ঢাকা শুক্রবার ২০ মাঘ ১৪৩১ সকাল ০২:৩৯:৩১ (20-Feb-2026)

ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান–কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।আজ বৃহস্পতিবার পাঠানো এক অভিনন্দনবার্তায় দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।বার্তায় কিয়ার স্টারমার বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন নেতৃত্বে এ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও দৃঢ় হবে।তিনি জানান, অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বৈদেশিক বিনিয়োগকারী হিসেবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।অভিনন্দনবার্তায় অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রতিরোধ এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানায় যুক্তরাজ্য।সবশেষে দুই দেশের অংশীদারত্বের পরবর্তী অধ্যায়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন কিয়ার স্টারমার।

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, 'সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।''মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে,' বলেন তিনি।মন্ত্রী রবিউল আলম আরও বলেন, 'শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে, এমন মালিকদের বা দলের প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ তারা সমঝোতা ভিত্তিতে করছে।''কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব, যে সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না,' যোগ করেন তিনি।সড়কে যানজটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'মহাসড়কের ওপরই অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। সেখানে যানজট হচ্ছে। এগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।'ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, 'ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। গতবার ছুটি বড় ছিল। এতে একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে সেটা ঠিক করা হবে।''আশা করছি আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রেও কোনো কিছু করা যায় কি না, আরও ৫-৭-১০ দিন গেলে আমরা বিস্তারিতভাবে বলতে পারব,' যোগ করেন তিনি।

হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত দেশে এমন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করছে যেখানে একদিন হয়তো কোনো এতিম সন্তান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরে এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্যের অবতারণা করেন জামায়াত আমির। নিজের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত আসনে তিনি এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বসান এবং তাদের পাশে বসেই প্রথম রমজানের ইফতার সম্পন্ন করেন।ইফতার-পূর্ব বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে দেশ গঠনে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে জামায়াত প্রস্তুত। তবে সরকার যদি জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করে, তবে আমরা নীরব থাকব না।’ তিনি সকল ক্ষেত্রে সরকারকে আল্লাহর প্রতিপালন ও বিধান মেনে চলার আহ্বান জানান। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের উন্নতির জন্য দলীয় রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ও হিংসাত্মক রাজনীতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণমাধ্যমের ওপর ফ্যাসিবাদের খড়গ নেমে এসেছে। সাংবাদিকদের এই চাকরিচ্যুতি স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিতের পথে বড় অন্তরায়। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ইফতার মাহফিলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাসহ বিপুল সংখ্যক এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

  • ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

  • প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশা

    প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশা

  • ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে: তথ্যমন্ত্রী

    ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে: তথ্যমন্ত্রী

  • জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

  • তদবির বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    তদবির বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

  • টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি

    টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি

  • দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় নবীনগরের উপজেলা ও পৌর যুবদল  নেতার বহিষ্কার

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় নবীনগরের উপজেলা ও পৌর যুবদল নেতার বহিষ্কার

  • ঢাকা ১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিটির সমন্বয়ক ডাবলু ও যুগ্ম সমন্বয়ক রাজ

    ঢাকা ১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিটির সমন্বয়ক ডাবলু ও যুগ্ম সমন্বয়ক রাজ

  • কবে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী, জানালেন সেনাপ্রধান

    কবে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী, জানালেন সেনাপ্রধান

  • ঢাকা ১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে কামরুল ইসলাম রাজের জনসংযোগ

    ঢাকা ১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে কামরুল ইসলাম রাজের জনসংযোগ

  • এমপিদের শপথ পড়াবেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

    এমপিদের শপথ পড়াবেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

  • ভোট ঘিরে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে যে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ভোট ঘিরে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে যে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • ঢাকা-১৫: তিন কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াত আমির

    ঢাকা-১৫: তিন কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াত আমির

  • ২৫ পুর্ণাঙ্গ মন্ত্রী, ২৪ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠিত হলো মন্ত্রীসভা, শপথ বিকেলে

    ২৫ পুর্ণাঙ্গ মন্ত্রী, ২৪ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠিত হলো মন্ত্রীসভা, শপথ বিকেলে

  • বিএনপি ৩৫, জামায়াত পাচ্ছে ১১টি নারী আসন

    বিএনপি ৩৫, জামায়াত পাচ্ছে ১১টি নারী আসন

  • নির্বাচন উপলক্ষে যানবাহনে বিধি-নিষেধ: যা চলবে, যা চলবে না

    নির্বাচন উপলক্ষে যানবাহনে বিধি-নিষেধ: যা চলবে, যা চলবে না

সব খবর

  • চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

    চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

  • ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে?

    ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে?

  • ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স

    ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স

  • হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল

    হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল

  • ৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ

    ৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ

  • হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

    হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

  • তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

    তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

  • মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

    মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

  • ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

  • সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

    সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

সব খবর

চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

সড়কে চাঁদা আদায় নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।এরআগে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।’ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা বলেন, ‘মন্ত্রী যেটিকে ‘সমঝোতা’ বলছেন, তা বাস্তবে চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি পদ্ধতি। কোনো চালক নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে গেলে তাকে নির্দিষ্ট সংস্থাকে টাকা দিতেই হয়।‘একে সমঝোতার মোড়ক দেওয়া মানে একটি অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া। এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। বাসভাড়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এই অলিখিত চাঁদা, আর পণ্যবাহী ট্রাক থেকে এভাবে টাকা আদায়ের ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়ে। শেষ পর্যন্ত এই অর্থের বোঝা বহন করতে হয় সাধারণ যাত্রী ও ভোক্তাদেরই।’তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রী নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কি এই অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার একটি মাধ্যম? যদি তা না হয়, তাহলে এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।’তাসনিম জারা বলেন, ‘রাস্তায় অনানুষ্ঠানিকভাবে টাকা তোলা বন্ধ করতে হবে। যদি মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা আনুষ্ঠানিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা উচিত। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অথবা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফি-র সঙ্গে যুক্ত করে এই অর্থ আদায় করা যেতে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘সড়কে যে কোটি কোটি টাকা তোলা হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ অডিট নিশ্চিত করতে হবে এবং এই অর্থ কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে, তা প্রকাশ করতে হবে। এই অর্থ সাধারণ চালক বা মালিকের ব্যক্তিগত অর্থ নয়, বরং যাত্রী ও ভোক্তাদের কাছ থেকেই আসে। তাই সরকারের দায়িত্ব সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া।’

৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ

৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ

৪৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২১-এর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৪ হাজার ১৩৬ জনকে নন-ক্যাডার পদের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরিনের সই করা বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০২৩’-এর বিধি ৬ অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা ও পছন্দক্রম বিবেচনা করে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ৯ম থেকে ১১তম গ্রেডের বিভিন্ন শূন্য পদে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ৯ম গ্রেডের পদে। এর মধ্যে খাদ্য অধিদফতরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে তিনজন, নিবন্ধন অধিদফতরে সাব-রেজিস্ট্রার পদে আটজন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে সহকারী পরিচালক পদে ২৯ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া পাসপোর্ট অধিদফতরে ১৪ জন এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে ১৯ জন ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে মনোনয়ন পেয়েছেন।১০ম গ্রেডের বড় একটি অংশ নিয়োগ পাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে। এখানে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে কয়েকশ প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরে খাদ্য পরিদর্শক পদে ১৬৩ জন এবং মৎস্য অধিদপ্তরে মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে ১৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইন্সট্রাক্টর (কৃষি ও শারীরিক শিক্ষা) সহ বেশ কিছু পদে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে আবেদন করেন প্রায় তিন লাখ ৫০ হাজার প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ৭০৮ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন প্রায় ৪ হাজার জন।

হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল

হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত তারিখ আবারও পিছিয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মামলার প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে জমা দেওয়া হয়নি।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঁঞা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এ মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে ইনকিলাব মঞ্চ। গত ১২ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির জন্য নির্ধারিত থাকলেও মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চান। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য করেন।পরে নির্ধারিত দিনে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব ও মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেন।তদন্তভার পাওয়ার পর সিআইডি মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেল আহমেদকে গ্রেফতার করে। তাকে দুই দফায় ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগে গেলে চলন্ত মোটরসাইকেলে থাকা আততায়ীরা চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে।গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং অস্ত্রোপচারের পর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।এ ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। একই বছরের ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজনের নির্দেশ দেন।মামলার এজাহারে ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুলসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স

ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই সময়ে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারিতেই এসেছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, পরের ২ দিনে আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। তারও আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চে দেশে এসেছিল ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। যা ছিল দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।

মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

পবিত্র রমজানের প্রথম দিন থেকেই মদিনার মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল দেখা গেছে। নগরবাসী ও দূরদূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের অংশগ্রহণে লক্ষাধিক রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেছে। এই দৃশ্য রমজানের পবিত্রতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি করেছে।রমজানের প্রথম দিন মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে ইফতার আয়োজন ঘিরে দেখা গেছে ব্যতিক্রমী দৃশ্য। মসজিদের পবিত্র প্রাঙ্গণে হাজারো রোজাদার, স্থানীয় বাসিন্দা ও সফররত মুসল্লি একত্রে ইফতারে অংশ নেন। চারপাশজুড়ে ছিল ইবাদত, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধে ভরপুর পরিবেশ।মসজিদের বিস্তৃত আঙিনাজুড়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয় ইফতারের টেবিল। সেখানে মুসল্লিরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ইফতারের অপেক্ষায় জড়ো হন। পুরো আয়োজনজুড়ে ফুটে ওঠে রমজানের বিশেষ আত্মিক তাৎপর্য। যেখানে ধৈর্য, দয়া ও পারস্পরিক সম্মান একসূত্রে মিলিত হয়।এই বিপুল সমাগম নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছিল সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ও ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়। ফলে রোজা ভাঙা ও নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা পান প্রশান্তি ও স্বস্তির অভিজ্ঞতা।ইফতার আয়োজন সফল করতে ব্যক্তি উদ্যোগ ও দাতাদের ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই স্বেচ্ছায় ইফতার প্রস্তুত ও পরিবেশনে অংশ নেন। এই উদারতা ও সেবার মানসিকতা রমজানের চেতনা এবং মদিনার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক মূল্যবোধকে নতুন করে তুলে ধরেছে।রমজান মাসে মদিনায় এমন দৃশ্য নতুন নয়। তবে প্রথম দিনের ইফতারে মুসল্লিদের এই বিপুল অংশগ্রহণ আবারও প্রমাণ করেছে রমজান শুধু অনাহারে থাকার মাস নয়; এটি ঐক্য, সহানুভূতি ও মানবিক বন্ধনের এক মহিমান্বিত সময়। সূত্র : সৌদি গেজেট

২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ

২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রভাতফেরি, মৌন মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের নির্ধারিত রুটম্যাপ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফেরার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পাস ও পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান ভবনে, উপাচার্য ভবনসহ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ, বিভিন্ন হলের মসজিদ ও আবাসিক এলাকার উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টায় উপাচার্য ভবনের সামনে ‘স্মৃতি চিরন্তন’ চত্বর থেকে মৌন মিছিল ও প্রভাতফেরি বের করা হবে। এতে নেতৃত্ব দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। প্রভাতফেরি উদয়ন স্কুল হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ গিয়ে শেষ হবে। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন ও শিক্ষা), কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল ও হোস্টেলের প্রাধ্যক্ষ-ওয়ার্ডেন, প্রক্টর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট পরিচালক, শিক্ষক, ডাকসু নেতা, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সবাইকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের মধ্যে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

নারীদের বিরুদ্ধে ফের নতুন কড়া আইন জারি করলো আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। ব্রিটিশ অনলাইন সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সরকার স্বামীদের তাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়ে পারিবারিক সহিংসতার ‘বৈধতা’ দিয়েছে। তবে মারধরের ফলে ‘হাড় ভেঙে গেলে’ বা ‘জখম হলে’ স্বামীদের শাস্তি পেতে হবে নতুন এই আইনে বলা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, এনিয়ে ইতোমধ্যে তালেবান সরকার নতুন একটি ফৌজদারি আইন জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি গোষ্ঠীটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ৯০ পাতার নতুন এই দণ্ডবিধিটিতে স্বাক্ষর করেছেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, পশতু ভাষায় ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ বা ‘আদালতের ফৌজদারি বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলী’ নামীয় এই দণ্ডবিধি আফগানিস্তানের আদালতগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। এর একটি অনুলিপি ইন্ডিপেন্ডেন্ট দেখেছে।নতুন এই দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন ধরনের বর্ণ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা অনুযায়ী, অপরাধী ‘মুক্ত’ না ‘দাস’ তার ওপর ভিত্তি করে শাস্তির মাত্রাও ভিন্ন হবে।এই আইন অনুযায়ী, কোনো স্বামী ‘অতিরিক্ত মাত্রার শক্তি’ ব্যবহার করে দৃশ্যমান তার স্ত্রীর জখম বা হাড় ভাঙলে ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এই লোক তখনই দোষী সাব্যস্ত হবে যখন তার স্ত্রী তার ওপর হওয়া নির্যাতন আদালতে সফলভাবে প্রমাণ করতে পারবে।এ ছাড়া নতুন আইনে বলা হয়েছে, নির্যাতিত নারী পুরোপুরি হিজাব পরা অবস্থায় তার জখম বিচারককে দেখাতে পারবে। তবে এমন পরিস্থিতিতে তার স্বামী অথবা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে তার সঙ্গে আদালতে থাকতে হবে। অন্যদিকে বিবাহিত কোনো নারী তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, এমন কার্যকলাপের জন্য স্ত্রীর সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড হতে পারে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের নতুন এই দণ্ডবিধি দেশটির সমাজকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে। এগুলো হচ্ছে, ধর্মীয় বিদ্বান (উলামা), অভিজাত (আশরাফ), মধ্য শ্রেণি এবং নিম্ন শ্রেণি। এই পদ্ধতি অনুযায়ী, একই ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তি প্রাথমিকভাবে অপরাধের ধরন বা এর তীব্রতা দ্বারা নির্ধারিত হবে না, হবে অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থান দ্বারা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই সাক্ষাৎ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে, দ্বিতীয় দিনের মতো আজ সচিবালয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি।এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এদিকে, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তারেক রহমান। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান–কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।আজ বৃহস্পতিবার পাঠানো এক অভিনন্দনবার্তায় দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।বার্তায় কিয়ার স্টারমার বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন নেতৃত্বে এ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও দৃঢ় হবে।তিনি জানান, অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বৈদেশিক বিনিয়োগকারী হিসেবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।অভিনন্দনবার্তায় অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রতিরোধ এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানায় যুক্তরাজ্য।সবশেষে দুই দেশের অংশীদারত্বের পরবর্তী অধ্যায়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন কিয়ার স্টারমার।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী

টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি

টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি

জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশা

প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশা

বিজয়ী ২৯৭ এমপির মধ্যে ২৭১ জন কোটিপতি: সুজন

বিজয়ী ২৯৭ এমপির মধ্যে ২৭১ জন কোটিপতি: সুজন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

দ্রব্যমূল্য যেন নাগালের বাইরে না যায়: ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

দ্রব্যমূল্য যেন নাগালের বাইরে না যায়: ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

রমজানকে মুনাফা লাভের মাসে পরিণত করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

রমজানকে মুনাফা লাভের মাসে পরিণত করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী

এই দেশ আমাদের সবার: জনগণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

এই দেশ আমাদের সবার: জনগণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু গ্রেফতার

সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু গ্রেফতার

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন

নাইজেরিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৩৮ শ্রমিক, আহত ২৭

নাইজেরিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৩৮ শ্রমিক, আহত ২৭

যেকোনো সময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ!

যেকোনো সময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ!

সিরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনা প্রত্যাহার

সিরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনা প্রত্যাহার

চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার

সড়কে চাঁদা আদায় নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।এরআগে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।’ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা বলেন, ‘মন্ত্রী যেটিকে ‘সমঝোতা’ বলছেন, তা বাস্তবে চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি পদ্ধতি। কোনো চালক নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে গেলে তাকে নির্দিষ্ট সংস্থাকে টাকা দিতেই হয়।‘একে সমঝোতার মোড়ক দেওয়া মানে একটি অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া। এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। বাসভাড়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এই অলিখিত চাঁদা, আর পণ্যবাহী ট্রাক থেকে এভাবে টাকা আদায়ের ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়ে। শেষ পর্যন্ত এই অর্থের বোঝা বহন করতে হয় সাধারণ যাত্রী ও ভোক্তাদেরই।’তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রী নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কি এই অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার একটি মাধ্যম? যদি তা না হয়, তাহলে এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।’তাসনিম জারা বলেন, ‘রাস্তায় অনানুষ্ঠানিকভাবে টাকা তোলা বন্ধ করতে হবে। যদি মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা আনুষ্ঠানিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা উচিত। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অথবা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফি-র সঙ্গে যুক্ত করে এই অর্থ আদায় করা যেতে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘সড়কে যে কোটি কোটি টাকা তোলা হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ অডিট নিশ্চিত করতে হবে এবং এই অর্থ কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে, তা প্রকাশ করতে হবে। এই অর্থ সাধারণ চালক বা মালিকের ব্যক্তিগত অর্থ নয়, বরং যাত্রী ও ভোক্তাদের কাছ থেকেই আসে। তাই সরকারের দায়িত্ব সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া।’

হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিএনপি, ভারত ও আ.লীগের যোগসাজশে নির্বাচন হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

বিএনপি, ভারত ও আ.লীগের যোগসাজশে নির্বাচন হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

রমজানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের বাণী

রমজানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের বাণী

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল: জামায়াত আমির

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল: জামায়াত আমির

এনসিপি দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে

এনসিপি দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে

শিগগিরই ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবে বিএনপি

শিগগিরই ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবে বিএনপি

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

সীতাকুণ্ডে কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

সীতাকুণ্ডে কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

দাউদকান্দি ও মেঘনায় রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে বিএনপির মনিটরিং সেল গঠন

টিম প্রধান খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দি ও মেঘনায় রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে বিএনপির মনিটরিং সেল গঠন

নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ ঘটনার পাঁচদিন পর ছয়জনকে আসামি করে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী নারী (৪০) বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বিচারক এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হাতিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।বাদীর আইনজীবী মো. নোমান সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, অভিযোগ দেওয়ার পর বিকেলে হাতিয়া থানার ওসিকে মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছেন বিচারক। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহমান (৩২), আবদুল গফুরের ছেলে মো. মতিন (৩৫), হালিম ডুবাইর ছেলে হেলাল উদ্দিন কেরানী (৪০), আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুবেল (৩০), ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা সর্দারের ছেলে এমরান হোসেন কালা এমরান (৩৫) এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আজিমপুর গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে বেলাল মাঝি (৪৮)।মামলার বিবরণে জানা গেছে, শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পরে আসামিরা অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীদের নিয়ে ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে হামলা চালায়। এসময় বাদীর বসতঘরে ঢুকে স্বামীসহ তাকে পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে স্বামীকে একটি কক্ষ আটক রেখে গোসলখানায় নিয়ে ১ নম্বর আসামি আবদুর রহমান তাকে ধর্ষণ করেন। পরে আবারও স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চলে যান।পরদিন ভোর ৫টার দিকে আবারও একই সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় হামলা চালায়। এসময় বাদী ও তার স্বামীকে আবারও মারধর করা হয়। এসময় বাদীর শ্লীলতাহানি করা হয় এবং শাপলা কলির আরেক কর্মীর (নারী) ঘর দেখিয়ে দিতে বলেন তারা। পরে সন্ত্রাসীরা ওই ঘরেও ব্যাপক তাণ্ডব চালায়।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভুক্তভোগীকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি পুলিশ পাহারায় এখনো সেখানে চিকিৎসাধীন।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগীর চিকিৎসায় তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের চাহিদাপত্রের আলোকে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা হলেন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শিরিন সুলতানা, ডা. ফাতেমা জোয়ান মুনিয়া ও ডা. তাহমিনা আক্তার। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া সাপেক্ষে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ কমিটি পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে তদন্ত ছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে ‘ধর্ষণ হয়নি’ বলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম। আমার স্ত্রী আমাকে সঙ্গে সঙ্গে বলেছে, রহমান ধর্ষণ করেছে। সেখানে তদন্ত ছাড়া পুলিশ কীভাবে বলে ধর্ষণ হয়নি?’তিনি আরও দাবি করেন, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে আমার বাড়িতে পৌঁছাতে ৩৫ মিনিট সময় লাগে। ওই রাতে রহমান ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও রাত ১০টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে সোয়া ১১টার পর ওই ঘটনা ঘটায়। আমাদের হাতে ঘড়ি না থাকায় সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে।হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, বুধবার বিকেলে ধর্ষণ মামলা রুজু করে ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছেন বিচারক। আমরা এখনো মামলার কপি হাতে পাইনি। বৃহস্পতিবার কপি হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীকে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, আহত ১০

মাদারীপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, আহত ১০

ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর ট্রাক ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ২

ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর ট্রাক ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ২

টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

টেকনাফে সমুদ্র সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ

টেকনাফে সমুদ্র সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে?

ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে?

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের (পুরুষ) নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০২৬ সালের জন্য কার্যকর করা চুক্তিতে রাখা হয়েছে মোট ২৮ জন ক্রিকেটারকে।বিসিবি সব মিলিয়ে খেলোয়াড়দের পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। এ+, এ, বি, সি ও ডি।দেখা গেছে, এবার এবার ‘এ+’ ক্যাটাগরিতে জায়গা পাননি কোনো ক্রিকেটার।‘এ’ ক্যটাগরিতে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন কুমার দাস এবং তাসকিন আহমেদ। এই ক্যাটাগরির বেতন আট লাখ টাকা।‘বি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের বেতন ধরা হয়েছে ছয় লাখ। এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম ছাড়াও আছেন মোস্তাফিজুর রহমান, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী, নাহিদ রানা এবং হাসান মাহমুদ।‘সি’ ক্যাটাগরিতে আছেন সৌম্য সরকার, জাকের আলী, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ এবং সৈয়দ খালেদ আহমেদ। এই ক্যাটাগরির বেতন ধরা হয়েছে চার লাখ টাকা।সব চেয়ে কম বেতনের ‘ডি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন তিন লাখ। এই তালিকায় আছেন সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তানভীর ইসলাম, নাইম হাসান, হাসান মুরাদ, শামীম হোসেন এবং নুরুল হাসান সোহান।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এই বেতন কার্যকর হয়েছে, থাকবে ডিসেম্বর পর্যন্ত।

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ, জানাল আইসিসি

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ, জানাল আইসিসি

নামিবিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান

নামিবিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান

বিসিবির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিসিবির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়, সুপার এইটে আয়ারল্যান্ড

বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়, সুপার এইটে আয়ারল্যান্ড

নাটকীয় জয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে বাংলাদেশ

নাটকীয় জয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে বাংলাদেশ

জরুরি কাজে বিসিবি প্রেসিডেন্ট বুলবুলের অস্ট্রেলিয়া গমণ

জরুরি কাজে বিসিবি প্রেসিডেন্ট বুলবুলের অস্ট্রেলিয়া গমণ

হিরো আলম গ্রেফতার

হিরো আলম গ্রেফতার

আইসিইউতে সেলিম খান

আইসিইউতে সেলিম খান

বলিউডের প্রভাবশালী চিত্রনাট্যকার এবং সুপারস্টার সালমান খানের বাবা সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে তিনি বর্তমানে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। ৯০ বছর বয়সী এই প্রবীণ ব্যক্তিত্বের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।হাসপাতাল ও ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, সেলিম খানের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (ব্রেন হেমোরেজ) হয়েছে, যার ফলে শারীরিক জটিলতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে তাকে ‘ভেন্টিলেশন সাপোর্টে’ রাখা হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সব ঠিক থাকলে আজ বুধবার তার মস্তিষ্কে একটি জরুরি অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার বাবার অসুস্থতার খবর পাওয়া মাত্রই শুটিং ও ব্যস্ততা ফেলে হাসপাতালে ছুটে যান সলমন খানসহ পুরো খান পরিবার। পরিবারের অন্য সদস্য আরবাজ খান, সোহেল খান এবং আলভিরা অগ্নিহোত্রীও বর্তমানে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। রাতে প্রবীণ এই চিত্রনাট্যকারকে দেখতে হাসপাতালে যান বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত এবং সেলিম খানের দীর্ঘদিনের কাজের সঙ্গী জাভেদ আখতার।যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে পারিবারিক একটি সূত্র জানিয়েছে যে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষার পর আজ অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সফল অস্ত্রোপচার শেষে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরবেন বলে আশা করছেন তার স্বজনেরা।এদিকে সেলিম খানের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত ও সহকর্মীদের উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। বলিউডের বহু তারকা তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা দিচ্ছেন।উল্লেখ্য, হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সেলিম খান এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিশেষ করে জাভেদ আখতারের সঙ্গে তার ‘সেলিম-জাভেদ’ জুটি নব্বইয়ের দশকে বলিউডে বিপ্লব এনেছিল। তাদের কলম থেকেই বেরিয়ে এসেছে ‘জঞ্জির’, ‘দিওয়ার’, ও ‘ডন’-এর মতো কালজয়ী সব ছবি। এছাড়া এককভাবে ‘নাম’, ‘কব্জা’ ও ‘জুর্ম’-এর মতো সিনেমার চিত্রনাট্য লিখে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।

হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর গুজব, ছেলের ক্ষোভ

হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর গুজব, ছেলের ক্ষোভ

নব্বই দশকের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার ছেলে রুবেল খন্দকার।বর্তমানে হারুন কিসিঞ্জারের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই অভিনেতাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ভিত্তিহীন মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়। রুবেল খন্দকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, কিছু অসাধু ও ভিউলোভী ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে তার বাবার মৃত্যুর গুজব ছড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, মানুষের অসুস্থতা নিয়ে যারা ব্যবসা করতে চায়, তারা সমাজের আবর্জনা।এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। বাবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে রুবেল জানান, আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ আছেন হারুন কিসিঞ্জার। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলে আজই বাসায় ফিরতে পারেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে গুজব না ছড়াতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে রুবেল বলেন, ভিত্তিহীন খবরে বিভ্রান্ত না হতে। পাশাপাশি যারা এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন অপপ্রচার বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন হারুন কিসিঞ্জার। কয়েকদিন আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন গুজব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরাও। পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তথ্যের জন্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।  

ভোট দিয়ে যা বললেন জেমস

ভোট দিয়ে যা বললেন জেমস

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। রাজনীতির মাঠের পাশাপাশি সরগরম শোবিজ অঙ্গনও। ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা মাহফুজ এনাম জেমস।ঢাকা ১৭-এর ভোটার জেমস। বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানী বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন তিনি।ভোট দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে জেমস বলেন, ‘সুন্দর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই দেশ। সামনে যে আসবে, এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে। দেশে যেন শান্তি আসে, দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে।’ভোটের পরিবেশ নিয়ে গায়কের ভাষ্য, ‘খুবই স্মুথ সব। এলাম, স্লিপ নিলাম, ভোট দিলাম, সুন্দর। কোনো ঝামেলা নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে এর জন্য ধন্যবাদ।’জেমস ছাড়াও ভোট দিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেছেন কনকচাঁপা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, রবি চৌধুরী, কুদ্দুস বয়াতি, নাজমুন মুনিরা ন্যান্সিসহ তারাকাদের অনেকে। আজ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সারা দেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলেছে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই: বেবী নাজনীন

ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই: বেবী নাজনীন

সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে আনন্দচিত্তে ভোট দিলেন দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ খ্যাত বেবী নাজনীন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেন তিনি।ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বেবী নাজনীন। তিনি বলেন, “ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। খুব আনন্দ হচ্ছে। অবশেষে ভোট দিতে পারলাম। এটাই তো চেয়েছিলাম। ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই।”দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, দলের সিদ্ধান্তই তার কাছে চূড়ান্ত। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে সংসদে দেখা যাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটাও নির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের ওপর। আপনাদের দোয়া ও আল্লাহ যদি চান, তবে হয়তো হবে।”ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর, সফল ও শান্তির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ধানের শীষের জয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

ভোট দিয়ে এসে নির্মাতা আশফাক নিপুনের ভিডিও বার্তা

ভোট দিয়ে এসে নির্মাতা আশফাক নিপুনের ভিডিও বার্তা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ভোটে অংশ নিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটে অংশ নিচ্ছেন বিনোদন অঙ্গনের তারকা, অভিনয় শিল্পী, নির্মাতারাও। নিজের ভোটটি দিয়ে এসে একটি ভিডিও বার্তায় কথা বললেন নির্মাতা আশফাক নিপুন।১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে  মহানগর খ্যাত নির্মাতা জানান, ভোট দেওয়া শেষ। সকাল ৭:৩০ মিনিটে এখানে এসেছি এবং দীর্ঘ লাইনের কারণে ৮:১০ মিনিটে আমার পালা এলো। মনোরম আবহাওয়া, উৎসাহী ভোটার আর আন্তরিক কর্মকর্তাদের দেখে খুব ভালো লাগছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত- সবাই ভোট দিন। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক। সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভিডিও বার্তায় নিপুন বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে হোক।’

না ভোটের পক্ষে ন্যান্সির প্রচার, নেটিজেনদের ক্ষোভ

না ভোটের পক্ষে ন্যান্সির প্রচার, নেটিজেনদের ক্ষোভ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সারা দেশে যখন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চলছে, তখনই ন্যান্সি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডলে জানিয়ে দিলেন, তিনি না ভোটের পক্ষে। যদি নেটিজেনদের একাংশ তাকে তীব্র তোপের মুখে ফেলেছেন। তবে এসবে একেবারে নজর দিচ্ছেন না এই গায়িকা। জাতীয়তাবাদী মনোভাবাপন্ন ন্যান্সি। বিগত সময় তার নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেক কনসার্ট তার বাতিল হয়েছে।তবুও ভেঙে পড়েননি। নতুন সরকারের কাছে প্রধান দুই দাবি অপুরনতুন সরকারের কাছে প্রধান দুই দাবি অপুরশোবিজ তারকাদের সবার যখন নানা সুযোগ হাতছানি দিচ্ছিল, তখন ন্যান্সি বলেছিলেন,  শিল্পীদের এত এমপি-মন্ত্রী হওয়ার শখ কেন? কী আছে সেখানে? কত টাকা বেতন পায় এমপিরা? গান অথবা অভিনয় করে কি যথেষ্ট সম্মানী আসে না যে এমপি হওয়ার জন্য লোভ করতে হবে? যারা এগুলো করে এদের ধরা উচিত। আমার মধ্যে এসব চিন্তা একেবারেই নেই। নিজে নির্বাচন করবেন কি না এ প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, আমি এখনই নির্বাচনে অংশ নিতে চাই না। তবে যে দল আমার ভালো লাগে, আমি তো চাইবই তারা ক্ষমতায় আসুক। তবে সব কিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দেশের জনগণ। জনগণের কাছে আমার চাওয়া এত দিন যারা কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করে গুম, দুর্নীতি এবং কিছু বললেই চরিত্র নিয়ে কথা বলত, তাদের ক্ষমতায় আনবে কি না মাথায় রাখতে। আর কোনো তারকা দেখলেই নমিনেশন দেবেন না। যদি সেই তারকা রাজনীতির লম্বা পথ পাড়ি দিতে পারে তাহলে তাকে সেই টাইমে দেওয়া উচিত। তারপর তাকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ

২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ

রমজান মাসে বন্ধ থাকছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছুটির তালিকা প্রকাশ

রমজান মাসে বন্ধ থাকছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছুটির তালিকা প্রকাশ

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বিদেশিরা বাংলাদেশে পড়তে আসবে, আমরা যাবো না: ববি হাজ্জাজ

বিদেশিরা বাংলাদেশে পড়তে আসবে, আমরা যাবো না: ববি হাজ্জাজ

রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

নিয়োগ পেলেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য

নিয়োগ পেলেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য

পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি ভিসি

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি ভিসি

নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৫ দিনের ছুটি

নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৫ দিনের ছুটি

আজ প্রিয়জনকে টেডি উপহার দেওয়ার দিন

আজ প্রিয়জনকে টেডি উপহার দেওয়ার দিন

হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে

হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে

জেনে নিন মানসিক অবসাদের লক্ষণগুলো

জেনে নিন মানসিক অবসাদের লক্ষণগুলো

সংবাদ ছবি

ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই সময়ে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এরমধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারিতেই এসেছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, পরের ২ দিনে আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। তারও আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চে দেশে এসেছিল ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। যা ছিল দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।

সাউন্ড বাইট নয়, কাজ করে দেখাব: দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী

সাউন্ড বাইট নয়, কাজ করে দেখাব: দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী

আরও কমেছে সোনার দাম

আরও কমেছে সোনার দাম

এলপি গ্যাসের ওপর ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার

এলপি গ্যাসের ওপর ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার

এলপি গ্যাসের ওপর ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার

ওমরাহ শেষে ফেরার পথে একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫

ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ ৫ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সৌদি আরবের আবহা শহরে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার। দুর্ঘটনা একই গাড়ির ড্রাইভার মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।একই ঘটনায় মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুত্ব আহত হয়ে জেদ্দা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নিহত মিজান লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির শহিদ উল্যার ছেলে ও নিহত মেহের আফরোজ স্থানীয় টিউরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নিহত প্রবাসী গাড়ির ড্রাইভার একই ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে।বাহারুল আলম জানান, মিজান সৌদি প্রবাসী। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও ৩ মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ হজ্বে যান। ৫দিন আগে ওমরাহর উদ্দেশে তারা সৌদির বাসা থেকে বের হন। ওমরাহ শেষে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তারা। বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।নিহত মিজানুর রহমানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পাশের গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এছাড়া মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে ৫ জন মারা গেছে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব ধরণের সহযোগিতা করব।

মালদ্বীপে ময়লার স্তূপ থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, রিমান্ডে শ্রীলঙ্কান

মালদ্বীপে ময়লার স্তূপ থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, রিমান্ডে শ্রীলঙ্কান

মালয়েশিয়ায় ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু

শ্রমিক কোটায় জালিয়াতির অভিযোগে বাংলাদেশি মূলহোতাসহ ৯জন আটক

শ্রমিক কোটায় জালিয়াতির অভিযোগে বাংলাদেশি মূলহোতাসহ ৯জন আটক

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুনসেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে এতে পানি ধীরে ধীরে পান করলে শরীর তার শোষণ ভালোভাবে করতে পারে। ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি পানি-সমৃদ্ধ। এগুলো সেহরি ও ইফতারে থাকলে শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড থাকে।ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত করুনচা, কফি ও কোলার মতো পানীয় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় (ডাইউরেটিক প্রভাব), ফলে শরীর দ্রুত পানি হ্রাস পায়। জুস বা চিনিযুক্ত মিষ্টি পানীয়ও বেশি শর্করা থাকার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খানঅতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। তাই সেহরি ও ইফতারে বেশি লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সেই সঙ্গে লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়িয়ে নিতে পারেন।হালকা ও নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুনরোজা যখন ভাঙবে (ইফতার), তখন একবারে অনেক পানি না গিলেই বরং ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন। এইভাবে শরীরকে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড রাখা সহজ হয়।বাইরের তাপ বা গরমে দীর্ঘ সময় থাকলে সতর্ক থাকুনযদি রোজা রাখার সময়ে সূর্যের তাপে বেশি সময় কাটে বা শারীরিক কাজ বেশি হয়, তাহলে ঘাম বের হয়ে শরীর থেকে আরও পানি ক্ষয় হতে পারে। চেষ্টা করুন সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কাজ বা বিশ্রাম নিন।ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুনহালকা তরকারি স্যুপ বা দই পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ত্বরণ ভালো রাখে।রোজা রাখার সময় শরীরের সিগন্যাল যেমন খুব বেশি পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং এসব লক্ষণ পানিশূন্যতার ইঙ্গিত দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে শরীরকে রিফ্রেশ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

রমজানে ওজন বৃদ্ধি ও বদহজম এড়ানোর উপায়

রমজানে ওজন বৃদ্ধি ও বদহজম এড়ানোর উপায়

রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়—এটি শরীর ও মনকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার এক অনন্য সুযোগ। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারের টেবিলে বসে অনেকেই অজান্তেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফল হিসেবে রমজান শেষে দেখা দেয় ওজন বৃদ্ধি, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তিভাব।সারাদিন উপবাসের ফলে শরীরের শক্তির মজুত কমে আসে। এ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য বদলে যায়, ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত শক্তি পাওয়ার সংকেত পাঠায়। তখন তেলেভাজা, মিষ্টি বা ভারী খাবারের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।এছাড়া পাকস্থলী ভরে গেছে—এই তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছাতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। এর আগেই অনেক খাবার খাওয়া হয়ে যায়। পারিবারিক আড্ডা, ঐতিহ্যবাহী ইফতার আর আবেগ মিলে এই প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তোলে।ধীরে ইফতারই সুস্থতার প্রথম ধাপবিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতার শুরু করার পদ্ধতিই পুরো রাতের হজম ও ক্যালরি গ্রহণ নির্ধারণ করে।দুই থেকে তিনটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে স্বাভাবিক হয়। এরপর ১০–১৫ মিনিট বিরতি দিয়ে হালকা কিছু খান—যেমন স্যুপ, ফল বা সালাদ।এই বিরতিতে পাকস্থলী প্রস্তুত হয়, হজমের চাপ কমে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।সুষম খাবার মানেই কম খাবার নয়, সঠিক খাবাররমজানে খাবার কমানোর চেয়ে ঠিকভাবে সাজানো প্লেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ।খাবারের অর্ধেক অংশ রাখুন শাকসবজি ও সালাদে। এক-চতুর্থাংশে রাখুন প্রোটিন—মাছ, ডিম, ডাল, ছোলা বা দই। বাকি অংশে থাকুক গোটা শস্য—রুটি, ওটস বা অল্প পরিমাণ ভাত।এই সমন্বয় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি জমতে দেয় না।মনোযোগী খাওয়া: নীরব অভ্যাস, বড় উপকারঅনেক সময় ক্ষুধার কারণে নয়, বরং অভ্যাসের কারণে আমরা বেশি খাই। টিভি দেখা, মোবাইল স্ক্রল করা বা গল্প করতে করতে খেলে মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না কতটা খাওয়া হয়েছে।খাওয়ার সময় মনোযোগ দিন খাবারের দিকে। ধীরে চিবিয়ে খান, স্বাদের অনুভূতি নিন। পেট অর্ধেক ভরলেই থামুন। এতে হজম সহজ হয় এবং শরীর প্রয়োজনের বেশি খাবার জমাতে পারে না।ভাজা ও মিষ্টি—পুরোপুরি নয়, সীমিত করুনরমজানের ইফতার ভাজা ও মিষ্টি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই। তবে এগুলোকে ইফতারের মূল খাবার না বানিয়ে পরিপূরক হিসেবে রাখুন।ভাজা খাবার প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে এক–দুদিন সীমিত রাখুন। সিরাপজাত মিষ্টির বদলে ফল, দই বা অল্প মধু ভালো বিকল্প হতে পারে।সেহরি: সারাদিনের নিয়ন্ত্রকসেহরি বাদ দিলে ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রোটিন ও আঁশসমৃদ্ধ সেহরি সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।ওটস, ডিম, দই, ফল, বাদাম ও সবজি দিয়ে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর সেহরি হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি, যাতে দিনভর পানিশূন্যতা না হয়।বিশেষজ্ঞের মতবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন,“রমজানে অসুস্থ হওয়ার প্রধান কারণ অতিরিক্ত তেল, চিনি ও একসঙ্গে অনেক খাবার গ্রহণ। অল্প পরিমাণে, ধীরে এবং সুষমভাবে খেলে রোজা শরীরের জন্য উপকারী হয়ে ওঠে।”সংযমেই সুস্থতারমজান সংযমের শিক্ষা দেয়—খাবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। প্লেট ছোট রাখুন, গতি কমান, প্রয়োজনের কথা ভাবুন। এতে ওজন বাড়বে না, বদহজম কমবে এবং রোজার আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য আরও গভীর হবে।সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন—রমজান হোক শরীর ও মনের জন্য প্রশান্তির মাস।

ভালোবাসার বসন্ত আজ

ভালোবাসার বসন্ত আজ

বসন্ত এসে গেছে। আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের শুরু। আজি বসন্তের আগমণে প্রকৃতি সেজেছে নতুন রূপে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসার রঙে আজ সেজে ওঠেবে মানুষ।এই দিনটিকে বাঙালিরা উদযাপন করে ভিন্ন ভাবে। সারাদেশে বিশেষ করে প্রতি বছর এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় উৎসবে মেতে ওঠে সবাই। যদিও চিরাচরিত বসন্ত উৎসবের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে এবছর। আজ এ উৎসব হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে সাতটায়, সীমিত পরিসরে।্এই দিনটি ১৫৮৫ সালে বাংলা সনে ১৪টি উৎসব প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বসন্ত বরণ উৎসবের উন্মেষ ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের হাত ধরে। পরে ষাটের দশকে ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল ছায়ানট। স্বাধীন বাংলায় প্রথম বসন্ত পালিত হয় ১৯৯৪ সালে। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের হাত ধরে ১৪০১ বঙ্গাব্দের পহেলা ফাগুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় উদযাপন শুরু হয় এই উৎসবের। এরপর থেকে প্রতিবছর পালিত হয়ে আসছে এই উৎসব।শীতের রিক্ততা মুছে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে ফাল্গুনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক/ আজ বসন্ত... গোলাপের সুবাস আজ না ছড়াক/ কুসুমকলি আজ না হোক জীবন, তবু আজ বসন্ত...। কিন্তু ফুল আজ ঠিকই ফুটেছে। গাছে গাছে শিমুল, পলাশের আগমনির রঙ ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে শিমুল-পলাশের রক্তিম আভায় সেজেছে প্রকৃতি, আর সেই আভার সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে মানুষের হৃদয়ের ভালোবাসা। গাছে গাছে জানান দিচ্ছে বসন্ত এসে গেছে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ফাল্গুনকে বলা হয় ফুলের মাস। রক্ত লালের আগুন থেকে শুরু করে শিমুলের নরম আভা সব মিলিয়ে বসন্ত অন্যরকম মাত্রা যোগ করে প্রকৃতিতে। প্রকৃতি বিভিন্ন রঙের উৎসবে মেতে ওঠে। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ ভেসে বেড়ায় বাতাসে, কোকিলের কুহুতানে ভরে ওঠে চারদিক। এই মাসে বাতাসে মিশে থাকে এক মৃদু উষ্ণতা, যা শীতের মলিনতাকে নিঃশব্দে মুছে দেয়।সত্যিই বসন্ত এসে গেছে। আজ পহেলা ফাল্গুন, বসন্তের শুরু। আজি বসন্তের আগমণে প্রকৃতি সেজেছে নতুন রূপে। একই সঙ্গে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসার রঙে আজ সেজে ওঠেবে মানুষ।এই দিনটিকে বাঙালিরা উদযাপন করে ভিন্ন ভাবে। সারাদেশে বিশেষ করে প্রতি বছর এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় উৎসবে মেতে ওঠে সবাই। যদিও চিরাচরিত বসন্ত উৎসবের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে এবছর। আজ এ উৎসব হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে সাতটায়, সীমিত পরিসরে।্ এই দিনটি ১৫৮৫ সালে বাংলা সনে ১৪টি উৎসব প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বসন্ত বরণ উৎসবের উন্মেষ ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের হাত ধরে। পরে ষাটের দশকে ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল ছায়ানট। স্বাধীন বাংলায় প্রথম বসন্ত পালিত হয় ১৯৯৪ সালে। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের হাত ধরে ১৪০১ বঙ্গাব্দের পহেলা ফাগুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় উদযাপন শুরু হয় এই উৎসবের। এরপর থেকে প্রতিবছর পালিত হয়ে আসছে এই উৎসব।

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

সংবাদ ছবি

রমজানে নিত্যপণ্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইশরাকের

রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী মজুতদার ও সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্যতেল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক সিন্ডিকেটগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা, ফ্রেশ, সিটি, টিকে, নাবিল ও এসিআই–এর নাম উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, এসব সিন্ডিকেট, মজুতদার ও পাইকারদের বিরুদ্ধে তার নির্বাচিত সংসদীয় এলাকা থেকেই অভিযান শুরু হবে এবং প্রয়োজনে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “কোনো বড় নেতা, মন্ত্রী কিংবা সরকারি কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ আর দেওয়া হবে না।”ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকল প্রকার ‘মাফিয়া’ চক্রের বিরুদ্ধে তিনি কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করছেন। সাধারণ নিম্নআয়ের মানুষ যদি ঠিকমতো খাবার জোগাড় করতে না পারে, তাহলে এই সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টদের বাড়িতেও রান্না হতে দেওয়া হবে না—এমন কঠোর ভাষায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।পোস্টের শেষাংশে ইশরাক হোসেন ইনশাআল্লাহ বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তিনি আপসহীন থাকবেন।

বিজয়ীদের কাছে ন‍্যায় ইনসাফ ও সুশাসনের প্রত্যাশা আজহারীর

বিজয়ীদের কাছে ন‍্যায় ইনসাফ ও সুশাসনের প্রত্যাশা আজহারীর

কেন্দ্র পাহারা দিন, ইনসাফের জয় হবে: সাদিক কায়েম

কেন্দ্র পাহারা দিন, ইনসাফের জয় হবে: সাদিক কায়েম

এই অধিকারকে পাহারা দিন, একে রক্ষা করুন: জামায়াত আমির

এই অধিকারকে পাহারা দিন, একে রক্ষা করুন: জামায়াত আমির

শিরোনাম
চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে? ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল ৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি ২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু গ্রেফতার ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন চাঁদা নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যে আপত্তি তাসনিম জারার ক্রিকেটারদের কার বেতন কত হচ্ছে? ফেব্রুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ছাড়াল রেমিট্যান্স হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল ৪৪তম বিসিএসের ৪১৩৬ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ হিংসার রাজনীতি ত্যাগের আহ্বান জামায়াত আমিরের তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক মন্ত্রী টাকা ও মূল্যবান সম্পদ স্থানান্তরে বিশেষ সুরক্ষা দেবে ডিএমপি ২১ ফেব্রুয়ারি পালনে ঢাবির কর্মসূচি ঘোষণা, রুটম্যাপ প্রকাশ নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ডের’ ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু গ্রেফতার ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন
LIVE