আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে ব্যাপক রদবদল করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় একই বছরের ২১ নভেম্বর বাহারুল আলমকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।তিনি বিদায়ী আইজিপি মো. ময়নুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন। সে অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ নভেম্বর তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগেই বাহারুল আলমের পদত্যাগের গুঞ্জন সামনে আসে।জানা যায়, রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রথমে চাকরিচ্যুত এবং পরবর্তীতে আলী হোসেন ফকিরকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তিনি সে সময় সরকারের রোষানলের শিকার হন বলে জানা যায়।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি এসপি পদমর্যাদায় চাকরি ফিরে পান। পরে সুপার নিউমারারি পদে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান। গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের সদস্য। তার বাড়ি বাগেরহাট জেলায়।
ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৫৬ টাকা থেকে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।তবে ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম সহনীয় রাখতে এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার কমানো হলো এলপিজির দাম।একইসঙ্গে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হয়েছে ঢাকা–আগরতলা–কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে একটি বাস পরীক্ষামূলকভাবে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।কেন বন্ধ ছিল?সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বাস সার্ভিসটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। দীর্ঘ বিরতির পর দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমঝোতার ভিত্তিতে পুনরায় পরীক্ষামূলকভাবে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।পরীক্ষামূলক যাত্রাআপাতত সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে বাস চলাচল করবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে পর্যায়ক্রমে সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর শরীফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে চালক ও স্টাফসহ মোট ৯ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ইমিগ্রেশনে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের দিকে বাসটি ভারতে প্রবেশ করে। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে বাসটি ভারতে গিয়েছিল এবং ২১ ফেব্রুয়ারি পুনরায় দেশে ফিরে আসে।সম্পর্ক জোরদারে নতুন সম্ভাবনাসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগ, মৈত্রী ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে। এটি কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়—দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে; যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে আফফান সাঈদ ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজের নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর চামেলীবাগে সাত তলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অপহৃত স্কুলছাত্র আফফান সচিবালয়ের তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম আহমেদের ছেলে। সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে সাইকেল চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয় আফফান সাঈদ। তবে কিছু সময় পরই আফফানের ফোন থেকে তার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একমাত্র ছেলের এমন খবরে সচিবালয়েই নিজের অফিসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিচিত অনেকের কাছে ছেলেকে উদ্ধারের সহায়তা চান শামীম আহমেদ। ফোন করেন পরিচিত অনেকের কাছে। তবে অফিস থেকে বের হতেই দেখতে পান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বের হচ্ছেন। প্রটোকল ভেঙেই তার কাছে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আটকে দেয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরা। হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন শামীম। এমন দৃশ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। নিরপত্তাকর্মীদের দিয়ে শামীম আহমেদকে কাছে ডেকে নেন তিনি। ছেলে অপহৃত হওয়ার বিষয়টি জানামাত্রই যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানান প্রধানমন্ত্রী। নড়েচড়ে বসে ডিএমপি। দুই ঘণ্টার মধ্যেই অপহৃত ছাত্র আফফান সাঈদকে ঢাকার চামেলীবাগের একটি সাততলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহমেদের নেৃত্বত্বাধীন টিম। স্বস্তি ফিরে আসে ভুক্তভোগী পরিবারে। আফফান সাঈদের বাবা শামীম আহমেদ বলেন, ‘কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা নেই আমার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদক্ষেপ না নিলে হয়তো আমার সন্তানকে এভাবে ফিরে পেতাম না। অপহরণকারীরা প্রথমে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। কিছু সময় পর আমার শ্যালককে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা দিতে বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে। পুলিশ কিংবা কাউকে জানালে আফনানকে মেরে ফেলা হবে বলে জানায়।’ পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টির তদারকি করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যে অক্ষত অবস্থায় অপহৃত ছাত্রকে উদ্ধার করতে পারায় অনেক ভালো লাগছে।’ কারা অপহরণ করেছিল এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অপহরণকারীরা ওই এলাকারই ছিনতাইকারী এবং মাদকসেবী। বিষয়টি আমরা আরও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। আরও কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং সত্য-মিথ্যার জটিল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন ‘অবিসংবাদিত তারেক রহমান’ বইটির পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন এবং আজ তিনি সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছেছেন। সামনের দিনগুলোতেও রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে তার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। তার ব্যক্তিগত গুণাবলি তাকে সকল বাধা অতিক্রমের শক্তি যোগাচ্ছে।তিনি আরও মন্তব্য করেন, রাজনীতির দর্শন ও আদর্শে মানবিক গুণাবলির গুরুত্ব বোঝা যায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার পতন আমাদের শেখায় যে নেতৃত্বের মানবিক দিক এবং নৈতিকতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, বইমেলা সুষ্ঠু সংস্কৃতির জন্য অপরিহার্য। এবার কোনো স্টলে ভাড়া নেয়া হয়নি, যাতে সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা পায়।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে মৌলবাদের উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি জাতীয় একটি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এতে তিনি নানান বিষয় উল্লেখ করলেও অনেক কিছুই চেপে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বিষয়ে উনি (রাষ্ট্রপতি) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি।তিনি বলেন, কোটি কোটি মানুষ যা শুনলো এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে স্বস্তি দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে দ্রুতই। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেয়া হবে।সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেয়া হবে। এরইমধ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।জানা যায়, একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীকালে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে। যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবুও সম্ভাব্য আবেদনকারীদের ৩টি কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে। সেগুলো হলো: আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ও একটি সচল মোবাইল নম্বর। পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্যদের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।প্রদত্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্যদের বিষয়ে ভুয়া নাম প্রকাশ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, দলের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতৃবৃন্দের স্ত্রী বা নিকটাত্মীয়রা নারী সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পাচ্ছেন- যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। আমরা মনে করি, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির হীন উদ্দেশ্যেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামী, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত সংগঠন। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নসহ সংগঠনের সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গ্রহণ করা হয়। এখানে আত্মীয়তা বা স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই।তিনি আরও বলেন, আমরা দেশবাসীকে অবহিত করতে চাই যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এবং মহিলা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সম্পন্ন হবে। অতএব, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের মারধরের ঘটনায় অনলাইন-অফলাইনে চলছে সমালোচনার ঝড়। এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রমনা জোনের এডিসি মীর আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায়ী ৪ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।এদিকে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন এডিসি আসাদুজ্জামান। ঘটনার প্রতিবাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রমনার ডিসি মাসুদ আলম ও কনস্টেবলদের দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, দুপুরে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা। তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রমনার ডিসি মাসুদ আলম ও কনস্টেবলদের দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবি জানান। ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবি সন্দেহে ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অভিযানে উদ্যানে আসা নিরীহ মানুষজনদের পেটাচ্ছে পুলিশ। আর এ সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদেরও বেধড়ক মারধর করে পুলিশ সদস্যরা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ আকবর। গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ইশতিয়াক সাদেক পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করায় এই দায়িত্ব পান আসিফ।বিসিবির একটি সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।বিসিবি নির্বাচনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলরশিপ নিয়ে নির্বাচন করে পরিচালক পদ পেয়েছিলেন ইশতিয়াক সাদেক। তবে দায়িত্বের কয়েক মাসের মাথায় তার পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন রটে। ইশতিয়াক নিজে অবশ্য জানিয়েছিলেন, সময় স্বল্পতার কারণে গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব ঠিকভাবে সামলাতে পারছেন না। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।যদিও ইশতিয়াকের সেই পদত্যাগপত্র এখনো গ্রহণ করেনি বিসিবি। অন্যদিকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্ব পান আসিফ। এবার সেটির সঙ্গে যুক্ত হলো গেম ডেভেলপমেন্ট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে আফফান সাঈদ ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজের নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর চামেলীবাগে সাত তলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অপহৃত স্কুলছাত্র আফফান সচিবালয়ের তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীম আহমেদের ছেলে। সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে সাইকেল চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয় আফফান সাঈদ। তবে কিছু সময় পরই আফফানের ফোন থেকে তার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একমাত্র ছেলের এমন খবরে সচিবালয়েই নিজের অফিসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিচিত অনেকের কাছে ছেলেকে উদ্ধারের সহায়তা চান শামীম আহমেদ। ফোন করেন পরিচিত অনেকের কাছে। তবে অফিস থেকে বের হতেই দেখতে পান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বের হচ্ছেন। প্রটোকল ভেঙেই তার কাছে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আটকে দেয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরা। হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন শামীম। এমন দৃশ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। নিরপত্তাকর্মীদের দিয়ে শামীম আহমেদকে কাছে ডেকে নেন তিনি। ছেলে অপহৃত হওয়ার বিষয়টি জানামাত্রই যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানান প্রধানমন্ত্রী। নড়েচড়ে বসে ডিএমপি। দুই ঘণ্টার মধ্যেই অপহৃত ছাত্র আফফান সাঈদকে ঢাকার চামেলীবাগের একটি সাততলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহমেদের নেৃত্বত্বাধীন টিম। স্বস্তি ফিরে আসে ভুক্তভোগী পরিবারে। আফফান সাঈদের বাবা শামীম আহমেদ বলেন, ‘কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা নেই আমার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদক্ষেপ না নিলে হয়তো আমার সন্তানকে এভাবে ফিরে পেতাম না। অপহরণকারীরা প্রথমে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। কিছু সময় পর আমার শ্যালককে ফোন করে ৩০ হাজার টাকা দিতে বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে। পুলিশ কিংবা কাউকে জানালে আফনানকে মেরে ফেলা হবে বলে জানায়।’ পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টির তদারকি করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যে অক্ষত অবস্থায় অপহৃত ছাত্রকে উদ্ধার করতে পারায় অনেক ভালো লাগছে।’ কারা অপহরণ করেছিল এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অপহরণকারীরা ওই এলাকারই ছিনতাইকারী এবং মাদকসেবী। বিষয়টি আমরা আরও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। আরও কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় সংঘটিত সেনাহত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এই দাবি জানান।বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল এবং বর্তমানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে জনগণ এই নির্মম ঘটনার নেপথ্য কারণ জানতে চায়।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে। আমরা নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ও তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। সেই সঙ্গে তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার এই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে। তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে কারাগারে আটক রাখে। অনেকে নির্দোষ প্রমাণিত হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের মুক্তি মেলেনি।মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, ২৪-এর আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। দেশ আজ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করেছে। নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণ ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সেনা হত্যার নির্মম ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা বর্তমান সরকারের নিকট দেশপ্রেমিক সব সেনা হত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।”বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, যে সব নিরীহ-নিরপরাধ ব্যক্তি কারাগারে আটক আছেন তাদের অবিলম্বে মুক্তি এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এ উপলক্ষে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর শাখা সংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।
দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হয়েছে ঢাকা–আগরতলা–কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে একটি বাস পরীক্ষামূলকভাবে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।কেন বন্ধ ছিল?সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বাস সার্ভিসটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। দীর্ঘ বিরতির পর দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমঝোতার ভিত্তিতে পুনরায় পরীক্ষামূলকভাবে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।পরীক্ষামূলক যাত্রাআপাতত সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে বাস চলাচল করবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে পর্যায়ক্রমে সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর শরীফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে চালক ও স্টাফসহ মোট ৯ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ইমিগ্রেশনে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের দিকে বাসটি ভারতে প্রবেশ করে। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে বাসটি ভারতে গিয়েছিল এবং ২১ ফেব্রুয়ারি পুনরায় দেশে ফিরে আসে।সম্পর্ক জোরদারে নতুন সম্ভাবনাসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগ, মৈত্রী ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে। এটি কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়—দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে; যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ আকবর। গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ইশতিয়াক সাদেক পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করায় এই দায়িত্ব পান আসিফ।বিসিবির একটি সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।বিসিবি নির্বাচনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলরশিপ নিয়ে নির্বাচন করে পরিচালক পদ পেয়েছিলেন ইশতিয়াক সাদেক। তবে দায়িত্বের কয়েক মাসের মাথায় তার পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন রটে। ইশতিয়াক নিজে অবশ্য জানিয়েছিলেন, সময় স্বল্পতার কারণে গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব ঠিকভাবে সামলাতে পারছেন না। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।যদিও ইশতিয়াকের সেই পদত্যাগপত্র এখনো গ্রহণ করেনি বিসিবি। অন্যদিকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্ব পান আসিফ। এবার সেটির সঙ্গে যুক্ত হলো গেম ডেভেলপমেন্ট।
বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের শারীরিক অবস্থা ও কর্মব্যস্ততা নিয়ে অবাক করা তথ্য ফাঁস করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেতা গোবিন্দ নমদেব। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা এবং মেরুদণ্ডের সমস্যা রয়েছে শাহরুখের- এমনটা জানেন সেই অভিনেতা। তাই বিষ্ময় প্রকাশ করে বললেন, এ অবস্থাতেই ২০ ঘণ্টা কাজ করেন বলিউড কিং! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিং খানের কঠোর পরিশ্রম ও জীবনযাপন নিয়ে মুখ খোলেন গোবিন্দ নমদেব। শাহরুখের এই সহ-অভিনেতার মতে, নায়কের শরীরে নানাবিধ জটিলতা রয়েছে, বিশেষ করে তার শিরদাঁড়ার হাড়ের সমস্যা বেশ পুরনো। গোবিন্দ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই এই ভেবে যে, শরীরে এত সমস্যা থাকার পরও একজন মানুষ কীভাবে দিনে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন? তিনি মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা ঘুমান, আবার নিয়ম করে শরীরচর্চা ও সংলাপ মুখস্থ করেন। শারীরিক কষ্টকে উপেক্ষা করেই তিনি সব অনুষ্ঠানে যোগ দেন।২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি’ সিনেমায় শাহরুখের সঙ্গে কাজ করেছিলেন গোবিন্দ নমদেব। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, শাহরুখের সঙ্গে কাজ করা দারুণ অভিজ্ঞতার। তখনই বুঝেছিলাম, ২৪ ঘণ্টা কাজ করার ক্ষমতা যদি কারও থাকে, তবে তা শুধু শাহরুখেরই আছে। নিজের শরীর নিয়ে একদমই ভাবেন না তিনি।এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান নিজেও তার অনিয়মিত জীবনযাপনের কথা স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন ভোর ৫টায় ঘুমাতে যান তিনি। শুটিং থাকলে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা ঘুমিয়ে সকাল ৯টা বা ১০টার মধ্যে সেটে হাজির হন। কাজ থেকে ফিরে গোসল সেরে আবারও শরীরচর্চায় মনোযোগ দেন তিনি।
ফের এক তরুণীকে নির্যাতনের অভিযোগে কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করেছে ডেমরা থানা-পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গত বছরের ১৩ আগস্ট এক তরুণী নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন। চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন—নোবেলের স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, তাঁর মা নাজমা হোসেন এবং তাঁর সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দুই পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে নোবেলের বাগদান সম্পন্ন হয়। তরুণী একদিন নোবেলের ডেমরার বাসায় দেখা করতে যান। এ সময় স্টুডিওতে আটকে রেখে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন নোবেল। সম্মতি না দিলে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন নোবেল। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এর আগেও নোবেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৯ মে ডেমরা থানার একটি মামলায় ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই মামলার বাদীকে কারাগারে বিয়ে করার পাঁচ দিন পর তিনি জামিন পান।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ইতোমধ্যে সিনেমাটির শুটিং নিয়ে বর্তমানে কলকাতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ঢালিউড সুপারস্টার। গত কয়েক দিন ধরে কলকাতার বৌবাজার, হাওড়া ও আলিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সিনেমাটির দৃশ্যধারণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি শাকিব খানের নতুন কিছু লুকের কিছু ছবি দেখা গেল ভারতীয় বাংলা গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে। ছবিতে শাকিব খানের চরিত্র অনুযায়ী নব্বই দশকের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ‘কালা জাহাঙ্গীর’-এর আদলে দেখা গেছে। অগোছালো চুল, ঘন দাড়ি-গোঁফ এবং বুক খোলা জ্যাকেটের নিচে শার্ট; যেখানে তাকে পুরোপুরি ভিন্ন এক অবতারে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। একজন সাধারণ মানুষ থেকে কীভাবে তিনি দুর্ধর্ষ গ্যাংস্টারে পরিণত হন, সেই উত্তরণের গল্পই উঠে আসবে এই সিনেমায়।আনন্দবাজারের খবর, গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে হাওড়ার শালিমারের একটি পরিত্যক্ত কারখানায় রাতভর সিনেমাটির মারপিট বা অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং শুরু হয়। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বৌবাজারের মাধো ভবনে চিত্রধারণ করা হয়। সেখানে বাইক নিয়ে শাকিব খানের একটি প্রবেশ দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দেয়। কলকাতার এই ধাপ শেষ করে পুরো ইউনিটের ভারতের হায়দেরাবাদে যাওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে জানা গেছে শাকিব খানের এই সিনেমাটিতে মেগাস্টারের বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। এছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের শরীফ সিরাজ ও মাহমুদ; কলকাতার লোকনাথ দে, পিয়ান সরকার, মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য।সিনেমার চিত্রগ্রহণে রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত চিত্রগ্রাহক অমিত রায় এবং শৈলেশ অবস্থী। জানা গেছে, শ্রীলঙ্কায় প্রথম লটের শুটিং শেষ হওয়ার পর এটি সিনেমার দ্বিতীয় লটের কাজ। ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মসের ব্যানারে শিলিন সুলতানা প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমাটি চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
বলিউড তারকা মালাইকা অরোরা আবারও ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায়। ইতালির রাজধানী রোমে ছুটি কাটাতে গিয়ে কথিত প্রেমিক হর্ষ মেহতার সঙ্গে তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ছবিকে ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা।গত বছর মুম্বাইয়ে গায়ক এনরিকে ইগলেসিয়াসের কনসার্টে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই মালাইকা ও হর্ষকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। এবার ইতালির ভ্রমণ সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিল। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দুজনকে দেখা যায় রোমের বিখ্যাত ট্রেভি ফাউন্টেনের সামনে দাঁড়িয়ে।ছবিতে মালাইকার পরনে ছিল ওভারসাইজড কালো ট্রেঞ্চ কোট। নো মেকআপ লুক ও স্লিক হেয়ারস্টাইলে তিনি ছিলেন স্বাভাবিক অথচ স্টাইলিশ। অন্যদিকে ধূসর জ্যাকেটে হর্ষ মেহতাকেও দেখা যায় স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে। শোনা যাচ্ছে, ৩৩ বছর বয়সী উদ্যোক্তা হর্ষ মেহতার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন মালাইকা। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউই কিছু জানাননি, তবু একসঙ্গে উপস্থিতি ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে।‘ছাইয়া ছাইয়া’, ‘আনারকলি ডিস্কো চলি’, ‘মুন্নি বদনাম’–এর মতো জনপ্রিয় গানে পারফর্ম করে মালাইকা বলিউডে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বড় পর্দায় নাচের সংখ্যায় তাকে কম দেখা গেলেও শহরের নানা আয়োজনে উপস্থিতি ও ব্যক্তিগত জীবনের ঝলক তাকে সব সময়ই খবরের শিরোনামে রাখে।অর্জুনের সঙ্গে বিচ্ছেদ তবু মালাইকা বললেন...রোম ভ্রমণের এই ছবি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—একি কেবল বন্ধুত্ব, নাকি সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছে? আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত উত্তর অজানাই থাকছে। তবে আপাতত ইতালির মনোরম পটভূমিতে মালাইকা–হর্ষের এক ফ্রেমই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের প্রশংসায় ভাসলেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জাইমা রহমানকে নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।জাইমা রহমানকে মাটির মানুষ আখ্যা দিয়ে তিশা লেখেন, ‘বিদেশে বেড়ে উঠলেও তিনি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত সৌন্দর্য, মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে ধারণ করেন।’তিনি আরো বলেন, ‘কেউ যেখানে বেড়ে উঠুক না কেন, নিজের শিকড়কে এভাবে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রথম রোজায় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায় নারী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে এক ইফতার মাহফিলে অংশ নেন জাইমা রহমান।
একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের স্মরণ করলেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নায়ক। শাকিব খানের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘এসকে ফিল্মস’ -এর পেজ থেকেও একই ছবি ও বার্তা দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।শাকিব খানের শেয়ার করা পোস্টটির কার্ডে ভাষা দিবসের অর্থবহ গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে।ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চলচ্চিত্রের তিনটি ফিল্ম রোল লম্বালম্বিভাবে দাঁড় করিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদল তৈরি করা হয়েছে এবং পাশে একটি ফিল্ম রিল রাখা হয়েছে। নিজের পেশা অর্থাৎ চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ফিল্ম রোলের সাথে জাতীয় শোক, অহংকার ও গৌরবের প্রতীক শহীদ মিনারকে এক সুতোয় গেঁথেছেন এই শীর্ষ নায়ক।এই ছবিটির ভেতরে এবং পোস্টের ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়া সকল বীর শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।’
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৪ হাজার ৮৬২ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১০৭ দশমিক ৮২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পড়ে সিকদার (৪৮) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার দিবাগত রাতে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।হারুন সিকদার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি রহমত আলী সিকদারের নতুন বাড়ির মো. নাগু মিয়ার ছেলে। ছয় ভাই ও সাত বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেঝ। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক বছর বয়সী একটি কন্যাশিশু রয়েছে।পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২ ডিসেম্বর ছুটিতে দেশে আসেন হারুন। এক মাস পাঁচ দিনের ছুটি শেষে ৭ জানুয়ারি সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফেরেন। ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।স্বজনেরা জানান, ভবনের একটি চতুর্মুখী সিঁড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান হারুন। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি মেডিকেল কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।হারুনের ছোট ভাই মো. সিফাত বলেন, আমার বোনের জামাই সেখানে তার সঙ্গে আছেন। কবে নাগাদ মরদেহ দেশে আনা যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নই। মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মালেক বলেন, ঘটনাটি শুনে খুব মর্মাহত হয়েছি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মরদেহ দেশে আনা ও দাফন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
মিসিং ডে। এটি কেবল পুরোনো প্রেমের বিরহ যাপন নয়, এটি হারানো বন্ধুত্ব ও ফেলে আসা সোনালি দিন। প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো অমলিন মুহূর্তগুলো স্মরণের দিনও এটি। ফেব্রুয়ারি মাস মানে কেবলই গোলাপ, চকলেট আর ভালোবাসার দিন নয়; এর ঠিক উল্টো পিঠে থাকে ‘অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইন উইক’। এ সপ্তাহের ষষ্ঠ দিন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মিসিং ডে। দিনটি কেবল পুরোনো প্রেমের বিরহ যাপনের জন্য নয়; বরং হারানো বন্ধুত্ব, ফেলে আসা সোনালি দিন এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো অমলিন মুহূর্তগুলো স্মরণের দিনও বটে।আমাদের জীবনের যান্ত্রিকতায় আমরা অনেক সময়ই ছোটবেলার বন্ধু, স্কুল-কলেজের সহপাঠী বা আত্মীয়দের থেকে অনেক দূরে সরে যাই। জীবনের প্রয়োজনে ব্যস্ততা বাড়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই ব্যস্ততার কারণে যখন প্রিয় মানুষগুলো থেকে আমরা দূরে সরে যাই, তখন আমাদের মধ্যে একধরনের শূন্যতা তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রিয়জনের অভাব অনুভব করে তাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করলে মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা কমে। বিশেষ করে যাঁরা কোনো টক্সিক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছেন বা কারও দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন, তাঁদের জন্য এই দিন হতে পারে নতুন করে পুরোনো সম্পর্কগুলো ফিরে পাওয়ার সুযোগ।হারানো বন্ধুদের খুঁজে বের করা, স্কুল বা কলেজের যে প্রিয় বন্ধুটির সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা হতো, তাকে অন্তত একবার এদিনে কল করা। পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে পুরোনো সেই আড্ডার কথা ভাগ করলে মনের জমানো অস্থিরতাগুলো নিমেষেই মুছে যায়। এটি মনে করিয়ে দেয় এখনো এমন মানুষ আছে, যারা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানে।শৈশব মানেই নির্ভেজাল আনন্দ। সেই দিনগুলোর কথা একা একা ভাবার চেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন। শৈশবের সেই হারানো হাসিগুলোই হতে পারে আপনার আজকের ক্লান্তি দূর করার টনিক। যদি সম্ভব হয়, বন্ধুদের নিয়ে আবার এক ছাদের নিচে আড্ডা দিন। এতে আবেগ ও অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত বিনিময় ঘটবে। এক কাপ চা বা কফিতে চুমুক দিতে দিতে পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে করলে দিনটি আপনার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহুরে একঘেয়েমি দূর করতে বন্ধুদের সঙ্গে ছোটখাটো পিকনিক বা প্রকৃতির মাঝে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন। খোলা আকাশ আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে পুরোনো বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসে। এটি কেবল আনন্দই দেয় না, বরং হারানো সম্পর্কগুলোকে পুনরায় শক্তিশালী করে।আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হয়ে থাকলে সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে না থেকে বরং তাদের কথা ভাবুন, যারা অতীতে নিঃস্বার্থভাবে আপনার পাশে ছিল। মিসিং ডেতে সেসব মানুষদের গুরুত্ব দিন, যারা সত্যিই আপনার ভালো চায়। অতীতের ভুল মানুষকে ভুলে যাওয়ার সেরা উপায় হলো বর্তমানের সঠিক মানুষদের আঁকড়ে ধরা।দূরত্বের কারণে দেখা করা সম্ভব না হলে বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সহায়তা নিন। একটি সুন্দর দীর্ঘ মেসেজ বা পুরোনো কোনো ছবি পাঠিয়ে আপনার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে জানান, আপনি তাকে এখনো মনে করছেন। আপনার একটি ছোট মেসেজ হয়তো হারানো কোনো সম্পর্কের দরজা আবারও খুলে দিতে পারে।স্কুলের টিফিন ভাগ করে খাওয়া কিংবা ক্লাস পালানোর দিনগুলোর কথা মনে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের কোনো গ্রুপে বা নির্দিষ্ট বন্ধুকে ট্যাগ করে সেই সময়ের কোনো মজার ঘটনা শেয়ার করুন। দেখবেন, অনেক ভালো লাগবে।যারা জীবনের কঠিন সময়ে আপনার হাত ধরেছিল, আজ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। আমাদের জীবনে এমন অনেকেই থাকে, যাদের অবদান আমরা মুখ ফুটে বলতে পারি না। আজ তাদের একটি ধন্যবাদসূচক বার্তা পাঠিয়ে দিন। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আপনার ও আপনার বন্ধুদের সম্পর্ক আরও গভীর ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। সূত্র: মিডিয়াম, উইকিহাউ ও অন্যান্য
বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে বরকতময় মাস রমজান। এটি শুধু উপবাসের মাস নয়; আত্মিক পরিশুদ্ধি, ত্যাগের মহিমা ও সহমর্মিতার অনন্য শিক্ষায় ভরা এক মহিমান্বিত সময়। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার এই সাধনা মুমিনের জীবনে আনে প্রশান্তি, সংযম ও আত্মশুদ্ধির বার্তা।আত্মিক পরিশুদ্ধির আহ্বানরমজান মানেই এক পবিত্র আবহ। ভোরের সেহরি থেকে রাতের তারাবিহ—প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের সৌরভে ভরপুর। এ মাসে মানুষ কুপ্রবৃত্তি দমন করে ধৈর্য, সংযম ও সহনশীলতার চর্চা করে। রোজা কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা থেকে বিরত থাকা নয়; এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার এক বিশেষ অনুশীলন। এই এক মাসের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক শিক্ষাই যেন বছরের বাকি সময়ের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে।ইফতারের আমেজ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনদিনভর সিয়াম সাধনার পর সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, ঘরে ঘরে শুরু হয় ইফতারের প্রস্তুতি। মুড়ি, ছোলা, বেগুনি, খেজুর ও শরবতের সুগন্ধে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। তবে ইফতারের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো ভ্রাতৃত্ব ও সাম্যের চর্চা। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে একসঙ্গে বসে ইফতার করার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষারমজান আমাদের শেখায় ক্ষুধার প্রকৃত অর্থ। যারা সারা বছর অভাব-অনটনের সঙ্গে সংগ্রাম করে, তাদের কষ্ট উপলব্ধির সুযোগ এনে দেয় এই মাস। তাই রমজানে দান-সদকা ও জাকাত প্রদানের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের মুখে হাসি ফোটানো—এসবের মধ্য দিয়েই রমজানের প্রকৃত তাৎপর্য প্রতিফলিত হয়।বদলে যাওয়া নাগরিক জীবনরমজানে দৈনন্দিন জীবনের ছন্দেও আসে পরিবর্তন। অফিস-আদালতের সময়সূচি সামঞ্জস্য করা হয়, বাজারে বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা। বিশেষ করে শেষ দশকে ঈদের আনন্দঘন আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। কেনাকাটার ব্যস্ততার মাঝেও মানুষের হৃদয়ে থাকে ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির আকাঙ্ক্ষা।রমজান ধৈর্যের মাস, আর ধৈর্যের প্রতিদান জান্নাত। শান্তি, রহমত ও ক্ষমার বার্তা নিয়ে প্রতি বছর আমাদের কাছে ফিরে আসে এই মহিমান্বিত মাস। রমজানের সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা যদি ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিফলিত হয়, তবে গড়ে উঠবে কলুষমুক্ত, সুন্দর এক সমাজ। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন—এই হোক মাহে রমজানের অঙ্গীকার।
রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুনসেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে এতে পানি ধীরে ধীরে পান করলে শরীর তার শোষণ ভালোভাবে করতে পারে। ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি পানি-সমৃদ্ধ। এগুলো সেহরি ও ইফতারে থাকলে শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড থাকে।ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত করুনচা, কফি ও কোলার মতো পানীয় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় (ডাইউরেটিক প্রভাব), ফলে শরীর দ্রুত পানি হ্রাস পায়। জুস বা চিনিযুক্ত মিষ্টি পানীয়ও বেশি শর্করা থাকার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খানঅতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। তাই সেহরি ও ইফতারে বেশি লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সেই সঙ্গে লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়িয়ে নিতে পারেন।হালকা ও নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুনরোজা যখন ভাঙবে (ইফতার), তখন একবারে অনেক পানি না গিলেই বরং ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন। এইভাবে শরীরকে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড রাখা সহজ হয়।বাইরের তাপ বা গরমে দীর্ঘ সময় থাকলে সতর্ক থাকুনযদি রোজা রাখার সময়ে সূর্যের তাপে বেশি সময় কাটে বা শারীরিক কাজ বেশি হয়, তাহলে ঘাম বের হয়ে শরীর থেকে আরও পানি ক্ষয় হতে পারে। চেষ্টা করুন সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কাজ বা বিশ্রাম নিন।ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুনহালকা তরকারি স্যুপ বা দই পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ত্বরণ ভালো রাখে।রোজা রাখার সময় শরীরের সিগন্যাল যেমন খুব বেশি পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং এসব লক্ষণ পানিশূন্যতার ইঙ্গিত দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে শরীরকে রিফ্রেশ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সম্প্রতি জাতীয় একটি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এতে তিনি নানান বিষয় উল্লেখ করলেও অনেক কিছুই চেপে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বিষয়ে উনি (রাষ্ট্রপতি) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি।তিনি বলেন, কোটি কোটি মানুষ যা শুনলো এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।