ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট

সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশসহ জাতীয় সংসদে সোমবার (৬ এপ্রিল) সাতটি বিল সর্বসম্মতিক্রমে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।পাস হওয়া বিলের মধ্যে বাকি ৬টি হলো নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সংশোধন বিল, ভোটার তালিকা সংশোধন বিল, নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান সংশোধন বিল, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ সংশোধন বিল, জাতীয় সংসদ সচিবালয় অন্তর্বর্তী বিশেষ বিধান রহিতকরণ বিল, বাংলাদেশ ল অফিসার্স অ্যামেন্ডমেন্ড বিল।এছাড়া শুধুমাত্র উত্থাপন হয়েছে তিনটি বিল। এগুলো হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রহিতকরণ বিল, সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল এবং ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষার উদ্দেশ্য আনীত বিল। এরমধ্যে নোট অব ডিসেন্ট থাকায় পরে এসব বিলের ওপর আলোচনা হবে। এছাড়া ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল-২০২৬ অধিক যাচাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, তিনটি বিলে বিরোধীদল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। এগুলো উত্থাপন করা হয়েছে যেন বিরোধী দলের সদস্যরা অধিকতর বিশ্লেষণ করতে পারেন। আগামীকালের সেশনে আলোচনা হবে।

‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‘যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মঙ্গলবারের সময়সীমাই চূড়ান্ত, এর মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই’— বলে ফের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের শান্তি প্রস্তাব তাৎপর্যপূর্ণ হলেও তা যথেষ্ট নয়।সোমবার হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে শিশুদের জন্য আয়োজিত একটি ইস্টার এগ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই হুমকি দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং এটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। যুদ্ধটা খুব দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে, যদি তারা তাদের করণীয় কাজগুলো করে। তাদের কিছু নির্দিষ্ট কাজ করতেই হবে। তারা সেটা জানে, আমার মনে হয় তারা সৎ উদ্দেশ্যেই আলোচনা করে আসছে।’সমালোচকরা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে যুদ্ধাপরাধ হবে— এই বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে চিন্তিত নই। আপনারা জানেন যুদ্ধাপরাধ কী? পারমাণবিক অস্ত্র থাকা।’যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার কাছে ‘অনেক বিকল্প’ রয়েছে।এরআগে চুক্তি করার জন্য ইরানকে দেওয়া প্রাথমিক সময়সীমা বাড়িয়েছিলেন, তিনি আবার তা করবেন কিনা?— জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘অত্যন্ত অসম্ভাব্য। তারা যথেষ্ট সময় পেয়েছে। আসলে, তারা সাত দিন চেয়েছিল। আমি বলেছি, আমি তোমাদের দশ দিন দেব। কিন্তু দশ দিন শেষে যদি তোমরা লক্ষ্যে না পৌঁছাও, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এখনই চলে যেতে পারি এবং তাদের যা ছিল তা পুনর্গঠন করতে ১৫ বছর সময় লাগবে। আমরা এখনই চলে যেতে পারতাম। কিন্তু আমি এটি শেষ করতে চাই। ইরান...পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।’’মার্কিন বাহিনী ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিচ্ছে উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এটা করতে আমার খারাপ লাগছে – কিন্তু আমরা এটাকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছি... তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না। তাদের কিছুই থাকবে না। আমি এর বেশি কিছু বলব না, কারণ এর চেয়েও খারাপ আরও অনেক কিছু আছে।’ ইরানের বিশাল তেল সম্পদের দখল নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘এটি দখল করার মতোই অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে তাদের (ইরানের) কিছুই করার নেই।’তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমেরিকার মানুষ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। এটি আমার ওপর নির্ভর করলে আমি তেল নিয়ে নিতাম। আমি তেল নিজের কাছে রাখতাম। আমি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতাম।’চলমান যুদ্ধের বিরোধীকারী আমেরিকানদের তিনি কী বলবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা বোকা। কারণ এই যুদ্ধের মূল বিষয় একটাই – ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।’ এরআগে এরআগে সোমবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের ১৫-দফা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং এটিকে ‘অযৌক্তিক’ ও অগ্রহণযোগ্য বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইরান পূর্বেই তার অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া বা যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিয়ে আলোচনায় বসা যায় না। এ ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে আলোচনা একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’বাঘাই বলেন, ‘অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির অর্থ হলো একটি সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে শত্রু পক্ষ তাদের শক্তি পুনর্গঠন করে আবারো হামলা করতে পারে। কোনো সুস্থ ব্যক্তিই এমন পদক্ষেপ মেনে নেবে না।’তিনি আরও বলেন, মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পাওয়া প্রস্তাবগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে তেহরান তার জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণ করেছে এবং তা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানি তিনি। সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সরকার মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে। দেশব্যাপী ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু, স্বাস্থ্যবিমা ও জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে সরকার। শহর ও গ্রামে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।’তিনি জানান, দেশব্যাপী ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (হেলথ কেয়ারার) নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ হবেন নারী। এ ছাড়া প্রতিটি নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের চিকিৎসায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ব্যবস্থা চালু, স্বাস্থ্যবিমা চালু ও সম্প্রসারণ, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এসব লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির ভিত্তিতে উন্নত কল্যাণকামী রাষ্ট্র হিসেবে সকলের জন্য সহজ ও সুলভ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। এ বছরের প্রতিপাদ্য: ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ (টুগেদার ফর হেলথ, স্ট্যান্ড উইথ সায়েন্স)।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ‘এক স্বাস্থ্য’ (ওয়ান হেলথ) ধারণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশ- এই তিন উপাদানের নিরাপত্তা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞানকে সমন্বিত করে গবেষণা ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি।তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং (এমএল), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর)-এর মতো প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। প্রান্তিক অঞ্চল ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই, মানসম্পন্ন ও বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

    যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

  • ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

    ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

  • হামের টিকা ‘সংকটে’ সাড়ে ৫ বছর ক্যাম্পেইন হয়নি, দায় গত সরকারের

    সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের টিকা ‘সংকটে’ সাড়ে ৫ বছর ক্যাম্পেইন হয়নি, দায় গত সরকারের

  • আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত

    আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত

  • সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ১২ মে

    সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ১২ মে

  • তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

সব খবর

কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি

কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি

সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কুমিল্লা’কে কুমিল্লা নামেই বিভাগ করার দাবি জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সভাপতি, কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।সোমবার (০৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে কথা বলতে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান।খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘কুমিল্লা অত্যন্ত ঐতিহাসিক জেলা। লেখাপড়া, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে কুমিল্লা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিবেচনায় কুমিল্লায় বিভাগ করার ব্যাপারে বেশ আগে থেকেই নানা রকমের জল্পনা-কল্পনা চলছে।’তিনি আরও বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচারী সরকারও ঘোষণা করেছিল কুমিল্লায় বিভাগ করবে অন্য নামে, তবে কুমিল্লা নামে নয়। কুমিল্লায় নাকি এমন সব ব্যক্তিরা জন্মগ্রহণ করেছেন এবং ‘‘কু’’ নাকি অত্যন্ত খারাপ শব্দ। সেজন্য বিভাগ করবেন কিন্তু কুমিল্লার নামে করবেন না।’প্রসঙ্গত, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৭ সালে কুমিল্লাকে "ময়নামতি" ও ২০২২ সালে "মেঘনা" নামে বিভাগ করতে চেয়েছিলেন।সংসদ সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ‘সেখানে কুমিল্লার জনগণ, দল-মত নির্বিশেষে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং বিগত সরকার বাধ্য হয়ে বলেছিল সমাধান দেবেন। কিন্তু সমাধান দিয়ে যাননি। তাই আজকে পার্লামেন্টে (জাতীয় সংসদ) বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নবম দিনে খেলাপি ঋণের শীর্ষ ২০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্থিতি ভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮ শত ৩১ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা।সোমবার (৬ এপ্রিল) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি পরিচালিত হয়। শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা ১) এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড২) এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড৩) সালাম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড৪) এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড৫) সোনালী ট্রেডার্স৬) বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড৭) গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড৮) কেমন ইস্পাত লিমিটেড৯) এস. আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড১০) ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড১১) কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড১২) দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেড১৩) পাওয়ার প্যাক মুতিারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড১৪) পাওয়ার প্যাক মুতিারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড১৫) প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড১৬) কর্ণফুলী ফুডস (প্রা.) লিমিটেড১৭) মুরাদ এন্টারপ্রাইজ১৮) সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড১৯) বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড২০) রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা ১০ শতাংশের অধিক শ্রেণিকৃত ঋণ রয়েছে এরূপ ব্যাংকগুলোর সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে আলোচনা এবং শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা খুঁজে বের করে তা সমাধানের জন্য ব্যাংক হতে কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন মন্ত্রী।> বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক আয়োজিত প্রতিটি ব্যাংকার্স সভায় ব্যাংক ভিত্তিক শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি বা শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়ের অগ্রগতি যাচাই; > বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক শ্রেণিকৃত ঋণের হার অধিক এরূপ ব্যাংকসমূহের জন্য শ্রেণিকৃত ঋণ রেজল্যুশন স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রণয়ন; > ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধিত) আইনে সংজ্ঞায়িত ইচ্ছাকৃত খেলাপীদের (উইলফুল ডিফল্টার) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ০৬; তারিখ: ১২ মার্চ ২০২৪ এর মাধ্যমে ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপি শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে গৃহীতব্য ব্যবস্থাদি সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়েছে; > বিআরপিডি সাকুলার নম্বর-১৪/২০২৪ এর মাধ্যমে ব্যাংকের বিদ্যমান লিগ্যাল টিম বা আইন বিভাগ শক্তিশালীকরণের জন্য ব্যাংকসমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে; > বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) অনুসরণের মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রত্যেক ব্যাংকের খেলাপী ঋণস্থিতির ন্যূনতম ১ শতাংশ নগদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার জন্য বিআরপিডি সাকুলার নম্বর-১১/২০২৪ এর মাধ্যমে ব্যাংকসমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে; > ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন হালনাগাদকরণ; > আইএফআরএস ৯ অনুযায়ী এক্সপেক্টেড ক্রেডিট লস ভিত্তিক ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংকের ঋণ ব্যবস্থাপনার সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং ঋণ ঝুঁকি প্রশমন; বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের নিজস্ব মূল্যায়নের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঋণের বিপরীতে প্রদত্ত জামানত মূল্যায়ন করার নিমিত্ত উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে তালিকাভুক্তিকরণ।খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে কর্মপরিকল্পনা > বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে এতদসংশ্লিষ্ট বিদ্যমান আইনসমূহ (ব্যাংক কোম্পানি আইন, নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট, অর্থ ঋণ আদালত আইন, Bankruptcy Act ইত্যাদি) সংশোধনের কার্যক্রম চলমান; > স্বল্প মেয়াদী কৃষি ঋণের পুনঃতফসিলিকরণ নীতিমালা পর্যালোচনাপূর্বক হালনাগাদকরণ; > খেলাপি ও ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ; > দেশে উন্নত ঋণ সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে যারা নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করেন অর্থাৎ ভালো ঋণগ্রহীতাদেরকে চিহ্নিতকরত তাদেরকে প্রণোদনা প্রদান সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা পর্যালোচনাপূর্বক হালনাগাদ করা; > একজন ঋণ গ্রহীতা কর্তৃক সমগ্র ব্যাংকিং খাত হতে ঋণ গ্রহণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ; > ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ গ্রহীতাদের জন্য গৃহীতব্য ব্যবস্থাসমূহের কিছু কিছু খেলাপি ঋণ গ্রহীতাদের জন্যেও আরোপের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ; > অর্থ ঋণ আদালতের বিচারক প্যানেল বা জুরি বোর্ডে অভিজ্ঞ ব্যাংকার অন্তর্ভুক্তকরণ; > খেলাপি ঋণ গ্রহীতাগণ যাতে রিট করে ঋণ আদায় কার্যক্রম স্থবির করতে না পারে সে লক্ষ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয়ের সাথে আলাপপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; > বেসরকারি খাতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা।

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি বানালে দুর্নীতি বাড়বে, উন্নয়ন থমকে যাবে—বগুড়ার গণসমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি বানালে দুর্নীতি বাড়বে, উন্নয়ন থমকে যাবে—বগুড়ার গণসমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করলে দুর্নীতি বাড়বে এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যাহত হবে।সোমবার (০৬ এপ্রিল) বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি বানালে দুর্নীতির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে। এতে সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে এবং বগুড়ার উন্নয়ন থমকে যাবে।”তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটই দেশের পরিবর্তনের প্রধান শক্তি। তাই ভোটারদের সচেতন হয়ে সৎ, যোগ্য ও জনগণের পক্ষে কাজ করবে—এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ভিসা বাতিল ইস্যুতে মুখ খুললেন আহমাদুল্লাহ

ভিসা বাতিল ইস্যুতে মুখ খুললেন আহমাদুল্লাহ

ভিসা বাতিল ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। সোমবার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।পোস্টে আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলাম আমি। এরপর একটি জরুরি কাজে গত শনিবার দেশে ফিরে এসে তাতে মনযোগ দিয়েছি। আজ সকালে জানতে পারলাম, আমার ভিসা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও সিডনিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম।’তিনি জানান, ‘ভিসা সংক্রান্ত লেটারটা ছিল অনেকটা ফরমাল। সেখানে উল্লেখ ছিল, আবেদনকারী যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া এসেছিলেন, তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করে তিনি ফিরে গেছেন। তাই ভিসার উদ্দেশ্য আর অবশিষ্ট নেই।’আহমাদুল্লাহ দাবি করেন, ‘বিভিন্ন মিডিয়ায় বিষয়টা যেভাবে প্রচারিত হয়েছে, সেরকম কিছু আমি লেটারে দেখতে পাইনি।তবে অষ্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিরোধী রাজনীতিককে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখেছি। সম্প্রতি কিছু চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী আমাদের কিছু বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ এবং কিছু বক্তব্যের বিকৃত অনুবাদ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করেছে। তার দ্বারা তারা প্রভাবিত হয়ে থাকতে পারেন।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, যে কোনো অভিযোগ আমলে নেওয়ার পূর্বে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই এবং ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতা প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। গত জানুয়ারি মাসে ইসলামোফোবিক কন্টেন্ট তৈরির অভিযোগে সামি ইয়াহুদ নামে একজন ইসরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারের ভিসা বাতিল করেছিল অস্ট্রেলিয়া সরকার। বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয় এবং বিষয়টা নিয়ে স্থানীয়ভাবে চাপ তৈরি হয়। একজন ইসরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারকে এভাবে বাধা দেওয়া প্রবল শক্তিশালী ইসরায়েলি লবি মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। সে ঘটনারই বিপরীত ক্রিয়া হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এই প্রচারণা কি না, তা আমি নিশ্চিত নই ‘কারো প্রতি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নেই উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন,‘কোনো ধর্ম, জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিদ্বেষ নেই। বরং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি যেকোনো বিচ্ছিন্ন অন্যায় আচরণেরও আমরা বিরোধিতা করি।’এর আগে, সিডনির দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ দাবি করে, ‘বাংলাদেশের ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।’সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এই সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামোফোবিক বক্তব্য ছড়ায়, তাদের প্রতি সরকারের কোনো ধরনের সহনশীলতা নেই।

ক্ষমতায় গেলে অবস্থান ও আচরণ বদলে যায়: শহিদুল আলম

ক্ষমতায় গেলে অবস্থান ও আচরণ বদলে যায়: শহিদুল আলম

আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে অনেকের অবস্থান ও আচরণ বদলে যায়, যা মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি তৈরি করে।সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।অনুষ্ঠানে তিনি গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ স্থগিত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সমালোচনা করেন। এসব সিদ্ধান্তকে তিনি গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে শহিদুল আলম বলেন, এই সংস্কৃতি নতুন নয়; বরং বিভিন্ন সরকারের আমলে এটি ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, আগে একে ভিন্ন নামে ডাকা হলেও পরে ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন’ কার্যক্রম হিসেবে পরিচিতি পায় এবং ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই এর বিরোধিতা থেকে সরে আসে। ২০০৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ক্রসফায়ারের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।২০১০ সালে নিজের আয়োজিত ‘ক্রসফায়ার’ প্রদর্শনী নিয়ে তিনি বলেন, শুরু থেকেই নানা চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রদর্শনী বন্ধ করার জন্য ফোন আসে এবং এক পর্যায়ে সশস্ত্র পুলিশ তার অফিস ঘিরে ফেলে। তখন তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং আদালত থেকে সাময়িক অনুমতিও পান। তবে তিনি দাবি করেন, সেই সময়ের মতো আদালতের স্বাধীনতা ও সাহস এখন আর আগের মতো নেই।তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের গোপন নির্যাতনের স্থান হিসেবে পরিচিত তথাকথিত ‘আয়নাঘর’গুলো পরিদর্শন ও সেখানকার বাস্তবতা উদঘাটন জরুরি। সেখানে কী ধরনের নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা জনগণের সামনে আনা উচিত বলে তিনি মনে করেন। এমন নির্যাতনমূলক ব্যবস্থাকে কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।এছাড়া আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতেও কথা বলেন। ফিলিস্তিনিদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় তুলে ধরে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে তার এসব বক্তব্যে মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেই অধ্যাদেশ বাতিলের চাপ আসছে : টিআইবি

রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেই অধ্যাদেশ বাতিলের চাপ আসছে : টিআইবি

অধ্যাদেশ আইন হিসেবে কার্যকর না হওয়ার পেছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করছে, একটি আমলাতন্ত্র ও আরেকটি রাজনৈতিক প্রভাব- এমনটা বলছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।তিনি বলেন, বর্তমানে অধ্যাদেশ নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মূলত অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধের ফল, যার উৎস রাজনৈতিক অঙ্গন। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় আমলাতন্ত্রের ওপরও নির্ভরতা রয়েছে। অধ্যাদেশ বাতিলের পক্ষে যেসব যুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে, তার অনেকটাই আমলাতন্ত্র থেকেই এসেছে। এতে প্রমাণ হয়, এখনো দেশের নীতিনির্ধারণে আমলাতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।সোমবার (৬ এপ্রিল) টিআইবি কার্যালয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে প্রণীত কতিপয় অধ্যাদেশ বাতিল ও পরিবর্তন বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, বর্তমান সময়টা দুদকের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুদক কখনোই পুরোপুরি কার্যকর ছিল না, তবে বর্তমানে নেতৃত্বের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি আরও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কমিশন না থাকায় নতুন কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া যাচ্ছে না, যা উদ্বেগজনক। তিনি দ্রুত দুদকের নতুন অধ্যাদেশ সংশোধন ও নতুন কমিশন গঠনের দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছে টিআইবি।সংগঠনটি জানায়, পুলিশকে একটি জনবান্ধব এবং একটি পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে যে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুলিশ কমিশন গঠন প্রয়োজন তার কোন প্রতিফলনই অধ্যাদেশটিতে হয়নি। যা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাবিত বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশ ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।টিআইবি আরও বলছে, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুলিশ কমিশনের প্রত্যাশা পদদলিত করে এমনকি ‘স্বাধীন’ বা ‘নিরপেক্ষ’ শব্দগুলো ব্যবহার না করে শুধুমাত্র একটি ‘সংবিধিবদ্ধ সংস্থা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এর গঠন, কার্যপরিধি ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিধানসমূহ এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাবিত বিএনপি ও সব রাজনৈতিক দলের সম্মতিসহ জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশ ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অন্যদিকে এ অধ্যাদেশের বলে যদি পুলিশ কমিশন গঠিত হয় তবে তা হবে সম্পূর্ণভাবে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশি ও প্রশাসনিক আমলাতন্ত্রের কর্তৃত্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান, যা এ ধরনের কমিশনের মৌলিক উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হবে।পুলিশ কমিশন গঠনে পুলিশ কমিশনের সদস্য হিসেবে একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা (গ্রেড-১) ও একজন সাবেক পুলিশ সদস্যকে (গ্রেড-১) অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি এবং সাবেক পুলিশ সদস্যকে কমিশনের সদস্য সচিবের কর্তৃত্ব প্রদান করা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ তথা বৈশ্বিক অভিজ্ঞতায় সম্পূর্ণ অভূতপূর্ব। এভাবে সাবেক পুলিশ সদস্যকে সদস্য-সচিবের কর্তৃত্ব প্রদান করে প্রস্তাবিত কমিশনের চেয়ারপার্সন এবং অন্য কমিশনারদের পদমর্যাদা ও কর্ম-সক্ষমতাকে খর্ব করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা তার অবসর গ্রহণের পূর্বের পদমর্যাদার সমরূপ করা এবং সদস্যদের পদমর্যাদা নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারকে প্রদান করা হয়েছে। যার ফলে কমিশনের স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, কমিশনের নিরপেক্ষতাকে পদদলিত করা ও কমিশনে সরকার এবং নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।এছাড়া পুলিশ কমিশনের চেয়ারপার্সন ও সদস্য নিয়োগের বাছাই কমিটির গঠন ও কর্মপদ্ধতি পরিপূর্ণভাবে আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে, যার ফলে কমিশন গঠন ও কাজে ক্ষমতাসীন সরকারের পরিপূর্ণ কর্তৃত্ব ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের ক্ষেত্র সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারীকে কমিশনে প্রেষণে নিয়োগ করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। প্রথম তিন বছর এই সংখ্যার কোনো সীমা নির্ধারণ করা হয়নি এবং পরবর্তী সময়ে ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হলেও সরকারি নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখার জন্য এ হারও যথেষ্টের চেয়ে বেশি।আরও বলা হয়, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশটিতে এমন একটি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে যে একই সঙ্গে তথ্য আন্তঃপরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রক ও সেবা দাতা, যা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করবে।ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ আলোকে সব প্রকার উপাত্তের (ডেটা) ব্যবস্থাপনা, আন্তঃপরিচালন এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আলাদা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে অর্পণ করা হয়েছে জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হাতে। আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা অনুযায়ী সাধারণত এই ধরনের কর্তৃপক্ষ উপাত্ত সুরক্ষা আইনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গঠিত হয়।জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তার দায়িত্ব পালন ও কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবে বলা হলেও এই কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা বাছাই করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি। যার ফলে বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই প্রক্রিয়ায় সরকারের পছন্দ এবং অনুগত লোকজনই এই সুযোগ লাভ করবেন বলে তাদের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কর্তৃপক্ষ একইসঙ্গে অধ্যাদেশটির অধীনে নিজেকে একটি আন্তঃপরিচালন গেটওয়ে ও পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ নিজেইে একটি ডেটা পরিচালন অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে, যা সুস্পষ্ট স্বার্থের দ্বন্দ্বযুক্ত পরিবেশ তৈরি করবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আইআরজিসির বার্তা

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আইআরজিসির বার্তা

চলমান যুদ্ধের ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অপরিবর্তনীয় কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে। এটি আর কখনও আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে এ ঘোষণা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নেভি।এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভি। পারস্য উপসাগরে নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইরানি বাহিনী তাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা দিয়েছে।অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নেভি কমান্ড জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথের ওপর বিদেশি আধিপত্যের যুগ চিরতরে শেষ হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বহিরাগত শক্তিগুলো ইরানের আর নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দিতে পারবে না।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের ঘোষিত ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আইআরজিসি নেভি তাদের অভিযানের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর লক্ষ্য হলো পারস্য উপসাগরে একটি নিজস্ব নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করা, যা এই অঞ্চলের দেশগুলোই নিশ্চিত করবে।এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে উন্নত নৌ-মোতায়েন, অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা এবং সমন্বিত দ্রুত-প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা। ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা যদি এই নতুন ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করে, তবে তাদের কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে।ইরানে নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে দেওয়া হুমকির পর এই বিবৃতি এলো। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখে তবে তিনি দেশটিতে ‘নারকীয় তাণ্ডব’ চালাবেন। ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো ধ্বংস করে দেবেন। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মঙ্গলবারই হবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে হামলার দিন।এদিকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা ১০ দিন স্থগিত রাখার ট্রাম্পের ঘোষণা আজ সোমবার শেষ হচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।বর্তমানে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরও জোরদার করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ ইঙ্গিত দিয়েছে, বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথটি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের জাহাজ ছাড়া সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই বিধিনিষেধের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি হামলা আরও বাড়ায়, তবে হরমুজ প্রণালির সীমা ছাড়িয়ে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোও নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলি আকবর বেলায়েতি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।আকবর বেলায়েতি বলেন, হামলা বাড়ালে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটগুলো আর নিরাপদ থাকবে না। কোনো দেশের একটি ভুল পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করা বাব আল-মান্দাব প্রণালি সুয়েজ খালের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। ইরানের মিত্র ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে তারা এই জলপথে হামলা চালাতে প্রস্তুত। ইতোপূর্বে তারা এই পথে হামলা চালিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় ধরনের স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে।

ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা সাকিব আল হাসানের

ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা সাকিব আল হাসানের

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিলেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তার দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সচল হলে তিনি ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন। দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেন, 'যেহেতু আমাদের দলের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নাই সেহেতু চেষ্টা করছি ক্রিকেটটা খেলে যাওয়ার। দলের যখন কার্যক্রম যখন শুরু হবে বা আমরা করতে পারবো তখন হয়তো আবার চেষ্টা করবো রাজনীতিটা করার।'রাজনীতি ও ক্রিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'রাজনীতি তো ধরেন আমৃত্যু করা যায়, রাজনীতিতে অনেক সময় আছে। যেটার সময় নেই সেটা হলো ক্রিকেট। এটা আগে ঠিক করার চেষ্টা করছি। আর রাজনীতি যেটা বলছেন, আমি মনে করি রাজনীতি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব। যদি আমি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, তবে সেটা আমার ভালো লাগবে এবং সেই আশা আমার এখনো আছে। সব সময় থাকবে।' কিছু দিন আগেই ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন সাকিব। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন- এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, 'খেলার প্রতি আমার আগ্রহ এখনো আগের মতোই অটুট আছে, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেদিন দেখবো আর আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবো।'

সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট

সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশসহ জাতীয় সংসদে সোমবার (৬ এপ্রিল) সাতটি বিল সর্বসম্মতিক্রমে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।পাস হওয়া বিলের মধ্যে বাকি ৬টি হলো নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সংশোধন বিল, ভোটার তালিকা সংশোধন বিল, নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান সংশোধন বিল, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ সংশোধন বিল, জাতীয় সংসদ সচিবালয় অন্তর্বর্তী বিশেষ বিধান রহিতকরণ বিল, বাংলাদেশ ল অফিসার্স অ্যামেন্ডমেন্ড বিল।এছাড়া শুধুমাত্র উত্থাপন হয়েছে তিনটি বিল। এগুলো হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রহিতকরণ বিল, সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল এবং ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষার উদ্দেশ্য আনীত বিল। এরমধ্যে নোট অব ডিসেন্ট থাকায় পরে এসব বিলের ওপর আলোচনা হবে। এছাড়া ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল-২০২৬ অধিক যাচাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, তিনটি বিলে বিরোধীদল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। এগুলো উত্থাপন করা হয়েছে যেন বিরোধী দলের সদস্যরা অধিকতর বিশ্লেষণ করতে পারেন। আগামীকালের সেশনে আলোচনা হবে।

ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি

কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি

ভিসা বাতিল ইস্যুতে মুখ খুললেন আহমাদুল্লাহ

ভিসা বাতিল ইস্যুতে মুখ খুললেন আহমাদুল্লাহ

হামের টিকা ‘সংকটে’ সাড়ে ৫ বছর ক্যাম্পেইন হয়নি, দায় গত সরকারের

হামের টিকা ‘সংকটে’ সাড়ে ৫ বছর ক্যাম্পেইন হয়নি, দায় গত সরকারের

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সমৃদ্ধ ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে সকল ধর্মের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

সমৃদ্ধ ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে সকল ধর্মের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

ব্যবসায়ীদের মুখ থেকে সংকটের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, সমাধানের আশ্বাস

ব্যবসায়ীদের মুখ থেকে সংকটের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, সমাধানের আশ্বাস

‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

হরমুজ খোলা নিয়ে ইরানের নতুন বার্তা

হরমুজ খোলা নিয়ে ইরানের নতুন বার্তা

আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত

আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

বিএনপির সংসদ সদস্যরা ‘স্মৃতি বিস্মৃত’ হয়ে গেছেন: সংসদে আখতার

বিএনপির সংসদ সদস্যরা ‘স্মৃতি বিস্মৃত’ হয়ে গেছেন: সংসদে আখতার

বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তগুলো ভুলে গিয়ে ‘স্মৃতি বিস্মৃত’ হয়ে গেছেন—বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।রোববার (০৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।আখতার বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের যে ধারণা নিয়ে এখন বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি কোনো নতুন বিষয় নয়; বরং ঐকমত্য কমিশনে সব রাজনৈতিক দলের আলোচনার ভিত্তিতেই এই প্রস্তাব এসেছে।তিনি বলেন, আমরা এনসিপির পক্ষ থেকে গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সরকার দলীয় পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল সংসদের মাধ্যমে তা করতে হবে। পরে দীর্ঘ আলোচনা শেষে আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম যে, গণপরিষদ বা সংসদ নয়—একটি গাঠনিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমেই বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে।বিএনপির অবস্থান পরিবর্তনের সমালোচনা করে আখতার বলেন, আজকে যারা সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন, তারা সেই আলোচনার বিষয়গুলো ভুলে গেছেন। এটি আমাদের জন্য হতাশাজনক।তিনি আরও বলেন, ৩১ জুলাই ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু এখন সেই সিদ্ধান্ত বিএনপি মানতে চাইছে না।তিনি অভিযোগ করেন, আজকে বিএনপি ব্যাকস্পেস চেপে পেছনে ফিরে যেতে চায়। তার মতে, সংস্কার প্রক্রিয়ার পাঁচটি ধাপ—জুলাই সনদ, আদেশ, অধ্যাদেশ, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ—সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। কিন্তু সরকার দলীয় সদস্যরা এসবের মধ্যে কেবল জুলাই সনদের একটি অংশ নিয়ে কথা বলছেন।আখতার বলেন, তারা আদেশের কথা বলেন না, অধ্যাদেশের কথা বলেন না, গণভোটের কথা বলেন না। শুধু জুলাই সনদের কথা বলেন—সেটাও ‘নোট অব ডিসেন্ট’সহ।তিনি দাবি করেন, ঐকমত্য কমিশনের খসড়া সনদে কোনো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ছিল না। পরে জাতীয় সংসদের বাইরে স্বাক্ষরের সময় এটি যুক্ত করা হয়েছে, যা তিনি ‘জাতির সঙ্গে প্রতারণা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং সত্য উদঘাটন করা।জুলাই সনদের আইনগত বৈধতা নিয়ে সমালোচনার জবাবে আখতার বলেন, সনদের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে আদেশ জারির কথা উল্লেখ রয়েছে।তিনি বলেন, জনগণকে অজ্ঞ মনে করা ঠিক নয়। যারা এখন গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তারা নিজেরাই জনগণের রায়কে অস্বীকার করছেন।তিনি আরও বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে এখন বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিএনপির দলগত অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং তাদের রাজনৈতিক অসঙ্গতিকে সামনে নিয়ে আসে।

সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা চান বিরোধীদলীয় নেতা

সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা চান বিরোধীদলীয় নেতা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি এনসিপির

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি এনসিপির

ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের আন্দোলনে চান নাহিদ

ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের আন্দোলনে চান নাহিদ

হঠাৎ অনলাইন ক্লাস চালুর উদ্যোগ অযৌক্তিক : নূরুন্নিসা সিদ্দীকা

হঠাৎ অনলাইন ক্লাস চালুর উদ্যোগ অযৌক্তিক : নূরুন্নিসা সিদ্দীকা

গণসংহতি আন্দোলন থেকে পদত্যাগ করলেন জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলন থেকে পদত্যাগ করলেন জোনায়েদ সাকি

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল টিমকে বিরোধীদলীয়  নেতার শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল টিমকে বিরোধীদলীয় নেতার শুভেচ্ছা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

খুনের ঘটনায় বগুড়ায় নজিরবিহীন সহিংসতা, আতঙ্ক

খুনের ঘটনায় বগুড়ায় নজিরবিহীন সহিংসতা, আতঙ্ক

টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

মতলব উত্তরে মিড-ডে মিলে পচা রুটি খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থী

মতলব উত্তরে মিড-ডে মিলে পচা রুটি খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থী

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় স্কুল ফিডিং (মিড-ডে মিল) কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা রুটি খেয়ে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার প্রভাতী শিশুকানন মান্দারতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীর নাম ইসরাত জাহান, সে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।শিক্ষার্থীর বাবা কামাল হোসেন প্রধান জানান, “বাড়িতে এসে দেখি আমার মেয়ে বমি করছে। পরে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, স্কুলে দেওয়া রুটি খেয়ে তার এমন অবস্থা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিই। পরে প্যাকেটে থাকা আরেকটি রুটি দেখে বুঝতে পারি সেটি পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ছিল।”তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ধরনের পচা ও নষ্ট খাবার শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোহরা আক্তার বলেন, “প্রত্যাশী সংস্থার কর্মীরা যে রুটির বক্স আমাদের কাছে সরবরাহ করেছে, সেখান থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আমরা বুঝতে পারিনি যে রুটির মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল। পরে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখছি।”এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাস্তবায়নকারী সংস্থা ‘প্রত্যাশী’র মতলব উত্তর প্রজেক্ট ম্যানেজার আহাম্মেদ তাসনীন আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত ২৯ মার্চ থেকে মতলব উত্তর উপজেলায় ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় পাঁচ ধরনের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের কথা রয়েছে।

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ইথুন বাবু ও মৌসুমী

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ইথুন বাবু ও মৌসুমী

বিজয়নগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিএনজি ভাড়ায় নৈরাজ্য, ভোগান্তিতে যাত্রী

বিজয়নগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিএনজি ভাড়ায় নৈরাজ্য, ভোগান্তিতে যাত্রী

বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ভেস্তে গেল বৃষ্টির পানিতে, ঋণের বোঝায় দিশেহারা কৃষক

বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ভেস্তে গেল বৃষ্টির পানিতে, ঋণের বোঝায় দিশেহারা কৃষক

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি বানালে দুর্নীতি বাড়বে, উন্নয়ন থমকে যাবে—বগুড়ার গণসমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে এমপি বানালে দুর্নীতি বাড়বে, উন্নয়ন থমকে যাবে—বগুড়ার গণসমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার

বিজয়নগরে বিজিবির অভিযানে কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

বিজয়নগরে বিজিবির অভিযানে কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

মুসলিম থেকে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে—পুত্রকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার

মুসলিম থেকে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে—পুত্রকে ত্যাজ্য ঘোষণা পিতার

ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা সাকিব আল হাসানের

ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা সাকিব আল হাসানের

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিলেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তার দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সচল হলে তিনি ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন। দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেন, 'যেহেতু আমাদের দলের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নাই সেহেতু চেষ্টা করছি ক্রিকেটটা খেলে যাওয়ার। দলের যখন কার্যক্রম যখন শুরু হবে বা আমরা করতে পারবো তখন হয়তো আবার চেষ্টা করবো রাজনীতিটা করার।'রাজনীতি ও ক্রিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'রাজনীতি তো ধরেন আমৃত্যু করা যায়, রাজনীতিতে অনেক সময় আছে। যেটার সময় নেই সেটা হলো ক্রিকেট। এটা আগে ঠিক করার চেষ্টা করছি। আর রাজনীতি যেটা বলছেন, আমি মনে করি রাজনীতি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব। যদি আমি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, তবে সেটা আমার ভালো লাগবে এবং সেই আশা আমার এখনো আছে। সব সময় থাকবে।' কিছু দিন আগেই ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন সাকিব। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন- এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, 'খেলার প্রতি আমার আগ্রহ এখনো আগের মতোই অটুট আছে, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেদিন দেখবো আর আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবো।'

সন্ধ্যায় দেশে ফিরছে সাফজয়ী যুবারা, দেওয়া হবে সংবর্ধনা

সন্ধ্যায় দেশে ফিরছে সাফজয়ী যুবারা, দেওয়া হবে সংবর্ধনা

গৌরবজনক বিজয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

গৌরবজনক বিজয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

বিসিবির আরেক পরিচালকের পদত্যাগ

বিসিবির আরেক পরিচালকের পদত্যাগ

টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ মিস ইতালির, যেনো থমকে গেছে যাত্রা

টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ মিস ইতালির, যেনো থমকে গেছে যাত্রা

বাংলাদেশের কষ্টার্জিত জয় এলো তাইপের বিপক্ষে

বাংলাদেশের কষ্টার্জিত জয় এলো তাইপের বিপক্ষে

৫২ বছরের অপেক্ষা: বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় কঙ্গো

৫২ বছরের অপেক্ষা: বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় কঙ্গো

নতুন লুকে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন বিদ্যা সিনহা মিম

নতুন লুকে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন বিদ্যা সিনহা মিম

লাক্স সুপারস্টার বর্ণিতা

লাক্স সুপারস্টার বর্ণিতা

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো লাক্স সুপারস্টার ২০২৫-এ বিজয়ী হয়েছেন রাজশাহীর মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা। ৪ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালের মাধ্যমে তার নাম ঘোষণা করা হয়। তারকাখচিত এই আয়োজনে বর্ণিতার হাতে বিজয়ীর ট্রফি তুলে দেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল কুদ্দুস খান এবং লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। মুকুটের পাশাপাশি বর্ণিতার হাতে তুলে দেওয়া হয় সোয়ারোভস্কি ক্রিস্টাল দিয়ে তৈরি বিশেষ ট্রফি; সেই সঙ্গে একটি বিলাসবহুল গাড়িও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এবারের আসরে ফার্স্ট রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রামের আমিনা ইসলাম এবং সেকেন্ড রানার আপের শিরোপা জিতেছেন পাবনার নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল। চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে এই তিনজনের সঙ্গে আরও অংশ নিয়েছিলেন খুলনার নুসরাত আফরীন ইয়ুমনা এবং ঢাকার তিস্তা পাল। পাঁচ প্রতিযোগীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে বিচারকদের রায়ে সেরার তালিকায় জায়গা করে নেন তারা।সাত বছর পর এই আয়োজনটি ফিরে আসায় শুরু থেকেই সাধারণ দর্শক ও শোবিজ অঙ্গনে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। লক্ষাধিক আবেদনকারীর মধ্য থেকে দীর্ঘ বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সেরা দশ এবং পরবর্তীতে সেরা পাঁচ প্রতিযোগী চূড়ান্ত লড়াইয়ের মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছিলেন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের আয়োজনকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে সাজানো হয়। শুধু সৌন্দর্য নয়, প্রতিযোগীদের অভিনয় দক্ষতা, ব্যক্তিত্ব, স্টাইল সেন্স এবং কনটেন্ট তৈরির সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।গ্র্যান্ড ফিনালের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারা।

নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখার্জি

নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখার্জি

কলকাতার বিনোদন জগতে একের পর এক গেরো লাগছে। আসছে দুঃসংবাদ। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত হয়ে পড়ে পুরো ইন্ডাস্ট্রি। এরপর মাকে হারান সুদীপ্তা, বিদিশা। এবার প্রখ্যাত পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়ের নিখোঁজের খবর পাওয়া গেল। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর ব্যাংকের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। উৎসবের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় একথা জানিয়েছেন।বাড়ি থেকে দুপুরে ব্যাংকের কাজে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন চিত্রনাট্যকার-পরিচালক উৎসব মুখার্জি। ‘বরুণবাবুর বন্ধু’, ‘ভবিষ্যতের ভূত’ সিনেমার গল্পকার উৎসবের খোঁজ এর পর থেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।দুপুরে শেষবার যখন উৎসবের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি ব্যাংকের ভেতরেই ছিলেন বলে সামাজিকমাধ্যমকে জানান পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। এর কিছুক্ষণ পর থেকেই পরিচালকের ফোন বন্ধ হয়ে যায়৷ সেটি এখনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে৷ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানা গিয়েছে৷

নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে প্রেরণ

নোবেলের জামিন বাতিল, কারাগারে প্রেরণ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টাসহ প্রতারণা করে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এই আদেশ দেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান নিশান (প্রিন্স) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামি বাদীর সঙ্গে জামিনের আপসের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। বিয়ে করার কথা থাকলেও, আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে আর বিয়ে করেননি। টাকাও ফেরত দেয়নি। এজন্য আমরা তার জামিন বাতিলের প্রার্থনা করি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপসের শর্তে নোবেলকে জামিনের আদেশ দেন।গত ২৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে নোবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরেরদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। পরে মামলার ধার্য তারিখ ২ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে জামিন দেন আদালত।গত বছরের ১৩ আগস্ট নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, নোবেলের পরিচিত ছোট ভাই মাসুদ রানা এবং তার অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন আনাননিয়া শবনম রোজ (অনন্যা)। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে গত ৭ জানুয়ারি পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।মামলার অভিযোগে বলা হয়, নোবেল বাদীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ অগস্ট থেকে গত বছরের জুন মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে আত্মসাৎ করে। বাদীকে আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টা করেন। আর এতে অপর আসামিরা তাকে সহযোগিতা করে।

আসছে পাকিস্তানি জুটি দানিশ-আনমোলের ধামাকা

আসছে পাকিস্তানি জুটি দানিশ-আনমোলের ধামাকা

আসছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা দানিশ তাইমুর এবং অভিনেত্রী ও মডেল আনমোল বালোচের নতুন সিরিয়াল। সাহসী অন-স্ক্রিন রোমান্স এবং আলোড়ন তোলা নাটকের জন্য আলাদাভাবে পরিচিতি রয়েছে দানিশ তাইমুরের। দানিশ তাইমুর নিজেই একটি ভিডিওর মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে তার আসন্ন নাটকের বিস্তারিত শেয়ার করে তাইমুর জানিয়েছেন, প্রথমে সিরিয়ালটির নাম ‘নিস্তার’ জানা গেলেও এখনো নাম চূড়ান্ত হয়নি। ভক্তদের নতুন সিরিয়ালের সুখবর দিয়ে ভিডিওতে দানিশ তাইমুর বলেন, ‘আমাদের নতুন সিরিয়াল শিগগির শুরু হচ্ছে। আমার সঙ্গে অনমোল বালোচ ও নাইমা বাট থাকছেন পর্দায়। অসাধারণ এ গল্পটিকে প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য রয়েছেন বেশ কিছু তারকা।’ নাটকটিতে তাইমুরের সঙ্গে পর্দা ভাগ করবেন 'এক সিতাম অউর', 'সিফ তুম' এবং 'মান আংগান' খ্যাত পাকিস্তানি অভিনেত্রী-মডেল আনমোল বালোচ। অসাধারণ অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে এরই মধ্যে ভক্তদের ক্র্যাশে পরিণত হয়েছেন তিনি।সিরিয়ালটির নাম কী হবে—দর্শকদের এই কৌতূহলী প্রশ্নের উত্তরে তাইমুর বলেন, ‘এর নাম কিন্তু ‘নিস্তার’ নয়, যে নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। আমরা এখনও নাম প্রকাশ করিনি। আমি শিগগিরই নামটি প্রকাশ করব।’ পাশাপাশি পাকিস্তানি ছোট পর্দার তারকা ভক্তদের তার নাটকের নাম ঠিক করার জন্য মতামত চান। সূত্র: রিভিউইটইনস্টাগ্রামে তুমুল জনপ্রিয় দানিশ তাইমুরের প্রায় ৮.৯ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে। তার জনপ্রিয় নাটকগুলো হলো দিওয়াঙ্গি, ক্যায়সি তেরি খুদগারজি, জান নিসার, আব দেখ খুদা কেয়া করতা হ্যায়, তেরি ছাওঁ মেঁ এবং ইশক হ্যায়। শের এবং মন মাস্ত মালাং-এর মতো সাম্প্রতিক হিট নাটকগুলোয় ভক্তরা তার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। ২০১৫ সালে ইয়াসির জাসওয়ালের থ্রিলার জালাইবি দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।

নিখোঁজ লাক্স সুপার স্টারের ট্রফি! রহস্য উন্মোচন ৩ এপ্রিল

নিখোঁজ লাক্স সুপার স্টারের ট্রফি! রহস্য উন্মোচন ৩ এপ্রিল

লাক্স সুপার স্টারের ট্রফিটি গালার অনুষ্ঠানের ঠিক আগমুহূর্তে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।স্বরোভস্কি ক্রিস্টালে তৈরি এই ট্রফিটি এবারের বিজয়ীর প্রতীক হিসেবে সম্প্রতি উন্মোচন করা হয়েছিল। এটি একটি সুরক্ষিত স্থানে রাখা ছিল। নিয়মিত পরিদর্শনের সময় বিষয়টি সামনে আসে, যখন ট্রফিটি আর সেখানে খুঁজে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে লাক্স বাংলাদেশ জানিয়েছে, ওসি হারুন এবং আরেফিন শুভ বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছেন। ট্রফিটি গালার আগেই উদ্ধারের জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, সময়ের মধ্যে কি ট্রফিটি উদ্ধার হবে? চোখ রাখুন ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে চ্যানেল আই-এর পর্দায়, রহস্যের পর্দা উঠবে সেদিনই।

‘ক্যাকটাস’ ওয়েব সিরিজে সানজিদা তাসনিম

‘ক্যাকটাস’ ওয়েব সিরিজে সানজিদা তাসনিম

এ প্রজন্মের মডেল ও অভিনেত্রী সানজিদা তাসনিম। র‍্যাম্প মডেলিং থেকে অভিনয়ে এসে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি নাটকে কাজ করে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন। চরকিতে আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘ক্যাকটাস’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন। সিরিজটি নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। এছাড়াও তিনি একটি অনুদানের সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন।তার মিডিয়া যাত্রা শুরু হয়েছিল একেবারেই শখের বশে। ছোটবেলায় ক্লাস নাইনে এনটিভিতে নাচ পরিবেশনের মাধ্যমে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। পরে দীপ্ত টিভি-এর রিয়েলিটি শো ‘স্টার হান্ট’-এ অংশ নিয়ে ফাইনালের তিন বিজয়ীর একজন হন। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে অভিনয়ের স্বপ্ন দেখায়।এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী সানজিদা তাসনিম বলেন, ‘র‍্যাম্প মডেলিং আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু অভিনয়ে চরিত্রের আবেগ ধরে রাখা, সংলাপ বলা—সবই আলাদা চ্যালেঞ্জ।’ তিনি মানসম্মত কাজের দিকেই বেশি মনোযোগী এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বড় পর্দায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।গত ঈদে সালাউদ্দিন লাভলু পরিচালিত চ্যানেল আইতে সাত পর্বের ধারাবাহিক ‘কুলিন সমাচার’ প্রচারিত হয়েছে, যেখানে তার উপস্থিতিও দর্শকদের নজরে এসেছে।পড়াশোনা করেছেন সিলেটে, পরে ঢাকায় এসে শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি-তে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়েন। মিডিয়ায় না এলে হয়তো দেশের বাইরে থাকতেন, পরে দেশে ফিরে নিজের ক্লথিং ব্র্যান্ড গড়ে তুলতেন—এমনটাই ভাবনা ছিল তার।

চলতি সপ্তাহেই অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

চলতি সপ্তাহেই অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বদলি, নতুন সচিব আবু দাউদ

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বদলি, নতুন সচিব আবু দাউদ

সরকার অনলাইনেও ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করছে: শিক্ষামন্ত্রী

সরকার অনলাইনেও ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করছে: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ

স্কুলগুলোতে মশক নিধন কর্মসূচি নিচ্ছে ডিএনসিসি

স্কুলগুলোতে মশক নিধন কর্মসূচি নিচ্ছে ডিএনসিসি

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

আবার কমলো সোনার দাম

আবার কমলো সোনার দাম

টানা ৪ দফা বাড়ানোর পর অবশেষে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।এর আগে সবশেষ ১ এপ্রিল দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩০ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২২ দফা।

যৌক্তিক মূল্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতে সরকার সক্রিয়: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

যৌক্তিক মূল্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতে সরকার সক্রিয়: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার বৈঠক

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার বৈঠক

ভবিষ্যতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী

ভবিষ্যতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে নিজ কর্মস্থলে লক্ষ্মীপুরের নারীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা: ঘাতক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে নিজ কর্মস্থলে লক্ষ্মীপুরের নারীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা: ঘাতক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট মায়ার্স শহরে এক মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন নিলুফার ইয়াসমিন পারভীন (৪৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারী। গত বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকালে নিজ কর্মস্থল একটি গ্যাস স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে এক কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীর হাতুড়ির আঘাতে তিনি প্রাণ হারান।​স্থানীয় প্রবাসী সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ফোর্ট মায়ার্সের ড. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বুলেভার্ড ও হাইল্যান্ড অ্যাভিনিউয়ের শেভরন (Chevron) গ্যাস স্টেশনে ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন ইয়াসমিন। প্রতিদিনের মতো সেদিন ভোরেও তিনি স্টোর খোলেন এবং ভিতরে নামাজে দাঁড়ান। সকাল আনুমানিক ৭টা ১৪ মিনিটে হামলাকারী স্টোরের দরজা খোলার চেষ্টা করে।​ঠিক সেই সময় ঘাতক যুবক স্টোরে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে সে বাইরে পার্ক করা ইয়াসমিনের ব্যক্তিগত গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। গাড়িতে হামলার শব্দ পেয়ে ইয়াসমিন নামাজ শেষ করে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং ভাঙচুরের কারণ জানতে চান। এতেই ঘাতক যুবক হিংস্র হয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।​সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘাতক যুবক অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় তার হাতে থাকা বড় হাতুড়ি দিয়ে ইয়াসমিনকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে। মাথায় অন্তত সাতবার হাতুড়ির প্রচণ্ড আঘাতে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে ঘাতক স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।​ফোর্ট মায়ার্স পুলিশ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম রোলবার্ট জোয়াকিন। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের ২৪ নম্বর জার্সি পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। তবে এই হামলার পেছনে ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নাকি এটি কেবলই একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা হতে পারে।​নিহত ইয়াসমিন পারভীন দুই মেয়েকে নিয়ে ফ্লোরিডায় বসবাস করতেন। তার স্বামী বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তার দেশের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার ১৮ নম্বর কুশাখালী ইউনিয়নে। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন মানিকের ছোট বোন।​স্বজনরা জানান, ​ইয়াসমিন অত্যন্ত পরোপকারী ও ধর্মপ্রাণ নারী ছিলেন।​প্রবাসে সন্তানদের সচ্ছল ভবিষ্যতের জন্য তিনি নিরলস পরিশ্রম করতেন। ​তার এই অকাল মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুরের কুশাখালী এবং ফ্লোরিডার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।​যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশি কনস্যুলেট এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানালেন মিজানুর রহমান আজহারী

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানালেন মিজানুর রহমান আজহারী

নিউইয়র্কে সড়ক পার হতে গিয়ে ট্রাক চাপায় নিহত বাংলাদেশি তরুণী

নিউইয়র্কে সড়ক পার হতে গিয়ে ট্রাক চাপায় নিহত বাংলাদেশি তরুণী

দক্ষিণ কোরিয়া বিএনপির মহান স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পূর্ণমিলন অনুষ্ঠান আয়োজন

দক্ষিণ কোরিয়া বিএনপির মহান স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পূর্ণমিলন অনুষ্ঠান আয়োজন

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী শিগগিরই এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন, যখন তারা প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য পৃথিবীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ হারাবেন।সোমবার (৬ এপ্রিল) ব্রিটিশ সামার টাইম (বিএসটি) রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে) মহাকাশযানটি যখন চাঁদের আড়ালে প্রবেশ করবে, তখন চাঁদ নিজেই পৃথিবী ও মহাকাশযানের মধ্যকার রেডিও ও লেজার সংকেতকে বাধাগ্রস্ত করবে। ফলে তখন থেকে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট থেকে) ৪০ মিনিট নভোচারীরা পৃথিবীর সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় মহাকাশে ভ্রমণ করবেন। খবর বিবিসির।এখন পর্যন্ত নভোচারীরা নাসার হিউস্টনের মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে আছেন। তবে চাঁদের আড়ালে প্রবেশের পর এই সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে, যা মিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এই সময়টিকে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন মিশনের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। তিনি বলেছেন, আমরা যখন সবার সঙ্গে যোগাযোগের বাইরে থাকব, তখন বিশ্বের মানুষ যেন আমাদের জন্য শুভকামনা জানায়।চাঁদের অভিযানে এটি নতুন কিছু নয়। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনের সময়ও একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন নভোচারীরা। তখন মাইকেল কলিন্স চাঁদের কক্ষপথে একা অবস্থান করছিলেন এবং প্রায় ৪৮ মিনিট যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ছিলেন। তিনি পরে সেই অভিজ্ঞতাকে পূর্ণ একাকিত্ব হিসেবে বর্ণনা করলেও ভয় পাননি বলে জানান।পৃথিবীতে থাকা বিজ্ঞানীদের জন্যও এই সময়টি হবে উদ্বেগের। যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে অবস্থিত গুনহিলি আর্থ স্টেশন মহাকাশযানের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংকেত সংগ্রহ করছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চাঁদের আড়ালে যাওয়ার সময় কিছুটা উৎকণ্ঠা থাকলেও পুনরায় যোগাযোগ স্থাপিত হলে স্বস্তি ফিরে আসবে।ভবিষ্যতে এই ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা দূর করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার মুনলাইট প্রকল্পের মাধ্যমে চাঁদের চারপাশে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক স্থাপন করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এই ৪০ মিনিটে নভোচারীরা চাঁদের পর্যবেক্ষণ, ছবি তোলা এবং এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে মনোযোগ দেবেন। যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হলে তারা পৃথিবীর সঙ্গে আবার যুক্ত হবেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ইরান থেকে বাংলাদেশে কার্পেট আমদানি নেই। বাজার খুঁজে কোনো কার্পেট পাওয়া না গেলেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিক্রি হচ্ছে পার্সিয়ান বা ইরানি কার্পেট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যবর্তী দেশ হয়ে আসা এই পণ্য বিলাসবহুল ও সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসেবে টিকে আছে।বাংলাদেশের কার্পেট বাজারের বার্ষিক বিক্রয় প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা। এই বাজার প্রায় সম্পূর্ণভাবে আমদানিনির্ভর, যেখানে ইরানি কার্পেটের অংশ খুবই ছোট। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর জানুয়ারি ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে বাংলাদেশের আমদানি অত্যন্ত সীমিত। ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি ছিল শূন্য। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাত্র ৩৬ লাখ টাকা। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যে সামান্য আমদানি হয়েছে, তা ছিল যন্ত্রপাতি ও মেকানিক্যাল পণ্যের জন্য। কার্পেট এই তালিকায় ছিল না।জাতিসংঘের কমট্রেড তথ্য বলছে, ২০১১ সালে ইরান থেকে বাংলাদেশে কার্পেট রপ্তানির সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৫১০ ডলার, যা ফেল্ট ফ্লোর কভারিংসের জন্য। ২০১৪ সালে নটেড কার্পেট রপ্তানি ছিল মাত্র ২ হাজার ৮২০ ডলার। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে তা-ও বন্ধ হয়ে যায়।রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, বায়তুল মোকাররম, গুলশান ডিসিসি মার্কেট ও বাড্ডা লিংকরোড এলাকায় কার্পেটের বিভিন্ন দোকানে সরেজমিনে গিয়ে ইরানি কার্পেট বিক্রি হতে দেখা যায়নি। কার্পেট ব্যবসায়ীরা জানান, তারা এখন আর ইরানের কার্পেট আমদানি বা বিক্রি করেন না।এলিফ্যান্ট রোডের মিঠু কার্পেটসের ম্যানেজার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ইরান থেকে কোনো কার্পেট আমদানি করা যায় ন। আর তা ছাড়া ইরানি কার্পেট অনেক দামি। সারা বছরে বা ছয় মাসে একটা দুটো বিক্রি হয়। তাই আমরা ইরানি কার্পেট বিক্রি করি না।’মিশু কার্পেটসের ব্যবস্থাপকও জানান, তারা ইরানি কার্পেট আমদানি বা বিক্রি করেন না। এ ছাড়া আরাফাত কার্পেটস, সারমানস কার্পেটস, পনির কার্পেটস, মোরেশদ কার্পেটস ও নিউ রুপসী কার্পেটসের শোরুমের ব্যবস্থাপক ও বিক্রয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলা জানা যায়, তারাও ইরানি কার্পেট বিক্রি করেন না।গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে গিয়েও জানা যায় সেখানকার কার্পেট ব্যবসায়ীরা ইরান থেকে কোনো কার্পেট আমদানি করেন না। শুধু একটি দোকানের বিক্রয়কর্মী জানান, তাদের কাছে মাত্র একটি ইরানি কার্পেট আছে।তবে অনলাইনে কয়েকটি প্ল্যাটফর্মে ইরানি কার্পেট বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। এমনই একটি প্ল্যাটফর্ম আলাদিন কার্পেটসবিডি। ফেসবুকে তাদের ৫৩ হাজারের বেশি অনুসারী রয়েছে। তারা পার্সিয়ান ও তুর্কি হ্যান্ডমেড কার্পেট বিক্রি করে। ইসফাহান, কাশান এবং তাবরিজ অঞ্চলের কার্পেট তাদের প্রধান পণ্য। তারা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে বিক্রি পরিচালনা করে।প্রতিষ্ঠানটির হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্টে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, তাদের শোরুম মূলত দুবাই থেকে পরিচালিত হয়। সেখান থেকে তারা অর্ডার নিয়ে বাংলাদেশে কার্পেট সরবরাহ করে। বাংলাদেশের মধ্যে ফ্রি ডেলিভারির সুবিধাও রয়েছে।বেডিং বিডি নামের আরেকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও ‘ইরানি কার্পেট’ নামে একটি আলাদা ক্যাটাগরি রয়েছে। তারা দাবি করে যে এসব কার্পেট শতাব্দী প্রাচীন পার্সিয়ান ঐতিহ্যের অংশ। গ্রাহকদের কাছে এগুলোকে সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রিমিয়াম বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলমেইডা রাগসও বাংলাদেশে অনলাইনে কার্পেট বিক্রি করে। পার্সিয়ান ১২০০ রিড কালেকশন তাদের বিশেষ পণ্য।ইউবাই বাংলাদেশ ও দারাজ এই দুটি ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস আন্তর্জাতিক বিক্রেতাদের মাধ্যমে পার্সিয়ান কার্পেট সরবরাহ করে। এখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য পাওয়া যায়।বাংলাদেশে কার্পেট ক্রেতাদের ধরন সময়ের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। অতীতে প্রধানত ধনী ও উচ্চবিত্ত মানুষরাই পার্সিয়ান কার্পেট কিনতেন। তবে গত এক দশকে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে কার্পেট ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা এখন গৃহসজ্জার অংশ হিসেবে কার্পেট কিনছেন।বৈশ্বিক পর্যায়েও ইরানের কার্পেট শিল্প ভয়াবহ পতনের মুখে পড়েছে। তিন দশক আগে যেখানে রপ্তানি আয় ছিল ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি, সেখানে তা বর্তমানে ৪০ মিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।ইরানের চেম্বার অব কমার্সের কার্পেট ও হস্তশিল্প কমিশনের চেয়ারম্যান মরতেজা হাজি আগামিরি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশটির সংবাদ মাধ্যম ইরান ফোকাসকে বলেন, গত ছয় বছর ধরে রপ্তানি ১০০ মিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে। তিনি এটিকে কার্যত শূন্যের কাছাকাছি বলে উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি তাদের আন্তর্জাতিক বাজার হারিয়েছে।বাজারে প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ভারত, তুরস্ক এবং চীনসহ বিভিন্ন দেশ ইরানি নকশার কার্পেট উৎপাদন করছে।ইরানি কার্পেট ব্যবসায়ী হামেদ নবিজাদেহ জানান, ইরান এখন নিজ দেশেও বিদেশি কার্পেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পড়েছে। ভারত, তুরস্ক এবং চীন থেকে আমদানি করা কার্পেট স্থানীয় বাজারেও বিক্রি কমিয়ে দিচ্ছে।চীন, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান কম খরচে ইরানি ডিজাইনের কার্পেট তৈরি করছে। তারা বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে বাংলাদেশে, দামের প্রতি সংবেদনশীল ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

তথ্যের ভিড়ে সত্য খুঁজে পেতে আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস মানুষকে একটু থেমে ভাবতে, দেখে-শুনে যাচাই করতে ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিয়ে দাঁড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে।আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল। এই দিনের মূল বার্তা-ফ্যাক্ট-চেকিং খুবই জরুরি। যদিও এই দিনটি বছরে একদিন পালিত হয়, কিন্তু আসলে এটি সারা বছর প্রতিদিনের অভ্যাস হওয়া উচিত।পাড়ার গল্প থেকে ভাইরাল ভিডিও—এখন তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই কিছু শেয়ার করার আগে তা যাচাই করা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবসের ইতিহাসআন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস প্রথম শুরু হয় ২০১৬ সালে। এর লক্ষ্য ছিল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া। সাংবাদিক, শিক্ষক, সরকার, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সবাই এই দায়িত্বের অংশ। এই উদ্যোগটি একটি বৈশ্বিক ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শুরু হয়, যা তথ্য যাচাইয়ের নির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করে। এই দিবসটি ২ এপ্রিল পালন করা হয়, যা ১ এপ্রিলের পরের দিন। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়, এপ্রিল ফুলের মজা শেষ হলে এখন সময় তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করার।বর্তমানে তথ্য খুব দ্রুত ছড়ায়। আগে গুজব সীমিত থাকলেও এখন তা মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে যেতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনেক সময় দ্রুততা ও আবেগকে গুরুত্ব দেয়, যা সঠিক যাচাইয়ের পথে বাধা হতে পারে। এই কারণে এখন অনেক সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্থা ফ্যাক্ট-চেকিং বা তথ্য যাচাইয়ের কাজে যুক্ত।এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাক্ট-চেকিং শুধু বিশেষজ্ঞদের কাজ নয়। আমরা সবাই এতে ভূমিকা রাখতে পারি। একজন মানুষ যদি ভুল তথ্য শেয়ার না করে, তাতেই অনেক ক্ষতি কমানো সম্ভব। আবার কেউ ভদ্রভাবে ভুল ধরিয়ে দিলে অন্যরা নতুন করে ভাবতে পারে।ফ্যাক্ট-চেকিং মানে সন্দেহপ্রবণ হওয়া নয়। এটি সত্যকে সমর্থন করা, ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সচেতন আলোচনা গড়ে তোলার একটি উপায়।নতুন প্রযুক্তির কারণে এখন ভুয়া ছবি, অডিও বা ভিডিও তৈরি করা সহজ হয়ে গেছে। তাই তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।লক্ষ্য সবারকে বিশেষজ্ঞ বানানো নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনে একটি সহজ অভ্যাস তৈরি করা। যেমন প্রশ্ন করা, আপনি কীভাবে জানেন। এতে সত্য শুধু দেখানোর বিষয় না হয়ে বাস্তবভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

টানা ছুটিতে মুখর মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পট

টানা ছুটিতে মুখর মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পট

চাঁদপুর ৩ নদীর মোহনায় দর্শনার্থীদের ঈদ আয়োজন

চাঁদপুর ৩ নদীর মোহনায় দর্শনার্থীদের ঈদ আয়োজন

কেমন ছিলো একাত্তরের সেই ভয়াল দিনের ঈদ

কেমন ছিলো একাত্তরের সেই ভয়াল দিনের ঈদ

দারাজ ৪.৪ সামার সেল: সিজনের সেরা ডিল নিয়ে আসছে দারুণ সব অফার

মেগা ডিলে ৮০% পর্যন্ত ছাড়, ফ্ল্যাশ ভাউচার এবং ফ্রি ডেলিভারি সুবিধায় প্রাণবন্ত হবে এবারের গ্রীষ্মকালীন কেনাকাটা! দারাজ ৪.৪ সামার সেল: সিজনের সেরা ডিল নিয়ে আসছে দারুণ সব অফার

দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৪.৪ সামার সেল’। গ্রীষ্মের এই মৌসুমে গ্রাহকদের জন্য সেরা ডিল এবং সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা দিতেই এই বিশেষ ক্যাম্পেইন। আগামী ৩ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে এই সেল চলবে ৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। সীমিত সময়ের এই ক্যাম্পেইনে থাকছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট, নামী ব্র্যান্ডের সাথে কোলাবরেশন এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন অনলাইন শপিংয়ের সুযোগ।গ্রীষ্মকালীন কেনাকাটার চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে সাজানো এই ক্যাম্পেইনে থাকছে ফ্ল্যাশ সেল এবং মেগা ডিল, যেখানে গ্রাহকরা পাবেন ৮০% পর্যন্ত বিশাল ছাড়। এছাড়াও থাকছে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়ের ‘হট ডিলস’। কেনাকাটাকে আরও সহজ করতে নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর থাকছে ফ্রি ডেলিভারি এবং ডেলিভারি ডিসকাউন্ট। ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্স, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং লাইফস্টাইলসহ সব ক্যাটাগরিতেই থাকছে সাশ্রয়ী মূল্যের চমৎকার সমন্বয়।ক্যাম্পেইনের শুরুতেই গ্রাহকদের জন্য থাকছে বিশেষ ‘ফ্ল্যাশ ভাউচার’। ৩ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কেনাকাটায় গ্রাহকরা ৫০০ টাকা পর্যন্ত ৯% ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও ঐদিন রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকছে একটি বিশেষ উইন্ডো, যেখানে ৯% ছাড়ে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ক্যাম্পেইনের শুরুতেই গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সঞ্চয় নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে দারাজ তার ‘এভরিডে লো প্রাইস’ (ইডিএলপি) বা ‘দারাজ চয়েস’ চ্যানেলটিকে আরও শক্তিশালী করেছে। দারাজ চয়েস থেকে গ্রাহকরা ‘৩টি পণ্য কিনলে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট’ এবং ‘৫টি পণ্য কিনলে ১টি ফ্রি গিফটসহ ডেলিভারি ডিসকাউন্ট’ অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। এর ফলে পরিবারগুলো কোনো বড় সেলের অপেক্ষা না করেই সাশ্রয়ী মূল্যে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে।ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রতিদিনের কেনাকাটাকে আরও আনন্দদায়ক করতে দারাজে থাকছে থিম-ভিত্তিক শপিং ডে। এর মধ্যে রয়েছে চয়েস ডে (শনিবার), ফ্যাশন ফরোয়ার্ড ডে (রবিবার ও সোমবার), ইলেকট্রিক্যাল ডে (মঙ্গলবার), বুধবারের বাজার, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস ডে (বৃহস্পতিবার) এবং লাইফস্টাইল কোজি ডে (শুক্রবার)। প্রতিটি দিন নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির পণ্যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে এক্সক্লুসিভ ‘ব্র্যান্ড ডে’। ৫ এপ্রিল থাকছে বাটা সুপার ব্র্যান্ড ডে, যেখানে জুতা ও ফ্যাশন পণ্যে থাকবে বিশেষ ছাড়। এছাড়া ৬, ৭ এবং ৮ এপ্রিল যথাক্রমে ইমামি, সার্ফ এক্সেল এবং হেমাস ব্র্যান্ড ডে পালিত হবে, যেখানে ব্র্যান্ডগুলোর জনপ্রিয় পণ্যে থাকবে আকর্ষণীয় অফার।এবারের ৪.৪ সামার সেলের সাথে যুক্ত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো। এক্সক্লুসিভ প্ল্যাটিনাম পার্টনার হিসেবে থাকছে ডেটল এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে প্যারাসুট ন্যাচারাল এবং হিমালয়া। সিলভার পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইমামি এবং গোদরেজ, যা গ্রাহকদের বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য বেছে নেওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছে।পেমেন্ট পার্টনারদের মাধ্যমে কেনাকাটাকে আরও সাশ্রয়ী করতে দারাজ দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা। ইবিএল-দারাজ কো-ব্র্যান্ড কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা ১৫% পর্যন্ত সেভিংস উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও নগদ, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র পেমেন্ট পার্টনারদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় অফার। নির্দিষ্ট ব্যাংকের কার্ডে ৬ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধা এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের জন্য ১২ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধা থাকছে।দারাজ বাংলাদেশ দেশের সকল গ্রাহককে এই সীমিত সময়ের ৪.৪ সামার সেলে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন দারাজ ৪.৪ ক্যাম্পেইন পেজ অথবা ডাউনলোড করুন দারাজ অ্যাপ। রিয়েল-টাইম আপডেটের জন্য দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে চোখ রাখুন।

বাজারে এলো অপোর নতুন ফোন এ৬কে

বাজারে এলো অপোর নতুন ফোন এ৬কে

ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সমন্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইনফিনিক্স নোট ৬০ সিরিজ

ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সমন্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইনফিনিক্স নোট ৬০ সিরিজ

ঈদকে আরও আনন্দময় করতে ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইন ঘোষণা অপোর

ঈদকে আরও আনন্দময় করতে ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইন ঘোষণা অপোর

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের ভাড়া বাসা থেকে সীমান্ত (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, সীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন।নিহত সীমান্তের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম সদরুল আমিন। তিনি হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করতেন।নিহতের চাচা রুহুল আমিন জানান, সীমান্ত ওই বাসায় সাবলেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তার রুমমেটের বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত রাত নয়টার পর থেকে নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রেখেছিলেন সীমান্ত। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হয়। পরে বাড়ির মালিক এসে দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান, সীমান্ত আর বেঁচে নেই।রুহুল আমিন আরও জানান, অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ আসছিল। এতে তাদের ধারণা, ওই বিষাক্ত দ্রব্য খেয়েই সীমান্ত আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন তিনি এই কাজটি করেছেন, সে বিষয়ে স্বজনরা কিছু জানেন না।ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

শিরোনাম
মতলব উত্তরে মিড-ডে মিলে পচা রুটি খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায় বগুড়ায় নজিরবিহীন সহিংসতা, আতঙ্ক ‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ইথুন বাবু ও মৌসুমী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান বিজয়নগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিএনজি ভাড়ায় নৈরাজ্য, ভোগান্তিতে যাত্রী ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ভেস্তে গেল বৃষ্টির পানিতে, ঋণের বোঝায় দিশেহারা কৃষক মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি মতলব উত্তরে মিড-ডে মিলে পচা রুটি খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায় বগুড়ায় নজিরবিহীন সহিংসতা, আতঙ্ক ‘মঙ্গলবারই চূড়ান্ত সময়সীমা’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে নোট অব ডিসেন্ট টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ইথুন বাবু ও মৌসুমী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান বিজয়নগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিএনজি ভাড়ায় নৈরাজ্য, ভোগান্তিতে যাত্রী ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ভেস্তে গেল বৃষ্টির পানিতে, ঋণের বোঝায় দিশেহারা কৃষক মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন সংসদ সভাপতি