ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প

শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন। সফরের শুরুতে শি জিনপিংকে ‘মহান নেতা’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প দুই দেশের মধ্যে একটি ‘অসাধারণ ভবিষ্যতে’র স্বপ্ন দেখছেন বলে মন্তব্য করেন। ১৪ মে বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার প্রারম্ভিক বক্তব্যে ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্টকে তার ‘বন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করেন এবং এই বৈঠককে নিজের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বলে উল্লেখ করেন। যদিও এই সম্মেলনটি ব্যাপক জাঁকজমক ও প্রতীকী অর্থে গুরুত্বপূর্ণ, তবে বাণিজ্য, তাইওয়ান ইস্যু কিংবা ইরান যুদ্ধের মতো জটিল বিষয়গুলোতে বড় ধরনের কোনো নাটকীয় সাফল্যের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন যে, অতীতে দুই দেশের মধ্যে নানা বিষয়ে মতভেদ থাকলেও তারা টেলিফোনে আলাপচারিতার মাধ্যমে খুব দ্রুত সেগুলোর সমাধান করেছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আপনি একজন মহান নেতা, অনেকে হয়তো আমার এই বলাটা পছন্দ করেন না, কিন্তু সত্য এটাই যে আপনি মহান। আমাদের একসঙ্গে একটি চমৎকার ভবিষ্যৎ রয়েছে।’ নিজের এই সফরে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদেরও সঙ্গে নিয়ে এসেছেন, যার মধ্যে এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং এবং টেসলার ইলোন মাস্কের মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য হলো চীনের সঙ্গে কৃষি পণ্য ও যাত্রীবাহী বিমান বিক্রির চুক্তি ত্বরান্বিত করা এবং একটি স্থায়ী বোর্ড গঠন করা যাতে ভবিষ্যতে গত বছরের মতো শুল্ক যুদ্ধ বা বাণিজ্য যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।আলোচনার শুরুতে শি জিনপিং বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থিরতা ও রূপান্তরের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত এক শতাব্দীতে বিশ্ব এমন পরিবর্তনের সাক্ষী হয়নি এবং বর্তমান এই অস্থির সময়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতিশীল সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি।শি জিনপিং তার বক্তব্যে ‘থুসিডাইডস ট্র্যাপ’ বা উদীয়মান শক্তির সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত শক্তির অনিবার্য সংঘাতের তত্ত্বটি উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, দুই দেশ কি এই ফাঁদ এড়িয়ে সম্পর্কের একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে? তিনি আরও জানান, সারা বিশ্ব এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে এবং মানবজাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে দুই দেশের সংঘাতের বদলে সহযোগিতার পথে হাঁটা উচিত।সৌহার্দ্যপূর্ণ আবহে আলোচনা শুরু হলেও বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এই সম্মেলনের কেন্দ্রে রয়েছে। বিশেষ করে তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন এবং ফেনটানিল পাচার রোধে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের অতৃপ্তি আলোচনার টেবিলে ছায়া ফেলতে পারে। অন্যদিকে শি জিনপিং ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। দুই দিনের এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। শুক্রবার দুপুরে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি ব্যক্তিগত বৈঠকের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প তার এই ঐতিহাসিক বেইজিং সফর শেষ করবেন বলে জানা গেছে।সূত্র: এনডিটিভি

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

কয়েকদিন পর বিয়ের সানাই বাজানোর কথা ছিল যে বাড়িতে, সেই বাড়িতেই এখন শুধুই কান্নার শব্দ। নেই আনন্দের কোলাহল, নেই বিয়ের প্রস্তুতির ব্যস্ততা। স্বজনদের চোখে এখন শুধু অশ্রু আর অপেক্ষা, চার ভাইয়ের লাশ দেশে ফেরার অপেক্ষা।১৩ মে বুধবার ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর থেকে চার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে দেশটির পুলিশ।ওমানে থাকা একই এলাকার বাসিন্দা ও নিহতদের মামাতো ভাই বাবুর মাধ্যমে প্রথমে দেশে পৌঁছে এ হৃদয়বিদারক সংবাদ। পরে লালানগর ইউনিয়নের মো.ইয়াকুব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বান্দারাজার পাড়া এলাকার একই পরিবারের চার সহোদর রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে ওমানে অবস্থান করছিলেন চারভাই। তাদের এক ভাইয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ায় ঘরে চলছিল আনন্দের প্রস্তুতি। খুব শিগগিরই দুই ভাইয়ের দেশে ফেরার কথা ছিল। বিয়ের কেনাকাটা করতেই চার ভাই একসঙ্গে বের হয়েছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে ওঠে জীবনের শেষ যাত্রা।জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন একটি গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে তারা গাড়ির ভেতরে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এতে এসির গ্যাস লিকেজ বা বিষক্রিয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।বর্তমানে চার ভাইয়ের লাশ রোস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে এবং মাস্কাটে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে

হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। ১৪ মে বৃহস্পতিবার সকালে কারাগার থেকে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। গত ৭ মে দীপু মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় প্রসিকিউশন। পরে তাদের হাজিরের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।ওই দিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা ও মোজাম্মেল বাবু। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লা একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা

  • ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩

    ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩

  • শুরু হলো ট্রাম্প-শি জিনপিংয়ের বৈঠক

    শুরু হলো ট্রাম্প-শি জিনপিংয়ের বৈঠক

  • লেবাননে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত

    লেবাননে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধি সংশোধনে তুলনামূলক চিত্র তৈরির নির্দেশ

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধি সংশোধনে তুলনামূলক চিত্র তৈরির নির্দেশ

  • এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

    এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

সব খবর

সব খবর

পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন

পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন

পাবনায় চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন থেকে চারটি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে আন্তঃনগর ‘মধুমতি এক্সপ্রেস’। চারটি বগি রেখেই প্রায় ৪০০ গজ সামনে এগিয়ে যায় ট্রেনটি।১৪ মে বৃহস্পতিবার সকালে আজিমনগর ও ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আনোয়ার হোসেন।পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মোশাররফ হোসেন বলেন, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলার আজিমনগর স্টেশন অতিক্রম করে ঈশ্বরদী অভিমুখে আসছিল।পথে সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে আজিমনগর স্টেশন এলাকায় এই ‘ইঞ্জিন পাটিং’-এর ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের বগির সংযোগস্থল বা ‘হুক’ খুলে গেলে পেছনের চারটি বগি লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে পড়ে।এদিকে বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে চালক বুঝতে না পারায় ইঞ্জিনটি প্রায় ৪০০ গজ সামনে এগিয়ে যায়। প্রায় ২০ মিনিট চেষ্টার পর সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।ট্রেনের যাত্রী ইয়ানা আফরোজ শ্রাবণী বলেন, “আজিমনগর স্টেশন পার হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ করে আমাদের বগিগুলো থেমে যায়। জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি ইঞ্জিন আমাদের রেখে সামনে চলে গেছে। ওই সময় যাত্রীদের মধ্যে প্রচণ্ড আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।”প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় চা বিক্রেতা আমিরুল ইসলাম বলেন, “ইঞ্জিনটি বগিগুলো ফেলে অনেক দূর চলে গিয়েছিল। প্রায় আধা ঘণ্টা পর চালক ইঞ্জিনটি পুশ ব্যাক (পিছনে নিয়ে আসা) করে বগিগুলোর সাথে পুনরায় সংযুক্ত করেন।”ডিআরএম আনোয়ার হোসেন বলেন, “চালক দ্রুত বিষয়টি টের পাওয়ায় বড় কোনো বিপদ ঘটেনি। রেলকর্মীরা দ্রুততার সাথে বগিগুলো পুনরায় সংযুক্ত করেছেন। এই সাময়িক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত।”বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাইয়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বিজেপি সরকার । এই নির্দেশনার আওতায় রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে তারা। ১৩ মে বুধবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া গরু, ষাঁড় বা মহিষের মতো কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, যা রাজ্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।নতুন এই সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষর করা সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই বিধিনিষেধ গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং স্ত্রী ও পুরুষ মহিষসহ সব ধরনের গবাদি পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। জবাইয়ের উপযোগী হিসেবে সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পশুর বয়স অবশ্যই ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী হতে হবে। এ ছাড়া গুরুতর আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে কোনো পশু স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে তবেই সেটিকে জবাইয়ের জন্য বিবেচনা করা হতে পারে।পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজ্য সরকার বিজেপি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমতিপ্রাপ্ত পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্থানেই জবাই করতে হবে। রাস্তাঘাট বা জনসমাগমপূর্ণ কোনো খোলা জায়গায় পশু জবাই করা এখন থেকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।নিয়মটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা তদারকি করার জন্য পৌর চেয়ারম্যান, পঞ্চায়েত সভাপতি বা অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তারা যেকোনো স্থাপনা বা চত্বর পরিদর্শন করতে পারবেন। এই পরিদর্শন কাজে বাধা দেওয়াকেও আইনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।শাস্তির বিধানে বলা হয়েছে, এই নতুন আইনের যেকোনো ধারা ভঙ্গ করলে অপরাধীকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত জরিমানা, ছয় মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এ ছাড়া এই সংক্রান্ত সব ধরনের অপরাধকে ‘আমলযোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই এই আমূল পরিবর্তন আনা হলো। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীর জয় এবং নতুন সরকারের এই ত্বরিত সিদ্ধান্তগুলো পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্র: এনডিটিভি

সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন

সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন

ভারতীয় কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে শারীরিক জটিলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যা না থাকায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল। এরপর সোনিয়াকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (১৩ মে) নয়াদিল্লির গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এরমাধ্যমে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ নিয়ে মোট তিনবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় ৭৯ বছর বয়সী রাজ্যসভার এই সদস্যকে।কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ এক বিবৃতিতে বলেছেন ‘সিপিপি-র চেয়ারপার্সন শ্রীমতী সোনিয়া গান্ধী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে এখন বাড়ি ফিরেছেন।’এর আগে জানুয়ারির শুরুতে শ্বাসকষ্টজনিত অস্বস্তির কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেত্রীকে। তখন চিকিৎসকরা দিল্লির শীত ও ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে সৃষ্ট ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমার মৃদু প্রকোপে শরীরে সিস্টেমিক ইনফেকশন ধরা পড়ে।দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে হাসপাতালের একটি সূত্র বলেছে, সোনিয়া গান্ধী দীর্ঘস্থায়ী কাশির সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে দিল্লির বায়ুদূষণের কারণে তাকে নিয়মিত বিরতিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আসতে হয়।রাজ্যসভায় যাওয়ার আগে পাঁচবারের লোকসভা সাংসদ সোনিয়া গান্ধী দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কংগ্রেস দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রী হিসেবে রয়েছেন। তিনি দুই মেয়াদে কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন এবং দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু

যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু

ইরানের সঙ্গে দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ চলার সময় লুকিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গতকাল বুধবার (১৩ মে) নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।তিনি আমিরাতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ওই বৈঠকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ঐতিহাসিক ব্রেকথ্রু হয়।তবে নেতানিয়াহুর এ দাবি অস্বীকার করেছে আমিরাত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যে সফরের কথা বলা হচ্ছে এটির কোনো অস্তিত্ব নেই। এছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এ ধরনের লুকানো সফরের ওপর ভিত্তি করে নয়।যুদ্ধ চলার সময় আমিরাতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমিরাতের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।নেতানিয়াহুর সফরের কথা অস্বীকার করে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমিরাত তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য এবং সবকিছু অতিপরিচিত আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমেই হয়। ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অস্চ্ছ বা অনানুষ্ঠানিক কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে নয়।”২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত। ওই সময় তাদের সঙ্গে বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদানও যোগ দিয়েছিল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর আমিরাতে আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠায় ইসরায়েল। যেগুলো পরিচালনার জন্য ইসরায়েলি সেনারাও দেশটিতে প্রবেশ করেন।

‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান

‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান

বলিউডের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন বরুণ ধাওয়ান। অভিনেতা বর্তমানে তার আসন্ন ছবি ‘হ্যায় জাওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর প্রচারণায় ব্যস্ত-এমন মুহূর্তেই তার প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর খবরটি প্রকাশ্যে এলো।প্রযোজনা সংস্থার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বরুণ ধাওয়ানের এই সিনেমায় অভিনয় করার যে জল্পনা ছিল, তার এখন আর কোনো ভিত্তি নেই। সূত্রটি জানায়, ‘বরুণ ধাওয়ানের অংশগ্রহণের খবরটি এখন সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। তিনি বর্তমানে তার পরবর্তী সিনেমার প্রচারণায় পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছেন।’ বরুণের এই হঠাৎ প্রস্থানের পর সিনেমার কাজ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে বরুণ সরে গেলেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে অভিনেতা শাহিদ কাপুরকে নিয়ে। বি-টাউনের অন্দরের খবর, ‘নো এন্ট্রি ২’-এর নির্মাতাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে প্রাথমিক আলোচনা সেরেছেন শাহিদ।তিনি সিনেমার মূল ধারণাটি শুনেছেন এবং খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ চিত্রনাট্য শুনতে পারেন। যদিও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে শাহিদের অভিনয়ের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর জনপ্রিয় অভিনেতা ও গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জও এই সিক্যুয়েল থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় সৃজনশীল মতপার্থক্যের গুঞ্জন উঠলেও প্রযোজক বনি কাপুর জানিয়েছিলেন, মূলত শিডিউল জটিলতার কারণেই দিলজিৎ সিনেমাটি করতে পারেননি। তবে একের পর এক তারকা সরে গেলেও সূত্রমতে, অর্জুন কাপুর এখনো এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া আনিস বাজমি পরিচালিত ‘নো এন্ট্রি’ ছিল বক্স অফিসে সুপারহিট। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সালমান খান, অনিল কাপুর ও ফরদিন খানসহ একঝাঁক তারকা। ২০২৪ সালে বনি কাপুর এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি দীর্ঘ সময় পুরনো কাস্ট নিয়ে কাজ করার অপেক্ষা করেছিলেন।

গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরের টঙ্গীতে পানিতে ডুবে দুই যুবক এবং জয়দেবপুর জংশন সংলগ্ন ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে আরও দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাতে পৃথক দুটি ঘটনায় ওই যুবকদের মৃত্যু ঘটে।গাজীপুরের টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শাহীন আলম জানান, বুধবার রাতে তুরাগ নদীতে পানিতে ডুবে দুই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন তুরাগ থানার ইদ্রিস মিয়ার ছেলে ইমরান হোসেন (১৬) এবং একই এলাকার রানা মিয়ার ছেলে নোমান(১৬)।তিনি বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।একই রাতে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের গাজীপুরের ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে আরও দুই যুবকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজনের দাবি, তারা টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।জয়দেবপুর জংশন রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. আব্দুল কাইয়ুম জানান, নিহতদের একজনের বয়স আনুমানিক ২০ বছর এবং অন্যজনের বয়স প্রায় ৩৫ বছর।তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।টিকটক করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”

টিকাদানে হামের সংক্রমণ কমেছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

টিকাদানে হামের সংক্রমণ কমেছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

দেশে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, এটি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। প্রথম পর্যায়ের টিকাদানের ফলে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রতিটি শিশুর জীবন অমূল্য এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে হাম নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদফ্তরের মহাপরিচালক।তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে হামের সংক্রমণ বেড়েছে এবং বাংলাদেশেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দ্রুত ও সমন্বিতভাবে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।সভায় জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের প্রথম পর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় শুরু হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী প্রতিটি এলাকায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করা যায়।ডিএইচআইএস-২-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, প্রথম পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের পর শরীরে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে। সে কারণে আমরা আশাবাদী যে, শীঘ্রই দেশে গ্রামের সংক্রমণ কমে আসবে।মহাপরিচালক বলেন, ‘‘আমি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেসব শিশু এখনও টিকা পায়নি, এমনকি যারা নিয়মিত ইপিআইয়ের আওতায় দুই ডোজ হাম রুবেলা টিকা পেয়েছে, তারাও যেন এই ক্যাম্পেইনের আওতায় হাম রুবেলা টিকা নেয়।’’নির্ধারিত বয়সসীমার অনেক শিশু এখনও টিকাদানের আওতার বাইরে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘হাম নির্মূল ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই লক্ষ্যে র‌্যাপিড কনভেনিয়েন্স মনিটরিং (আরসিএম) অ্যাপের মাধ্যমে টিকাবঞ্চিত শিশুদের শনাক্ত করে তাদের টিকার আওতায় আনতে কাজ করছে সরকার। দেশব্যাপী পোস্টার, লিফলেট, ইনফোগ্রাফিক, উদ্বুদ্ধমূলক ভিডিও বার্তা, টক শো এবং টেলিভিশন স্ক্রলিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’’এ ছাড়াও বিশেষ সান্ধ্যকালীন টিকাদান সেশন, শুক্রবারভিত্তিক বিশেষ সেশন এবং সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য মোবাইল টিকাদান টিম গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) নিয়মিত কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে প্রদেয় হাম-রুবেলা টিকাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব টিকার সরবরাহ ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে সরকার বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইউনিসেফের সহায়তায় ১০টি ভিন্ন ধরনের প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ ডোজ জীবনরক্ষাকারী ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মে মাস থেকেই বড় পরিসরে এই ভ্যাকসিন দেশে আনা শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩ মে থেকে এ পর্যন্ত বিসিজি ভ্যাকসিন দুই লাখ ৭৪ হাজার ভায়াল, ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন (ওপিভি) এক লাখ ৪০ হাজার ভায়াল, হাম-রুবেলা (এমআর) ভ্যাকসিন ছয় লাখ ৪৫ হাজার ডায়াল, আইপিভি (আইপিভি) এক লাখ ৩৬ হাজার ৮১৬ ভায়াল, পেনটা (পেনটা) দুই লাখ ৪৫ হাজার ৪৫০ ভায়াল, টিডি (টিডি) ভ্যাকসিন ৩ লাখ ৫ হাজার ভায়াল দেশে গৌঁছেছে। বর্তমানে টাইফয়েড ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক। তিনি বলেন, নতুন এই সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার ফলে আগামীতে দেশে কোনও ধরনের ভ্যাকসিন সংকট থাকবে না। ধারবাহিকভাবে চলতি মাসজুড়ে আরও ভ্যাকসিন আমাদের সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হবে, যা জাতীয় টিকাদান বার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি আরও বলেন, দেশে এর আগে এত স্বল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন দেশে আনা পূর্বে কখনো সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় সরবচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান প্রমুখ।

নিলামে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিলামে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিলামের মাধ্যমে আরও ২৫ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ২টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।চলতি মে মাসে মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ বা ৫.৮৪ বিলিয়ন ডলার।

হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে

হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। ১৪ মে বৃহস্পতিবার সকালে কারাগার থেকে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। গত ৭ মে দীপু মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় প্রসিকিউশন। পরে তাদের হাজিরের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।ওই দিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা ও মোজাম্মেল বাবু। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লা একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধি সংশোধনে তুলনামূলক চিত্র তৈরির নির্দেশ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধি সংশোধনে তুলনামূলক চিত্র তৈরির নির্দেশ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দেশীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের তাগিদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দেশীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের তাগিদ

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ

২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প

শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ

সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন

সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা

ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩

ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২২৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচসহ দলের মোট ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১২ মে) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে এই হিসাব বিবরণী জমা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত ওই হিসাব বিবরণী অনুযায়ী, নির্বাচনে দলটির মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। এর মধ্যে ২২৫ জন প্রার্থীর বিপরীতে দলের পক্ষ থেকে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যেখানে গড়ে প্রতি প্রার্থী দল থেকে প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা করে পেয়েছেন।নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তথ্যে ব্যয়ের খাতগুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটির নির্বাচনী খরচের তালিকায় রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আইসিসিতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার খরচ।খাতওয়ারি ব্যয়ের বিবরণে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং পরিবহন খাতে ৮ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া জনসভা ও সফর বাবদ ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৯ টাকা, স্টাফ খরচ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০২ টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪ টাকা ব্যয় করেছে দলটি। বিবিধ খরচ হিসেবে আরও ২ লাখ টাকার হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

অপরাধের সঙ্গে দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: আমান

অপরাধের সঙ্গে দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: আমান

তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই গণতন্ত্র হত্যা করছেন: আসিফ মাহমুদ

তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই গণতন্ত্র হত্যা করছেন: আসিফ মাহমুদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এনসিপির ১০০ প্রার্থী ঘোষণা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এনসিপির ১০০ প্রার্থী ঘোষণা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন

পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন

গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু

মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বেদে পরিবারের সদস্য পেয়ারা বেগম ও সাথী বেগমের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও দখলচেষ্টার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। ১৪ মে বৃহস্পতিবার সকালে মতলব উত্তর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী জহিরুল হক প্রধান।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালাম হোসেন, বিশা বেপারী, মনজুর আলম, জহির প্রধান, শহীদুল্লাহ, হারুন, আবু কালাম, বাবুল'সহ স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এ সময় শিকিরচর গ্রামের বাসিন্দাদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, বেদে পেয়ারার পরিবারের অত্যাচার ও মিথ্যা মামলার যন্ত্রণায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে গণস্বাক্ষরও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা।লিখিত বক্তব্যে জহিরুল হক প্রধান জানান, তার বাবা ১৯৮৫ সালে জনাব মকবুল হোসেনের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে একটি জায়গা লিজ নেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি নিজ নামে লিজ গ্রহণ করে সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত ওই স্থানে দোকান পরিচালনা করেন তিনি। পরে পৌরসভার উদ্যোগে ম্যুরাল নির্মাণের কথা বলে দোকানটি ভেঙে ফেলা হলেও আর কোনো নির্মাণকাজ হয়নি।তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালে পেয়ারা বেগম জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেন। সে সময় তিনি বিদেশে থাকায় সুযোগ নিয়ে তার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা করে ভাড়া আদায় করেন পেয়ারা বেগম।জহিরুল আরও বলেন, চলতি বছরের ৫ রমজানে তিনি দোকানটি মেরামতের জন্য ভাড়াটিয়াকে নির্দেশ দিলে পেয়ারা বেগম স্থানীয় বণিক সমিতির কাছে অভিযোগ করেন। পরে বণিক সমিতির সভাপতি উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে রমজানের পর সালিশের সিদ্ধান্ত দিলেও পেয়ারা বেগম সেখানে উপস্থিত হননি।সংবাদ সম্মেলনে তিনি একাধিক মামলার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে মামলা নং-২৬৯/২০২৬ এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় তাকে, রেজাউল করিম প্রধান, আনোয়ার হোসেন ও আমিরুল ইসলামকে আসামি করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এছাড়া ৪ মে দায়েরকৃত আরেকটি মামলায় ১৪৩/৩৮৫/৩৭৯/৩৮০/৪২৭/৫০৬ ধারায় অভিযোগ এনে ৫ মে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে ওই মামলায় আসামিপক্ষ জামিনে রয়েছেন।জহিরুল হক প্রধানের অভিযোগ, ১২ মে সন্ধ্যায় পেয়ারা বেগম নিজ কাপড়ে নিজেই আগুন লাগিয়ে থানায় গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন। এটি সম্পূর্ণ নাটক ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কালাম হোসেন নামের আরেক ভুক্তভোগীও। তিনি বলেন, কিস্তিতে কেনা একটি অটোরিকশা নিয়ে বিরোধের জেরে পেয়ারা বেগম তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা থেকে রেহাই পেতে তাকে ঘুষ ও জরিমানাসহ বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে নিজের অটোরিকশাটি বিক্রি করে দেন বলেও দাবি করেন তিনি।ভুক্তভোগীরা স্থানীয় প্রশাসন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এবং চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের কাছে আইনি প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

কোটালীপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪তম সুকান্ত মেলার উদ্বোধন

কোটালীপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪তম সুকান্ত মেলার উদ্বোধন

টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ওসি মনিরুল হক ডাবলুকে বিদায় সংবর্ধনা

টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ওসি মনিরুল হক ডাবলুকে বিদায় সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত লিটন আটক

কিশোরগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত লিটন আটক

সেশনজট বন্ধে সমন্বিত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ব্যবস্থা চালু করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সেশনজট বন্ধে সমন্বিত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ব্যবস্থা চালু করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ারিসহ গ্রেফতার ৩

ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ারিসহ গ্রেফতার ৩

গোবিন্দগঞ্জে দাখিল পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নপত্র ও খাতাসহ আটক ১

গোবিন্দগঞ্জে দাখিল পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নপত্র ও খাতাসহ আটক ১

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে টাইগারদের প্রথম জয় এটি। এতে ৩ ম্যাচে ১টি করে জয়-হার ও ড্রতে ৪৪.৪৪ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে উঠল বাংলাদেশ।পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট খেলতে নামার আগে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে অষ্টম স্থানে ছিল স্বাগতিকরা।এই চক্রে এটি দ্বিতীয় দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাংলাদেশের। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ খেলেছিল টাইগাররা। শ্রীলঙ্কা সফরে দুই ম্যাচের সিরিজের ১টিতে জয় ও ১টিতে ড্র করেছিল তারা।বাংলাদেশের কাছে প্রথম টেস্ট হেরে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম থেকে সপ্তম স্থানে নেমে গেল পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ১ জয় ও ২ হারে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট আছে তাদের। নিজেদের প্রথম সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ১-১ সমতায় শেষ করেছিল পাকিস্তান।এই তালিকায় সবার উপরে আছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ৮ ম্যাচে ৭ জয় ও ১ হারে ৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট আছে অসিদের। ৭৭.৭৮ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। ৩ ম্যাচ খেলে ২টিতে জয় ও ১টিতে ড্র করেছে কিউইরা।এরপর তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে যথাক্রমে- দক্ষিণ আফ্রিকা (৪ ম্যাচে ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট), শ্রীলঙ্কা (২ ম্যাচে ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট) এবং ভারত (৯ ম্যাচে ৪৮.১৫ শতাংশ পয়েন্ট)।অষ্টম ও নবম স্থানে আছে ইংল্যান্ড (১০ ম্যাচে ৩১.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৮ ম্যাচে ৪.১৭ শতাংশ পয়েন্ট)।সূত্র: বাসস

রানার ফাইফারে পাকিস্তানকে উড়িয়ে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়

রানার ফাইফারে পাকিস্তানকে উড়িয়ে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়

নাহিদের আগুনঝরা বোলিংয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

নাহিদের আগুনঝরা বোলিংয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ

অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

মিরাজের ফাইফারে অলআউট পাকিস্তান, বাংলাদেশের লিড

মিরাজের ফাইফারে অলআউট পাকিস্তান, বাংলাদেশের লিড

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান

‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’র সেন্সর বাতিল

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’র সেন্সর বাতিল

অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীরের ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সের বাতিল করা হয়েছে। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বুধবার (১৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি।মাসুমা রহমান তানি জানান, সিনেমার একজন সহ-অভিনেত্রীর অভিযোগই ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর বাতিল করা হয়েছে।বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি বলেন, “আমরা চলচ্চিত্রটির সেন্সর দিয়েছিলাম। তখন এটির বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নামে প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত একজন লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জেবা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ একটি নাটক বলে তার সঙ্গে চুক্তি করা হয় বলে জানান। পরে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়ার পরকিল্পনা করলে তিনি আমাদের কাছে অভিযোগ করেন। তার সঙ্গে নাটকের চুক্তি হয়েছে, সিনেমার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। সে জন্যই আমরা এর মুক্তির অনুমতি বাতিল করেছি।”এই প্রজেক্টে বাংলাদেশের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমীও অভিনয় করেছেন। দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামে একটি প্রজেক্টে চুক্তি করেন তিনি। সম্প্রতি তিনিও বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন।মৌসুমী এক অডিওতে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা এক ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়। কিছুদিন পর নির্মাতা এসে বলেন, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে, আমরা টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচার করতে চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি। কিন্তু খবরে দেখছি, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি।’‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে জেবার অভিযোগ ছিল, তাকে নাটকের কথা বলে কাজ করিয়েছিলেন সিনেমার পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীর। কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে পড়েন এই অভিনেত্রী। এক পর্যায়ে জানতে পারেন, এটি সিনেমা হিসেবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে শক্ত অবস্থান নেন জেবা।‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এ মৌসুমী, হাসান জাহাঙ্গীর ও জেবা জান্নাত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর কান-এ শুরু হচ্ছে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসরগুলোর একটি কান চলচ্চিত্র উৎসব। মঙ্গলবার (১২ মে) ৭৯তম এই আয়োজন শুরু হবে। আগামী ২৩ মে পর্যন্ত চলা এ উৎসবকে ঘিরে এরই মধ্যে জমে উঠেছে ভূমধ্যসাগর তীরের ছোট্ট এই শহর। বিশ্বের নামকরা নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কান এখন পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক সিনেমার প্রাণকেন্দ্রে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় কান শহরের ঐতিহ্যবাহী ‘পালে দে ফেস্টিভাল এ দে কঁগ্রে’ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত রেড কার্পেট আয়োজন, যেখানে অংশ নেবেন বিশ্বের খ্যাতিমান তারকারা। এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় থাকছেন ফরাসি অভিনেত্রী আইসা মাইগা। অন্যদিকে প্রধান প্রতিযোগিতা বিভাগের জুরি বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রখ্যাত নির্মাতা পার্ক চান-উক।উৎসব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পেয়েছে ২১টি চলচ্চিত্র।মর্যাদাপূর্ণ ‘পাম দ’র’ পুরস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সমসাময়িক বিশ্ব সিনেমার একাধিক খ্যাতিমান পরিচালক। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের আসগর ফারহাদি,স্পেনের পেদ্রো আলমোদোভার, জাপানের হিরোকাজু কোরে-এদা, পোল্যান্ডের পাওয়েল পাভলিকোভস্কি এবং জাপানের রিউসুকে হামাগুচি।এবারের প্রতিযোগিতা বিভাগে আলোচনায় থাকা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে পেদ্রো আলমোদোভারের বিটার ক্রিসমাস, ক্রিস্টিয়ান মুঙ্গিউয়ের ফিয়র্ড, পাওয়েল পাভলিকোভস্কির ফাদারল্যান্ড, আসগর ফারহাদির প্যারালাল টেলস, রিউসুকে হামাগুচির অল অব আ সাডেন এবং হিরোকাজু কোরে-এদার শিপ ইন দ্য বক্স। চলতি আসরে হলিউড নির্ভরতার পরিবর্তে আন্তর্জাতিক ও স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একমাত্র নির্মাতা হিসেবে অংশ নিচ্ছেন ইরা স্যাক্স। তার নির্মিত দ্য ম্যান আই লাভ চলচ্চিত্রটি আশির দশকের নিউইয়র্কে এইডস সংকটের প্রেক্ষাপটে নির্মিত।উৎসবের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ফরাসি নির্মাতা পিয়ের সালভাদোরি পরিচালিত রোমান্টিক সিনেমা দ্য ইলেকট্রিক কিস। এছাড়া বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রিমিয়ার বিভাগে প্রদর্শিত হবে হলিউড অভিনেতা জন ট্রাভোল্টা পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র প্রপেলার: ওয়ান-ওয়ে নাইট কোচ।চলচ্চিত্রে আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের সম্মানসূচক ‘পাম দ’র’ প্রদান করা হবে নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি পরিচালক পিটার জ্যাকসন এবং মার্কিন সংগীত ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব বারব্রা স্ট্রাইস্যান্ডকে। উৎসব চলাকালে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বিশ্ব প্রিমিয়ার, সংবাদ সম্মেলন এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজার কার্যক্রম একযোগে চলবে। প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের শতাধিক দেশের চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মিলনায়তনে পরিণত হবে কান শহর।যদিও এবারের আসরের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিপাদ্য ঘোষণা করা হয়নি, তবুও নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের অংশগ্রহণ, বিশ্ব সিনেমার বৈচিত্র্য এবং নারী-পুরুষ চলচ্চিত্রকারদের প্রতিনিধিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৩ মে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব চলচ্চিত্রপ্রেমীদের বহুল প্রতীক্ষিত এই আয়োজন। তবে পুরো উৎসবজুড়ে আন্তর্জাতিক সিনেমা অঙ্গনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে ফ্রান্সের কান শহর।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বাংলাদেশি মায়েরা

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বাংলাদেশি মায়েরা

মা—এই শব্দের আরেক নাম আশ্রয়, ভালোবাসা ও মমতা। একজন মা কর্মজীবী হোন কিংবা গৃহিণী, প্রতিদিনের অসংখ্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের জন্য খুব সামান্য সময়ই বের করতে পারেন। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো মায়েদের জন্য তৈরি করেছে নতুন এক সম্ভাবনার জগৎ।দিনের ব্যস্ততা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছুটা সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে অনেক মা এখন খুঁজে পাচ্ছেন বিনোদন ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ। শুধু দর্শক হিসেবেই নয়, অনেকেই হয়ে উঠছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। নিজেদের বাস্তব জীবনের গল্প, পরিবার, রান্নাবান্না কিংবা ছোট ছোট আনন্দঘন মুহূর্ত ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরছেন তারা, যা সহজেই জায়গা করে নিচ্ছে দর্শকদের মনে।নতুন প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ডিজিটাল ফিচার ব্যবহার অনেক অভিভাবকের জন্য এখনও কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। তবে TikTok-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করাকে সহজ করে দিয়েছে। সংসার ও পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি নিজেদের সৃজনশীলতা ধরে রাখছেন অনেক মা, যা তাদের ভিডিও কনটেন্টে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে।বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে সামিহা সাইয়ারা, আরিফা বেগম এবং মাসফিক হোসেন এখন সামাজিক মাধ্যমে বেশ পরিচিত মুখ। আন্তর্জাতিক মা দিবসে তাদের কনটেন্ট যেন মনে করিয়ে দেয়—জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো তৈরি হয় আপন মানুষদের ঘিরেই।সামিহা সাইয়ারা বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লাইফস্টাইল কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ফ্যাশন, স্কিনকেয়ার ও দেশীয় পোশাক নিয়ে তার ভিডিও তরুণীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তবে তার কনটেন্টকে আরও বিশেষ করে তোলে মেয়ের উপস্থিতি। মা-মেয়ের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, মিলিয়ে পোশাক পরা কিংবা উৎসবকেন্দ্রিক ভিডিও দর্শকদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।অন্যদিকে আরিফা বেগম তার রান্না ও পারিবারিক জীবনের নানা মুহূর্তকে ভিডিওতে তুলে ধরেন। বিশেষ উৎসবের আয়োজন, পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না এবং একসঙ্গে খাওয়ার আনন্দ তার কনটেন্টে ফুটে ওঠে আন্তরিকভাবে। সাধারণ ও স্বাভাবিক উপস্থাপনার কারণেই দর্শকদের কাছে তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে।এদিকে মাসফিক হোসেন, যিনি ‘লেইজি পান্ডা’ নামে পরিচিত, মাকে নিয়ে তৈরি করেন ভিন্নধর্মী কমেডি কনটেন্ট। মা-ছেলের খুনসুটি, ট্রেন্ডি চ্যালেঞ্জ ও হাস্যরসাত্মক অভিনয় তার ভিডিওগুলোকে করে তুলেছে দর্শকদের কাছে আরও আকর্ষণীয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় নিখুঁত জীবনের ছবিই বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই বাংলাদেশি মায়েরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তুলে ধরছেন বাস্তব জীবনের গল্প—রান্নাবান্না, ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্ত এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়। আর তাদের এই আন্তরিক উপস্থাপনাই সহজেই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে।

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম। পোশাক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি বেশ আলোচিত থাকেন সবসময়। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের ফ্যাশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন গণমাধ্যমে।মারিয়া মিম বলেন, তার পরনের লাল রঙের ওয়েস্টার্ন পোশাকটি ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে কেনা। ভবিষ্যতে সেখানে গেলে আরও এমন পোশাক কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তার। অনুষ্ঠানে নিজের সাজপোশাক প্রসঙ্গে মিম জানান, কোন ড্রেস পরবেন বা কোন লুকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তার আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকে।সৌদি আরবে অত্যন্ত চমৎকার সব ওয়েস্টার্ন পোশাক পাওয়া যায় উল্লেখ করে মিম বলেন, আমার রেড অনেক পছন্দ, আর রেড পরলে আমাকে অনেক সুন্দর লাগে। আমার এই ড্রেসটা আমি যখন ওমরাহ করতে গিয়েছিলাম, তখন জেদ্দা থেকে কিনেছিলাম। ওখানে ওয়েস্টার্ন ড্রেস অনেক সুন্দর সুন্দর পাওয়া যায়। সো এটা আমার জানা ছিল না। আর নেক্সট টাইম আমি সৌদি আরব গেলে অবশ্যই আরও আরও অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব। সো আমি ওখান থেকেই নিয়েছিলাম এই ড্রেসটা।তবে পোশাকের দাম কত, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিনেমার প্রস্তাব পেলেও চিত্রনাট্য ও সহ-শিল্পী মনের মতো না হওয়ায় কাজে নামা হয়নি। তিনি বলেন, আমি তো সিনেমার অফার অনেক আগে থেকেই পাচ্ছি। বাট ব্যাটে-বলে মিলে না। আরেকটা করছি আমি, ওটার তো শুটিং আরও বাকি আছে। সো হ্যাঁ, যখন আসবে তখন তো অবশ্যই তোমরা দেখতে পারবে।অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। শোবিজ অঙ্গনে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকলেও ব্যক্তিগত নানা জটিলতায় মাঝপথে তাকে থেমে যেতে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে সেই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানেই ব্যক্তিগত জীবন ও প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নে মেজাজ হারান মিম। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের বুম মাইক্রোফোন ছুঁড়ে ফেলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি, যা নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য  বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড আর্টস (বাইফা) অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকবি মাহবুবুল খালিদ। ‘মাগুরার ফুল’ শিরোনামের আলোচিত গান রচনার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।শুক্রবার (৮ মে), বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাইফা পুরস্কারের পঞ্চম আসরের সূচনা হয়। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে মাহবুবুল খালিদ ছাড়াও এবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন- ‘তুমি’ গানের জন্য আইদিদ রশিদ, ‘বাজি’ গানের জন্য ইমন চৌধুরী ও হাশিম মাহমুদ, ‘গুলবাহার’ গানের জন্য ঈশান মজুমদার, ‘লং ডিসটেন্স লাভ’ গানের জন্য শুভেন্দু দাস শুভ।সমসাময়িক সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক সংকট ও সচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গান লিখে আসছেন গীতিকার, সুরকার মাহবুবুল খালিদ। তার লেখা পাঁচ শতাধিক গান ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘খালিদ সংগীত’ প্ল্যাটফর্মে। নিজের অধিকাংশ গানের সুরকারও তিনি। মাগুরায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত ৮ বছর বয়সি শিশু আছিয়াকে নিয়ে লেখা হৃদয়স্পর্শী গান ‘মাগুরার ফুল’-এর জন্য ‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে বাইফা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন মাহবুবুল খালিদ।বাইফার জমকালো এ আয়োজনে দর্শক ভোট ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে গান, নাটক, চলচ্চিত্র, ওটিটি, নৃত্য ও ফ্যাশনসহ মোট ২৯টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবারের আসরে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা গানের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন এবং ঢালিউডের বরেণ্য অভিনেত্রী কোহিনূর আখতার সুচন্দা। তারকাদের পরিবেশনা, ফ্যাশন শো, রেড কার্পেট ও বিশেষ গ্ল্যামার সেগমেন্ট দিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়।বলে রাখা ভালো, বাইফা অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসর থেকে আজীবন সম্মাননা প্রদান শুরু হয়। এর আগে এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা, নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার শামীম আরা নীপা এবং শিবলী মহম্মদ।‘মাগুরার ফুল’ গানটি লেখা হয়েছে মাগুরার সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গত বছরের ৫ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী মাঠপাড়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে।এই নির্মম ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দেয় মাহবুবুল খালিদকে। সেই বেদনা থেকেই তিনি রচনা ও সুর করেন ‘মাগুরার ফুল’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মৌটুসী খান, মৌলি মজুমদার ও মৌমিতা বড়ুয়া। সংগীতায়োজন করেছেন শেখ পুলক ও রোমান রহমান।গানটির শুরুতেই উঠে এসেছে এক শিশুর অপূর্ণ স্বপ্ন আর সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা- “মাগুরার ফুল ছোট্ট মুকুল, ঝরে গেলো ফুটে ওঠার আগেই/ ডাক্তার হবার স্বপ্নটা তার, নিভে গেলো পিশাচের এক ছোবলেই...।” আবেগঘন এই গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে।গানটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যা পরিচালনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। ‘খালিদ সংগীত’ শিরোনামের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

আগামী ১৬ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’। দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে এদিন সকাল ১০টা থেকে এই সম্মেলন শুরু হবে। দিনব্যাপী আয়োজনে সারা দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, সংগঠক ও স্বাধীন চলচ্চিত্রকর্মীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- পলিসি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ডা. জাহেদ উর রহমান।আয়োজনের উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ আলোচনা সভা। এদিন অস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত লিসা গাজীর ‘বাড়ির নাম শাহানা’ এবং আকরাম খানের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘নকশিকাঁথার জমিন’ প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ‘ঢাকার বাইরের চলচ্চিত্র সংসদ’ এবং ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক চলচ্চিত্র সংসদ’—এই দুই বিষয়ের ওপর পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের সংগঠকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।চলচ্চিত্র আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বিএফএফএস পদক ২০২৫ (বর্ষসেরা সংগঠন)’ এবং ‘চলচ্চিত্র সংসদ সম্মাননা ২০২৬ (বিএফএফএস আজীবন সম্মাননা)’। সম্মেলন উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মরণিকাও প্রকাশ করবে আয়োজক সংস্থাটি।উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। সুস্থ চলচ্চিত্র সংস্কৃতি গড়ে তোলা, দর্শক তৈরি ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি অস্কারের জন্য দেশীয় চলচ্চিত্র মনোনয়ন প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করে আসছে এই সংগঠনটি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সম্মেলন দেশের চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেম উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

নিলামে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিলামে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিলামের মাধ্যমে আরও ২৫ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ২টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।চলতি মে মাসে মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ বা ৫.৮৪ বিলিয়ন ডলার।

মে মাসের ১১ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৪৪ কোটি ডলার

মে মাসের ১১ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৪৪ কোটি ডলার

আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ

আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

কয়েকদিন পর বিয়ের সানাই বাজানোর কথা ছিল যে বাড়িতে, সেই বাড়িতেই এখন শুধুই কান্নার শব্দ। নেই আনন্দের কোলাহল, নেই বিয়ের প্রস্তুতির ব্যস্ততা। স্বজনদের চোখে এখন শুধু অশ্রু আর অপেক্ষা, চার ভাইয়ের লাশ দেশে ফেরার অপেক্ষা।১৩ মে বুধবার ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর থেকে চার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে দেশটির পুলিশ।ওমানে থাকা একই এলাকার বাসিন্দা ও নিহতদের মামাতো ভাই বাবুর মাধ্যমে প্রথমে দেশে পৌঁছে এ হৃদয়বিদারক সংবাদ। পরে লালানগর ইউনিয়নের মো.ইয়াকুব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বান্দারাজার পাড়া এলাকার একই পরিবারের চার সহোদর রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে ওমানে অবস্থান করছিলেন চারভাই। তাদের এক ভাইয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ায় ঘরে চলছিল আনন্দের প্রস্তুতি। খুব শিগগিরই দুই ভাইয়ের দেশে ফেরার কথা ছিল। বিয়ের কেনাকাটা করতেই চার ভাই একসঙ্গে বের হয়েছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে ওঠে জীবনের শেষ যাত্রা।জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন একটি গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে তারা গাড়ির ভেতরে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এতে এসির গ্যাস লিকেজ বা বিষক্রিয়াজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।বর্তমানে চার ভাইয়ের লাশ রোস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে এবং মাস্কাটে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ইতালিতে সিজনাল ভিসায় নতুন সুযোগ, বাড়লো ৮ হাজারের বেশি ওয়ার্ক পারমিট

ইতালিতে সিজনাল ভিসায় নতুন সুযোগ, বাড়লো ৮ হাজারের বেশি ওয়ার্ক পারমিট

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

ভেনিসে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ৩ মাসের নবজাতকের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ

ভেনিসে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ৩ মাসের নবজাতকের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

মাদারবোর্ড ডিজাইনে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পেল গিগাবাইট

মাদারবোর্ড ডিজাইনে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পেল গিগাবাইট

প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট জানিয়েছে, তাদের চারটি নতুন প্রজন্মের মাদারবোর্ড ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘রেড ডট ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। পণ্য ডিজাইন ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি পেয়েছে— এক্স৮৭০ অরাস স্টেলথ আইস, এক্স৮৭০ই অরাস এক্সট্রিম এক্সথ্রিডি এআই টপ, এক্স৮৭০ই অরাস মাস্টার এক্সথ্রিডি আইস এবং এক্স৮৭০ই অ্যারো এক্সথ্রিডি উড মডেল।প্রতিষ্ঠানটির দাবি, উদ্ভাবনী নকশা, উন্নত প্রকৌশল প্রযুক্তি এবং ব্যবহারকারীবান্ধব ফিচারের সমন্বয়ের কারণে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে। প্রতিটি মাদারবোর্ডেই আলাদা ডিজাইন দর্শন ব্যবহার করা হয়েছে, যা পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নান্দনিকতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে।এক্স৮৭০ অরাস স্টেলথ আইস মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে রিভার্স কানেক্টর মিনিমালিস্ট ডিজাইন, যার ফলে ডেস্কটপ সেটআপ আরও পরিচ্ছন্ন ও কেবলবিহীন রাখা সম্ভব হয়। এটি দ্রুত অ্যাসেম্বলি, উন্নত এয়ারফ্লো এবং আরও ভালো হার্ডওয়্যার ম্যানেজমেন্ট সুবিধা দেয়।এক্স৮৭০ই অরাস এক্সট্রিম এক্সথ্রিডি এআই টপফ্ল্যাগশিপ মডেল এক্স৮৭০ই অরাস এক্সট্রিম এক্সথ্রিডি এআই টপ-কে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে শক্তিশালী এএমডি মাদারবোর্ড হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি এআই টপ-সার্টিফায়েড প্ল্যাটফর্ম, যা সর্বোচ্চ গেমিং পারফরম্যান্স এবং পেশাদার এআই সক্ষমতার জন্য তৈরি। এতে থাকা এক্সথ্রিডি টার্বো মোড ২.০ প্রযুক্তি এএমডি রাইজেন থ্রিডি ভি-ক্যাশ প্রসেসর থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত গেমিং পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। এটি প্রতিযোগিতামূলক গেমার এবং পাওয়ার ইউজারদের জন্য উচ্চক্ষমতার সমাধান হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছেএক্স৮৭০ই অরাস মাস্টার এক্সথ্রিডি আইসএক্স৮৭০ই অরাস মাস্টার এক্সথ্রিডি আইস মডেলটি অল-হোয়াইট বা সম্পূর্ণ সাদা ডিজাইনে তৈরি, যেখানে আইস-থিমযুক্ত হিটসিংক ও প্রিমিয়াম ফিনিশ ব্যবহার করা হয়েছে। উন্নত কুলিং সিস্টেম ও শক্তিশালী হার্ডওয়্যার সক্ষমতার কারণে এটি গেমিং ও প্রফেশনাল কাজ-উভয়ের জন্য উপযোগী। এতে এক্সথ্রিডি টার্বো মোড ২.০ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রসেসরের পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স অপ্টিমাইজ করা হয়।এক্স৮৭০ই অ্যারো এক্সথ্রিডি উড এক্স৮৭০ই অ্যারো এক্সথ্রিডি উড মডেলে সবচেয়ে ভিন্নধর্মী ডিজাইন দেখা যায়। এতে কাঠের টেক্সচারযুক্ত হিটসিংক ব্যবহার করা হয়েছে, যা হার্ডওয়্যার ডিজাইনে প্রাকৃতিক নান্দনিকতা যুক্ত করেছে। এটি মূলত ক্রিয়েটর, ডিজাইনার এবং পেশাদার ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি, যেখানে রেন্ডারিং, সিমুলেশন, এআই ইনফারেন্স ও গেমিং—সব ক্ষেত্রেই উন্নত পারফরম্যান্স দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এখানেও এক্সথ্রিডি টার্বো মোড ২.০ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।এক্স৮৭০ অরাস স্টেলথ আইসঅন্যদিকে এক্স৮৭০ অরাস স্টেলথ আইস মডেলে রিভার্স কানেক্টর ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে কেবলবিহীন এবং পরিচ্ছন্ন ডেস্কটপ সেটআপ তৈরি করা সম্ভব। এটি দ্রুত অ্যাসেম্বলি, উন্নত এয়ারফ্লো এবং আরও ভালো হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাইজেন থ্রিডি ভি-ক্যাশ প্রসেসরের সর্বোচ্চ সক্ষমতা উন্মোচনের জন্য এতে এক্সথ্রিডি টার্বো মোড ব্যবহার করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ১৯৫৫ সালে যাত্রা শুরু করা রেড ডট অ্যাওয়ার্ড বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ডিজাইন প্রতিযোগিতা। জার্মানির ডিজাইন জেন্ট্রাম নর্ডরাইন ওয়েস্টফালেন এই আয়োজন পরিচালনা করে থাকে। উদ্ভাবন, কার্যকারিতা, গুণগত মান ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়।

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

৬ বছরের ডিউরেবল ব্যাটারি সহ অপোর নতুন ফোন

৬ বছরের ডিউরেবল ব্যাটারি সহ অপোর নতুন ফোন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন ‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩ গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী শি’কে ‘মহান নেতা’ বললেন ট্রাম্প পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ৪ বগি বিচ্ছিন্ন ‘নো এন্ট্রি টু’ থেকে বরুণ ধাওয়ান হঠাৎ প্রস্থান পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই নিষিদ্ধ সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বড় হামলা চালাতে পারে: ইরানি আইন প্রণেতা ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে ভারতে নিহত ৩৩ গাজীপুরে পৃথকস্থানে ৪ যুবকের মৃত্যু হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীপু মনি-রুপা-মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু