ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।তিনি বলেন, অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রায়ের পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়। তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে একটা হতাশাবাদী গুষ্টি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি। রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, বাংলাদেশ দূতাবাস মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এম.মুশফিকুল ফজল আনসারী, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেলের মজুদ শেষ হওয়ায় ২৬ দিন বন্ধ থাকার পর রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) মূল প্ল্যান্ট ফের চালু হয়েছে। ক্রুড অয়েল সরবরাহ পেতেই উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল শোধনাগারটি।শুক্রবার (৫ মে) সকাল ৮টায় শোধনাগারটিতে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাত।শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে রিফাইনারিতে যুক্ত হয়েছে। সকাল ৮টায় আমাদের প্ল্যান্ট চালু হয়েছে। তবে প্রসেস হতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। এরপর উৎপাদন শুরু হবে। ধাপে ধাপে পুরোদমে উৎপাদনে যাব।সূত্র জানায়, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের চালান নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামে জাহাজটি গত বুধবার দুপুরে কুতুবদিয়া চ্যানেলে আসে। যুদ্ধ শুরুর পর এটি দেশে আসা ক্রুড অয়েলের প্রথম চালান। ২৪৯.৯৫ মিটার লম্বা বিশাল জাহাজটির কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে আসতে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকার জাহাজে খালাস করে (লাইটারিং) নিয়ে আসা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ ক্রুড অয়েলের চালান এসেছিল। কিন্তু যুদ্ধের কারণে ক্রুড অয়েলের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আমদানি করা ক্রুড অয়েল পরিবহণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, নিরাপদে ‘এমটি নিনেমিয়া’ দেশে পৌঁছেছে। কাস্টমস ও সার্ভেয়ার কোম্পানির আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয়েছে লাইটারিংয়ের কাজ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা থেকে আরও এক লাখ টন ক্রুড নেওয়ার জন্য ‘এমটি ফসিল’ নামের ট্যাংকার পাঠানো হয়েছে। সেটি আগামী ৯ মে বন্দরে ভিড়বে। ১০ মে লোড করে পুনরায় বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।মাহমুদুল মালেক আরও জানান, ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকার কারণে সেটি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের বার্ষিক ৭২ লাখ টন চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।জ্বালানি চাহিদার তালিকায় ডিজেল শীর্ষে রয়েছে। এরপর রয়েছে ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন এবং প্লেন চলাচলে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিপিসি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি বিক্রি করেছে।

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের নৌবাহিনীর পাল্টাপাল্টি গোলার খবরে আজ শুক্রবার (৮ মে) অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। খবর রয়টার্সের।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আজ গ্রিনিচ মান সময় ০৩৯৬টায় আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ২০ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮৫ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৬৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দিনের শুরুতে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বাড়লেও পরবর্তীতে তা কিছুটা স্থিতিশীল হয়। তবে সংঘাতের আশঙ্কায় এই সপ্তাহে উভয় চুক্তির দামই সামগ্রিকভাবে প্রায় ৬ শতাংশ হ্রাসের পথে রয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের তেলবাহী ট্যাংকার ও বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের উসকানিমূলক হামলার জবাবে তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে সবকিছুর মাঝেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে।তেল বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভান্দা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি বলেন, তেল বাজার এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। যুদ্ধের গতিপথ বা হরমুজ প্রণালির বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এখন আর দাম নির্ধারিত হচ্ছে না। তার মতে, মার্কিন প্রশাসন শান্তি চুক্তির বিষয়ে অতিরিক্ত আশাবাদ দেখালেও বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন। বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা যুদ্ধের কারণে হুমকির মুখে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং স্থায়ী শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরান কী প্রতিক্রিয়া জানায়, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে বিশ্ববাজারের জ্বালানি তেলের গতিপ্রকৃতি।

  • কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী?

    কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী?

  • মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

  • দাম বেড়েছে ডিমের

    দাম বেড়েছে ডিমের

  • ইরানে আইআরজিসির যৌথ হামলায় হরমুজ ছাড়লো মার্কিন ডেস্ট্রয়ার

    ইরানে আইআরজিসির যৌথ হামলায় হরমুজ ছাড়লো মার্কিন ডেস্ট্রয়ার

  • যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ শনিবার দেশে পৌঁছাবে

    যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ শনিবার দেশে পৌঁছাবে

  • ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ বলছে মার্কিন আদালত

    ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ বলছে মার্কিন আদালত

সব খবর

সব খবর

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

৩১ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি। তবে অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে সেই পরিস্থিতি ভালোভাবে সামলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০১ রান।শান্ত-মুমিনুলের জুটি আরও আগেই হাফসেঞ্চুরি পার করেছিল। এখন পর্যন্ত দুজন মিলে ৯৫ বলে ৭০ রান যোগ করেছেন। রান তুলেছেন প্রায় সাড়ে ৪ গড়ে। শান্ত ৫০ বলে ৩৯ এবং মুমিনুল ৫৭ বলে ৩১ রানে অপরাজিত আছেন।এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শাহিন আফ্রিদির করা পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে স্লিপে ক্যাচ তুলেছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিন্তু আব্দুল্লাহ ফজল সামনে এগিয়ে আসায় কিছুটা হোঁচট খান সালমান আগা, বল তার হাতে পড়লেও ঠিকঠাক আটকাতে পারেননি। সপ্তম ওভারে আবারও আক্রমণে এসে জয়ের উইকেট তুলে নেন শাহিন। অফস্টাম্পের বাইরে ফেলা ওভারের প্রথম বলে এবার তিনি ক্যাচ দিলেন উইকেটরক্ষক উইকেটরক্ষক রিজওয়ানের হাতে। ১৮ বলে ডানহাতি এই ব্যাটার ৮ রান করেন। এর মধ্য দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পাকিস্তানি পেসার হিসেবে ১০০তম উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করলেন শাহিন। তবে সবমিলিয়ে এই কীর্তি গড়া ১৯তম বোলার তিনি। ১১ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে হাসান আলিও সাফল্য পেলেন প্রথম বলেই। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম স্লিপে ক্যাচ দিলেন ৩০ বলে ১৩ রান করে। ৩১ রানেই ২ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।সেখান থেকে অভিজ্ঞ মুমিনুল-শান্ত সামনে টেনে নিচ্ছেন টাইগারদের। বিপরীতে পাকিস্তান প্রথম সেশনে পাঁচ বোলার ব্যবহার করেছে। শান্ত-মুমিনুলের জুটি ভাঙতে পার্ট-টাইম স্পিনার সালমান আলি আগাকেও আনা হয়। পরবর্তীতে বাঁ-হাতি বিশেষজ্ঞ স্পিনার নোমান আলি এলেও অটুট রয়েছে টাইগারদের তৃতীয় উইকেট জুটি। পেসারদের সুইং সামলে স্পিনারদের বিপরীতেও প্রয়োজনমতো স্ট্রাইক বাড়িয়েছেন শান্ত-মুমিনুল।

‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন ‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

‎‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’ বিগত সরকারের আমলে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় যাদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেই তালিকা পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি করার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।তিনি বলেন, "এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছে। যত ধরনের ফেইক বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ছিল, এই লিস্টগুলোকে রিভিজিট করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়। তিনি জানান, সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগীদের যে তালিকা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ৩০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রক্সিমিটি টেস্টের মাধ্যমে আমরা বেনিফিশিয়ারি সিলেক্ট করছি। যাদের চাহিদা আছে, যারা পাওয়ার যোগ্য, দল-মত সকল কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সেই যোগ্য মানুষের কাছে যেন তাদের বেনিফিটটা পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিতকরণের জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠিত হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, "আমরা সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছেই পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।প্রান্তিক লেভেল এবং ওপরের লেভেলের যদি সমন্বয়টা ভালোমতো হয়, তাহলে অবশ্যই এটা কার্যকর হবে।নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্ড পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নতুন করে সাজিয়েছে বিএনপি সরকার।তিনি বলেন, আগে যেসব কর্মসূচি ছিল তাও চালু আছে। তবে নারী প্রধান পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ায় তাদের অন্য যেসব সুবিধা চালু ছিল, তা বন্ধের কথা বলেছিল সরকার। এসব তালিকা পুনর্মূল্যায়ন হলে আদতে সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়বে কিনা–এমন প্রশ্ন রাখা হয় প্রতিমন্ত্রীর সামনে।ফারজানা শারমীন বলেন, “বাড়ছে তো। ফ্যামিলি কার্ডের মত এত বড় একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম যেটা দেশে এবং বিদেশে সকলে অনেক বেশি প্রেইস করেছেন, একসেপ্ট করেছেন।আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, আসলে আমরা ইকোনমিকে যেভাবে চালাতে চাচ্ছি—এটা কিন্তু বড় বড় প্রকল্পে ইনভেস্ট করার পাশাপাশি যদি আমরা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর ইনভেস্ট করি, মানুষের জীবনমানের ওপর ইনভেস্ট করি, তাহলে আসলে একটু একটু করে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে।”সামাজিক সুরক্ষা নিয়ে জেলা প্রশাসকদের তরফে কোনো সমস্যার কথা এসেছে কিনা জানতে চাইলে ফারজানা শারমীন বলেন, "উনারা অনগোয়িং প্রবলেমগুলোকে আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করেছেন। আসলে সময় তো খুব অল্প থাকে, যতটুকু পেরেছেন তারা আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন যে এই সেক্টরগুলোতে কাজ করা উচিত। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি।

ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফের মা হলেন

ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফের মা হলেন

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট তার দ্বিতীয় সন্তান হিসেবে একটি কন্যাসন্তানের জন্মের খবর ঘোষণা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে লেভিট এই আনন্দ সংবাদটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি জানান, গত ১ মে ‘ভিভিয়ানা’ ওরফে ‘ভিভি’ তাদের পরিবারে যুক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে সে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর পুনরায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই ক্যারোলিন লেভিট তার প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন।ক্যারোলিন লেভিট তার পোস্টে উল্লেখ করেন, তার বড় ছেলে নিকোলাস খুব আনন্দিত মনে তার ছোট বোনকে গ্রহণ করে নিয়েছে এবং বর্তমানে পুরো পরিবার এই নতুন অতিথির সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছে। তার গর্ভাবস্থায় শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেসব প্রার্থনা ও ভালোবাসা জানিয়েছিলেন, সেজন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। লেভিট গত এপ্রিল মাস থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন এবং তার অনুপস্থিতিতে অন্য কর্মকর্তারা হোয়াইট হাউসের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং পরিচালনা করছেন। তবে গত মাসে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গুলির ঘটনার সময় তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কাজে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেছিলেন।বর্তমানে ক্যারোলিন লেভিটের প্রশাসনিক দায়িত্বগুলো অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পালন করছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। লেভিট ও তার স্বামী নিকোলাস রিচিওর দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে, যার নাম নিকোলাস। মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে লেভিট ঠিক কবে নাগাদ পুনরায় তার দাপ্তরিক কাজে নিয়মিত হবেন, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ঈদুল আজহায় বাতিল একটি সাপ্তাহিক ছুটি

ঈদুল আজহায় বাতিল একটি সাপ্তাহিক ছুটি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ ছুটি কার্যকর থাকবে। তবে দীর্ঘ ছুটির সমন্বয় করতে আগের একটি সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) দেশের সকল সরকারি অফিস খোলা থাকবে। সাধারণত শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও বিশেষ এই ছুটির প্রাক্কালে তা বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ ২৩ মে থেকে অফিস শুরু হয়ে ২৪ মে পর্যন্ত চলবে এবং এর পরদিন ২৫ মে থেকে শুরু হবে সাত দিনের ঈদের ছুটি।

গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম

গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম

গঙ্গাধর নদী ভাঙনে গত এক সপ্তাহে নারায়নপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুড়ি বিজিবি ফাড়ি, বালারহাট এলাকায় ২০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে আশ্রয়হীন। ভাঙন প্রতিরোধ করলে চৌদ্দঘুড়ি বিজিবি ফাড়ি, প্রাইমারী, হাইস্কুল, বাজার, কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছেন ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং জরুরি পদক্ষেপ নেয়া হবে।১৬টি নদ-নদীর ভাঙনে দেশের সবচেয়ে দারিদ্র অঞ্চল কুড়িগ্রাম। গঙ্গাধর নদীর পানি বাড়ছে আর তীব্র আকারে গঙ্গাধর নদী ভাঙনে গত এক সপ্তাহে নারায়নপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুড়ি বিজিবি ফাড়ি এলাকা বালারহাট গ্রামে পাশে গঙ্গাধর নদীর দুই অংশে প্রবল আকারে ভাঙছে। ফলে ভাঙন আতঙ্কে চৌদ্দঘুড়ি বিজিবি ফাড়ি কৃষি জমি ও বসতভিটা। জরুরিভাবে ভাঙন রোধ না হলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে নারায়নপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম।

জুমার দিনে যে সব আমল করবেন

জুমার দিনে যে সব আমল করবেন

সপ্তাহের ঈদের দিন জুমাবার। ইসলামে জুমার দিনের রয়েছে বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলত। মহান আল্লাহ এ দিনকে অন্য সব দিনের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের সম্মান, গুরুত্ব ও বিশেষ মর্যাদার কথা উল্লেখ রয়েছে।হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আগের জাতিগুলোর কাছে জুমার মর্যাদা অজ্ঞাত রাখেন। তাই ইহুদিরা শনিবার নির্ধারণ করে। আর খ্রিস্টানরা রবিবার নির্ধারণ করে। অতঃপর আমরা আসি। আমাদের কাছে তিনি জুমার দিনের মর্যাদা প্রকাশ করেন।’ (মুসলিম, হাদিস ৮৫৬)ইসলামি ইতিহাসে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হজরত আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. জুমার দিন শ্রেষ্ঠ হওয়ার পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেছেন। ১. আল্লাহ তাআলা এই দিনে প্রথম মানব হজরত আদম আ.-কে সৃষ্টি করেছেন। ২. জুমার দিনে আদম আ.-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন। ৩. জুমাবারে হজরত আদম আ.-কে মৃত্যু দিয়েছেন। ৪. এ দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা কুবল করবেন। যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না। ৫. সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এ দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৮৯৫)জুমার নামাজ: হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে।’ (মুসলিম হাদিস ২৩৩)হজরত সালমান ফারসি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তার দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন।’ (বোখারি, হাদিস ৮৮৩)জুমার দিন গোসল করার অনেক ফজিলত রয়েছে। গোসল করে সবার আগে মসজিদে যাওয়া সওয়াবের। হজরদ আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তার জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস ৩৪৫)শুক্রবারে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে আগে প্রবেশ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুল সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে ডিম সদকা করল। অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে।’ (বোখারি, হাদিস ৮৪১)জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। হজরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান কোরো।’ (আবু দাউদ ১০৪৮)হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত অন্য আরেকটি হাদিসে রাসুল সা. বলেছেন, ‘জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আছরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান কোরো। (আবু দাউদ ১০৪৮)জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। হজরত আবু সাইদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। যে ব্যক্তি অজুর পর এই দোয়া পড়বে তার নাম একটি চিঠিতে লেখা হবে। অতঃপর তাতে সিল দেওয়া হবে, যা কিয়ামত পর্যন্ত আর ভাঙা হবে না।’ (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)জুমার দিন রাসুল সা.-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা অনেক অনেক সাওয়াব। হজরত আউস বিন আবি আউস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ো। কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ সাহাবারা বললেন, আমাদের দরুদ আপনার কাছে কিভাবে পেশ করা হবে, অথচ আপনার দেহ একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ জমিনের জন্য আমার দেহের ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছেন।’ (আবু দাউদ ১০৪৭)হাদিসগুলো পর্যালোচনা করলে বুঝা যায়, জুমার দিনের কিছু কাজে সাওয়াব মিলে। যেমন, নখ কাটা, গায়ের অবাঞ্চিত লোম পরিস্কার করা, উত্তম রূপে গোসল করা, উত্তম পোশাক পরিধান করা, সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার নিকট থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সব সগিরা গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হবে (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)।শুক্রবার জুমার দিন। ফজিলতের দিন। এ দিনে পুরুষের মত করে মহিলাদেরও বিশেষ কিছু আমল রয়েছে। আমলগুলো করার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ে সমান ফজিলত লাভ করবেন। তবে, যে আমলগুলো মসজিদে যাওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সেগুলো মূলত পুরুষদের জন্য। বাকি আমলগুলো রয়েছে তার সবগুলোই নারী পুরুষ সকলেই করতে পারেন। গোসল করা, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, সুরা কাহাফ তিলাওয়াত, নখ কাটা ইত্যাদি।এছাড়া নারীরা জুমার নামাজের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করবেন। হজরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘নারীদের ঘরে নামাজ পড়া বাইরে নামাজ পড়ার চেয়ে উত্তম’ (আল মু’জামুল আওসাত ৯১০১)। হাদিসে আরও এসেছে, ‘নারীদের নামাজের উত্তম জায়গা হলো তাদের ঘরের নির্জন কোণ।’ (মুসনাদে আহমদ ২৬৫৪২) নারীরা জুমার দিনে পুরুষদের সাওয়াব অর্জনে সহায়তা করবে। রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে, সে তার অনুসারীর সমান সওয়াব পাবে। অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অন্যদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে, সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে। তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না। (আবু দাউদ ৪৬০৯)

স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: তিতুমীর

স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: তিতুমীর

স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অপচয় কমানো এবং সেবা গ্রহণ সহজ করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে সরকার।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।সেমিনারে ‘বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার অপূর্ণতা এবং ব্যক্তিগত ব্যয়ে চিকিৎসার গতিপ্রকৃতি পুনর্বিবেচনা’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।তিতুমীর বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানো গেলে বৈষম্য কমানো সম্ভব। তবে সেই ব্যয় কোথায় কীভাবে করা হবে, সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তার মতে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় জোর না দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। আমরা মনে করি, প্রথমেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি সেবাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রাথমিক পর্যায়কে।প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, সরকার মনে করছে স্বাস্থ্যকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। এই দায়িত্ব দাতব্য নয়, বরং অধিকারভিত্তিক একটি কাঠামোর অংশ। স্বাস্থ্যসেবাকে জীবনচক্রভিত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে। শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে শিক্ষা, নারী ও শিশু স্বাস্থ্য এবং বয়স্কদের সুরক্ষা—সবকিছুই একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষভাবে নারীর ক্ষমতায়নকে উন্নয়নের কেন্দ্রীয় সূচক হিসেবে ধরা হচ্ছে। কারণ নারীর স্বাস্থ্য ও অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।সরকার ইতোমধ্যে সর্বজনীন ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, বিধবা এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক ক্ষেত্রে যাদের তালিকাভুক্ত হওয়া দরকার তারা হচ্ছেন না, আবার অনেকে তালিকাভুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে একটি কার্যকর ডাটাবেজ ও ডিজিটাল ব্যবস্থা দরকার।জনভোগান্তি দূর করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে একজন নাগরিকের স্বাস্থ্য ইতিহাস, চিকিৎসা তথ্য এবং সেবা গ্রহণের রেকর্ড এক জায়গায় সংরক্ষিত থাকবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমবে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সেটি সঠিকভাবে ব্যবহার করাও জরুরি। আমরা চাই, জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হোক এবং সেটি যেন কার্যকরভাবে ব্যবহার হয়।তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যয় বাড়ানো মানে অপচয় বাড়ানো নয়। বরং দক্ষতা বাড়িয়ে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবা কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এসব কর্মী মূলত রোগ প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করবেন। এতে হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষ ঘরোয়া পর্যায়েই প্রাথমিক সেবা পাবে।তিনি বলেন, দেশে অসংক্রামক রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং কিডনি রোগ দ্রুত বাড়ছে। এর প্রধান কারণ পরিবেশ দূষণ, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং নগরায়ণ। এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে। রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকার ২৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোতে তিনটি বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট, কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা এবং জটিল গাইনী ও প্রসূতি সেবা। এই তিনটি সেবা আমাদের জন্য খুবই জরুরি। কারণ এসব ক্ষেত্রে রোগীর চাপ বেশি এবং ব্যয়ও বেশি। স্বাস্থ্য খাতে প্রোগ্রামিং, বাস্তবায়ন এবং মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতার কথাও উল্লেখ করেন। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না, বরং তার বাস্তবায়ন কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে।সামাজিক সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার একটি পূর্ণ জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা বলয় গঠনের দিকে এগোচ্ছে। এতে গর্ভকাল থেকে শুরু করে শেষ জীবন পর্যন্ত নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি দাতব্য নয়, এটি নাগরিকের অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব এই অধিকার নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য খাতে কাঠামোগত সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন এবং সঠিক নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। ই-হেলথ কার্ড সেই যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।এর আগে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে নাগরিকের কী পরিমাণ অর্থ গুনতে হয় এবং অর্থ সংকটে সেবাগ্রহণ ব্যাহত হওয়া সম্পর্কিত একটি গবেষণা প্রবন্ধ সেখানে উপস্থাপন করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের রিসার্চ ফেলো ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সেমিনারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের মানোন্নয়নে এখন থেকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়া কোনো শিক্ষকই শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এই সংলাপের আয়োজন করে।শিক্ষকদের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আপনারা বলছেন প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকরা ক্লাসরুমে যাবেন না–আমরা এরইমধ্যে সেই পদক্ষেপ নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তের কারণে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থানে অনড়। তারা প্রশিক্ষণ শেষ করে আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন।’শিক্ষা খাতের বর্তমান অবস্থাকে ‘ভঙ্গুর’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে এই খাতটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার বর্তমানে এটি মেরামতের কাজ করছে। বেসরকারি স্কুলগুলো তদারকির জন্য একটি ‘রেগুলেটরি বোর্ড’ বা তদারকি পর্ষদ গঠনের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৪ মে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।ববি হাজ্জাজ আরও জানান, দেশের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের জরুরি মেরামত প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে ভবন এতটাই জরাজীর্ণ যে সেগুলোকে নতুন করে তৈরি করা ছাড়া উপায় নেই।তিনি বলেন, ‘স্কুলের অবকাঠামো মানে কেবল বিল্ডিং নয়, আমরা ভবনের নকশার সঙ্গে শিক্ষাদানের প্রক্রিয়ার সমন্বয় করতে চাই।’জাতীয় শিক্ষাক্রম নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি ‘সিমিলার স্ট্যান্ডার্ড কারিকুলাম’ বা সমমানের শিক্ষাক্রম প্রণয়নের চেষ্টা করছে। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যা ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে। কারিকুলাম তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার (জিও-এনজিও) সমন্বয় থাকবে বলেও তিনি জানান।প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘দোয়েল ল্যাপটপ’ প্রকল্পের ব্যর্থতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই না করে প্রযুক্তির পেছনে অন্ধভাবে দৌড়াতে চায় না সরকার। প্রযুক্তি হবে পাঠদানের একটি সহায়ক সরঞ্জাম মাত্র।সংলাপে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, পিডিপি-৫ (পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে। অতীতের ভুলগুলো সংশোধন করে আগামী জুন-জুলাই নাগাদ এটি পুরোদমে মাঠপর্যায়ে কার্যকর হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য বেতন, পদোন্নতি ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের বিষয়গুলো মাথায় রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘শিক্ষক নীতিমালা’ তৈরির কাজ চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সংলাপে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, এনজিও প্রতিনিধি এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন উপস্থিত ছিলেন। তারা শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জবাবদিহিতার বাইরে নয়; যে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর অধিকার জনগণের রয়েছে।

‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন ‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

‎‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’ বিগত সরকারের আমলে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় যাদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেই তালিকা পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি করার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।তিনি বলেন, "এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছে। যত ধরনের ফেইক বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ছিল, এই লিস্টগুলোকে রিভিজিট করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়। তিনি জানান, সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগীদের যে তালিকা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ৩০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রক্সিমিটি টেস্টের মাধ্যমে আমরা বেনিফিশিয়ারি সিলেক্ট করছি। যাদের চাহিদা আছে, যারা পাওয়ার যোগ্য, দল-মত সকল কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সেই যোগ্য মানুষের কাছে যেন তাদের বেনিফিটটা পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিতকরণের জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠিত হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, "আমরা সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছেই পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।প্রান্তিক লেভেল এবং ওপরের লেভেলের যদি সমন্বয়টা ভালোমতো হয়, তাহলে অবশ্যই এটা কার্যকর হবে।নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্ড পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নতুন করে সাজিয়েছে বিএনপি সরকার।তিনি বলেন, আগে যেসব কর্মসূচি ছিল তাও চালু আছে। তবে নারী প্রধান পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ায় তাদের অন্য যেসব সুবিধা চালু ছিল, তা বন্ধের কথা বলেছিল সরকার। এসব তালিকা পুনর্মূল্যায়ন হলে আদতে সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়বে কিনা–এমন প্রশ্ন রাখা হয় প্রতিমন্ত্রীর সামনে।ফারজানা শারমীন বলেন, “বাড়ছে তো। ফ্যামিলি কার্ডের মত এত বড় একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম যেটা দেশে এবং বিদেশে সকলে অনেক বেশি প্রেইস করেছেন, একসেপ্ট করেছেন।আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, আসলে আমরা ইকোনমিকে যেভাবে চালাতে চাচ্ছি—এটা কিন্তু বড় বড় প্রকল্পে ইনভেস্ট করার পাশাপাশি যদি আমরা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর ইনভেস্ট করি, মানুষের জীবনমানের ওপর ইনভেস্ট করি, তাহলে আসলে একটু একটু করে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে।”সামাজিক সুরক্ষা নিয়ে জেলা প্রশাসকদের তরফে কোনো সমস্যার কথা এসেছে কিনা জানতে চাইলে ফারজানা শারমীন বলেন, "উনারা অনগোয়িং প্রবলেমগুলোকে আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করেছেন। আসলে সময় তো খুব অল্প থাকে, যতটুকু পেরেছেন তারা আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন যে এই সেক্টরগুলোতে কাজ করা উচিত। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি।

ঈদুল আজহায় বাতিল একটি সাপ্তাহিক ছুটি

ঈদুল আজহায় বাতিল একটি সাপ্তাহিক ছুটি

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ শনিবার দেশে পৌঁছাবে

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ শনিবার দেশে পৌঁছাবে

বগুড়া সিটি করপোরেশন ও নতুন ৫ উপজেলা গঠন

বগুড়া সিটি করপোরেশন ও নতুন ৫ উপজেলা গঠন

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

আগামী ৭ জুন শুরু হবে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন

আগামী ৭ জুন শুরু হবে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফের মা হলেন

ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফের মা হলেন

কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী?

কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী?

ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ বলছে মার্কিন আদালত

ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ বলছে মার্কিন আদালত

ইরানে আইআরজিসির যৌথ হামলায় হরমুজ ছাড়লো মার্কিন ডেস্ট্রয়ার

ইরানে আইআরজিসির যৌথ হামলায় হরমুজ ছাড়লো মার্কিন ডেস্ট্রয়ার

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।তিনি বলেন, অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রায়ের পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়। তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে একটা হতাশাবাদী গুষ্টি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি। রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, বাংলাদেশ দূতাবাস মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এম.মুশফিকুল ফজল আনসারী, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

জাপানের পার্লামেন্ট ভবন পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর

জাপানের পার্লামেন্ট ভবন পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর

জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের

জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের

এসএসপি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু আবিদ

এসএসপি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু আবিদ

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

রৌমরীতে  বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের ১০০ নেতাকর্মী

রৌমরীতে বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের ১০০ নেতাকর্মী

গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম

গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম

খাগড়াছড়ি রেঞ্জ ফরেস্টের অফিসের পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার

খাগড়াছড়ি রেঞ্জ ফরেস্টের অফিসের পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার

খাগড়াছড়ি সদরের রেঞ্জ ফরেস্ট অফিসের পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে ২৬) রাত নয়টার সময়ে পুকুরটিতে লাশটি ভাসতে দেখা যায়।পুকুরটি লিজ নিয়ে মাছের চাষ করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ মিয়া, তিনি প্রতিদিনের মতো রাতে পুকুরের মাছ দেখতে এসে পুকুরে লাশ ভাসতে দেখেন। পরে তিনি সাথে সাথেই পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের খবর দেন। সদর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করেন।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তিনি সদরের শান্তি নগর এলাকার বাসিন্দা। তার নাম কৃষ্ণ দে (৫৮)। তিনি খাগড়াছড়ি টার্মিনালে রাঙ্গামাটির কাউন্টারে চেকারের কাজ করেন। তার স্ত্রী পাখি দে জানিয়েছেন তিনি নিয়মিত মদ পান করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি অতিরিক্ত মদ্যপানে পুকুরে পরে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তার কুমরে একটি এলাচি মদ এর বতল পাওয়া গেছে। তার মৃত্যুতে অন্য কোন কারণ রয়েছে কিনা তা উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতাল পাঠিয়েছেন।

ভৈরবে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত

ভৈরবে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত

পাবনার আটঘরিয়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

পাবনার আটঘরিয়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

দেলদুয়ারে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে উদ্ধার হলো বৃদ্ধার টাকা, ফিরে পেলেন শেষ সম্বল

দেলদুয়ারে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে উদ্ধার হলো বৃদ্ধার টাকা, ফিরে পেলেন শেষ সম্বল

বারহাট্টায় খাল দখল করে  ফিসারি,তলিয়ে গেল কৃষকের ধান

বারহাট্টায় খাল দখল করে ফিসারি,তলিয়ে গেল কৃষকের ধান

সুঁই-সুতায় বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

সুঁই-সুতায় বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ বছরেও চালু হয়নি বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির কারখানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ বছরেও চালু হয়নি বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির কারখানা

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

৩১ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি। তবে অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে সেই পরিস্থিতি ভালোভাবে সামলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০১ রান।শান্ত-মুমিনুলের জুটি আরও আগেই হাফসেঞ্চুরি পার করেছিল। এখন পর্যন্ত দুজন মিলে ৯৫ বলে ৭০ রান যোগ করেছেন। রান তুলেছেন প্রায় সাড়ে ৪ গড়ে। শান্ত ৫০ বলে ৩৯ এবং মুমিনুল ৫৭ বলে ৩১ রানে অপরাজিত আছেন।এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শাহিন আফ্রিদির করা পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে স্লিপে ক্যাচ তুলেছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিন্তু আব্দুল্লাহ ফজল সামনে এগিয়ে আসায় কিছুটা হোঁচট খান সালমান আগা, বল তার হাতে পড়লেও ঠিকঠাক আটকাতে পারেননি। সপ্তম ওভারে আবারও আক্রমণে এসে জয়ের উইকেট তুলে নেন শাহিন। অফস্টাম্পের বাইরে ফেলা ওভারের প্রথম বলে এবার তিনি ক্যাচ দিলেন উইকেটরক্ষক উইকেটরক্ষক রিজওয়ানের হাতে। ১৮ বলে ডানহাতি এই ব্যাটার ৮ রান করেন। এর মধ্য দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পাকিস্তানি পেসার হিসেবে ১০০তম উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করলেন শাহিন। তবে সবমিলিয়ে এই কীর্তি গড়া ১৯তম বোলার তিনি। ১১ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে হাসান আলিও সাফল্য পেলেন প্রথম বলেই। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম স্লিপে ক্যাচ দিলেন ৩০ বলে ১৩ রান করে। ৩১ রানেই ২ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।সেখান থেকে অভিজ্ঞ মুমিনুল-শান্ত সামনে টেনে নিচ্ছেন টাইগারদের। বিপরীতে পাকিস্তান প্রথম সেশনে পাঁচ বোলার ব্যবহার করেছে। শান্ত-মুমিনুলের জুটি ভাঙতে পার্ট-টাইম স্পিনার সালমান আলি আগাকেও আনা হয়। পরবর্তীতে বাঁ-হাতি বিশেষজ্ঞ স্পিনার নোমান আলি এলেও অটুট রয়েছে টাইগারদের তৃতীয় উইকেট জুটি। পেসারদের সুইং সামলে স্পিনারদের বিপরীতেও প্রয়োজনমতো স্ট্রাইক বাড়িয়েছেন শান্ত-মুমিনুল।

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বারাকপুরের সাবেক বিধায়ক ও জনপ্রিয় নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে রাজের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে টলিউডের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে পরিচালক ও নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি নাম না করে রাজকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনা করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় এবং বিজেপির জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বারাকপুর আসন থেকে পরাজিত হওয়ার পরপরই সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ চক্রবর্তী। তার এই সিদ্ধান্তকে ইঙ্গিত করে সৌরভ পালোধি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, হেরে গেলে কি রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়? এদেরকে কি মৌলিক রাজনৈতিক শিক্ষার কোনো বই উপহার দেওয়া যায় না?সৌরভ পালোধির এই মন্তব্য রাজ চক্রবর্তীর ‘পরাজয় মেনে নিতে না পারা’র দিকেই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। টালিউড পাড়ায় বামপন্থী আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শেই অবিচল থাকবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় থাকার বিষয় নয়, বরং রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নাম।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০২৬-এর নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন রাজ। টলিউডের এই হেভিওয়েট নির্মাতার এমন হঠাৎ প্রস্থানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। তবে রাজের পক্ষ থেকে সৌরভের এই সমালোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আটকে থাকা সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ মুক্তি পেলো। ইরফানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ইরফানের বিপরীতে ছবিটিতে বিদ্যা বালান অভিনয় করেছেন। এটি ইরফান খান এবং বিদ্যা বালনের ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে রূপালি পর্দায় সম্ভবত এটিই ছিল বিদ্যার প্রথম সিনেমা। এর চেয়েও বড় বিষয়, পুরো ক্যারিয়ারে এই একটি মাত্র সিনেমাতেই একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই দুই পাওয়ার হাউস পারফর্মার।২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এটি পরিচালনা করেছিলেন। তবে প্রতিকূলতা যেন পিছু ছাড়ছিল না। মূল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় দুই দশকেরও বেশি সময় ছবিটির মুক্তি আটকে ছিল। পরিচালক সার্থক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনাক্রমে ছবিটির একটি ভিএইচএস কপি খুঁজে পাওয়া যায়, যা বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।পরিচালনার স্মৃতিচারণা করে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘তখন আমি একেবারে নতুন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই কেবল অনুভূতির ওপর ভর করে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট জীবন ছেড়ে আসা সেই তরুণের কাছে এটি ছিল বড় এক পরীক্ষা। আজ প্রিয় ইরফানের স্মরণে এটি মুক্তি দিতে পেরে আমি তৃপ্ত।’সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে নিস্তব্ধতা আর রহস্যের মাঝে ডানা মেলে স্মৃতি ও আকাঙ্ক্ষা। তবে সেই যাত্রা মোটেও প্রত্যাশামতো এগোয় না। শূন্য বাজেটের এই কাজটি বর্তমান দর্শকদের কাছে অন্যরকম এক নস্টালজিয়া তৈরি করেছে।নিজের প্রথম দিকের কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালনও। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে দেখে অবিশ্বাস্য লাগছে। তখন আমি নিজের জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ একজন সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র এই কাজটি ফিরে পাওয়া আমার কাছে দারুণ এক প্রাপ্তি।’গত ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটি ইউটিউবে প্রায় দুই লক্ষ ভিউ অর্জন করেছে। ইরফান ভক্তদের কাছে এই ছবি যেন এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’ ও ‘২০০ হাল্লা হো’-এর মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’ পরিচালনা করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। এতে অভিনয় করেছেন লামিমা লাম, সুদীপ বিশ্বাস দীপ ও সঞ্জয় রাজসহ আরও অনেকে। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব।জানা গেছে, সম্প্রতি ৩০০ ফিট ও ডাক্তার বাড়ি-২ লোকেশনে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ‘হিয়ার মাঝে’ নাটকটি আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভি-তে প্রচারিত হবে। নাটকটির মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে এসকে মিডিয়া পিআর।এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লামিমা লাম বলেন, 'হিয়ার মাঝে' নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে। প্রতিটি সিনে আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সহশিল্পী দীপের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং আমাদের কেমিস্ট্রি দারুণ হয়েছে। এছাড়াও নির্মাতা রাজীব ভাইয়ের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, তাই কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল স্বচ্ছন্দ। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ভালো একটি কাজ হবে বলে আশা করছি।'অভিনেতা সুদীপ বিশ্বাস দীপ বলেন, 'নাটকটির শুটিং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। আশা করি, দর্শকরা ঈদে টিভির পাশাপাশি ইউটিউবেও নাটকটি উপভোগ করতে পারবেন। লামিমা লামের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। আমাদের জুটিকে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস করি।'অভিনেতা সঞ্জয় রাজ বলেন, ঈদ উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব। নাটকটির গল্প অনেক সুন্দর। আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে অভিনয় করছি, এই সময়ে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করেছি। বর্তমানে নিয়মিত নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করছি। এই নাটকেও দর্শক আমাকে একেবারে নতুন একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন। আশা করি, আমার এই ভিন্নধর্মী উপস্থিতি দর্শকদের ভালো লাগবে।

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দেশের আলোচিত অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি দাবি করেন, ফারুকীর কারণে কিছু শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের কিছু শিল্পীর জীবন ফারুকী শেষ করে দিয়েছে। সে মনে করছে সে জিতে গেছে, কিন্তু সে জীবনেও জিততে পারবে না।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভেতরে কাজের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। ‘আমি আমার দেশটাকে মিস করি। কোথাও কাজ করতে পারতাম না, কোথাও ঢুকতে পারতাম না। যেখানেই গেছি, সেখানেই ফারুকী। টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে রাখতো’- বলেন এই অভিনেত্রী।একটি অনুষ্ঠানে ফারুকীর স্ত্রীর আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক শিল্পীর দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনেক অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’লাইভে তিনি আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ‘আমি হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলব না, কীভাবে আমাকে নিজের দেশ ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।তবে দেশ ছাড়ার পেছনে সরাসরি কোনো চাপ ছিল না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমাকে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু কেন জানি মনে হয়েছে, আমার চলে যাওয়া উচিত।’ এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন লোক আমাকে বারবার বিরক্ত করছিল। আমি জানতে চাই, কেন সে এমন করছিল। আশা করি, একদিন তার সঙ্গে দেখা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারব।’অরুণা বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে কানাডায় আছি। আমার পাসপোর্ট না থাকলে আমি আসতাম না। আমি পালিয়ে আসিনি’। এই বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকের পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। সেখানে ব্যাচেলর পয়েন্ট টিমের সঙ্গে যুক্ত হলেন নেপালের অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা। বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্মাতা জানান, ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভের চ্যাপটার ১২-তে সারপ্রাইজ তাঁকে দেখা যাবে।ফেসবুকে রাজেশ্রী থাপার ছবি পোস্ট করে পরিচালক ক্যাপশনে লেখেন, চরিত্রটি কে হতে পারে অনুমান করুন। এরপর তাঁর কমেন্ট বক্সে হাজার হাজার ফানি মন্তব্য পড়তে দেখা যায়।গত বছর কোরবানির ঈদের সময় থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে শুরু হয়েছে ব্যাচেলর পয়েন্ট ফাইভের প্রচার। নতুন সিজনে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে চমক। পাঁচ বছর পর এই সিজনে ফিরে এসেছেন নেহাল ও আরিফিন চরিত্রে অভিনয় করা তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্রও। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ।ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ব্যাচেলর পয়েন্টের নতুন এই সিজন প্রচার হচ্ছে চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।সিদ্দিক আরও বলেন, ‘আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তির পর গত কয়েকদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।’উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের নৌবাহিনীর পাল্টাপাল্টি গোলার খবরে আজ শুক্রবার (৮ মে) অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। খবর রয়টার্সের।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আজ গ্রিনিচ মান সময় ০৩৯৬টায় আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ২০ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮৫ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৬৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দিনের শুরুতে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বাড়লেও পরবর্তীতে তা কিছুটা স্থিতিশীল হয়। তবে সংঘাতের আশঙ্কায় এই সপ্তাহে উভয় চুক্তির দামই সামগ্রিকভাবে প্রায় ৬ শতাংশ হ্রাসের পথে রয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের তেলবাহী ট্যাংকার ও বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের উসকানিমূলক হামলার জবাবে তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে সবকিছুর মাঝেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে।তেল বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভান্দা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি বলেন, তেল বাজার এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। যুদ্ধের গতিপথ বা হরমুজ প্রণালির বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এখন আর দাম নির্ধারিত হচ্ছে না। তার মতে, মার্কিন প্রশাসন শান্তি চুক্তির বিষয়ে অতিরিক্ত আশাবাদ দেখালেও বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন। বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা যুদ্ধের কারণে হুমকির মুখে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং স্থায়ী শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরান কী প্রতিক্রিয়া জানায়, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে বিশ্ববাজারের জ্বালানি তেলের গতিপ্রকৃতি।

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

দাম বেড়েছে ডিমের

দাম বেড়েছে ডিমের

ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। ফিরে আসা এই ১৭৪ জন নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইওএম-এর প্রতিনিধিরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানা গেছে। তাদের বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইওএমর পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে যাতায়াত ভাতা ও জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে মোট ৮৯৫ জন বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। তাদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে এই ১৭৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো।আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও দুটি ধাপে অবশিষ্টদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। ১৮ মে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও একটি বড় দল ফিরবে। ২৪ মে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে অবশিষ্টদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে চলতি মাসেই লিবিয়া থেকে মোট ৫২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের ঘরে ফেরার কথা রয়েছে। ফিরে আসা অভিবাসীদের অধিকাংশকেই দালালের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রিয়েলমি সি১০০আই নিয়ে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার ও প্রতিদিন নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসটি নিয়ে আসা হয়েছে। এতে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে একবার পূর্ণ চার্জে ডিভাইসিটি তিনদিন পর্যন্ত চলতে সক্ষম। ‘ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে রিয়েলমি সি১০০আইকে তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লের কারণে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্মুথ গেমিং করা সম্ভব। একইসাথে, এতে ৯৬.৪ ঘন্টা মিউজিক প্লেব্যাক ও ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং করা সম্ভব। ডিভাইসটিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে ১,৬০০-এরও বেশি চার্জ সাইকেলের পাশাপাশি, ৬ বছরের ব্যাটারি লাইফস্প্যান নিশ্চিত করা হয়েছে। বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে এতে রিভার্স চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি হওয়ার পরও ডিভাইসটি মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটার স্লিম যার ওজন মাত্র ২০৮ গ্রাম, যা এই সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি স্মার্টফোন। ডিভাইসটিতে ৬.৮ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট রয়েছে। একইসাথে, রিফাইন্ড লুক নিশ্চিত করতে এতে ফ্ল্যাগশিপ রাউন্ডেড কর্নার রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ডিভাইসটিতে ক্লিয়ার স্পিকারের সাথে ৩০০% পর্যন্ত আলট্রা ভলিউম ব্যবহার করা হয়েছে, যা কল, বিনোদন ও গেমিংয়ের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, সময়ের সাথে সাথে স্মুথ অপারেশন নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ১২ জিবি পর্যন্ত ডাইনামিক র‍্যাম, অ্যান্ড্রয়েড ১৬-নির্ভর রিয়েলমি ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস) ও ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এতে আর্মরশেল প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, এর নেক্সট এআই ফিচার ইন্টারেকশন আরও বেশি স্মার্ট করার পাশাপাশি, অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ করবে। শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ, স্লিম ডিজাইন, অনবদ্য বিনোদন ফিচার, আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের ডিভাইসটি ডন পার্পল ও ডাস্ক গ্রে’র মতো দুইটি প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে। রিয়েলমি সি১০০আই দুইটি ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে; এর ৪ জিবি + ৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকা ও ৪ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ১৭,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’ আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল খাগড়াছড়ি রেঞ্জ ফরেস্টের অফিসের পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার রৌমরীতে বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের ১০০ নেতাকর্মী গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম ‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’ ভৈরবে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত পাবনার আটঘরিয়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার দেলদুয়ারে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে উদ্ধার হলো বৃদ্ধার টাকা, ফিরে পেলেন শেষ সম্বল রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’ আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল খাগড়াছড়ি রেঞ্জ ফরেস্টের অফিসের পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার রৌমরীতে বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের ১০০ নেতাকর্মী গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে নারায়নপুরের চৌদ্দঘুড়ি ও বালারহাট গ্রাম ‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’ ভৈরবে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত পাবনার আটঘরিয়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার দেলদুয়ারে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে উদ্ধার হলো বৃদ্ধার টাকা, ফিরে পেলেন শেষ সম্বল