ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামী পয়লা বৈশাখে ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।১৫ মার্চ রোববার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। সারাদেশের কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবা ও প্রণোদনা পৌঁছে দিতে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয় বৈঠকে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের নীতি-নির্ধারক ও শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। কৃষি খাতের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ এবং কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ডিজিটাল এই ব্যবস্থার কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, ঋণ এবং কৃষি সহায়তা প্রান্তিক কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (পহেলা বৈশাখ) বাংলা নববর্ষের উৎসবমুখর পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন। এই উদ্যোগটি দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। এটি যদি আইনে পরিণত হয় তখন দেখা যাবে। নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন ডেকেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু হয়েছে। ১৫ মার্চ রোববার বেলা ১১টায় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ঢোকার আগে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না। সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই, বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দলের পথ থেকে পদত্যাগ করেছেন, যাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে সেরকম কোনো পরিষদের (সংস্কার পরিষদ) অস্তিত্ব তো আমাদের সামনে নেই। যদি গণভোটের রায় অনুসারে সেটা ধারণ করতে হয় কনস্টিটিউশনে সেটা সংবিধানের আগে সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন হলে সে মত সেটা সংবিধানে ধারণ হবে। তারপরে যদি পরিষদ হয় তারপরে যদি ফর্ম হয় যদি শপথ গ্রহণ করতে হয় সেটা তারপরের ব্যাপার।

শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কাজ। ১৫ মার্চ রোববার সকাল ১১টায় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে এ অধিবেশন শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। শনিবার (১৪ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এ অধিবেশনের শুরুতে দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার থেকেই শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা।এর আগে গত ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। পরে রোববার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছিল।

  • বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

  • মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

    মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

  • সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

  • ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, দাবি ইরানের

    ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, দাবি ইরানের

  • রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ৩৪ বাংলাদেশি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ৩৪ বাংলাদেশি

  • ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

    ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

  • সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

    সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

  • বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

    বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

  • মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

    মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

  • এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

    এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

  • আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

    আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

  • নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

  • জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

  • রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

  • মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি

    মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি

  • টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সব খবর

  • বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু

    বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু

  • মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

    মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

  • সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

  • পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

    ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

  • শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

    শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

  • টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

    টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

  • মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

    মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

  • সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

  • ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

    ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

  • জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

সব খবর

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেলেন।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করেন। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপটের সাথে শিরোপা জিতে নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে শেষ আট থেকেই শোচনীয় বিদায় হয়েছিল ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। তার মতে, ভারতের রক্তে মিশে আছে ট্রফি জয়ের নেশা, আর পাকিস্তান যেন হারার জন্যই মাঠে নামে!আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এটি তাদের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা। ভারতের এই সাফল্যে মুগ্ধ লতিফ বলেন, “টসে হেরেও তারা ২৫০ রান তুলছে। এখন কাউকেই তাদের ধারেকাছে দেখা যাচ্ছে না। এটা রাতারাতি হয়নি; গত ১০ বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফসল এটি। তারা এখন বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা এবং শিরোপা জয়কে অভ্যাসে পরিণত করেছে।”অন্যদিকে, সুপার এইট থেকেই বিদায় নেওয়া পাকিস্তান দল নিয়ে লতিফের মন্তব্য বেশ তিক্ত। তিনি বলেন, “ভারতের ডিএনএতেই আছে ট্রফি জয়, আর আমাদের ডিএনএ হলো নকআউট পর্বের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া। তারা খেলছে ট্রফির জন্য, আর আমরা যেন স্রেফ হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি।” উল্লেখ্য, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর ভারত এখন টানা তিনটি আইসিসি সাদা বলের শিরোপা ঘরো তুলেছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতে ভারত যেখানে উৎসবের জোয়ারে ভাসছে, সেখানে লতিফের এমন মন্তব্য পাকিস্তান ক্রিকেটের সংকটের গভীরতাকেই যেন আরও একবার সামনে নিয়ে এলো।

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তরে টেন্ডার দূর্ণীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, দীর্ঘ দিন একি স্থানে কর্মরত থেকে আধিপত্য বিস্তার করে চলছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের এই টেন্ডার ও বিল সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে সচেতন মহলে।অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মেরামত ও নির্মাণ কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে কমিশনের নিয়ে কাজ বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত কাজ সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে, যা সরকারি অর্থের অপচয়ের শামিল।স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর বাইরে অন্যদের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং প্রকৃত যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজবাড়ি এক ঠিকাদরী প্রতিষ্ট্রান ২ টি লাইসেন্সে ১৩টি, চট্রগ্রামের ৪ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ট্রান ৪টি, বি.বাড়িয়ার ঠিকাদার পায় ৩ টি । স্থানীয় ঠিকাদারের কোটেশন রহস্য জনক ভাবে লটারীতে উঠেনা। গত ২৪ জুলাইর ৫ আগষ্টের পর উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহীর ভাগ্য খোলে যায়। নেছার আহমেদ এর মনুমুখ সাধুহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ঠিকাদারের কাজ বাতিল করে শিক্ষা অধিদপ্তর। পরে শিক্ষা অধিদপ্তর কৌশলে ঐ কাজটি তারা নিজ দায়ীত্বে করে। শুধু মালামাল সাপ্লাইয়ের জন্য মৌলভীবাজার মা এন্টারপ্রাইজ ঠিকদারী প্রতিষ্ট্রানের সাথে চুক্তি করা হয়। ওই প্রতিষ্ট্রান ৯৯ লাখ টাকার মালামাল সাপ্লাই করার পর ৫৬ লাখ টাকা পরিশোধের পর বাকী টাকা পরিশোধ করেনি শিক্ষা অধিদপ্তর। ২৫ সালে কুলাউড়া গিয়াসনগর মাদ্রাসা বালু ভরাট করে ঢালাই করার কথা। কিন্তু মাটি ছেড়ে ঢালাই করার নির্দেশ দেন নির্বাহী প্রকৌশলী।গত ২৩-২৪ সালে মৌলভীবাজার সদরের বঙ্গবন্ধু স্কুলের রিপিয়ারি কাজ অসমাপ্ত রেখে ঠিকাদার পালিয়ে যায়। উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী কৌশলে বিল উত্তলোন করেন। সব চেয়ে আতংন্কে বিষয় হলো নির্বাহী প্রকৌশলী রতীশ চন্দ্র সেন ও উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী অনেক টেন্ডার নোটিশ সময় মতো প্রকাশ না করে গোপনে পচ্ছন্দের ঠিকাদারকে আগেই কাজ দিয়ে দেন। পরে বেক ডেইটের কোন একটি পত্রিকায় টেন্ডার নোটিশ ছাপিয়ে দেন। এ ব্যাপারে উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী অভিযোগ অস্বীক্ষার করে বলেন, আমি কিছু বলতে পারবোনা। সবকিছু নির্বাহী প্রকৌশলী স্যার বলতে পারবেন। তবে স্বীক্ষার করে বলেন, সবকিছু নির্বাহী প্রকৌশলী স্যার আমার সাথে পরামর্শ করে করেন।মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রতিশ চন্দ্র দাস বলেন, আগে কাজ করে পরে টেন্ডার প্রকাশ করার কোনো বিধান আমাদের এখানে নেই। আর আমার উপসহকারী প্রকৌশলী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী ব্যাপারে যে কমপ্লেইন করুক, সে হয়তো তার যেকোনো একটা স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপারে করেছে। যা মিথ্যা এবং বানোয়াট। কারণ সেই উপসহকারী প্রকৌশলী তার উপরে আমার জন্য সহকারী প্রকৌশলী আছেন। তারপরে আমি। তার প্রভাব কাটানোর বা দাপট দেখানোর মতো কোনো কাজ বা সুযোগ তার নেই। আমার অফিসের কাজ আমি নিজেই সব তদারকি করি। আমরা স্টাফ সংকটে আছি ও সে আমার অফিসে সাড়ে তিন বছর। এর আগে সে ফিল্ডে ছিল। প্রায় আরো একজন ঠিকেদারের চেক অন্য ঠিকেদারকে নামে করার কোনো সুযোগই। তিন চার বছর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। যে ছাব্বিশটা, পঁচিশ ছাব্বিশটা কাজ এখানে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এগুলো সবগুলো লোকাল ঠিকাদারেরই ছিল। কাজগুলো বাতিল করে যখন আমরা ওটিএম টেন্ডারে দিলাম, ওপেন টেন্ডারিং, বাংলাদেশের যে কেউ পার্টিসিপেট করতে পারে। আপনার ওই স্থানীয় ঠিকাদার, যাদের কাজ বাতিল করা হয়েছে, তারা কিন্তু টেন্ডারে পার্টিসিপেট করেননি। এখানে রাহী তো কাউকে কাজ দেওয়ার বা কাউকে সহযোগীতা করার কোনো সুযোগ নেই। আচ্ছা, এখানে যে নিয়ে এই কথা বলেছেন, সেটা কথাটা সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং মিথ্যে। কারণ আমার অফিসটা আমি পরিচালনা করি এবং আমার অফিসের সব ডাটা আমার কাছেই থাকে। আমার শিক্ষা অফিস দপ্তরের কাজ ঠিকাদার আসলে কাজের মান সঠিক ভাবে করেননি। কিছুটা কিছু জায়গায়, যেমন রং এর কাজটা আমার খুব দুর্বল ছিল। অনেক জায়গায় আপনারা দেখবেন রং উঠে যাচ্ছে। শুনলে অবাক হবেন ৪ তলা বিশিষ্ট ৫ টি কাজে ঠিকাদার টেন্ডার না দেওয়ায় ফান্ড ফেরৎ যায়। যারা অভিযোগ করেছে তারা নিজ স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এমন অভিযোগ করেছে।\

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

দেশে জ্বালানি তেল কেনার সীমা রবিবার (১৫ মার্চ) থেকে তুলে নিচ্ছে সরকার। ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর আগে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও পেট্রল-অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর জেরে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য সীমা বেঁধে দেয় সরকার। গত ১০ মার্চ ‘রাইড শেয়ার’ করা মোটরসাইকেলের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়। এ ছাড়া ফিলিং স্টেশনগুলোতে ৭ মার্চ থেকে চাহিদার চেয়ে ২৫ শতাংশ হারে কম সরবরাহ করা হচ্ছিল। পরে ১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরের ফিলিং স্টেশনে ১০ শতাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়।

বদলগাছীতে বাড়ির ছাদে গাঁজা শুকানোর সময় সাড়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্যবসায়ী আটক!

বদলগাছীতে বাড়ির ছাদে গাঁজা শুকানোর সময় সাড়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্যবসায়ী আটক!

জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদক বিরোধী অভিযানে ৫ কেজি ৫ শত গ্রাম গাজাসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ মার্চ শনিবার নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর মাদক বিরোধী একটা টীম বদল গাছি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে বদলগাছি থানা এলাকার অভিযানিক টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে আরচা গ্রামের একজন ব্যাক্তি তার বাড়ির ছাদে স্বল্প ভেজা গাজা রোদের তাপে শুকানোর জন্য পরিচর্যা করছে। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই করার জন্য অভিযানিক টীম আসামী ফজলে রাব্বি (২৫), পিতা জাহিদুল গ্রাম আরচা থানা বদলগাছি জেলা নওগাঁ এর বাড়িতে টীম ডিবির অভিযানিক দল এলাকার লোকজন নিয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। তল্লাশির এক পর্যায়ে আসামির দেখানো মতে তার বাড়ির ছাদে যাওয়া হয়। উপস্থিত লোকজনের সামনে আসামির দেখানো মতে তার বাড়ির ছাদে রোদে শুকানোর জন্য পরিচর্যারত অবস্থায় ৫ কেজি ৫শগ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আসামির বিরুদ্ধে বদলগাছি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধৃত আসামি বেশ কিছুদিন যাবত মাদকের ব্যবসা করছে বলে জানা যায়।

চাঁদপুরের মতলবে নুপুর আক্তার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলবে নুপুর আক্তার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে নুপুর আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে উপজেলার ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়নের তেলীমাছুয়াখাল এলাকা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।গৃহবধূ নুপুর আক্তার মতলব দক্ষিণ উপজেলার তেলীমাছুয়াখাল গ্রামের মুন্সি বাড়ির মোশাররফ হোসেনের মেয়ে। নুপুরের বাবাসহ স্বজনদের অভিযোগ নুপুরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।গৃহবধূ নুপুরের পরিবার জানায়, গত শুক্রবার মধ্যরাতের কোনো একসময় নুপুরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের সামনে ফেলে রেখেছে তাঁর স্বামী রিয়াদ খন্দকার। পরে ভোর রাতে সেহরি খেতে ঘর থেকে বের হলে নুপুরের দাদি তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নুপুরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাংবিধানিক তিন অঙ্গকে ঠিক রাখতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। এই গণমাধ্যম ঠিক থাকলে অন্য তিন স্তম্ভ সোজা পথে চলতে বাধ্য।শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে ঢাকা লেডিস ক্লাবে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিরি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। আপনারা বিবেক অনুযায়ী চলবেন। জন্ম যেহেতু হয়েছে, মৃত্যুও একদিন হবে এবং একবারই হবে। তাই চলতে হবে বীরের মতো। মাঝখানে আর কোনো আপস নাই।’তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদলে থেকেও সাংবাদিকদের কণ্ঠের পাহারাদারির দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু সাংবাদিকদের নিরাপত্তার নিশ্চিয়তা দিতে হবে সরকারি দলকে। আমরা এক ঐক্যবদ্ধ জাতি দেখতে চাই। জাতীয় ইস্যুতে, জাতীয় স্বার্থে কারও সঙ্গে আমরা কোনো আপস করব না। সরকারি দল যদি সেই ক্ষেত্রে অনড় থাকে আমরা তাদের পাশে থেকে শক্তি জোগাব, একসঙ্গে লড়াই করব। কিন্তু সরকারি দল যদি এখান থেকে বিচ্যুত হয় তাদের সোজা রাস্তায় আনার চেষ্টা করব, না হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এটাই হবে জামায়াতে ইসলামীর নীতি।’জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- দৈনিক নয়া দিগন্ত’র সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আজম মীর শাহিদুল আহসান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম. আব্দুল্লাহ্ ও এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমদ ও বাকের হোসাইন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, দ্য নিউ নেশন পত্রিকার সম্পাদক মোকাররম হোসেন, বাংলানিউজ ২৪ ডটকম’র সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা মেইল’র নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক এবং সেক্রেটারি জাওহার ইকবাল, এটিএন নিউজের সিএনই মাসুদুল হক, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, দৈনিক ইনকিলাব’র নির্বাহী সম্পাদক ফাহিমা বাহাউদ্দীন, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

রাজধানীতে আড়ং থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে শোরুম ত্যাগ করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক আলোচিত নারী নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে উত্তরা জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শোরুমে এই ঘটনা ঘটে।এ সম্পর্কিত একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ছবিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা কাঁখে বেশকিছু কাপড় কিনে বের হচ্ছেন। এ নিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। মুহূর্তে স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়ে যায়।স্ট্যাটাসটিতে তিনি লিখেন, 'আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে এর আগে ও বহুবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকু সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের পক্ষ থেকে।'তিনি লিখেন, 'আমরা গ্রাহকেরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনব। কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাব না, এটা কেমন নিয়ম? পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার উপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি, গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।'এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মোবাইল ফোনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,'ইফতারের পর ঢাকার উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শো-রুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে কোনো ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। কর্তৃপক্ষ বলেন কাপড় ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে। সেজন্য আমি প্রশ্ন তুলি, কেন কাপড়ের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে? অদ্ভুত কথা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আমি কাপড় নিয়ে চলে আসি।'সংসদ সদস্য রুমিন বলেন, 'মায়ের জন্য কেবল আড়ং এ গিয়েছিলাম। কারণ মায়ের যে ম্যাক্সির মাপ সেটা আড়ংয়ের সাথে যায়। অন্য দোকানে মিল পাওয়া যায় না। সে কারণে আড়ংয়ে যাওয়া। না হলে আমি জীবনেও আড়ং এ যেতাম না। আমি নিজের জন্য কোনোদিনও আড়ং থেকে কাপড় কিনি না।'এ ব্যাপারে জানার জন্যে রাজধানী উত্তরা জসীমউদ্দিন রোডের আড়ংয়ের শোরুমের টিএনটি নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোনটি রিসিভ করেননি।

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। এটি যদি আইনে পরিণত হয় তখন দেখা যাবে। নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন ডেকেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু হয়েছে। ১৫ মার্চ রোববার বেলা ১১টায় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ঢোকার আগে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না। সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই, বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দলের পথ থেকে পদত্যাগ করেছেন, যাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে সেরকম কোনো পরিষদের (সংস্কার পরিষদ) অস্তিত্ব তো আমাদের সামনে নেই। যদি গণভোটের রায় অনুসারে সেটা ধারণ করতে হয় কনস্টিটিউশনে সেটা সংবিধানের আগে সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন হলে সে মত সেটা সংবিধানে ধারণ হবে। তারপরে যদি পরিষদ হয় তারপরে যদি ফর্ম হয় যদি শপথ গ্রহণ করতে হয় সেটা তারপরের ব্যাপার।

বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, দাবি ইরানের

ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, দাবি ইরানের

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ৩৪ বাংলাদেশি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ৩৪ বাংলাদেশি

মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ছাড়তে জরুরি সতর্কতা

মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ছাড়তে জরুরি সতর্কতা

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেলেন।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করেন। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন মির্জা ফখরুল

মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন মির্জা ফখরুল

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু

বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু

উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান শহর বগুড়া ও দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগরী খুলনায় যাত্রা শুরু করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র‍্যান্ড ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোর। বগুড়ার প্রাণকেন্দ্র জলেশ্বরীতলা এবং খুলনার সোনাডাঙ্গায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্প্রতি স্টোর দুটি উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে স্টোর দুটিতে পাঁচ দিনব্যাপী গ্র‍্যান্ড ওপেনিং আয়োজনের করে প্রতিষ্ঠানটি। সদ্য চালু হওয়া ইল্লিয়ীনের বগুড়া মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরটি শহরের শহীদ আব্দুল জব্বার রোডের অ্যামিক্যাস প্লাজায় অবস্থিত। স্টোরটি উদ্বোধন উপলক্ষে ০৮ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত গ্র‍্যান্ড ওপেনিংয়ের আয়োজন করা হয়। স্টোরটি কেবল শপিংয়ের স্থান নয়; আধুনিক স্থাপত্য ও নান্দনিক ডিজাইনের সমন্বয়ে এক অনন্য রিটেইল অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করছে।অন্যদিকে খুলনায় চালু হওয়া ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরটি সোনাডাঙ্গার মজিদ স্মরণীর টপি টাওয়ারে অবস্থিত। স্টোরটি উদ্বোধন উপলক্ষে ০৬ থেকে ১০ মার্চ গ্র‍্যান্ড ওপেনিংয়ের আয়োজন করা হয়। এই স্টোরটিও আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্যশৈলী ও সুপরিকল্পিত ইন্টেরিয়র ডিজাইনের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে।দেশের লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হিসেবে ইল্লিয়ীন ইতোমধ্যে বিভিন্ন শহরে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। বগুড়া ও খুলনায় এই আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্টোরগুলোর আনুষ্ঠানিক উদযাপন শুরু হয়েছে, যেখানে ক্রেতাদের জন্য তুলে ধরা হচ্ছে আধুনিক ও প্রিমিয়াম রিটেইল অভিজ্ঞতা।গ্র‍্যান্ড ওপেনিং আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি এবং ইল্লিয়ীনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এ উপলক্ষে স্টোরে আগত দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয় বিভিন্ন ইন-স্টোর আয়োজন ও বিশেষ চমক। একই ছাদের নিচে ক্রেতারা ইল্লিয়ীনের লাক্সারি মেন্সওয়্যার, উইমেন্সওয়্যার, কিডসওয়্যার, ফুটওয়্যার, ফ্র্যাগরান্স এবং অ্যাকসেসরিজের সমৃদ্ধ কালেকশন উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন, যা ফ্যাশনপ্রেমীদের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে।নতুন এই স্টোর চালুর বিষয়ে ইল্লিয়ীনের সেলস অপারেশনস ম্যানেজার আবু আদম বলেন- “বগুড়া ও খুলনায় ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের পরিশীলিত রুচিকে মাথায় রেখেই আমরা এই মাল্টি-ব্র‍্যান্ড স্টোর চালু করেছি। এই গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ের মাধ্যমে আমরা কেবল একটি ইভেন্ট আয়োজন করছি না; বরং ক্রেতাদের সাথে আমাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করছি। এর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের ক্রেতাদের কাছে আন্তর্জাতিক মানের লাক্সারি রিটেইল অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে চাই।”ইল্লিয়ীন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বগুড়া ও খুলনায় ব্র্যান্ডটির যাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তারা সকল ফ্যাশন অনুরাগী ও দর্শনার্থীদের স্টোর ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ডিমলা খাদ্য গুদামে দায়িত্বহীনতা, নির্ধারিত সময়েও অফিসে নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

ডিমলা খাদ্য গুদামে দায়িত্বহীনতা, নির্ধারিত সময়েও অফিসে নেই কর্মকর্তা-কর্মচারী

বদলগাছীতে বাড়ির ছাদে গাঁজা শুকানোর সময় সাড়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্যবসায়ী আটক!

বদলগাছীতে বাড়ির ছাদে গাঁজা শুকানোর সময় সাড়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্যবসায়ী আটক!

পীরগাছায় ভিজিএফ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশাসকের নামে ৩৭৭ স্লিপ

পীরগাছায় ভিজিএফ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশাসকের নামে ৩৭৭ স্লিপ

চাঁদপুরের মতলবে নুপুর আক্তার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলবে নুপুর আক্তার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপটের সাথে শিরোপা জিতে নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে শেষ আট থেকেই শোচনীয় বিদায় হয়েছিল ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। তার মতে, ভারতের রক্তে মিশে আছে ট্রফি জয়ের নেশা, আর পাকিস্তান যেন হারার জন্যই মাঠে নামে!আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এটি তাদের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা। ভারতের এই সাফল্যে মুগ্ধ লতিফ বলেন, “টসে হেরেও তারা ২৫০ রান তুলছে। এখন কাউকেই তাদের ধারেকাছে দেখা যাচ্ছে না। এটা রাতারাতি হয়নি; গত ১০ বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফসল এটি। তারা এখন বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা এবং শিরোপা জয়কে অভ্যাসে পরিণত করেছে।”অন্যদিকে, সুপার এইট থেকেই বিদায় নেওয়া পাকিস্তান দল নিয়ে লতিফের মন্তব্য বেশ তিক্ত। তিনি বলেন, “ভারতের ডিএনএতেই আছে ট্রফি জয়, আর আমাদের ডিএনএ হলো নকআউট পর্বের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া। তারা খেলছে ট্রফির জন্য, আর আমরা যেন স্রেফ হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি।” উল্লেখ্য, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর ভারত এখন টানা তিনটি আইসিসি সাদা বলের শিরোপা ঘরো তুলেছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতে ভারত যেখানে উৎসবের জোয়ারে ভাসছে, সেখানে লতিফের এমন মন্তব্য পাকিস্তান ক্রিকেটের সংকটের গভীরতাকেই যেন আরও একবার সামনে নিয়ে এলো।

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

নাহিদ রানার ফাইফারে টেনেটুনে একশ করে অলআউট পাকিস্তান

নাহিদ রানার ফাইফারে টেনেটুনে একশ করে অলআউট পাকিস্তান

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

ঐতিহ্যবাহী জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ এর ২০২৬ সেশনের জন্য কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ এম আবু মুসা এবং সহকারী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাকির হোসাইন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা, মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা রেখে আসছে।আজ (শনিবার) রাজধানীর মগবাজারে সসাসের অফিসে সসাসের নির্বাহী কমিটিদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ২০২৬ সেশনের জন্য নির্বাহী পরিচালক এবং সহাকারী নির্বাহী পরিচালক মনোনীত করা হয়। নতুন এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছর সংগঠনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে।

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

দেশের শোবিজ অঙ্গনের চর্চিত খবর দ্বিতীয়বারের মতো মা হচ্ছে অভিনেত্রী শবনম বুবলী। কিন্তু তিনি বারবার অস্বীকার করেছেন। চিত্রনায়িকা নিজে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও তার হাটা চলাফেরা সন্দেহ জাগিয়েছে ভক্তদের মনে। এবার এক দাফ এগিয়ে তার মা হওয়ার গুঞ্জন। দেশের একটি গণমাধ্যমে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, সন্তান জন্ম দিতে চলতি মাসেই আমেরিকায় উড়াল দিয়েছেন বুবলী। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন তিনি। বেশকিছু দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন এই নায়িকা। পরনে ছিল ঘাগরা। এ সময় উৎসুক ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখা বুবলী। দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন অভিনেত্রী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এই খবরে প্রায় ঝড় ওঠে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়। তার নাম শেহজাদ খান বীর।

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময় সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। কিন্তু ভালোবেসে গড়া সংসার হঠাৎ করেই ভেঙে যায়। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে দুই তারকাই নীরব থেকেছেন। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথাও বলেছেন রবি চৌধুরী। সেখানে তিনি ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন।এবার সেই অভিযোগের বিপরীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ডলি সায়ন্তনী। মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না।’বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা না করার অনুরোধ জানিয়ে এই গায়িকা বলেন, ‘সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় বানাবেন না। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’বিচ্ছেদের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে ডলি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে; স্পষ্ট করে বলতে চাই, ডিভোর্স আমিই দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।’  ‘অতএব এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’ সবশেষে পবিত্র মাসের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘মাহে রমজানে আল্লাহ সবাইকে পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান করুক।’

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

শাহরুখকন্যা সুহানা খান দক্ষিণ কোরিয়ান কে-পপ তারকা কিম জুন মিয়নের প্রেমে পড়েছিলেন। ডেটেও যেতে চেয়েছিলেন কিম জুন মিয়নের সঙ্গে। সুহানা সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে সরাসরি তা স্বীকারও করেছেন।শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারের ঘরে জন্মগ্রহণ করায় বলিউড নেপোকিড সুহানাকে সুবিধা-অসুবিধা সবকিছুর মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সুহানা তার পারিবারিক প্রভাব না খাটিয়ে সব সময় নিজের পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আর সে চর্চা এখনও তিনি করে যাচ্ছেন। এ কারণে তিনি নিজের দক্ষতা বাড়াতে তায়কোয়ান্দো শেখা এবং অভিনেত্রী হিসেবে যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন।সামাজিকমাধ্যমে বরাবর সরব শাহরুখকন্যা বিভিন্ন সময় লাইভে ভক্তদের সামনে আসেন এবং তাদের অনেক প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দেন। ইনস্টাগ্রামে এরকমই এক সেশন ‘আস্ক মি এনিথিং’য়ে এক ভক্ত প্রশ্ন করেন, তিনি কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেট করতে চান। সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সুহানা কোরিয়ান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেতা কিম জুন-মিয়নের নাম বলেন। এ সময় সুহানা কে-পপ তারকার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন—‘তাকে’। সূত্র: পিঙ্কভিলাশাহরুখ খান ও গৌরী খানের ঘরে জন্ম নেওয়া সুহানা খান গ্ল্যামার জগতের বাইরে খেলাধুলাও আগ্রহী। সৃজনশীলতা তার শিরায় প্রবাহিত হয়। তাই গান-নৃত্য এবং লেখালেখি সবকিছুই তাকে আকর্ষণ করে।এ বছরের একদম শেষ দিকে সুহানা খান তার বাবা শাহরুখ খানের সঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমায় দেখা যাবে বাবা-মেয়ের অ্যাকশন। এতে বলিউডের দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চনের মতো বড় তারকারাও অভিনয় করেবেন।

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ দিনে নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সব ধরনের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। দিনটি তাই গানে গানে পালন করতে চান দেশের তিনজন নারী সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল, অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলাম। তারা তাই নারী দিবস উপলক্ষে নতুন গান তৈরি করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘নারী যায় বাড়ি’।অসংখ্য জনপ্রিয় গানের নেপথ্যের দুই কারিগর শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান রয়েছেন এই গানের পেছনে। শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর লেখা গানটিতে সুর দিয়েছেন পিলু খান। সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম। ৮ মার্চ নারী দিবসে গানটি প্রকাশ করবে আজব রেকর্ডস। গানটির অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন মীর হিশাম ও সারাফ চিশতী।নারী যায় বাড়ি গান প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘নারীরা আজীবন তাঁদের নিজের ঘর খুঁজে বেড়ান। কখনো বাবার ঘর, কখনো স্বামীর ঘর, কখনো ছেলেন ঘর। তাঁর নিজের ঘর কি তিনি কখনো খুঁজে পান? চিরন্তন এই প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে গানটি।’পিলু খান বলেন, ‘জঙ্গী ভাইয়ের সঙ্গে চার দশকে নানা বিষয়ভিত্তিক গান করেছি। এবার সে তালিকায় আরেকটি বিষয় যুক্ত হলো। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে এ গান।’গানটি নিয়ে কোনাল বলেন, ‘কিংবদন্তি দুজন মানুষের গান করতে পেরে আমি আনন্দিত। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সংগীতজীবনের অনন্য অর্জন।’একই ধরনের অনুভূতি ফুটে উঠেছে অন্তরার কথায়, ‘একজন নারী হিসেবে এমন কথার গানে নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের মতো বরেণ্য মানুষের সান্নিধ্য আমার জন্য পরম পাওয়া।’অন্যদিকে মাশা ইসলাম বলেন, ‘শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান আমাদের গানের জগতে দুই মহিরুহ। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে পারা দারুণ ব্যাপার। সবার সঙ্গে গানটি করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আশা করি, যাঁরা শুনবেন তাঁদেরও ভালো লাগবে।’ ৮ মার্চ নারী যায় বাড়ি গানের ভিডিও আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলসহ শিল্পীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে। শোনা যাবে একাধিক আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও।

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল ও চনমনে প্রেমকে ঘিরে নির্মিত নাটক ‘গুডলাক’। ঈদের বিশেষ আয়োজনে ফারহান আহমেদ জোভান ও নাজনীন নীহা অভিনীত নাটকটি নির্মাণ করেছেন ইমরোজ শাওন। রায়হান মাহমুদের চিত্রনাট্যে নির্মিত নাটকের চিত্রগ্রহণ করেছেন নাঈম ফুয়াদ। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দিলারা জামান।গল্প নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাইছেন না নির্মাতা কিংবা অভিনয়শিল্পীরা। তবে নির্মাতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, এক সরলমনা প্রেমিকের আবেগ, ভুলভাল সিদ্ধান্ত আর ভালোবাসার চেষ্টাকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে কাহিনি। ক্যাম্পাসের হালকা আবহ থেকে পারিবারিক টানাপোড়েন—দুটো জায়গাতেই গল্পের বিস্তার রয়েছে।এদিকে জোভানের চরিত্রে থাকছে ভিন্নমাত্রা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার উপস্থিতি ও মোড় ঘোরানো মুহূর্ত দর্শকদের চমকে দেবে।প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘গুডলাক’সহ এবারের ঈদে প্রস্তুত হয়েছে ২০টি বিশেষ নাটক। চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে সেগুলো মুক্তি পাবে ইউটিউব চ্যানেলে।

এসএসসি  পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধিতে কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধিতে কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

দেশে জ্বালানি তেল কেনার সীমা রবিবার (১৫ মার্চ) থেকে তুলে নিচ্ছে সরকার। ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর আগে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও পেট্রল-অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর জেরে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য সীমা বেঁধে দেয় সরকার। গত ১০ মার্চ ‘রাইড শেয়ার’ করা মোটরসাইকেলের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়। এ ছাড়া ফিলিং স্টেশনগুলোতে ৭ মার্চ থেকে চাহিদার চেয়ে ২৫ শতাংশ হারে কম সরবরাহ করা হচ্ছিল। পরে ১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরের ফিলিং স্টেশনে ১০ শতাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়।

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মির্জা মেহেদী (২৫) নামে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর রাতে সাহরির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নিহত মির্জা মেহেদীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায়। প্রায় ৩ বছর আগে তিনি স্টুডেন্ট ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আসেন। প্রথমে ডি-৪ ভিসায় কিয়ংডং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা সম্পন্ন করার পর পরবর্তীতে ডি-২ ভিসায় সেজং বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন।প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী দক্ষিণ কোরিয়ার সকচো এলাকায় বসবাস করতেন। শনিবার ভোর রাতে তিনি দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের টানে অনেকেই ছুটে যান দক্ষিণের পর্যটন শহর কুয়াকাটায়। তবে এই সমুদ্রকন্যার পাশেই রয়েছে আরেক অপার বিস্ময়- নিঃশব্দ, নির্জন ও স্বপ্নময় চর হেয়ার। বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল বুকে স্বপ্নের মতো জেগে ওঠা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার।দূর থেকে দেখলে মনে হয়, দিগন্তজোড়া জলরাশির মাঝখানে সৃষ্টিকর্তা যেন নিভৃতে গড়ে তুলেছেন এক টুকরো স্বর্গভূমি। কাছে গেলে সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়। অসীম আকাশ আর অনন্ত সাগরের মিলনরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা। সোনালি বালুকাবেলা, ঢেউয়ের ছন্দময় আছড়ে পড়া আর বাতাসের স্নিগ্ধ স্পর্শ সব মিলিয়ে চর হেয়ার এক অনাবিল প্রশান্তির ঠিকানা।দ্বীপের ভেতরে পা রাখলেই মেলে আরেক ভিন্ন জগতের দেখা। গহীন বনের ছায়াঘেরা পথ, পাখিদের নিরন্তর কলকাকলি আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সব মিলিয়ে এখানে বিরাজ করে এক অপার্থিব নির্জনতা। মনে হবে, কোলাহলমুখর পৃথিবী থেকে আপনি অনেক দূরে, যেখানে সময়ও যেন ধীর হয়ে যায়। এখানে শত শত পাখির কলরবে ভোরের নীরবতা ভাঙে, বিস্তীর্ণ বালুচরে লাল কাঁকড়ার দল ছুটে বেড়িয়ে আঁকে জীবনের চঞ্চল রেখাচিত্র। ঢেউয়ের ফেনায় ভেজা তটরেখা, দূরে ভাসমান মাছধরা নৌকা আর আকাশজুড়ে সাদা মেঘ সব মিলিয়ে চর হেয়ার স্বপ্নীল জগৎ।সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কুয়াকাটা ভ্রমণের সঙ্গে চর হেয়ার হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য। এই ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে দক্ষিণের এই নিভৃত দ্বীপে কাটাতে পারেন এক ভিন্ন রকম সময়। যেখানে প্রকৃতি নিজেই আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।ভৌগোলিক অবস্থান পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর হেয়ার। কেউ কেউ একে ‘হেয়ার চর’ নামেও ডাকেন। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কলা গাছিয়ার চর’ নামেও পরিচিত। চরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ‘সোনার চর’, যেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির প্রাণীর দেখা মেলে। পূর্বে চর আন্ডা, পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগার দ্বীপ ও তার পাশেই চর কাশেম। এসব চরের নান্দনিক দৃশ্যও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে এই চরের দূরত্ব ৩৫.১৯ কিলোমিটার। আর রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে চরটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার।ভ্রমণের আদর্শ সময়বঙ্গোপসাগর তুলনামূলক শান্ত থাকায় এখানে ভ্রমণের আদর্শ সময় শীতকাল। এ সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে বেশি। তবে এই সময়েও চরটির সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।যেসব সুবিধা রয়েছেচর হেয়ারে রাত্রিযাপনের জন্য রয়েছে ছোট ছোট তাবু ও কটেজ। তাবু প্রতি ভাড়া এক রাতের জন্য ৪০০ টাকা। সমুদ্রের ঢেউয়ের কলকল ধ্বনি শুনতে শুনতে নির্জন রাতে তাবুতে কাটানো সময় হয়ে উঠতে পারে অনন্য অভিজ্ঞতা। এছাড়া সৈকতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ছাতাসহ আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা। বনভূমির ভেতরে গাছের সঙ্গে বাঁধা দোলনা শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সব বয়সীদের জন্য আনন্দদায়ক।খাবারের জন্য রয়েছে সাগরের তাজা মাছ, মুরগি, ভাতসহ বিভিন্ন প্যাকেজ। থাকা, খাওয়া, ট্রলার সার্ভিস, তাবু ও কটেজসহ ভ্রমণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘সোনার চর ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেলস’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চর হেয়ার ট্যুরিস্ট নিরাপত্তা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান। তার সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর ০১৭১৯৩৬৮১৭৮।তবে এখানে পর্যাপ্ত দোকান বা ফার্মেসি না থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়া ভালো। মোবাইল চার্জিংয়ের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাও রাখলে সুবিধা হবে।যেভাবে যাবেননৌপথে: ঢাকার সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায়। ডেকের ভাড়া ৬৫০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। সেখান থেকে ১৫০০ টাকায় ট্রলার (রিজার্ভ) বা ২০০০ টাকায় স্পিডবোটে চর হেয়ারে যাওয়া যায়। কয়েকজন মিলে গেলে ভাড়া ভাগাভাগি করা সম্ভব।সড়কপথে: ঢাকার সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে পটুয়াখালী চৌরাস্তা পর্যন্ত বাসভাড়া প্রায় ৬৫০ টাকা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ২৫০ টাকায় ৪০ মিনিটে হরিদেবপুর ফেরিঘাট। ট্রলারে ১০ টাকায় গলাচিপা শহরে উঠে মোটরসাইকেলে ১৫০ টাকায় পানপট্টি লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায় (সময় প্রায় ২৫ মিনিট)। পানপট্টি থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা ও বিকেল ৩টায় লঞ্চ চরমোন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। প্রায় ৩ ঘণ্টার নদীপথে আগুনমুখা ও তেতুলিয়া নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। চরমোন্তাজ থেকে ট্রলারে আধাঘণ্টা এবং স্পিডবোটে ১৫ মিনিটে পৌঁছে যাবেন চর হেয়ারে।বিকল্প পথ: গলাচিপার বোয়ালিয়া স্পিডবোট ঘাট থেকে ১০ হাজার টাকায় স্পিডবোট ভাড়া করা যায়। এছাড়া কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকেও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসা যায়। মাত্র ৩০০০-৩৫০০ টাকায় আপনি চলে আসতে পারবেন চর হেয়ারে।যা যা দেখবেনচর হেয়ারে রয়েছে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত,যেখানে আচড়ে পড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশি। দ্বীপের বুকে আছে ঝাউগাছ আর পেয়ারাগাছের বন। এছাড়া আছে নানা আকারের ছইলা, কেওড়া, গেওয়া, বাইন, গোলপাতা, হারগুজি, তাম্বুরা কাঁটার ঝোপঝাড়। সবুজ বনভূমির গাছগুলোতে বিচরণ করে হাজারো দেশীয় ও বিদেশী অতিথি পাখি যার মধুর কণ্ঠে কিচিরমিচির গানে ভুলে যাবেন শহুরে কোলাহলের অবসাদ।দোলনায় শুয়ে দুলতে দুলতে পাখিদের গানে মুগ্ধ হবেন আপনি। সারস, বক, শামুকখোল, মদনটাকেরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে আশ্রয় নেয় এখানকার গাছের মগডালে। আর ঝোপগুলো ডাহুক, কোড়াসহ নাম না জানা পাখিদের অভয়ারণ্য সৈকতে বসে সাগরের গর্জন আন্দোলিত করে তোলে মন। এখান থেকে দেখা যায় জেলেদের মাছ ধরা। সূর্যোদয়ের সময় লাল আভায় রাঙা দিগন্ত আর সূর্যাস্তের ক্ষণে সোনালি-কমলা রঙে ঢেকে যাওয়া জলরাশি হৃদয়ে ছড়িয়ে দেয় এক অনির্বচনীয় মায়া। বালুকাময় সৈকত এর চারদিকে দেখা যাবে লাল কাঁকড়া। এছাড়া এই চরটি চমৎকার এক পিকনিক স্পট। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা ব্যবস্থা। চর হেয়ার শুধু একটি দ্বীপ নয় এ এক অনুভূতি, বিস্ময়, নিঃশব্দ সৌন্দর্যের ঘোষণা। ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতি, নির্জনতা ও সমুদ্রের মিলিত রূপ উপভোগ করতে চাইলে দক্ষিণের এই স্বর্গভূমি হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও আজ (৮ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানান কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অন্যতম।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অদম্য নারী পুরস্কারের আওতায় বিশেষ অবদান রাখা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান, দেশজুড়ে নারী অধিকার, সমতা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন। এ বছর বিশ্বব্যাপী ‘গিভ টু গেইন’ (দিয়ে অর্জন) প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে, যা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। এই কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে তাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।উল্লিখিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মহিলা অধিদফতর। এ ছাড়া, বিভিন্ন অফিস ও সংগঠন দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।সারা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ এ দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধরা প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারও সারা বিশ্বের সব দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি পালনে প্রতিবছরই একটি প্রতিপাদ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়।

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

আধুনিক ইতিহাসের পাতায় যে কয়েকজন নেতা একক সিদ্ধান্তে একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি কেবল একটি দেশের শাসক নন, বরং পুরো শিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও শৈশব: অভাবের মাঝেও শিক্ষার আলো১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে আলী খামেনেইর জন্ম। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জাভাদ খামেনেই ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ আলেম, যিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। খামেনেই পরবর্তীকালে তার শৈশব সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে আমাদের রাতের খাবারে শুধু রুটি আর কিশমিশ জুটত।’ অভাব থাকলেও পড়াশোনায় খামেনেই ছিলেন মেধাবী। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআন শিক্ষা শুরু করেন এবং ১১ বছর বয়সে ধর্মীয় লেবাস (পাগড়ি ও জাব্বা) ধারণ করে মাদ্রাসায় ভর্তি হন।বিপ্লবের আগুন ও কারাবরণ১৯৬০-এর দশকে তিনি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে আসেন এবং শাহ শাসিত রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। এই অপরাধে তাকে অন্তত ছয়বার গ্রেপ্তার করা হয়। সাভাক (তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থা) তাকে নির্মম নির্যাতন করেছিল এবং তিনি তিন বছরের জন্য নির্বাসিতও হয়েছিলেন। কিন্তু এই কারাবাসই তাকে একজন আপসহীন নেতায় পরিণত করে।প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও হত্যাচেষ্টা১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর খামেনেই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ সব পদে আসীন হন। ১৯৮১ সালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে সেই বছরই একটি বোমা হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন, যার ফলে তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে সম্মান দিতে শুরু করে। তার আট বছরের প্রেসিডেন্সি ছিল মূলত ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধ’-এর কঠিন সময় পার করার গল্প।সুপ্রিম লিডার: ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩৭ বছর১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনেইকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তার দীর্ঘ শাসনামলের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো:* আইআরজিসি (IRGC)-এর উত্থান: তিনি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে কেবল একটি সামরিক বাহিনী নয়, বরং একটি বিশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন।* প্রতিরোধের অক্ষ: লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের সমর্থন দিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে এক বিশাল প্রভাব বলয় তৈরি করেছেন, যাকে তিনি ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বলেন।* পারমাণবিক কর্মসূচি: পশ্চিমা বিশ্বের প্রচণ্ড নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সত্ত্বেও তিনি ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন।দর্শনের দর্পণ: খামেনেইর অবিনশ্বর কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত তার আদর্শিক অবস্থানের প্রতিফলন। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:* পশ্চিম প্রসঙ্গে: “আমেরিকা হলো ‘বড় শয়তান’। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই হলো নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।”* আঞ্চলিক সংঘাত ও ইসরায়েল: ‘ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।’* পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ফতোয়া: ‘আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, আমাদের জনগণের ঈমানের মধ্যে।’* তরুণ প্রজন্মের প্রতি: ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’ব্যক্তিগত জীবন ও বিচিত্র পছন্দখামেনেইর জীবনযাপন অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি নিয়মিত কবিতা পড়েন এবং ফারসি সাহিত্যের গভীর অনুরাগী। এমনকি ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ তার অন্যতম প্রিয় বই। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর জীবন, আদর্শ এবং তার প্রভাবশালী বক্তব্যগুলোকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিস্তারিত ফিচার নিউজ নিচে দেওয়া হলো:আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: পারস্যের ক্ষমতার ধ্রুবতারা ও তিন দশকের আপসহীন নেতৃত্বতেহরান, ইরান — আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে যদি কোনো একজন ব্যক্তির ছায়া সবচেয়ে দীর্ঘ হয়, তবে তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর, যখন দেশটি এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন খামেনেই হাল ধরেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কেবল ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নন, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে এক অটল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও বৈপ্লবিক উত্থান১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল মাশহাদ শহরের এক অতি সাধারণ ধর্মীয় পরিবারে খামেনেইর জন্ম। শৈশবে চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া খামেনেইর প্রধান সম্পদ ছিল তার মেধা ও ধর্মীয় নিষ্ঠা। মাত্র ১১ বছর বয়সে মাদ্রাসায় শিক্ষা শুরু করা এই তরুণ ১৯৬০-এর দশকে আয়াতুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে এসে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।বিপ্লবের আগে শাহের শাসনামলে তাকে অন্তত ছয়বার কারাবরণ করতে হয়। নির্বাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত রাজনৈতিক নেতৃত্বের শিখরে আরোহণ করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।‘জীবন্ত শহীদ’ ও অদম্য মনোবল১৯৮১ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় খামেনেই এক ভয়াবহ বোমা হামলার শিকার হন। এই হামলায় তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জানবাজ’ বা ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করে। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তা তাকে ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসায়।আদর্শিক স্তম্ভ: খামেনেইর বিখ্যাত কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:আমেরিকা ও পশ্চিম প্রসঙ্গে: তিনি সবসময়ই আমেরিকার আধিপত্যবাদের কট্টর বিরোধী। তার বিখ্যাত উক্তি:"আমেরিকা হলো 'বড় শয়তান'। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।"ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্বকে তিনি কখনোই মেনে নেননি। তার ভাষায়:"ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।"পারমাণবিক অস্ত্র ও ইসলাম: আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তিনি তার ধর্মীয় ফতোয়ায় অটল ছিলেন: "আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, জনগণের ঈমানের মধ্যে।"ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও আঞ্চলিক প্রভাবখামেনেইর শাসনামলে ইরান কেবল টিকে থাকেনি, বরং আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তার নেতৃত্বে গঠিত ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের অক্ষ আজ লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে (IRGC) তিনি এমন এক সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছেন যা সরাসরি তার কাছে দায়বদ্ধ।ধর্মীয় পণ্ডিত ও সাহিত্যের অনুরাগী এক রাষ্ট্রনায়ককঠোর প্রশাসক এবং ধর্মীয় নেতার বাইরেও খামেনেইর একটি ভিন্ন সত্তা রয়েছে। তিনি ফারসি সাহিত্যের একনিষ্ঠ অনুরাগী এবং শৌখিন কবি। ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য তার নখদর্পণে। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ ছিলো। তিনি প্রায়ই তরুণদের বলতেন, ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তিদীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের নাটাই শক্ত হাতে ধরে রাখার পর, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তার এই দীর্ঘ সফর কেবল ইরানের ইতিহাস নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে স্থায়ীভাবে প্রভাবিত করে গেছে। তিনি যেমন একদিকে আধ্যাত্মিক গুরু, অন্যদিকে তেমনই ছিলেন এক অকুতোভয় রণকৌশলী। তেহরানের এই লৌহমানবের শাহাদাৎ বরণের মাধ্যমে এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তি ঘটলো।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে একটি নতুন মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল শোরুম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ (Mingle in Style)। প্রতিষ্ঠানটি একটি অভিনব রিটেইল কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে যেখানে একই ছাদের নিচে চারটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের সমাহার ঘটানো হয়েছে—যা লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ফ্যাশনের এক অনন্য মিলনস্থল।প্রথাগত শোরুমের ধারণা ছাড়িয়ে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ আধুনিক জীবনযাত্রার এক প্রতিফলন, যেখানে স্টাইল সরাসরি আরাম, সুস্থতা এবং আত্মপ্রকাশের সঙ্গে যুক্ত। এই প্ল্যাটফর্মটি আভাসা (Avasaa), পিওর নর্থ (Pure North), বিদজার (Vidjar) এবং মিঙ্গেল (Mingle)-কে একত্রিত করেছে, যাদের প্রতিটি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক একটি অনন্য দিককে উপস্থাপন করে।এই নতুন যাত্রা সম্পর্কে মিঙ্গেল ইন স্টাইলের কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স নাসরিন করিম বলেন, “মিঙ্গেল আসলে আমার কাছে একটা প্যাশন প্রজেক্ট। আমাদের মূল ভিশন হচ্ছে মডার্ন ফ্যাশনকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিঙ্গেল করা। আমরা চাই মিঙ্গেল একটা ওয়ান স্টপ ওয়ার্ডরোব সলিউশন হোক যেখানে একজন মানুষ তার আইডেন্টিটি, কালচার এবং পার্সোনাল স্টাইল একসাথে খুঁজে পায়।”তিনি আরও যোগ করেন, “মিঙ্গেল ব্র্যান্ডে আমরা সবার কথা চিন্তা করে চারটা সাব-ব্র্যান্ড তৈরি করেছি যাতে সবাই একই ছাদের নিচে সব কালেকশন খুঁজে পায়। এর মধ্যে আভাসাতে থাকছে লাউঞ্জ অ্যান্ড কমফোর্ট ওয়্যার, পিওর নর্থে পাওয়া যাবে জিম অ্যান্ড স্পোর্টস ওয়্যার, ভিদজার-এ থাকছে ক্যাজুয়াল অ্যান্ড ক্লাসিক ওয়্যার এবং মিঙ্গেল নিজে একটি এথনিক ওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করছে।”শোরুমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এর আরামদায়ক এবং বিলাসবহুল পরিবেশ দর্শকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্র্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ করে দেয়। উত্তরা বেলি কমপ্লেক্সে অবস্থিত এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি বর্তমানে ফ্যাশন প্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।উত্তরাবাসীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নাসরিন করিম বলেন, “আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি উত্তরার খুব প্রাইম লোকেশনে করা হয়েছে। উত্তরার ফ্যাশন লাভারদের আমি ইনভাইট করব তারা এসে আমাদের স্টোরটি ঘুরে যাওয়ার জন্য। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আমাদের পুরো কালেকশনের ওপর আমরা ফ্ল্যাট ৩০% অফ দিচ্ছি। আমরা সবাইকে এই অফারটি উপভোগ করার জন্য মিঙ্গেলে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”এই কিউরেটেড মাল্টি-ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশে লাইফস্টাইল রিটেইল খাতের নতুন সংজ্ঞা দিতে চায় ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’। যেখানে আরাম, সংস্কৃতি, সুস্থতা এবং ব্যক্তিগত স্বকীয়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে একই সুতোয় গাঁথা।

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরে দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং জরুরি ভিত্তিতে তার বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণ করতে হবে।’সিন্ডিকেট নির্মূলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাশাপাশি এই সময়ে যেন নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে না ওঠে, সে লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

শিরোনাম
বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু মিঠাপুকুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ শুরু হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে বয়স বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি