সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে প্রচারসামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু, উদ্দেশ্য ও বার্তাকে প্রাধান্য দিয়ে সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি (থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকে) ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো।এতে আরও বলা হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও পরিপত্রে জানানো হয়েছে।
৯ ঘন্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৪ জুলাই) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং আপনার মহান দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা আশাবাদী যে, আপনার বাস্তববাদী নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকগুলোতে আরও মহানতার পথে এগিয়ে চলেছে।’ চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার, দেশের জনগণ এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আপনাকে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার বাস্তববাদী নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকগুলোতেও আরও সমৃদ্ধি ও মহানতার পথে এগিয়ে যাবে।’ তারেক রহমান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন দেশজুড়ে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করছে, তখন এই গৌরবময় অর্জন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্যই নয়, বরং বিশ্বের মানুষের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের ইতিহাসে ‘আমেরিকান ড্রিম’, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, নৈতিকতা এবং বিশ্বসভ্যতায় অবদান বিশ্বজুড়ে মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়ন প্রচেষ্টার এক মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। গত পাঁচ দশকে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা ও উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ প্রধানমন্ত্রী অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করেন।
১ দিন আগে
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।তিনি বলেন, ‘সভায় জানানো হয়, এসব কলকারখানায় বিনিয়োগে অনেক বেসরকারি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে।’হাসান শিপলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এই অর্জন সবার-এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিশোধ নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।৪ জুলাই শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বিজয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জুলাই জাতীয় সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আইন অনুযায়ী সব হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বিচারের নামে যেন অবিচার না হয়, সতর্ক থাকবে হবে।৪ জুলাই শনিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনে যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ছাত্র-জনতা অকাতরে জীবন দিয়েছেন, সেই চেতনাকে সমুন্নত রাখাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। তিনি আশ্বস্ত করেন, আন্দোলনের সময় সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ড ও অন্যায়ের বিচার দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিচারের নামে যেন কোনোভাবেই কারও প্রতি অবিচার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে তারেক রহমান আরও বলেন, জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে দেশ ও জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী দেশ পুনর্গঠনের পথে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, নতুন দেশ গঠনের এই অগ্রযাত্রাকে অন্য কোনো শক্তি যাতে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ সময় তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠিত গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেই আন্দোলনের শহীদদের সম্মান জানাতে এবং আহতদের পুনর্বাসনসহ বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এই ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান বিভিন্ন সময়ে এই আন্দোলনের জাতীয় চরিত্র বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
১ দিন আগে