ঢাকা শুক্রবার ০৬ মাঘ ১৪৩১ সকাল ০২:২৯:১১ (06-Feb-2026)

ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা

সরকারি চাকরিতে গৎবাঁধা প্রশিক্ষণের পরিবর্তে সমস্যা সমাধানভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি থাকবে না এবং নাগরিক সেবার পদ্ধতি এমনভাবে দক্ষ করতে হবে যাতে ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঝুলে না থাকে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) প্রণীত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই–নাগরিককে সরকারের কাছে আসতে হবে না, বরং সরকারের সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেবাকে এমনভাবে স্বয়ংক্রিয় করতে হবে যাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়।পুরোনো আমলের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সমালোচনা করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, দেখা যায় ভবন আছে কিন্তু দক্ষ জনবল নেই। প্রশিক্ষণ পদ্ধতিও আপটুডেট নয়। ফলে প্রশিক্ষণের কোনো ফল চোখে দেখা যায় না। প্রশিক্ষণ শেষে মূল্যায়নের ভিত্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইনসেনটিভ বা পুরস্কার দেয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে যাতে তারা উৎসাহ পায়।তিনি ভালো মানের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও র‍্যাঙ্কিং থাকতে হবে। এছাড়া এসব সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেসরকারি খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখার আহ্বান জানান, যাতে তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে গর্ববোধ করতে পারেন।বৈঠকে কমিটির সদস্যরা জানান, বাংলাদেশে এটিই প্রথম এ ধরনের উদ্যোগ হওয়ায় মানদণ্ড ও সূচক নির্ধারণ ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ কারণে লার্নিং বাই ডুইং পদ্ধতি অনুসরণ করে কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশের উত্তম চর্চা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বিবেচনা করা হয়েছে।এ কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য একাডেমিয়া, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি এবং নীতি সিদ্ধান্তের জন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানসমূহের সমস্যা উত্তরণ ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য পর্যায়ভিত্তিক সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের নির্দেশনার আলোকে জিআইইউ এই মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির কারিগরি সহায়তায় প্রাথমিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠান–বিপিএটিসি, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি, বিয়াম ফাউন্ডেশন, নাডা ও এনএপিডি–এর ওপর এই মূল্যায়ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান বৃদ্ধির কৌশল ও বিদ্যমান সমস্যা উত্তরণের সুপারিশমালা প্রদান করা হয়েছে।প্রতিবেদন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব সাইফুল্লাহ পান্না, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকসহ বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির (মঙ্গলবার) ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সরকার। যেসব কল-কারখানা প্রতিষ্ঠান এই ছুটি কার্যকর করবে, তারা চাইলে সুবিধাজনক সময়ে একদিনের এই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সারাদেশে নির্বাহী আদেশে নির্বাচনকালীন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সেই সঙ্গে একই প্রজ্ঞাপনে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রেস সচিব

ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রেস সচিব

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।তিনি বলেন, সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই। সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।

  • চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার

    চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার

  • বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ২৫ দিন

    বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ২৫ দিন

  • নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা

    নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা

  • ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে, নতুন সরকার মসৃণ করবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে, নতুন সরকার মসৃণ করবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন

  • গণভোটে হ্যাঁ মানে নতুন বাংলাদেশ, পুরোনো রাজনীতিকে লাল কার্ড

    রাজশাহীতে জামায়াতের আমির গণভোটে হ্যাঁ মানে নতুন বাংলাদেশ, পুরোনো রাজনীতিকে লাল কার্ড

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
ক্লিক করুন →
  • বর্তমানে যে সরকার দায়িত্বে তারা নিরপেক্ষ: মির্জা ফখরুল

    বর্তমানে যে সরকার দায়িত্বে তারা নিরপেক্ষ: মির্জা ফখরুল

  • অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা ও সংস্কারে হিমশিম খাচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

    অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা ও সংস্কারে হিমশিম খাচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

  • ‘প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াত’

    ‘প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াত’

  • তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ অ্যাখ্যা দ্য ডিপ্লোম্যাটের

    তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ অ্যাখ্যা দ্য ডিপ্লোম্যাটের

  • ৭ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলা সফর করবেন তারেক রহমান

    ৭ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলা সফর করবেন তারেক রহমান

  • ৫৫ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে: জেলেনস্কি

    ৫৫ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে: জেলেনস্কি

  • সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • অসন্তুষ্ট নারীদের জন্য ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’!

    অসন্তুষ্ট নারীদের জন্য ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’!

সব খবর

  • এবার আইসিসি ও ভারতকে ধুয়ে দিলেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক

    এবার আইসিসি ও ভারতকে ধুয়ে দিলেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক

  • শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

  • প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা

    প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা

  • জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০

    জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০

  • হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে

    হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে

  • চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার

    চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার

  • হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী

    হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী

  • পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান

    পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান

  • নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা

    নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা

  • নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া

    নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া

সব খবর

হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী

হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও তাঁর পরিবার। এ সময় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানান ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় যমুনার সামনে অবস্থান নেয় ইনকিলাব মঞ্চ।শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বসেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এ কারণে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো চারবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়েছে। দেশে নির্বাচনের আমেজে তাঁদের শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার তদন্ত বারবার পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে সরকার ব্যস্ত থাকলেও, যাদের মাধ্যমে দেশে সরকার এসেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করতে পারছে, সেই সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলগুলো কেউই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিচার না করে, তাহলে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন।ঢাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ইনকিলাব মঞ্চ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে। কিন্তু ইনকিলাব মঞ্চকে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বারবার সবাই হাত গুটিয়ে নিয়েছে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, অসহযোগিতা বাড়তে থাকলে ইনকিলাব মঞ্চ জনগণের সহায়তা নেবে এবং সারাদেশের জনগণকে নিয়ে যমুনার সামনে অবস্থান করবে। পরিস্থিতি সামলানোর দায়ভার সরকারের।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা, ওসমান হাদির স্ত্রীসহ ইনকিলাব মঞ্চের অন্যান্য সদস্যরা।

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রক্টরসহ সাতজন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ধূপখোলা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।আহত ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা হলেন- আমার দেশের লিমন ইসলাম, ডেইলি স্টারের রাকিবুল ইসলাম, দেশ রূপান্তরের ফাতেমা আলী, আজকের পত্রিকার সোহান ফরাজী , দিনকালের শিহাব, বার্তা২৪-এর সোহানুর রহমান সুবেল, কালবেলার তৌসিন, নাইম, রাকিব, মাজহার।শিক্ষকরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ সালেহ উদ্দীন, ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ও নাজমুস সাকিব। তবে আহত শিক্ষার্থীদের নাম ও বিভাগ জানা যায়নি।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ফুটবল খেলা শেষ হয়েছিল। কিন্তু কোনো একটা বিষয় নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষকদের ওপরও হামলা চালানো হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।তিনি জানান,অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় অন্তত সাতজন শিক্ষক আহত হয়েছেন। এছাড়া সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ মোট ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, হামলার নেপথ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের লোকজন রয়েছে। তারা পূর্বের ক্ষোভ থাকায় কাউকে কাউকে বেধরক পিটিয়েছে।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলায় আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেয় ইসলামিক স্টাডিজ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ট্রাইবেকার চলাকালীন দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘাতে রূপ নেয়। পরে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ নির্দেশ দেন সেনাপ্রধান।সেখানে নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। জাতীয় স্টেডিয়ামের সম্মেলনকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।এসময় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন সেনাপ্রধান।রাজধানীতে পরিদর্শনকালে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া এবং সেনাসদর, ঢাকা ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সব সংস্থার মধ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ও আন্তঃবাহিনী সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর প্রধান গত ২২ জানুয়ারি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, বগুড়া, বরিশাল, যশোর, কক্সবাজার, সিলেট, ঘাটাইল ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক, সব বিভাগ ও জেলার অসামরিক প্রশাসন এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন সেনাপ্রধান।

পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান

পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান

ঢালিউডের কিং অভিনেতা শাকিব খান ও তাঁর দুই স্ত্রীর সঙ্গে সমীকরণ নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস। দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী। একটা সময়ে তারকা নিজেই দুই স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এবার শোনা যাচ্ছে বুবলীর সঙ্গে দ্বিতীয় সন্তান পরিকল্পনা করেছেন অভিনেতা। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রী। সেই হিসাবে তৃতীয়বার বাবা হতে চলেছেন অভিনেতা।গত বছরের শেষের দিকে বুবলী ও শাকিব, তাঁদের ছেলে শেহজাদ বীরকে নিয়ে আমেরিকায় ঘুরতে যান। সেই সময়েই নাকি তাঁরা ফের ঘনিষ্ঠ হন। গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন ছড়ায়। তবে এরপরে এমনও শোনা যায়, গর্ভপাত করিয়েছেন বুবলী। অবশেষে এখন শোনা যাচ্ছে, গর্ভপাত করাননি অভিনেত্রী। রমজানের প্রথম সপ্তাহেই নাকি আমেরিকায় উড়ে যাবেন বুবলী। সেখানেই সন্তানের জন্ম দেবেন তিনি।বুবলী ও শাকিবের সন্তান বীরের জন্মও হয় আমেরিকাতেই। যদিও, বুবলী জানিয়েছিলেন সেই সময়েও শাকিব নাকি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁর খেয়াল রাখেননি একদমই। শাকিব নাকি সেই দেশে বুবলীকে একা ফেলে চলে আসেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।যদিও সেই সব অভিযোগ এখন অতীত। ফের শাকিবের সন্তানের মা হতে চলেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে বুবলীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও উত্তর মেলেনি। ফোনে উত্তর মেলেনি শাকিব খানেরও।

নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া

নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও রংপুর এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় আয়োজিত এ মহড়ায় নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়।মহড়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।মহড়ার অংশ হিসেবে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১০ সদস্যের একটি প্যারা কমান্ডো দল স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণ করে। এ সময় সম্ভাব্য সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, ঝুকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিভিন্ন কৌশল প্রদর্শন করা হয়। বিশেষ করে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোনো ভোটকেন্দ্রে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে কীভাবে হেলি ড্রপের মাধ্যমে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে, তার বাস্তবসম্মত অনুশীলন দেখানো হয়।মহড়াটি দেখতে স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়কে শত শত মানুষ ভিড় করেন। হেলিকপ্টার অবতরণ ও কমান্ডো সদস্যদের দ্রুত কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।স্থানীয়রা জানান, এমন মহড়া নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে।কমান্ডো মহড়া দেখতে আসা আসিফ, হাবিব ও শ্রুতিসহ কয়েকজন দর্শক বলেন, এমন আয়োজন সরাসরি দেখার সুযোগ খুব কমই পাওয়া যায়। হেলিকপ্টার থেকে কমান্ডো সদস্যদের দ্রুত অবতরণ ও তাদের কার্যক্রম দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।তারা আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের মহড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা তৈরি করবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো ঠাকুরগাঁও জেলাতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই সেনাবাহিনীর এই বিশেষ মহড়ার আয়োজন করা হয়, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার রাজসাক্ষী খালাস

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার রাজসাক্ষী খালাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।এছাড়া সাতজনকে যাবজ্জীবন, দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হককে খালাস দিয়েছে আদালত। সাইফুলের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।সাইফুল ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন— আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ রনি, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, কনস্টেবল মুকুল চৌধুরী এবং যুবলীগের সদস্য রনি ভুঁইয়া।যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এসপি আসাদুজ্জামান রিফন, অ্যাডিশনাল এসপি আব্দুল্লাহিল কাফি, অ্যাডিশনাল এসপি শাহিদুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমান, ইন্সপেক্টর ( অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন আরজু (ডিবি)। সাত বছরের দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান। রাজসাক্ষী হিসেবে আশুলিয়া থানার এসআই আফজালুল হক ঘটনার সত্য প্রকাশ করায় তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে।রায় ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায়। পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবির পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী। তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।

রমজানে অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা

রমজানে অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা

আসন্ন পবিত্র রমজানে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সূচি নির্ধারণ করা হয়।ঘোষিত সময় অনুযায়ী রমজানে অফিস শুরু হবে সকাল ৯টায়। শেষ হবে বেলা সাড়ে তিনটায়।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।তবে ব্যাংক, বিমা, সুপ্রিম কোর্ট, অন্যান্য স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী অফিস সূচি নির্ধারণ করবে।চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৯ কিংবা ২০ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হতে পারে।

ক্ষমতায় গেলে আমাদের সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে: জামায়াত আমির

ক্ষমতায় গেলে আমাদের সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে: জামায়াত আমির

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে তাদের গঠিত সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের সরকার হবে জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। যুগ যুগ ধরে এ দেশে জবাবদিহিতা ছাড়াই দেশ শাসন করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে। ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির পাহাড়কে গোপন করা হয়েছে চুপিসারে।’তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় আমরা যদি সেবা করার সুযোগ পাই, আমাদের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন। তাদেরকে নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’দায়িত্বের স্বচ্ছতার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের সরকার চলবে স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। সরকারি কাজ, ব্যয় এবং সেবা প্রদানের প্রতিটি ধাপ নাগরিকরা সরাসরি (রিয়েল-টাইম) পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। জনগণের থেকে লুকিয়ে রাখার এই সংস্কৃতির চিরস্থায়ী অবসান ঘটবে, ইনশাআল্লাহ।’


টিআইবির সাথে র‍্যাক নির্বাহী কমিটির মতবিনিময়

টিআইবির সাথে র‍্যাক নির্বাহী কমিটির মতবিনিময়

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)'র সাথে মতবিনিময় করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন বিটে কর্মরত অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‍্যাক)। এসময় র‍্যাক সদস্যদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেয় টিআইবি। মঙ্গলবার টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, একই বিভাগের কর্মকর্তা জাফর সাদিক। র‍্যাক সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন 'বর্ডারলেস জার্নালিজম'র যুগে প্রবেশ করেছে। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্থা বা ব্যাক্তিদের সাথে যোগাযোগ করতে হয় সাংবাদিকদের। এক্ষেত্রে র‍্যাক সদস্যদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। এর মাধ্যমে দুর্নীতি করে দেশ থেকে চলে গেলে কিংবা বিদেশে অর্থ পাচার করলেই সহজে নিস্তার পাওয়া যাবে না, এমন বার্তা দেয়া যাবে দুর্নীতির সাথে জড়িতদের। পাশাপাশি তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে টিআইবির চোখ দিয়ে দেশে কিংবা বিদেশে অবৈধ সম্পদ গড়া সিন্ডিকেটের উপর নজর রাখতে পারবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদকরা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক বলেন, তথ্যগত দূর্বলতা কিংবা অসংগতির কারণে দুদকের মামলা থেকে রেহাই পেয়ে যায় অনেক দুর্নীতিবাজ। দুর্বল চার্জশিটের কারণে আইনের ফাঁক-ফোকরে বেরিয়ে পড়ে রাঘববোয়ালরা। এক্ষেত্রে টিআইবির দেয়া তথ্য-উপাত্ত এবং দুর্নীতির ধারণাসূচক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে যেমন সমৃদ্ধ করে, তেমনিই দুদকের অনুসন্ধানেও সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। এসময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে র‍্যাক সদস্যদের জন্য তথ্যগত সহযোগিতা সব সময় অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে বলেন, দেশের বাইরে চলে যাওয়া দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যাক্তি এবং অর্থ পাচারের তথ্যানুসন্ধানে বিভিন্ন দেশে কাজ করা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের চ্যাপ্টারগুলোও পাশে থাকবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন র‍্যাকের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাসলিমুল আলম তৌহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ কিবরিয়া, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মন্টু, দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানা, কল্যাণ ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌসী, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক নাজনীন আক্তার লাকী, কার্যনির্বাহী সদস্য মতলু মল্লিক, জামিউল আহসান সিপু ও দুলাল হোসেন।

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫

১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে নতুন তফসিল নয়: ইসি

১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে নতুন তফসিল নয়: ইসি

৪ লাখ ৭২ হাজারের বেশি প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন

৪ লাখ ৭২ হাজারের বেশি প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন

নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজ নিলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজ নিলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আরব সাগরে ইরানি ড্রোন ধ্বংস, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আরব সাগরে ইরানি ড্রোন ধ্বংস, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গুলিতে নিহত

গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গুলিতে নিহত

বেলুচিস্তানে সামরিক অভিযানে ২২ সেনাসহ ২৫৫ জন নিহত

বেলুচিস্তানে সামরিক অভিযানে ২২ সেনাসহ ২৫৫ জন নিহত

মনিপুরে নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

মনিপুরে নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজকে ইরানের নৌবাহিনীর ‘ধাওয়া’

যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজকে ইরানের নৌবাহিনীর ‘ধাওয়া’

জামায়াতের ইশতেহারে ৫টিতে ‘হ্যাঁ’, ৫টিতে ‘না’

জামায়াতের ইশতেহারে ৫টিতে ‘হ্যাঁ’, ৫টিতে ‘না’

রাজনীতিতে স্পষ্ট অবস্থান ও দ্ব্যর্থহীন বার্তা তুলে ধরতে এবারের নির্বাচনি ইশতেহারকে ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ইশতেহারের প্রথমাংশর মূল কাঠামো সাজানো হয়েছে ‘৫টিতে হ্যাঁ’ এবং ‘৫টিতে না’—এই দুই ভাগে।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।ইশতেহারের শুরুতেই ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ এই অবস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কোন কোন বিষয়ে জামায়াত স্পষ্টভাবে সম্মতি জানায় এবং কোন কোন বিষয়ে তারা আপসহীন; তা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরাই এই কাঠামোর উদ্দেশ্য।ইশতেহারের ‘হ্যাঁ’ অংশে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। অন্যদিকে ‘না’ অংশে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দলটির দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।সরেজমিন দেখা গেছে, ইশতেহার ঘোষণার মঞ্চও সাজানো হয়েছে এই ‘হ্যাঁ-না’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। মঞ্চের নকশা ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনায় ইশতেহারের এই মূল দর্শন প্রতিফলিত করা হয়েছে, যা দলটির রাজনৈতিক বার্তাকে আরও প্রতীকী ও দৃশ্যমান করে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

একটি দলের পদলেহন করছে ইসি: এনসিপি

একটি দলের পদলেহন করছে ইসি: এনসিপি

জামায়াতের ইশতেহার: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৬ দফা পরিকল্পনা

জামায়াতের ইশতেহার: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৬ দফা পরিকল্পনা

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম

তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ অ্যাখ্যা দ্য ডিপ্লোম্যাটের

তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ অ্যাখ্যা দ্য ডিপ্লোম্যাটের

শুক্রবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে বিএনপি

শুক্রবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে বিএনপি

জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা

জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুলশিক্ষার্থী নিহত

রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুলশিক্ষার্থী নিহত

প্রার্থীর মৃত্যু:  স্থগিত হলো শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন

প্রার্থীর মৃত্যু: স্থগিত হলো শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন

সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে এবারের নির্বাচনে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এক লাখ সেনাসদস্য ও পাঁচ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীতে কারা প্রশিক্ষণ একাডেমিতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ ভীতিহীন, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর। নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনের আগে ও পরে সাত দিন মাঠে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, নির্বাচনের আগে চারদিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পর দুইদিন করে মোট সাতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ শক্তিতে মাঠে থাকবে। ফলে নির্বাচনের পরও কোনো সহিংসতার সুযোগ নেই।নিরাপত্তা বাহিনীর পরিসংখ্যান তুলে ধরে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রায় ১ লাখের বেশি সেনাসদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজার, কোস্টগার্ডের ৪ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, র‍্যাবের ৯ হাজার, পুলিশের প্রায় দেড় লাখ এবং আনসার বাহিনীর প্রায় ৫ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে বলে জানান তিনি।এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নওগাঁ রণক্ষেত্র

নওগাঁ রণক্ষেত্র

তিন দফা দাবিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর

তিন দফা দাবিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর

নাটোরে আসিফ মাহমুদের সভায় এনসিপির দু গ্রুপে মারামারি

নাটোরে আসিফ মাহমুদের সভায় এনসিপির দু গ্রুপে মারামারি

নৌযান চলাচল নিয়ে সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অফিস

নৌযান চলাচল নিয়ে সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অফিস

নেপালকে হারিয়ে সেরা হয়েই ফাইনালে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ নেপালকে হারিয়ে সেরা হয়েই ফাইনালে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে প্রাথমিক পর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) নেপালকে ৪-০ গোলে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা। ফলে প্রথম পর্বে সেরা হয়েই ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। ৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি হবে।পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন প্রতিমা মুন্দা। বদলি নেমে আলো ছড়ালেন আলপি আক্তার। নেপালকে হারানো ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন এই ফুটবলার। এর আগে ভারতকে ২-০ ও ভুটানকে ১২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ।রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে আয়োজিত টুর্নামেন্টের প্রাথমিক পর্বের সবগুলো ম্যাচ জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ দল হিসেবে ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ভারত।

মোস্তাফিজ-লিটনদের খেলা ফ্রিতে দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা

মোস্তাফিজ-লিটনদের খেলা ফ্রিতে দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফিরিয়ে না আনলে সিদ্ধান্ত থেকে সরবেনা পাকিস্তান

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফিরিয়ে না আনলে সিদ্ধান্ত থেকে সরবেনা পাকিস্তান

বিসিবিতে জমা পড়েছে জাহানারার যৌন হয়রানির তদন্ত প্রতিবেদন

বিসিবিতে জমা পড়েছে জাহানারার যৌন হয়রানির তদন্ত প্রতিবেদন

এপস্টেইনের বিচে মাইকেল জ্যাকসন!

এপস্টেইনের বিচে মাইকেল জ্যাকসন!

অরিজিতের গ্রামের বাড়িতে হঠাৎ গিয়ে হাজির আমির খান

অরিজিতের গ্রামের বাড়িতে হঠাৎ গিয়ে হাজির আমির খান

ভারতীয় গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের গ্রামের বাড়িতে হঠাৎ গিয়ে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। প্লেব্যাক থেকে অবসরের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জে অরিজিতের পৈতৃক নিবাসে আমিরের এই আকস্মিক সফর। এ নিয়ে বিনোদন জগতে নতুন গুঞ্জন।জানা গেছে, জিয়াগঞ্জের নিহালিয়া পাড়ায় গত রোববার রাতে অরিজিতের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন আমির খান। এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আজিমগঞ্জ-জিয়াগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ ঘোষ ।তিনি জানিয়েছেন, রোববার রাত অরিজিতের আমির বাড়িতেই কাটিয়েছেন। আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে অরিজিতের বাড়ির চারপাশে জোরদার হয়েছিলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, আমির খান কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অরিজিতের বাড়ির ছাদে হাসি মুখে ঘুড়ি ওড়াচ্ছেন । প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে ভিড় জমান স্থানীয়রা। আমির হাত নেড়ে ভক্তদের অভিবাদন জানান। তবে   হঠাৎ করেই কয়েক দিন আগে অরিজিৎ সিং চলচ্চিত্র বা প্লেব্যাক সংগীত থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই সিদ্ধান্তে হতাশা বিরাজ করছে ভক্তদের মধ্যে। অরিজিৎকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার অনুরোধ হিসেবে আমির খানের এই ঝটিকা সফর বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষকতার বাইরে শিক্ষকরা করছে আরও ৩৭ প্রকারের কাজ

শিক্ষকতার বাইরে শিক্ষকরা করছে আরও ৩৭ প্রকারের কাজ

আড়াই ঘণ্টা পর সাতরাস্তা ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা, তবুও যানজট

আড়াই ঘণ্টা পর সাতরাস্তা ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা, তবুও যানজট

দুই কলেজের নাম পরিবর্তন হলো শহীদ জিয়া ও খালেদার নামে

দুই কলেজের নাম পরিবর্তন হলো শহীদ জিয়া ও খালেদার নামে

জেনে নিন মানসিক অবসাদের লক্ষণগুলো

জেনে নিন মানসিক অবসাদের লক্ষণগুলো

সরকারের ২ লাখ ১০ হাজার টন সার ক্রয়

সরকারের ২ লাখ ১০ হাজার টন সার ক্রয়

২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মরক্কো, সৌদি আরব ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে এই সার কেনা হচ্ছে। ৮০ হাজার টন ডিএপি সার, ৭০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে এতে। যাতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা।৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।জানা যায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মরক্কো থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৫১ মার্কিন ডলার।কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মরক্কোর এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সার আনতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।মরক্কোর এই প্রতিষ্ঠান থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসে কৃষি মন্ত্রণালয়। এটিও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এই সার আনতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মা'আদেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের প্রথম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। সৌদি আরব থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩২৩ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৬০ মার্কিন ডলার। এদিকে বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি- নিউট্রিনেটস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সার আনতে ব্যয় হবে ২০৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৪১৮ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।শিল্প মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ-এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কাফকো থেকে এই সার কিনতে ব্যয় হবে ১৫৩ কোটি ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৪১৫ দশমিক ৮৭৫ মার্কিন ডলার।  

স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ১০৯০৬ টাকা

স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ১০৯০৬ টাকা

আবার বাড়লো সোনার দাম

আবার বাড়লো সোনার দাম

ইতালি-লিবিয়া অভিবাসন চুক্তি নবায়ন, ১০ টহল জাহাজ হস্তান্তর

ইতালি-লিবিয়া অভিবাসন চুক্তি নবায়ন, ১০ টহল জাহাজ হস্তান্তর

অভিবাসন ও মানবপাচার ঠেকাতে ইতালি ও লিবিয়ার মধ্যে ২০১৭ সালের ‘ইতালি-লিবিয়া মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ (MoU) আরও তিন বছরের জন্য নবায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে লিবীয় কোস্ট গার্ডের হাতে ১০টি আধুনিক টহল জাহাজ হস্তান্তর করেছে ইতালি।ইতালির বর্তমান সরকার জানিয়েছে, সমুদ্রপথে অভিবাসীদের অনিয়ন্ত্রিত যাত্রা রোধ এবং মানবপাচারকারীদের কার্যক্রম বন্ধ করতেই এই চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হওয়া এই চুক্তি ২০২৯ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।চুক্তি অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাওয়া অবৈধ নৌকা শনাক্ত ও আটকানোর দায়িত্বে থাকবে লিবীয় কোস্টগার্ড। আটক হওয়া নৌকাগুলোকে ইতালিতে না এনে সরাসরি লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে এবং যাত্রীদের লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হবে।হস্তান্তর করা ১০টি নতুন টহল জাহাজ উচ্চগতিসম্পন্ন এবং আধুনিক রাডার সিস্টেমে সজ্জিত। এসব জাহাজ দূর থেকে ছোট নৌকা শনাক্ত করতে সক্ষম, ফলে সাগরপথে নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে জানিয়েছে ইতালি।তবে চুক্তি নবায়ন নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো অভিবাসীরা অমানবিক আচরণ, নির্যাতন ও অবমাননাকর পরিবেশের মুখোমুখি হন।অন্যদিকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার বলছে, সমুদ্রপথে মৃত্যুর সংখ্যা কমানো এবং মানবপাচারকারীদের ব্যাবসা বন্ধ করতে এ চুক্তিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সরকারের দাবি, নতুন টহল জাহাজ মোতায়েনের ফলে অবৈধভাবে সাগরপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করলে ধরা পড়ার ঝুঁকি ৯০ শতাংশের বেশি বেড়ে যাবে।ইতালি সরকার আবারও সতর্ক করে জানিয়েছে, দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। বৈধ উপায় ছাড়া এ ধরনের যাত্রা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

বাংলায় একটি প্রাচীন প্রবাদ আছে, ‘একলা খেলে যম নেয়, দশজনে খেলে ধর্ম রয়।’ এ প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ যমরাজ এসে ধরে নিয়ে যাওয়া না। এর অন্তর্নিহিত বার্তাটি অত্যন্ত গভীর। প্রবাদটির মূল বক্তব্য হলো, দশজনকে সঙ্গে নিয়ে খেলে শরীর ও মন উভয়ই ‘ধর্ম’ অর্থাৎ সুশৃঙ্খল থাকে। আবার দশজন মানে কিন্তু আক্ষরিক অর্থে সংখ্যার দশ নয়, এর অর্থ অনেকে মিলে।খেয়াল করে দেখবেন, বয়স্ক মানুষেরা একা খেতে বসার পক্ষে নন। দাদি-নানিরা সব সময়ই বলে থাকেন, একা একা বসে খাচ্ছিস কেন, সবার সঙ্গে বসে খা! এই একা খেতে বসার অভ্যাস কেবল একাকিত্ব বাড়ায় না। বরং এটি ধীরে ধীরে মানুষের শরীর ও মনকে অসুস্থ করে তোলে। আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এই প্রাচীন প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ করছে।অক্সফোর্ড ইকোনমিকস থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উঠে এসেছে, একা খেতে বসার অভ্যাস আমাদের অজান্তেই স্বাস্থ্যের বড় ধরনের ক্ষতি করে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৭২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা দিনে অন্তত দুবার একা বসে খাবার খান, তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলতার সংমিশ্রণে হওয়া মেটাবলিক সিনড্রোম নামে একটি রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।গবেষণায় দেখা গেছে, একা খেতে বসলে পুরুষদের স্থূলতার ঝুঁকি ৪৫ শতাংশ এবং মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি ৬৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষ করে অবিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় তিন গুণ বেশি। অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটির ২৪টি গবেষণার একটি পর্যালোচনা বলছে, একা খেতে বসলে মানুষ পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে সহজে পাওয়া যায় এমন প্রক্রিয়াজাত বা রেডি মিল বেশি পছন্দ করে। এতে শরীরে প্রোটিন, পটাশিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজের অভাব দেখা দেয়।মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাবএকা খাওয়া কেবল শরীর নয়, মনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ৮ হাজারজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা এক জরিপে দেখা গেছে, মানসিক অসুস্থতার পর একা খাওয়ার অভ্যাস মানুষকে সবচেয়ে বেশি অসুখী করে তোলে। অনেকে মনে করেন, একা খেতে বসা মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু গবেষকদের মতে, এটি দীর্ঘ মেয়াদে বিষণ্নতা ও একাকিত্বের দিকে ঠেলে দেয়। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোবায়োলজিস্ট ড. স্টিফানি কাসিওপ্পোর মতে, মানুষ যদি খাওয়ার সময় নিজেকে একা মনে করে, তবে তার শরীর বেশি চর্বিযুক্ত ক্যালরি শোষণ করে।বার্ধক্য ও একাকী ভোজনপ্রবীণদের জন্য একা খাওয়া এক নীরব ঘাতক। ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিরা যখন একা খান, তখন তাঁরা ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে দুর্বল বা ফ্রেইল হয়ে পড়েন। একা খাওয়ার ফলে বয়স্কদের প্রতিদিনের প্রোটিন গ্রহণ কমে যায়। তা নেমে আসে প্রায় ৫৮ গ্রাম থেকে ৫১ গ্রামে। নারীদের ক্ষেত্রে এটি অস্টিওপোরোসিস বা হাড় পাতলা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। সামাজিক যোগাযোগের অভাব এবং পুষ্টিহীনতা উভয়ই মস্তিষ্কের ওপর চাপ ফেলে, যা আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। একাকিত্বের ফলে মস্তিষ্কের আয়তনও সংকুচিত হতে পারে।কেন একা খেতে বসা ক্ষতিকরগবেষকেরা এর পেছনে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ খুঁজে পেয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:উদ্দীপনার অভাব: যখন কেউ একা খান, তখন তাঁর ভালো কিছু রান্না করার আগ্রহ কমে যায়।খাওয়ার গতি: দলগতভাবে খেলে মানুষ গল্প করে ধীরে ধীরে খায়। এ বিষয়টি হজমে সাহায্য করে। একা খেলে মানুষ হয় খুব দ্রুত খায় নতুবা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে।ইগো ও অস্বস্তি: অতিরিক্ত ওজনের মানুষ অনেক সময় লোকলজ্জার ভয়ে অন্যদের সামনে খেতে চান না। এটা তাঁদের আরও বেশি একা খাওয়ার দিকে ঠেলে দেয় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।খাবার কেবল পেট ভরার মাধ্যম নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও একটি উপায়। চিকিৎসকদের মতে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়া বা মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে যাওয়া ওষুধের মতোই কার্যকর হতে পারে।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, টাইমস ম্যাগাজিন, ডেইলি মেইল

এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ন্যায়বিচার চাইলেন জামায়াত আমির

এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ন্যায়বিচার চাইলেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু বিচার এবং আইনের বাস্তব প্রয়োগ দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান ন্যায়বিচার চেয়েছেন।জামায়াত আমির লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমার ভেরিফাইড এক্স আইডি (টুইটার), যেখান থেকে হ্যাক হয়েছিল, সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে।’ন্যায়বিচার চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আমি আশা করি, এখন ন্যায়বিচারটাও পাব- এবং তা খুবই প্রয়োজন। দেশে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার পক্ষে এ ধরনের আইনি উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। শাস্তি নিশ্চিত হলে অনেকেই সাবধান হয়ে যাবে।’আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আশা করি, এখান থেকে অনেকেরই শিক্ষা হবে। অপেক্ষায় রইলাম—আইনের বাস্তব প্রয়োগ দেখার জন্য। অতি অল্প সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ।’এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামের পূর্বপাশের সরকারি কোয়ার্টারে অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রপতি দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার মো. ছরওয়ার আলমকে আটক করা হয়। পাশাপাশি জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকে ব্যবহৃত ডিভাইসও উদ্ধার করেছে ডিবি।এরও আগে, গত ৩১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। বঙ্গভবনের ই-মেইল ব্যবহার করে আইডিটি হ্যাক করা হয় বলে জানা যায়।যদিও বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জামায়াত আমির স্বয়ং পোস্টটি দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার নাটক করছেন। এছাড়া বিভিন্ন মহল থেকেও শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। এ ঘটনায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে জামায়াতের পক্ষ থেকে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।পরবর্তীতে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি জানতে বঙ্গভবনে যান জামায়াতের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তারা প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা আলোচনা করেন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানান।

শিরোনাম
এবার আইসিসি ও ভারতকে ধুয়ে দিলেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০ হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রেস সচিব ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে, নতুন সরকার মসৃণ করবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ২৫ দিন প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের গণভোটে হ্যাঁ মানে নতুন বাংলাদেশ, পুরোনো রাজনীতিকে লাল কার্ড এবার আইসিসি ও ভারতকে ধুয়ে দিলেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে: প্রধান উপদেষ্টা জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০ হলিউডের রুপালি পর্দার আড়াল থেকে এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে চার দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫০ কোটি ডলার হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে এবার ওসমান হাদির স্ত্রী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বুবলী, তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন শাকিব খান নির্বাচনের দিন ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না রোহিঙ্গারা নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মহড়া ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রেস সচিব ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে, নতুন সরকার মসৃণ করবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ২৫ দিন প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের গণভোটে হ্যাঁ মানে নতুন বাংলাদেশ, পুরোনো রাজনীতিকে লাল কার্ড