হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ছয়জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১০১ জন।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯০৮ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৮০৯ জনের।রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামের পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মাঝে নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮০ জন। আর হামের উপসর্গ রয়েছে ১ হাজার ২১ জনের শরীরে।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮৮০ জন। আর হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৫৭ জন।এছাড়া চলতি বছরে হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার ৪৫৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ জন।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকার যেকোনও সময় নতুন এই বেতনকাঠামো ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।রবিবার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মুখ্য সচিব বলেন, নতুন পে-স্কেলের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো দেওয়ার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে।তিনি বলেন, নতুন বেতনকাঠামো ঘোষণার জন্য আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না। তবে ঠিক কবে এটি ঘোষণা হবে, কী হারে মূল বেতন বাড়বে কিংবা ভাতা ও পেনশনের কাঠামো কী হবে—এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও সংখ্যা বা সময়সীমা জানাননি তিনি।২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর গত ১১ বছরে নতুন কোনও পে-স্কেল হয়নি। এ সময়ে মূল্যস্ফীতি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নতুন বেতনকাঠামোর দাবি জোরালো হয়েছে।প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হলে সরকারের রাজস্ব ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে। নতুন পে-স্কেলের কারণে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করেছেন মুখ্য সচিব।তবে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের আয় সমন্বয় করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, নতুন পে-স্কেলের কারণে সরকারের ওপর যে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হবে, তা মোকাবিলায় অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাজস্ব সক্ষমতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।এর আগে নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব পর্যায়ের একটি কমিটি বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করেছে। নতুন বেতনকাঠামো এক ধাপে নাকি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে, মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা একই সময়ে কার্যকর হবে কিনা—এসব বিষয় নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে কেউ নজর দেয়নি। তাই আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে সাজাতে চাচ্ছি।আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে যে চারটি হাসপাতাল দেখেছি, সবগুলোই ভালো। তবে সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবই বেশি, কিন্তু ডাক্তার কম। গত ১৭ বছরে কেউ এদিকে নজর দেয়নি। তাই আমরা নতুনভাবে স্বাস্থ্যসেবাকে সাজাতে চাচ্ছি।’চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারের মারাত্মক সংকট। গত ১৭ বছর কোনো অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার নতুনভাবে সৃষ্টি হয়নি। পুরোনো ডাক্তার দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তবে নতুনভাবে অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে গতিশীল করতে দেশে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পরিদর্শন করে দ্রুত এটি চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।এর আগে মন্ত্রী মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত যেসব ব্যক্তি এখনো বেতন পাননি, তাঁদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার শয্যার ১০ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।
মাল্টিপল-এন্ট্রি বা একাধিকবার প্রবেশের ওমরাহ ভিসাধারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ও শর্ত জারি করেছে সৌদি আরব। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাল্টিপল ভিসার মেয়াদ এক বছর হলেও ওমরা যাত্রীদের প্রতিবার দেশটিতে প্রবেশের পূর্বে নিবন্ধিত সার্ভিস প্যাকেজ বুকিং ও ওমরাহ পারমিট বা অনুমতিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খবর গালফ নিউজের।সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসাধারীদের সৌদি আরবে ভ্রমণের পূর্বে ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো ওমরাহ সেবাদাতার কাছ থেকে আবশ্যিকভাবে সার্ভিস প্যাকেজ কিনতে হবে। এছাড়া সৌদি প্রবেশের আগেই নুসুক অ্যাপ থেকে ওমরাহ অনুমতিপত্র সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে চালু হওয়া এই একাধিকবার প্রবেশের ওমরাহ ভিসাটি ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন বা এক বছরের জন্য বৈধ থাকে। এর আওতায় ভিসা ধারণকারীরা এক বছরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করার সুযোগ পান।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ পালনকারীদের ভ্রমণ সহজ করতে এই ভিসা সুবিধা দেওয়া হলেও অন্যান্য নিয়ম একই থাকছে। তাই প্রতিবার ওমরাহ করতে যাওয়ার আগে আলাদা করে সার্ভিস প্যাকেজ কেনা ও অ্যাপ থেকে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম মানতেই হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, নুসুক অ্যাপ থেকে নেওয়া ওমরাহের অনুমতির তারিখ ও কেনা সার্ভিস প্যাকেজের তারিখ যেন হুবহু এক হয়।প্রথমবার সফরের ক্ষেত্রে নুসুক থেকে সার্ভিস প্যাকেজ কেনার পরই ভিসার আবেদন করতে হয়। পরবর্তীতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধু ভিসা সচল থাকলেই চলবে না, প্রতিবার নতুন করে বুকিং ও পারমিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে ফ্লাইট বোডিংয়ের আগেই যাত্রীর ভ্রমণের যোগ্যতা ও ৯০ দিনের অনুমোদিত মেয়াদের হিসাব রাখা হবে।
দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনগণের দুর্ভোগ এবং নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। সরকার জরুরি খাতে টাকা নিয়ে সমস্যা সমাধান করতে পারে। সমস্যা সমাধানে দশ বছরের অজুহাত দেখানো যাবে না।রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংকট সমাধানে দীর্ঘ সময়ের কথা বলে জনগণকে শান্ত করা যাবে না। জরুরি ভিত্তিতে যেকোনো সরকার জনগণের দুর্ভোগ দূর করতে অনেক পদক্ষেপ নিতে পারে। সরকার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে পারে, ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে পারে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সিন্ডিকেট করে লুটপাটের মার্কেট করে রেখেছে সরকার। এগুলো বন্ধ করে হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচানো যায়, সেদিকে সরকারের নজর নেই। তাদের নজর বিরোধী দলের আন্দোলনের দিকে। গণভোটের গণরায় কার্যকর না করে তো উপায় নেই। সেজন্য জনগণের এই দুর্ভোগ ও নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেউ ১০ বছর, আবার কেউ দুই বছরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের কথা বলছেন। তাঁদের বক্তব্যের মধ্যেই কোনো মিল নেই। ‘তাঁরা আগে নিজেদের মধ্যে সালিশটা মিটিয়ে নিক’—বলেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সংকট সমাধানে একটি সমন্বিত প্রস্তাবনা দিয়েছে। সরকারের সক্ষমতা থাকলে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে জাতির কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না। কারণ জ্বালানি সংকটে সরকার ব্যর্থ হলে শুধু সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই মা, যিনি সকালে চুলা জ্বালাতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই শ্রমিক, যার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই উদ্যোক্তা, যিনি সময়মতো পণ্য তৈরি বা রফতানি করতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের অর্থনীতি।’সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সংকট সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সংসদে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। এখন সেই অর্থ জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যর্থ সরকারগুলো জনগণের দুর্ভোগ আড়াল করতে এবং নিজেদের গণবিচ্ছিন্নতা থেকে বাঁচতে নন-ইস্যুকে সামনে এনে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে।
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় বা একদিনে দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৮০৫ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০ জনে। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ২৩ হাজার ৯৭৮ জন।রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাশিয়ার ওপর শত শত ড্রোন দিয়ে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। চলতি যুদ্ধে কিয়েভের চালানো অন্যতম বৃহত্তম এই হামলায় রাশিয়ার অভ্যন্তরে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, রাশিয়া দাবি করেছে, তারা ৮০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদার করেছে। ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে গুদাম, শিল্প কারখানা ও তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। খবর সিএনএনের।রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস নিউজ জানিয়েছে, এটি চলতি বছরের শুরু থেকে কিয়েভের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা, যার বেশিরভাগ ড্রোনই পরিচালনা করা হয়েছিল মস্কো অঞ্চলকে লক্ষ্য করে।মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়েভ জানিয়েছেন, বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিটগুলো ওই অঞ্চলের আকাশে ১৮৭টি ড্রোন ভূপাতিত ও নিষ্ক্রিয় করেছে। ড্রোন হামলায় মস্কো অঞ্চলের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের (যা রাশিয়ার অ্যাগ্রিগেটর বা অ্যামাজন সমতুল্য) একটি বিশাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ইউক্রেনের দাবি, আড়াই লাখ বর্গমিটারের এই গুদামটি রুশ সামরিক বাহিনীর রসদ জোগাতে ব্যবহৃত হতো। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি। অন্যদিকে, মস্কো অঞ্চলের অন্য এক স্থানে ড্রোন হামলায় ৮৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ ও পশ্চিম রাশিয়ার প্রধানত ১৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। এর মধ্যে দক্ষিণ রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে ড্রোন হামলায় পাঁচজন নিহত হন।ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানায়, রোস্তভে রুশ অস্ত্রের কঠিন রকেট প্রোপেল্যান্ট উৎপাদনকারী একটি প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করা হয়েছে।এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, কিয়েভের একটি বইয়ের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও এতে ৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ক্রেমেনচুক ও ক্রিভি রিহ-তেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মস্কো।ক্রিভি রিহ-এর একটি ইস্পাত কারখানায় হামলায় এক কর্মী নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি উত্তরের সুমি-তে আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন।ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী জানিয়েছে, পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক না থাকায় তারা গত রাতে ছোড়া কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারেনি।জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, রাশিয়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনের দিকে এক হাজার ৫৫০টিরও বেশি ড্রোন, এক হাজার ৫৬০টি নির্দেশিত বোমা ও ৬২টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।অন্যদিকে, রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি অজ্ঞাত ড্রোন ন্যাটোর মিশনে থাকা স্প্যানিশ এফ-১৮ যুদ্ধবিমান দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। প্রতিবেশী মলদোভা সীমান্ত হয়ে এটি দেশে প্রবেশ করেছিল। চলতি বছর রোমানিয়ার আকাশে ভূপাতিত হওয়া এটি চতুর্থ ড্রোন।
আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ইন্টেরিয়র এবং বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস সমাধানের নিশ্চয়তা দিতে নিজেদের প্রথম এক্সপেরিয়েন্স হাবের যাত্রা শুরু করল ওরিয়েন্টাল ইকোউডস। দীর্ঘ সময় ধরে গুণগত মান নিশ্চিত করে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করার পর, ক্রেতা ও গ্রাহকদের সরাসরি পণ্যের প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দিতে এই হাবের যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউতে অবস্থিত র্যাংগস জেড স্কয়ারের অষ্টম তলায় এই এক্সপেরিয়েন্স হাবের উদ্বোধন করা হয়। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুস সালাম। আরও উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল করিম খান, চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুল করিম খান, পরিচালক মোঃ রাকিবুল করিম খান এবং সালওয়ান রেজা খান এবং ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেদওয়ান সিদ্দিক খান। ওরিয়েন্টাল ইকোউডস এক্সপেরিয়েন্স হাবে ক্রেতারা সরাসরি কাঠের আসল টেক্সচার ও মান যাচাইয়ের সুবিধা পাবেন। এখানে থাকছে অভিজ্ঞ টিম, যারা আবাসিক ও বাণিজ্যিক যেকোনো স্পেসের জন্য সঠিক পণ্য নির্বাচন ও এর সুবিধা নিয়ে বিশদভাবে ক্রেতাদের পরামর্শ দিতে পারবে। লাইভ ডেমো ও সেটআপের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোডাক্ট একসাথে কেমন দেখায় তার বাস্তব রূপ দেখার সুযোগ পাবে ক্রেতারা। এই এক্সপেরিয়েন্স হাবে ক্রেতারা পাবেন আধুনিক ডিজাইন, শতভাগ পানি ও ঘূণ প্রতিরোধক শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী কম্পোজিট উডের দরজার নান্দনিক কালেকশন, আধুনিক ইন্টেরিউরের জন্য সব আধুনিক সামগ্রী যেমন কম্পোজিট উডের বোর্ড, টিম্বার টিউব, ডেকিং, ওয়াল ক্ল্যাডিং। কম্পোজিট উডের বোর্ড দিয়ে বানানো যায় আধুনিক ক্যাবিনেট, ফার্নিচার ইত্যাদি। এছাড়া সিলিং আর্কিটেকচার, ওপেন স্পেস পার্টিশন হিসেবে ব্যবহারের জন্য দুর্দান্ত ডিজাইন এলিমেন্টের টিম্বার টিউব পাওয়া যাবে এই হাবে। রয়েছে ব্যালকনি, সুইমিংপুল সাইড বা গার্ডেন ওয়াকওয়ের জন্য পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট না হওয়া আউটডোর ডেকিং সলিউশন। যেকোনো ইনডোর বা আউটডোর দেয়ালকে এক পলকে প্রিমিয়াম ও লাক্সারিয়াস রূপ দেওয়ার জন্য বিশেষ ইকো-ফ্রেন্ডলি বস্কো ওয়াল প্যানেলসহ প্রিমিয়াম সব পণ্য। ওরিয়েন্টাল ইকোউডস ওরিয়েন্টাল গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৬ সাল থেকে অত্যন্ত সফলতার সাথে নিজেদের ব্যবসায়িক যাত্রা অব্যাহত রেখেছে ওরিয়েন্টাল ইকোউডস। প্রতিষ্ঠানটি প্রাকৃতিক কাঠের বিকল্প হিসেবে আধুনিক ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশবান্ধব সমাধান প্রদান করে। কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ওরিয়েন্টাল ইকোউডস ৫০ হাজার ২৫৭ পিস গাছ বাঁচাতে সহযোগিতা করেছে। এছাড়া ৫ হাজার টন কার্বন ডাই অক্সাইড কমানো ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ২০ হাজার টন বর্জ্য রিসাইকেল করেছে।এক্সপেরিয়েন্স হাব চালুর বিষয়ে ওরিয়েন্টাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল করিম খান বলেন, আজকের যুগে শুধু ছবি দেখে বা বিবরণ শুনে ঘর বা অফিসের প্রোডাক্ট নির্বাচন করা কঠিন। তাই গ্রাহকরা যেন নিজস্ব অনুভূতি ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক পণ্য বেছে নিতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই এক্সপেরিয়েন্স হাবের সূচনা। এখানে এলে আমাদের উদ্ভাবনী কম্পোজিট উডেন প্রোডাক্টগুলোর স্থায়িত্ব, ফিনিশিং এবং নান্দনিক রূপ স্বচক্ষে দেখতে ও স্পর্শ করে অনুধাবন করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার (১৬ আগস্ট ) বেলা ১টায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। এরপর কটিয়াদির আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি মাছের পোনা বিতরণ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/ এম পি এন্ড ডি জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পে প্রভাব খাটিয়ে তিনি শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আত্মীয়ের মাধ্যমে নিজ দপ্তরে পরোক্ষভাবে ঠিকাদারী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অর্জিত কালো টাকার বলে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার জন্যে সাংবাদিকদের হামলা-মামলার হুমকি প্রদান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।২৭ এপ্রিল-২০২৬ তারিখে ধানমন্ডি নিবাসী এলাহী নেওয়াজ খান কর্তৃক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বরাবর দায়েরকৃত এক অভিযোগ পত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ফিনানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।উত্থাপিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে,অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান এর ঢাকা শহরে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট। রয়েছে প্রাইভেট গাড়ি। গ্রামের বাড়িতে রয়েছে বিলাশবহুল বাংলো ও খামারবাড়ি। নিজের ও পরিবারের সদ্যস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার এফডিআর। তার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মো. আলমগীর খান ও তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে ব্যাংক ব্যালেন্স ও সম্পদের অনুসন্ধান করলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা মানিলন্ডারিং প্রক্রিয়ায় কানাডায় পাচার করে; সেখানে বাড়ি ক্রয় করেছেন এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।এছাড়া, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান ও তার পরিবারের সদস্যরা অর্জিত বৈধ-অবৈধ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত তথ্য আয়কর ফাইলে গোপন করে নিয়মিত আয়কর ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা জোনের ই/এম ডিভিশন দুর্নীতি, অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়েছেন ঢাকা জোনের সদ্য সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খান। সিসি ক্যামেরা না লাগিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গাড়ি চালকের বেতন বাবদ ৮৭ লক্ষ টাকা অপচয়, জনবল থাকা সত্ত্বেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেখিয়ে অর্থ লুটপাট এবং অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন মোঃ আলমগীর খান। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় কোনো সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করেছে ই/ত্রম বিভাগ-৬। অপরদিকে ই/এম বিভাগ-৮ দুটি গাড়ির বিপরীতে ৩১ জন চালকের পেছনে বছরে অতিরিক্ত ব্যয় করেছে ৮৭ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ সালের অডিট রিপোর্টে এই অনিয়ম কর্তৃপক্ষের নজরে এলেও গণপূর্ত অধিদপ্তর কোন এক অজানা কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৬ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় ৩টি ১৬ চ্যানেল বিশিষ্ট ডিডিআর, ১২টি পিটিডোর ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ৩টি ডিসপ্লে মনিটর, ১০টি ডে নাইট ভিশন ক্যামেরাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মালামাল চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ ও স্থাপনের জন্য মাত্র দুদিনে একজন ঠিকাদারকে তিনটি কার্যাদেশ দেয়। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর পত্র স্মারক নং- ৩৫০২ (তারিখ; ১৪-০৬-২০১৬) এবং স্মারক নং-৩৫০৭ ও ৩৫০৮ (তারিখ:১৫- ০৬-২০১৬)- এর মাধ্যমে চুক্তি মোতাবেক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করে। চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হলেও কাজ গুলো আজও সমাপ্ত হয়নি। একই বছরের ২০ অক্টোবর অডিট বিভাগের কর্মকর্তারা সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সরেজমিন গিয়ে দেখতে পান, সিসি ক্যামেরাগুলো ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত কারিগরি লোক থাকার পরও যন্ত্রগুলো কাজে আসছে না অথচ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বলে অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও অডিট রিপোর্ট বিশ্লেষণে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা কেবল অনিয়ম নয়, বরং একটি সুসংগঠিত, পরিকল্পিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের ভয়াবহ নজির। আর লুটপাটের নেতৃত্বে রয়েছেন মোঃ আলমগীর খান।ই/এম বিভাগ-৮ এ সরকারি মালিকানাধীন মাত্র দুটি গাড়ি কার্যকর অবস্থায় রয়েছে। অথচ সরকারি নথিতে নিয়মিতভাবে ৩১ জন চালকের বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। শুধু এই একটি খাতেই বছরে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধানে এসব তথাকথিত চালকের কোনো বাস্তব উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ নামই কাগজে-কলমে সৃষ্টি করা। অর্থাৎ, ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খানের পকেটে যাচ্ছে। বিভাগের অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী পর্যাপ্ত স্থায়ী জনবল থাকার পরও নিয়ম বহির্ভূতভাবে দৈনিক মজুরি, চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী জনবল দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল তোলা হয়েছে। এটি কোনো প্রশাসনিক ভুল নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ দুর্নীতির চক্র। এখানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খানের নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারী, হিসাব শাখা এবং অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ ম্যানেজ করেই এই লুটপাট চলছে। অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত একাধিক অডিট রিপোর্টে এসব আর্থিক অসঙ্গতি, অযৌক্তিক ব্যয় ও নথিভিত্তিক গরমিল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবুও রহস্যজনক কারণে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো কার্যকর তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্যে মো. আলমগীর খান এর হোয়াটসএ্যাপে অভিযোগপত্র সম্বলিত বার্তা প্রদান করা হলেও তিনি কোন রেসপন্স করেন নি। অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর হোয়াটসএ্যাপে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে;তিনিও কোন মন্তব্য করেন নি।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত না পাঠানো হলে ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম।মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ফেরত পাঠাতে ঢাকা বারবার দিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছে।শহীদুল করিম বলেন, আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই। সম্ভাব্য এ সফরের আগে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে আমরা শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিদের দেশে ফেরত পাঠাতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ করছেন। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।শহীদুল করিম আরও বলেন, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ভারতের জবাবের অপেক্ষায় আছে।সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখবে।
দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনগণের দুর্ভোগ এবং নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। সরকার জরুরি খাতে টাকা নিয়ে সমস্যা সমাধান করতে পারে। সমস্যা সমাধানে দশ বছরের অজুহাত দেখানো যাবে না।রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংকট সমাধানে দীর্ঘ সময়ের কথা বলে জনগণকে শান্ত করা যাবে না। জরুরি ভিত্তিতে যেকোনো সরকার জনগণের দুর্ভোগ দূর করতে অনেক পদক্ষেপ নিতে পারে। সরকার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে পারে, ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে পারে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সিন্ডিকেট করে লুটপাটের মার্কেট করে রেখেছে সরকার। এগুলো বন্ধ করে হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচানো যায়, সেদিকে সরকারের নজর নেই। তাদের নজর বিরোধী দলের আন্দোলনের দিকে। গণভোটের গণরায় কার্যকর না করে তো উপায় নেই। সেজন্য জনগণের এই দুর্ভোগ ও নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেউ ১০ বছর, আবার কেউ দুই বছরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের কথা বলছেন। তাঁদের বক্তব্যের মধ্যেই কোনো মিল নেই। ‘তাঁরা আগে নিজেদের মধ্যে সালিশটা মিটিয়ে নিক’—বলেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সংকট সমাধানে একটি সমন্বিত প্রস্তাবনা দিয়েছে। সরকারের সক্ষমতা থাকলে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে জাতির কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না। কারণ জ্বালানি সংকটে সরকার ব্যর্থ হলে শুধু সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই মা, যিনি সকালে চুলা জ্বালাতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই শ্রমিক, যার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই উদ্যোক্তা, যিনি সময়মতো পণ্য তৈরি বা রফতানি করতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের অর্থনীতি।’সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সংকট সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সংসদে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। এখন সেই অর্থ জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যর্থ সরকারগুলো জনগণের দুর্ভোগ আড়াল করতে এবং নিজেদের গণবিচ্ছিন্নতা থেকে বাঁচতে নন-ইস্যুকে সামনে এনে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন, দলের সুদিনে অনেকেই কাছে আসেন, কিন্তু দুর্দিনে যারা সব ভয়-ভীতি ও বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে রাজপথে টিকে থাকেন, তারাই দলের আসল প্রাণ। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের উত্তর চর আইরকান্দি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে পুনর্বাসন গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।এসময় বিএনপির কঠিন ও সংকটময় সময়ে দলকে সুসংগঠিত রাখা এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে অসামান্য ভূমিকা রাখায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের প্রশংসা করেন আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সী সহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেন, বিগত দিনে যখন দলের নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, তখন শহিদুল ইসলাম নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা না ভেবে তৃণমূলে দলকে আগলে রেখেছেন। নেতাকর্মীদের আর্থিক ও আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি আন্দোলনের মাঠ সচল রাখতে তিনি যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন, তা দলের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আগামী দিনেও দলীয় ঐক্য বজায় রেখে দেশের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ডারউইনে বাংলাদেশ চালকের আসনে ছিল একেবারে প্রথম দিন থেকেই। সময় যত গড়িয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানটা ক্রমেই শক্ত হয়েছে। দর্শক সমর্থকদের অপেক্ষাও ছিল বহুক্ষণ, বহু দিন ধরে। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, বাংলাদেশ ইতিহাসটা গড়েই ফেলল। অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ৯ উইকেটে। অজি মুল্লুকে প্রথমবার তাদেরই ধসিয়ে দিয়ে জেতার দারুণ স্বাদ এসে ধরা দিল ইন্দ্রিয়ে।আশা ছিল, তার পিঠে একটু ভয়ও ছিল বৈকি! বিশ্বাস না হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা ক্রিকইনফোর লাইভ কমেন্ট্রির ফাঁকে ফাঁকে সমর্থকদের মন্তব্যগুলো খুঁজে দেখুন? সেখানে বহু বাংলাদেশির কথা ছিল একটাই, ‘কত কিছুই তো হতে দেখলাম!’বাংলাদেশ ক্রিকেটের দর্শক–সমর্থক হলে বোধ হয় এই এক সমস্যা। শেষের আগে বিশ্বাসই হতে চায় না কোনো কিছু। ইতিহাস তাতে রসদ যুগিয়ে যায়, মুলতান টেস্টের ইনজামাম থেকে যে যাত্রার শুরু, ফতুল্লা টেস্টে রিকি পন্টিং, এরপর চট্টগ্রামে কাইল মেয়ার্সের অতিমানব হয়ে ওঠা… সবকিছুই হয়েছে যে চোখের সামনে, সে চোখ কোনো কিছু হতে দেখার আগে যদি বিশ্বাস না করে, তাকে কি দোষারোপ করা যায়?কিন্তু কিছু বিষয় আছে, যা চোখের সামনে হতে দেখলেও বুঝি খানিকটা অবিশ্বাস চলে আসে মগজে, চিমটি কেটে দেখতে হয় ‘স্বপ্নে হচ্ছে না তো সব?’ এই ভুলটা ভাঙতে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয় বোধ হয় তেমনই এক ঘটনা।কেন হবে না বলুন? জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে বাংলাদেশ ইনিংস ও ৮৫ রানে হারল মাসদুয়েক আগে, সেই দলে আজকের একাদশের ৭ জন ছিলেন। সেটাকে না হয় আপনি ঝড়ে-বকে বলে উড়িয়ে দিলেনই। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচের ওই ইনিংস ব্যবধানে হারটা? সেই দলটা তো আজকের এই একাদশই ছিল মোটাদাগে!সেই দলটা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেবে, তাও এমন ৪ দিন ধরে ছড়ি ঘুরিয়ে! কে ভেবেছিল! অস্ট্রেলিয়া ভাবেনি, তা নিশ্চিত। মারারা স্টেডিয়ামের ভিএআইপি লাউঞ্জের দিকে তাকালেই বুঝা যায় বিষয়টা। অস্ট্রেলিয়া সফর কাভার করতে যাওয়া এক সহকর্মীর ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গেল, ম্যাচটা ৩ দিনে শেষ হয়ে যাবে, তাই না ভেবে ভিআইপি লাউঞ্জের টিকিটই কাটেননি কেউ, আজকের দিনটায় ফাঁকা পড়ে আছে জায়গাটা!খেলাটা ৩ দিন পেরোনো নিয়েই যেখানে সন্দেহ ছিল অনেকের, সেখান থেকে বাংলাদেশের জয়… বিষয়টা অভাবনীয় ছিল। এতটাই অভাবনীয় যে বাংলাদেশের পক্ষে বাজির রেট ছিল ১-২০! বাংলাদেশ সে পাশার দানটা উলটে দিয়েছে পুরোপুরি।একটা টেস্ট জিততে একক নৈপুণ্য যথেষ্ট হয় না। বাংলাদেশের এই জয়ও একক নৈপুণ্যে আসেনি। শুরুটা করে দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অজিদেরকে প্রথম চমকটা দিয়েছিলেন। সে চমকের দমক সইতে না পেরে স্বাগতিকরা অলআউট হলো ১৯৮ রানে। এরপরও শঙ্কা ছিল ব্যাটিংয়ে। প্রস্তুতি ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার দুঃস্মৃতি যে দলের ঝুলিতে আছে, আরও একটা বার এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি না ঘটিয়ে দল, শঙ্কাটা ছিলই। তানজিদ হাসান তামিম আর নাজমুল হোসেন শান্ত সে শঙ্কাটা বিদায় করলেন। তামিম করলেন সেঞ্চুরি, শান্ত তিন অঙ্কের দেখা না পেলেও গেলেন খুব কাছে, ৮৪ রানের এই ইনিংস চালকের আসনে জাঁকিয়ে বসার উপায় বাতলে দিল দলকে।১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট অবশ্য মাঝে নাড়িয়ে দিয়েছিল দলকে। এরপরই দৃশ্যপটে মেহেদী হাসান মিরাজের আবির্ভাব। প্রস্তুতি ম্যাচে দলের ব্যর্থতার মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এবার তিনি সেঞ্চুরি না করলেও যা করলেন, তা দলকে এনে দিল বিশাল এক লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে ২২৮ এর চেয়ে বড় লিড বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসেই পেয়েছে মোটে দুই বার, তাও আয়ারল্যান্ড আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এবার সে তেঁতো স্বাদটা বাংলাদেশ দিল অস্ট্রেলিয়াকে; বিশালত্বটা বুঝুন তাহলে?কাজটা তখনও অর্ধেক হয়েছে। বাকি কাজটা সারতে হতো বোলারদের। হাসান মাহমুদ আবারও শুরুর ধাক্কাটা দিয়েছিলেন। তবে মূল স্পটলাইটটা কেড়ে নিলেন মিরাজ। একে একে ৫ উইকেট। ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ব্যবধানে হারটা এড়াল বটে, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। অস্ট্রেলিয়া শেষমেশ অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭। মামুলি লক্ষ্যে বাংলাদেশ পা হড়কায়নি। ১ উইকেট হারালেও সাদমান ইসলাম আর মুমিনুলের ব্যাটে চড়ে তুলে নিয়েছে ৯ উইকেটের দারুণ এক জয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়। তাও ৪ দিন দাপট ধরে রেখে, অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় সেরা দল বানিয়ে! বাংলাদেশ দল ইতিহাসই গড়ে ফেলেছে বটে!
শাড়ি নিয়ে প্রতারণা করে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশা।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১২ জুলাই তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন একই আদালত। আসামি পক্ষের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মামলাটি করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে ডিবি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। সম্প্রতি ডিবির জমা দেওয়া এই প্রতিবেদন আদালত আমলে নিয়ে সমন জারি করে তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন।গত বছরের ৫ নভেম্বর একই আদালতে অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশনের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম মামলা করেন।মামলায় অভিযোগ করা হয়, তানজিন তিশা বাংলাদেশের পরিচিত মডেল, অভিনেত্রী ও টিভি উপস্থাপিকা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত। এর সুবাদে আসামি অ্যাপোনিয়ার অনলাইন পেজে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন প্রকার শাড়ি পর্যবেক্ষণ করে একটি শাড়ি পছন্দ করে নেন। যার বাজার মূল্য ২৮ হাজার ৮০০ টাকা। শাড়িটি তানজিন তিশার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তানজিন তিশা নানা ধরনের ভয়েস ম্যাসেজ এবং ম্যাসেজ দিয়ে শাড়িটি পরিধান করে অ্যাপোনিয়া পেজ প্রমোশনের জন্য নানাভাবে আশ্বস্ত করেন।মামলায় আরও বলা হয়, তানজিন তিশাকে পেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে শাড়িটি পরিধান করে পেজ প্রমোশনের জন্য নানা উপায়ে অনুরোধ করেন। তিনি গত ১৮ জানুয়ারি শাড়িটি গ্রহণ করেন। তবে দীর্ঘ ১০ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও শাড়িটি পরিধান না করে, পেজ প্রমোশন না করে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গত ৬ মাসের অধিক সময় কোনো যোগাযোগ রক্ষা করেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো ধরনের কথোপকথন থেকে বিরত রয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।বাদীর অভিযোগ, তানজিন তিশা প্রতারণা করে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। মামলাটি আমলে গ্রহণ করে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। পরে আদালত অভিযোগের বিষয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি অভিনেতা ডন হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার চ্যানেল এসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে সিআইডির একটি দল এসে তাকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং তারাই বিষয়টি তদন্ত করছে।’সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর এ ঘটনায় হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ সংক্রান্ত আদেশ দেন।পুরোনো নথি অনুযায়ী, সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক তদন্ত সংস্থা কাজ করেছে। একপর্যায়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করা হয়। তবে তার পরিবার ও ভক্তদের একটি অংশ ওই তদন্তের ফল মেনে নেয়নি।এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। ডন হককে গ্রেফতারের পর মামলার তদন্তে নতুন করে অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাত্র কয়েক বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা এই অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর থেকে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলে আসছে।
কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া এক ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপন করলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। এর সঙ্গে পুরুষদের নিয়ে ক্যাপশনে দিলেন খোঁচা। ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার দেওয়া এই পোস্টে দখো গেলো গ্ল্যামারাস লুকে হাজির হয়েছেন তিনি। তার পোস্ট করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়- স্নিগ্ধ ও খানিকটা বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে ফারিয়ার শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল এবং ব্রেসলেট।ছবিগুলোতে ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিয়েছেন তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে তার পোস্টের ক্যাপশনটি। ফারিয়া লিখেছেন, ‘বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে।’ ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে অনুরাগী ও নেটিজেনদের ভিড় জমেছে। ফারিয়ার রূপের প্রশংসা করে এক অনুরাগী লিখেছেন, ‘একদম কুইন লুক!’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ অনেকেই আবার এই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন মুক্তকণ্ঠে।
ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী হাতে মারাত্মক আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চোটের গভীরতা বেশি থাকায় জরুরি ভিত্তিতে তার হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসকরা তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আপাতত তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা। তবে ঠিক কীভাবে অভিনেতা হাতে চোট পেয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুটিং সেটে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।প্রিয় ‘মহাগুরু’র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তার অজস্র ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে তিনি বর্তমানে ভালো আছেন জেনে স্বস্তি মিলেছে সবার।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। গত ২৯ জুলাই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত বোর্ডে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র গবেষক আবদুর রহমান। এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন অনুযায়ী এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু।মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করতে নতুন করে এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে।
'কিং' সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার সম্ভাব্য নতুন লুক সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি কাটানোর সময় এক ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কিং খান। এরপর সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদশাহ কালো রঙের হুডি ও ‘VR-46’ লেখা একটি কালো ক্যাপ পরে ছিলেন। মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করলেও ক্যাপের ফাঁক দিয়ে তার ব্লিচ করা চুল দেখা যায়। এ থেকেই নেটিজেনদের ধারণা— পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমার নতুন লুক আড়াল করতেই এমন সতর্ক ছিলেন শাহরুখ খান।‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে সম্পূর্ণ ধূসর চুলের ভিন্নধর্মী লুকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ঘুরতে বের হওয়ার সময় শাহরুখ খানের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। সাধারণ পোশাকে থাকলেও ভক্তদের আগ্রহ এড়াতে পারেননি তিনি। কয়েকজন ভক্ত-অনুরাগীর সঙ্গে ছবিও তুলেছেন এ অভিনেতা।এ ছাড়া লন্ডনে শাহরুখ খানের বাড়িও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তার বাড়ির সামনে ভিড় করছেন অসংখ্য ভক্ত। অনেকেই সেখানে ছবি ও সেলফি ভিডিও ধারণ করছেন। দৃশ্যটি মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভক্তদের ভিড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার প্ল্যাটফর্ম সাজগোজ এবার নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ বিভাগ চালুর মাধ্যমে তাদের পণ্যের পরিসর আরও বাড়িয়েছে। নতুন কালেকশনটি মূলত সাজগোজকে গিফট ও ব্যক্তিগত স্টাইলের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ শপ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য থাকছে নানা ধরনের পণ্য। কালেকশনটি এখন শুধু অনলাইনে shop.shajgoj.com-এ পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর সাজগোজের মুক্তার গহনার পাইলটটি গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর, সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি এবার উৎকৃষ্ট মানের মুক্তা, ট্রেন্ডি ফ্যাশন জুয়েলারি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ নিয়ে তাদের পণ্যের সংগ্রহ আরও সম্প্রসারিত করেছে। নতুন এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সাজসজ্জার জন্য সব ধরনের গহনা একত্রে রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা ‘দ্য রয়্যাল পার্ল’ এবং ‘অপেরা’-র মতো মুক্তার সেটের পাশাপাশি বাটারফ্লাই ও হার্ট স্টাড, ঝুমকা, ঝাড়বাতি কানের দুল, আংটি এবং চুড়ি থেকে বেছে নিতে পারেন। এই কালেকশনে হেয়ার ক্লিপ, স্ক্রাঞ্চি এবং নেইল আর্ট স্টিকারের মতো দৈনন্দিন ব্যবহারের অ্যাক্সেসরিজও রয়েছে। ৭৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া দামে এই কালেকশনে প্রিমিয়াম মুক্তার নজরকাড়া গহনার পাশাপাশি সহজলভ্য বিকল্পও রয়েছে, যা এটিকে বিভিন্ন উপহারের উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য উপযুক্ত করে তোলে।
দেশে গ্যাস সংকট থেকে উত্তরণের জন্য অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। অবকাঠামো তৈরি করে সংকট থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন সেটা দিতে হবে। আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রচলিত ধ্যান ধারণার বাইরে গিয়ে কাজ করছে সরকার।এছাড়া, জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
ফ্রান্সে কর্মরত বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, ফ্রান্স’-এর কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি হলেন রুপালী বাংলাদেশের ফ্রান্স প্রতিনিধি ও বাংলা টেলিগ্রামের সম্পাদক শাহ সুহেল আহমদ ও দৈনিক আমাদের সময়ের ফ্রান্স প্রতিনিধি আশিক আহমেদ উল্লাসকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে প্যারিসের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আত্মপ্রকাশ ও সাধারণ সভায় ডিবিসি নিউজ ও চ্যানেল এস ইউকের ফ্রান্স প্রতিনিধি ইকবাল মোহাম্মদ জাফর নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন।১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন- সহ সভাপতি অবিরাম বাংলা ডটকমের উপসম্পাদক বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক জান-ই-আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরা বাংলা টিভি ইউকের ফ্রান্স প্রতিনিধি আবু বাকার আল আমীন, কোষাধ্যক্ষ এশিয়া পোস্টের ফ্রান্স প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম রনি, প্রচার সম্পাদক বাংলা টেলিগ্রামের সিনিয়র রিপোর্টার তানভীর তালুকদার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাংলাদেশ টুডে ও সংবাদ প্রতিদিনের ফ্রান্স প্রতিনিধি নিপু বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক ইউরো বাংলা টোয়েন্টিফোরের সম্পাদক মোহাম্মদ কায়সার আহমেদ। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাই টিভি ও দৈনিক মুক্তখবরের ফ্রান্স প্রতিনিধি বাদল পাল, ডিবিসি নিউজ ও চ্যানেল এস ইউকের ফ্রান্স প্রতিনিধি ইকবাল মোহাম্মদ জাফর এবং দৈনিক যুগভেরীর ফ্রান্স প্রতিনিধি সাহাদ উদ্দিন।সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়।নবগঠিত কমিটির নেতারা বলেন, ফ্রান্সে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে সংগঠনটি কাজ করবে। একই সঙ্গে ফ্রান্সে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সাফল্যের সংবাদ আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।
গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহজ কিস্তি বা অর্থায়ন সুবিধায় স্মার্টফোন সহজলভ্য করার একটি পাইলট প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ নির্দিষ্ট নীতি ও শর্তের অধীনে এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেড’-কে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, এককালীন অর্থ পরিশোধ করে স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য না থাকায় গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের অনেক মানুষ এখনো ডিজিটাল সেবা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। এ বাধা কমানোই পাইলট প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষকে ডিজিটাল লেনদেন, মোবাইল আর্থিক সেবা, অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নায়েম ফয়েজ বলেন, বর্তমানে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; আর্থিক সেবা, শিক্ষা, তথ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ যেন এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবু আল মোতালিব বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে হলে শহরের বাইরের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদেরও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নীতি ও শর্ত মেনে পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর কার্যক্রম পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।উদ্যোক্তারা আশা করছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দায়িত্বশীল স্মার্টফোন অর্থায়ন এবং ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি