ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি

শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শ্রমিকরা দেশের উন্নয়নের ‘মূল কারিগর’। তাদের নিরলস পরিশ্রমই দেশের অর্থনীতি ও সভ্যতাকে বেগবান করছে।তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে সবার নব প্রভাত’–এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে সমুন্নত রেখে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বন্ধ কলকারখানা, চিনিকল ও রেশম কারখানা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হবে।শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত করতে সরকারের নেয়া আইনি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকলে অনুস্বাক্ষর করেছে।শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় শ্রম অসন্তোষের মতো ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। দেশের টেকসই শিল্পোন্নয়নের স্বার্থে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের শুরুতে মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ৷ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ আয়োজন শুরু হয়৷ এর আগে মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্যে দিয়ে নেতাকর্মীদের একত্রিত করা হয়৷এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান৷ সমাবেশ উপলক্ষে দুপুর ১টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতাকর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন৷ পুরুষের পাশাপাশি শ্রমিক দলের এ আয়োজনে যোগ দিয়েছেন কর্মজীবী নারীরাও৷এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন এবং সমাবেশের সার্বিক নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, ডিবি সদস্যসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে৷ রাখা হয়েছে জরুরি অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও৷

পাক-আফগান সীমান্তে ভারতের মদদপুষ্ট ১৩ সন্ত্রাসী নিহত

পাক-আফগান সীমান্তে ভারতের মদদপুষ্ট ১৩ সন্ত্রাসী নিহত

পাক-আফগান সীমান্তে খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানায়।আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, মোহমান্দ জেলায় অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় পরিচালিত অভিযানে ৮ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। আর উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলায় সীমান্তে তীব্র গোলাগুলির মধ্যে আরও ৫ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ নামে পরিচিত এসব ভারতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করছিল। মোহমান্দের ঘটনায় জড়িত দলটিকে আগেভাগেই শনাক্ত করা হয়, ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।এ ছাড়া আইএসপিআর অভিযোগ করেছে, আফগান তালেবান প্রশাসন কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে।আইএসপিআর আফগান তালেবানকে তাদের দায়িত্ব পালন করে এ ধরনের গোষ্ঠীগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয় বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।নিরাপত্তা বাহিনী দেশের সীমান্ত রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়ে আইএসপিআর আরও বলেছে, এলাকায় ক্লিয়ারেন্স অভিযান চলছে।‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নামের এই অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাস পুরোপুরি নির্মূল করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী

    ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী

  • কারাগার থেকে ফের গৃহবন্দী অং সান সু চি

    কারাগার থেকে ফের গৃহবন্দী অং সান সু চি

  • আমরা একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    আমরা একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

  • সংবিধান পরিবর্তনের আন্দোলন করতে পারি, বিদ্রোহ করবো না: বিরোধীদলীয় নেতা

    সংবিধান পরিবর্তনের আন্দোলন করতে পারি, বিদ্রোহ করবো না: বিরোধীদলীয় নেতা

  • ২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাসে শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন

    ২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাসে শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন

  • জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়, বিএনপি নেতাদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী

    জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়, বিএনপি নেতাদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির

সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই।শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের দায়িত্বশীল সম্মেলনে মেয়র নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সম্মেলনে সাদিক কায়েম নিজেও উপস্থিত ছিলেন। পরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।এছাড়া দলটির সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদিক কায়েম। তবে প্রার্থিতা ঘোষণার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।অন্যদিকে শিবিরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় একজন দায়িত্বশীলকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার সংবাদ কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইসলামী ছাত্রশিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই।ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেওয়ার পর যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অতএব, বর্তমান সেশনের কোনো দায়িত্বশীলকে নিয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কেউ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক

ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামের দেলোয়ার ফকিরের ছেলে ইতালি প্রবাসী হুমায়ুন (৩২) তার আপন ছোট ভাই নয়ন (২৬) কে ছুরিকাঘাত করে খুন করেছেন। গত ৩০ মে ইতালির লেইজ শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।জানা গেছে, ঘটনার দিন ইতালির সময় রাত ৮টায় বড় ভাই হুমায়ুনের বাসায় ছোট ভাই নয়ন তার সাইকেল চার্জ দিতে যান। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নয়নকে ছুরিকাঘাত করেন হুমায়ুন। হত্যার পর ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সবাইকে মরদেহ দেখিয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘টাকার মেশিনকে খুন করেছি’।ইতিমধ্যে ইতালির পুলিশ অভিযুক্ত হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১-১২ বছর আগে হুমায়ুন ইতালিতে যান এবং তিন বছর আগে ছোট ভাই নয়নকেও সেখানে নিয়ে যান। নয়ন গত এক বছর ধরে উপার্জিত টাকা বড় ভাইয়ের হাতে না দেওয়ায় তাদের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।এছাড়া হুমায়ুনের একাধিক বিয়ে ও পারিবারিক কলহ এই বিরোধকে আরও তীব্র করে তোলে। টাকার নেশা আর পারিবারিক অশান্তির জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে নয়নের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। শোকাতুর স্বজনরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত

পাবনার ভাঙ্গুড়া - চাটমোহর সড়কে সিএনজি মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কলেজ শিক্ষক নিহত এবং তার স্ত্রী আহত হয়েছেন। নিহত হুমায়ুন কবির মুক্তা (৪৭) ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের প্রভাষক মৃত আকবর হোসেনের ছেলে এবং ভাঙ্গুড়া সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের একাউন্টিং বিভাগের প্রভাষক। দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী উর্মি আহত হয়েছেন।এ বিষয়ে চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান, বুধবার সকালে ভাঙ্গুরা থেকে একটি সিএনজি যোগে টেবুনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মুক্তা দম্পতি। তারা চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের উথলী নামক স্থানে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় হুমায়ুন কবির তার স্ত্রী উর্মী গুরুতর আহত হয়। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার হুমায়ুন কবির জানান, আহত মুক্তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। মুক্তা এবং তার স্ত্রী উর্মিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তার মামা ভাঙ্গুড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মাহবুব উল আলম বাবলু জানান, সে কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিল, ডায়ালাসিস করার জন্য রাজশাহী যাচ্ছিল। সড়ক দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত মুক্তা বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার দুইটি মেয়ে রয়েছে।

পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, জামায়াত প্যানেলের ভরাডুবি

পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, জামায়াত প্যানেলের ভরাডুবি

পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। নির্বাচনে ফোরামের পূর্ণ প্যানেল বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে আইনজীবী অঙ্গনে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। বিপরীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল প্যানেল কোনো পদেই বিজয় অর্জন করতে পারেনি।ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান ২৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত আলহাজ অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল আহসান পেয়েছেন ১২৯ ভোট।সহ-সভাপতি পদে নজরুল ইসলাম ২৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাসুদুর রহমান পান ১২৭ ভোট।সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. আরিফ হোসেন ৩২৮ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৬৯ ভোট।সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সোহাগ ৩০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মুজিবুল হক বিশ্বাস রানা পান ২৫৬ ভোট। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে আনোয়ার হোসাইন পান ১০৯ ভোট এবং মোহাম্মদ ওমর ফারুক পান ৭৩ ভোট।লাইব্রেরি সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম।ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মাইনুল ইসলাম রুবেল ২৯৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আবু সাঈদ খান পান ৮৫ ভোট।সদস্য পদে এনামুল হক রাসেল ২৯০ ভোট এবং মারিয়াম আহমেদ ২৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পাটুয়ারী পান ১২৩ ভোট।নির্বাচনে মোট ৫২০ জন ভোটারের মধ্যে ৪০৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। একটি ব্যালট বাতিল হওয়ায় ৪০৮টি ভোট বৈধ হিসেবে গণনা করা হয়। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতপাড়া এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন

টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় টানা ৪-৫ দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের ফলে ঢাকা-সিলেটের পুরাতন মহাসড়কের রামগঙ্গা এলাকার একটি অংশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার চন্ডিছড়া-রামগঙ্গা এলাকায় সড়কের এ অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যে কোনো সময় সড়কের বড় অংশ ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে পাশের চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় প্রথমে মাটি ক্ষয় হতে থাকে। পরবর্তীতে পানির চাপ সরাসরি মহাসড়কের ওপর পড়ায় সড়কের একটি অংশ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সড়কের কিনারা ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।এদিকে বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল। পরিদর্শনকালে তিনি হাইওয়ে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করতে হবে।পরিদর্শনের সময় চ্যানেল এস কে এমপি ফয়সল বলেন,সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। বিষয়টি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও জানান। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরুর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।এলাকাবাসী জানান, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মহাসড়কের বড় অংশ ধসে গিয়ে ঢাকা-সিলেট রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত হতে পারে। এতে যাত্রী ও পরিবহন চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সামান্য বিলম্বও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

আওয়ামী আমলের অর্থনৈতিক লুটপাটে দেশ পঙ্গু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী আমলের অর্থনৈতিক লুটপাটে দেশ পঙ্গু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমলে ব্যাপক অর্থনৈতিক লুটপাটের কারণে দেশ আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও ব্যাংক খাতে দখলদারির ফলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।আওয়ামী লীগ আমলের সরকারের অর্থনৈতিক দুর্নীতি ও পাচারের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ আমলে দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের টাকা দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু বা ১৪টি মেট্রোরেল নির্মাণ করা সম্ভব ছিল।বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কে বড় মুক্তিযোদ্ধা সেই বাহাস না করে আসুন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নিই।ব্যাংক দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে ব্যাংক দখল হতো গোয়েন্দা সংস্থার ভয় দেখিয়ে, আর এখন অনেকে ‘নারায়ে তাকবীর’ বলে দখল করছে। এই দখলদারি বন্ধ হওয়া জরুরি।ব্যাংক দখল ও লুণ্ঠন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ আমল আর বর্তমান সময়ের মধ্যে দখলের ধরন হয়তো ভিন্ন হয়েছে, কিন্তু লুণ্ঠন বন্ধ হওয়া জরুরি।তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল মূলত নির্বাচনের স্বার্থে অনেক বিষয়ে আপস করে। কিন্তু সংবিধানে থাকা বিতর্কিত তফসিল এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও ভাষণ-সংক্রান্ত বিধানগুলো কেন এখনো বিলুপ্ত করা হয়নি, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি স্পষ্ট জানান, অসাংবিধানিক কোনো নির্দেশ বা জুলাই সনদের বাইরের কোনো ফর্মুলা বিএনপি মেনে নেবে না।মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দীর্ঘ সংগ্রামে রক্তের পথ মাড়িয়ে আজ আমরা এই অবস্থানে এসেছি। এই ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা করবেন না। আওয়ামী লীগ আমলে দরিদ্রদের হক যেভাবে ধনীরা লুট করেছে এবং যেভাবে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে, সেই বাস্তবতাকে ভুলে গিয়ে কেবল চেতনার রাজনীতি করলে দেশ এগোবে না।তিনি বিরোধী দলকে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংসদীয় রীতিনীতি মেনে জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান করাই হবে প্রকৃত রাজনীতি। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই সব সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকার বদ্ধপরিকর।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাক্‌স্বাধীনতার অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বাধীনতার কথা থাকলেও তা অবারিত নয়। বর্তমানে দেশে-বিদেশে বসে যেভাবে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কুৎসা রটানো হচ্ছে, তাতে আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে।তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার নামে এই কলঙ্কিত ধারা বেশি দূর এগোতে দেওয়া হবে না। গালিগালাজের প্রতিযোগিতায় যারা চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাঁদের কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় আনতে আইন মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে পুঁজি করে কোনো বিশেষ দলের ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ বরদাশত করা হবে না।জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব নিয়ে বিরোধী দল এনসিপির অবস্থানের সমালোচনা করে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি দল ৭১-এর চেতনা বিক্রি করতে করতে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এখন জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে নতুন করে ব্যবসার চেষ্টা চলছে। জুলাই বিপ্লব এ দেশের সবার।

বিদ্যুৎচালিত স্কুলবাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দিলো এনবিআর

বিদ্যুৎচালিত স্কুলবাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দিলো এনবিআর

বিদ্যুৎচালিত স্কুলবাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে ২৭ এপ্রিল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন (এসআরও) জারি করে এনবিআর। এতে বলা হয়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ইলেক্ট্রিক বাস আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর (এটি) এবং অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে কিংবা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য কোনো সংস্থা শিক্ষার্থী পরিবহনের উদ্দেশ্যে এসব বাস আমদানি করলেও একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। তবে এসব বাসের রঙ হতে হবে হলুদ এবং ‘স্কুল’, ‘কলেজ’ বা ‘স্টুডেন্ট বাস’ শব্দগুলো স্পষ্ট করে দৃশ্যমানভাবে লিখতে হবে।এছাড়া, কোনো ধরনের শুল্ক-কর পরিশোধ ছাড়াই বাস আমদানির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এনবিআরে আবেদন করলে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর। এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম খরচে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। একই সঙ্গে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীর যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ায় সড়কে যানজট কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং অভিভাবকদের পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের জন্য পরিচালিত বাস আমদানিতেও শুল্ক-কর কমানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমে গিয়ে গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে, পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় ও যাতায়াত ব্যয় হ্রাস পাবে বলে মনে করছে এনবিআর।

রাষ্ট্রপতির কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার: নাহিদ

রাষ্ট্রপতির কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার: নাহিদ

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমি রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শুনিনি, পড়িওনি। তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগকে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতার করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার, এখানে এসে বক্তব্য দেওয়ার।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় এ কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।রাষ্ট্রপতির ‘কুকীর্তি’ তুলে ধরার কথা জানিয়ে নাহিদ বলেন, তাকে তিনটি লক্ষ্য দিয়ে দুদকের কমিশনার করা হয়। এর এক নম্বর হচ্ছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিশ্চিত করা। দুই নম্বর হচ্ছে, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনশিট দেওয়া। তিন নম্বর হচ্ছে, ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা বাতিল করা। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি সরকার রাষ্ট্রপতি হিসেবে এখনো মেনে নিচ্ছে- তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংককে তুলে দেওয়ার কারিগর। এস আলম দুই কোটি আমানতকারীকে পথে বসিয়েছিল। জুলাই গণহত্যার সময় তার (রাষ্ট্রপতি) ভূমিকা, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা সবকিছু আমরা জানি। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ, মিথ্যুক, গণহত্যার দোসর এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, তখনকার পরিস্থিতি ও বর্তমান সময় এক নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সামনে দুটি বিকল্প ছিল। একটি ছিল জাতীয় সরকার গঠন, আরেকটি ছিল ক্ষমতা সেনাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দেওয়া।নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব আমরা দিয়েছিলেন, তবে তা বিএনপি নাকচ করে দেয়। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা গেলে আজ যারা সরকারে আছেন, তারা সেখানে থাকতে পারতেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা সে সময় সরকারে গিয়েছিলেন। এখন নির্বাচিত সরকার। চাইলে বিএনপি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারে। বিএনপিতে সে ধরনের যোগ্য ও আস্থাভাজন লোক রয়েছে। গাধাকে দিয়ে হাল চাষ করিয়ে কোনো ‘বাহাদুরি নেই’, এটা সরকারের দেউলিয়াত্ব।তিনি বলেন, আর্থিক খাত নিয়ে মাননীয় অর্থমন্ত্রী এক বাক্যে বারবার বলেন, বিএনপির সময়ে আর্থিক খাতে বিশৃঙ্খলার কোনো রেকর্ড নেই। উনি কিছুক্ষণ আগে অস্বীকার করেছেন যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর একটা রাজনৈতিক নিয়োগ, তাদের দলের নির্বাচন কমিটির সদস্য। তিনি অস্বীকার করলেন।টিআইবির প্রতিবেদন উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া সরকারদলীয় প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশের ঋণ রয়েছে। সংসদে সদস্যদের ১১ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে, যার অধিকাংশই সরকারি দলের। যাদের অধিকাংশই ঋণখেলাপি ছিলেন, নির্বাচনের আগে কিছু টাকা দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিল করে নিয়েছেন।নাহিদ বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিশেষত্ব হচ্ছে ঋণ পুনঃতফসিল করা। এটাতে তিনি অভিজ্ঞ, ফলে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কেন করা হয়েছে তা পরিষ্কার। হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ যাতে তিনি পুনঃতফসিল করতে পারেন, সেই সুযোগ-সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে। ফলে আর্থিক খাতের আরও নিয়োগ তারা কী বিবেচনায় দেবেন, তাদের ওপর আর আস্থা রাখতে পারছি না।'৭২-এর সংবিধানকে '৭১-এর সঙ্গে বিএনপি কোন বিবেচনায় মেলাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছিল তো আওয়ামী লীগ। আমরা এর বিরোধিতা করেছি, বিএনপির বহু নেতাও বিরোধিতা করেছিল। মওলানা ভাসানী, বদরুদ্দিন উমরসহ আরও অনেকে বিরোধিতা করেছিলেন। নাহিদ প্রশ্ন তোলেন, শুধু জামায়াত ৭২-এর সংবিধানের বিরোধিতা করেছিল বলেই কী বিএনপি আওয়ামী লীগের অবস্থানে চলে গেছে?'৭২-এর সংবিধানের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, '৭২-এর সংবিধান স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রচনা করেননি। '৭২-এর সংবিধান রচনা করেছিল ৭০-এর নির্বাচনে আইয়ুব খানের এলএফওয়ের অধীনে যারা নির্বাচিত হয়েছিল, যা হয়েছিল পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র রচনা করার জন্য। তখন থেকেই সংবিধানের সমালোচনা শুরু হয়েছিল।নাহিদ বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান উত্তরাধিকার সূত্রে অগণতান্ত্রিক। সে সময় শেখ মুজিবকে সামনে রেখে এ সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল। স্বৈরতন্ত্রের বীজ বাংলাদেশে বাহাত্তরের সংবিধানে বপন করা হয়েছিল। এ সংবিধান মুজিববাদী আদর্শে রচিত। '৭১-এর সংবিধানের বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।নাহিদ বলেন, সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ’৭২-এর সংবিধান বাতিলের সুযোগ এসেছিল। সেই সুযোগ আমরা মিস করেছি। সম্মান রেখেই বলছি, জিয়াউর রহমান সে ঐতিহাসিক ভুলটি করেছিলেন। '২৪ ও সুযোগ এসেছিল। এখনো সুযোগ মিস করে যাচ্ছি। এ বিষয়ে বিএনপি তাদের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে দাবি করে নাহিদ বলেন, তারা তাদের অবস্থান থেকে সরে গেলে, আমরাও আমাদের পূর্বের জায়গায় ফেরত গিয়ে সংবিধান পুনর্লিখনের দাবি জানাতে হবে। বিএনপি যদি '৭২-এর পক্ষে অটল থাকে।জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গজুলাই জাতীয় সনদে বিএনপি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়ার সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে সেটাকে কলুষিত করে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, যেদিন জুলাই জাতীয় সনদ সই হয়, সেদিন জুলাই জাতীয় সনদের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলোতেই পাশে একটা নোট লেখা হয়েছে। যে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের নির্বাচন ইশতেহার উল্লেখ করবো। যে দল নির্বাচনে জয়ী হবে তারা তাদের ইশতেহার অনুযায়ী সবকিছু করবে, এটার জন্য তো ঐকমত্যের কোনো প্রয়োজন নেই। বলপ্রয়োগ করে ঐকমত্য কমিশনকে চাপ দিয়ে জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ লেখানো হয়েছে বলে দাবি করে নাহিদ বলেন। তিনি মনে করেন এ বিষয়ে এখন ঐকমত্য কমিশনের বলার সময় এসেছে।গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, সবার সম্মতির ভিত্তিতেই সবাই মিলে গণভোটে অংশগ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সংস্কারের পক্ষে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা করেছেন। কিন্তু নির্বাচনের পর বিএনপি ভিন্ন অবস্থান নেয়। এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে পরিষ্কার করা প্রয়োজন ছিল যে গণভোট আপনারা মানেন না। এই গণভোটে হ্যাঁ বা না জিতুক এটার সঙ্গে আপনাদের কোনো সম্পর্ক নেই। উনারা কিন্তু সেটা করেননি।’নাহিদ বলেন, আমরা মনে করি গণভোট অনুসারে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবিধানিক সংস্থার পরিষদ গঠন করা উচিত।তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বা গণভোট যেটাই বলেন একটা উচ্চকক্ষ হবে ভোটের অনুপাতে হবে এ সরকার নিয়ে এত ঝামেলা, গত ১৬ বছর এত আন্দোলন কীভাবে নিয়োগ হবে নিয়োগটা আমাদের জানতে হবে নির্বাচন কমিশনার এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কীভাবে নিয়োগ হবে একটা নির্দলীয় গ্রহণযোগ্য নিয়োগ আমরা কীভাবে করতে পারি যেটা দেশকে বিভাজিত করবে না বিরোধীদলের পরে বিরোধীদলের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিচার বিভাগ তৈরি করা। নাহিদ বলেন, এগুলো আমরা ৫ আগস্টের পরে আসমান থেকে বলি এগুলো গত ১৬ বছর আলোচনা হয়েছে বিএনপির ৩১ দফা এই আলোচনা ছিল আরও অনেক রাজনৈতিকদলের আলোচনাতে সংস্কার আলোচনা থেকে আমরা ধার করেছিলাম হ্যাঁ বিচার বিভাগ এই মুহূর্তে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে কনসার্ন আছে কারণ আওয়ামী লীগের নিয়োগ দেওয়া অনেক বিচারক এখনো রয়ে গিয়েছে মাননীয় স্পিকার, যারা এই জামিনগুলো করিয়েছে ফ্যাসিস্ট কিন্তু সেটার একটা আপনারা করেন আমরা সহযোগিতা করবো কিন্তু তারপরেও তো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মাননীয় স্পিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিল করলেন আপনারা বলছেন ভালো আইন নিয়ে আসবেন। তো ভালো আইন যতক্ষণ পর্যন্ত আনতে পারছে না ততক্ষণ পর্যন্ত মাননীয় স্পিকার আপনাদের সমালোচনাটা সহ্য করতে হবে। আপনারা ভালো আইন নিয়ে আসুন এবং অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়ে আসুন। নাহিদ বলেন, আরেকটি বিষয় বারবার এসেছে সেটা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান। মুক্তিযুদ্ধকে আমরা শ্রদ্ধা করি। আমরা মনে করি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের নতুন রূপ তৈরি হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের নবায়ন হয়েছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের সাথে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান নেই।এটা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক করা হচ্ছে জানিয়ের নাহিদ বলেন, আমরা কেউ বলি নাই যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধের থেকে বড় বা জুলাই গণঅভ্যুত্থান '৯০- এর থেকে বড় বা '৯০-এর থেকে ছোট। জুলাই গণঅভ্যুত্থান এক বিশেষ ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে। মুক্তিযুদ্ধ এক বিশেষ ঘটনা, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ফাউন্ডেশন। এটার ব্যাপারে আমরা আপসহীন, এটা নিয়ে কোনো বিতর্কের সুযোগ নেই। তবে এই কথাটা উনারাই বারবার বলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে ছোট করছেন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সবার অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আমরা আন্দোলনের সময় থেকে এখন পর্যন্ত কখনো অস্বীকার করি নাই। এখন যদি বলা হয় যে অমুকের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, আমাদের লোকেরা এই গণঅভ্যুত্থান করেছে। এটা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে যারা সাধারণ মানুষ নেমেছিল, যারা শহীদ হয়েছে, তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সবার অংশগ্রহণ ছিল। গণঅভ্যুত্থান আমরা একসাথেই করেছিলাম। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পরে আমাদের রাস্তা রাজনৈতিকভাবে আলাদা হয়ে গেছে।নাহিদ বলেন, আমরা ভারত এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। এই সরকার আসার পরে একটা জিনিস বারবার আসছে ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী- যিনি আগের সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি যে বিবৃতি দিয়েছেন সে বিবৃতি আমাদের কাছে স্পষ্ট না। আমরা কোন ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলছি।নাহিদ বলেন, ভারতের সাথে সম্পর্ক আমরা উন্নয়ন করতে চাই। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু এই সম্পর্ক উন্নয়ন হতে হবে মর্যাদার ভিত্তিতে, সাম্যের ভিত্তিতে। ভারত শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এই দেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে, সেই দিনকে কবর দিতে হবে।আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নাহিদ বলেন, দুই মাসে বিএনপির হাতে খুন হয়েছে ৩১ জন, ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১৪টি, বিএনপির চাঁদাবাজির খবর এসেছে ৮৩টি। কিন্তু সরকার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। শাহবাগ খানার সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মী। এটার এখনো কোনো মামলা নেয়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি জানান, এই মামলাটা কেন নেওয়া হচ্ছে না। থানার ভেতর প্রবেশ করে ওসি রুমে ডাকসুর দুইজন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা করা হয়েছে।নাহিদ বলেন, জঙ্গিবাদ নিয়ে নতুন করে কথা আসছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন জঙ্গিবাদ নেই, আবার প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বলছেন জঙ্গিবাদ আছে। সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে আপনারা একটু সমন্বয় করে বক্তব্য দিন। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রশ্ন এবং এটা সরকার এককভাবে ডিল করতে পারবে না। এতে জাতীয় ঐক্য লাগবে এবং সরকারকে আমরা সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবো। তবে বিগত আমলের মতো জঙ্গিবাদকে ওয়্যার অন টেরর প্রজেক্ট হিসেবে যাতে না দেখা হয়।'সংসদে সরকারি দলের সদস্যরা যেভাবে স্তুতি করেছে, যেভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, যেভাবে গণভোটকে অস্বীকার করেছে, তাতে আমি অনেক হতাশ হয়েছি। আশা করি, আমাদের এই হতাশা অতিদ্রুতই শেষ হবে এবং আমরা যেই কমিটমেন্ট জনগণের কাছে করেছি সেই সকল প্রতিশ্রুতি আমরা রক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি

শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শ্রমিকরা দেশের উন্নয়নের ‘মূল কারিগর’। তাদের নিরলস পরিশ্রমই দেশের অর্থনীতি ও সভ্যতাকে বেগবান করছে।তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে সবার নব প্রভাত’–এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে সমুন্নত রেখে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বন্ধ কলকারখানা, চিনিকল ও রেশম কারখানা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হবে।শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত করতে সরকারের নেয়া আইনি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকলে অনুস্বাক্ষর করেছে।শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় শ্রম অসন্তোষের মতো ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। দেশের টেকসই শিল্পোন্নয়নের স্বার্থে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের শুরুতে মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী আমলের অর্থনৈতিক লুটপাটে দেশ পঙ্গু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী আমলের অর্থনৈতিক লুটপাটে দেশ পঙ্গু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাসে শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন

২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাসে শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন

বিদ্যুৎচালিত স্কুলবাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দিলো এনবিআর

বিদ্যুৎচালিত স্কুলবাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দিলো এনবিআর

১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি সই

১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি সই

জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়, বিএনপি নেতাদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী

জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়, বিএনপি নেতাদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী

পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও কমেছে: জ্বালানিমন্ত্রী

পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও কমেছে: জ্বালানিমন্ত্রী

আমরা একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আমরা একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

সংসদ পরিদর্শনে আসা নিজ কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

সংসদ পরিদর্শনে আসা নিজ কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সাক্ষাৎ

জাপানি বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

জাপানি বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে হচ্ছে মেডিকেল কলেজ: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে হচ্ছে মেডিকেল কলেজ: প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী

ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী

কারাগার থেকে ফের গৃহবন্দী অং সান সু চি

কারাগার থেকে ফের গৃহবন্দী অং সান সু চি

পাক-আফগান সীমান্তে ভারতের মদদপুষ্ট ১৩ সন্ত্রাসী নিহত

পাক-আফগান সীমান্তে ভারতের মদদপুষ্ট ১৩ সন্ত্রাসী নিহত

মার্কিন অবরোধ ব্যর্থ হতে বাধ্য: ইরানের প্রেসিডেন্ট

মার্কিন অবরোধ ব্যর্থ হতে বাধ্য: ইরানের প্রেসিডেন্ট

বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের দেয়াল ধসে নিহত ৭

বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের দেয়াল ধসে নিহত ৭

সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির

সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই।শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের দায়িত্বশীল সম্মেলনে মেয়র নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সম্মেলনে সাদিক কায়েম নিজেও উপস্থিত ছিলেন। পরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।এছাড়া দলটির সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদিক কায়েম। তবে প্রার্থিতা ঘোষণার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।অন্যদিকে শিবিরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় একজন দায়িত্বশীলকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার সংবাদ কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইসলামী ছাত্রশিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই।ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেওয়ার পর যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অতএব, বর্তমান সেশনের কোনো দায়িত্বশীলকে নিয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কেউ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

সংবিধান পরিবর্তনের আন্দোলন করতে পারি, বিদ্রোহ করবো না: বিরোধীদলীয় নেতা

সংবিধান পরিবর্তনের আন্দোলন করতে পারি, বিদ্রোহ করবো না: বিরোধীদলীয় নেতা

রাষ্ট্রপতির কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার: নাহিদ

রাষ্ট্রপতির কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার: নাহিদ

আমাদের অধিকার খর্ব করবেন না: বিরোধী দলীয় নেতা

আমাদের অধিকার খর্ব করবেন না: বিরোধী দলীয় নেতা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের নতুন কর্মসূচি

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের নতুন কর্মসূচি

আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই, সংসদে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই, সংসদে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ২

কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ২

মে দিবস: চা শ্রমিকের ঘামে চা উৎপাদন বাড়লেও কাটেনি দারিদ্র্যের অন্ধকার

মে দিবস: চা শ্রমিকের ঘামে চা উৎপাদন বাড়লেও কাটেনি দারিদ্র্যের অন্ধকার

মে দিবস উপলক্ষে কোনাবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মে দিবস উপলক্ষে কোনাবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মহান মে দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'কোনাবাড়ী বাসী ব্লাড ফাউন্ডেশন'-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এম এ কুদ্দুস উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।বাবুল হোসেন ফাউন্ডেশন ও পিজ্জা মেকারের সার্বিক সহযোগিতায় এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল কোনাবাড়ী প্রেসক্লাব। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন কোনাবাড়ী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন।ক্যাম্পের মাধ্যমে স্থানীয় এলাকাবাসী, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, চক্ষু পরীক্ষা এবং চশমা প্রদান করা হয়। মে দিবসের ছুটিতে শ্রমজীবী মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।আয়োজক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, অনেক শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষ তাদের রক্তের গ্রুপ জানেন না কিংবা চোখের সমস্যা থাকলেও পরীক্ষা করান না। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা ও চশমা দেওয়ার এই পদক্ষেপ নিয়েছি।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাবুল হোসেন বলেন, 'কোনাবাড়ী বাসী' গ্রুপটি নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সমাজের সমস্যা সমাধানে তাদের এই মহতী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে আমি এখানে এসেছি। তাদের সকল জনকল্যাণমূলক কাজে আমি সবসময় পাশে থাকবো।

খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও কৃষকের সচ্ছলতা ফেরাতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. খন্দকার মারুফ

খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও কৃষকের সচ্ছলতা ফেরাতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. খন্দকার মারুফ

ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক

ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক

টুঙ্গিপাড়ায় দুনিয়ার মজদুর এক হও স্লোগানে মুখরিত মহান মে দিবস পালিত

টুঙ্গিপাড়ায় দুনিয়ার মজদুর এক হও স্লোগানে মুখরিত মহান মে দিবস পালিত

টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন

টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত

পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, জামায়াত প্যানেলের ভরাডুবি

পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, জামায়াত প্যানেলের ভরাডুবি

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

দেশে কিউ স্পোর্টসের প্রসার ও প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে ৩৯তম জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ বিলিয়ার্ড অ্যান্ড স্নুকার ফেডারেশন-এর আয়োজনে এবং ঢাকা বোট ক্লাব-এর সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার বোট ক্লাব প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনের আগে একই ভেন্যুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুবেল আজিজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকার মো. শামসুদ্দিন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্যরা।আয়োজকরা জানান, এবারের আসরে দেশের ৩২টি ক্লাবের মোট ১৮৩ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। অ্যাম্বার গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতা এবং এমিনেন্স সোর্সিং ও রশিদ গ্রুপের সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেভারেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরসি কোলা ও মিনারেল ওয়াটার ব্র্যান্ড মাম, আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে ইমপ্যাক্ট পিআর।পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন পাবেন নগদ ১ লাখ টাকা এবং রানার্স আপ ৫০ হাজার টাকা। সেমিফাইনালে ওঠা প্রতিযোগীরা পাবেন ২০ হাজার টাকা করে। এছাড়া ৫০ বা তার বেশি ব্রেক করা খেলোয়াড়দের জন্যও রয়েছে বিশেষ পুরস্কার।সংবাদ সম্মেলনে রুবেল আজিজ বলেন, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন কিউ স্পোর্টসকে দেশে আরও জনপ্রিয় করে তুলবে এবং নতুন প্রতিভাদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। তবে স্নুকার টেবিল আমদানিতে উচ্চ ভ্যাটের বিষয়টি খেলাটির বিস্তারে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।অন্যদিকে সরকার মো. শামসুদ্দিন বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, এবারের প্রতিযোগিতায় ব্যাপক অংশগ্রহণ দেশের স্নুকারের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার প্রতিফলন এবং এটি নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ক্লাব ও স্নুকার একাডেমির অংশগ্রহণে জমজমাট এই প্রতিযোগিতা আগামী দিনগুলোতে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সামনে ১৮৩ রানের লক্ষ্য

বাংলাদেশের সামনে ১৮৩ রানের লক্ষ্য

সেঞ্চুরি করেই মাঠ ছাড়লেন শান্ত

সেঞ্চুরি করেই মাঠ ছাড়লেন শান্ত

আজ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাকার জন্মদিন

আজ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাকার জন্মদিন

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

সরকে চুনর তেরি- গান ঘিরে তৈরি বিতর্কের প্রেক্ষিতে মহিলা কমিশনে হাজির হয়ে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। কমিশনের সামনে দেওয়া বক্তব্যে সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, তার উদ্দেশ্য কখনোই সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলা ছিল না। একই সঙ্গে তিনি একটি সামাজিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন—৫০ জন আদিবাসী কন্যাশিশুর সম্পূর্ণ শিক্ষার দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।এই বিতর্কে নাম জড়ালেও এদিন উপস্থিত ছিলেন না অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। বিদেশে অবস্থানের কারণে তিনি আগেই সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তার জন্য নতুন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।মূলত কে ডি: দ্য ডেভিল ছবির হিন্দি সংস্করণের একটি গানকে ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গান প্রকাশের পর এর ভাষা ও উপস্থাপনা নিয়ে একাংশ আপত্তি তোলে। বিশেষ করে গানের কিছু অংশকে অশালীন বলে অভিযোগ করা হয় এবং নোরা ফাতেহির নৃত্যভঙ্গিমা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।সবশেষে কমিশনের সামনে সঞ্জয় দত্ত আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে তার সঙ্গে যুক্ত যেকোনো কাজে নারী ও শিশুদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন উপস্থাপনা যেন না থাকে, সে বিষয়ে তিনি আরও সতর্ক থাকবেন।সম্প্রতি ২৫ এপ্রিল নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। ৩৩ বছর পর ‘খলনায়ক’-এর সিকুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নিয়ে তিনি আবারও দর্শকের সামনে আসছেন।

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

ভারতের আম আদমি পার্টি (আপ) ছেড়ে গত শুক্রবার ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগদানের ঘোষণা দিয়ে চমকে দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। তার এই দলবদল নিয়ে যখন পুরো ভারতজুড়ে রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে, তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ। একটি বিতর্কিত মিম শেয়ার করে এবার বড়সড় বিপাকে পড়েছেন এই প্যান ইন্ডিয়া তারকা। নিজের সোজাসাপ্টা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ রাজ সবসময়ই পরিচিত। রাঘব চাড্ডার দলবদল প্রসঙ্গে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মিম শেয়ার করেন যেখানে লেখা ছিল, ‘আমি পুলিশ বাহিনী ছাড়ছি কারণ তারা অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। আর এই কারণেই আমি এখন দাউদ ইব্রাহিমকে আমন্ত্রণ করতে চলেছি।’ মিমটির ক্যাপশনে অভিনেতা শুধু লিখেছেন, ‘শুধু জিজ্ঞাসা করছি’। প্রকাশের এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। নেটিজেনদের একাংশ বিষয়টিকে কুরুচিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘স্যার, আপনার ভাষার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।’ অন্যজন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এটা কি একজন প্যান ইন্ডিয়া অভিনেতার ভাষা হতে পারে?’ অনেকেই দাবি করেছেন, অভিনেতার রাজনৈতিক হতাশা থেকেই এই ধরনের মন্তব্যের জন্ম।তবে শুধু প্রকাশ রাজ নন, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও রাঘব চাড্ডার এই সিদ্ধান্তে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একটি ভিডিও বার্তায় ধ্রুব রাজনীতিকে ‘সবচেয়ে বড় প্রতারক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, ইডি ও সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতেই ভয়ে আপ ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন রাঘব।

চুম্বন দৃশ্য নিয়ে যা বললেন কাজল

চুম্বন দৃশ্য নিয়ে যা বললেন কাজল

বলিউড ইন্ডাস্ট্রি মাতিয়েছেন ‘সিমরান’ আর ‘অঞ্জলি’সগ অসংখ্য দর্শক নন্দিত সিনেমা দিয়ে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘কভি খুশি কভি গম’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে নিজেকে এতোটা বোল্ড হননি কাজল। পর্দায় চুম্বন দৃশ্য নিয়ে আপোষ করেননি কখনো। তবে ২০২৩ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখতেই ঘটেছে সেই দীর্ঘদিনের নিয়মের ব্যত্যয়। ‘দ্য ট্রায়াল: লাভ, কানুন, ধোকা’ সিরিজে সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার একটি চুম্বন দৃশ্য শোরগোল ফেলে দেয় নেটদুনিয়ায়। ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগে, ক্যারিয়ারের এত বছর পর কেন নিজের নীতি ভাঙলেন এই অভিনেত্রী?সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা চরিত্রের দাবিতেই করা। সিরিজে আমার অভিনীত ‘নয়নিকা সেনগুপ্ত’ যা হতে চায়, যা ভাবে কিংবা যা পায় না সেই লড়াইয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল ওই মুহূর্তটি। এটা কেবল একটি চুমুর দৃশ্য ছিল না; বরং সে কাকে বিশ্বাস করত আর কাকে বিশ্বাস করতে পারত না, এটি ছিল তার প্রতিফলন।’চিত্রনাট্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কাজল আরও বলেন, ‘দৃশ্যটি চিত্রনাট্যের জন্য এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে আমি বাদ দিতে পারিনি। ওটা বাদ দিলে চরিত্রটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অপূর্ণ থেকে যেত।’তবে দৃশ্যটি করার আগে মনে বেশ দ্বিধা ছিল কাজলের। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। সেটে দাঁড়ানোর আগে পর্যন্ত ধারণাটা আমার কাছে অদ্ভুত লাগছিল। নিশ্চিত ছিলাম না যে আদৌ কাজটা করতে পারব কি না, নাকি ‘কাট’ বলে বেরিয়ে আসব। তবে শেষ পর্যন্ত সব স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি ছিল সম্পূর্ণ একটি পেশাগত সিদ্ধান্ত।’উল্লেখ্য, ‘দ্য ট্রায়াল’ একটি কোর্টরুম ড্রামা যেখানে স্বামীর স্ক্যান্ডালের পর একজন নারীর পুনরায় আইনি পেশায় ফিরে আসার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। সিরিজটিতে কাজলের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন টলিউড সুপারস্টার যিশু সেনগুপ্ত। এর দ্বিতীয় সিজনটি ২০২৫ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব

বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব

রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই অভিনেত্রীকে।ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশে গম পাঠানোকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত।ধারণা করা হচ্ছে, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।তবে সূত্রের খবর, ২২ এপ্রিল কলকাতায় ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তদন্তকারীদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন নুসরাত জাহান। তিনি কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চান। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাঁচ বছরের জন্য বসিরহাট লোকসভা আসনের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান। সেই সময় দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হলেও পরবর্তী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।তবে দলটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এখনও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ইডির এই তলবের পর নুসরাত কী পদক্ষেপ নেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। একইসঙ্গে তার আইনজীবীরা কী অবস্থান নেন, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

কথায় নয়, কাজেই পরিচয: তানজিন তিশা

কথায় নয়, কাজেই পরিচয: তানজিন তিশা

তানজিন তিশা অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ফ্যাশন সেন্স নিয়েও বেশ সচেতন। সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই নিজেকে মেলে ধরেন নানা রূপে ও সাজে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একগুচ্ছ নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। সেখানে তার সাজ ও আভিজাত্য ভক্ত-অনুরাগীদের বেশ নজর কেড়েছে। বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা মাঝেমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে থাকেন। কখনো অভিনয়ের প্রশংসা, আবার কখনো ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের জেরে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনায় থাকেন এ তারকা। বর্তমানে তানজিন তিশা বিভিন্ন ইভেন্ট ও ফটোশুটে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এর আগে ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকে অভিনয় করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। যদিও এ নাটকটি ঘিরে তিশার বিরুদ্ধে একটি বিতর্কও দানা বেঁধেছিল। এদিকে ছবিতে দেখা গেছে, অভিনেত্রীকে একটি প্যাস্টেল শেডের কারুকাজ করা শাড়িতে। হালকা গোলাপি রঙের এ শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে ফুল স্লিভ ব্লাউজ ও গলায় ভারি চকার তার লুকে এনেছে রাজকীয় আভা। কানের দুল আর খোঁপা করা চুল তার এই বিশেষ সাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মেকআপেও ছিল তানজিন তিশার স্নিগ্ধতার ছাপ। গোলাপি আইশ্যাডো ও লিপস্টিকে তাকে বেশ প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল।পোস্ট করা ছবিতে আরও দেখা গেছে, অভিনেত্রীর নানা ঢঙে পোজ ছিল বেশ নজরকাড়া। কখনো বসে, আবার কখনো দাঁড়িয়ে মিষ্টি হেসে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন তিনি। কোনো ছবিতে তার চোখের মায়াবী চাহনি দিতেও দেখা যাচ্ছে। নিজের এই লুক তানজিন তিশার কতটা পছন্দ হয়েছে তা বোঝা যায় তার দেওয়া ক্যাপশনেও। অভিনেত্রী ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন— এই সাজকে ভীষণ ভালোবেসে ফেলেছি। একই ফটোশুটের ছবি আরও একটি পোস্টে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন— কথায় নয়, কাজেই পরিচয়।তানজিন তিশার এ ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করতেই মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। অসংখ্য লাইক ও কমেন্ট করেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসায় মেতে উঠেন নেটিজেনরা। বেশ কয়েকজনের মন্তব্য এমন— দেখে সুন্দর, অনন্য লাগছে, শাড়িতে মানিয়েছে।

আমেরিকায় রেকর্ড করলো বনলতা এক্সপ্রেস

আমেরিকায় রেকর্ড করলো বনলতা এক্সপ্রেস

উত্তর আমেরিকার (কানাডা ও আমেরিকা) বক্স অফিসে আয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। সেখানে মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় ছবিটি ছাড়িয়ে গেছে এ যাবৎকালে আয়ের শীর্ষে থাকা সিনেমা ‘হাওয়া’-র লাইফটাইম গ্রস কালেকশনকে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিনেমাটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক ‘স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো’ ও বক্স অফিস ট্র্যাকার ‘কমস্কোর’। জানিয়েছে, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহেই ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার আয় করে সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বর্তমানে ৫৪টি থিয়েটারে প্রদর্শিত হওয়া সিনেমাটি ইতোমধ্যেই বক্স অফিসে শীর্ষস্থান দখল করেছে।এর আগে উত্তর আমেরিকার বাজারে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি মোট ৩ লাখ ৫৮ হাজার ডলার আয় করেছিল; এবার তার রেকর্ড ভেঙেছে বনলতা এক্সপ্রেস।সিনেমাটির অভাবনীয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সিনেমার অন্যতম অভিনেত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টও দিয়েছেন। অন্যদিকে সিনেমার পরিচালক তানিম নূর দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, এই অর্জন আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলা সিনেমার সম্ভাবনাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে। উল্লেখ্য, তানিম নূর পরিচালিত ও বুড়িগঙ্গা টকিজ প্রযোজিত এই সিনেমাটি গেল শুক্রবার থেকে উত্তর আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যে মোট ২২টি থিয়েটারে তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। তারকাবহুল এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, ইন্তেখাব দিনার, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর ও শরীফুল রাজসহ আরও অনেকে। সিনেমাটির সহ-প্রযোজনায় রয়েছে হইচই প্রোডাকশন।

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অতিরিক্ত থেকে মাউশি ডিজির চলতি দায়িত্ব পেলেন ড. সোহেল

অতিরিক্ত থেকে মাউশি ডিজির চলতি দায়িত্ব পেলেন ড. সোহেল

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

শিক্ষা অফিসারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত

শিক্ষা অফিসারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য মাউশির নির্দেশনা

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য মাউশির নির্দেশনা

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ধাপে ধাপে হবে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ

ধাপে ধাপে হবে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ

তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে এর জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রথম ধাপেই মূল বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।এর আগে, গত ২১ এপ্রিল জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করে সরকার। এদিকে কমিটি সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য সুপারিশ জমা দিয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।জানা যায়, এই সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আর্থিক চাপ বিবেচনায় রেখে নবম পে স্কেল একাধিক ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন এলে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, এরপর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বাড়ানো হতে পারে। তবে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে হবে।উল্লেখ্য, সর্বশেষ অষ্টম পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। এরপর দীর্ঘ ১১ বছর অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি।পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন করে পে-কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সুপারিশ জমা দেয় তারা।সেই সুপারিশ অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যেখানে অনুপাত হবে ১:৮। উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালের প্রথম বেতন কমিশনে এই অনুপাত ছিল ১:১৫.৪, আর ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে তা কমে দাঁড়ায় ১:৯.৪। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোয় এই অনুপাত আরও কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আনা হয়েছে।প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা ভাতাসহ মোট দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। নতুন স্কেলে একই গ্রেডে মূল বেতন ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হলে ভাতাসহ মোট আয় বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় পৌঁছাতে পারে।১৯তম থেকে ১ম গ্রেড পর্যন্ত সব স্তরেই ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে, তবে ভারসাম্য বজায় রাখতে এই বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে সীমিত রাখা হতে পারে। যাতায়াত ভাতা, টিফিন ভাতা, ধোলাই ভাতা ও ঝুঁকি ভাতার মতো সুবিধাগুলো নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরাও পেয়ে থাকেন এবং এসব ক্ষেত্রেও সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে।তবে গাড়ি সুবিধা নগদায়নের ভাতা (৫ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব) এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি। ফলে ১ম থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত ভাতা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম দেখা যেতে পারে।এছাড়া বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল

রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ার ৯০% ঋণ, বাংলাদেশ ২৮ বছরে পরিশোধ করবে

রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ার ৯০% ঋণ, বাংলাদেশ ২৮ বছরে পরিশোধ করবে

ফের কমলো সোনা ও রুপার দাম

ফের কমলো সোনা ও রুপার দাম

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী ইঞ্জি. ওয়ালিদ আবদুল করিম আল খুরেইজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।রিয়াদে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে হুমায়ুন কবির সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সংহতির বার্তা হস্তান্তর করেন।বৈঠকে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে নতুন সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার ও বহুমুখী করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ তুলে ধরেন।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সকে তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী ওয়ালিদ আবদুল করিম আল খুরেইজি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রদত্ত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

বাংলাদেশে উন্নত সোলার এনার্জি স্টোরেজ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

বাংলাদেশে উন্নত সোলার এনার্জি স্টোরেজ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের জন্য উন্নত এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম সিরিজ নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। সিরিজটির উন্মোচন উপলক্ষে আজ ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিল্পখাতের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, শিল্পপতি, শিল্পকারখানার স্বত্বাধিকারী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শীর্ষ শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।বর্তমানে শিল্পখাত পরিচালন ব্যয় ও জ্বালানি ব্যবহারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হুয়াওয়ের নতুন LUNA2000 সিরিজ একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। দেশীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করা এই সিস্টেমটি স্থানীয় শিল্পখাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় একটি শক্তিশালী, উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং নিরাপদ সমাধান প্রদান করবে।হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ; হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার বিভাগের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কমার্শিয়াল, ইন্ডাস্ট্রিজ এন্ড রেসিডেনশিয়াল বিজনেস ডিপার্টমেন্ট-এর প্রেসিডেন্ট হে লেই; হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চ-এর পরিচালক মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী সিরিজটি উদ্বোধন করেন।হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ বলেন, “বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সৌরশক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করছে। এখন পর্যন্ত আমাদের ডিজিটাল পাওয়ার সল্যুশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর পাশাপাশি আমাদের প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এ পর্যন্ত দেশে দুই লাখ টনেরও বেশি কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে যেমন আমরা এই খাতে উন্নত সমাধান দিয়ে সহায়তা করে আসছি, ভবিষ্যতেও তেমনি সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চাই।”হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং বলেন, “হুয়াওয়ের পিভি ও ইএসএস সমাধান ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আরও উন্নত এনার্জি স্টোরেজ এনেছি। আমাদের নতুন সল্যুশনে উন্নত নিরাপত্তার জন্য সেল-টু-কনজাম্পশন ডুয়াল-লিংক সেফটি আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে এবং আধুনিক হাইব্রিড কুলিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ৯১.৩% রাউন্ড-ট্রিপ দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং শিল্প সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”এই নতুন বিইএসএস (ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম)-এ একটি বিশেষ ‘প্যাক অপ্টিমাইজার’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারির শতভাগ শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর ফলে ব্যাটারির পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব। পাশাপাশি, একটি 'অ্যাক্টিভ ব্যালেন্সিং মডিউল' ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়িয়ে স্টেট অব হেলথ (SOH) উন্নত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এর স্মার্ট ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারির চার্জের মাত্রা (SOC) নিয়ন্ত্রণ করে।এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা করা হয়। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চ (CER)-এর পরিচালক মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী এবং হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের হে লেই বর্তমানে শিল্পখাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।শাহরিয়ার আহমেদ “বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ: চ্যালেঞ্জ, প্রবণতা ও উদ্ভাবন” নিয়ে তাঁর মতামত তুলে ধরেন। হে লেই “মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কীভাবে এপ্যাক অঞ্চলের বাণিজ্যিক ও শিল্প ফোটোভোলটাইক (C&I PV) এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS)-এর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জকে প্রভাবিত করছে” তা তুলে ধরেন।এছাড়া হুয়াওয়ে ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও গ্রাহক পর্যায়ের বেশ কিছু বাস্তব উদাহরণ উপস্থাপন করেন।

ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে দেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু করল এসকেএফ ও নভো নরডিস্ক

ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে দেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু করল এসকেএফ ও নভো নরডিস্ক

ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারে একসাথে কাজ করবে গ্রামীণফোন ও শিখো

ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারে একসাথে কাজ করবে গ্রামীণফোন ও শিখো

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা এবং নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে একটি মসজিদের ইমামের মাদরাসাছাত্রী মেয়েকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং লুটপাটের ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এ ঘটনা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনকভাবে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারা চরম উদ্বেগজনক। আমি অবিলম্বে অপহৃত মেয়েটিকে অক্ষত উদ্ধার, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরো বলেন, যাদের ছত্রছায়ায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে, সামাজিকভাবে এদেরকে বয়কট করতে হবে এবং দেশবাসীকে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়ে কোনোভাবেই এ ধরনের বর্বরতা চলতে দেওয়া যায় না।

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

শিরোনাম
সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির মে দিবস উপলক্ষে কোনাবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ২ মে দিবস: চা শ্রমিকের ঘামে চা উৎপাদন বাড়লেও কাটেনি দারিদ্র্যের অন্ধকার খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও কৃষকের সচ্ছলতা ফেরাতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. খন্দকার মারুফ শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান টুঙ্গিপাড়ায় দুনিয়ার মজদুর এক হও স্লোগানে মুখরিত মহান মে দিবস পালিত টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত সংগঠনে থাকাবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: শিবির মে দিবস উপলক্ষে কোনাবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ২ মে দিবস: চা শ্রমিকের ঘামে চা উৎপাদন বাড়লেও কাটেনি দারিদ্র্যের অন্ধকার খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও কৃষকের সচ্ছলতা ফেরাতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. খন্দকার মারুফ শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই সরকার শ্রমকল্যাণে কাজ করছে: রাষ্ট্রপতি ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন, ভিডিও কলে মরদেহ দেখাল ঘাতক শুরু হলো বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান টুঙ্গিপাড়ায় দুনিয়ার মজদুর এক হও স্লোগানে মুখরিত মহান মে দিবস পালিত টানা ভারি বৃষ্টিতে মহাসড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল, স্থানীয় এমপির পরিদর্শন ট্রাম্পসহ শান্তিতে নোবেলের দৌঁড়ে ২৮৭ প্রার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত