মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ ধরনের হামলার নিন্দা জানানো আমাদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, ‘পবিত্র মক্কা নগরী আল্লাহ তায়ালার ঘর কাবার কারণে সম্মানিত। এটি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও পবিত্রতম স্থান। এখানে যে কোনো প্রকার হামলা চালানো হলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং নিন্দা জানানো আমাদের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব।’এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘হামলাকারী হুতি হোক কিংবা যে কেউ হোক, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে ড্রোনটি শনাক্ত করে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, ড্রোনটি মক্কার নির্ধারিত সীমার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।তিনি বলেন, মক্কাকে নিশানা করে হুথিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনাকেও মক্কায় হামলার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।তবে, মক্কাকে নিশানা করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হুথিরা। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌদির দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, এর আগেও সৌদি আরব একই ধরনের অভিযোগ করেছিল।
১ দিন আগে
নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মেয়র প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। কমিশনকে নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো হবে না।মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম। পোস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সরকারের তালবাহানা ও সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়েছে। সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা জানান। প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির দেওয়া তারিখ চূড়ান্ত নয়।সাদিক কায়েমের দাবি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের বক্তব্যেও সরকারের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এতে বোঝা যায়, সরকার নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ মানছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, সরকারকে সুযোগ করে দিতে নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করানো হচ্ছে। ফলে জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট যে সরকার নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে সাদিক কায়েম বলেন, সরকার একদিকে দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি ও জুলুমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের রায়কে ভয় পাচ্ছে।তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকারের সব স্তরে, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রশাসক হিসেবে বসিয়ে সরকার কুখ্যাত স্বৈরাচার আইয়ুবশাহীর পথ অনুসরণ করছে।নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় না। এর উদাহরণ গত স্বৈরাচার সরকার।সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে বিএনপিও স্বৈরাচার আমলের মতো দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে ‘কন্ট্রোলড ডেমোক্রেসি’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।
২ দিন আগে
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ দুর্নীতি ও অনিয়মের নতুন অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।পাশাপাশি ৩৬ জন জেলা প্রশাসক বা ডিসি পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।এনসিপির এ মুখপাত্র ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’
৪ দিন আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ‘হাইপ আর ‘ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আপা (শেখ হাসিনা) না কি ডিসেম্বরে লীগের (আওয়ামী লীগ) পলাতকদের দেশে ফিরতে বলবে না। মূলত, তাদেরকে বললেও কেউ আসতো না।’তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট কীভাবে পরিবারের সবার পালানো নিশ্চিত করে বাকিদের ফেলে দিয়ে তিনি হেলিকপ্টারে চড়েছিলেন এটা কোনোমতে জান বাঁচিয়ে পালানো নিষিদ্ধ লীগের নেতাদের ভালো মতোই মনে আছে।’এনসিপির এ নেতার মতে, ‘ডিসেম্বরের (শেখ হাসিনার দেশে ফেরা) হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ!’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি কোনো নির্দেশনা কাউকে দিচ্ছি না। তবে দেশে-বিদেশে আমাদের সমর্থক-নেতাকর্মী যারা যেখানেই আছেন তারা তাদের ইচ্ছা পোষণ করছে। তারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে তারাও আমার সঙ্গে যেতে চায়। আমি নির্দেশনা দিয়ে কাউকে তো বিপদে ফেলতে পারি না, কিন্তু যারা মনে করবেন যেতে চায়, তারা যাবে।
১ সপ্তাহ আগে