নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ১১:২৯:৪৮
কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, মঈন গ্রেফতার
আলোচিত কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে ‘চাঁদাবাজির’ ঘটনায় যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এই মঈন ছিলেন এক নম্বর আসামি।
১৩ এপ্রিল সোমবার র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো ক্ষুদে বার্তায় মঈনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়েছে। মঈন ছাড়া আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের নাম-পরিচয় জানায়নি র্যাব। নড়াইলের কালিয়া থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬।
এর আগে মঈনের চার সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ওই চারজন হলেন— মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮)। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, ১১ এপ্রিল শেরে বাংলা নগর এলাকায় সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনার খবর পাওয়া যায়। যা মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। চাঁদাবাজির ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি টিম ঘটনাস্থল সিকিডি হাসপাতালে যায়। বাদী ডা. কামরুল সাহেবের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে । সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। অভিযুক্ত মইন উদ্দিনের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে র্যাবের বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ান সম্মিলিতভাবে এই ব্যাপারে কার্যক্রম গ্রহণ করে। উক্ত চাঞ্চল্যকর মামলার সাথে জড়িত আইও কর্তৃক তদন্তে প্রাপ্ত হিসেবে উক্ত ঘটনায় সুমনের রিকুইজিশন দেয়া হয়। সুমন কে শেরে বাংলা নগর হতে গ্রেফতার করা হয় (র্যাব-২ )। উক্ত চাঞ্চল্যকর মামলার সাথে জড়িত আইও কর্তৃক তদন্তে প্রাপ্ত হিসেবে উক্ত ঘটনায় লিটনের রিকুইজিশন দেয়া হয়। মঈন এর সহযোগী লিটন কে শেরে বাংলা নগর হতে গ্রেফতার করা হয় (র্যাব-২ )।