ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

দেশের কৃষি খাতকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস এবং ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে।বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান।এদিন নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর টেবিলে প্রধানমন্ত্রীর জবাব ছাড়াও পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, পরিকল্পনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর উত্থাপিত হয়।সংসদ অধিবেশনে অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে জানান, বর্তমান সরকার মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে অত্যন্ত কঠোর ও বদ্ধপরিকর। অপরাধীদের দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। এতে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নিয়ে নিজ নিজ বক্তব্য ও মতামত তুলে ধরেন।বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা খাতের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলা-মোকাদ্দমার বর্তমান অবস্থা এবং তা নিরসনে মন্ত্রণালয়ের নেয়া আইনি পদক্ষেপগুলো সংসদের সামনে উপস্থাপন করেন।

‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন প্রশ্নোত্তরে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, “গত আওয়ামী লীগের ১৬ বছর সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য ছিল। দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে সীমান্ত সব অপরাধ নির্মূলে সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?” জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, “দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বিজিবি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষা এবং যেকোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে প্রতিহতের লক্ষ্যে দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি-টিওবি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন বিওপি-টিওবি নির্মাণের ফলে বিজিবির বিওপিসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং টহলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, যার ফলে বিজিবির টহল দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে যেকোনও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সক্ষম হচ্ছে।” সীমান্ত এলাকায় বসবাসরতদের চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ দমনের লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং অনুরূপভাবে ভারত সীমান্তে স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন রয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্প্রতি বাণিজ্য চুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড- এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিমালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।আজ বুধবার জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান বাজারসমূহে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বাজার সম্প্রসারণ এবং শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ), মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) সম্পাদনের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সিইপিএ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে; মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জিসিসি, মারকুসুর (দক্ষিণ আমেরিকার পাঁচ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট) এবং অন্যান্য আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব‍্যাহত রয়েছে।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে কৃষিপণ্য ও অপ্রচলিত রপ্তানি খাতেও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আম রপ্তানির বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।চট্টগ্রাম-১৫ আসনের শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বর্তমানে ১১ লাখ ৮৯ হাজার ২১৩ জন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় ফ্রন্টে রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতির বাস্তবতায় আলোচনার পরিধি বাড়িয়ে সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার শপথ গ্রহণের পর মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরাকান আর্মির প্রধান- উভয়েই প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান, যা ইতিপূর্বে ঘটেনি।ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উপস্থিতি, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক মিশন পরিচালনা করছে। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতি এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ব্যয়-সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বের ১৭টি দেশের ২০টি মিশনে বাংলাদেশের নিজস্ব মালিকানাধীন ভবনে চ্যান্সারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আরও চারটি প্রকল্প চলমান। বিদেশে বাকি মিশনগুলো ভাড়ায় পরিচালিত হচ্ছে। মিশনগুলোর ভাড়া বাবদ সরকারকে বার্ষিক প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়।সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সারা দেশে ভূমিহীনদের বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ জরিপ পরিচালনা করেনি।

  • বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

    বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

  • দেশের ৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দেশের ৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

  • তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

    শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

  • প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

    প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

সব খবর

সব খবর

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ্-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ” (শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) প্রকল্প নিয়ে একটি মহলের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকবৃন্দ। সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক পোস্ট, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং কিছু গণমাধ্যমে এই মেগা প্রকল্প নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, সরকারের এই দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যেই একপেশে তথ্যের ভিত্তিতে এমন নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে, যা সাধারণ নগরবাসীর বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়।সচেতন নাগরিকবৃন্দের পক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ের কার্যকারিতা কিংবা নকশা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তা একেবারেই অবাস্তব। এই মেগা প্রকল্পের সুবাদে পতেঙ্গা, বিমানবন্দর এবং বঙ্গবন্ধু টানেলমুখী যাতায়াতের সময় ও ভোগান্তি এখন আশাতীতভাবে কমে এসেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার চিরচেনা রূপ থেকে নগরবাসী এখন দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি পাচ্ছে। বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়কে সংযুক্ত করার দূরদর্শী পরিকল্পনা থেকেই এই এক্সপ্রেসওয়ের নকশা ও র‍্যাম্প নির্ধারণ করা হয়েছে। বড় অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে সাময়িক কিছু জনদুর্ভোগ হওয়া স্বাভাবিক হলেও, সেটিকে পুঁজি করে পুরো একটি রাষ্ট্রীয় সফল প্রকল্পকে ব্যর্থ বা ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত দুঃখজনক।বিবৃতিতে প্রকল্পটির টোল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকেও সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই উড়াল সড়কে টোল আদায় কার্যক্রম শুরু হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত সফটওয়্যারটি চউকের সিস্টেম অ্যানালিস্টের দপ্তর থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে এবং চউকের চেয়ারম্যান ও সচিবের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ব্যাংকিং চ্যানেলের (ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি) মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমানে এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে দৈনিক গড়ে ৮ হাজার ৭০০টি যানবাহন চলাচল করছে এবং প্রতিদিন গড়ে ৬ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা টোল সংগৃহীত হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সাথে প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বা প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোনো আর্থিক সম্পৃক্ততা নেই।একটি বৃহৎ উন্নয়নমুখী প্রকল্পের বাস্তব সুফলকে আড়াল করে সাধারণ পাঠকদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই অপচেষ্টা রুখতে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। সত্য ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে এই স্পষ্টীকরণ বক্তব্যটি যথাযথ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করে দেশবাসীকে সঠিক তথ্য জানার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সচেতন নাগরিক সমাজ সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।তিনি আরও জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।আগামী শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সময়ের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি আমদানিতে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।বুধবার (১৭ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।বৈঠক সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন (আরএফকিউ) পদ্ধতিতে তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিটি আপাতত দুই কার্গো আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, তিন কার্গো এলএনজি কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার বেশি। এর মধ্যে অনুমোদিত দুই কার্গো আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, হরমুজ প্রণালির চলমান সংকটের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সময়ে কিছু এলএনজি চালান পাওয়া যাচ্ছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ ধারা প্রয়োগ করছে, ফলে বিকল্প হিসেবে স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।তিনি বলেন, জুন মাস ও জুলাইয়ের শুরুর দিকের জ্বালানি চাহিদা পূরণে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এলএনজি ক্রয়ের পর তা দেশে পৌঁছাতে এবং ব্যবহার উপযোগী করতে নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়।তৃতীয় কার্গো কেনার বিষয়ে সরকার এখনই সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তাই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কোনো চালান দেশে পৌঁছালে অতিরিক্ত ব্যয় এড়ানো সম্ভব হবে।সরকারি অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করাও এ সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন মূল্যসূচক এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোর গড় দামের ভিত্তিতেই স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক এই সংকট বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি কৌশল ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে নতুনভাবে মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা সামনে নিয়ে এসেছে।

লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণা-শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি

লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণা-শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি

দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারিজ) হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ এলিভেটর, এস্কেলেটর অ্যান্ড লিফট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)। একই সঙ্গে খাতটির বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করার তাগিদ দিয়েছে সংগঠনটি।বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে তাদের এসব দাবি বিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়ার সভাপতি মো. শফিউল আলম উজ্জ্বল বলেন, বর্তমান নগরায়ণ, বহুতল ভবন নির্মাণ, শিল্পায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে লিফট কোনো বিলাসবহুল পণ্য নয়; বরং এটি টেকসই উন্নয়নের অন্যতম অপরিহার্য মূলধনী যন্ত্রপাতি। কিন্তু ২০২৩ সালে লিফটকে মূলধনী যন্ত্রপাতির শ্রেণি থেকে সরিয়ে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরপর ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরে ধারাবাহিকভাবে এ খাতের শুল্ক বাড়ানো হয়। এর ফলে গত দুই বছরে লিফট আমদানির ওপর মোট শুল্কহার প্রায় ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।বেলিয়ার সভাপতি আরও বলেন, শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আবাসন শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে নির্মাণব্যয় বেড়েছে। অনেক লিফট কোম্পানি ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হওয়ায় বহু মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের দায় শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতার ওপর গিয়ে পড়ছে। ফলে মধ্যবিত্তের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন ক্রমশ অধরা হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া শুল্ক ও করের অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে কম খরচে নিম্নমানের বা পুনর্নিমিত (রিকন্ডিশনড) লিফট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—>লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি হিসেবে ঘোষণা করা।>লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজি ৩ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫০ ডলার নির্ধারণ করা।>স্থানীয় উৎপাদনের নামে আমদানিকৃত কাঁচামালের অপব্যবহার রোধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা।​>বন্দর পর্যায়ে স্কেলিং, মূল্যায়ন ও খালাস (ক্লিয়ারিং) প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজীকরণ করা।>আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ লিফট আমদানির জন্য শুল্ক ও কর কাঠামোর যৌক্তিক সংস্কার করা।এসব দাবির বিষয়ে বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদুল হক বলেন, বাজেট পেশের আগেও আমরা সরকারের কাছে এসব দাবি জানিয়েছিলাম, তবে কোনো সুফল পাইনি। আমরা আশা করছি, চূড়ান্ত বাজেটে আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে। শুল্ক যৌক্তিকীকরণ করা হলে সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, নিরাপদ ও টেকসই লিফট আমদানি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণ, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ এবং নিরাপদ অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে লিফট খাতের প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। বিগত সময়ে এ খাতটি অবহেলার শিকার হয়েছে। শুল্ক ও কর বাড়ানোর কারণে গত তিন বছরে একটি ছোট লিফটের দাম প্রায় ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লিফটের ওপর অযৌক্তিক শুল্ক আরোপের ফলে বহুতল ভবনে লিফট স্থাপনের ব্যয় বাড়ছে, যা আবাসন খাতের খরচ বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।বেলিয়ার উপদেষ্টা এমদাদ উর রহমান বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে লিফট মূলধনী যন্ত্রপাতি হিসেবে গণ্য হচ্ছিল। কিন্তু তিন বছর আগে কেন হঠাৎ এটিকে বিলাসী পণ্যের তালিকায় নেওয়া হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। বর্তমানে আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেয়েছি; আশা করছি আমাদের এই ন্যায্য দাবি পূরণ হবে।দেশে ভূমির স্বল্পতার কারণে কলকারখানা, হাসপাতাল থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—সবখানেই বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করলে লিফট কোনোভাবেই বিলাসী পণ্য হতে পারে না।সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়ার নেতারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার লিফট খাতের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যা দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন।বুধবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠককালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদনশিল্প এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্প সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশে অধিকতর দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগকে স্বাগত জানান এবং এ লক্ষ্যে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সবার আগে দরকার বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

সবার আগে দরকার বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ৭৫ এর পরে দেশ যখন সংকটে পড়েছিল সেখান থেকে উঠতে নানা কৌশলে অর্থনীতিতে নতুন রকমের উত্তোরণ ঘটেছে। সবার আগে যেমন বাংলাদেশ দরকার তেমনই সবার আগে বিনিয়োগও দরকার।বুধবার (১৭ জুন) মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত বাজেট পরবর্তী আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে সমালোচনার সংস্কৃতিও গড়ে তোলা দরকার। আমাদের প্রথমে দরকার বিনিয়োগকে কীভাবে উত্তোরণের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ প্রথমবারের মতো করকাঠামো পাঁচ বছরের মতো দেয়া হয়েছে। যেটা যে কোনো বিনিয়োগকারীর জন্য উপকারী বলেও জানান তিনি।অর্থায়নের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার একটা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এরমধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ব্যবস্থা দেখছে। আর ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের ব্যাংকের। তিনি আরও বলেন, আমরা ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাবো এবং এটার একটা রোডম্যাপও আছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানির ক্ষেত্রে ৩.৪৬ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হবে জুলাই পর্যন্ত তবে পুরো জাতির জন্য জ্বালানি হাব তৈরি করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি টার্গেট দিল বাংলাদেশ

ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি টার্গেট দিল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের উচ্ছ্বাস কয়েকদিনও টেকেনি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে নেমে এলো স্রেফ দুর্দশা। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে একশ রানের আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পড়ে যায় টাইগাররা। শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসানের ঝড়ো ২৯ রানের ইনিংসে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।এদিন ইনিংসের শুরুটা ছিল একেবারেই হতাশাজনক। তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৯ বলে ১০ রান করে স্পেন্সার জনসনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর সাইফ হাসান কিছুটা আক্রমণাত্মক খেললেও ১৪ বলে ২০ রান করে ম্যাট রেনশের অফ স্পিনে আউট হয়ে যান। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে এসেই একটি ছক্কা হাঁকিয়ে আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে বোকা বনে মাত্র ৫ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সৌম্য সরকারও ১৮ বলে ১৭ রানের বেশি টিকতে পারেননি। পারভেজ হোসেন ইমনও ১২ বলে ১০ রান করে আউট হন।মাঝে অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাইকলাইনসহ বাকি ব্যাটাররা খুব বেশি প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। শেষ পর্যন্ত শেখ মেহেদীর লড়াইয়ে দল ১৩১ রানে আলআউট হয় টাইগাররা।

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের লারেডো শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। ১৬ জুন মঙ্গলবার রাতে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হলেও মহাসড়কে চলাচলরত কোনো যানবাহনের যাত্রী আহত হওয়ার খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।লারেডো পুলিশ বিভাগের তদন্তকারী হোসে বায়েজা বলেন, রাত ১০টার কিছু পর বিমানটি লুপ-২০ মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মহাসড়কের উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি সড়কের একটি ব্যারিয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে কাত হয়ে পড়ে আছে এবং এতে আগুন জ্বলছে।প্রত্যক্ষদর্শী জাইরা গারজা জানান, সহকর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পথে তিনি দুর্ঘটনাটি দেখেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন, বিমানের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি ককপিটের জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় আশপাশের লোকজনও উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন।তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর বিমানের দরজা খুলে গেলে কিশোর-কিশোরী বলে মনে হওয়া তিনজন দ্রুত বেরিয়ে আসে। তাদের পেছনে একজন পাইলট বলে ধারণা করা ব্যক্তিও বের হন। পরে আরেকজন ক্রু সদস্য অচেতন অবস্থায় থাকা একজনকে বিমান থেকে বের করার চেষ্টা করেন।ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরে গারজা বলেন, ‘দৃশ্যটা যেন সিনেমার মতো ছিল। আগুন দেখে আমি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ বিমানটি যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারত।’দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানটি কেন মহাসড়কে বিধ্বস্ত হলো, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন প্রশ্নোত্তরে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, “গত আওয়ামী লীগের ১৬ বছর সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য ছিল। দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে সীমান্ত সব অপরাধ নির্মূলে সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?” জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, “দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বিজিবি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষা এবং যেকোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে প্রতিহতের লক্ষ্যে দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি-টিওবি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন বিওপি-টিওবি নির্মাণের ফলে বিজিবির বিওপিসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং টহলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, যার ফলে বিজিবির টহল দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে যেকোনও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সক্ষম হচ্ছে।” সীমান্ত এলাকায় বসবাসরতদের চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ দমনের লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং অনুরূপভাবে ভারত সীমান্তে স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন রয়েছে।”

তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন খালিদ মুনসুর

ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন খালিদ মুনসুর

পল্লবীতে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

পল্লবীতে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু

দেশের ৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের ৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় খেলাধুলা-সংস্কৃতিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় খেলাধুলা-সংস্কৃতিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের  কড়া হুঁশিয়ারি

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

হরমুজ প্রণালি খুলছে শুক্রবার: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি খুলছে শুক্রবার: ট্রাম্প

দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি খুবই অপরিহার্য।জাতীয় স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সর্বদাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ধর্মীয় নেতা এবং প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের আয়নাঘরে বন্দি রেখে অমানুষিক নির্যাতন করেছে, মিথ্যা মামলায় তাদের কারান্তরীণ রেখেছে। পবিত্র কুরআন তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠান করতে দেয়নি। তারা সকল ক্ষেত্রে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে বসবাসের অযোগ্য বানিয়েছে।ড.খন্দকার মারুফ আজ বুধবার(১৭ জুন) কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও নূরানী তালিমুল কুরআন দাখিল ও হিফজ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ২০২৬ সালের কৃতি শিক্ষার্থীদের সন্মাননা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাশীল। আর্থিক সচ্ছলতার জন্য তিনি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং ভিন্ন ধর্মের পুরোহিত বা নেতাদের জন্য মাসিক সন্মানির ব্যবস্থা করেছেন। দেশের মসজিদ,মাদ্রাসা এবং মন্দির,গির্জা নির্মাণ ও উন্নয়নে প্রচুর অনুদান বরাদ্দ দিচ্ছেন। চলতি বাজেটে ধর্মীয় এইসব খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ড.খন্দকার মারুফ বলেন,তারেক রহমন স্বল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রচুর জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁকে নিয়ে মানুষ এখন একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, জনগণ উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী হয়ে উঠেছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে সরকার কাঙ্খিত উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে বিশ্বে শির উঁচু করে দাঁড়াবে,ইনশাআল্লাহ। প্রধান অতিথি ড.খন্দকার মারুফ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও বৃত্তি তুলে দেন। তিনি নৈতিক শিক্ষা ও মেধা বিকাশে অধিক মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।বিএনপি নেতা অধ্যাপক মো.হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভা উদ্বোধন করেন জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ড.মো.হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম.এম মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো.সালাউদ্দিন সরকার, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো.রেজাউল হক বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো.সালাউদ্দিন ভুইয়া।অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।বিকেলে দাউদকান্দি ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে গৌরীপুর সুবল অফতাব হাইস্কুল মাঠে বিশ্বকাপ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। এই সময় খন্দকার মারুফ বলেন, মাদক,জুয়াসহ সমাজবিরোধী সকল অশ্লীল কর্মকাণ্ড থেকে ছাত্র ও যুব সমাজকে সুস্থধারার জীবন যাপনে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তাই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট হতে তিনি(ড.মারুফ) ছাত্র ও যুব সমাজের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দাউদকান্দি ক্রীড়া সংস্থা ও উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব মো.রোমান খন্দকার ও সদস্য আলমগীর হোসেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি সহকারী কমিশনার(ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া,সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম,দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী, পৌর যুবদলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী ও দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুল বাসেদ প্রমুখ।

‘সরকারকে অন্ধ সমর্থন বা অযৌক্তিক বিরোধিতা করবে না জামায়াত’

‘সরকারকে অন্ধ সমর্থন বা অযৌক্তিক বিরোধিতা করবে না জামায়াত’

সংসদে হিজাব নিয়ে কটূক্তিকারীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: হেফাজত

সংসদে হিজাব নিয়ে কটূক্তিকারীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: হেফাজত

সীমান্তে হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে বিকেলে ১১ দলের বিক্ষোভ

সীমান্তে হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে বিকেলে ১১ দলের বিক্ষোভ

শিবিরনেতা গ্রেফতার ইস্যুতে সংসদে হট্টগোল

শিবিরনেতা গ্রেফতার ইস্যুতে সংসদে হট্টগোল

বিএনপি কোনো রেজিমেন্ট দল নয় উদারপন্থী রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল

বিএনপি কোনো রেজিমেন্ট দল নয় উদারপন্থী রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল

প্রস্তাবিত বাজেট অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী ও বিদেশি ঋণনির্ভর: গোলাম পরওয়ার

প্রস্তাবিত বাজেট অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী ও বিদেশি ঋণনির্ভর: গোলাম পরওয়ার

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের

আশুগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশুগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কোনাবাড়ীতে ৫ কোটি টাকার সিগারেট মজুদ, দোকানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

কোনাবাড়ীতে ৫ কোটি টাকার সিগারেট মজুদ, দোকানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ীতে অবৈধভাবে প্রায় ৫ কোটি টাকার সিগারেট মজুদ রাখার অভিযোগে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহানগরীর কোনাবাড়ী আমবাগ রোড কাঁচাবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুর নাহিন নিশাদ নেতৃত্ব দেন।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে আমবাগ রোড কাঁচাবাজার এলাকার ‘মায়ের দোয়া জেনারেল স্টোর’-এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকানটির মালিক রেজাউল মিয়া (৪০) অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সিগারেট মজুদ করে রেখেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।অভিযান শেষে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় রেজাউল মিয়াকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় ও নিয়ন্ত্রিত পণ্যের অবৈধ মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নাটোরে বিশেষ বরাদ্দে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

নাটোরে বিশেষ বরাদ্দে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

কসবায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৫ ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা

কসবায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৫ ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা

রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ৬ মাসের শিশুসহ ৯ বাংলাভাষীর মানবেতর জীবন

রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ৬ মাসের শিশুসহ ৯ বাংলাভাষীর মানবেতর জীবন

চর বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পৃথক বাজেটের দাবিতে কুড়িগ্রামে পদযাত্রা

চর বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পৃথক বাজেটের দাবিতে কুড়িগ্রামে পদযাত্রা

সলঙ্গায় মহাসড়কের সেতুর নিচ থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

সলঙ্গায় মহাসড়কের সেতুর নিচ থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

চৌদ্দগ্রামে ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি

চৌদ্দগ্রামে ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি

ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি টার্গেট দিল বাংলাদেশ

ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি টার্গেট দিল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের উচ্ছ্বাস কয়েকদিনও টেকেনি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে নেমে এলো স্রেফ দুর্দশা। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে একশ রানের আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পড়ে যায় টাইগাররা। শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসানের ঝড়ো ২৯ রানের ইনিংসে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।এদিন ইনিংসের শুরুটা ছিল একেবারেই হতাশাজনক। তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৯ বলে ১০ রান করে স্পেন্সার জনসনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর সাইফ হাসান কিছুটা আক্রমণাত্মক খেললেও ১৪ বলে ২০ রান করে ম্যাট রেনশের অফ স্পিনে আউট হয়ে যান। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে এসেই একটি ছক্কা হাঁকিয়ে আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে বোকা বনে মাত্র ৫ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সৌম্য সরকারও ১৮ বলে ১৭ রানের বেশি টিকতে পারেননি। পারভেজ হোসেন ইমনও ১২ বলে ১০ রান করে আউট হন।মাঝে অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাইকলাইনসহ বাকি ব্যাটাররা খুব বেশি প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। শেষ পর্যন্ত শেখ মেহেদীর লড়াইয়ে দল ১৩১ রানে আলআউট হয় টাইগাররা।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

আইসিসি বিশ্বকাপ: নানা চাপেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইরানের ড্র

আইসিসি বিশ্বকাপ: নানা চাপেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইরানের ড্র

তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নিলো সুইডেন

তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নিলো সুইডেন

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

হাসি মুখের কারিনা কায়সার গত ১৬ মে প্রয়াত হয়েছেন। তার এ অকাল প্রয়াণে স্তব্ধ শোবিজের অঙ্গনের মানুষ। সদ্যপ্রয়াত এই তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করার পরিকল্পনা করছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘চরকি কার্নিভাল’। এতে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে চরকিতে মুক্তি পাওয়া কনটেন্টগুলো থেকে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে।এরই মধ্যে সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের (২০২৪) মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে ’৩৬-২৪-৩৬’ ওয়েব ছবির জন্য বেস্ট অ্যাক্টরের (ফিমেল) মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারিনা। তবে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে তাকে।চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, ’কারিনার অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে। তাই প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।’এদিকে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে সেরা ছবির মনোনয়ন পেয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’, ’৩৬-২৪-৩৬’। রয়েছে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সিরিজ, সেরা গানসহ বিভিন্ন বিভাগ। চরকির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কনটেন্ট বা শিল্পীকে ভোট দিতে পারবেন সাবস্ক্রাইবাররা। আজ থেকে শুরু হয়েছে ভোট। সমালোচক বিভাগ এবং ২০২৩ সালের কনটেন্টে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নামও প্রকাশ করা হবে শিগগির।

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ  ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

নব্বই দশকের পর দেশের সংগীতাঙ্গনে ভাটিয়ালি ধারার গানকে জনপ্রিয় করে তোলা শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগ। ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানটির মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করা ভাটিয়ালি ব্যান্ডের এই প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী একসময় দেশের যুবসমাজের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর কণ্ঠে পরিবেশিত একাধিক গান দেশজুড়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নেয় এবং সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোড়ন। সেই জনপ্রিয় শিল্পী এবার তাঁর গানের রয়্যালটি আত্মসাৎ, চুক্তিভঙ্গ, কপিরাইট লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগে ঢাকার এক ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেনগণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নোটিশ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগের পক্ষে জজ কোর্ট, সাতক্ষীরার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন গত ৮ জুন রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোঃ আহসানুল হাবিব অনিকের কাছে এ নোটিশ প্রেরণ করেন।লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ৫ নভেম্বর শিল্পী শরীফুজ্জামান সোহাগের সঙ্গে ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দেন আহসানুল হাবিব অনিক। সে সময় তিনি শিল্পীর মৌলিক গান আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ, বিপণন ও মনিটাইজেশনের প্রস্তাব দেন এবং অর্জিত আয়ের ৮০ শতাংশ শিল্পীকে রয়্যালটি হিসেবে প্রদানের আশ্বাস দেন।পরবর্তীতে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির স্বাক্ষরিত কপি আজ পর্যন্ত শিল্পীকে প্রদান করা হয়নি। একই সঙ্গে গত চার বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাতে হিসাব ও রয়্যালটির অর্থ প্রদান থেকে বিরত থেকেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।নোটিশে আরও বলা হয়, শিল্পীর জনপ্রিয় গান ‘ফুল তো ফোটে না’, ‘ওলো আমার পরান সখী’, ‘ও বন্ধুরে’, ‘যায়রে যায় কন্যা যায়’, ‘দোহাই তোমার প্রথম চিঠি’ ও ‘জেলে চাঁদের মোমবাতি’সহ প্রায় দুই শতাধিক গান Spotify, Apple Music, YouTube Music, YouTube Content ID, TikTok, Facebook Music Library, Shazam, Beatport এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ ও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।শিল্পীর দাবি, এসব গান থেকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে স্ট্রিমিং, বিজ্ঞাপন, ডাউনলোড, লাইসেন্সিং ও কনটেন্ট আইডির মাধ্যমে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি আয় হয়েছে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্য রয়্যালটির একটি টাকাও তাকে প্রদান করা হয়নি।লিগ্যাল নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৩, ৪০৬, ৪১৫ ও ৪২০ ধারাসহ কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর বিভিন্ন বিধানের লঙ্ঘনের শামিল।নোটিশে ৩০ দিনের মধ্যে সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পূর্ণাঙ্গ আয়ের হিসাব, রেভিনিউ স্টেটমেন্ট, প্রাপ্য রয়্যালটি পরিশোধ, স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন, ২০২৩ এবং প্রচলিত ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ঘিরে। অনেকে বলছেন তিনি আর দেশে ফিরবেন। স্যোশাল মিডিয়ায় এ সব আলোচনার উত্তর দিয়ে ফারুকী বললেন, আমাদেরকে নিয়া এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও আমাদের ইজ্জত থাকেনা।তিনি বলেন, উইথ অল রেসপেক্ট টু দেম, এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিলো না। এদের নিয়া কথা বলা তো দুরের কথা, এদের নামও আমাদের আড্ডায় কেউ কোনোদিন একবারও উচ্চারণ করে নাই। এরা এতোটাই অপ্রাসঙ্গিক ছিল। আর এখন সাংবাদিক ভাই-বোনরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে, ভাই, অমুক আপনার সম্পর্কে এই কথা বলছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কী? ৭ জুন রোববার সকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, তাদের নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কখনোই সিলেবাসে ছিলো না। ফারুকীর ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয় এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিই। কিন্তু সেটা যে এইরকম ভয়াবহ হবে এটা ভাবি নাই। বুঝেন অবস্থা! এখন এদের কথার উত্তর দিতে হইবো আমার? এটাই কাফফারা। যাই হোক, এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বলে দেয় আমি আমার কাজটা ঠিকমত করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান। পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র নির্মাণ, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হাসিবুর রেজা কল্লোল সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেছেন।ভারতের দিল্লি শহরে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও গণমাধ্যম অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত হাসিবুর রেজা কল্লোল নির্মাতা, সংগঠক এবং গণমাধ্যম ব্যবস্থাপক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি তিনি নাটক, তথ্যচিত্র এবং বিভিন্ন সৃজনশীল প্রযোজনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।পরিচালক হিসেবে তাঁর নির্মিত সত্তা চলচ্চিত্রটি ব্যাপক আলোচিত হয় এবং দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। বর্তমানে তিনি চ্যানেল নাইন টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর এই অর্জন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আন্তর্জাতিক পরিচিতি আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।প্রতিক্রিয়ায় হাসিবুর রেজা কল্লোল বলেন, সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশে তিনি ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান। পাশাপাশি তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলার ১০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে সোমবার (১ জুন) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে গত ৩০ মে অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একটি মহল ধর্মীয় আবেগের ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালায়। এর প্রেক্ষিতে ভেন্যু কর্তৃপক্ষ পূর্বানুমতি প্রত্যাহার করায় প্রদর্শনীটি স্থগিত করা হয়।একই দিন কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামে স্থানীয় তরুণরা চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের উদ্যোগ নিলে স্থানীয় প্রশাসনের অযাচিত হস্তক্ষেপে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই দুটি ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ, আল মাহমুদসহ অসংখ্য গুণীজনের স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি। বছরের পর বছর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সাংস্কৃতিক চর্চায় অনবদ্য অবদান রেখে আসছেন এ জেলার কৃতিসন্তানরা। সাংস্কৃতিক রাজধানীখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিতের ঘটনা আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ ফিল্ম সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রদর্শনের অনুমতিপ্রাপ্ত। ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে এর প্রদর্শনী প্রশংসিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা তানিম নূরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিসন্তান। নিজ জন্মভূমিতে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক।আমরা চলচ্চিত্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করি, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আমরা সুস্থ, সুন্দর ও সৃজনশীল চলচ্চিত্রধারার পক্ষে। চলচ্চিত্র দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমস্যা, দেশপ্রেম, বাস্তবতা এবং মানবিক মূল্যবোধ জনগণের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের অনুমতি নিয়েই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রটি জনসমক্ষে প্রদর্শিত হচ্ছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর কন্যাসহ প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে একটি চলচ্চিত্র উপভোগ করেছেন, যা চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ। এমন বাস্তবতায় চলচ্চিত্রের প্রতি কারও বৈরি দৃষ্টিভঙ্গি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।আমরা সকলের মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো মহলবিশেষের অগণতান্ত্রিক আচরণ, অসহনশীলতা ও উগ্রতাকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”বিবৃতিদাতারা হলেন--১. সাংবাদিক আবদুন নূর, আহ্বায়ক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র; অ্যাডভোকেট নাসির মিয়া, সদস্যসচিব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।২. নীহাররঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক, খেলাঘর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৩. জহিরুল ইসলাম, সভাপতি, উদীচী জেলা সংসদ; ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক, উদীচী জেলা সংসদ।৪. অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, সভাপতি, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি; অধ্যাপক মাসুদ-উর-রহমান, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি।৫. শোভা সেন, সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা; সাথী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৬. হাবিবুর রহমান পারভেজ, জেলা পরিচালক, আবরণী; শারমিন সুলতানা, সহকারী পরিচালক, আবরণী।৭. হুমায়ুন কবির, সভাপতি, কবির কলম; আব্দুল মতিন শিপন, সাধারণ সম্পাদক, কবির কলম।৮. ডা. প্রেমানন্দ দাস, সংগঠক, চারণ।৯. ফাহিম মুনতাসির, সভাপতি, সোনালি সকাল; সানিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, সোনালি সকাল।১০. মুস্তাফা জাফরি হামিম, জেলা সভাপতি, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন; সর্পা মিত্র ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন।

শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণা-শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি

লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণা-শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি

দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারিজ) হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ এলিভেটর, এস্কেলেটর অ্যান্ড লিফট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)। একই সঙ্গে খাতটির বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করার তাগিদ দিয়েছে সংগঠনটি।বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে তাদের এসব দাবি বিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়ার সভাপতি মো. শফিউল আলম উজ্জ্বল বলেন, বর্তমান নগরায়ণ, বহুতল ভবন নির্মাণ, শিল্পায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে লিফট কোনো বিলাসবহুল পণ্য নয়; বরং এটি টেকসই উন্নয়নের অন্যতম অপরিহার্য মূলধনী যন্ত্রপাতি। কিন্তু ২০২৩ সালে লিফটকে মূলধনী যন্ত্রপাতির শ্রেণি থেকে সরিয়ে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরপর ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরে ধারাবাহিকভাবে এ খাতের শুল্ক বাড়ানো হয়। এর ফলে গত দুই বছরে লিফট আমদানির ওপর মোট শুল্কহার প্রায় ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।বেলিয়ার সভাপতি আরও বলেন, শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আবাসন শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে নির্মাণব্যয় বেড়েছে। অনেক লিফট কোম্পানি ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হওয়ায় বহু মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের দায় শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতার ওপর গিয়ে পড়ছে। ফলে মধ্যবিত্তের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন ক্রমশ অধরা হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া শুল্ক ও করের অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে কম খরচে নিম্নমানের বা পুনর্নিমিত (রিকন্ডিশনড) লিফট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—>লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি হিসেবে ঘোষণা করা।>লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজি ৩ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫০ ডলার নির্ধারণ করা।>স্থানীয় উৎপাদনের নামে আমদানিকৃত কাঁচামালের অপব্যবহার রোধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা।​>বন্দর পর্যায়ে স্কেলিং, মূল্যায়ন ও খালাস (ক্লিয়ারিং) প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজীকরণ করা।>আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ লিফট আমদানির জন্য শুল্ক ও কর কাঠামোর যৌক্তিক সংস্কার করা।এসব দাবির বিষয়ে বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদুল হক বলেন, বাজেট পেশের আগেও আমরা সরকারের কাছে এসব দাবি জানিয়েছিলাম, তবে কোনো সুফল পাইনি। আমরা আশা করছি, চূড়ান্ত বাজেটে আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে। শুল্ক যৌক্তিকীকরণ করা হলে সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, নিরাপদ ও টেকসই লিফট আমদানি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণ, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ এবং নিরাপদ অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে লিফট খাতের প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। বিগত সময়ে এ খাতটি অবহেলার শিকার হয়েছে। শুল্ক ও কর বাড়ানোর কারণে গত তিন বছরে একটি ছোট লিফটের দাম প্রায় ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লিফটের ওপর অযৌক্তিক শুল্ক আরোপের ফলে বহুতল ভবনে লিফট স্থাপনের ব্যয় বাড়ছে, যা আবাসন খাতের খরচ বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।বেলিয়ার উপদেষ্টা এমদাদ উর রহমান বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে লিফট মূলধনী যন্ত্রপাতি হিসেবে গণ্য হচ্ছিল। কিন্তু তিন বছর আগে কেন হঠাৎ এটিকে বিলাসী পণ্যের তালিকায় নেওয়া হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। বর্তমানে আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেয়েছি; আশা করছি আমাদের এই ন্যায্য দাবি পূরণ হবে।দেশে ভূমির স্বল্পতার কারণে কলকারখানা, হাসপাতাল থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—সবখানেই বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করলে লিফট কোনোভাবেই বিলাসী পণ্য হতে পারে না।সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়ার নেতারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার লিফট খাতের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যা দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

জুনের ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬২ কোটি ডলার

জুনের ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬২ কোটি ডলার

আতঙ্কে আমানত তোলা গ্রাহকদের সুসংবাদ দিলো ইসলামী ব্যাংক

আতঙ্কে আমানত তোলা গ্রাহকদের সুসংবাদ দিলো ইসলামী ব্যাংক

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটকে জনকল্যাণমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর, আত্মনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করে বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির জার্মানি শাখা। দলটির নেতারা বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানের প্রস্তাবিত এই বাজেট প্রমাণ করেছে যে তিনি বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের একজন অকৃত্রিম দেশবন্ধু।শুক্রবার (১২ জুন) জার্মানির মানহাইমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির জার্মানি শাখার সাবেক সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য দেওয়ান শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “দেশবন্ধু তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নতুন বাজেট কেবল একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি আধুনিক, উন্নত, আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের সুস্পষ্ট রূপরেখা। এই বাজেটে তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকনির্দেশনা রয়েছে।”তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, স্টার্টআপ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা, বিনিয়োগ সহায়তা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের মেধাবী ও উদ্ভাবনী তরুণরা নতুন নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য এই বাজেটে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপকে তিনি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় উন্নয়নের এই যাত্রায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে অংশীদার হতে হবে। ঐক্য, উদ্ভাবন, সুশাসন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, যা হবে জনকল্যাণমূলক, প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাশীল।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা নতুন বাজেটকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও প্রবাসীদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপবাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। একই সাথে তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।দারাজ কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার কিংবা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।গত এক বছরে দারাজের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দারাজ। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, “দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশ দারাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করি, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।”বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে কাজ করছে।বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনাও প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!

অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!

সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো, অফার শেষ ২৫ জুন

সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো, অফার শেষ ২৫ জুন

টেক্সটাইল সোর্সিংয়ের বিশ্ব আসছে ঢাকায়: ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ উন্মুক্ত করছে নতুন বৈশ্বিক সুযোগ

টেক্সটাইল সোর্সিংয়ের বিশ্ব আসছে ঢাকায়: ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ উন্মুক্ত করছে নতুন বৈশ্বিক সুযোগ

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’ কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোনাবাড়ীতে ৫ কোটি টাকার সিগারেট মজুদ, দোকানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশুগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নাটোরে বিশেষ বরাদ্দে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন খালিদ মুনসুর পল্লবীতে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কসবায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৫ ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা ‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’ কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে সেন্সর, এআই ও ড্রোন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোনাবাড়ীতে ৫ কোটি টাকার সিগারেট মজুদ, দোকানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ সচেতন নাগরিকবৃন্দের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশুগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নাটোরে বিশেষ বরাদ্দে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন খালিদ মুনসুর পল্লবীতে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কসবায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৫ ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা