ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের


গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা এবং নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে একটি মসজিদের ইমামের মাদরাসাছাত্রী মেয়েকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং লুটপাটের ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এ ঘটনা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনকভাবে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারা চরম উদ্বেগজনক। আমি অবিলম্বে অপহৃত মেয়েটিকে অক্ষত উদ্ধার, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরো বলেন, যাদের ছত্রছায়ায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে, সামাজিকভাবে এদেরকে বয়কট করতে হবে এবং দেশবাসীকে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়ে কোনোভাবেই এ ধরনের বর্বরতা চলতে দেওয়া যায় না।

২ সপ্তাহ আগে

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার


রাজধানীর হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের ভাড়া বাসা থেকে সীমান্ত (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, সীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন।নিহত সীমান্তের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম সদরুল আমিন। তিনি হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করতেন।নিহতের চাচা রুহুল আমিন জানান, সীমান্ত ওই বাসায় সাবলেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তার রুমমেটের বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত রাত নয়টার পর থেকে নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রেখেছিলেন সীমান্ত। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হয়। পরে বাড়ির মালিক এসে দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান, সীমান্ত আর বেঁচে নেই।রুহুল আমিন আরও জানান, অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ আসছিল। এতে তাদের ধারণা, ওই বিষাক্ত দ্রব্য খেয়েই সীমান্ত আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন তিনি এই কাজটি করেছেন, সে বিষয়ে স্বজনরা কিছু জানেন না।ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

১ মাস আগে

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ


কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই স্ট্যাটাস দেন তিনি।ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না। সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে মাশাআল্লাহ’। তার এই পোস্টের নিচে কয়েক হাজার মানুষ মন্তব্য করেছেন।এদিকে ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়কে যানজট ও চাঁদামুক্ত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন যৌথভাবে ঢাকা মহানগরীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক মনিটারিং করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির নামে কোনো জনসচেতনতামূলক ব্যানার, পোস্টার বা সংগঠনের নেতাদের কোথাও কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়নি। এটা একটা কাগজে-কলমে ভুঁইফোঁড় সংগঠন।যদিও এর আগে ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায়ে ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গের পথে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির অভিযোগ, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রায় বাসে ১৪৮ কোটি টাকা বাড়তি আদায়ের নৈরাজ্য চলছে। সরকারি ঘোষণা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বাস-মিনিবাসে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

১ মাস আগে

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।পাশাপাশি তিনি বলেন, সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদীগুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান পোস্টে লিখেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘনঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।‘কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ, অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে।’তিনি বলেন, বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয়, সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মতো পানি থাকে না।‘অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।’জামায়াত আমির বলেন, মনে রাখতে হবে- অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।

১ মাস আগে

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

৭ মার্চ ২০২৬ রাত ০৯:০৯:৫৫

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৩:১৩:০২

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৬:৪৫:২৩

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৮:০৮:১০

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচন করবেন ইশরাক হোসেন

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচন করবেন ইশরাক হোসেন

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৫:৪৯:০৯

তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি: মাহবুব কবির মিলন

তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি: মাহবুব কবির মিলন

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৪:৪০

তারেক রহমানকে নিয়ে কন্যা জাইমার পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল

তারেক রহমানকে নিয়ে কন্যা জাইমার পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৭:০০:৫১

রমজানে নিত্যপণ্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইশরাকের

রমজানে নিত্যপণ্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইশরাকের

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৬:৩৫:৪৩

বিজয়ীদের কাছে ন‍্যায় ইনসাফ ও সুশাসনের প্রত্যাশা আজহারীর

বিজয়ীদের কাছে ন‍্যায় ইনসাফ ও সুশাসনের প্রত্যাশা আজহারীর

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৬:২২:৪২

কেন্দ্র পাহারা দিন, ইনসাফের জয় হবে: সাদিক কায়েম

কেন্দ্র পাহারা দিন, ইনসাফের জয় হবে: সাদিক কায়েম

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৫:২৯:০১

এই অধিকারকে পাহারা দিন, একে রক্ষা করুন: জামায়াত আমির

এই অধিকারকে পাহারা দিন, একে রক্ষা করুন: জামায়াত আমির

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৪:০০:০৭

1–15 / মোট 19টি সংবাদ  |  পৃষ্ঠা 1 / 2
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী আটক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’ গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি দল চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী আটক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’ গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি দল চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত