ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থী-ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে। ১১ জুলাই শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এসব কথা বলেন।চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা প্রতিদিনই মানুষের অনেক আনন্দ-বেদনার সাক্ষী। যারা চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত কিংবা চিকিৎসক হওয়ার জন্য অধ্যয়নরত, প্রতিটি মানুষের মনোজগতে আপনাদের অবস্থান তাদের সুস্থ জীবনের রক্ষক হিসেবে বিবেচিত।”প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ উপলব্ধি থেকেই সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের একটি অনুষ্ঠানে আমি বলেছিলাম, চিকিৎসকগণই সত্যিকার অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। চিকিৎসকগণই রোগে-শোকে কাতর মানুষটির পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন। একজন চিকিৎসকের উপদেশ ও আন্তরিক ব্যবহারও একজন রোগীর কাছে ওষুধের মতো কার্যকরী হয়ে ওঠে। সুতরাং একজন চিকিৎসকের জন্য পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি।”হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আরও পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।‘Prevention is better than cure’—এই নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়। পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর বিকাশ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, হৃদরোগ ও ক্যানসারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আগাম স্বাস্থ্যপরামর্শ পেলে অনেক রোগ শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় সম্ভব।তিনি বলেন, জনগণের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরামর্শ পৌঁছে দিতে সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী হেলথ কেয়ারার পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষাখাতের পর এবারই দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বছর জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দের পরিমাণ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ০২ শতাংশ। আগামী পাঁচ বছরে এটি জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।”তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, দেশের সব উপজেলায় বিদ্যমান ৩১ থেকে ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি সব হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিশেষায়িত শিশুচিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজলভ্য হবে।মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিজ্ঞানসম্মত অপসারণ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আসুন, আমরা সবাই মিলে মেডিক্যাল বর্জ্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে অপসারণ এবং হাসপাতালগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি।”

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বোর্ডের অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।তিনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সমস্ত কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেইসঙ্গে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।মাহদী আমিন বলেন, দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং করে জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।

বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে চার নদীর পানি

বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে চার নদীর পানি

দেশের ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ১১ জুলাই শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।এদিকে দেশের উত্তর–পূর্ব ও দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে গত দুই দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি কমে আসায় পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।তা সত্ত্বেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ওই এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে। একইসঙ্গে ফেনী অঞ্চলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।এদিকে আজ সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের চারটি নদীর ছয়টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো বান্দরবানে সাঙ্গু নদের বান্দরবান ও দোহাজারী পয়েন্ট; কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট; মৌলভীবাজারে মনু নদ এবং হবিগঞ্জে খোয়াই নদের বল্লা পয়েন্ট।জানা যায়, দেশের ১২৭টি পানি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টিতে নদীর পানি বেড়েছে, ৬৪টিতে কমেছে এবং ৬টিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী, মুহুরী ও মাতামুহুরী নদীর কয়েকটি স্টেশনে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। এসব নদীর পানি বাড়লে স্থানীয়ভাবে বন্যা পরিস্থিতি আরও বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

  • মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

    মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

  • প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

  • সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

  • কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইনের কাজ করার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩

    কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইনের কাজ করার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩

  • ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

    ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

  • ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

    ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

সব খবর

সব খবর

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় এক হাজার নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত ৬ হাজার ২৩৭টি অভিযানে মোট ৮৪ হাজার ৪৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৯০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯৭৮ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু জুন মাসেই দেশব্যাপী ১ হাজার ১৫৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৩ হাজার ৭৮ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৩৩ জন নিয়োগকর্তাকে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।জাকারিয়া জানান, আটক বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার অপরাধ। এছাড়া ইমিগ্রেশনের দেওয়া পাসের অপব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে শনাক্ত হয়েছে।রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার আইনগত অবস্থান ও নথিপত্রের ভিত্তিতে।তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অধিকাংশ রোহিঙ্গার কাছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্র রয়েছে। তাই শুধু বৈধ পাস না থাকা বা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।তবে রোহিঙ্গারা দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন থেকে অব্যাহতি পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হন বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।এছাড়া কেউ অবৈধভাবে সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনা করলে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান মহাপরিচালক।

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. পাভেলকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে ডা. পাভেলের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্রধানমন্ত্রী এ সময় অধ্যাপক পাভেলের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।উল্লেখ্য, হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালনে আকস্মিক জটিলতা জনিত কারণে অধ্যাপক ডা. পাভেল বর্তমানে ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও অধ্যক্ষ। দেশের চিকিৎসা অঙ্গনের অন্যতম বিশিষ্ট এই সার্জন দেশে-বিদেশে তার অসামান্য অবদানের জন্য সুপরিচিত এবং ‘সার্ক আইকন অব সার্জন’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল

‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, যদি সত্যিই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত নয়; বরং এখনই দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হওয়া উচিত।শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।পোস্টে আসিফ নজরুল লেখেন, অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছিল। বর্তমান বিএনপি সরকারও একই উদ্যোগ নিয়েছে।এর মধ্যেই শেখ হাসিনাও দেশে ফেরার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।এ প্রেক্ষাপটে আসিফ নজরুল লিখেছেন, “যদি সেটিই সত্য হয়, তাহলে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন? শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন।”তার ভাষ্য, “বাংলাদেশের জনগণ এবং আদালতের সামনে শেখ হাসিনার অনেক প্রশ্নের জবাব দেওয়ার রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানির দায়, তার শাসনামলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, ‘আয়নাঘর’, দুর্নীতি, অর্থ পাচার, ভোটাধিকার থেকে জনগণের বঞ্চিত হওয়া এবং ভারতের প্রতি বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান—এসব বিষয়ে তার ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।”পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা তার পরিবারের সদস্যদের আগেই বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও আইনি পরিণতি বহন করতে হয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতা-কর্মীদের। তাদের অনেকেই এখনও বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি কিংবা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সবশেষে আসিফ নজরুল লেখেন, যদি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বাস্তব পরিকল্পনা থাকে, তাহলে বিলম্ব না করে ফিরে এসে আদালতে নিজের অবস্থান তুলে ধরা উচিত। আর যদি ফেরার পরিকল্পনা না থাকে, তাহলে বারবার দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়ে দলের সাধারণ নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত বা অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মধ্যে না ফেলাই ভালো।প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা আগামী ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।

উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রকৌশলীদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রকৌশলীদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা, নকশা ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে প্রকৌশলীদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকৌশলগত সিদ্ধান্ত প্রকৌশলীদের হাতেই থাকা উচিত। এতে উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান বাড়বে, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং টেকসই জাতীয় উন্নয়ন বাস্তবায়ন সহজ হবে।১১ জুলাই শনিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দপ্তরের শহীদ প্রকৌশলী ভবনের কাউন্সিল হলে ‘Inauguration of APMCE2026 & Success and Failure of Projects from Project Management Viewpoint: Bangladesh and International Context’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইইবির পুরকৌশল বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষণার ফলাফল সরকার নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে। এজন্য গবেষণালব্ধ সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক প্রকৌশলী উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রকৌশল পেশার পরিবর্তে প্রশাসনিক পেশায় বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। এতে দেশ দক্ষ প্রকৌশলী হারাচ্ছে, যদিও একজন প্রকৌশলী তৈরি করতে সরকারের দীর্ঘ সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়।তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির সময় সম্ভাব্যতা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।ডিপিপি প্রণয়নের প্রসঙ্গ তুলে মীর শাহে আলম বলেন, অনেক সময় প্রকৌশলীদের প্রস্তুত করা ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর পর এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমে সংশোধনের জন্য ফেরত আসে, যাঁরা প্রকৌশল পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। ফলে প্রকৌশলগত বাস্তবতা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। এ কারণে পরিকল্পনা কমিশনে প্রকৌশলীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকৌশলীদের অসংখ্য সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতার ঘটনাই বেশি আলোচিত হয়। অথচ দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।স্থপতিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবনের নকশা তৈরির সময় প্রাকৃতিক আলো ও বায়ু চলাচলের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবন নির্মাণ সম্ভব হবে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে স্বল্পমেয়াদি চিন্তার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একটি প্রকল্প শুধু নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর স্থায়িত্ব, রক্ষণাবেক্ষণ, অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজনও বিবেচনায় নিতে হবে।তিনি বলেন, আইইবি ও ডুয়েটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের আয়োজন গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।স্বাগত বক্তব্যে আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, দেশের অধিকাংশ ভবন এখনও আধুনিক ভূমিকম্প-সহনশীল মানদণ্ড অনুযায়ী নির্মিত নয়।বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হওয়ায় ভবিষ্যতের অবকাঠামো নির্মাণে ভূমিকম্প-সহনশীল প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি অনুসরণের পরামর্শ দেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বড় কেন্দ্রীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক ছোট পরিসরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের যানবাহনের চাপ ও নগরায়ণ বিবেচনায় রেখে নতুন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম চার লেনের পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে বারবার সড়ক প্রশস্ত করার প্রয়োজন কমবে এবং সরকারি অর্থের সাশ্রয় হবে।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী ও আইইবির পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (খোকা)।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন আইইবির সভাপতি ও রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) এবং ডুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. আবু তায়েব।সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইইবির পুরকৌশল বিভাগের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আয়নুল কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী নেসার উদ্দিন।এ ছাড়া আইইবির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য, বিভিন্ন প্রকৌশল বিভাগের নেতৃবৃন্দ, প্রকৌশল চ্যাপ্টারের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে হারের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজেও হতাশ করছে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৫০ ওভারের সিরিজ হেরে বসেছে তারা।হারারেতে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ম্যাচটি তাদের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই। এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে সফরকারী দলে দুটি পরিবর্তন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তানভির ইসলাম একাদশে আছেন। রিশাদ হোসেন ও নাহিদ রানা বাদ পড়েছেন।প্রথম দুটি ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ২৫ ও ১৩ রানে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। এই ম্যাচে রিচার্ড এনগারাভাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তার বদলে অধিনায়কত্ব করবেন সিকান্দার রাজা। স্বাগতিক দলে এনগারাভা, নিয়ামহুরি ও মুজারাবানির পরিবর্তে এসেছেন মাসাকাদজা, শিভাঙ্গা ও মাসুকু।বাংলাদেশ (একাদশ): তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান (উইকেটকিপার), তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তানভির ইসলাম।জিম্বাবুয়ে (একাদশ): বেন কারান, ব্রায়ান বেনেট, ইনোসেন্ট কাইয়া, ক্রেইগ আরভিন, সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদান্দে (উইকেটকিপার), ব্রাড ইভান্স, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, আর্নেস্ট মাসুকু ও তানাকা শিভাঙ্গা।

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

চার বছর আগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার বছর পর প্রথমবারের মতো বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তিনি দাবি করেছেন, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার কারণে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন, হারিয়ে যাওয়া সম্মান ও মানসিক শান্তি আদৌ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব কি না।শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন এই অভিনেত্রী।স্ট্যাটাসে র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরীমনি বলেন, সম্প্রতি একটি অনলাইন টক শোতে দেওয়া তার বক্তব্যের মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পেরেছে, বনানীর বাসায় দীর্ঘ অভিযান শেষে তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশে তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।নিজের জীবনের সেই অধ্যায়কে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে পরীমনি লেখেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’তিনি আরও দাবি করেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারও পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।’পরীমনির ভাষ্য, গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি আজও সেই ঘটনার ভুক্তভোগী হয়ে আছেন। তার ভাষ্য, ‘যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’রাষ্ট্রের উদ্দেশে কয়েকটি প্রশ্নও তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানতে চান, হারিয়ে যাওয়া সময়, সম্মান এবং মানসিক শান্তি কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? তিনি লেখেন, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’তবে অতীতের ঘটনার প্রতিশোধ নয়, বরং সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই তার প্রত্যাশা বলে উল্লেখ করেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’স্ট্যাটাসের শেষাংশে কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধারের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ঢাকার আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, ঢাকা বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনা মূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে পরীমনি তাকে গালাগাল করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। মামলাটিও বর্তমানে বিচারাধীন।

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের ৩০ লাখ টাকাও ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের ৩০ লাখ টাকাও ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী নিজেই বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে জেলায় ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসহ বিভিন্ন ধরনের জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বন্যাদুর্গত পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজেই গতকাল কক্সবাজারের খবরাখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। কক্সবাজারের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।”জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “গতকালের তুলনায় আজ বৃষ্টিপাত অনেকটাই কমেছে। মাতামুহুরী নদীর পানিও উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীর পানি এখন বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করছি আগামীকালের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং ধীরে ধীরে পানি নেমে যাবে।”এর আগে জেলা প্রশাসক পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাংলাপাড়া গ্রাম পরিদর্শন করে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ, ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করেন। এ সময় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন।পরে তিনি চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলার বেতুয়া বাজার স্টেশন এলাকা ও কোনাখালী ইউনিয়নের মরংগুনা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, জরুরি ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করা হয়।চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ইউরোপে গেলো উষ্ণতম জুন, রেকর্ড তাপমাত্রা  সমুদ্রেও

ইউরোপে গেলো উষ্ণতম জুন, রেকর্ড তাপমাত্রা সমুদ্রেও

ইউরোপের ওপর দিয়ে চলতি বছরের মে মাস থেকে একের পর এক তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চরম এই আবহাওয়া এখন আর কেবল সাময়িক কোনো ঘটনা নয়, বরং এটি ইউরোপের গ্রীষ্মকালের একটি দীর্ঘস্থায়ী বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী জুন মাসটি ছিল পশ্চিম ইউরোপের ইতিহাসে এ যাবৎকালের সবচেয়ে উত্তপ্ত জুন। আর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ জুন মাস। প্রাক-শিল্পায়নের যুগের গড় তাপমাত্রার চেয়ে এবারের তাপমাত্রা ১ দশমিক ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস এবং ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টস-এর (ইসিএমডব্লিউএফ) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ভূপৃষ্ঠের রেকর্ড তাপমাত্রার পাশাপাশি সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রাও জুনে ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি পৃথিবীর জলবায়ু ব্যবস্থায় ক্রমাগত তাপ জমা হওয়ারই বহিঃপ্রকাশ।ইসিএমডব্লিউএফ-এর জলবায়ু বিষয়ক কৌশলগত প্রধান সামান্থা বার্গেস বলেন, “এই রেকর্ডগুলো প্রমাণ করে যে, তাপপ্রবাহের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, সমুদ্রের পানি দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ থাকছে এবং ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে মানুষ, বাস্তুসংস্থান ও অবকাঠামোর জন্য ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে।”গত জুনের শেষের দিকে পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের ওপর দিয়ে তীব্র একটি তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। এতে জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের মাসিক ও সর্বকালের সব তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যায়। এর আগে মে মাসেও সেখানে নজিরবিহীন তীব্র গরম পড়েছিল। এরপর জুলাইয়ের শুরুতেও নতুন করে আরেকটি তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে, যা মূলত ইউরোপের গ্রীষ্মকালে চরম আবহাওয়ার একটি দীর্ঘস্থায়ী রূপকেই স্পষ্ট করে তুলছে।একের পর এক এমন বড় ধরনের তাপপ্রবাহের কারণে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চরম এই গরম এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ইউরোপের গ্রীষ্মের একটি নিয়মিত ও দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করছে।তীব্র গরমের এই নেতিবাচক প্রভাব কেবল উচ্চ তাপমাত্রার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ইউরোপের বড় একটি অংশ, বিশেষ করে আইবেরিয়ান উপদ্বীপ (স্পেন ও পর্তুগাল), দক্ষিণ ফ্রান্স এবং পূর্ব ইউরোপের কিছু এলাকায় চরম শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দিয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন স্থানে দাবানল বেড়ে গেছে, নদীর পানির প্রবাহ কমেছে এবং খরা পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদনকে বড় ধরণের ঝুঁকিতে ফেলছে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওটমার এডেনহোফার বলেন, কম খরচে ইইউ-এর ২০৪০ ও ২০৫০ সালের জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে কার্বন নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে হবে। গত মার্চ মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওটমার এডেনহোফার বলেন, কৃষি খাতে কিছু অগ্রগতি হলেও কার্বন নির্গমন হ্রাসের গতি ও পরিধি এখনও পর্যাপ্ত নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই ধারা অব্যাহত থাকায় ইউরোপের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষকদের জীবিকা রক্ষা ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে এবং জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে আগামী বছরগুলোতে এই খাতকে আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। এল নিনোর প্রভাবএদিকে ভূমধ্যসাগরের পশ্চিমাঞ্চল এবং আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলীয় এলাকায় তীব্র সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে, যা সামগ্রিক সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থানকে হুমকির মুখে ফেলছে। ইইউ-এর তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের জুন মাসটি ছিল বিশ্বের বরফমুক্ত মহাসাগরগুলোর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম জুন। এর আগে ২০২৪ সালে যে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল, এবারের তাপমাত্রা তাকেও সামান্য ব্যবধানে ছাড়িয়ে গেছে।বিজ্ঞানীদের একাংশ এর জন্য আংশিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘এল নিনো’ পরিস্থিতিকে দায়ী করছেন। এল নিনো হলো এমন একটি জলবায়ু প্রক্রিয়া, যার ফলে ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি উষ্ণ হয়ে ওঠে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু তথ্যে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পেছনে মানুষের কারণে হওয়া দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু পরিবর্তনই মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে।জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, তাপমাত্রার এই নতুন নতুন রেকর্ড প্রমাণ করে যে, জলবায়ু ব্যবস্থায় প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ তাপ জমা হচ্ছে। এর ফলে ঘন ঘন তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দিচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য, বাস্তুসংস্থান এবং অবকাঠামোর জন্য দিন দিন বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনছে। সূত্র : ইউরো নিউজ।

উত্তরায় ৯৬১ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

উত্তরায় ৯৬১ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৬১ বোতল ফেন্সিডিলসহ জাহাঙ্গীর আলম (৩৩) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।শনিবার (১১ জুলাই) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।উত্তরা পশ্চিম থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি মিনি পিকআপসহ জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে। পরে তার হেফাজত থেকে ৯৬১ বোতল ফেন্সিডিল, মাদক বিক্রির ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং মিনি পিকআপটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল

‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল

উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রকৌশলীদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রকৌশলীদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে চার নদীর পানি

বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে চার নদীর পানি

আমাকে হত্যার চেষ্টা করলে ইরান নিশ্চিহ্ন হবে : ট্রাম্প

আমাকে হত্যার চেষ্টা করলে ইরান নিশ্চিহ্ন হবে : ট্রাম্প

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানতে সরকারের আহ্বান

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানতে সরকারের আহ্বান

স্থানীয় নির্বাচন: আওয়ামী সমর্থকদের রাজনীতির সুযোগ

স্থানীয় নির্বাচন: আওয়ামী সমর্থকদের রাজনীতির সুযোগ

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

ইউরোপে গেলো উষ্ণতম জুন, রেকর্ড তাপমাত্রা  সমুদ্রেও

ইউরোপে গেলো উষ্ণতম জুন, রেকর্ড তাপমাত্রা সমুদ্রেও

ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

৩২২ এমপির সমর্থন, যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম

৩২২ এমপির সমর্থন, যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম

ইরানে রাতভর দফায় দফায় হামলা, দায় অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে রাতভর দফায় দফায় হামলা, দায় অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ

হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন নাহিদ। আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে ন্যাশনাল এসএমই ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজ একটা ইন্টারভিউ আমরা দেখেছি, যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। আমাদের দাবি থাকবে, দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা কীভাবে আসবে, তিনি কাদের নিয়ে আসবেন, তিনি সারেন্ডার করবেন কি করবেন না- এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে। এখানে আর কোনো পক্ষ নেই। ফলে সরকারই ঠিক করবে তাকে কখন আনবে, কীভাবে আনবে এবং কীভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সব প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুকু পারমিট করা হয়, সে অনুযায়ী তিনি কথা বলেন। ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কীভাবে আসবেন, বিচার হবে কি না— এসব মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ এখন কোনো রাজনৈতিক দলই নয়।জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীরা যে-কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।নাহিদ ইসলাম বলেন, তবে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা বা প্রচেষ্টা হয়, সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। বাংলাদেশের আপামর জনগণ, জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ, ৩০ হাজার আহত ও এক হাজার ৪০০ শহীদ পরিবারের সদস্য, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি। আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গেছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। ফলে সেটার জন্য আমরাও চাই যে ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।

দাউদকান্দি বিএনপির কাউন্সিল ১ আগস্ট

দাউদকান্দি বিএনপির কাউন্সিল ১ আগস্ট

দলীয় গঠনতন্ত্রে ১৪ সংশোধনী আনছে  জামায়াত

দলীয় গঠনতন্ত্রে ১৪ সংশোধনী আনছে জামায়াত

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

‘জয় বাংলার বিদায় হয়েছে, জিন্দাবাদের বিজয় হয়েছে’: কিশোরগঞ্জে লস্কর মো. তসলিম

‘জয় বাংলার বিদায় হয়েছে, জিন্দাবাদের বিজয় হয়েছে’: কিশোরগঞ্জে লস্কর মো. তসলিম

রাঙামাটিতে ১২৮ স্থানে পাহাড়ধস, সেতু ভেঙে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটিতে ১২৮ স্থানে পাহাড়ধস, সেতু ভেঙে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

ফুলপুরে ২৬ বছরেও কাটেনি জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

ফুলপুরে ২৬ বছরেও কাটেনি জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভার দুটি বিলের জলাবদ্ধতার সমস্যা ২৬ বছরেও সমাধান হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভুইদ্দা বুড়ি ও কুন্দা বুড়ি বিলসংলগ্ন এলাকার হাজারো মানুষ প্রতি বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিল দুটির জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০২০ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল, তৎকালীন পৌর মেয়র শশধর সেন এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্যোগে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম সাজ্জাদুল হাসান ড্রেনেজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই প্রকল্পের কাজ আর শেষ হয়নি।এর ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমে পৌরসভার আমুয়াকান্দা গ্রামের লেদু সরকার বাড়ি, বাগানবাড়ি মহল্লা এবং কাড়াহা গ্রামের বিলসংলগ্ন এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।স্থানীয়রা জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাস এলেই বর্ষার পানিতে বিলসংলগ্ন অসংখ্য ধানখেত, মাছের ঘের, সড়ক ও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়। অনেক বাড়ির উঠান, রান্নাঘর, গোয়ালঘর ও বসতঘরে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে থাকে। এতে বিশুদ্ধ পানির সংকট, চলাচলে দুর্ভোগ এবং নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এ বছরও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই দীর্ঘদিনের এই জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রৌমারীতে সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে ঝুঁকিতে যান চলাচল, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রৌমারীতে সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে ঝুঁকিতে যান চলাচল, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

মতলব উত্তরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবককে হত্যাচেষ্টা, পা হারানোর শঙ্কায় মাসুম

মতলব উত্তরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবককে হত্যাচেষ্টা, পা হারানোর শঙ্কায় মাসুম

গোপালগঞ্জে জলাবদ্ধ এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শনে এমপি বাবর, খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণের নির্দেশ

গোপালগঞ্জে জলাবদ্ধ এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শনে এমপি বাবর, খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণের নির্দেশ

গোপালগঞ্জে কুরিয়ার অফিসে অভিযান, ৭১ হাজার পিস নকল সিগারেট জব্দ

গোপালগঞ্জে কুরিয়ার অফিসে অভিযান, ৭১ হাজার পিস নকল সিগারেট জব্দ

ক্লাসরুমে কোমরসমান পানি, বই-খাতা নষ্ট: টুঙ্গিপাড়ায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান বন্ধ

ক্লাসরুমে কোমরসমান পানি, বই-খাতা নষ্ট: টুঙ্গিপাড়ায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান বন্ধ

ধোবাউড়ার গোয়াতলায় অস্থায়ী কাঠের সেতু উদ্বোধন, এক মাসের দুর্ভোগের অবসান

ধোবাউড়ার গোয়াতলায় অস্থায়ী কাঠের সেতু উদ্বোধন, এক মাসের দুর্ভোগের অবসান

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে হারের পর বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজেও হতাশ করছে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৫০ ওভারের সিরিজ হেরে বসেছে তারা।হারারেতে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ম্যাচটি তাদের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই। এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে সফরকারী দলে দুটি পরিবর্তন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তানভির ইসলাম একাদশে আছেন। রিশাদ হোসেন ও নাহিদ রানা বাদ পড়েছেন।প্রথম দুটি ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ২৫ ও ১৩ রানে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। এই ম্যাচে রিচার্ড এনগারাভাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তার বদলে অধিনায়কত্ব করবেন সিকান্দার রাজা। স্বাগতিক দলে এনগারাভা, নিয়ামহুরি ও মুজারাবানির পরিবর্তে এসেছেন মাসাকাদজা, শিভাঙ্গা ও মাসুকু।বাংলাদেশ (একাদশ): তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান (উইকেটকিপার), তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তানভির ইসলাম।জিম্বাবুয়ে (একাদশ): বেন কারান, ব্রায়ান বেনেট, ইনোসেন্ট কাইয়া, ক্রেইগ আরভিন, সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদান্দে (উইকেটকিপার), ব্রাড ইভান্স, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, আর্নেস্ট মাসুকু ও তানাকা শিভাঙ্গা।

বিশ্বকাপ: টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিতে এমবাপ্পের ফ্রান্স

বিশ্বকাপ: টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিতে এমবাপ্পের ফ্রান্স

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, দর্শকদের জন্য থাকছে তারকাখচিত আয়োজনও। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে সুপার বোলের আদলে আয়োজিত হবে বিশেষ হাফটাইম শো। সেখানে এক মঞ্চে পারফর্ম করবেন বিশ্বের জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই বর্ণাঢ্য পরিবেশনায় আরও অংশ নেবেন তাদের মধ্যে অন্যতম নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না বয়, বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, কোল্ডপ্লের অংশগ্রহণে পিএস২২ কোরাস এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘সিসেমি স্ট্রিট’-এর মাপেট চরিত্রগুলো। অনুষ্ঠানটি ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশে আয়োজিত হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে জাস্টিন বিবার বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি আসর, যা পৃথিবীর মানুষকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি একত্রিত করে।’স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ‘জাস্টিস’ ওয়ার্ল্ড ট্যুর বাতিলের চার বছর পর চলতি বছরের বসন্তে ক্যালিফোর্নিয়ার কোচেলা উৎসবে মঞ্চে ফিরেছিলেন বিবার। সেখানে তিনি ‘বেবি’, ‘নেভার সে নেভার’, ‘ওয়ান টাইম’ এবং ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিট’-সহ তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করেন। ফিফার এই ঐতিহাসিক হাফ-টাইম শোর কিউরেশন করেছেন কোল্ডপ্লের ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করা কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয়ও আবারও একসঙ্গে মঞ্চে উঠবেন। তাদের যৌথ গান ‘দাই দাই’ টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সংগীত চার্টে শীর্ষে রয়েছে এবং বিভিন্ন ম্যাচেও ব্যাপকভাবে বাজানো হচ্ছে।এদিকে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই আসরের আয়োজক তিন দেশের দলই এরই মধ্যে বিদায় নিয়েছে।বৃহস্পতিবার বোস্টনে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব আবার শুরু হচ্ছে। শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। শনিবার মিয়ামিতে খেলবে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড, আর একই দিনে কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল করে অবস্থান করছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এরলিং হালান্ড। এছাড়া ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোলসংখ্যা ছয়।

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের প্রতি প্রতারণার অভিযোগ দেশের জনপ্রিয় ও বরেণ্য চিত্রনায়িকা রোজিনার। অভিমানের সুরে তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এ সব কথা জানান তিনি।অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাবো কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারবো না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাবো। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।ৎরোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান আজ জীবনের তৃতীয় ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করছেন তিনি।তবে আলোঝলমলে তারকাদের ভিড় নয়, বরং পরিবারের মানুষ, কাছের বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা নিয়েই শুরু হচ্ছে অভিনেতার জীবনের নতুন অধ্যায়।বলিউডের তারকাখচিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়, বরং পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা জুটি। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) মুম্বাইয়ে আমির খানের নিজ বাসভবনেই অনুষ্ঠিত হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন অতিথি। তাদের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের অল্প কয়েকজন সহকর্মী থাকবেন।অতিথির তালিকা থেকে শুরু করে বিয়ের মধ্যাহ্নভোজের মেনু—সবকিছুই নিজেরা ঠিক করেছেন আমির ও গৌরী। এমনকি অতিথিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের প্রস্তুতিও তারা নিজেরা তদারকি করেছেন।একটি সূত্রের ভাষ্য, ‘এটি কোনো তারকাসুলভ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়। আমির ও গৌরী চেয়েছেন, দিনটি যেন শুধুই পরিবারের মানুষ ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের সঙ্গে কাটে।’বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের দাবি, মেনু তৈরিতে দুজনের ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমির ও গৌরী দুজনই তাদের প্রিয় খাবারগুলো রাখতে বলেছেন। অনুষ্ঠানটি যতটা সম্ভব আন্তরিক ও পারিবারিক আবহে আয়োজনের চেষ্টা করা হয়েছে।বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আমির খানের তিন সন্তান—জুনায়েদ খান, ইরা খান ও আজাদ রাও খান। এ ছাড়া আমন্ত্রণ পেয়েছেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মীদের কয়েকজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর ও রাজকুমার হিরানি। বলিউডের আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে নতুন সিরিজ ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’র প্রচারণায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথমবারের মতো বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন আমির খান। তিনি বলেন, ‘৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। একেবারেই ছোট পরিসরে, নিজের বাড়িতেই আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। দুই পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকবেন। আমরা খুব সীমিত পরিসরে উদ্‌যাপন করতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা সুখে থাকতে পারি এবং জীবনের নতুন পথচলা সুন্দর হয়।’কয়েক মাস ধরেই আমির ও গৌরীর বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ ঘরোয়া আয়োজনে নতুন জীবনের পথে হাঁটছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে আমির খানের পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের। তবে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও কয়েক বছর আগে আবারও তাদের দেখা হয়। পুরোনো বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয়।২০২৫ সালের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। তখনই তিনি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে গৌরীর মধ্যে তিনি এমন এক ধরনের শান্তি ও স্থিরতা খুঁজে পেয়েছেন, যা আগে কখনো অনুভব করেননি।একাধিক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে খুঁজছিলাম, যার সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারব। গৌরীর মধ্যে আমি সেই মানুষটিকেই খুঁজে পেয়েছি।’আরেক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি খুব সৌভাগ্যবান যে গৌরী আমার জীবনে এসেছে। মনে হয়, জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি যেন পূর্ণতা পেয়েছি।’বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা গৌরী স্প্র্যাট পেশায় একজন উদ্যোক্তা ও লাইফস্টাইল–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী। দীর্ঘদিন একটি পরিচিত স্যালন ও বিউটি চেইনের সঙ্গে কাজ করার পর বর্তমানে তিনি আমির খান প্রোডাকশনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। আগের সংসারে তার সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।গৌরী বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছিলেন, যিনি ভদ্র, যত্নশীল ও মানবিক। আমিরকে তিনি কখনো সুপারস্টার হিসেবে দেখেননি, বরং একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ ও সঙ্গী হিসেবে দেখেছেন।এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাদের ছেলে আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও আজও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা। সন্তানের সহ-অভিভাবক হিসেবে একসঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশন জানায়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু হয়।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সম্ভাব্য বিয়ে ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা। বিয়ের দিনক্ষণ কিংবা আয়োজন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অতিথিদের পোশাক।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেইলর সুইফট তার ব্যক্তিগত বিষয় সবসময় গোপন রাখতেই পছন্দ করেন। তাই সম্ভাব্য বিয়ের আয়োজন নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।জল্পনা রয়েছে, নিউইয়র্কের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে শুক্রবার (৩ জুলাই) এই আয়োজন হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রায় এক হাজার ১০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিথিদের পোশাকে থাকবে মার্জিত, পরিচ্ছন্ন ও রোমান্টিক ধাঁচ। অনেকেই বিখ্যাত নকশাকারদের তৈরি পোশাক বেছে নিতে পারেন। গ্রীষ্মকালীন আয়োজন হওয়ায় হালকা রঙ, ঢিলেঢালা পোশাক ও সূক্ষ্ম নকশার পোশাক বেশি দেখা যেতে পারে।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তবে কী বিয়ে করছেন টেইলর ও ট্র্যাভিস? টেইলরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও রয়েছেন অনেক তারকা। তাদের মধ্যে সেলেনা গোমেজ, সুকি ওয়াটারহাউস, সাবরিনা কার্পেন্টার, কারা ডেলিভিনসহ আরও অনেকে আছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকেই নিজেদের স্বতন্ত্র ফ্যাশনধারা বজায় রাখলেও কনের চেয়ে বেশি নজর কাড়ার চেষ্টা করবেন না।বিয়ের পোশাক নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের ধারণা, টেইলর সুইফট নিজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি পোশাক পরতে পারেন। রাজকীয় নকশার করসেট ও ছড়ানো ঘেরের পোশাক তার পছন্দ হতে পারে। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে তিনি আরও হালকা ও আরামদায়ক পোশাকেও দেখা যেতে পারেন।অন্যদিকে, ট্রাভিস কেলসি বরাবরই ব্যতিক্রমী পোশাকের জন্য পরিচিত। তাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর তাকে রঙিন ও আকর্ষণীয় পোশাকে দেখা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।তবে বিয়ের আয়োজন, অতিথি তালিকা কিংবা পোশাক—সবকিছুই এখনো জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।সূত্র: বিবিসি

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আর্টিস্ট ক্লাবের আয়োজনে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি কালচারাল ফাউন্ডেশন (ডিইউসিএফ) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আর্টিস্ট ক্লাব লাউঞ্জে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘সন্ধ্যা প্রদীপ’-এ সংগীত পরিবেশন করে। কূটনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সংগীতপ্রেমী দর্শক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সের-শারলে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব সংগীত দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সংগীত এমন একটি সর্বজনীন ভাষা, যা সংস্কৃতি, জাতি ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আর্টিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুজিত মুস্তাফা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আর্টিস্ট ক্লাব সবসময়ই সৃজনশীল উদ্যোগের পাশে রয়েছে। বিশ্ব সংগীত দিবসে ডিইউসিএফ-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে ডিইউসিএফ-এর শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পরিবেশন করেন একটি প্রাণবন্ত ও ইন্টার‌্যাকটিভ ‘মিউজিক্যাল মেহফিল’। দলীয় ও একক পরিবেশনার মাধ্যমে তারা বাংলা আধুনিক, লোকসংগীত, দেশাত্মবোধক এবং জনপ্রিয় বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। শিল্পীদের পরিবেশনা, দর্শকদের অংশগ্রহণ এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহ পুরো সন্ধ্যাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।অনুষ্ঠান শুরু হয় ব্যতিক্রম ধর্মী পুথি পাঠ এর মাধ্যমে। ডিইউসিএ’কে উপস্থাপন করা হয়। প্রথম গান শুরু হয় একটি কোরাস ‘মোরো ঝনঝার মত’ দিয়ে। পর্যায়ক্রমে জনপ্রিয় আধুনিক গান করেন নির্ঝর চৌধুরী, ইরবতি মন্ডল, আনিকা শারমিলা কৃপা ও ফরহাদ মিল্টন। নজরুল ইসলামের গান করেন নন্দিত শিল্পী নন্দিনী দও ধরা। পল্লী গীতি ও উকিল মুন্সীর গান করেন মাহফুজার রহমান মহব্বত। রবি ঠাকুরের গান করেন নাঈমা ইসলাম নাজ এবং অনুষ্ঠান শেষ হয় আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে সমেবেত সংগীত পরিবেশন মাধ্যমে। সভাপতি সুজিত মোস্তফা ডিইউসিএ’কে তাদের পরিবেশনার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী সন্ধ্যা শিল্পী ও দর্শকদের এক সুরের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত

চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

বেড়েছে সোনার দাম

বেড়েছে সোনার দাম

ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা ও ২৯২ টাকা কমেছিলো সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এবার সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা । বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় এক হাজার নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত ৬ হাজার ২৩৭টি অভিযানে মোট ৮৪ হাজার ৪৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৯০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯৭৮ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু জুন মাসেই দেশব্যাপী ১ হাজার ১৫৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৩ হাজার ৭৮ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৩৩ জন নিয়োগকর্তাকে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।জাকারিয়া জানান, আটক বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার অপরাধ। এছাড়া ইমিগ্রেশনের দেওয়া পাসের অপব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে শনাক্ত হয়েছে।রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার আইনগত অবস্থান ও নথিপত্রের ভিত্তিতে।তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অধিকাংশ রোহিঙ্গার কাছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্র রয়েছে। তাই শুধু বৈধ পাস না থাকা বা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।তবে রোহিঙ্গারা দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন থেকে অব্যাহতি পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হন বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।এছাড়া কেউ অবৈধভাবে সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনা করলে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান মহাপরিচালক।

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড রিভো বাংলাদেশ দেশের বাজারে দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক—রিভো সি৩৫ ও রিভো সি৩৫-ওয়াই—উন্মোচন করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মডেল দুটি উদ্বোধন করা হয়। নগর এলাকায় দৈনন্দিন যাতায়াতের কথা বিবেচনায় রেখে বাইক দুটি তৈরি করা হয়েছে। কমপ্যাক্ট ডিজাইন ও আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তিতে তৈরি রিভো সি৩৫ -এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে, প্রিমিয়াম ফিচারসমৃদ্ধ ও রিভো সি৩৫-ওয়াই পাওয়া যাবে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ টাকায়।রিভো বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, একবার পূর্ণ চার্জে বাইক দুটি প্রায় ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে সক্ষম। এতে রিয়েল-টাইম ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (বিএমএস)-এর চার্জের শতাংশ প্রদর্শনের সুবিধা রয়েছে, যা চালককে ব্যাটারির অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য দেয়। এছাড়া রয়েছে ৮ ইঞ্চির ইন্টিগ্রেটেড ফুল-স্ক্রিন এলসিডি ডিসপ্লে, যেখানে প্রয়োজনীয় রাইডিং তথ্য দেখা যায়। "রাইড ডিফারেন্ট" প্রতিপাদ্যে উন্মোচিত রিভো সি৩৫ ও রিভো সি৩৫-ওয়াই-এ “মেকা” (Mecha) অনুপ্রাণিত ডিজাইন, ব্লেড-স্টাইল এয়ার গাইড সাইড গ্রিল এবং অ্যারোডাইনামিক বডি ব্যবহার করা হয়েছে। মডেল দুটি জেট ব্ল্যাক, স্পেস গ্রে, মেমফিস গ্রীন এবং গ্লো রেড —এই চারটি রঙে পাওয়া যাবে।উভয় মডেলে ৭২ ভোল্ট ৩৫ এম্পিয়ার আওয়ার গ্রাফিন ব্যাটারি এবং উচ্চ-দক্ষতার পাওয়ারট্রেইন ব্যবহার করা হয়েছে। রিভো সি৩৫-এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার, আর রিভো সি৩৫-ওয়াই-এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাইক দুটি নগর যাতায়াতের জন্য পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিভো বাংলাদেশের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মি. ভেন নি বলেন, "রিভো উদ্ভাবনী প্রকৌশলকে এমন স্মার্ট, শূন্য-নির্গমন প্রযুক্তিতে রূপ দিয়েছে, যা বাংলাদেশের আধুনিক নগর জীবনের চালকদের প্রতিদিনের যাতায়াতের প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করে।"নতুন মডেল দুটি বাজারে আনা উপলক্ষে সীমিত সময়ের জন্য বিশেষ অফার ঘোষণা করেছে রিভো বাংলাদেশ। রিভো সি৩৫ কিনলে ক্রেতারা পাবেন ৫,০০০ টাকা ক্যাশব্যাক, একটি টি-শার্ট এবং একটি কীরিং। রিভো সি৩৫-ওয়াই কিনলে পাওয়া যাবে একটি হেলমেট, একটি টি-শার্ট এবং একটি কীরিং।মডেল দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনুমোদিত শোরুমে পাওয়া যাবে।

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের  চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের চুক্তি স্বাক্ষর

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
ফুলপুরে ২৬ বছরেও কাটেনি জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ‘জয় বাংলার বিদায় হয়েছে, জিন্দাবাদের বিজয় হয়েছে’: কিশোরগঞ্জে লস্কর মো. তসলিম রাঙামাটিতে ১২৮ স্থানে পাহাড়ধস, সেতু ভেঙে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রৌমারীতে সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে ঝুঁকিতে যান চলাচল, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা মতলব উত্তরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবককে হত্যাচেষ্টা, পা হারানোর শঙ্কায় মাসুম গোপালগঞ্জে জলাবদ্ধ এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শনে এমপি বাবর, খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণের নির্দেশ গোপালগঞ্জে কুরিয়ার অফিসে অভিযান, ৭১ হাজার পিস নকল সিগারেট জব্দ মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক ক্লাসরুমে কোমরসমান পানি, বই-খাতা নষ্ট: টুঙ্গিপাড়ায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান বন্ধ ফুলপুরে ২৬ বছরেও কাটেনি জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ‘জয় বাংলার বিদায় হয়েছে, জিন্দাবাদের বিজয় হয়েছে’: কিশোরগঞ্জে লস্কর মো. তসলিম রাঙামাটিতে ১২৮ স্থানে পাহাড়ধস, সেতু ভেঙে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রৌমারীতে সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে ঝুঁকিতে যান চলাচল, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা মতলব উত্তরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবককে হত্যাচেষ্টা, পা হারানোর শঙ্কায় মাসুম গোপালগঞ্জে জলাবদ্ধ এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শনে এমপি বাবর, খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণের নির্দেশ গোপালগঞ্জে কুরিয়ার অফিসে অভিযান, ৭১ হাজার পিস নকল সিগারেট জব্দ মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক ক্লাসরুমে কোমরসমান পানি, বই-খাতা নষ্ট: টুঙ্গিপাড়ায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান বন্ধ