ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।বিস্তারিত আসছে...

কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা

কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এই নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এ সব কথা বলেছেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের মতো করে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকেই সেটি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।’তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। অন্য নির্বাচনগুলো আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সেই কাঠামোর মধ্যে পড়ে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকার ও কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টিকে সংঘাত বা গ্যাপ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে।’তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।ডা. জাহেদ আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ভাবে সংসদ ও রাষ্ট্রপতি, এই ২টি নির্বাচন করতে পারে। অন্যান্য নির্বাচনে সরকারের সাথে কোলাবরেট করে থাকতে হয়। সরকার নির্বাচন কমিশনের সাথে আলোচনা করে নির্বাচন করবে। এটা কোনো সংঘাত নয়।’তিনি বলেন, ‘এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দল অংশ নিচ্ছে না; নির্বাচন করছে ব্যক্তিরা। কে কোন দল করছে, এটা কোনো ইস্যুই নয়।’

শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তারা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকবো। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালেও সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে।’ পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তারা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার। মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।

  • রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের

  • ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

    ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

  • হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম

    হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম

  • অপেক্ষা শেষে কাদের-সাদ্দামদের বিচারের রায় আজ

    অপেক্ষা শেষে কাদের-সাদ্দামদের বিচারের রায় আজ

  • আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

    আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

  • সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত

    সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত

সব খবর

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীতে সিরডাপ ভবনে জলবায়ু বিষয়ক সেমিনারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ওপর তৈরি হয়েছে বাড়তি পরিবেশগত চাপ। তাই, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।তিনি জানান, আসন্ন কপ সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়া জলবায়ু অর্থায়ন আরো অনুদান ভিত্তিক সহ চারটি দাবি ৮১তম সাধারণ অধিবেশন বাংলাদেশ তুলে ধরবে।সাংবাদিকদের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন ঋণ হিসেবে নয়, কার্যকর সহায়তা হিসেবে চায় বাংলাদেশ। এছাড়া পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার কথা জানান তিনি।জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।

উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে মদের পাহাড়, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ২

উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে মদের পাহাড়, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ২

‎রাজধানীর উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মদ-বিয়ারসহ সহকারি ম্যানেজার ও কম্পিউটার অপারেটরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। এ সময় প্রায় ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের দেশি-বিদেশি মদ ও ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১২ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের আজিজ স্কয়ারে অবস্থিত উত্তরা লিবার্টি ক্লাবের পঞ্চম তলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।‎গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ক্লাবের সহকারী ম্যানেজার মো. রাসেল (২৮) ও কম্পিউটার অপারেটর মো. নয়ন মিয়া (৩৮)।‎র‌্যাবের তথ্যমতে, অভিযানে ক্লাবের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে মোট ৭৭৯টি বিদেশি বিয়ার ক্যান এবং দেশি-বিদেশি মদের বোতল জব্দ করা হয়। এসব মাদকদ্রব্যের পরিমাণ ৪৭০ দশমিক ৮৬ লিটার এবং আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানের সময় ক্লাবের সভাপতি, কর্মচারীসহ আরও কিছু ব্যক্তি র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার দুইজন ও জব্দ করা মালামাল উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তারা।

চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি

চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি

চীনে নাগরিকদের বিদেশ যাওয়া ও বিদেশ থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে নতুন বিধি কার্যকর হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এর ফলে দেশের নাগরিকদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হতে পারে। খবর বিবিসির। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানকালে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা বা স্বার্থের ‘ক্ষতি’ করেছেন বলে বিবেচিত নাগরিকদের দেশে ফেরার পর সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত আবার চীন ছাড়তে নিষেধ করা হতে পারে। এ ছাড়া প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করলেও কাউকে বিদেশযাত্রা থেকে নিষিদ্ধ করা যাবে।চীনা কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন বিধির উদ্দেশ্য হলো ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা করা’। সাধারণ নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর এতে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি বলেও দাবি করেছে তারা।তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, নতুন নিয়মের মাধ্যমে বিদেশে থাকা চীনা নাগরিকদের কর্মকাণ্ডের ওপর বেইজিংয়ের চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা আরও বাড়বে।জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এশিয়ান ল-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক টম কেলগ বিবিসি চীনা বিভাগকে বলেন, ‘চীনা নাগরিকেরা বিদেশে কী করেন এবং কী বলেন, তা নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি আরেকটি হাতিয়ার।’তিনি বলেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে বিদেশে চীনা সরকারের সমালোচনা ঠেকাতে অথবা অধিকার নিয়ে কাজ করার কারণে কাউকে শাস্তি দিতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ সরাসরি পাসপোর্ট দিতে অস্বীকৃতি জানায়।’ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া নতুন বিধি অনুযায়ী, কোনো চীনা নাগরিক এমন প্রযুক্তি আমদানি বা রপ্তানি সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গ করলে, যা ‘জাতীয় শিল্প বা প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে’, তাকে দেশ ছাড়তে নিষেধ করা হতে পারে।চীনা সরকারের গুজব খণ্ডনকারী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত পিয়াও গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে বলেছে, নতুন বিধি ‘সাধারণ নাগরিকদের ভ্রমণ সীমিত করার জন্য নয়’। বরং ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্য এবং অস্বাভাবিক ভ্রমণ আচরণ করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।বিবৃতিতে বলা হয়, মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে নিয়ে যাওয়া, কিংবা বিদেশে অবৈধ জুয়া ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার মতো ‘সমস্যা’ মোকাবিলার জন্যই এসব বিধি প্রণয়ন করা হয়েছে।প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চীনা নাগরিকেরা নিজেরা যাচাই করতে পারেন না যে তাদের ওপর বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি না। সাধারণত সরকারি লিখিত বা মৌখিক কোনো নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত মানুষ জানতে পারেন না যে তারা নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় অথবা দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলেই অনেক ক্ষেত্রে বিষয়টি জানা যায়।চীনের প্রশাসনিক লাইসেন্স আইন অনুযায়ী, কোনো প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা করার কথা। কিন্তু বিবিসির সঙ্গে কথা বলা কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, বাস্তবে এই নিয়ম সবসময় কার্যকর হয় না। এ বিষয়ে বিবিসি চীনের পক্ষ থেকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো জবাব দেয়নি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় চীনা রাষ্ট্রদূত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দুই দেশের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কাজ আরো গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, রাজনৈতিক এটাচে লিং শুয়ান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম, এপিএস জাহেদুল আলম।

কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল জব্দ কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মঈনপুর, কসবা, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল ও খারেরা বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) জানায়, অভিযানে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, মোবাইল ফোন, বাসমতি চাল, গরু, অলিভ অয়েল, বাজি, জিরা, ইস্কাপ সিরাপ, গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসির দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় এসব অভিযান পরিচালিত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বিজিবি জানায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনা ‘বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’—এই মূলমন্ত্রে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, পুশ-ইন, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

যেকোনো মূল্যে জাতির প্রত্যাশা বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ দীর্ঘ ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস বয়ে চলেছে। এ দেশের মানুষ বারবার রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পুনরুদ্ধার করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ইতিহাসজুড়ে স্বৈরাচারী মনোভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নানাভাবে হরণ করা হয়েছে। এমনই এক প্রেক্ষাপটে দেশের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত করেছে। এই বিপ্লব ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো মূল্যে জাতির প্রত্যাশা বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে।১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’। গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। জনগণ ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, সামাজিক সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তারা ক্ষমতায় এসে সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে।বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশে ইনসাফ, সততা এবং মানবিক মূল্যবোধনির্ভর বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের এই বিশেষ দিনে গণতন্ত্রকে সুসংহত এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জামায়াতে ইসলামী দেশবাসীর নিকট প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছে। এই লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী দেশে সমতা, আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিকে আর কোনোভাবেই গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো অভিশাপের দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না।তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রশাসনকে সংকীর্ণ দলীয়করণ মুক্ত করতে হবে। জাতিকে ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও দখলদারি মুক্ত করতে হবে। শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং সত্যিকারের গণমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে হবে।বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং ন্যায্য নাগরিক সুবিধা আদায় ও যেকোনো ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনতার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ সফররত ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জুলাই সনদ, সংসদীয় কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।ফরাসি প্রতিনিধিদলে ছিলেন সিনেটর গিয়োম শেভ্রিয়েঁ, সিনেটর পিয়ের-আলাঁ রোয়েরোঁ এবং সিনেটর অলিভিয়ের হেনো। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে এবং ঢাকায় ফ্রান্স দূতাবাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ক্রিশ্চিয়ান বেক।জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।বৈঠকে দুই পক্ষ বাংলাদেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে মতবিনিময় করেন। জামায়াতের প্রতিনিধিদল দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং চলমান রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন ফরাসি প্রতিনিধিদলের কাছে তুলে ধরেন।জামায়াতের প্রতিনিধিরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অর্থবহ ও টেকসই সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা জুলাই সনদ, দেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় এর গুরুত্ব এবং সনদে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারগুলোকে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।এ সময় জামায়াতের প্রতিনিধিরা প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা বা যথাযথ উদ্যোগের অভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার কোনোভাবেই বিলম্বিত করা উচিত নয়। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, তা দেশের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিফলিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে টেকসই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সব রাজনৈতিক পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।বৈঠকে সংসদীয় কার্যক্রম ও সংসদীয় গণতন্ত্র নিয়েও আলোচনা হয়। জামায়াতের প্রতিনিধিরা জাতীয় সংসদের ভূমিকা ও কার্যকারিতা আরও শক্তিশালী করা, বিরোধী দলগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংসদীয় চর্চা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে সমাধানের ওপরও তাঁরা গুরুত্ব দেন।বৈঠকে বিরোধী দলগুলোর চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন নিয়েও আলোচনা হয়। জামায়াতের প্রতিনিধিদল বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচি, বিশেষ করে লংমার্চ, এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে ফরাসি সিনেটরদের অবহিত করেন। তাঁরা বলেন, রাজনৈতিক অধিকার ও দাবি আদায়ের কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব বিশেষ গুরুত্ব পায়। জামায়াতের প্রতিনিধিদল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানের কথা তুলে ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন কর্মসূচি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ফরাসি সিনেটররা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সংসদীয় গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জামায়াতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় কর্মস্থলে মাটিচাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার এক প্রবাসী যুবক। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কাজের সময় হঠাৎ মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।নিহত মো. শরিফুল ইসলাম ফকির উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের মধ্যেপাড়া এলাকার মো. নজরুল ইসলাম ফকিরের ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তিনি মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। স্বজনরা জানান, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও শরিফুলের সঙ্গে হাসিমুখে কথা হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, “আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে বিয়ে করব।” দেশে ফিরে নতুন জীবন শুরু করার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। ডিসেম্বরে বিয়ের বদলে তার নিথর দেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় এখন পরিবার।শরিফুলের পরিবারে নেমে এসেছে একের পর এক নির্মম শোক। তার মেজো ভাই মাত্র সাত বছর বয়সে মারা যান। বড় ভাইও প্রতিবন্ধী। ফলে পরিবারের একমাত্র উপার্জনের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছিলেন শরিফুল। পরিবারের স্বচ্ছলতার আশায় প্রবাসে গিয়েছিলেন তিনি। পরপর দুটি সন্তান হারানোর এই পাহাড়সম শোক এখন বইতে হচ্ছে শরিফুলের বৃদ্ধ বাবা মো. নজরুল ইসলাম ফকিরকে। একদিকে ছোটবেলায় এক সন্তানকে হারানোর বেদনা, অন্যদিকে প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘদিনের সংগ্রাম—এর মধ্যে পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ছেলেকেও হারিয়ে যেন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি।পরিবারের স্বপ্ন ছিল, প্রবাসে পরিশ্রম করে একদিন শরিফুল হাসিমুখে দেশে ফিরবেন। আপনজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন, নতুন সংসার শুরু করবেন। কিন্তু নির্মম এক দুর্ঘটনায় প্রবাসের মাটিতেই থেমে গেল তার সব স্বপ্ন।শরিফুল ইসলাম ফকিরের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা

কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিদ্ধান্ত: তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এই নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এ সব কথা বলেছেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের মতো করে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকেই সেটি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।’তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। অন্য নির্বাচনগুলো আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সেই কাঠামোর মধ্যে পড়ে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকার ও কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টিকে সংঘাত বা গ্যাপ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে।’তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।ডা. জাহেদ আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ভাবে সংসদ ও রাষ্ট্রপতি, এই ২টি নির্বাচন করতে পারে। অন্যান্য নির্বাচনে সরকারের সাথে কোলাবরেট করে থাকতে হয়। সরকার নির্বাচন কমিশনের সাথে আলোচনা করে নির্বাচন করবে। এটা কোনো সংঘাত নয়।’তিনি বলেন, ‘এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দল অংশ নিচ্ছে না; নির্বাচন করছে ব্যক্তিরা। কে কোন দল করছে, এটা কোনো ইস্যুই নয়।’

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের

আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর

৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নীতি প্রণয়ন ও গবেষণা বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নীতি প্রণয়ন ও গবেষণা বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম

হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম

চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি

চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি

সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত

সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত

বিশ্ব ওজন দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান: জলবায়ু সুরক্ষায় টেকসই শীতলীকরণ প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি

বিশ্ব ওজন দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান: জলবায়ু সুরক্ষায় টেকসই শীতলীকরণ প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি

বাণিজ্যে ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র

বাণিজ্যে ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় চীনা রাষ্ট্রদূত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দুই দেশের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কাজ আরো গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, রাজনৈতিক এটাচে লিং শুয়ান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম, এপিএস জাহেদুল আলম।

ঢাকার উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

ঢাকার উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণভোটের রায় সরকারকে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণভোটের রায় সরকারকে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি: এবি পার্টি

সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি: এবি পার্টি

দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন, উত্তর সিটি নির্বাচনে আসিফ মাহমুদ মেয়র প্রার্থী

দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন, উত্তর সিটি নির্বাচনে আসিফ মাহমুদ মেয়র প্রার্থী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ৬ জন নিহত

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ৬ জন নিহত

হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো, বাস্তবে ভোগান্তি

হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো, বাস্তবে ভোগান্তি

কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল জব্দ কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মঈনপুর, কসবা, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল ও খারেরা বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) জানায়, অভিযানে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, মোবাইল ফোন, বাসমতি চাল, গরু, অলিভ অয়েল, বাজি, জিরা, ইস্কাপ সিরাপ, গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসির দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় এসব অভিযান পরিচালিত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বিজিবি জানায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনা ‘বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’—এই মূলমন্ত্রে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, পুশ-ইন, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

পাঁচ জেলার রোগীর ভরসা, ২০ শয্যাতেই আটকে বগুড়া বক্ষব্যাধি হাসপাতাল

পাঁচ জেলার রোগীর ভরসা, ২০ শয্যাতেই আটকে বগুড়া বক্ষব্যাধি হাসপাতাল

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাপতি হওয়ায় বাদশা এমপিকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের সংবর্ধনা

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাপতি হওয়ায় বাদশা এমপিকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের সংবর্ধনা

চরফ্যাশনে স্কুল শিক্ষিকার স্বামী নিখোঁজ, অপহরণের আশঙ্কা পরিবারের

চরফ্যাশনে স্কুল শিক্ষিকার স্বামী নিখোঁজ, অপহরণের আশঙ্কা পরিবারের

পীরগঞ্জে ৪০ ঘণ্টা পর বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর বিএসএফের

সীমান্তে পতাকা বৈঠক পীরগঞ্জে ৪০ ঘণ্টা পর বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর বিএসএফের

গোপালগঞ্জে রেলওয়ের লিজকৃত জমিতে দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডব, কেটে ফেলা হলো কলাগাছ ও সবজি

গোপালগঞ্জে রেলওয়ের লিজকৃত জমিতে দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডব, কেটে ফেলা হলো কলাগাছ ও সবজি

রাঙ্গাবালীতে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

রাঙ্গাবালীতে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

এশিয়ান গেমসে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচেই এক অসম লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে টাইগ্রেসদের। প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া। সেই ম্যাচের শুরুর একাদশেও বড় চমক রেখেছেন বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় চীনের নাগাই স্টেডিয়ামে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। নিয়মিত একাদশ থেকে পরিবর্তন এনে একাদশ সাজিয়েছেন বাটলার।বাটলারের শুরুর একাদশের সবচেয়ে বড় চমক বাংলাদেশ নারী দলের সুপারস্টার ঋতুপর্ণা চাকমার একাদশে না থাকা। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড লাইনের ভরসার নাম ঋতুপর্ণা। তবে কোনো তাকে একাদশে রাখা হয়নি সেটি জানানো হয়নি বাফুফের পক্ষ থেকে।অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রতিযোগীতামূলক ম্যাচে একাদশ থেকে বাদ পড়া সাবেক অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারকে আবারও শুরুর একাদশে ফিরিয়েছেন বাটলার। এ ম্যাচেও শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি গোলরক্ষক রূপনা চাকমার।এ ম্যাচে অনেকটা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন বাটলার। বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছে আক্রমণভাগ মাঝ মাঠের নিয়মিত ফুটবলারদের। ঋতুপর্ণা ছাড়াও নেই ফরোয়ার্ড মোসাম্মৎ সাগরিকা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র এবং মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।তবে সবচেয়ে বড় চমকটা বোধহয় আইরিন খাতুনের একাদশে সুযোগ পাওয়া। মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শুরুর একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।একাদশে এমন পরিবর্তনের আভাস অবশ্য আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বাটলার। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসে বাটলার বলেছিলেন, ‘ম্যাচের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আমি বেশ কিছু তরুণ মেয়েক সুযোগ দেব। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো এই বড় মঞ্চের সুযোগগুলো থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা, শেখা এবং নিজেদের ফুটবলের উন্নয়ন ঘটানো।’মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, আইরিন খাতুন, সুরভি আক্তার আরফিন, অর্পিতা বিশ্বাস, মমিতা খাতুন, কোহাতি কিসকু, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, তহুরা খাতুন, মোসাম্মাৎ সুলতানা।

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

কেশকিছুদিন ধরে বাংলাদেশের দুষ্টু কোকিল খ্যাত টালিউডের সুপারস্টার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের খবর বেশ চাউর হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, আগামী ডিসেম্বরেই বিয়ের পরিকল্পনা করছেন অভিনেত্রী। শীতের আবহে পাহাড়ি শহর কালিম্পংয়ে বসতে পারে বিয়ের আসর।তবে বিয়ের খবরের চেয়েও বেশি কৌতূহল তৈরি হয়েছে মিমির কথিত জীবনসঙ্গীকে ঘিরে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তাঁর নাম সিদ্ধার্থ। তিনি চলচ্চিত্রজগতের কেউ নন, নৌবাহিনীতে কর্মরত।এরই মধ্যে সিদ্ধার্থের সঙ্গে মিমির একটি ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে বলে জানা গেছে। পূজার সময় বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডার মধ্যেই ছবিটি তোলা হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। ছবিতে দুজনকে হাসিখুশি দেখা গেছে।সূত্রের বরাতে আরও দাবি করা হচ্ছে, পূজার আবহেই তাঁদের সম্পর্ক নতুন ধাপে এগিয়েছে। এমনকি বিয়ের কেনাকাটা ও নিমন্ত্রণপত্র বিলির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।যদিও মিমি চক্রবর্তী কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত বিয়ে বা সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। ফলে ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি এখনো গুঞ্জন হিসেবেই রয়েছে।জলপাইগুড়ির মেয়ে মিমি ২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি পান। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর ‘বোঝে না সে বোঝে না’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৯ সালে যাদবপুরের সাংসদও নির্বাচিত হয়েছিলেন মিমি।বর্তমানে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। পূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। এখন দেখার, সত্যিই কি ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি, নাকি এই খবর শুধুই জল্পনা।

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা কিংবা পার্শ্বচরিত্র যে ভূমিকাতেই তিনি হাজির হয়েছেন নিজের অভিনয়গুণে সেটিকে করে তুলেছেন অনন্য। আজ ১০ সেপ্টেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, যিনি দর্শকের কাছে এটিএম শামসুজ্জামান নামেই পরিচিত। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময়ের কর্মজীবনে রেখে গেছেন এমন সব চরিত্র, যেগুলো বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে আজও আলাদা করে মনে রাখা হয়।অভিনেতা শুরু কিন্তু অভিনয় দিয়ে নয়। সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করে পরে কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম বহুমাত্রিক শিল্পী।চলচ্চিত্রে এটিএম শামসুজ্জামানের পথচলা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার সামনে নয়, পেছনে। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর চলচ্চিত্রের নানা কাজে যুক্ত হন। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখাতেও ছিল তার দক্ষতা। ‘জলছবি’ সিনেমার জন্য কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার মাধ্যমে দর্শকের কাছে নতুন করে পরিচিত হন। পরবর্তী সময়ে শতাধিক চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্যের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি হয় অভিনয়ের মাধ্যমে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। এটিএমকে প্রথম পর্দায় দেখা যায় ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায়। শুরুতে কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করলেও পরে নিজেকে নানা ধরনের চরিত্রে মেলে ধরেন। এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে ১৯৭৬ সালে। আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। এই সিনেমার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। খলনায়ক চরিত্রে তাঁর অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন দর্শকের কাছে তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘স্বপ্নের নায়ক’-এর মতো সিনেমায় খলচরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। কিন্তু তাঁকে শুধু খলনায়কের গণ্ডিতে আটকে রাখা যায়নি।এটিএম শামসুজ্জামানের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল চরিত্র বদলে ফেলার ক্ষমতা। একদিকে যেমন ভয়ংকর বা কঠিন চরিত্রে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছেন, অন্যদিকে কৌতুক চরিত্রেও হয়েছেন সমান জনপ্রিয়। ‘রামের সুমতি’, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘ম্যাডাম ফুলি’ ও ‘চুড়িওয়ালা’তে তার হাস্যরসাত্মক অভিনয় দর্শককে আনন্দ দিয়েছে। বিশেষ করে কৌতুক অভিনয়ের জন্যও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে স্বীকৃতি পেয়েছেন।এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে দারুণ সব সিনেমা আর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘গেরিলা’র মতো সিনেমায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র মতো সাহিত্যনির্ভর সিনেমায় তার অভিনয় দেখিয়েছে, কমেডি বা খলচরিত্রের বাইরেও কতটা শক্তিশালী অভিনেতা ছিলেন তিনি। নিজেও এক সাক্ষাৎকারে সাহিত্যনির্ভর গল্পের সিনেমায় অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছিলেন।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন একাধিকবার। ‘দায়ী কে?’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ ও ‘চোরাবালি’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১৫ সালে পান একুশে পদক। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে আজীবন সম্মাননাও দেওয়া হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গল্প ও চিত্রনাট্য লেখা এবং পরিচালনাতেও তাঁর অবদান ছিল। ২০০৯ সালে ‘এবাদত’ সিনেমা পরিচালনা করেন তিনি। এ টি এম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তকারীদের দাবি, ডনের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।সিআইডির পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ডন কী কারণে এবং কার সহযোগিতা বা ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে সিআইডি।সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মজিবুর রহমানের করা ওই আবেদনে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশের পর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

ঢালিউডের রাজপুত্র বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তা আজও অমলিন। সকলের প্রিয় এই নায়কের চলে যাওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হলো আজ।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। সেই হিসেবে আজ তাঁকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি এখনো দর্শকের মনে সমানভাবে জায়গা করে আছে।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে পা রাখার পর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ নামেই পরিচিতি পান তিনি।চলচ্চিত্রে আসার আগে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’সহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন তিনি।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শকের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। এই জুটিকে দেখা গেছে ১৪টি সিনেমায়। পাশাপাশি মৌসুমী, শাবনূর, শাহনাজ, সোনিয়া ও অন্যান্য নায়িকার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।তবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। ওই দিন রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসভবনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়। ময়নাতদন্তে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যুর রহস্য নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি।সালমান শাহ চলে গেছেন তিন দশক আগে। কিন্তু তাঁর সিনেমা, অভিনয় আর অনন্য ফ্যাশন এখনো নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান আকর্ষণের। ‘স্বপ্নের নায়ক’ বাস্তবের পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের হৃদয়ে তিনি আজও ‘অন্তরে অন্তরে’।৩০ বছর পরও তাই সালমান শাহ যেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, যেখানে সময় থেমে আছে—কিন্তু ভালোবাসা ফুরায়নি।

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী। শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারের সমুদ্রে সৈকতে মোহনীয় লুকে দেখা মিলল অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তিনি নিজেই সমুদ্র সৈকত থেকে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এরপর থেকেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবেতিনি জানিয়েছেন অন্য কোনো কারণে নয় শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা দীঘি। নিজের ফেসবুক পেজে এ নিয়ে দুটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।ছবিতে সমুদ্রের পাড়ে স্বাভাবিক ও ছিমছাম সাজে দেখা গেছে তাকে। সাগরের নীল জল আর বালুচরের আবহে অভিনেত্রীর নতুন লুকও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।ছবির ক্যাপশনে দীঘি লিখেছেন, ‘আমি এসেছি সাগর পাড়ে ‘গো প্লান’-এর সাথে।’ এরপর থেকেই তার কক্সবাজার সফরের কারণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করার পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, সেখানে নতুন কোনো কাজের শুটিং করছেন কি না।দীঘি অবশ্য বিষয়টি এখনই খোলাসা করতে চাইছেন না। জানা গেছে, শুটিংয়ের কাজে বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন প্রজেক্টের জন্য সেখানে গেছেন, সেটি আপাতত গোপনই রাখছেন অভিনেত্রী।নতুন কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, সময় হলে জানতে পারবেন।’ ফলে তার নতুন কাজটি সিনেমা, ওয়েব কনটেন্ট নাকি অন্য কোনো ধরনের প্রজেক্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শেয়ার করেন দীঘি। এবার কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় থেকে প্রকাশ করা ছবিগুলোও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মধ্যে। ছবির পাশাপাশি নতুন কাজের রহস্যই যেন বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের আগ্রহ।শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন দীঘি। ছোটবেলায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। এখন নতুন এই কাজ দিয়ে দর্শকদের সামনে কী চমক নিয়ে হাজির হন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিনই আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হলেন, অথচ দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় পড়তে হলো হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে। আপাতদৃষ্টিতে ধকলটা শুধু আমাদেরই মনে হলেও, প্রতিদিনের এই আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে আমাদের ত্বককেও কম ধকল পোহাতে হয় না। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ ঠান্ডা এসি রুমে ঢোকা, আবার বেরিয়ে আসা, সব মিলিয়ে প্রতিদিনই নানা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে।কোনো দিন ত্বক থাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত, আবার কোনো দিন মুখ ধোয়ার পরই টানটান লাগে, দেখতে মলিন মনে হয়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই হয়ে যায় অতিরিক্ত তেলতেলে। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে পরামর্শটা ছিল খুবই সহজ, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, আর ভালোভাবে ব্যবহার করুন।কিন্তু এমন এক শহরে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার মুখে ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে। কারণ বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক ঠিকভাবে হাইড্রেটেড থাকবে, এমনটা নয়। ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ায় যে ক্রিম বেশ আরামদায়ক মনে হয়, ঢাকার গরমে সেটিই হয়তো ততটা স্বস্তিদায়ক নয়। বরং ঘাম আর তেলের সঙ্গে মিশে গিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে অস্বস্তি।তবুও আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে ত্বকের যত্নের জন্য আমদানি করা পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়। এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি হয়তো ততটা আরামদায়ক নাও হতে পারে।আর এখানেই বাড়ছে লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা। এখন ভালো ময়েশ্চারাইজার মানেই শুধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করা নয়, বরং আরও কিছু প্রশ্ন সামনে আসে। এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে?কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশের আবহাওয়ায় আসলে কোন ধরনের ফর্মুলা ও উপাদান ভালো কাজ করবে, সেদিকেও এখন নজর দিচ্ছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। আর এর ফলে দেশীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ।যেমন ধরুন, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজার। নামের মতোই এর টেক্সচারও হালকা, অনেকটা জেলের মতো। কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকে এনে দেয় সতেজ ও প্রাণবন্ত একটি গ্লো। এতে রয়েছে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত কিছু উপাদান, যেমন রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্ট। রাইস ওয়াটার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ও ত্বক নরম রাখতে ব্যবহৃত হয়, আর লিকোরিস সাধারণত ত্বককে উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয়।হালকা, আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই এবং মাত্র ২৯৫ টাকা দামের কারণে বাজেট-ফ্রেন্ডলি হওয়ায়, তরুণদের মধ্যে এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে। কারণ, ভালো ময়েশ্চারাইজার হলো সেটিই, যা ত্বককে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিয়ে সতেজ রাখে এবং সারাদিন ব্যবহারের পরও চিটচিটে অনুভূতি দেবে না।

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার

ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার

সংসারের খরচ মেটাতে যখন নিম্ন ও মধ্যবিত্তের বড় একটি অংশকে সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে, তখন ব্যাংকিং খাতে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বিত্তশালী ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে। ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি জমা রয়েছে, এমন হিসাবের সংখ্যা আবারও বাড়ছে। গত তিন মাসে এ ধরনের হিসাব বেড়েছে ৫ হাজারের বেশি।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকগুলোতে এক কোটি টাকার বেশি জমা থাকা হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২টি। মার্চ শেষে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫টি। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার বেশি থাকা হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ৭৭টি।একদিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যাংকে বড় অঙ্কের আমানত থাকা হিসাবের সংখ্যা বাড়ছে। অর্থনীতির এই দুই বিপরীত চিত্রই এখন আলোচনায়। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের একটি অংশ যেখানে দৈনন্দিন ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বড় ব্যবসা ও বিত্তশালী শ্রেণির একটি অংশের আয় ও ব্যাংক আমানত বাড়ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের (অ্যাকাউন্ট) সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৮টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের পরিমাণ ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা।এর তিন মাস আগে, অর্থাৎ মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে মোট হিসাব ছিল ১৮ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার ১৫টি। তখন এসব হিসাবে জমা ছিল ২১ লাখ ৫৮ হাজার ২ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসে ব্যাংক খাতে হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৩টি। একই সময়ে ব্যাংকে আমানত বেড়েছে ৫২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা।খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকের বাইরে থাকা অর্থের একটি অংশ আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরছে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক আমানত বাড়ছে। তবে বড় অঙ্কের আমানত বৃদ্ধির পেছনে ব্যবসা ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতেরও ভূমিকা রয়েছে।ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি থাকা হিসাবের সংখ্যা দিয়ে দেশে কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবের মধ্যে ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সরকারি সংস্থারও এ ধরনের হিসাব থাকতে পারে। আবার একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক হিসাব খুলতে পারে। ফলে কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা এবং কোটিপতি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক নয়।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন, ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতিদের হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি।পরবর্তী সময়ে সংখ্যাটি আরও দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে এক কোটি টাকার বেশি থাকা হিসাবের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয় ১ লাখ ১৯৭৬টি। ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি।২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কোটি টাকার বেশি থাকা হিসাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। ২০২৪-এর ডিসেম্বরে তা আরও বেড়ে হয় ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টিতে আর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪টি। সবশেষ চলতি বছরের জুনে সেই সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২টিতে পৌঁছেছে।অর্থাৎ, একদিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও আর্থিক চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের আমানত থাকা হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। অর্থনীতির এই বৈপরীত্যই এখন দেশের আয় ও সম্পদ বণ্টনের চিত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করছে।

পেপসিকো কর্মীদের বীমা সুরক্ষা দেবে মেটলাইফ বাংলাদেশ

পেপসিকো কর্মীদের বীমা সুরক্ষা দেবে মেটলাইফ বাংলাদেশ

কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত হলো ‘রেডমিন হরাইজন -২০২৬’

কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত হলো ‘রেডমিন হরাইজন -২০২৬’

দেশে সোনার দাম বেড়েছে

দেশে সোনার দাম বেড়েছে

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় কর্মস্থলে মাটিচাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার এক প্রবাসী যুবক। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কাজের সময় হঠাৎ মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।নিহত মো. শরিফুল ইসলাম ফকির উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের মধ্যেপাড়া এলাকার মো. নজরুল ইসলাম ফকিরের ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তিনি মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। স্বজনরা জানান, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও শরিফুলের সঙ্গে হাসিমুখে কথা হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, “আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে বিয়ে করব।” দেশে ফিরে নতুন জীবন শুরু করার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। ডিসেম্বরে বিয়ের বদলে তার নিথর দেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় এখন পরিবার।শরিফুলের পরিবারে নেমে এসেছে একের পর এক নির্মম শোক। তার মেজো ভাই মাত্র সাত বছর বয়সে মারা যান। বড় ভাইও প্রতিবন্ধী। ফলে পরিবারের একমাত্র উপার্জনের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছিলেন শরিফুল। পরিবারের স্বচ্ছলতার আশায় প্রবাসে গিয়েছিলেন তিনি। পরপর দুটি সন্তান হারানোর এই পাহাড়সম শোক এখন বইতে হচ্ছে শরিফুলের বৃদ্ধ বাবা মো. নজরুল ইসলাম ফকিরকে। একদিকে ছোটবেলায় এক সন্তানকে হারানোর বেদনা, অন্যদিকে প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘদিনের সংগ্রাম—এর মধ্যে পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ছেলেকেও হারিয়ে যেন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি।পরিবারের স্বপ্ন ছিল, প্রবাসে পরিশ্রম করে একদিন শরিফুল হাসিমুখে দেশে ফিরবেন। আপনজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন, নতুন সংসার শুরু করবেন। কিন্তু নির্মম এক দুর্ঘটনায় প্রবাসের মাটিতেই থেমে গেল তার সব স্বপ্ন।শরিফুল ইসলাম ফকিরের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

লন্ডনে বাংলাদেশি নেতৃত্বের চমক বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

আগস্টে আয়োজিত তিনটি গ্রাহক ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের - উপায়। সম্প্রতি ঢাকায় উপায়-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।আগস্টে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাড মানি উইক ১’, ‘অ্যাড মানি উইক ২’ এবং ‘উইকেন্ড ক্যাম্পেইন (লাভ সামলাও) উইক ৩’—এই তিন ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকদের উপায়-এর ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহারে আরও উৎসাহিত করা।তিন ক্যাম্পেইনের তিনজন বিজয়ীকে অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন ৫০ হাজার টাকা এবং একজন ১ লাখ টাকা করে ক্যাশ রিওয়ার্ড পুরস্কার পেয়েছেন।উপায়-এর প্রতিনিধিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান।এ ধরনের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা ও পুরস্কারের সুযোগ তৈরি করতে চায় উপায়।

প্রিয়শপ পরিবারের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো প্রিয়শপ স্কলারশিপ

প্রিয়শপ পরিবারের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো প্রিয়শপ স্কলারশিপ

বে ওয়েভের সফটওয়্যার উদ্বোধন ও কর্পোরেট মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বে ওয়েভের সফটওয়্যার উদ্বোধন ও কর্পোরেট মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ দুর্নীতি ও অনিয়মের নতুন অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।পাশাপাশি ৩৬ জন জেলা প্রশাসক বা ডিসি পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।এনসিপির এ মুখপাত্র ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

শিরোনাম
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে মদের পাহাড়, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ২ হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে মদের পাহাড়, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ২ হরমুজে কমছে জাহাজ চলাচল, বাড়ছে তেলের দাম চীনের নাগরিকদের ভ্রমণে নতুন বিধি কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ইউপি নির্বাচনের তারিখের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সৌদির ৩ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের, ১৩ বেসামরিক আহত আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি