ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হওয়ার মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।১০ মে রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।জানা যায়, এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।বিচারক মোহিতুল হক ২৮ আসামির বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর কাঠগড়ায় থাকা চার আসামিকে দোষ স্বীকার করবেন কিনা জিজ্ঞেস করা হয়। জবাবে নিজেদের নির্দোষ দাবিসহ ন্যায়বিচার চেয়েছেন তারা। পরে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশসহ সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৮ জুন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।এর আগে, সকালে এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হুদয়, মাইনুল হইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।এ সময় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, তারেক আবদুল্লাহ, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার যেন পুলিশ সদস্যদের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে সক্ষম না হয়। স্বাধীনতার প্রথম প্রহরেই পুলিশের রক্তে রঞ্জিত এই মাটিতে দাঁড়িয়ে আসুন আজ আমরা আবারও নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হই। রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’, অপরদিকে ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশের মরণপণ প্রতিরোধ। এরপর স্বাধীনতার লড়াই থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের পিছিয়ে থাকার আর কোনো সুযোগ ছিল না।তবে মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রজন্ম থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম, আমরা যারা ইতিহাস পড়ে কিংবা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা শুনে, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি, তাদের মনে মুক্তিযুদ্ধকালীন ইতিহাস নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন হয়তো রয়েছে।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে যখন স্বাধীনতাকামি মানুষের মনে টান টান উত্তেজনা, তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে যখন ঢাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার সৈন্য জড়ো করা হচ্ছিল, এমন পরিস্থিতিতে সব পুলিশ সদস্যকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে একসঙ্গে জড়ো করে রাখার পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কী যুক্তি বা কৌশল কাজ করেছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে যারা এখনো গবেষণা করে চলছেন, এটি এখনো তাদের জন্য একটি গবেষণার বিষয় হতে পারে বলে আমি মনে করি।তারেক রহমান বলেন, আনন্দঘন আয়োজনে এতক্ষণ আপনাদের বর্ণিল প্যারেড সবাই উপভোগ করেছি। আমার কাছে এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা মনে হয়নি বরং এটি ছিল পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলা, আত্মমর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে চলার অবিচল অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার এক রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানের পর দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হচ্ছে জনগণের রায়ে গঠিত বর্তমান সরকার। বছরের পর পর ধরে অসংখ্য হামলা মামলার শিকার, নির্যাতিত নিপীড়িত অধিকারহারা মানুষ বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে শান্তি এবং নিরাপত্তা চায়। দেশের জনগণের শান্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আপনাদের কার্যক্রম অর্থাৎ পুলিশের ভূমিকার ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল।পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা জনগণের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধ্য এবং সামর্থের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবেন। এটিই আপনাদের কাছে সরকারের প্রত্যাশা।তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে দক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন সম্ভব। শুধু দেশেই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমেও বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা এবং সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় আমাদের পুলিশ সদস্যরা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে নারী পুলিশ সদস্যদের ভূমিকাও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।শুধু বিদেশেই নয়, দেশের জনগণের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক, নৌ ও রেলপথে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।একই সঙ্গে ঈদের আগে অনুমোদন ও ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ করতে নৌপুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, নৌ সেক্টরকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগকে কাজে লাগানোর বিকল্প নেই।প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নৌপথের দুর্ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

  • হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল

    হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল

  • বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

  • ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ

    ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ

  • দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের  জামিন

    দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন

  • ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন

    ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন

  • মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

    মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

সব খবর

গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১

গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১

দুদকের শুনানীকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। দুদকের শুনানীর আগের দিন রবিবার সকালে দুদকের সোর্স পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগে গাইবান্ধা জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যন্ড ফিন্যান্স অফিস থেকে এক প্রতারককে আটক করা হয়েছে।জেলা অ্যকাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার খন্দকার মাহাতাব আলী জানান, রবিবার সকালে আটককৃত জাফরুল্লাহ অ্যকাউন্টস অফিসের অফিসে এসে অডিটর কৌশিককে খোজাখুজি করেন এবং অফিস সহায়ক লিমার কাছে অডিটর কৌশিকের মোবাইল নম্বর চেয়ে নেন। তিনি নিজেকে দুদকের সোর্স পরিচয়ে অ্যাকাউন্টস অফিসের অডিটর কৌশিককে অফিসের বাইরে ডেকে নেয়। পরে দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সাথে মোবাইলে কৌশিকের সঙ্গে কথা বলে দেন। এ সময় মোবাইলে থাকা দুদকের অজ্ঞাত কর্মকর্তা পরিচয় দেয়া ব্যক্তি কৌশিককে বলেন, তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য জাফরুল্লাহর সাথে কথা বলতে বলেন- তিনি। পরে সন্দেহ হলে দুদকের সোর্স পরিচয় দেয়া জাফরুল্লাহকে অ্যাকাউন্টস অফিসে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নিজেকে কখনো রংপুর, কখনো দিনাজপুরের বাসিন্দা দাবী করে একেকবার একেক রকম পরিচয় দেন। পরে ভোটার আইডি কার্ডে দেখা যায় জাফরুল্লাহ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড় গাঁ গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি তাৎক্ষনিক জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা, পুলিশ প্রশাসন ও দুদকের কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়।খবর পেয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুরের সহকারী পরিচালক একেএম নুর আলম সিদ্দিক জেলা অ্যাকাউন্টস অফিসে আসেন এবং সোর্স পরিচয় দেয়া জাফরুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামীকাল সোমবার (১১ মে) গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানী অনুষ্ঠিত হবে। এই গণ শুনানীকে টার্গেট করে একটি চক্র প্রতারনা কৌশলে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছে বলে ধারনা করেন তিনি। বিষয়টি দুদকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি

সীমান্ত সুরক্ষা, অপরাধ দমন, চোরাচালান, সন্ত্রাস, মাদক ও নারী-শিশু পাচার রোধ এবং অনুপ্রবেশ বন্ধে কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ড্রোন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে কাজ করছে বিজিবি। এছাড়া সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে বিজিবি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে।এ বিষয়ে বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বাসসকে বলেন, অপরাধ দমনে অপরাধীদের আটক করে আইনের আওতায় আনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত পতাকা বৈঠক ও যৌথ টহলের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিজিবি কাজ করছে। এছাড়া বিশেষ পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজেও অংশ নিচ্ছে বিজিবি সদস্যরা।মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, বিজিবি সীমান্তে রাডার, থার্মাল ক্যামেরা এবং হাই-স্পিড বোট ব্যবহার করে নজরদারি জোরদার করছে। বিজিবি জোয়ানরা প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, নদীমাতৃক জনপদ এবং সুন্দরবনের মতো গহীন বনাঞ্চলেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে দায়িত্ব পালন করছেন। সীমান্তের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে পর্যবেক্ষণ চৌকি স্থাপন এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বাসসকে বলেন, দেশের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা আরও জোরদার করতে হবে। ড. তৌহিদুল হক আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। সীমান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যেসব সীমান্ত দিয়ে অপরাধ হয় তা চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধিদের গ্রেপ্তার করে ব্যবস্থা নিতে হবে। মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, বিজিবি অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) পরিচালনা এবং স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভিলেন্স সিস্টেম ব্যবহার করার মাধ্যমে সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। মাহবুব মুর্শেদ আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি জমিকে নিজেদের সন্তানের মতো রক্ষা করি। সীমান্ত পিলার সংরক্ষণ, অবৈধ স্থাপনা প্রতিরোধ এবং ভূমি দখলের যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা বিজিবির পবিত্র দায়িত্ব।এদিকে বিজিবি থেকে বলা হয়েছে, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজিবিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। জনবল বৃদ্ধি, নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন, বিওপি সম্প্রসারণ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।এছাড়া বিজিবিকে আরও উন্নত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এর সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জোয়ানদের অস্ত্র চালনা, শারীরিক যোগ্যতা, বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন, স্থানীয় নির্বাচন, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, দুর্গাপূজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং অন্যান্য জাতীয় কর্মসূচিতে বিজিবি জোয়ানরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিযুক্ত রয়েছে। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা ভূমিধসের সময় বিজিবি সদস্যরা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার তৎপরতা ও পুনর্বাসন কাজে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। সীমান্তবর্তী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন, শিক্ষা সহায়তা এবং অসচ্ছল পরিবারের কন্যাদের বিবাহে সহযোগিতার মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাসসকে বলেন, দেশের সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকা জরুরি। এ ব্যাপারে কোনো সংকট থাকলে তা সমাধান করতে হবে। সীমান্তে বিজিবির টহল ও অভিযান জোরদার এবং সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বিজিবি সদস্যদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।বিজিবি সূত্র জানায়, বিগত ৬ মাসে দেশব্যাপী চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে বিজিবি ১ হাজার ৫৩৪ কোটি ৮৬ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯ টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্যবান ধাতু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও গত ৬ মাসে বিজিবি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম। পোশাক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি বেশ আলোচিত থাকেন সবসময়। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের ফ্যাশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন গণমাধ্যমে।মারিয়া মিম বলেন, তার পরনের লাল রঙের ওয়েস্টার্ন পোশাকটি ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে কেনা। ভবিষ্যতে সেখানে গেলে আরও এমন পোশাক কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তার। অনুষ্ঠানে নিজের সাজপোশাক প্রসঙ্গে মিম জানান, কোন ড্রেস পরবেন বা কোন লুকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তার আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকে।সৌদি আরবে অত্যন্ত চমৎকার সব ওয়েস্টার্ন পোশাক পাওয়া যায় উল্লেখ করে মিম বলেন, আমার রেড অনেক পছন্দ, আর রেড পরলে আমাকে অনেক সুন্দর লাগে। আমার এই ড্রেসটা আমি যখন ওমরাহ করতে গিয়েছিলাম, তখন জেদ্দা থেকে কিনেছিলাম। ওখানে ওয়েস্টার্ন ড্রেস অনেক সুন্দর সুন্দর পাওয়া যায়। সো এটা আমার জানা ছিল না। আর নেক্সট টাইম আমি সৌদি আরব গেলে অবশ্যই আরও আরও অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব। সো আমি ওখান থেকেই নিয়েছিলাম এই ড্রেসটা।তবে পোশাকের দাম কত, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিনেমার প্রস্তাব পেলেও চিত্রনাট্য ও সহ-শিল্পী মনের মতো না হওয়ায় কাজে নামা হয়নি। তিনি বলেন, আমি তো সিনেমার অফার অনেক আগে থেকেই পাচ্ছি। বাট ব্যাটে-বলে মিলে না। আরেকটা করছি আমি, ওটার তো শুটিং আরও বাকি আছে। সো হ্যাঁ, যখন আসবে তখন তো অবশ্যই তোমরা দেখতে পারবে।অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। শোবিজ অঙ্গনে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকলেও ব্যক্তিগত নানা জটিলতায় মাঝপথে তাকে থেমে যেতে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে সেই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানেই ব্যক্তিগত জীবন ও প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নে মেজাজ হারান মিম। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের বুম মাইক্রোফোন ছুঁড়ে ফেলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি, যা নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সারাদেশে হামের টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ শিশু

সারাদেশে হামের টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ শিশু

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বর্তমান সরকার জরুরি টিকাদান কর্মসূচিসহ বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারাদেশে ১ কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।সারাদেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে হাম-রুবেলার টিকার সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ১০ লাখ ৮ হাজার ৩০১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৭২ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৭০ জন, খুলনা বিভাগে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ১৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২০ লাখ ২০ হাজার ৩৭৩ জন, রংপুর বিভাগে ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১৯৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৩৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে।এর মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় বরিশাল সিটি করপোরেশনে ৩৯ হাজার ৫৩ জন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ জন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৪৭ হাজার ৬১২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪ লাখ ৯০ হাজার ৫৪৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৯ জন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬১ জন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কেরপোরেশনে ৭৭ হাজার ৮৮ জন, খুলনা সিটি করপোরেশনে ৮২ হাজার ৮৯৭ জন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ৫৩ হাজার ৮১ জন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ৫৩ হাজার ৬৮৭ জন, রংপুর সিটি করপোরেশনে ৭৫ হাজার ৫৯৮ জন এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫৮ হাজার ২৯ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা নিয়েছে।গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার। ইতোমধ্যেই এই ৩০ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শেষ হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি শেষ হওয়া উপজেলাগুলোতে হামের রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যেই কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বাসসকে বলেন, ‘যে সকল জায়গায় শতভাগ টিকা দেয়া হয়েছে, সে সকল এলাকায় এরইমধ্যেই হামে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।’দ্বিতীয় দফায় ১২ এপ্রিল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সিটি করপোরেশনে (ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ) একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়, যা এখনও চলমান রয়েছে। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটিছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলছে এই কার্যক্রম। দেশব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পেইন সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এবং দেশের অন্যান্য স্থানে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় চলে আসবে। এরইমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ টিকা দেয়া হয়ে গেছে। যে সব জায়গায় শতভাগ টিকা দেয়া হয়েছে সেই সকল এলাকায় হাম নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। সরকার সঠিক সময়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশে হামের প্রকোপ কমতে শুরু করেছে। আশা করি দ্রুত হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি, টিকা দেয়া শুরু করেছি।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাম প্রতিরোধে টিকার কার্যকারিতা অনেক বেশি। সাধারণত ক্যাম্পেইন শুরুর দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রাদুর্ভাব কমতে দেখা যায়। ঠিক মতো টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হলে প্রাদুর্ভাব থাকবে না, আশা করা যায়। মহামারি মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় সব কাজ করছে বলেও জানান তারা। সূত্র: বাসস

পুলিশ সপ্তাহ শুরু রোববার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সপ্তাহ শুরু রোববার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আগামীকাল রোববার (১০ মে) শুরু হচ্ছে চার দিনের পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে এ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণের পাশাপাশি পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পদক বিতরণ করবেন। আগামী ১৩ মে পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের পদক পরিয়ে দেবেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন।পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির পৃথক বাণী দিয়েছেন।রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও উন্নয়নে পুলিশের সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময় ও সংকটকালেও পুলিশের নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা প্রশংসনীয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরন জটিল ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেকসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যাচার, প্রতারণা, জঙ্গিবাদ, মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধ বাড়ছে। এসব মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, ডেটা অ্যানালিটিকস ও ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জননিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জাতীয় উন্নয়নে পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদক বিস্তার রোধে বাহিনীকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। ভুক্তভোগীদের যথাযথ আইনি সেবা নিশ্চিত করা এবং নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব প্রশংসনীয়। আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।আইজিপি তাঁর বাণীতে বলেন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই লক্ষ্য সামনে রেখে পুলিশ জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট অংশ নেবে।অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) ও সেবা পদকসহ বিভিন্ন সম্মাননা প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের পদক পরিয়ে দেবেন।এতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপও সাজানো হবে।চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। আগামী ১৩ মে পুলিশ সপ্তাহের সমাপ্তি ঘটবে।

পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই বাহিনীকে আরও মানবিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তি নির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।শনিবার এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনকালে আত্মোৎসর্গকারী বীর পুলিশ সদস্যদের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মানুষের জানমালের সুরক্ষা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অনেকাংশে পুলিশ বাহিনীর সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অপরাধের ধরন ক্রমেই জটিল ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। সাইবার স্পেস, এআই ও ‘ডিপফেক প্রযুক্তি’ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাহিনীর ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং সেবামুখী মনোভাব গড়ে তোলার মাধ্যমে পুলিশ-জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে হবে।তিনি বলেন, সরকার পুলিশ বাহিনীর যথাযথ মানোন্নয়ন ও সংস্কারের মাধ্যমে একে আরও সেবামূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ পুলিশ মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এবং আইনের শাসন সুসংহত করতে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।তিনি ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা ও বাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

আসামের ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

আসামের ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

ভারতের আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচর এলাকায় ৪.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা কেঁপে ওঠে।অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২:১০ মিনিটে রাজ্যের ধুবড়ি জেলার বিলাসিপাড়ার কাছে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। যদিও আগের প্রতিবেদনে কম্পনের মাত্রা ৪.৪ বলা হয়েছিল।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি হওয়ায় অগভীর ভূমিকম্পটি গভীর ভূমিকম্পের চেয়ে বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় চলে আসেন। সেখানে বাড়িঘরের তাক থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, জানালা ভাঙা ইত্যাদি ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে আসামের ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তঘেঁষা জেলাগুলোর মানুষও মৃদু কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে।এরআগে গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে আসামে শিলচরে ৪.৯ মাত্রার ভমিকম্প আঘাত হানলে সিলেট, মৌলভীবাজার এবং এর আশপাশের সীমান্ত এলাকা কেঁপে উঠেছিল। সূত্র: ভলকানো ডিসকভারি

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক, নৌ ও রেলপথে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।একই সঙ্গে ঈদের আগে অনুমোদন ও ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ করতে নৌপুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, নৌ সেক্টরকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগকে কাজে লাগানোর বিকল্প নেই।প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নৌপথের দুর্ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ

ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি

হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল

হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল

পুলিশ সপ্তাহ শুরু রোববার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সপ্তাহ শুরু রোববার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

লজ্জা ঢাকতে নবজাতকের গলা কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মা-বাবা আটক

লজ্জা ঢাকতে নবজাতকের গলা কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মা-বাবা আটক

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন

নাটকীয়তার অবসান, অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

নাটকীয়তার অবসান, অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

আসামের ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

আসামের ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে  শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হওয়ার মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।১০ মে রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।জানা যায়, এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।বিচারক মোহিতুল হক ২৮ আসামির বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর কাঠগড়ায় থাকা চার আসামিকে দোষ স্বীকার করবেন কিনা জিজ্ঞেস করা হয়। জবাবে নিজেদের নির্দোষ দাবিসহ ন্যায়বিচার চেয়েছেন তারা। পরে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশসহ সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৮ জুন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।এর আগে, সকালে এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হুদয়, মাইনুল হইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।এ সময় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, তারেক আবদুল্লাহ, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের  জামিন

দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

পুশইন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত: শফিকুর রহমান

গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার

আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংকক গেলেন জামায়াত আমির

জনগণ নির্ণয় করবে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পার্থক‍্য: মঞ্জু

ফেনীতে এবি পার্টির কর্মশালা জনগণ নির্ণয় করবে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পার্থক‍্য: মঞ্জু

বিএনপির রাজনীতি ভীতু রাজনীতি : খেলাফত মজলিসের মহাসচিব

বিএনপির রাজনীতি ভীতু রাজনীতি : খেলাফত মজলিসের মহাসচিব

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১

গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১

রোববার টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

রোববার টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আড়াইহাজারে পৌরসভার নির্দেশ উপেক্ষা, নোটিশ অমান্য করেই চলছে ভবন নির্মাণ

আড়াইহাজারে পৌরসভার নির্দেশ উপেক্ষা, নোটিশ অমান্য করেই চলছে ভবন নির্মাণ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী পৌরসভা এলাকার কড়ইতলা পৌরসভা ভূমি অফিসের পিছনে। পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের একাধিক নোটিশ উপেক্ষা করে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ভবন নির্মাণে অনিয়ম, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ ও ভবন বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহে গেলে, সাংবাদিকদের সঙ্গেও অসদাচরণ করেন মালিকপক্ষের লোকজন।স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগপত্রে জানা যায়, গোপালদী বাজার সংলগ্ন এলাকায় শাহাজালাল নামে এক ব্যক্তি অনুমোদনের বাইরে গিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। অভিযোগ ওঠে, ভবন নির্মাণে জাতীয় ভবন নির্মাণ বিধিমালা (BNBC 2020) অনুসরণ করা হয়নি এবং যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ পরিচালিত হচ্ছে।এ ঘটনায় এলাকাবাসীর অভিযোগের পর গোপালদী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে লিখিত নোটিশ প্রদান করে। নোটিশে অতিরিক্ত নির্মিত অংশ নিজ খরচে অপসারণেরও নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ভবনটির নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রথম অভিযোগের সময় ভবনটি একতলা পর্যায়ে থাকলেও বর্তমানে সেটি সাততলা পর্যন্ত উঠে গেছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনে শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা গেছে। এ সময় তথ্য সংগ্রহে গেলে মালিকপক্ষের কয়েকজন লোক উত্তেজিত আচরণ করেন এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উল্টো চাঁদাদাবির অভিযোগ তোলেন। এতে ঘটনাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে গোপালদী পৌরসভা প্রকৌশলী অরুন মোল্লা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পৌরসভার পক্ষ থেকে কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত নির্মাণ অংশ ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে অবগত করা হয়েছে।এদিকে আড়াইহাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, মোস্তাফিজুর রহমান ইমন বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে মালিকপক্ষকে অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দের জন্যও পৌরসভাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা ও নোটিশের পরও কীভাবে প্রকাশ্যে নির্মাণকাজ চলতে থাকে। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি

আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সরকারের অগ্রাধিকার

গোপালগঞ্জে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

গোপালগঞ্জে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সোলার পাওয়ারড সেফ ওয়াটার প্রজেক্টের উদ্বোধন

উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সোলার পাওয়ারড সেফ ওয়াটার প্রজেক্টের উদ্বোধন

রাশিয়ায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত কিশোরগঞ্জের যুবক

রাশিয়ায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত কিশোরগঞ্জের যুবক

ভৈরবে রেলওয়ে স্টেশনের দুই চিহ্নিত ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

ভৈরবে রেলওয়ে স্টেশনের দুই চিহ্নিত ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

আগামী ১২ মে থেকে শুরু হবে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেদিকেই এখন দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১০ মে রোববার বৈশ্বিক এই আসরের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত দলে সবশেষ শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন শারমিন সুলতানা। নতুন করে জায়গা পেয়েছেন তাজ নেহার। আগামী ১২ জুন থেকে ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বৈশ্বিক এই আসরে অংশ নেবে ১২ দল। যেখানে বাংলাদেশ পড়েছে কঠিন গ্রুপ ‘এ’-তে। গ্রুপপর্বে টাইগ্রেসদের প্রতিপক্ষ দলগুলো হচ্ছে– সর্বোচ্চ ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে খেলবে– ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।১২ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এজবাস্টনে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। একই ভেন্যুতে ১৪ জুন নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এরপর ১৭, ২০, ২৫ ও ২৮ জুন গ্রুপপর্বের পরবর্তী ম্যাচে লড়বে টাইগ্রেসরা।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), দিলারা আক্তার (উইকেটরক্ষক), সোবহানা মোস্তারি, ফাহিমা খাতুন, শারমিন আক্তার সুপ্তা, রিতু মনি, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, সুলতানা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস এবং তাজ নেহার।

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

ফিক্সিংয়ের দায়ে ৪ কর্মকর্তা ও ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা বিসিবির

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য  বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড আর্টস (বাইফা) অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকবি মাহবুবুল খালিদ। ‘মাগুরার ফুল’ শিরোনামের আলোচিত গান রচনার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।শুক্রবার (৮ মে), বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাইফা পুরস্কারের পঞ্চম আসরের সূচনা হয়। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে মাহবুবুল খালিদ ছাড়াও এবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন- ‘তুমি’ গানের জন্য আইদিদ রশিদ, ‘বাজি’ গানের জন্য ইমন চৌধুরী ও হাশিম মাহমুদ, ‘গুলবাহার’ গানের জন্য ঈশান মজুমদার, ‘লং ডিসটেন্স লাভ’ গানের জন্য শুভেন্দু দাস শুভ।সমসাময়িক সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক সংকট ও সচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গান লিখে আসছেন গীতিকার, সুরকার মাহবুবুল খালিদ। তার লেখা পাঁচ শতাধিক গান ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘খালিদ সংগীত’ প্ল্যাটফর্মে। নিজের অধিকাংশ গানের সুরকারও তিনি। মাগুরায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত ৮ বছর বয়সি শিশু আছিয়াকে নিয়ে লেখা হৃদয়স্পর্শী গান ‘মাগুরার ফুল’-এর জন্য ‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে বাইফা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন মাহবুবুল খালিদ।বাইফার জমকালো এ আয়োজনে দর্শক ভোট ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে গান, নাটক, চলচ্চিত্র, ওটিটি, নৃত্য ও ফ্যাশনসহ মোট ২৯টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবারের আসরে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা গানের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন এবং ঢালিউডের বরেণ্য অভিনেত্রী কোহিনূর আখতার সুচন্দা। তারকাদের পরিবেশনা, ফ্যাশন শো, রেড কার্পেট ও বিশেষ গ্ল্যামার সেগমেন্ট দিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়।বলে রাখা ভালো, বাইফা অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসর থেকে আজীবন সম্মাননা প্রদান শুরু হয়। এর আগে এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা, নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার শামীম আরা নীপা এবং শিবলী মহম্মদ।‘মাগুরার ফুল’ গানটি লেখা হয়েছে মাগুরার সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গত বছরের ৫ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী মাঠপাড়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে।এই নির্মম ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দেয় মাহবুবুল খালিদকে। সেই বেদনা থেকেই তিনি রচনা ও সুর করেন ‘মাগুরার ফুল’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মৌটুসী খান, মৌলি মজুমদার ও মৌমিতা বড়ুয়া। সংগীতায়োজন করেছেন শেখ পুলক ও রোমান রহমান।গানটির শুরুতেই উঠে এসেছে এক শিশুর অপূর্ণ স্বপ্ন আর সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা- “মাগুরার ফুল ছোট্ট মুকুল, ঝরে গেলো ফুটে ওঠার আগেই/ ডাক্তার হবার স্বপ্নটা তার, নিভে গেলো পিশাচের এক ছোবলেই...।” আবেগঘন এই গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে।গানটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যা পরিচালনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। ‘খালিদ সংগীত’ শিরোনামের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

আগামী ১৬ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’। দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে এদিন সকাল ১০টা থেকে এই সম্মেলন শুরু হবে। দিনব্যাপী আয়োজনে সারা দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, সংগঠক ও স্বাধীন চলচ্চিত্রকর্মীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- পলিসি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ডা. জাহেদ উর রহমান।আয়োজনের উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ আলোচনা সভা। এদিন অস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত লিসা গাজীর ‘বাড়ির নাম শাহানা’ এবং আকরাম খানের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘নকশিকাঁথার জমিন’ প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ‘ঢাকার বাইরের চলচ্চিত্র সংসদ’ এবং ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক চলচ্চিত্র সংসদ’—এই দুই বিষয়ের ওপর পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের সংগঠকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।চলচ্চিত্র আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বিএফএফএস পদক ২০২৫ (বর্ষসেরা সংগঠন)’ এবং ‘চলচ্চিত্র সংসদ সম্মাননা ২০২৬ (বিএফএফএস আজীবন সম্মাননা)’। সম্মেলন উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মরণিকাও প্রকাশ করবে আয়োজক সংস্থাটি।উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। সুস্থ চলচ্চিত্র সংস্কৃতি গড়ে তোলা, দর্শক তৈরি ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি অস্কারের জন্য দেশীয় চলচ্চিত্র মনোনয়ন প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করে আসছে এই সংগঠনটি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সম্মেলন দেশের চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেম উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বারাকপুরের সাবেক বিধায়ক ও জনপ্রিয় নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে রাজের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে টলিউডের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে পরিচালক ও নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি নাম না করে রাজকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনা করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় এবং বিজেপির জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বারাকপুর আসন থেকে পরাজিত হওয়ার পরপরই সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ চক্রবর্তী। তার এই সিদ্ধান্তকে ইঙ্গিত করে সৌরভ পালোধি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, হেরে গেলে কি রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়? এদেরকে কি মৌলিক রাজনৈতিক শিক্ষার কোনো বই উপহার দেওয়া যায় না?সৌরভ পালোধির এই মন্তব্য রাজ চক্রবর্তীর ‘পরাজয় মেনে নিতে না পারা’র দিকেই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। টালিউড পাড়ায় বামপন্থী আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শেই অবিচল থাকবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় থাকার বিষয় নয়, বরং রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নাম।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০২৬-এর নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন রাজ। টলিউডের এই হেভিওয়েট নির্মাতার এমন হঠাৎ প্রস্থানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। তবে রাজের পক্ষ থেকে সৌরভের এই সমালোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আটকে থাকা সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ মুক্তি পেলো। ইরফানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ইরফানের বিপরীতে ছবিটিতে বিদ্যা বালান অভিনয় করেছেন। এটি ইরফান খান এবং বিদ্যা বালনের ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে রূপালি পর্দায় সম্ভবত এটিই ছিল বিদ্যার প্রথম সিনেমা। এর চেয়েও বড় বিষয়, পুরো ক্যারিয়ারে এই একটি মাত্র সিনেমাতেই একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই দুই পাওয়ার হাউস পারফর্মার।২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এটি পরিচালনা করেছিলেন। তবে প্রতিকূলতা যেন পিছু ছাড়ছিল না। মূল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় দুই দশকেরও বেশি সময় ছবিটির মুক্তি আটকে ছিল। পরিচালক সার্থক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনাক্রমে ছবিটির একটি ভিএইচএস কপি খুঁজে পাওয়া যায়, যা বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।পরিচালনার স্মৃতিচারণা করে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘তখন আমি একেবারে নতুন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই কেবল অনুভূতির ওপর ভর করে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট জীবন ছেড়ে আসা সেই তরুণের কাছে এটি ছিল বড় এক পরীক্ষা। আজ প্রিয় ইরফানের স্মরণে এটি মুক্তি দিতে পেরে আমি তৃপ্ত।’সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে নিস্তব্ধতা আর রহস্যের মাঝে ডানা মেলে স্মৃতি ও আকাঙ্ক্ষা। তবে সেই যাত্রা মোটেও প্রত্যাশামতো এগোয় না। শূন্য বাজেটের এই কাজটি বর্তমান দর্শকদের কাছে অন্যরকম এক নস্টালজিয়া তৈরি করেছে।নিজের প্রথম দিকের কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালনও। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে দেখে অবিশ্বাস্য লাগছে। তখন আমি নিজের জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ একজন সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র এই কাজটি ফিরে পাওয়া আমার কাছে দারুণ এক প্রাপ্তি।’গত ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটি ইউটিউবে প্রায় দুই লক্ষ ভিউ অর্জন করেছে। ইরফান ভক্তদের কাছে এই ছবি যেন এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’ ও ‘২০০ হাল্লা হো’-এর মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’ পরিচালনা করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। এতে অভিনয় করেছেন লামিমা লাম, সুদীপ বিশ্বাস দীপ ও সঞ্জয় রাজসহ আরও অনেকে। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব।জানা গেছে, সম্প্রতি ৩০০ ফিট ও ডাক্তার বাড়ি-২ লোকেশনে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ‘হিয়ার মাঝে’ নাটকটি আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভি-তে প্রচারিত হবে। নাটকটির মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে এসকে মিডিয়া পিআর।এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লামিমা লাম বলেন, 'হিয়ার মাঝে' নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে। প্রতিটি সিনে আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সহশিল্পী দীপের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং আমাদের কেমিস্ট্রি দারুণ হয়েছে। এছাড়াও নির্মাতা রাজীব ভাইয়ের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, তাই কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল স্বচ্ছন্দ। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ভালো একটি কাজ হবে বলে আশা করছি।'অভিনেতা সুদীপ বিশ্বাস দীপ বলেন, 'নাটকটির শুটিং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। আশা করি, দর্শকরা ঈদে টিভির পাশাপাশি ইউটিউবেও নাটকটি উপভোগ করতে পারবেন। লামিমা লামের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। আমাদের জুটিকে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস করি।'অভিনেতা সঞ্জয় রাজ বলেন, ঈদ উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব। নাটকটির গল্প অনেক সুন্দর। আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে অভিনয় করছি, এই সময়ে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করেছি। বর্তমানে নিয়মিত নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করছি। এই নাটকেও দর্শক আমাকে একেবারে নতুন একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন। আশা করি, আমার এই ভিন্নধর্মী উপস্থিতি দর্শকদের ভালো লাগবে।

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দেশের আলোচিত অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি দাবি করেন, ফারুকীর কারণে কিছু শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের কিছু শিল্পীর জীবন ফারুকী শেষ করে দিয়েছে। সে মনে করছে সে জিতে গেছে, কিন্তু সে জীবনেও জিততে পারবে না।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভেতরে কাজের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। ‘আমি আমার দেশটাকে মিস করি। কোথাও কাজ করতে পারতাম না, কোথাও ঢুকতে পারতাম না। যেখানেই গেছি, সেখানেই ফারুকী। টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে রাখতো’- বলেন এই অভিনেত্রী।একটি অনুষ্ঠানে ফারুকীর স্ত্রীর আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক শিল্পীর দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনেক অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’লাইভে তিনি আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ‘আমি হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলব না, কীভাবে আমাকে নিজের দেশ ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।তবে দেশ ছাড়ার পেছনে সরাসরি কোনো চাপ ছিল না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমাকে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু কেন জানি মনে হয়েছে, আমার চলে যাওয়া উচিত।’ এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন লোক আমাকে বারবার বিরক্ত করছিল। আমি জানতে চাই, কেন সে এমন করছিল। আশা করি, একদিন তার সঙ্গে দেখা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারব।’অরুণা বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে কানাডায় আছি। আমার পাসপোর্ট না থাকলে আমি আসতাম না। আমি পালিয়ে আসিনি’। এই বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার আবারও দখলে নিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) চট্টগ্রামের চারটি এলাকায় বহুতল ভবনভিত্তিক গার্মেন্টস জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় অন্তত ২৫টি কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জানা যায়, কমপ্লায়েন্স জটিলতা এড়াতে এসব ভবনে ফ্লোর স্পেসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জেনারেটর, গ্যাস ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সুবিধা থাকবে। এরই মধ্যে জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।নানা সংকটে হারিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অর্ডার ফেরাতে চট্টগ্রামের পোশাক খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নগরীর মুরাদপুর, বায়েজিদ, বহদ্দারহাট ও আগ্রাবাদ এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে একটি করে কারখানা।বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, বিএনবিসি কোড মেনে কমপ্লায়েন্ট বিল্ডিং নির্মাণ করা হবে। জেনারেটরসহ অন্যান্য কমন সুবিধার খরচ ভাগাভাগি করা হবে। এখনো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। সম্ভব হলে ১০ বছরের সফট লোন দেয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্ত হলে তা ১৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। এতে উদ্যোক্তাদের জন্য প্রকল্পটি আরও সহজ হবে। কারখানা পরিচালনার পাশাপাশি ভাড়ার অর্থ ডাউন পেমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় হবে এবং ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে জায়গাটি উদ্যোক্তার মালিকানায় চলে আসবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ৬ তলা ভবনের ওয়ার্কিং স্পেস হবে অন্তত ৩০ হাজার বর্গফুট। প্রতিটি কারখানায় সর্বনিম্ন ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। এ জন্য নগরীর প্রতিটি জোনে ৩ থেকে ৫ একর জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিজিএমইএ।এ বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. রফিক চৌধুরী বলেন, পাঁচ থেকে সাতটি কারখানা একসঙ্গে স্থানান্তর করা গেলে সেখানে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিকের জায়গায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। একইসঙ্গে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে, যা এখন অনেক কারখানা করতে পারছে না। ভালো ব্র্যান্ডের কাজ পেলে ভালো দামও পাওয়া যাবে। এতে নতুন উদ্যোক্তাও তৈরি হবে। বর্তমানে যেখানে প্রায় ৩০০ কারখানা রয়েছে, তা ভবিষ্যতে ৫০০ থেকে ৭০০ কারখানায় উন্নীত হতে পারে।স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম থেকেই তৈরি পোশাক রপ্তানি শুরু হয়েছিল দেশে। তবে বিভিন্ন সংকটে গত চার দশকে এ খাতের রপ্তানি অংশীদারিত্ব ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে অন্তত ২০০ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।বিজিএমইএর পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানির মধ্যে চট্টগ্রামের অংশ ১০ থেকে ১২ শতাংশ। বন্দরকেন্দ্রিক অবস্থানের কারণে রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য চট্টগ্রাম সবচেয়ে সম্ভাবনাময় কেন্দ্র।উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে বর্তমানে দুটি ইপিজেডসহ বিভিন্ন এলাকায় চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় সরাসরি প্রায় আট লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। চট্টগ্রাম থেকে বছরে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

দাম বেড়েছে ডিমের

দাম বেড়েছে ডিমের

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। ফিরে আসা এই ১৭৪ জন নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইওএম-এর প্রতিনিধিরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানা গেছে। তাদের বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইওএমর পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে যাতায়াত ভাতা ও জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে মোট ৮৯৫ জন বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। তাদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে এই ১৭৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো।আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও দুটি ধাপে অবশিষ্টদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। ১৮ মে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও একটি বড় দল ফিরবে। ২৪ মে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে অবশিষ্টদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে চলতি মাসেই লিবিয়া থেকে মোট ৫২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের ঘরে ফেরার কথা রয়েছে। ফিরে আসা অভিবাসীদের অধিকাংশকেই দালালের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রিয়েলমি সি১০০আই নিয়ে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার ও প্রতিদিন নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসটি নিয়ে আসা হয়েছে। এতে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে একবার পূর্ণ চার্জে ডিভাইসিটি তিনদিন পর্যন্ত চলতে সক্ষম। ‘ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে রিয়েলমি সি১০০আইকে তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লের কারণে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্মুথ গেমিং করা সম্ভব। একইসাথে, এতে ৯৬.৪ ঘন্টা মিউজিক প্লেব্যাক ও ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং করা সম্ভব। ডিভাইসটিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে ১,৬০০-এরও বেশি চার্জ সাইকেলের পাশাপাশি, ৬ বছরের ব্যাটারি লাইফস্প্যান নিশ্চিত করা হয়েছে। বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে এতে রিভার্স চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি হওয়ার পরও ডিভাইসটি মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটার স্লিম যার ওজন মাত্র ২০৮ গ্রাম, যা এই সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি স্মার্টফোন। ডিভাইসটিতে ৬.৮ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট রয়েছে। একইসাথে, রিফাইন্ড লুক নিশ্চিত করতে এতে ফ্ল্যাগশিপ রাউন্ডেড কর্নার রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ডিভাইসটিতে ক্লিয়ার স্পিকারের সাথে ৩০০% পর্যন্ত আলট্রা ভলিউম ব্যবহার করা হয়েছে, যা কল, বিনোদন ও গেমিংয়ের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, সময়ের সাথে সাথে স্মুথ অপারেশন নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ১২ জিবি পর্যন্ত ডাইনামিক র‍্যাম, অ্যান্ড্রয়েড ১৬-নির্ভর রিয়েলমি ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস) ও ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এতে আর্মরশেল প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, এর নেক্সট এআই ফিচার ইন্টারেকশন আরও বেশি স্মার্ট করার পাশাপাশি, অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ করবে। শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ, স্লিম ডিজাইন, অনবদ্য বিনোদন ফিচার, আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের ডিভাইসটি ডন পার্পল ও ডাস্ক গ্রে’র মতো দুইটি প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে। রিয়েলমি সি১০০আই দুইটি ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে; এর ৪ জিবি + ৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকা ও ৪ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ১৭,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
আড়াইহাজারে পৌরসভার নির্দেশ উপেক্ষা, নোটিশ অমান্য করেই চলছে ভবন নির্মাণ ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১ ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয় বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন আড়াইহাজারে পৌরসভার নির্দেশ উপেক্ষা, নোটিশ অমান্য করেই চলছে ভবন নির্মাণ ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী হত্যা মামলায় নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা গাইবান্ধায় দুদকের পরিচয়ে প্রতারনার অভিযোগ আটক ১ ত্রিপুরা সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার কারণ জানিয়েছে বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর নজরদারি দুই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করবে ইডিসিএল মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন থালাপতি বিজয় বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিতে প্রস্তুত পুতিন