজ শোনা যাচ্ছে। ধ্বংস স্তুপ সরানোর পর সবকিছু জানা যাবে।
এ কারখানার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
এ ধরণের অস্বাস্থ্যকর ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা জনবহুল এলাকায় যাতে না থাকে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে, তিনি নিশ্চয়ই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আহত যারা আছেন তাদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য প্রস্তুত, তবে বের হওয়া অনেকেই হাসপাতালে আসেন নাই বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বিকেলে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে, ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় একে একে মোট ৭টি ইউনিট কাজে যোগ দেয়।