ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তিনি বলেন, আমার এমন একটা দেশ তৈরি করতে চাই, যেই দেশে শিক্ষার্থী সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে, নারী-পুরুষ নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে। সেই সঙ্গে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহায়তা চেয়েছেন তিনি।৯ মে শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীরা নির্যাতিত এবং গুম খুনের শিকার হচ্ছিলো তখন বিএনপি চেয়েছিল দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হোক যেখানে তর্ক-বিতর্ক থাকবে, কথা বলার সুযোগ থাকবে, কিন্তু এরকম পরিস্থিতি তৈরি হবে না।বিএনপির ইশতেহার এখন মানুষের ইশতেহার হয়ে গেছে— যা বাস্তবায়ন করা প্রধান কাজ বলেও জানান সরকারপ্রধান। তারেক রহমান বলেন, ভোটের আগে জনসাধারণকে দেয়া অঙ্গীকার মোতাবেক, এমন একটি দেশ তৈরি করতে চায় বিএনপি সরকার যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ পাবে। নির্বাচনের আগে দেয়া বিএনপির ইশতেহার নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মানুষের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষ এই ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে। মূলত, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহানগর ও জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারাও। আন্দোলনের পর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা এমপি-মন্ত্রী হওয়ায় কার্যত থেমে গেছে দলটির দলীয় কার্যক্রম। তাই দলকে রাজপথে সক্রিয় করার লক্ষ্যে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটের তিন সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তারেক রহমান। এ সময় বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের রাজনীতি পুনরায় ফিরিয়ে না আনার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। জানান, গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি

হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় শিশু মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে, আর তিন শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।এ নিয়ে গত ৫৫ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫২। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, আর ৬১ শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।শনিবার (৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বুলেটিনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ১৩৫ জন ঢাকা বিভাগে মারা গেছে; আর ৭৮ জন রাজশাহী বিভাগের।স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, গেল ২৪ ঘণ্টায় ৯৪৬ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে; নিশ্চিত হামের সংখ্যা ৪৮৯ জন।১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৭৯ শিশু। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৬৫৬ শিশু। এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৩ হাজার ৬৩১ শিশু এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে  শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং বিজেপিশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে (বাংলাদেশ সময় ১২টা ৩০) দিকে হয়েছে এই শপথ অনুষ্ঠান।এই দিন শুভেন্দুর পাশাপাশি শপথ নিয়েছেন আরও ৫ জন। তারা হলেন—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। শুভেন্দুর পর শপথ নেন দিলীপ ঘোষ। তার পর অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক।গত ৪ মে রাজ্যের ভোটের ফল ঘোষিত হয়েছে। ২০৭টি আসন পেয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। বিজেপি জিতলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবে তা নিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে সেই প্রশ্নই বার বার ধেয়ে এসেছিল। প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বার বারই বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, কোনও বাঙালি এবং বাংলামাধ্যমে পড়াশোনা করা নেতাকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হবে।বিজেপি যে ক্ষমতায় এলে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা এবং জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যে যখন গেরুয়া ঝড় উঠল, তখন সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। অবশেষে সেই জল্পনাকে সত্যি করেই শুক্রবার শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। দলের সকলের প্রস্তাবনায় তাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ।শুক্রবার বিধায়কদলের বৈঠকের পর শাহ বলেন, “পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবে একটিই নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও দ্বিতীয় নাম আসেনি। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করছি।”

  • সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ ৪জন নিহত

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ ৪জন নিহত

  • গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

    গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

  • গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

    গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

  • নোট অব ডিসেন্ট বাদ দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

    নোট অব ডিসেন্ট বাদ দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

  • যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

    যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

  • আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

    আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

সব খবর

সব খবর

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

ভারত থেকে পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়গুলো জামায়াতে ইসলামী পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে আজ শনিবার (০৯ মে) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, ‘কোনো বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে যেন নির্যাতন না করা হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে জামায়াত।’এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা নিয়েও কথা বলেন তিনি।গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনাসহ সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর উদাহরণ টেনে নিন্দা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যস্ততায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারছে না।’ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু অসম চুক্তি রয়েছে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত হলে জামায়াত দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’জাপান সফরের বিষয়ে তিনি জানান, ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য বাংলাদেশে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে জাপান।

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফুটবলেরই আরেকটি সংস্করণ ফুটসাল। বিশ্বজুড়ে বেশ জনপ্রিয়ও খেলাটি। কিন্তু বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটসালের যাত্রা শুরু হয়েছে গত বছর। প্রথম বছরেই দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম আসরেই অপরাজিত থেকে সাফ নারী ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।সেই সাফল্যের পুরষ্কারও পেল এবার। শুক্রবার (৮ মে) ফুটসালের র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সেখানে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪৪ নম্বর থেকে ৪২ নম্বরে ওঠে এসেছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। অন্যদিকে, প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে ঢুকেছে পুরুষ ফুটসাল দল।২০১৭ সালে এশিয়া কাপে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নারী ফুটসাল দলের পথচলা শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপরই নিভে যায় আলো। চলতি বছর আবারও ফুটসালে জোর দেয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এক সময়ের ফুটবল দলের সদস্য সাবিনা খাতুন-মাসুরা পারভীন-কৃষ্ণা রাণীদের নিয়ে নতুন করে গঠন করা হয় নারী ফুটসাল দল। প্রথম আসরেই সাফল্য দেখিয়েছেন তারা।অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুরুষ ফুটসাল দলও র‍্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। গত বছর প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব এবং পরে সাফ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় পুরুষ দল। দুটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলার পর বাংলাদেশ পুরুষ দলের অবস্থান এখন ১৩৯ নম্বরে। মোট ১৪৩টি দেশ পুরুষ ফুটসাল র‍্যাংকিংয়ে স্থান পেয়েছে।ফিফার প্রকাশিত এই র‍্যাংকিংয়ে নারী ও পুরুষ—উভয় বিভাগেই বিশ্বসেরার মুকুট ধরে রেখেছে ব্রাজিল।

শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কলেজছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে উৎসাহ দিয়েছেন।৯ মে শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

পাকিস্তানি বোলারদের অপেক্ষা বাড়িয়ে বাংলাদেশের ইনিংস কিছুটা লম্বা হলো তাসকিন আহমেদের ব্যটিংয়ে। ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করেছে ৪১৩ রান। যদিও আগেরদিন ৪ উইকেটে ৩০১ করা স্বাগতিকদের ব্যাটিংটা ঠিক মানানসই ছিল না। এদিন টিকল কেবল ৩২.১ ওভার।দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে বাংলাদেশ ১১২ রান যোগ করতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে। ৩৯তম জন্মদিনে মুশফিকের ২৯তম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান পাননি। মুশফিক ১৭৯ বলে ৮টি চারের বাউন্ডারিতে ৭১ রানে আউট হওয়ার আগে লিটন দাস ৩৩ রান করেন। এরপর তাসকিনের ৩ চার ও এক ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসেই বলতে গেলে চারশর বৈতরণী পার হয়েছে বাংলাদেশ।পাকিস্তানের পেসার মুহাম্মদ আব্বাস ষষ্ঠবারের মতো টেস্টে ফাইফার (৫ উইকেট) পেয়েছেন। ৩৪ ওভারে ৯২ রান খরচ করেন ডানহাতি এই পেসার। আরেক পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩১.১ ওভারে ১১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন। মিরপুরে কিছুটা পেসবান্ধব উইকেটে প্রথম দিন বেশ ভালোভাবে আব্বাস-শাহিনদের সামলায় বাংলাদেশের ব্যাটাররা। আজ মুশফিক কেবল তেমন কিছু দেখাতে পেরেছেন। ফলে তাকে খেলতে হয়েছে ধীরগতির ইনিংস।এর আগে আজ দিনের খেলা শুরুর পর চতুর্থ ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে মুশফিক সিঙ্গেল নিয়ে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। ভালো শুরু পেয়েছেন অপর সঙ্গী লিটন দাসও। টানা তিনটি চার হাঁকান আফ্রিদির এক ওভারে। যদিও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। স্লিপে একবার জীবন পেলেও মুহাম্মদ আব্বাসের বলে বিলাসী শট খেলার চেষ্টায় ৬৭ বলে ৩৩ রানে তালুবন্দী হয়েছেন লিটন। এরপর একটি করে চার-ছক্কায় ১০ রান করে ইমাম-উল-হককে ক্যাচ শিখিয়ে ফিরেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনিও আব্বাসের শিকার।পাকিস্তানি এই পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে তাইজুল ২৩ বলে ১৭ রানে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। অল্প সময়ের ব্যবধানে মুশফিক-এবাদত ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশের ইনিংস আরও লম্বা না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির আশা জাগলেও, ফেরার পর তৃতীয় বলেই শাহিন আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান। কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকে ভেঙে দেয় মিস্টার ডিফেন্ডেবলের স্টাম্প। এর আগে ফিফটি করেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন মুশফিক।পরের ওভারেই এবাদত ১০ বলে রানের খাতা না খুলতেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। শেষদিকে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটি গড়েন তাসকিন-নাহিদ রানা। এর মধ্যে রানার ৪ রান বাদে বাকিটা হয়েছে তাসকিনের মারমুখো ব্যাটে। ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি দলীয় রান চারশ পার করেন। শাহিনের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৮ রান।

ফের আটকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ!

ফের আটকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ!

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় নতুন করে নাটকীয়তা দেখা দিয়েছে। একাধিক দল সমর্থন জানানোর গুঞ্জন থাকলেও থালাপতি বিজয় এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শনিবার (৯ মে) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। খবর এনডিটিভির।শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের সঙ্গে আবারও সাক্ষাৎ করেন তামিলনাড়ু ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়। তবে রাজ্যপাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আসনের সমর্থন বিজয় এখনো উপস্থাপন করতে পারেননি। এ কারণেই তাকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন ২৩৪টি, যেখানে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের সমর্থনের প্রয়োজন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি ছিল, চারটি দলের সমর্থনে টিভিকে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছেছে। তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বাস্তবে বিজয়ের এই জোটের আসন সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১৬টি, যা ম্যাজিক ফিগার থেকে আরও অন্তত দুই আসন কম।সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ভিসিকে দলের সমর্থন থাকলেও আইইউএমএল নামক অন্য একটি দলের সমর্থনের চিঠি রাজ্যপালের কাছে জমা দিতে পারেননি বিজয়। পরবর্তীতে আইইউএমএল এক বিবৃতিতে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, তারা টিভিকে-কে সমর্থন করছে না। একই সঙ্গে টিটিভি নামের আরেকটি দলও বিজয়কে সরকার গঠনে সমর্থন না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সব মিলিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিজয় শুক্রবার সন্ধ্যায় টানা তিন দিনের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন।উল্লেখ্য, গত ৪ মে প্রকাশিত নির্বাচনি ফলাফলে দেখা যায়, থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে একাই ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে তাদের আরও অন্তত ১০ জন বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল।

মাগুরার ফুল’ গানের জন্য  বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড আর্টস (বাইফা) অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকবি মাহবুবুল খালিদ। ‘মাগুরার ফুল’ শিরোনামের আলোচিত গান রচনার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।শুক্রবার (৮ মে), বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাইফা পুরস্কারের পঞ্চম আসরের সূচনা হয়। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে মাহবুবুল খালিদ ছাড়াও এবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন- ‘তুমি’ গানের জন্য আইদিদ রশিদ, ‘বাজি’ গানের জন্য ইমন চৌধুরী ও হাশিম মাহমুদ, ‘গুলবাহার’ গানের জন্য ঈশান মজুমদার, ‘লং ডিসটেন্স লাভ’ গানের জন্য শুভেন্দু দাস শুভ।সমসাময়িক সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক সংকট ও সচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গান লিখে আসছেন গীতিকার, সুরকার মাহবুবুল খালিদ। তার লেখা পাঁচ শতাধিক গান ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘খালিদ সংগীত’ প্ল্যাটফর্মে। নিজের অধিকাংশ গানের সুরকারও তিনি। মাগুরায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত ৮ বছর বয়সি শিশু আছিয়াকে নিয়ে লেখা হৃদয়স্পর্শী গান ‘মাগুরার ফুল’-এর জন্য ‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে বাইফা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন মাহবুবুল খালিদ।বাইফার জমকালো এ আয়োজনে দর্শক ভোট ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে গান, নাটক, চলচ্চিত্র, ওটিটি, নৃত্য ও ফ্যাশনসহ মোট ২৯টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবারের আসরে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা গানের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন এবং ঢালিউডের বরেণ্য অভিনেত্রী কোহিনূর আখতার সুচন্দা। তারকাদের পরিবেশনা, ফ্যাশন শো, রেড কার্পেট ও বিশেষ গ্ল্যামার সেগমেন্ট দিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়।বলে রাখা ভালো, বাইফা অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসর থেকে আজীবন সম্মাননা প্রদান শুরু হয়। এর আগে এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা, নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার শামীম আরা নীপা এবং শিবলী মহম্মদ।‘মাগুরার ফুল’ গানটি লেখা হয়েছে মাগুরার সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গত বছরের ৫ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী মাঠপাড়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে।এই নির্মম ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দেয় মাহবুবুল খালিদকে। সেই বেদনা থেকেই তিনি রচনা ও সুর করেন ‘মাগুরার ফুল’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মৌটুসী খান, মৌলি মজুমদার ও মৌমিতা বড়ুয়া। সংগীতায়োজন করেছেন শেখ পুলক ও রোমান রহমান।গানটির শুরুতেই উঠে এসেছে এক শিশুর অপূর্ণ স্বপ্ন আর সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা- “মাগুরার ফুল ছোট্ট মুকুল, ঝরে গেলো ফুটে ওঠার আগেই/ ডাক্তার হবার স্বপ্নটা তার, নিভে গেলো পিশাচের এক ছোবলেই...।” আবেগঘন এই গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে।গানটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যা পরিচালনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। ‘খালিদ সংগীত’ শিরোনামের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সুনামগঞ্জের ছাতকে টর্চলাইট জ্বালিয়ে আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত শতাধিক

সুনামগঞ্জের ছাতকে টর্চলাইট জ্বালিয়ে আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত শতাধিক

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার এলাকায় জমি বিক্রয়কে কেন্দ্র করে টানা তিনদিন ধরে চলা উত্তেজনার জেরে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাউয়া কোনাপাড়া ও খিদ্রাকাপন গ্রামের লোকজন মুখোমুখি অবস্থানে গেলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জায়গা বিক্রয় সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরে খিদ্রাকাপন গ্রামের আকলুছ মিয়া ও জাউয়া কোনাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী এই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ টর্চলাইট জ্বালিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে নারী-পুরুষসহ প্রায় ৬০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করেন।গুরুতর আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে রেফার করা হয়েছে।আহতরা হলেন, রুম্মান আহমেদ (৩০), রেজা তালুকদার (৬২), ইশতিয়াক (২৮), হোসাইন আহমদ (২২), জাবেদ তালুকদার (৩৫), আকিব (১৯), আরিফ (২৩), হাসান (২৫), আলামিন (২৩), রবি (২৭), সৌরভ (২৫), আসকন্দর (৬০), মৃদুল (৩৬), সুহেল মিয়া (৩৩), আরিফ (২৫), মাহির মিয়া (১৪), মহসিন (১৩), খোকন (২৬), সুমন (৩৩), সাজন রহমান (৩৬)গুরুতর আহত হয়ে সিলেটে প্রেরিত আকমল (৩৫), লোকমান (৪০), ইশতিয়াক (২৮), হুসাইন (২২), জাবেদ তালুকদার (৩৫), হাফিজ আলী (৬০), আকিব (১৯), আছকন্দর আলী (৬০), মিদুল (৩৬), আরিফ (২৫), মুহিত (২০), খোকন (২৬), সুমন (৩৩), মইনুল (২৭)সহ আরও অনেকে। অপর দিকে জাউয়া বাজারের কোনাপাড়ার আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ চিকিৎসারত আছেন বলে স্থানীয়রা জানান।সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে জাউয়াবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান তালুকদারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে শান্তিগঞ্জ উপজেলা সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।এদিকে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান পায়ে আঘাত পান,পরে তিনি আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করে কৈতক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনা এড়াতে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি

সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে কলেজছা্ত্রসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) রাত সোয়া ১১টার দিকে কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তের ভারত অংশে এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তার নাম মো. মোরছালিন (২২)। তিনি কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর বাতানবাড়ি এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।নিহতরা চোরাকারবারের সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নিহত মোরছালিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে স্থানীয় কয়েকজন এসে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর সীমান্তের ভারত অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মোরছালিন। পরে তার মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে আনুমানিক ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ধজনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যায়। পরবর্তীতে চোরাচালানি মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের বাধা দিলে চোরাকারবারিরা বিএসএফ সদস্যদের উপর চড়াও হয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যর সাথে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্য চোরাকারবারিদের উপর গুলি চালায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি চোরাকারবারি মো. মোরছালিন (২২) ও আরেক আহত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভারতের হাসপাতালে মারা যায়।তিনি আরও বলেন, বিএসএফ কমান্ডেন্টের সাথে যোগাযোগ করে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানোসহ পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলছে।

শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কলেজছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে উৎসাহ দিয়েছেন।৯ মে শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

নোট অব ডিসেন্ট বাদ দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

নোট অব ডিসেন্ট বাদ দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

কদমতলীতে ফোমের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

কদমতলীতে ফোমের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

কদমতলীতে ফোমের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

কদমতলীতে ফোমের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে  শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

ফের আটকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ!

ফের আটকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ!

প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতিতে আজ শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী

প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতিতে আজ শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী

অবশেষে থালাপতি বিজয়ই হচ্ছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী

অবশেষে থালাপতি বিজয়ই হচ্ছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দু অধিকারীই হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দু অধিকারীই হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

ভারত থেকে পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়গুলো জামায়াতে ইসলামী পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে আজ শনিবার (০৯ মে) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, ‘কোনো বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে যেন নির্যাতন না করা হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে জামায়াত।’এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা নিয়েও কথা বলেন তিনি।গাজীপুরে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনাসহ সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর উদাহরণ টেনে নিন্দা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যস্ততায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারছে না।’ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু অসম চুক্তি রয়েছে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত হলে জামায়াত দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’জাপান সফরের বিষয়ে তিনি জানান, ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য বাংলাদেশে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে জাপান।

গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

জনগণ নির্ণয় করবে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পার্থক‍্য: মঞ্জু

ফেনীতে এবি পার্টির কর্মশালা জনগণ নির্ণয় করবে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পার্থক‍্য: মঞ্জু

বিএনপির রাজনীতি ভীতু রাজনীতি : খেলাফত মজলিসের মহাসচিব

বিএনপির রাজনীতি ভীতু রাজনীতি : খেলাফত মজলিসের মহাসচিব

জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালকের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক

জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালকের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

আমাদের রাজনীতি পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

অফিস কক্ষে বসেই প্রকাশ্যে ধূমপান, সমালোচনার মুখে চাঁদপুর-২ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ওয়াহিদুজ্জামান

অফিস কক্ষে বসেই প্রকাশ্যে ধূমপান, সমালোচনার মুখে চাঁদপুর-২ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ওয়াহিদুজ্জামান

সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি

সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি

টঙ্গীবাড়ীতে শিক্ষার গুরুত্ব ও মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভা

টঙ্গীবাড়ীতে শিক্ষার গুরুত্ব ও মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভা

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় শিক্ষার গুরুত্ব ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা। বর্তমান যুগে মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, তাদের নৈতিক শিক্ষা, প্রযুক্তি জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসীফ, উপজেলা প্রকৌশলী শাহা মোয়াজ্জেম হোসেন রাজু, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তানিয়া খাতুন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শানজিদা আক্তার ও কাজল কর, মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. হান্নানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

রামপালে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা

রামপালে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা

সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ ৪জন নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ ৪জন নিহত

নেত্রকোণায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, ৩৮ বোতল মদসহ যুবক আটক

নেত্রকোণায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, ৩৮ বোতল মদসহ যুবক আটক

সুনামগঞ্জের ছাতকে টর্চলাইট জ্বালিয়ে আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত শতাধিক

সুনামগঞ্জের ছাতকে টর্চলাইট জ্বালিয়ে আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত শতাধিক

গোপালগঞ্জের আকাশে দেখা মিললো অদ্ভুত আলোর ঝলকানি

গোপালগঞ্জের আকাশে দেখা মিললো অদ্ভুত আলোর ঝলকানি

কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফুটবলেরই আরেকটি সংস্করণ ফুটসাল। বিশ্বজুড়ে বেশ জনপ্রিয়ও খেলাটি। কিন্তু বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটসালের যাত্রা শুরু হয়েছে গত বছর। প্রথম বছরেই দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম আসরেই অপরাজিত থেকে সাফ নারী ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।সেই সাফল্যের পুরষ্কারও পেল এবার। শুক্রবার (৮ মে) ফুটসালের র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সেখানে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪৪ নম্বর থেকে ৪২ নম্বরে ওঠে এসেছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। অন্যদিকে, প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে ঢুকেছে পুরুষ ফুটসাল দল।২০১৭ সালে এশিয়া কাপে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নারী ফুটসাল দলের পথচলা শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপরই নিভে যায় আলো। চলতি বছর আবারও ফুটসালে জোর দেয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এক সময়ের ফুটবল দলের সদস্য সাবিনা খাতুন-মাসুরা পারভীন-কৃষ্ণা রাণীদের নিয়ে নতুন করে গঠন করা হয় নারী ফুটসাল দল। প্রথম আসরেই সাফল্য দেখিয়েছেন তারা।অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুরুষ ফুটসাল দলও র‍্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। গত বছর প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব এবং পরে সাফ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় পুরুষ দল। দুটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলার পর বাংলাদেশ পুরুষ দলের অবস্থান এখন ১৩৯ নম্বরে। মোট ১৪৩টি দেশ পুরুষ ফুটসাল র‍্যাংকিংয়ে স্থান পেয়েছে।ফিফার প্রকাশিত এই র‍্যাংকিংয়ে নারী ও পুরুষ—উভয় বিভাগেই বিশ্বসেরার মুকুট ধরে রেখেছে ব্রাজিল।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

মাগুরার ফুল’ গানের জন্য  বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

আগামী ১৬ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’। দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে এদিন সকাল ১০টা থেকে এই সম্মেলন শুরু হবে। দিনব্যাপী আয়োজনে সারা দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, সংগঠক ও স্বাধীন চলচ্চিত্রকর্মীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- পলিসি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ডা. জাহেদ উর রহমান।আয়োজনের উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ আলোচনা সভা। এদিন অস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত লিসা গাজীর ‘বাড়ির নাম শাহানা’ এবং আকরাম খানের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘নকশিকাঁথার জমিন’ প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ‘ঢাকার বাইরের চলচ্চিত্র সংসদ’ এবং ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক চলচ্চিত্র সংসদ’—এই দুই বিষয়ের ওপর পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের সংগঠকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।চলচ্চিত্র আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বিএফএফএস পদক ২০২৫ (বর্ষসেরা সংগঠন)’ এবং ‘চলচ্চিত্র সংসদ সম্মাননা ২০২৬ (বিএফএফএস আজীবন সম্মাননা)’। সম্মেলন উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মরণিকাও প্রকাশ করবে আয়োজক সংস্থাটি।উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। সুস্থ চলচ্চিত্র সংস্কৃতি গড়ে তোলা, দর্শক তৈরি ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি অস্কারের জন্য দেশীয় চলচ্চিত্র মনোনয়ন প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করে আসছে এই সংগঠনটি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সম্মেলন দেশের চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেম উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বারাকপুরের সাবেক বিধায়ক ও জনপ্রিয় নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে রাজের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে টলিউডের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে পরিচালক ও নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি নাম না করে রাজকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনা করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় এবং বিজেপির জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বারাকপুর আসন থেকে পরাজিত হওয়ার পরপরই সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ চক্রবর্তী। তার এই সিদ্ধান্তকে ইঙ্গিত করে সৌরভ পালোধি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, হেরে গেলে কি রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়? এদেরকে কি মৌলিক রাজনৈতিক শিক্ষার কোনো বই উপহার দেওয়া যায় না?সৌরভ পালোধির এই মন্তব্য রাজ চক্রবর্তীর ‘পরাজয় মেনে নিতে না পারা’র দিকেই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। টালিউড পাড়ায় বামপন্থী আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শেই অবিচল থাকবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় থাকার বিষয় নয়, বরং রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নাম।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০২৬-এর নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন রাজ। টলিউডের এই হেভিওয়েট নির্মাতার এমন হঠাৎ প্রস্থানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। তবে রাজের পক্ষ থেকে সৌরভের এই সমালোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আটকে থাকা সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ মুক্তি পেলো। ইরফানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ইরফানের বিপরীতে ছবিটিতে বিদ্যা বালান অভিনয় করেছেন। এটি ইরফান খান এবং বিদ্যা বালনের ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে রূপালি পর্দায় সম্ভবত এটিই ছিল বিদ্যার প্রথম সিনেমা। এর চেয়েও বড় বিষয়, পুরো ক্যারিয়ারে এই একটি মাত্র সিনেমাতেই একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই দুই পাওয়ার হাউস পারফর্মার।২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এটি পরিচালনা করেছিলেন। তবে প্রতিকূলতা যেন পিছু ছাড়ছিল না। মূল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় দুই দশকেরও বেশি সময় ছবিটির মুক্তি আটকে ছিল। পরিচালক সার্থক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনাক্রমে ছবিটির একটি ভিএইচএস কপি খুঁজে পাওয়া যায়, যা বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।পরিচালনার স্মৃতিচারণা করে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘তখন আমি একেবারে নতুন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই কেবল অনুভূতির ওপর ভর করে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট জীবন ছেড়ে আসা সেই তরুণের কাছে এটি ছিল বড় এক পরীক্ষা। আজ প্রিয় ইরফানের স্মরণে এটি মুক্তি দিতে পেরে আমি তৃপ্ত।’সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে নিস্তব্ধতা আর রহস্যের মাঝে ডানা মেলে স্মৃতি ও আকাঙ্ক্ষা। তবে সেই যাত্রা মোটেও প্রত্যাশামতো এগোয় না। শূন্য বাজেটের এই কাজটি বর্তমান দর্শকদের কাছে অন্যরকম এক নস্টালজিয়া তৈরি করেছে।নিজের প্রথম দিকের কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালনও। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে দেখে অবিশ্বাস্য লাগছে। তখন আমি নিজের জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ একজন সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র এই কাজটি ফিরে পাওয়া আমার কাছে দারুণ এক প্রাপ্তি।’গত ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটি ইউটিউবে প্রায় দুই লক্ষ ভিউ অর্জন করেছে। ইরফান ভক্তদের কাছে এই ছবি যেন এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’ ও ‘২০০ হাল্লা হো’-এর মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’ পরিচালনা করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। এতে অভিনয় করেছেন লামিমা লাম, সুদীপ বিশ্বাস দীপ ও সঞ্জয় রাজসহ আরও অনেকে। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব।জানা গেছে, সম্প্রতি ৩০০ ফিট ও ডাক্তার বাড়ি-২ লোকেশনে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ‘হিয়ার মাঝে’ নাটকটি আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভি-তে প্রচারিত হবে। নাটকটির মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে এসকে মিডিয়া পিআর।এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লামিমা লাম বলেন, 'হিয়ার মাঝে' নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে। প্রতিটি সিনে আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সহশিল্পী দীপের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং আমাদের কেমিস্ট্রি দারুণ হয়েছে। এছাড়াও নির্মাতা রাজীব ভাইয়ের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, তাই কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল স্বচ্ছন্দ। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ভালো একটি কাজ হবে বলে আশা করছি।'অভিনেতা সুদীপ বিশ্বাস দীপ বলেন, 'নাটকটির শুটিং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। আশা করি, দর্শকরা ঈদে টিভির পাশাপাশি ইউটিউবেও নাটকটি উপভোগ করতে পারবেন। লামিমা লামের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। আমাদের জুটিকে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস করি।'অভিনেতা সঞ্জয় রাজ বলেন, ঈদ উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব। নাটকটির গল্প অনেক সুন্দর। আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে অভিনয় করছি, এই সময়ে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করেছি। বর্তমানে নিয়মিত নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করছি। এই নাটকেও দর্শক আমাকে একেবারে নতুন একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন। আশা করি, আমার এই ভিন্নধর্মী উপস্থিতি দর্শকদের ভালো লাগবে।

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দেশের আলোচিত অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি দাবি করেন, ফারুকীর কারণে কিছু শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের কিছু শিল্পীর জীবন ফারুকী শেষ করে দিয়েছে। সে মনে করছে সে জিতে গেছে, কিন্তু সে জীবনেও জিততে পারবে না।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভেতরে কাজের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। ‘আমি আমার দেশটাকে মিস করি। কোথাও কাজ করতে পারতাম না, কোথাও ঢুকতে পারতাম না। যেখানেই গেছি, সেখানেই ফারুকী। টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে রাখতো’- বলেন এই অভিনেত্রী।একটি অনুষ্ঠানে ফারুকীর স্ত্রীর আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক শিল্পীর দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনেক অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’লাইভে তিনি আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ‘আমি হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলব না, কীভাবে আমাকে নিজের দেশ ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।তবে দেশ ছাড়ার পেছনে সরাসরি কোনো চাপ ছিল না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমাকে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু কেন জানি মনে হয়েছে, আমার চলে যাওয়া উচিত।’ এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন লোক আমাকে বারবার বিরক্ত করছিল। আমি জানতে চাই, কেন সে এমন করছিল। আশা করি, একদিন তার সঙ্গে দেখা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারব।’অরুণা বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে কানাডায় আছি। আমার পাসপোর্ট না থাকলে আমি আসতাম না। আমি পালিয়ে আসিনি’। এই বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকের পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। সেখানে ব্যাচেলর পয়েন্ট টিমের সঙ্গে যুক্ত হলেন নেপালের অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা। বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্মাতা জানান, ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভের চ্যাপটার ১২-তে সারপ্রাইজ তাঁকে দেখা যাবে।ফেসবুকে রাজেশ্রী থাপার ছবি পোস্ট করে পরিচালক ক্যাপশনে লেখেন, চরিত্রটি কে হতে পারে অনুমান করুন। এরপর তাঁর কমেন্ট বক্সে হাজার হাজার ফানি মন্তব্য পড়তে দেখা যায়।গত বছর কোরবানির ঈদের সময় থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে শুরু হয়েছে ব্যাচেলর পয়েন্ট ফাইভের প্রচার। নতুন সিজনে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে চমক। পাঁচ বছর পর এই সিজনে ফিরে এসেছেন নেহাল ও আরিফিন চরিত্রে অভিনয় করা তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্রও। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ।ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ব্যাচেলর পয়েন্টের নতুন এই সিজন প্রচার হচ্ছে চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের নৌবাহিনীর পাল্টাপাল্টি গোলার খবরে আজ শুক্রবার (৮ মে) অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। খবর রয়টার্সের।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আজ গ্রিনিচ মান সময় ০৩৯৬টায় আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ২০ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮৫ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৬৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দিনের শুরুতে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বাড়লেও পরবর্তীতে তা কিছুটা স্থিতিশীল হয়। তবে সংঘাতের আশঙ্কায় এই সপ্তাহে উভয় চুক্তির দামই সামগ্রিকভাবে প্রায় ৬ শতাংশ হ্রাসের পথে রয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের তেলবাহী ট্যাংকার ও বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের উসকানিমূলক হামলার জবাবে তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে সবকিছুর মাঝেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে।তেল বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভান্দা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি বলেন, তেল বাজার এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। যুদ্ধের গতিপথ বা হরমুজ প্রণালির বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এখন আর দাম নির্ধারিত হচ্ছে না। তার মতে, মার্কিন প্রশাসন শান্তি চুক্তির বিষয়ে অতিরিক্ত আশাবাদ দেখালেও বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন। বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা যুদ্ধের কারণে হুমকির মুখে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং স্থায়ী শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরান কী প্রতিক্রিয়া জানায়, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে বিশ্ববাজারের জ্বালানি তেলের গতিপ্রকৃতি।

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

দাম বেড়েছে ডিমের

দাম বেড়েছে ডিমের

ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। ফিরে আসা এই ১৭৪ জন নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইওএম-এর প্রতিনিধিরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানা গেছে। তাদের বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইওএমর পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে যাতায়াত ভাতা ও জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে মোট ৮৯৫ জন বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। তাদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে এই ১৭৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো।আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও দুটি ধাপে অবশিষ্টদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। ১৮ মে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও একটি বড় দল ফিরবে। ২৪ মে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে অবশিষ্টদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে চলতি মাসেই লিবিয়া থেকে মোট ৫২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের ঘরে ফেরার কথা রয়েছে। ফিরে আসা অভিবাসীদের অধিকাংশকেই দালালের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রিয়েলমি সি১০০আই নিয়ে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার ও প্রতিদিন নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসটি নিয়ে আসা হয়েছে। এতে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে একবার পূর্ণ চার্জে ডিভাইসিটি তিনদিন পর্যন্ত চলতে সক্ষম। ‘ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে রিয়েলমি সি১০০আইকে তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লের কারণে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্মুথ গেমিং করা সম্ভব। একইসাথে, এতে ৯৬.৪ ঘন্টা মিউজিক প্লেব্যাক ও ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং করা সম্ভব। ডিভাইসটিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে ১,৬০০-এরও বেশি চার্জ সাইকেলের পাশাপাশি, ৬ বছরের ব্যাটারি লাইফস্প্যান নিশ্চিত করা হয়েছে। বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে এতে রিভার্স চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি হওয়ার পরও ডিভাইসটি মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটার স্লিম যার ওজন মাত্র ২০৮ গ্রাম, যা এই সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি স্মার্টফোন। ডিভাইসটিতে ৬.৮ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট রয়েছে। একইসাথে, রিফাইন্ড লুক নিশ্চিত করতে এতে ফ্ল্যাগশিপ রাউন্ডেড কর্নার রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ডিভাইসটিতে ক্লিয়ার স্পিকারের সাথে ৩০০% পর্যন্ত আলট্রা ভলিউম ব্যবহার করা হয়েছে, যা কল, বিনোদন ও গেমিংয়ের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, সময়ের সাথে সাথে স্মুথ অপারেশন নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ১২ জিবি পর্যন্ত ডাইনামিক র‍্যাম, অ্যান্ড্রয়েড ১৬-নির্ভর রিয়েলমি ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস) ও ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এতে আর্মরশেল প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, এর নেক্সট এআই ফিচার ইন্টারেকশন আরও বেশি স্মার্ট করার পাশাপাশি, অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ করবে। শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ, স্লিম ডিজাইন, অনবদ্য বিনোদন ফিচার, আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের ডিভাইসটি ডন পার্পল ও ডাস্ক গ্রে’র মতো দুইটি প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে। রিয়েলমি সি১০০আই দুইটি ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে; এর ৪ জিবি + ৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকা ও ৪ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ১৭,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
টঙ্গীবাড়ীতে শিক্ষার গুরুত্ব ও মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভা পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি অফিস কক্ষে বসেই প্রকাশ্যে ধূমপান, সমালোচনার মুখে চাঁদপুর-২ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ওয়াহিদুজ্জামান মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে রামপালে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা টঙ্গীবাড়ীতে শিক্ষার গুরুত্ব ও মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভা পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি অফিস কক্ষে বসেই প্রকাশ্যে ধূমপান, সমালোচনার মুখে চাঁদপুর-২ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম ওয়াহিদুজ্জামান মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল শারিরীক প্রতিবন্ধি ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্টকারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলি, কলেজছাত্রসহ নিহত ২ বাংলাদেশি গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে রামপালে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা