ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু

কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে পাঁচ জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা আরও সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ অমজাখালী এলাকার শামসুল আলমের ছেলে নাছির উদ্দীন (২০), পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাগপাড়া এলাকার নাছির উদ্দীন (২১), একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো. করিম (২১), আব্দুল মাবুদের ছেলে আইয়ুব মনির (২০) এবং কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল হায়দারপাড়া এলাকার কামাল (৪৮)।স্থানীয়দের বরাতে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় নুরুল আবছারের মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার ১২ জন মাঝি-মাল্লাকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। সোমবার ভোরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়।তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রলারে থাকা সাত জেলে বিভিন্নভাবে জীবিত উদ্ধার হন। তবে পাঁচ জেলে নিখোঁজ ছিলেন। পরে সোমবার সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা।সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে এমন ঘটনা ঘটে।ওয়াকআউটের আগে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা দুইটা শপথ নিয়েছি, একটা সংসদ সদস্য হিসেবে, অপরটি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। দুইটা শপথই বিদ্যমান আছে। ওইটাকে যদি বাইপাস করার জন্য কমিটি করা হয় তবে এটা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই আছি।’তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি গণতন্ত্রের দাবিই হচ্ছে জনগণের মতামত মেনে নেওয়া। সেই মতামত ৭০ শতাংশের পাশাপাশি জনগণের মতামত। গণভোটের মতামত যদি এভাবে শেষ হয়ে যায় তবে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক এই পদ্ধতির ওপর মানুষ শুধু আস্থাই হারাবে না, বিদ্রোহী হয়ে পড়বে।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না। জনগণের মতামতকে যেহেতু সম্মান করা হচ্ছে না, তাই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।’কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; সদস্য চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, জয়নাল আবেদিন, মোহাম্মদ জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, আন্দালিব রহমান পার্থ, মোহাম্মদ নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমিন, সাকিলা ফারজানা, মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল এবং মোহাম্মদ অলিউল্লাহ।

৭ জেলায় বন্যা: নিহত ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

৭ জেলায় বন্যা: নিহত ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

দেশে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। দেশের ৭টি জেলায় আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে।সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭টি জেলা বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির শিকার। বন্যাকবলিত এই জেলাগুলো হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জেলাগুলোর মোট ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে বর্তমানে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ৭টি জেলায় বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে। এই দুর্যোগের কবলে পড়ে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও ৩৯ জন মানুষ আহত হয়েছেন।নিহত ও আহতদের জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।অপরদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছেন।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষদের জরুরি আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে মোট ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরইমধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

  • চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

    চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

  • আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পে স্কেলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

    আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পে স্কেলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

  • বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল

    বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল

  • বৃহস্পতিবার থেকে আবার বাড়বে বৃষ্টি

    বৃহস্পতিবার থেকে আবার বাড়বে বৃষ্টি

  • গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৩২৭ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।সোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ৮১ জন, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাহিরে) ৬১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৫ জন, বরিশাল বিভাগে ৬১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭ জন ও রাজশাহী বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৮০০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৮২৩ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ৮ হাজার ৬৫০ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জুনে, এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৭ জন। চলতি মাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৫৪৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী আর মৃতদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ মহিলা। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।এর আগে ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং প্রাণ হারান ১ হাজার ৭০৫ জন।

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র   নতুন আহ্বায়ক কমিটি

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটি (আংশিক) ঘোষণা করেছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সংবাদ জানানো হয়েছে। কমিটির ৭জন যুগ্ম আহ্বায়ক হচ্ছে, সৈয়দ তৌফিক আহমেদ মীর, আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, মো. মহিউদ্দিন, এ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম বাবু, ব্যারিস্টার রিজভী উল আহ্‌সান মুন্সি, ওসমান গণি ভূইয়া ও সুফিয়া খাতুন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন এক অভিনন্দন বার্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেমকে আহবায়ক করে নবগঠিত কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আংশিক আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ড.খন্দকার মারুফ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেমের নেতৃত্বে আগামী দিনে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি, ৭টি উপজেলা এবং ২টি পৌর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করতে সক্ষম হবেন।উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো.আবুল হাশেম কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির বিদ্যমান কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। আলহাজ্ব আবুল হাশেম ৪ মেয়াদে গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। একজন সমাজসেবী হিসাবে এলাকায় তার যথেষ্ট সুখ্যাতি রয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময়ে দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনকালে আবুল হাশেম চেয়ারম্যান জেল-জুলুম, নিপীড়ন উপেক্ষা করে আন্দোলনে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমান আহবায়ক কমিটিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে সন্মেলনের মাধ্যমে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বিদায়কালে তার দায়িত্ব ছিল ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক।সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু'তাসিম বিল্লাহ শাহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার ষান্মাসিক প্রোগ্রাম। সে উপলক্ষে আজ বৈঠকে আমি, সাদিক কায়েম ভাইসহ আরও ৯ জন দায়িত্বশীলকে সংগঠন থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, এটি খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ছাত্রত্ব ও সাংগঠনিক দায়িত্ব শেষ করে সাংঠনিক প্রক্রিয়ায় প্রতি ছয় মাস পর পর দায়িত্বশীলদের বিদায় দেওয়া হয়।বিদায়ীরা হলেন- কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান মুহিব, কেন্দ্রীয় প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান ও কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।এদিকে, বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে সাদিক কায়েম লিখেছেন- ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, আমার আবেগ আর ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন! দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে।’

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে কিংবা ভারতের মাটিতে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুন না কেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে।সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলে না বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গণঅভ্যূত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে প্রায় দুই বছর ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চলতি বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অথবা অন্য যেকোনো স্থান থেকে আত্মসমর্পণ করলেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলে না। শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা চলমান রয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু বা অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে সরকার আইনগত ও কূটনৈতিক, উভয় প্রক্রিয়াতেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে বলে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি পেয়েছেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন।এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, দেশের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো ক্রীড়াবিদ বা তাদের পরিবারের সদস্যদের এ ধরনের হুমকি ও হয়রানির শিকার হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ক্যাম্পাজ ও তার পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন কাম্পাস। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। পরে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায় এবং সেখানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে সুইজারল্যান্ড। আর বিশ্বকাপ স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটে কলম্বিয়ার।ম্যাচ শেষে দলের সঙ্গে বোগোতাগামী নির্ধারিত বিমানে ওঠেননি কাম্পাস। আত্মগোপনে যাওয়ার পর অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কাম্পাস। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতাম কলম্বিয়ার জার্সি গায়ে জড়ানোর, মাঠে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত শোনার, লাখো মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার এবং বিশ্বকাপে গোল করার।’সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই যে আনন্দের অপেক্ষায় ছিলাম, তা এনে দিতে না পারার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত। তবে আমি আপনাদের জানাতে চাই, এই জার্সির প্রতি আমার নিবেদন, প্রতিশ্রুতি এবং ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। মাঠে আমি আমার সর্বোচ্চটাই দিয়েছি, আর দেশের জন্য এই কাজ আমি আরও হাজারবার করতে প্রস্তুত।’এর আগে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করার পর দেশে ফিরে খুন হয়েছিলেন কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে আজও স্মরণ করা হয় সেই ঘটনাকে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন ‍সিদ্ধান্ত

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন ‍সিদ্ধান্ত

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিল করেছে সরকার। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা উন্নত করতে মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে। এজন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের টিম হাসপাতালটি পরিদর্শন করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হাসপাতালটির ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জানান, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পরপরই সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালটির অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ চলছে।মন্ত্রী বলেন, ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ার পর আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আইসিইউ ইউনিটের দরজা-জানালাসহ অবকাঠামো পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছে। তারা ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে। আমরা দ্রুতই একটি পরিদর্শন টিম পাঠাব। পরিদর্শন শেষে যদি সব কিছু ফিজিবল (যৌক্তিক) মনে হয়, তবে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।নিহত ছয়জনের পরিবারের চরম শোচনীয় অবস্থার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ছয়টি পরিবার এখন নিঃস্ব। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে কিছু আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। যদিও প্রতিশ্রুত আরও কিছু টাকা পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে, তবে আমরা তাদের যথাযথ সহায়তার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি।মামলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনি প্রক্রিয়াটি আইন অনুযায়ী চলবে। আমাদের পক্ষে তো আর মার্ডার মামলা করা সম্ভব নয়। তাছাড়া মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তের অনুমতি না দেওয়ায় বিষয়টিতে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে পরিবারগুলো যেন ন্যায়বিচার পায় এবং কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা সরকার গুরুত্ব সহকারে দেখছে।জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা হটলাইন ‘১৬২৬৩’ নম্বরের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে এই নম্বরে কল করলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় সরকার আগে থেকেই সতর্ক রয়েছে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রতিটি এলাকায় আমাদের স্পেশাল বরাদ্দ ও উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত থাকে।দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকলে তা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছি। আমাদের কাজে কোনো দুর্বলতা থাকলে আপনারা তা তুলে ধরবেন, আমি তাতে খুশিই হবো।

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যা, টানা অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে এনসিপির ভাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি।১৩ জুলাই সোমবার জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার সাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।বিবৃতিতে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আজকের পরীক্ষা চলমান রাখায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।বিবৃতিতে বলা হয়, কয়েকদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোর রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। বহু পরীক্ষা কেন্দ্র এখন বন্যার পানিতে প্লাবিত অথবা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় বুক সমান পানি ও তীব্র স্রোত পেরিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চারদিকে যখন একের পর এক মৃত্যুর খবর আসছে, তখন পরীক্ষা চালু রাখা অত্যন্ত অমানবিক। পাশাপাশি, যেসব পরীক্ষার্থীর ঘরবাড়ি ও বইখাতা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে পরীক্ষায় বসা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। গ্রাম এলাকায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট না থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছে। এই অবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া মেধা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য তৈরি করবে।অতএব, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং শিক্ষার্থীদের জীবন রক্ষা ও সমতা নিশ্চিত করতে জাতীয় ছাত্রশক্তি চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দেশব্যাপী অবিলম্বে স্থগিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন সময়সূচি ঘোষণা করাই হবে এই মুহূর্তের সবচেয়ে প্রাজ্ঞ ও মানবিক সিদ্ধান্ত।

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

প্যারিসের প্রতিকূলতা ছাপিয়ে উইম্বলডন জেতাটা অভ্যাসে পরিণত করতে শুরু করেছেন ইয়ানিক সিনার। শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংধারী রোববার আলেক্সান্দার জভেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতলেন। তৃতীয় সেটে ঘাসের মধ্যে পিছলে গিয়ে হাঁটুতে আঘাত পান জভেরেভ। আর কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেননি এই জার্মান। ৬-৭ (৭), ৭-৬ (২), ৬-৩, ৬-৪ গেমে জয় পান সিনার।ফ্রেঞ্চ ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ডে বিদায়ের পর প্রথম টুর্নামেন্টে নেমে সিনার পঞ্চম গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন। লন্ডনের উত্তপ্ত গরমের প্রতিকূলতা জয় করে অল ইংল্যান্ড ক্লাবে বিজয়ী হলেন তিনি।সিনার বললেন, ‘এই জয়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্যারিসের পর আবারও এটা একটা কঠিন লড়াই ছিল। আমি নিজের এবং আমার দলের জন্য গর্বিত, যারা আমাকে ক্রমাগত সঠিক পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।’এনিয়ে সিনার টানা দশম ম্যাচ জিতলেন জভেরেভের বিপক্ষে। সদ্যই তার জার্মান প্রতিপক্ষ ফ্রেঞ্চ ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে এসেছেন। উইম্বলডনে এতদিন তিনবার চতুর্থ রাউন্ডে ওঠাই ছিল তার সেরা সাফল্য।

সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ

সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ

অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল বিদেশে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ।তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা করায় এবং পরবর্তীতে উত্তরা বিভাগে মাদক, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করায় একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বলেও তিনি জানান।মির্জা তারেক আহমেদ বেগ বলেন, “আমি জুলাই ছাত্র আন্দোলনকারীদের পক্ষে কাজ করেছি। আন্দোলনকে বেগবান করতে সব সময় তাঁদের সহযোগিতা করেছি।”তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের সাফল্য ও কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বাহিনীর মনোবল দুর্বল করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।ডিসি তারেক বেগ জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও পুলিশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে উত্তরা বিভাগে অপরাধ দমনে চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তবে তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তিনি বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে আওয়ামী লীগের লোক বা রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ও ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। বাস্তবে আমরা কোনো রাজনৈতিক পরিবারের নই। আমার বা আমার পরিবারের কারও কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল না। আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো পদ-পদবীতেও আমি কখনো ছিলাম না। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব প্রচার চালানো হচ্ছে।”

৭ জেলায় বন্যা: নিহত ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

৭ জেলায় বন্যা: নিহত ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দেশের রাস্তায় ১,০০০-এর অধিক এনইভি’র মাইলফলক অর্জনে বিওয়াইডি বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য আয়োজন

দেশের রাস্তায় ১,০০০-এর অধিক এনইভি’র মাইলফলক অর্জনে বিওয়াইডি বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য আয়োজন

বৃহস্পতিবার থেকে আবার বাড়বে বৃষ্টি

বৃহস্পতিবার থেকে আবার বাড়বে বৃষ্টি

টেকসই নগর গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, নদী-খাল রক্ষা ও গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়নের তাগিদ

টেকসই নগর গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, নদী-খাল রক্ষা ও গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়নের তাগিদ

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন লেগে ২৭জন নিহত

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন লেগে ২৭জন নিহত

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তরুণদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তরুণদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের একের পর এক হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের একের পর এক হামলা

হরমুজ প্রণালি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করলো আইআরজিসি

হরমুজ প্রণালি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করলো আইআরজিসি

মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা।সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে এমন ঘটনা ঘটে।ওয়াকআউটের আগে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা দুইটা শপথ নিয়েছি, একটা সংসদ সদস্য হিসেবে, অপরটি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। দুইটা শপথই বিদ্যমান আছে। ওইটাকে যদি বাইপাস করার জন্য কমিটি করা হয় তবে এটা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই আছি।’তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি গণতন্ত্রের দাবিই হচ্ছে জনগণের মতামত মেনে নেওয়া। সেই মতামত ৭০ শতাংশের পাশাপাশি জনগণের মতামত। গণভোটের মতামত যদি এভাবে শেষ হয়ে যায় তবে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক এই পদ্ধতির ওপর মানুষ শুধু আস্থাই হারাবে না, বিদ্রোহী হয়ে পড়বে।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না। জনগণের মতামতকে যেহেতু সম্মান করা হচ্ছে না, তাই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।’কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; সদস্য চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, জয়নাল আবেদিন, মোহাম্মদ জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, আন্দালিব রহমান পার্থ, মোহাম্মদ নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমিন, সাকিলা ফারজানা, মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল এবং মোহাম্মদ অলিউল্লাহ।

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র   নতুন আহ্বায়ক কমিটি

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

নির্বাচন ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারনী বৈঠক

নির্বাচন ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারনী বৈঠক

হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ

হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে: নাহিদ

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে রামপালে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে রামপালে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ

কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু

কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে পাঁচ জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা আরও সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ অমজাখালী এলাকার শামসুল আলমের ছেলে নাছির উদ্দীন (২০), পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাগপাড়া এলাকার নাছির উদ্দীন (২১), একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো. করিম (২১), আব্দুল মাবুদের ছেলে আইয়ুব মনির (২০) এবং কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল হায়দারপাড়া এলাকার কামাল (৪৮)।স্থানীয়দের বরাতে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় নুরুল আবছারের মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার ১২ জন মাঝি-মাল্লাকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। সোমবার ভোরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়।তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রলারে থাকা সাত জেলে বিভিন্নভাবে জীবিত উদ্ধার হন। তবে পাঁচ জেলে নিখোঁজ ছিলেন। পরে সোমবার সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ৪০ বিজিবি, খাদ্য ও চিকিৎসাসহ নানা সহায়তা

টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ৪০ বিজিবি, খাদ্য ও চিকিৎসাসহ নানা সহায়তা

নবীনগরে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নবীনগরে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ঢাকায় মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় পলাশবাড়ী আলোচিত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস গ্রেফতার

ঢাকায় মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় পলাশবাড়ী আলোচিত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস গ্রেফতার

ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের  কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক   অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রবল স্রোতে ধুনটে যমুনার ভয়াল থাবা, ৩০ মিটার স্পার নদীগর্ভে বিলীন, জিওব্যাগ-জিও টিউবেও মিলছে না সুফল; স্থায়ী সমাধানের দাবিতে নদীপাড়ের মানুষ

প্রবল স্রোতে ধুনটে যমুনার ভয়াল থাবা, ৩০ মিটার স্পার নদীগর্ভে বিলীন, জিওব্যাগ-জিও টিউবেও মিলছে না সুফল; স্থায়ী সমাধানের দাবিতে নদীপাড়ের মানুষ

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামল ভাংচুর

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামল ভাংচুর

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি পেয়েছেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন।এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, দেশের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো ক্রীড়াবিদ বা তাদের পরিবারের সদস্যদের এ ধরনের হুমকি ও হয়রানির শিকার হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ক্যাম্পাজ ও তার পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন কাম্পাস। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। পরে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায় এবং সেখানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে সুইজারল্যান্ড। আর বিশ্বকাপ স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটে কলম্বিয়ার।ম্যাচ শেষে দলের সঙ্গে বোগোতাগামী নির্ধারিত বিমানে ওঠেননি কাম্পাস। আত্মগোপনে যাওয়ার পর অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কাম্পাস। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতাম কলম্বিয়ার জার্সি গায়ে জড়ানোর, মাঠে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত শোনার, লাখো মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার এবং বিশ্বকাপে গোল করার।’সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই যে আনন্দের অপেক্ষায় ছিলাম, তা এনে দিতে না পারার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত। তবে আমি আপনাদের জানাতে চাই, এই জার্সির প্রতি আমার নিবেদন, প্রতিশ্রুতি এবং ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। মাঠে আমি আমার সর্বোচ্চটাই দিয়েছি, আর দেশের জন্য এই কাজ আমি আরও হাজারবার করতে প্রস্তুত।’এর আগে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করার পর দেশে ফিরে খুন হয়েছিলেন কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে আজও স্মরণ করা হয় সেই ঘটনাকে।

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে সেমিতে ইংল্যান্ড, নিষ্প্রভ হালান্ডের বিদায়

বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে সেমিতে ইংল্যান্ড, নিষ্প্রভ হালান্ডের বিদায়

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ: টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিতে এমবাপ্পের ফ্রান্স

বিশ্বকাপ: টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিতে এমবাপ্পের ফ্রান্স

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, দর্শকদের জন্য থাকছে তারকাখচিত আয়োজনও। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে সুপার বোলের আদলে আয়োজিত হবে বিশেষ হাফটাইম শো। সেখানে এক মঞ্চে পারফর্ম করবেন বিশ্বের জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই বর্ণাঢ্য পরিবেশনায় আরও অংশ নেবেন তাদের মধ্যে অন্যতম নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না বয়, বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, কোল্ডপ্লের অংশগ্রহণে পিএস২২ কোরাস এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘সিসেমি স্ট্রিট’-এর মাপেট চরিত্রগুলো। অনুষ্ঠানটি ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশে আয়োজিত হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে জাস্টিন বিবার বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি আসর, যা পৃথিবীর মানুষকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি একত্রিত করে।’স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ‘জাস্টিস’ ওয়ার্ল্ড ট্যুর বাতিলের চার বছর পর চলতি বছরের বসন্তে ক্যালিফোর্নিয়ার কোচেলা উৎসবে মঞ্চে ফিরেছিলেন বিবার। সেখানে তিনি ‘বেবি’, ‘নেভার সে নেভার’, ‘ওয়ান টাইম’ এবং ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিট’-সহ তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করেন। ফিফার এই ঐতিহাসিক হাফ-টাইম শোর কিউরেশন করেছেন কোল্ডপ্লের ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করা কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয়ও আবারও একসঙ্গে মঞ্চে উঠবেন। তাদের যৌথ গান ‘দাই দাই’ টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সংগীত চার্টে শীর্ষে রয়েছে এবং বিভিন্ন ম্যাচেও ব্যাপকভাবে বাজানো হচ্ছে।এদিকে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই আসরের আয়োজক তিন দেশের দলই এরই মধ্যে বিদায় নিয়েছে।বৃহস্পতিবার বোস্টনে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব আবার শুরু হচ্ছে। শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। শনিবার মিয়ামিতে খেলবে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড, আর একই দিনে কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল করে অবস্থান করছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এরলিং হালান্ড। এছাড়া ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোলসংখ্যা ছয়।

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের প্রতি প্রতারণার অভিযোগ দেশের জনপ্রিয় ও বরেণ্য চিত্রনায়িকা রোজিনার। অভিমানের সুরে তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এ সব কথা জানান তিনি।অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাবো কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারবো না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাবো। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।ৎরোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান আজ জীবনের তৃতীয় ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করছেন তিনি।তবে আলোঝলমলে তারকাদের ভিড় নয়, বরং পরিবারের মানুষ, কাছের বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা নিয়েই শুরু হচ্ছে অভিনেতার জীবনের নতুন অধ্যায়।বলিউডের তারকাখচিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়, বরং পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা জুটি। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) মুম্বাইয়ে আমির খানের নিজ বাসভবনেই অনুষ্ঠিত হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন অতিথি। তাদের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের অল্প কয়েকজন সহকর্মী থাকবেন।অতিথির তালিকা থেকে শুরু করে বিয়ের মধ্যাহ্নভোজের মেনু—সবকিছুই নিজেরা ঠিক করেছেন আমির ও গৌরী। এমনকি অতিথিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের প্রস্তুতিও তারা নিজেরা তদারকি করেছেন।একটি সূত্রের ভাষ্য, ‘এটি কোনো তারকাসুলভ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়। আমির ও গৌরী চেয়েছেন, দিনটি যেন শুধুই পরিবারের মানুষ ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের সঙ্গে কাটে।’বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের দাবি, মেনু তৈরিতে দুজনের ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমির ও গৌরী দুজনই তাদের প্রিয় খাবারগুলো রাখতে বলেছেন। অনুষ্ঠানটি যতটা সম্ভব আন্তরিক ও পারিবারিক আবহে আয়োজনের চেষ্টা করা হয়েছে।বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আমির খানের তিন সন্তান—জুনায়েদ খান, ইরা খান ও আজাদ রাও খান। এ ছাড়া আমন্ত্রণ পেয়েছেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মীদের কয়েকজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর ও রাজকুমার হিরানি। বলিউডের আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে নতুন সিরিজ ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’র প্রচারণায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথমবারের মতো বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন আমির খান। তিনি বলেন, ‘৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। একেবারেই ছোট পরিসরে, নিজের বাড়িতেই আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। দুই পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকবেন। আমরা খুব সীমিত পরিসরে উদ্‌যাপন করতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা সুখে থাকতে পারি এবং জীবনের নতুন পথচলা সুন্দর হয়।’কয়েক মাস ধরেই আমির ও গৌরীর বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ ঘরোয়া আয়োজনে নতুন জীবনের পথে হাঁটছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে আমির খানের পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের। তবে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও কয়েক বছর আগে আবারও তাদের দেখা হয়। পুরোনো বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয়।২০২৫ সালের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। তখনই তিনি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে গৌরীর মধ্যে তিনি এমন এক ধরনের শান্তি ও স্থিরতা খুঁজে পেয়েছেন, যা আগে কখনো অনুভব করেননি।একাধিক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে খুঁজছিলাম, যার সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারব। গৌরীর মধ্যে আমি সেই মানুষটিকেই খুঁজে পেয়েছি।’আরেক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি খুব সৌভাগ্যবান যে গৌরী আমার জীবনে এসেছে। মনে হয়, জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি যেন পূর্ণতা পেয়েছি।’বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা গৌরী স্প্র্যাট পেশায় একজন উদ্যোক্তা ও লাইফস্টাইল–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী। দীর্ঘদিন একটি পরিচিত স্যালন ও বিউটি চেইনের সঙ্গে কাজ করার পর বর্তমানে তিনি আমির খান প্রোডাকশনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। আগের সংসারে তার সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।গৌরী বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছিলেন, যিনি ভদ্র, যত্নশীল ও মানবিক। আমিরকে তিনি কখনো সুপারস্টার হিসেবে দেখেননি, বরং একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ ও সঙ্গী হিসেবে দেখেছেন।এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাদের ছেলে আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও আজও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা। সন্তানের সহ-অভিভাবক হিসেবে একসঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশন জানায়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু হয়।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সম্ভাব্য বিয়ে ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা। বিয়ের দিনক্ষণ কিংবা আয়োজন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অতিথিদের পোশাক।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেইলর সুইফট তার ব্যক্তিগত বিষয় সবসময় গোপন রাখতেই পছন্দ করেন। তাই সম্ভাব্য বিয়ের আয়োজন নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।জল্পনা রয়েছে, নিউইয়র্কের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে শুক্রবার (৩ জুলাই) এই আয়োজন হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রায় এক হাজার ১০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিথিদের পোশাকে থাকবে মার্জিত, পরিচ্ছন্ন ও রোমান্টিক ধাঁচ। অনেকেই বিখ্যাত নকশাকারদের তৈরি পোশাক বেছে নিতে পারেন। গ্রীষ্মকালীন আয়োজন হওয়ায় হালকা রঙ, ঢিলেঢালা পোশাক ও সূক্ষ্ম নকশার পোশাক বেশি দেখা যেতে পারে।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তবে কী বিয়ে করছেন টেইলর ও ট্র্যাভিস? টেইলরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও রয়েছেন অনেক তারকা। তাদের মধ্যে সেলেনা গোমেজ, সুকি ওয়াটারহাউস, সাবরিনা কার্পেন্টার, কারা ডেলিভিনসহ আরও অনেকে আছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকেই নিজেদের স্বতন্ত্র ফ্যাশনধারা বজায় রাখলেও কনের চেয়ে বেশি নজর কাড়ার চেষ্টা করবেন না।বিয়ের পোশাক নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের ধারণা, টেইলর সুইফট নিজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি পোশাক পরতে পারেন। রাজকীয় নকশার করসেট ও ছড়ানো ঘেরের পোশাক তার পছন্দ হতে পারে। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে তিনি আরও হালকা ও আরামদায়ক পোশাকেও দেখা যেতে পারেন।অন্যদিকে, ট্রাভিস কেলসি বরাবরই ব্যতিক্রমী পোশাকের জন্য পরিচিত। তাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর তাকে রঙিন ও আকর্ষণীয় পোশাকে দেখা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।তবে বিয়ের আয়োজন, অতিথি তালিকা কিংবা পোশাক—সবকিছুই এখনো জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।সূত্র: বিবিসি

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আর্টিস্ট ক্লাবের আয়োজনে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি কালচারাল ফাউন্ডেশন (ডিইউসিএফ) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আর্টিস্ট ক্লাব লাউঞ্জে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘সন্ধ্যা প্রদীপ’-এ সংগীত পরিবেশন করে। কূটনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সংগীতপ্রেমী দর্শক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সের-শারলে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব সংগীত দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সংগীত এমন একটি সর্বজনীন ভাষা, যা সংস্কৃতি, জাতি ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আর্টিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুজিত মুস্তাফা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আর্টিস্ট ক্লাব সবসময়ই সৃজনশীল উদ্যোগের পাশে রয়েছে। বিশ্ব সংগীত দিবসে ডিইউসিএফ-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে ডিইউসিএফ-এর শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পরিবেশন করেন একটি প্রাণবন্ত ও ইন্টার‌্যাকটিভ ‘মিউজিক্যাল মেহফিল’। দলীয় ও একক পরিবেশনার মাধ্যমে তারা বাংলা আধুনিক, লোকসংগীত, দেশাত্মবোধক এবং জনপ্রিয় বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। শিল্পীদের পরিবেশনা, দর্শকদের অংশগ্রহণ এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহ পুরো সন্ধ্যাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।অনুষ্ঠান শুরু হয় ব্যতিক্রম ধর্মী পুথি পাঠ এর মাধ্যমে। ডিইউসিএ’কে উপস্থাপন করা হয়। প্রথম গান শুরু হয় একটি কোরাস ‘মোরো ঝনঝার মত’ দিয়ে। পর্যায়ক্রমে জনপ্রিয় আধুনিক গান করেন নির্ঝর চৌধুরী, ইরবতি মন্ডল, আনিকা শারমিলা কৃপা ও ফরহাদ মিল্টন। নজরুল ইসলামের গান করেন নন্দিত শিল্পী নন্দিনী দও ধরা। পল্লী গীতি ও উকিল মুন্সীর গান করেন মাহফুজার রহমান মহব্বত। রবি ঠাকুরের গান করেন নাঈমা ইসলাম নাজ এবং অনুষ্ঠান শেষ হয় আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে সমেবেত সংগীত পরিবেশন মাধ্যমে। সভাপতি সুজিত মোস্তফা ডিইউসিএ’কে তাদের পরিবেশনার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী সন্ধ্যা শিল্পী ও দর্শকদের এক সুরের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে নতুন গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের

শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে নতুন গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার

নিয়মের বাইরে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম চলবে না: সাভারে শিক্ষামন্ত্রী

নিয়মের বাইরে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম চলবে না: সাভারে শিক্ষামন্ত্রী

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল রোববার

চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত

চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পে স্কেলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পে স্কেলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, পে স্কেলের বিষয়ে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে এ পর্যন্ত অন্যান্য বিষয়ের আলোচনায় সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আর্থিক খাতে সংস্কার, কর খাতে প্রবৃদ্ধি সার্বিকভাবে সব কিছু নিয়ে আইএমএফ সন্তুষ্ট।

বেড়েছে সোনার দাম

বেড়েছে সোনার দাম

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় এক হাজার নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত ৬ হাজার ২৩৭টি অভিযানে মোট ৮৪ হাজার ৪৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৯০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯৭৮ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু জুন মাসেই দেশব্যাপী ১ হাজার ১৫৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৩ হাজার ৭৮ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৩৩ জন নিয়োগকর্তাকে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।জাকারিয়া জানান, আটক বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার অপরাধ। এছাড়া ইমিগ্রেশনের দেওয়া পাসের অপব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে শনাক্ত হয়েছে।রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার আইনগত অবস্থান ও নথিপত্রের ভিত্তিতে।তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অধিকাংশ রোহিঙ্গার কাছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্র রয়েছে। তাই শুধু বৈধ পাস না থাকা বা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।তবে রোহিঙ্গারা দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন থেকে অব্যাহতি পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হন বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।এছাড়া কেউ অবৈধভাবে সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনা করলে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান মহাপরিচালক।

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

প্রতিটি ফুটবলপ্রেমী দেশের এমন একজন খেলোয়াড় থাকেন, যাকে সে দেশের মানুষ নিজেদের গর্ব হিসেবে দেখে। আর্জেন্টিনার আছে মেসি, পর্তুগালের রোনালদো, ব্রাজিলের নেইমার। আর বাংলাদেশের আছে নিজেদের ফুটবল নায়ক, জামাল ভূঁইয়া। ফিফা বিশ্বকাপ এলে কোটি কোটি বাংলাদেশি যেমন বিশ্বের সেরা ফুটবল তারকাদের সমর্থন করেন, তেমনি লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া নিজেদের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার প্রতিও সমান গর্ব অনুভব করেন। দেশের ফুটবলপ্রেম ও এই গর্বকে উদযাপন করতেই বিশ্বকাপ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সাথে অংশীদারিত্ব করেছে অপো।বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি মেসি, রোনালদো কিংবা নেইমারের মতো তারকারা যেমন কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন, তেমনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে জামাল ভূঁইয়া নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের প্রতীক। বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার অসংখ্য তরুণ ফুটবলারের মনে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন জাগিয়েছে।এ বছরের বিশ্বকাপ উদযাপনকে আরও অনন্য করে তুলতে অপো দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ফিফা ম্যাচ স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন ‘কোন বিশ্ববিদ্যালয় পাবে জামাল ভূঁইয়ার সাথে সেমিফাইনাল দেখার সুযোগ?’-এর আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসের পক্ষে ভোট ও সমর্থন জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করা ও সমর্থন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে বিশেষ স্ক্রিনিং আয়োজনের সুযোগ পাবে, যেখানে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সাথে একসাথে খেলা উপভোগ করবেন শিক্ষার্থীরা এবং উদযাপন করবেন ফুটবলের সবচেয়ে বড় উৎসব। এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “ফুটবল এমন একটি খেলা, যা সীমান্ত পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব ফুটবল নায়ক রয়েছে, আর্জেন্টিনার মেসি, পর্তুগালের রোনালদো, ব্রাজিলের নেইমার আর বাংলাদেশের জামাল ভূঁইয়া। অপোর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ফুটবলকে সমর্থন করতে পেরে এবং কোটি বাংলাদেশির ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকে উদযাপন করতে পেরে।”এ বিষয়ে জামাল ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ। এই আবেগ উদযাপনে অপোর সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করার ও বিজয়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল উপভোগ করার অপেক্ষায় আছি।” এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে অপো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট https://www.oppo.com/bd/ ভিজিট করুন বা অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ফলো করুন।

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের  চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের চুক্তি স্বাক্ষর

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে রামপালে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ৪০ বিজিবি, খাদ্য ও চিকিৎসাসহ নানা সহায়তা সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ নবীনগরে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭ আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঢাকায় মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় পলাশবাড়ী আলোচিত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস গ্রেফতার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট কুতুবদিয়ায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, ৫ জেলের মৃত্যু চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে রামপালে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ৪০ বিজিবি, খাদ্য ও চিকিৎসাসহ নানা সহায়তা সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ নবীনগরে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭ আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঢাকায় মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় পলাশবাড়ী আলোচিত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস গ্রেফতার