নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১১:২০:২৭
বিষয়টি বিএনপি উপেক্ষা করলে ভালো হবে না: শহীদ মিনারে বাধা প্রসঙ্গে রুমিন
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সহঅর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের সদ্য নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি যদি বিষয়টিকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখে ইগনোর করতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ভালো হবে না। এটা আমার পরিষ্কার বার্তা।
আজ শনিবার দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলা চত্বরে এসব কথা বলেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার একুশের প্রথম প্রহরে জেলার সরাইল উপজেলা পরিষদ মাঠে শহীদ মিনারে ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, একটা আসনে এ ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দিলে সব আসনেই সেটা ছড়িয়ে পড়বে। এতে সারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হবে।
এর আগে তিনি আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আশুগঞ্জের ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়া।
রুমিন ফারহানার অভিযোগ, একুশের প্রথম প্রহরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুস্পস্তবক অর্পণ করতে গিয়ে তিনি একদল উচ্ছশৃংখল জনতার বাধা ও পরিকল্পিত হামলার শিকার হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই রুমিন ফারহানার সমর্থকরা সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে অবরোধ তৈরি করে।
এদিকে গতকাল শনিবার বিকেলে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবে সরাইলে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছে আশুগঞ্জ উপজেলা রুমিন ফারহানা সমর্থক গোষ্ঠী। তার সমর্থকরা বলেন, ভাষার মাসে একজন ভাষা সৈনিকের (অলি আহাদ) কন্যা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওপর একদল উচ্ছশৃংখল জনগোষ্ঠীর পরিকল্পিত হামলা আইনের শাসনের পরিপন্থি ও দেশের জন্য অশনিসংকেত। তারা বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতারা তথা তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির জন্য মাঠে-ঘাটে জনতার পাশে ছিলেন রুমিন ফারহানা। দুর্দিনে বিএপির পাশে যে নেত্রী ছিলেন তার ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক। তারা অবিলম্বে তদন্তপুর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃংলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুরোধ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মো. নাসির মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) মো. আতাউর রহমান বাবুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি (বহিষ্কৃত) ডা. ইদ্রিস হাছান। এ সময় অর্ধশতাধিক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।