ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাসহ জীবনের নানা চাপ মানসিক প্রশান্তি কেড়ে নিতে পারে। একজন মুমিনের জন্য এমতাবস্তায় নামাজ হতে পারে আল্লাহর স্মরণে ফিরে যাওয়া, নিজের মনের কথা তার কাছে তুলে ধরা এবং ধৈর্য ও আত্মিক শক্তি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।জীবনের নানা সময়ে মানুষের মনে দুঃখ, কষ্ট ও হতাশা জমে থাকে। কখনো প্রিয় মানুষের আচরণে মন ভেঙে যায়, কখনো আবার নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই অস্থিরতা অনুভূত হয়। এসব পরিস্থিতিতে কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলে স্বস্তি খোঁজেন, কেউ একাকিত্ব বেছে নেন, আবার কেউ নিজেকে নানা কাজে ব্যস্ত রাখেন। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত মানুষের আত্মিক প্রশান্তি লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।পবিত্র কোরআনের ‘সূরা আর-রাদের ২৮ নম্বর আয়াতে’ আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ এ আয়াতে আল্লাহর স্মরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। নামাজের মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর সামনে দাঁড়ান, তার কাছে সাহায্য চান এবং নিজের দুর্বলতা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অন্তরের প্রশান্তি লাভের জন্য আল্লাহর স্মরণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নামাজের মাধ্যমে একজন মানুষ তার রবের সামনে দাঁড়ান, নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন এবং তার কাছে সাহায্য চান।নামাজ পড়লেই জীবনের সব সমস্যা সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে, এমন নয়। দুঃখ, কষ্ট কিংবা কঠিন পরিস্থিতি মানুষের জীবনেরই অংশ। তবে নামাজ মানুষকে সেই পরিস্থিতির মধ্যেও ধৈর্য ধারণ করতে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে এবং নিজের মনকে সামলে নিতে সাহায্য করতে পারে।নামাজে সিজদা করার সময় একজন মানুষ নিজের মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরতে পারেন। মানুষের কাছে যে কষ্টের কথা বলা যায় না, আল্লাহর কাছে তা প্রকাশ করার জন্য বিশেষ কোনো শব্দের প্রয়োজন হয় না। আন্তরিকভাবে দোয়া করা, ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য প্রার্থনা করাও ইবাদতের অংশ।রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি হাদিসেও নামাজের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভের বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি হজরত বিলাল (রা.)-কে বলেছিলেন, “হে বিলাল, নামাজের ইকামত দাও, এর মাধ্যমে আমাদের প্রশান্তি দাও।” —সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৯৮৫।অনেক সময় নামাজে দাঁড়িয়েও মন স্থির থাকে না। কখনো পুরোনো কোনো কষ্ট মনে পড়ে, কখনো ভবিষ্যতের চিন্তা এসে ভিড় করে। তখন কেউ কেউ ভাবেন, মনোযোগ দিতে পারছি না, তাই হয়তো নামাজে প্রশান্তিও পাচ্ছি না।কিন্তু মন অস্থির হওয়া মানেই নামাজ ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং ধীরে ধীরে মনোযোগ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত। কোরআনের আয়াতগুলোর অর্থ বোঝার চেষ্টা করা, তাড়াহুড়া না করে রুকু-সিজদা করা এবং নামাজের পর কিছুক্ষণ দোয়া ও জিকিরে সময় দেওয়া যেতে পারে। মন বারবার অন্যদিকে চলে গেলেও হতাশ না হয়ে আবার নামাজের দিকে মন ফেরানোই গুরুত্বপূর্ণ।জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর সব সময় সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। সব কষ্টের সমাধানও এক দিনে আসে না। কিন্তু একজন মানুষ যখন আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা স্বীকার করেন, তার কাছে সাহায্য চান এবং ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যান, তখন তিনি কঠিন সময় মোকাবিলা করার শক্তি খুঁজে পেতে পারেন।নামাজ শুধু একটি দৈনন্দিন দায়িত্ব নয়, এটি আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করারও একটি মাধ্যম। তাই মন ভালো থাকুক কিংবা অস্থির থাকুক, সুখের সময় হোক কিংবা দুঃখের—নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।মনে রাখতে হবে, অস্থির মন নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতেও কোনো বাধা নেই। বরং সেই অস্থিরতা নিয়েই তার কাছে ফিরে যাওয়া হতে পারে প্রশান্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
২ দিন আগে
আজ বিজয়া দশমী। চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দশমী পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনের এ আয়োজনে শেষ হবে সনাতন ধর্মের সর্ববৃহৎ দুর্গাৎসব।বুধবার (২১ অক্টোবর) দেশের প্রতিটি মণ্ডপে সকালে চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দশমীর পূজার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর অপরাজিতা পূজা, দশোপচারে দেবীর আরাধনা, গণেশসহ অন্যান্য দেবদেবীর পূজা, আরতি ও পুষ্পাঞ্জলির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে সমাপনপর্ব। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দর্পণ ও ঘট বিসর্জনের পর শুরু হয় দেবীবরণের আয়োজন। এ সময় বিবাহিত নারীরা একে একে দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁকে বিদায় জানান। এরপর একে অপরের কপালে ও মুখে সিঁদুর মাখিয়ে উদ্যাপন করেন সিঁদুর খেলা।সিঁদুর খেলার এই আয়োজনে দেবীর কাছে সংসারের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন নারীরা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীর চরণে নিবেদিত সিঁদুর ঘরে সংরক্ষণ করলে সংসারে মঙ্গল ও সমৃদ্ধি আসে। তাই দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার প্রত্যাশা নিয়ে বিজয়া দশমী উদ্যাপন করছেন ভক্তরা।ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায়ের সুরে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। সেই সঙ্গে আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের অপেক্ষায় থাকবেন তাঁরা।
৩ দিন আগে
আজ মহাঅষ্টমী। অষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ কুমারী পূজা। কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা। রামকৃষ্ণ মিশনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ পূজা।হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, সাধারণত ১ থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা ব্রাহ্মণ বা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কুমারী নারীকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। শ্রীরাম কৃষ্ণের কথামতে, কুমারী পূজার বিষয়ে বলা হয়েছে, শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর রূপ বেশি প্রকাশ পায় এবং মাতৃরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার উদ্দেশ্য।শাস্ত্রমতে, এক বছর বয়সী কন্যাকে সন্ধ্যা, দুইয়ে সরস্বতী, তিনে ত্রিধামূর্তি, চারে কলিকা, পাঁচে সুভাগা, ছয়ে উমা, সাতে মালনী, আটে কুজ্বিকা, নয়ে কালসন্দর্ভা, দশে অপরাজিতা, এগারোয় রুদ্রানী, বারোয় ভৈরবী, তেরোয় মহালক্ষ্মী, চোদ্দতে পীঠ নায়িকা, পনেরোতে ক্ষেত্রজ্ঞা এবং ষোলো বছরে তাকে অন্নদা নামে অভিহিত করা হয়।নির্বাচিত কুমারীকে মহাষ্টমীর দিন ভোরে গোসল করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। তাকে সাজিয়ে কপালে সিঁদুর, পায়ে আলতা ও হাতে ফুল দেওয়া হয়। কুমারীকে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে ষোড়শোপাচারে (ষোলো উপাদান) দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়। এ সময় চারদিকে শঙ্খধ্বনি, ঢাকের বোল, উলুধ্বনি আর দেবী স্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে।কুমারী পূজার তাৎপর্য প্রসঙ্গে পুরোহিতরা বলেন, অনেক চিন্তাশীল মানুষ অনুভব করছেন, আধুনিক পৃথিবীতে সামাজিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সংকট নিরসন করে অগ্রগামী হতে হলে মাতৃজাতির প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। জগতের অনেক স্থানে নারীকে সম্মান দেওয়া হয় পত্নীরূপে বা সহকারিণীরূপে। কিন্তু নারীর সবচেয়ে মহিমময় রূপ তার মাতৃরূপ। তাই এই মহাষ্টমী তিথিতে আমরা জগতের সব মাতৃজাতিকে উদ্দেশ্য করে কুমারী মাতাকে প্রণাম জানাই। তার মাধ্যমে আদ্যাশক্তিকে আমাদের প্রণাম নিবেদন করি।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) দশমীর মাধ্যমে বিদায় নেবেন দেবী দুর্গা। দশমীর দিন বিকেল ৩টার পর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের কথা বলা হয়েছে। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃত্বে পলাশীর মোড় থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা বের হয়ে সদরঘাটের ওয়াইজ ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন হবে।
৬ দিন আগে
মণ্ডপে মণ্ডপে বাজছে ঢাক-কাঁসরের বাদ্য, চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সুবাস। শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে আনন্দের জোয়ারে ভেসেছে সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলো। ষষ্ঠীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাসপ্তমী। বিশুদ্ধ মন্ত্রোচ্চারণ ও দেবী দর্শনে সকাল থেকেই মণ্ডপগুলোতে ঢল নেমেছে ভক্তদের।দেবীর কাছে ভক্তদের আকুল প্রার্থনা- শান্তি, সংহতি, শক্তি ও বিশ্ব কল্যাণের। তবে মহাসপ্তমীর গভীর তাৎপর্য কেবল ধর্মীয় আচারের সীমানায় আবদ্ধ নয়, এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো অশুভের বিরুদ্ধে মানবীয় শুভবোধের জাগরণ, প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং সাম্য ও সম্প্রীতির সমাজ গঠন।মহাসপ্তমীর অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় অঙ্গ ‘নবপত্রিকা’ বা সাধারণ ভাষায় ‘কলাবউ’ স্থাপন। কলাগাছের সঙ্গে কচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানগাছ একত্রে বেঁধে স্নান করানোর পর নতুন শাড়িতে ভূষিত করে মণ্ডপে স্থাপন করা হয়।নবপত্রিকার এই নয়টি উদ্ভিদ মূলতঃ ব্রহ্মাণী, কালিকা, উমা থেকে শুরু করে দেবীর নয়টি মহাশক্তির প্রতীক। দুর্গাপূজার মূল কেন্দ্রে দেবী প্রতিমা থাকলেও মহাসপ্তমীতে সরাসরি উদ্ভিদকে পূজার অংশ বানিয়ে মূলত প্রকৃতির প্রতি মানুষের পরম কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করা হয়।কারণ, এসব উদ্ভিদ মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, কৃষি ও বেঁচে থাকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। তবে সচেতন মহলের মতে, কেবল আচার পালনে প্রকৃতি পূজা সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে গাছপালা সংরক্ষণ, জলাশয় দূষণমুক্ত রাখা এবং পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগী হওয়াই নবপত্রিকার আসল বার্তা।সপ্তমীর অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো দেবীর ‘মহাস্নান’। দর্পণে দেবীমূর্তির প্রতিফলন ঘটিয়ে গঙ্গা জল, দুধ, মধু ও সুগন্ধি উপাচারে দেবীকে স্নান করানো হয়, যা বাহ্যিক ও আত্মিক শুদ্ধতার প্রতীক। এ স্নান মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অন্যের অধিকার হরণ, অহংকার, বৈষম্য বা হিংসা পুষে রেখে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় নীতি-নৈতিকতার পূর্ণতা আসে না। সমাজে দুর্বল ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমেই ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকৃত সামাজিক বহিঃপ্রকাশ ঘটে।পৌরাণিক কথনে মহিষাসুর বধের ঘটনাটি শুভ ও অশুভ শক্তির চিরন্তন সংঘাত নির্দেশ করে। দেবী দুর্গার দশ হাত ও দশ অস্ত্র মূলত অন্যায়কে প্রতিরোধ করে ন্যায় প্রতিষ্ঠার শক্তিকে নির্দেশ করে। দেবীর পাশে থাকা লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ- যথাক্রমে সমৃদ্ধি, জ্ঞান, বীরত্ব ও বুদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করেন।রূপক অর্থে জ্ঞান ছাড়া সমৃদ্ধি অন্ধ, সাহস ছাড়া ন্যায় অসম্ভব এবং বুদ্ধি ছাড়া শক্তির সঠিক ব্যবহার অসম্ভব।বাঙালির ঘরোয়া সংস্কৃতিতে দেবীর এই আগমন শুধু ঈশ্বর আরাধনা নয়, বরং পিতৃগৃহে কন্যাসন্তানের ফিরে আসার গভীর পারিবারিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। পাশাপাশি, প্রতিমাশিল্পী, মৃৎশিল্পী, ঢাকি, আলোকসজ্জাকর্মী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের শ্রমে এই উৎসব রূপ নেয় এক বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক মিলনমেলায়।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মহাসপ্তমীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা। উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন প্রতিটি নাগরিক কোনো ধরনের ভয় ছাড়া নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন।ঢাকিদের ঢাকের বাদ্য একসময় থেমে যাবে, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস, প্রকৃতির প্রতি যত্ন এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা যেন নাগরিক আচরণে সদা জাগ্রত থাকে, এটাই মহাসপ্তমীর মূল অঙ্গীকার।
১ সপ্তাহ আগে