দাউদকান্দিতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০২:৫৯:০৮
স্বনির্ভর,সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়তে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড.খন্দকার মারুফ
বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যা এখন জনগণের কাছে দৃশ্যমান। জনগণ উন্নত সমৃদ্ধ নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন চায়। সরকারের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি খুবই অপরিহার্য। এর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩০জুলাই) কুমিলার দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন।
ড.খন্দকার মারুফ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, অপরাধীর কোনো দল নেই,আদর্শ নেই। সে তো শুধুই অপরাধী। এদের ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের দমন করতে বর্তমান সরকারের নীতিগত অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। জনস্বার্থ বিনষ্টকারী এইসব অপরাধী আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে যাতে বেরিয়ে যেতে না পারে, সে ব্যাপারে সুক্ষ্ম নজরদারি ও আইনী ব্যবস্থা নিতে তিনি দাউদকান্দির আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
দাউদকান্দির ইউএনও নাছিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূইয়া, পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার,দাউদকান্দি থানার ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম ও এসি(ল্যান্ড) নাহিদ আহমেদ প্রমুখ।
ড.খন্দকার মারুফ বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ সরকার দু:শাসন,জুলুম নিপীড়ন চালিয়ে দেশের গণতন্ত্র,অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়েছে। সেই ধ্বংস স্তুপে দাঁড়িয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অগ্রপথিক হয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে শির ঊঁচু করে দাঁড়াবে।
সভায় ড.খন্দকার মারুফ দাউদকান্দি উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে- চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক কারবারী দমন, হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, চুরি প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা জোরদার এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জনগণের সেবক। সেবার মনোভাব নিয়ে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। নতুবা জনগণের কাছে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। কোন প্রকার গাফিলতি কিংবা শৈথিল্য জনগণ বরদাশত করবে না।