ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত এ যানজট চলছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ সংস্কারের কারণে যানজট সুত্রপাত হয়। এতে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার যানজটে হাজার হাজার যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হয়েছে।সড়ক বিভাগ জানায়, আষাড়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। দিন দিন গর্তটি বড় হয়ে ওঠায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেন বন্ধ রেখে অন্য এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।শনিবার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এতে মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘ যানজট করে বিদেশগামী যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়ে। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা স্টার লাইন বাসের চালক ইয়াহিয়া জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে যানজটে আটকে আছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আট ঘন্টা যাবত যানজটে পড়ে আছি। টোলপ্লাজায় আটকে থাকা মাহাবুব নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা একই স্থানে আটকে আছি। কী কারণে এত দীর্ঘ যানজট, তা সাধারণ যাত্রীদের জানা নেই।দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর ব্রিজ এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লাইন বন্ধ থাকায় এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের চেষ্টা করছে।কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের এক লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। এতে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান।স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইরিন খান।মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।২০২০ সাল থেকে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা ও প্রসারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আইরিন জুবাইদা খান। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন তিনি।২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইরিন খান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ সিডনি পিস প্রাইজে ভূষিত হন আইরিন খান। তিনি বিখ্যাত ‘দ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ গ্রন্থের লেখক। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।
চা বাগান ও পাহাড়ি গিরিপথের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলে সম্পন্ন হয়েছে টেলিফিল্ম ‘গহিনের দীর্ঘশ্বাস’-এর দৃশ্যধারণের কাজ। এটি রচনা ও প্রযোজনা করেছেন নির্মাতা মো: বোরহানুল আশেকীন (পেশাগত নাম: বোরহান খান)। খুব শীঘ্রই নাটকটি একটি স্বনামধন্য স্যাটেলাইট টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।নাটকটি পরিচালনা করেছেন ফরিদ আহমেদ রনি। এতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন এলিনা শাম্মী, আল মামুন রূপান্তর, বাঁধন খান, রাজিব, ফাহাদ সরদার, রোহান সরকার, সাদিয়া আমিন একা, ইকফাত শেখ মারিয়া এবং ইমরান সানি। এছাড়া সিনেমাটোগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন এস এম রনি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিমস ইন ফ্রেম’-এর ব্যানারে এটি নির্মিত হয়েছে।টেলিফিল্মটির গল্প প্রসঙ্গে প্রযোজক মো. বোরহানুল আশেকীন জানান, ‘গহিনের দীর্ঘশ্বাস’ মূলত একটি গভীর ভাবনামূলক ও জীবনঘনিষ্ঠ গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে, যা দর্শকদের মনে দীর্ঘ রেখাপাত করবে। এর আগে তার প্রযোজনায় ও পরিচালনায় একাধিক টিভি সিরিজ, একক নাটক, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে।পরিচালনার পাশাপাশি বোরহান খান একজন লেখক। চিত্রনাট্যের পাশাপাশি তার রচিত বেশ কিছু গ্রন্থ রয়েছে, গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো কাব্যগ্রন্থ ‘সবুজ প্রেম’, থ্রিলার উপন্যাস ‘অপারেশন কার্গো নিক্স’ এবং ‘শিশুর দেখা ৭১’।
সন্ত্রাস বন্ধ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধ, বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলা; কোনো ক্ষেত্রেই ৬ মাসে সরকারের কোন সাফল্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট: জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এবি পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে বিকাল ৫ টায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব এডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান নুর। এবি পার্টির চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বিগত ৬ মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, বেকার হয়ে পড়েছে শত শত শ্রমিক। কথা ও কাজে মিল না থাকার কারণে সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টির বদলে দিন দিন বেকার সমস্যাকে প্রকট করে তুলছে। তিনি বলেন, সরকারি দলের সিনিয়র নেতারা একেকবার একেক রকম বক্তব্য দেওয়ার কারণে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ নিয়ে জনমনে অনাস্থা বেড়ে চলেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে বেকারত্ব এবং দ্রব্যমূল্য আরও বাড়তে থাকবে। মানুষের আয়-ব্যয়ের ব্যবধান বাড়তে থাকলে সরকার জনসমর্থন হারাবে। অতীত অভিজ্ঞতা বলে সরকার অজনপ্রিয় হলে ক্রমশ স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে পড়ে। সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে। সে অবস্থায় সুশাসন ও গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আবার সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন অনিবার্য হয়ে পড়ে। সভাপতির বক্তব্যে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস, কালক্ষেপণ কিংবা রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমান সরকার যদি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে, তবে দেশের জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে যে ভোট দিয়েছে, সেই জনরায়ের অন্যতম প্রধান প্রত্যাশা ছিল গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন। জনগণের সেই রায় উপেক্ষা করার অর্থ হবে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও জনমতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-গণভোটের রায় কোনো দলের তামাশা করার বিষয় নয়; এটি জনগণের রায়। আর জনগণের রায় বাস্তবায়ন করা সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সদস্য সচিব যায়েদ হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, এবি যুব পার্টি সদস্য সচিব মো. জাবেদ ইকবাল, চট্টগ্রাম মহানগর নেতা আজগর হোসাইন, সঞ্জয় চৌধুরী বিশু, সুমন চৌধুরী, আরশাদ হোসাইন ও সোহরাব হোসেন পিয়াস প্রমুখ।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, বিগত সরকার দেশ থেকে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। সংকটের সময়ে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে।আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ম্যাজিক ফেস্টিভ্যাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের একজন মন্ত্রী বিদেশে ৩৫৬টি বাড়ি করেছেন। আরেকজন একাই দুই লাখ কোটি টাকা লুট করেছেন। বিদ্যুৎ খাতে লক্ষাধিক কোটি টাকা লুট করেছে যারা, তাদেরকে আবার ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে।চিফ হুইপ বলেন, এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। অনাড়ম্বর জীবনযাপন করে তিনি সবার জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমাদের অনর্থক সমালোচনা বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।সম্মিলিত যাদুশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনহাজুর রহমান যুবরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জি. নুর আজিজুর রহমান এবং ম্যাজিক আইকন আলী রাজ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিরোধী দলের আন্দোলনের কারণে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত ও দেশের জন্য ক্ষতি মন্তব্য করে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিরোধীদল লংমার্চ দিয়েছেন, আবার বলছেন আন্দোলন করবেন। বাংলাদেশটা যদি আন্দোলনের ওপর থাকে তাহলে এলাকার উন্নয়ন হবে না। এ আন্দোলন এলাকার জন্য ক্ষতি, দেশের জন্য ক্ষতি।লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকায় এসডিএফ এর বি স্ট্রং প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব জনগণ বিএনপিকে দিয়েছে। আমাদের সঙ্গে আরেকপক্ষ ভোট করেছে, তারা বিরোধী দল। আমরা যেদিন শপথ নিয়েছি, তারা সেদিন উপস্থিতও হয়নি। আমাদেরকে সহযোগিতাও করেনি। এখন পর্যন্ত তারা বলছে যে আন্দোলন করবে। হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি ১৭ বছর। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। হাসিনা যেভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, দেশও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই মিলে আন্দোলন করে দেশকে রক্ষা করেছি, দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছি। এখন আমাদের কাজ হলো এ রক্ষাকে সুরক্ষা করা। নতুনভাবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। এতে বিরোধী দলের সহযোগিতা লাগবে।এ্যানি আরও বলেন, বিরোধী দল আন্দোলন করে বিএনপিকে জিম্মি করতে চাচ্ছে। হাসিনা যেভাবে ১৭২ দিন হরতাল দিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় এসেছিল। পরে দেশের ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে ১৭ বছর। এখন বিরোধী দল মনে করছে, আন্দোলন করলে বিএনপি দুর্বল হয়ে যাবে, তারেক রহমান দুর্বল হয়ে যাবে, মন্ত্রী-এমপিরা দুর্বল হয়ে যাবে, সেই সুযোগে মা-বোনেরা বাধ্য হয়ে ভোট দিয়ে তাদেরকে ক্ষমতায় আনবে। সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। সেজন্য সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে কাজ করতে হবে।পানিসম্পদমন্ত্রী বলেছেন, আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী রাখলে উনার পিতা জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশকে স্বনির্ভর করেছেন। উনার মা বেগম খালেদা জিয়া গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে জনগণের সঙ্গে কাজ করেছেন, দেশের উন্নয়ন করেছিলেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ ধরনের কাজ আগামী ৫ বছরে যদি হয়, তাহলে আমাদের মুখে হাসি ফোটার সম্ভাবনা রয়েছে।চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ ভুঁইয়া, দিঘলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সরওয়ার, সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আমিন, বিএনপি নেতা শাহজাহান মিয়া ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহের ইসলাম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস উইংয়ের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে পাঠানো অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন।রুশ দূতাবাসের এক বার্তায় জানানো হয়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দায়িত্ব গ্রহণে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশ ও বিদেশি মিশনের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। রাশিয়ার আগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৮ জন এবং রংপুর বিভাগে ২৩ জন রয়েছেন।এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৫৯০ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৮ জনের।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪২২ জন।গত বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং এতে মারা যান ৪১৩ জন। আর ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং এতে মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।
সব ঠিক থাকলে আজকের দিনেই তথা ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের। তবে সেপ্টেম্বরের আসন্ন সাদা বলের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সেটি আপাতত ঝুলে গেছে। এবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানিয়েছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত।বিসিসিআইয়ের একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগে নির্ধারিত সেপ্টেম্বর মাসের সূচিটি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উপযুক্ত সময় চাচ্ছে।বিসিসিআইয়ের সেই সূত্র এএনআইকে জানিয়েছে, ‘ভারত-বাংলাদেশ সিরিজটি জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। (দেশটির) সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। অন্যদিকে বিসিবি এখন আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উইন্ডো খুঁজছে।’বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ভারত-বাংলাদেশ সিরিজটি জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতের, তবে পরবর্তীতে সিরিজটি পিছিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নেওয়া হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিসিবি ঘোষণা করেছিল, ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আসবে ভারত। তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এই সফর নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ভারত সিরিজ নিয়ে কথা বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি বলেছিলেন, ' (ভারত সিরিজ নিয়ে) আলোচনা হচ্ছে। দুইটা বোর্ড আলোচনা করছে। তারিখ এদিক সেদিক হতে পারে।'প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে শেষবার বাংলাদেশ সফর করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এরপর বাংলাদেশে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর দু’দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের নির্ধারিত সিরিজ কেবল পিছিয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে বোর্ডের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়েছে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসেনি। তবে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নতুন সরকার আসার পর দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করেছে বলেই মনে করা হচ্ছিল।বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের বোঝাপড়ায় সেপ্টেম্বরে সিরিজ আয়োজনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবিও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছিল। যদিও এরপরই নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় নতুন করে ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস (FWCMS) এ তালিকা প্রকাশ করেছে।নতুন তালিকায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সরকারি রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর নাম যুক্ত হয়েছে। বোয়েসেলের আওতায় রাখা হয়েছে ৬২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে।এ ছাড়া তালিকাভুক্ত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে আরও ২৫০টি প্রতিষ্ঠানকে সাব-এজেন্সি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন তালিকায় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের সঙ্গে যুক্ত ৩৩৮টি এজেন্সি স্থান পেয়েছে।এর আগে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম অনুমোদিত তালিকায় প্রকাশ করেছিল। নতুন তালিকায় বোয়েসেলসহ আরও বিপুলসংখ্যক এজেন্সি যুক্ত হওয়ায় কর্মী নিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারিত হলো।এফডব্লিউসিএমএসে প্রকাশিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এজেন্সিগুলোর মাধ্যমেই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো হলো—বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড-এর অধীনেরূপসা ওভারসিজ লিমিটেডস্টার ইন্টারন্যাশনালঅ্যারাবিয়ান গালফ অ্যাসোসিয়েটস কোং লিমিটেডআহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডআর.এস. লিংকার্স লিমিটেডএএল ইসলাম ওভারসিজসেন্ট্রাল ওভারসিজজি.পি. ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডরহমানিয়া করপোরেশনইয়াম্বু ট্রেড ইন্টারন্যাশনালবেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট-এর অধীনেসাইফুল এন্টারপ্রাইজফেমাস ওভারসিজ লিমিটেডম্যাটকো এন্টারপ্রাইজনিশা ওভারসিজমোহনা ওভারসিজআল-মাহমুদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালসুরমা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডডেজার্ট লাইফ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডএইচ.এম. এন্টারপ্রাইজক্যারিয়ার ওভারসিজ কনসালট্যান্টস লিমিটেড (সিওসি)জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানির অধীনেদ্য তুর্কি অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডউজান ট্রেডিং করপোরেশনআল-মারজুক ওভারসিজ লিমিটেডসামা ওভারসিজএইচ.এ. ইন্টারন্যাশনালটি.এম. ওভারসিজটাওয়ার ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডপ্রতীক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম লিমিটেডবন ভয়েজ ট্রাভেলস অ্যান্ড ওভারসিজ (প্রাইভেট) লিমিটেডআল মোবারক ইন্টারন্যাশনালমেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস-এর অধীনেমেসার্স হান্নান ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেডরিম ওভারসিজ লিমিটেডদ্য ন্যাশনাল ওভারসিজ সার্ভিসেসআল-মামুন ওভারসিজপ্রিতম ইন্টারন্যাশনালব্রাহ্মণবাড়িয়া ওভারসিজজামস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসমক্কা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসজাহারা ইন্টারন্যাশনালআল-নূর ইন্টারন্যাশনালঅন্নেষা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেএয়ার কানেকশন ওভারসিজ লিমিটেডতাজবা ইন্টারন্যাশনালহলি ওভারসিজ লিমিটেডমোরশেদ মোমেন ওভারসিজ লিমিটেডস্টার ম্যানপাওয়ার সার্ভিসমেসার্স সালমান ওভারসিজস্টার লাইন অ্যাসোসিয়েটরাতুল ট্রেডিং ওভারসিজমেমোরিয়াল ওভারসিজআরাকান ইন্টারন্যাশনালআত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড-এর অধীনেএ.এম. এয়ার ট্রাভেলস লিমিটেডমাহে বিজনেস লিমিটেডবাংলাদেশ এক্সপোর্ট করপোরেশনম্যাক্সিম ট্রেড অ্যান্ড কোংআমির এভিয়েশন লিমিটেডফেইথ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডনোমান অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডমুসা ইন্টারন্যাশনালশাহেনা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসশিমন ওভারসিজআর্থ-স্মার্ট ওভারসিজ লিমিটেড-এর অধীনেপূরবী ইন্টারন্যাশনালহাসান ইন্টারন্যাশনালআল-শাফি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডমাস্ত এইচ.আরভিসা ইন্টারন্যাশনালইস্ট ওয়েস্ট হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার লিমিটেডমুন্সী এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডখান এভিয়েশনম্যাফস ওভারসিজ লিমিটেডপ্রো-সার্চ রিক্রুটমেন্ট কনসালট্যান্টসখান জাহান আলী ওভারসিজ-এর অধীনেমেসার্স ট্রাভেল কেয়ার (প্রাইভেট) লিমিটেডমেসার্স দ্য যমুনা ওভারসিজঅ্যাটলাস অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিস লিমিটেডমেসার্স সারাক ওভারসিজআল আরাবিয়ান প্লেসমেন্ট লিমিটেডবসুন্ধরা অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসএয়ার লিংক ওভারসিজসাদ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডম্যাক্স ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেসবিডেক্স ইন্টারন্যাশনালমেসার্স আল-সুপ্ত ওভারসিজ-এর অধীনেখান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসমজুমদার প্রফেশনাল সার্ভিসেস লিমিটেডওয়ার্ল্ড ওয়াইড হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেন্টারকে.বি.এস ইন্টারন্যাশনালআল রাইয়ান ইন্টারন্যাশনালএমপি ট্রাভেলস লিমিটেডআল-তামিম ওভারসিজআরমান এয়ার ইন্টারন্যাশনালস্বপ্নীল অ্যাসোসিয়েটসএ.ভি.আর. বাংলাদেশমাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড-এর অধীনেসিদ্দিকা কনসালট্যান্টতা-হা রিক্রুটমেন্ট সার্ভিসেসমার্চেন্ট ওভারসিজমক্কা ওভারসিজব্র্যাক প্রবাসবন্ধু লিমিটেডফাতেমা ওভারসিজমিথিলা এয়ার ইন্টারন্যাশনালআল-ফাতিন ইন্টারন্যাশনালগালফ ইন্টারন্যাশনাল আরএলমেসার্স মধু ওভারসিজ ইন্টারন্যাশনালরিফা ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেসামিহা ইন্টারন্যাশনালমেসার্স মিয়া ওভারসিজমেসার্স আল মিনার ওভারসিজসাউথ ব্রীজ করপোরেশন লিমিটেডনগর ওভারসিজসিআরএক্স রিক্রুটিং এজেন্সি লিমিটেডএ.জে. ইন্টারন্যাশনালমেসার্স পিস এয়ার ওভারসিজবন্যা বিজয় ওভারসিজ লিমিটেডদ্য কাজী রিচ ওভারসিজভ্যালি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেকর্ণফুলী রিক্রুটিং এজেন্সি লিমিটেডআল-বুরুজ ইন্টারন্যাশনালকাজ বাংলা অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসফ্রিডম ওভারসিজআমির এ জাহান প্রাইভেট লিমিটেডমেসার্স জে এস কে ট্রাভেলসএস.এম. ম্যানপাওয়ার ওভারসিজকাদের অ্যাসোসিয়েটসএইচ.পি. ওভারসিজ লিমিটেডনূর-এ রিক্রুটিং এজেন্সিস লিমিটেডএ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেমেসার্স মাসুদ জামিল ওভারসিজআল তারেক ওভারসিজজাকির এয়ার ইন্টারন্যাশনালটি-২০ ওভারসিজ লিমিটেডমিসেস কে.এস ওভারসিজনুসরাত ইন্টারন্যাশনালঅ্যারোমা এম.এম. ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডঅ্যালায়েন্স ওভারসিজমা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডবিইসি ট্রাভেলস নেটওয়ার্কআল-হায়াত ওভারসিজ-এর অধীনেশেরপুর ইন্টারন্যাশনালমেসার্স আল মদিনা ইন্টারন্যাশনালএইচ.এ.এম ইন্টারন্যাশনালআমিন অ্যান্ড সন্স ইন্টারন্যাশনালইলাফ ওভারসিজ লিমিটেডজাফিরা হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডতাহমিদ ইন্টারন্যাশনালএস. এ. ওভারসিজটি.কে. এন্টারপ্রাইজআমকো এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডভালুকা ওভারসিজ-এর অধীনেআল-আরাফ ইন্টারন্যাশনালএসএম নাফিজ ওভারসিজআরিয়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডসেবা কনসালটেন্সিএ.এস. মির্জা গাজী ওভারসিজমিনা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডদ্য জে কে ওভারসিজ লিমিটেডনোয়াখালী ওভারসিজ লিমিটেডনুসাইবা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালআল-আজিজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কন্ট্রাক্টিং লিমিটেড-এর অধীনেম্যানফোর্স বাংলাদেশচৌধুরী এয়ার ইন্টারন্যাশনালআলম ওভারসিজ লিমিটেডইজি ওয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডসাউন্ড লাইনসফাল্গুন ওভারসিজ লিমিটেডওয়ার্ল্ড ভিশন ওভারসিজ লিমিটেডআল হামজা ওভারসিজ লিমিটেডক্যাপলান ইন্টারন্যাশনাললিবার্টি ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডচাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেদ্য হাইওয়ে ইন্টারন্যাশনালমনিকা ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডএম আবেদীন ওভারসিজ লিমিটেডআলী এভিয়েশন সার্ভিসেসএ ঝর্ণা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালড্রিম এভিয়েশন লিমিটেডরেইনড্রপ পাওয়ার বিডিএক্সপ্লোরার ওভারসিজ লিমিটেডএবিডি এয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডভূঁইয়া অ্যামপ্লয়মেন্টকান্ট্রি অ্যামপ্লয়মেন্ট এজেন্সি-এর অধীনেটি এস ওভারসিজ লিমিটেডএবিএস ইন্টারন্যাশনালফামা এয়ার সার্ভিসট্রাভেল হাউস এক্সপোর্ট ইন্টারন্যাশনালমাদার লাভ এয়ার ট্রাভেলসএফ.এন.এম লিমিটেড লিমিটেডএম.এ. আজিজ ট্রেডিং করপোরেশনলাকি ইন্টারন্যাশনালবেঙ্গল কনসালট্যান্টস লিমিটেডকক্সবাজার ওভারসিজগুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড-এর অধীনেহক ওভারসিজ লিমিটেডখাজা পরিবহন সংস্থাওয়েস্টার্ন বিজনেস অ্যালায়েন্স লিমিটেডএমসিও ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল (প্রাইভেট) লিমিটেডমাহবুব ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সিসআবদুল্লাহ ট্রেডিং এস্টাবলিশমেন্ট লিমিটেডমেট্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালঅকিস্টার (বাংলাদেশ) কোংপলিট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডআল-দুশারী এন্টারপ্রাইজজুয়েল রিংকু এন্টারপ্রাইজ-এর অধীনেআল-সামিত ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডমেসার্স অর্কিড ভিউ লিমিটেডআল-পুরবাশা এন্টারপ্রাইজমেরি গোল্ড ইন্টারন্যাশনালমিউম ওভারসিজআজম ওভারসিজপারফেক্ট ইন্টারন্যাশনালমুন এয়ার ইন্টারন্যাশনালঅরবিট কনসালট্যান্টনেশন ওয়াইডমেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেমেসার্স হ্যাভেন ওভারসিজ লিমিটেডএন.এ. ফ্যালকন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডএ.বি. এস্টাবলিশমেন্ট লিমিটেডআল-জাহাঙ্গীর এস্টাবলিশমেন্টএস.এম. অ্যারোমা ইন্টারন্যাশনালসাসকো ইন্টারন্যাশনালজাবের ইন্টারন্যাশনালজাস্ট ওয়ে এভিয়েশন লিমিটেডদ্য বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটসকবির ওভারসিজম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিংক-এর অধীনেইমন এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসআল-ইমরান ইন্টারন্যাশনালআখওয়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডআল-সামারা ইন্টারন্যাশনালইসমাইল রিক্রুটিং হাউসওয়েসিস ট্রেড লিমিটেডইউনিয়ন ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং লিমিটেডআল-সাদ লেবার সাপ্লাইএম.এম. কনসালট্যান্টস লিমিটেডমেসার্স আমার দেশনেইবার অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড-এর অধীনেমেসার্স এয়ারওয়ে ইন্টারন্যাশনালসোল অ্যাসোসিয়েটমেসার্স নাসির এভিয়েশন সার্ভিসেসমাশাআল্লাহ ওভারসিজইস্টার্ন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডমেসার্স সুফি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডজিহান ওভারসিজ লিমিটেডসুব্র ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ট্রাভেলস (এমএসআইটিটি)আল হারামাইন ওভারসিজমেসার্স এইচএফ ওভারসিজ লিমিটেডতানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল-এর অধীনেস্মার্ট কেয়ার কর্পোরেশনআইমেক্স ম্যানপাওয়ারফিউচার হোপ ইন্টারন্যাশনালমেসার্স স্যাম ইন্টারন্যাশনালআল আরাফাহ এভিয়েশনমেসার্স রনি ওভারসিজমাল্টিলিংক ম্যানপাওয়ার রিক্রুটিং সার্ভিসমাহে ওভারসিজফার রাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডমেসার্স শিহাব ওভারসিজদ্য অ্যাংকর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন-এর অধীনেআরএস ইন্টারন্যাশনালঅ্যারোবিক রিক্রুটমেন্ট কনসালট্যান্টআয়াত ওভারসিজএসএম এন্টারপ্রাইজএস জিশান ওভারসিজদ্য ফাতিহা ইন্টারন্যাশনালদ্য হাজীগঞ্জ ওভারসিজএমসিএল ওভারসিজশাহীর ওভারসিজ বিডিএথিক্স মার্কেন্টাইল লিমিটেডবাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর অধীনেমেসার্স অরভিল ইন্টারন্যাশনাল ওভারসিজ লিমিটেডদ্য রংপুর ওভারসিজআল জাহান ইন্টারন্যাশনালপোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডজেটিসি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সিএশিয়াটিক ট্যালেন্টসঅপশন ম্যানপাওয়ার সার্ভিসআবিদ কর্পোরেশনআল-শামীম ওভারসিজ লিমিটেডফাস্ট সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডএসকে গ্লোবাল ওভারসিজ লিমিটেডনজরুল ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসমেসার্স আই এএম ইন্টারন্যাশনালজে.জে. ট্রেডার্সমেসার্স সুনজিদা ওভারসিজ লিমিটেডআল ওয়াহেদ ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেসমেসার্স রায়হান ওভারসিজরংধনু ওভারসিজ লিমিটেডমাস বাংলা ওভারসিজমেসার্স আদেমা ওভারসিজ লিমিটেডরোজ অফিস সার্ভিসেসনওরীন ইন্টারন্যাশনালহাইফা কর্পোরেশনচিত্রা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালআল ওমর রিক্রুটমেন্টআল-তোয়াব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডডাইনাস্টি এমপ্লয়মেন্ট ইন্টারন্যাশনালআল-নূর ওভারসিজহাতিয়া ইন্টারন্যাশনালএরতাহ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডমেসার্স শেখ আবুল এয়ার ইন্টারন্যাশনালআলপাইন ট্রেড ইন্টারন্যাশনালড্রিমার ওভারসিজএস.এম.ডি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডআহনাফ আয়াত অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডঅ্যাম্বিশন ইন্টারন্যাশনালস্বপ্নচূড়া ওভারসিজ লিমিটেডবিজবন ইন্টারন্যাশনালমেসার্স আল ওয়াদিয়া ইন্টারন্যাশনালরাজমুকুট ম্যানপাওয়ার সার্ভিসরিক ওভারসিজ লিমিটেডইনসাইট গ্লোবাল ওভারসিজ লিমিটেডকেয়ার ওভারসিজ লিমিটেডআকিদা ওভারসিজ লিমিটেডএয়ার টপ ওভারসিজইনফিনিটি এইচসিএম লিমিটেডআমজাদ ওভারসিজ লিমিটেডআজান বিজনেস ইন্টারন্যাশনালআজিয়াদ লিমিটেডটিএনএম ফাইন ওভারসিজ লিমিটেডতাকিয়া ওভারসিজহিজরত ইন্টারন্যাশনালদ্য রেনেসাঁ ওভারসিজদ্য নুরতাজ ওভারসিজমেসার্স ইশরাক ওভারসিজতাজকিয়া ওভারসিজজাহির ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেসঅভি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালএএএ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালনতুন সময় ওভারসিজ লিমিটেডব্রাইট হোপ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসট্রিপল এ ওভারসিজ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান।স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইরিন খান।মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।২০২০ সাল থেকে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা ও প্রসারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আইরিন জুবাইদা খান। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন তিনি।২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইরিন খান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ সিডনি পিস প্রাইজে ভূষিত হন আইরিন খান। তিনি বিখ্যাত ‘দ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ গ্রন্থের লেখক। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।
সন্ত্রাস বন্ধ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধ, বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলা; কোনো ক্ষেত্রেই ৬ মাসে সরকারের কোন সাফল্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট: জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এবি পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে বিকাল ৫ টায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব এডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান নুর। এবি পার্টির চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বিগত ৬ মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, বেকার হয়ে পড়েছে শত শত শ্রমিক। কথা ও কাজে মিল না থাকার কারণে সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টির বদলে দিন দিন বেকার সমস্যাকে প্রকট করে তুলছে। তিনি বলেন, সরকারি দলের সিনিয়র নেতারা একেকবার একেক রকম বক্তব্য দেওয়ার কারণে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ নিয়ে জনমনে অনাস্থা বেড়ে চলেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে বেকারত্ব এবং দ্রব্যমূল্য আরও বাড়তে থাকবে। মানুষের আয়-ব্যয়ের ব্যবধান বাড়তে থাকলে সরকার জনসমর্থন হারাবে। অতীত অভিজ্ঞতা বলে সরকার অজনপ্রিয় হলে ক্রমশ স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে পড়ে। সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে। সে অবস্থায় সুশাসন ও গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আবার সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন অনিবার্য হয়ে পড়ে। সভাপতির বক্তব্যে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস, কালক্ষেপণ কিংবা রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমান সরকার যদি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে, তবে দেশের জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে যে ভোট দিয়েছে, সেই জনরায়ের অন্যতম প্রধান প্রত্যাশা ছিল গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন। জনগণের সেই রায় উপেক্ষা করার অর্থ হবে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও জনমতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-গণভোটের রায় কোনো দলের তামাশা করার বিষয় নয়; এটি জনগণের রায়। আর জনগণের রায় বাস্তবায়ন করা সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সদস্য সচিব যায়েদ হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, এবি যুব পার্টি সদস্য সচিব মো. জাবেদ ইকবাল, চট্টগ্রাম মহানগর নেতা আজগর হোসাইন, সঞ্জয় চৌধুরী বিশু, সুমন চৌধুরী, আরশাদ হোসাইন ও সোহরাব হোসেন পিয়াস প্রমুখ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত এ যানজট চলছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ সংস্কারের কারণে যানজট সুত্রপাত হয়। এতে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার যানজটে হাজার হাজার যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হয়েছে।সড়ক বিভাগ জানায়, আষাড়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। দিন দিন গর্তটি বড় হয়ে ওঠায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেন বন্ধ রেখে অন্য এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।শনিবার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এতে মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘ যানজট করে বিদেশগামী যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়ে। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা স্টার লাইন বাসের চালক ইয়াহিয়া জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে যানজটে আটকে আছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আট ঘন্টা যাবত যানজটে পড়ে আছি। টোলপ্লাজায় আটকে থাকা মাহাবুব নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা একই স্থানে আটকে আছি। কী কারণে এত দীর্ঘ যানজট, তা সাধারণ যাত্রীদের জানা নেই।দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর ব্রিজ এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লাইন বন্ধ থাকায় এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের চেষ্টা করছে।কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের এক লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। এতে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।
সব ঠিক থাকলে আজকের দিনেই তথা ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের। তবে সেপ্টেম্বরের আসন্ন সাদা বলের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সেটি আপাতত ঝুলে গেছে। এবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানিয়েছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত।বিসিসিআইয়ের একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগে নির্ধারিত সেপ্টেম্বর মাসের সূচিটি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উপযুক্ত সময় চাচ্ছে।বিসিসিআইয়ের সেই সূত্র এএনআইকে জানিয়েছে, ‘ভারত-বাংলাদেশ সিরিজটি জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। (দেশটির) সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। অন্যদিকে বিসিবি এখন আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উইন্ডো খুঁজছে।’বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ভারত-বাংলাদেশ সিরিজটি জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতের, তবে পরবর্তীতে সিরিজটি পিছিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নেওয়া হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিসিবি ঘোষণা করেছিল, ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আসবে ভারত। তবে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এই সফর নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ভারত সিরিজ নিয়ে কথা বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি বলেছিলেন, ' (ভারত সিরিজ নিয়ে) আলোচনা হচ্ছে। দুইটা বোর্ড আলোচনা করছে। তারিখ এদিক সেদিক হতে পারে।'প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে শেষবার বাংলাদেশ সফর করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এরপর বাংলাদেশে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর দু’দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের নির্ধারিত সিরিজ কেবল পিছিয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে বোর্ডের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়েছে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসেনি। তবে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নতুন সরকার আসার পর দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করেছে বলেই মনে করা হচ্ছিল।বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের বোঝাপড়ায় সেপ্টেম্বরে সিরিজ আয়োজনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবিও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছিল। যদিও এরপরই নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। দিনটি উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শকে স্মরণ করছেন বিশ্বের মুসলিমরা। দুই বাংলায় একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসানও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ভাবনার কথা শেয়ার করেছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন,‘ঈদে মিলাদুন্নবী- ভালোবাসা, শান্তি আর মানবতার পথে ফিরে আসার এক পবিত্র স্মরণ।’ জয়ার এই সংক্ষিপ্ত বার্তায় ভালোবাসা, শান্তি ও মানবতার গুরুত্ব উঠে এসেছে। পবিত্র এই দিনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ ও শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। চট্টগ্রামে কয়েক লাখ মানুষের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের শাহ আলী মাজার এলাকা থেকেও জশনে জুলুসের র্যালি বের হয়। এ ছাড়া ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ অংশ নেন।
চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১১ এর বিচারক মো. নুরুল ইসলামের আদালতে ডনের পক্ষে তার আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুক দেওয়ান।গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১২ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।এদিকে গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। ডনের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখা হয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার।প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সে সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।সামীরা ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন— শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে।মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর হয়ে পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন।সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।মোহাম্মদ আলমগীর আরও উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।সালমানের বাবার মৃত্যুর পর আলমগীর তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এর আগে গত ২০ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত এই চিত্রনায়কের মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে সালমান শাহের লাশ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। এদিকে বাদীপক্ষ লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। পরে গত ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়। এদিকে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট ধার্য রয়েছে।
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরি। অভিনয়ের দক্ষতা এবং সাবলীল উপস্থাপনায় তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। অভিনয়ের বাইরেও নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং চিন্তাধারা নিয়ে মাঝেমধ্যেই ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি নতুন ছবি প্রকাশ করে পূজা চেরি এক গভীর অনুভূতির কথা জানিয়েছেন, যা তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলার এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা চেরি। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, "নিজের অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি, যার কল্পনা আমি একসময় করতাম।"ছবিটিতে পূজা চেরিকে বেশ চমৎকার একটি লুকে দেখা গেছে। তিনি একটি সাদা রঙের শার্ট এবং নীল রঙের জিন্স পরে আছেন। তাঁর হাতে একটি ঘড়ি এবং আঙুলে রিং রয়েছে। তাঁর চোখে রয়েছে স্টাইলিশ রোদচশমা (সানগ্লাস)। তিনি হাত দিয়ে একটি মিষ্টি "ফিঙ্গার হার্ট" পোজ তৈরি করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন।তার এই ছবি দেখে ভক্তরা ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই তার এই পরিণত চিন্তাধারা এবং আত্মবিশ্বাসী মনোভাবের প্রশংসা করছেন। অভিনয় ক্যারিয়ারে ব্যস্ততা থাকলেও, নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার এই নিরন্তর প্রচেষ্টা পূজার ভক্তদের জন্য সবসময়ই এক দারুণ অনুপ্রেরণা।শিশুশিল্পী হিসেবে মিডিয়াতে পথচলা শুরু করা পূজা চেরি পরবর্তীতে ঢালিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বিশেষ করে 'পোড়ামন ২' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এরপর থেকে 'দহন' সহ বিভিন্ন ব্যবসা সফল ও প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বড়পর্দা কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সবখানেই পূজার সাবলীল উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছে।
চলচ্চিত্র নির্মাণের পর পোস্ট-প্রডাকশন থেকে শুরু করে দর্শকের কাছে সিনেমা পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্মাতা, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা দিতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখি-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী ‘Beyond the Screen: ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা।বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে আয়োজিত এ কর্মশালায় মেন্টর হিসেবে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা তপু খান, শাকিব খান অভিনীত আমিই বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের পরিচালক। বাংলাদেশের মূলধারার চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে চলচ্চিত্রের নির্মাণ-পরবর্তী যাত্রা, দর্শক সম্পৃক্ততা, চলচ্চিত্র বিপণন, ডিস্ট্রিবিউশন ও বাণিজ্যিক কৌশল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।কর্মশালায় চলচ্চিত্রের পোস্ট-প্রডাকশন পরবর্তী ধাপ, ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরের ভূমিকা, ডিস্ট্রিবিউশন স্ট্র্যাটেজি, হল নির্বাচন ও বুকিং, প্রযোজক-পরিবেশক-প্রদর্শকের সম্পর্ক, চলচ্চিত্রের বিপণন ও দর্শক তৈরি, রেভিনিউ শেয়ারিং এবং কমার্শিয়াল পজিশনিংসহ চলচ্চিত্র বিতরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।কর্মশালার একটি বিশেষ সেশনে ‘সিনেমা পরিবেশনা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখালিখির উদ্যোক্তা সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা। চলচ্চিত্রের নির্মাণ থেকে দর্শকের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক, পেশাদার যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।কর্মশালায় বিশেষ গুরুত্ব পায় সারা বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের বিস্তৃত ডিস্ট্রিবিউশনের প্রয়োজনীয়তা। আলোচনায় বলা হয়, চলচ্চিত্রের দর্শক শুধু ঢাকা বা বড় শহরকেন্দ্রিক নয়; দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলেও রয়েছে সম্ভাবনাময় দর্শক। তাই একটি চলচ্চিত্রের সাফল্য শুধু নির্মাণের মানের ওপর নির্ভর করে না—সঠিক ডিস্ট্রিবিউশন পরিকল্পনার মাধ্যমে কত বিস্তৃত দর্শকের কাছে চলচ্চিত্রটি পৌঁছাতে পারছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।আলোচনায় ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের নৈতিকতা বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। স্বচ্ছ রাজস্ব বণ্টন, সঠিক বক্স অফিস রিপোর্টিং, ন্যায্য স্ক্রিন বরাদ্দ, দর্শকের প্রতি দায়বদ্ধতা, কপিরাইট ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের সুরক্ষা এবং চলচ্চিত্রের অনুমোদিত সংস্করণ প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক জনাব ম. জাভেদ ইকবাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারহানা রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আলী সরকার।এছাড়া কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন টেকনোলজি (BUFT) এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে হলে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণ নয়; পোস্ট-প্রডাকশন, বিপণন, ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রদর্শন—পুরো চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেমকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।‘Beyond the Screen: ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের কৌশল’ কর্মশালার মাধ্যমে নতুন ও সম্ভাবনাময় নির্মাতা, প্রযোজক এবং চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের চলচ্চিত্রের নির্মাণ-পরবর্তী যাত্রা, বাজার ও ডিস্ট্রিবিউশন সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান ও পেশাগত ধারণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য কুমিল্লায় বসছে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব। ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকের কাছে দেশীয় চলচ্চিত্রকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব আয়োজন করেছে ‘১ম কুমিল্লা চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’। আগামী ২৮ ও ২৯ আগস্ট কুমিল্লা কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।দুই দিনের আয়োজনে থাকছে মোট ছয়টি চলচ্চিত্র। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তিনটি করে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সাধারণ দর্শকদের কথা বিবেচনায় রেখে প্রতিদিনের টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। একটি টিকিটেই ওই দিনের তিনটি চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ থাকছে। অনলাইন ও উৎসবের ভেন্যু—দুই জায়গা থেকেই টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।উৎসবের প্রথম দিন ২৮ আগস্ট বিকেল ৩টায় আকাশ হক পরিচালিত ‘ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে আয়োজন। এরপর সন্ধ্যা ৫-৩০ মিনিটে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জীবন শাহাদাৎ পরিচালিত ‘নেমপ্লেট’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘গলুই’ প্রদর্শিত হবে।দ্বিতীয় দিন ২৯ আগস্ট বিকেল ৩টায় পর্দায় উঠবে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘লাল শাড়ি’। বিকেল সাড়ে ৫-৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে সুপিন বর্মন পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এ লেটার অব পোস্টমাস্টার’। উৎসবের শেষ চলচ্চিত্র হিসেবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দেখানো হবে খন্দকার সুমন পরিচালিত ‘সাতাও’।আয়োজনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো চলচ্চিত্রের বৈচিত্র্য। বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থাকায় দর্শক দুই দিনে ভিন্ন স্বাদের বেশ কিছু কাজ দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে এটি শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, দেশীয় চলচ্চিত্রের নানা ধরনের নির্মাণ ও গল্প বলার ধরন সম্পর্কে দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতাও দিতে পারে।ঢাকা ফিল্ম ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বড়ুয়া মনোজিত ধীমন জানান, রাজধানীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর বাইরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পরিসর তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। সেই জায়গা থেকে কুমিল্লায় প্রথমবারের মতো এ উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব। স্থানীয় দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহমুখী করার পাশাপাশি চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।বিশেষ করে তরুণ দর্শকদের জন্য উৎসবটি হয়ে উঠতে পারে দেশীয় চলচ্চিত্রকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ। এক টিকিটে তিনটি চলচ্চিত্র দেখার সুবিধা এবং তুলনামূলক কম টিকিটমূল্য তরুণদের উৎসবে টানতে পারে। একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগঠক ও দর্শকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরিরও একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স নিবেদিত এ উৎসব আয়োজন করছে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব। সহযোগী সংগঠন হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদ, কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি ও বেঙ্গল ফিল্ম সোসাইটি। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দুই দিনের এ আয়োজন কুমিল্লায় চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করবে।শুধু কুমিল্লায় সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের অন্যান্য শহরেও এ ধরনের আয়োজন ছড়িয়ে পড়লে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের বিকল্প পরিসর আরও সমৃদ্ধ হবে। প্রেক্ষাগৃহে নিয়মিত বাণিজ্যিক সিনেমা প্রদর্শনীর পাশাপাশি উৎসবভিত্তিক আয়োজন দর্শকদের ভিন্নধারার চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ তৈরি করে। সেই বিবেচনায় ‘১ম কুমিল্লা চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’ দেশীয় চলচ্চিত্রের দর্শক তৈরির ধারায় একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘুরতে বেশ ভালোবাসেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে কখনো পাহাড়, কখনো সমুদ্র কিংবা ঝরনার সৌন্দর্যে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। সেই মুহূর্তগুলো ভিডিও কিংবা ছবি- ক্যামেরাবন্দি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গেও ভাগ করে নেন এই নায়িকা।বর্তমানে সিনেমার শুটিংয়ের কাজে নেপালে রয়েছেন অপু বিশ্বাস। কাজের ফাঁকে সেখানকার পাহাড়ি প্রকৃতি ও ঝরনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা গেছে তাকে। তবে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালেই হঠাৎ সমুদ্রতটের আবহে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি।ছবিগুলোর পটভূমি কোথাকার, তা অবশ্য জানাননি অপু। বলে রাখা ভালো, নেপালে কোনো সমুদ্র সৈকতও নেই। তবে ছবিতে তার সাজপোশাকই যেন কেড়ে নিয়েছে সবার নজর। মাথায় ক্যাপ, চোখে রোদচশমা আর পরনে স্লিভলেস কালো ক্যাজুয়াল টপ—পুরো সাজেই ছিল ওয়েস্টার্ন ও স্টাইলিশ ছাপ।খোলামেলা চুল, মুখে হালকা হাসি আর কালো পোশাকে অপুর উপস্থিতি ছবিগুলোকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা। নান্দনিক পরিবেশে স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে তোলা এসব ছবিতে বেশ সাবলীলভাবেই ধরা দিয়েছেন তিনি।সকাল সকাল অপুর এমন স্টাইলিশ লুক প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভিড় করেছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। নানা প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রিয় নায়িকাকে।
বাংলাদেশের মেনসওয়্যার ব্র্যান্ড জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব (GW) আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ফিনান্সিয়াল খাতের পেশাজীবীদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে সম্মান জানাতে নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ব্যাংক, নন-ব্যাংক ফিনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই), মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেশাজীবীরা জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোবের মিরপুর ডিওএইচএস ও ধানমন্ডি আউটলেট থেকে রেডি-টু-ওয়্যার ও কাস্টম টেইলারিংসহ সব পণ্যে ২০% ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। “আমরা সচেতনভাবে কখনো ব্যাংকারদের একটি কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করিনি। সময়ের সঙ্গে আমরা বুঝতে পেরেছি, আমাদের অনেক ব্যাংকারের সঙ্গে কাজ করার এবং তাদের স্টাইল করার সুযোগ হয়েছে। ব্যাংকার্স উইক তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে সম্মান জানানো এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপায় মাত্র ,” বলেছেন জেন্টলম্যান'স ওয়ার্ড্রোবের ফাউন্ডার ও সিইও শাবাব দ্বীন শারেক।ক্যাম্পেইনে আধুনিক পেশাজীবীদের পোশাকের চাহিদা মাথায় রেখে স্যুট, ব্লেজার, ফরমাল শার্ট ও ট্রাউজারসহ বিভিন্ন ক্লাসিক ও ভার্সেটাইল মেনসওয়্যার রাখা হয়েছে।
সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রম থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার নামে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে ঋণ আদায়ের সময় হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।বিএফআইইউ জানিয়েছে, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন, বিধিবিধান ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা বৈধ নয়। মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার জন্য এসব অননুমোদিত মাধ্যমকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।সংস্থাটি বলেছে, অননুমোদিত ঋণ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত যোগাযোগের তালিকা, ছবি ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে ঋণের অর্থ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার, অননুমোদিত আর্থিক লেনদেন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির ঝুঁকি বাড়ছে।বিএফআইইউর মতে, এ ধরনের অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রম প্রতারণা, আর্থিক অপরাধ এবং অর্থপাচারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ অর্থপাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য।এ অবস্থায় অপরিচিত কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএফআইইউ। ঋণের প্রলোভনে কোনো অপরিচিত অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য, পরিচয়পত্রের তথ্য, ব্যাংক হিসাবের তথ্য কিংবা মোবাইল ফোনে থাকা সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার জন্যও সতর্ক করা হয়েছে।এ ছাড়া ঋণ দেওয়ার আগে অগ্রিম অর্থ, নিবন্ধন ফি, প্রসেসিং ফি বা অন্য কোনো অর্থ দাবি করা হলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। বিএফআইইউর নজরে এখন পর্যন্ত ৩১টি অননুমোদিত মোবাইল অ্যাপের তথ্য এসেছে। এসব অ্যাপের মধ্যে রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈয্য লোন, ফিন ডট ডু, টাকা ক্যাশ লোন, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও অ্যাপ।বিএফআইইউ জানিয়েছে, অননুমোদিত কোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ নিয়ে প্রতারণার শিকার হলে বা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোনো অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপ, ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য থাকলে তা সংস্থাটিকে জানাতে হবে। সংশ্লিষ্টদের এসব অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে একটি ফ্রাইড চিকেনের দোকানে বন্দুকধারীর গুলিতে রাজু নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে সহকর্মী ও পরিচিতজনদের কাছ থেকে জানা গেছে।স্থানীয় সময় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাউনসভিলের ‘আমেরিকান বেস্ট উইংস অ্যান্ড পিৎজা’ নামক দোকানে এই ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক বন্দুকধারী দোকানে প্রবেশ করে গুলি চালালে সেখানে কর্মরত দুই বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হন। তাদের একজনের পায়ে গুলি লাগে এবং অপরজন রাজু বুকে গুলিবিদ্ধ হন।গুরুতর আহত উভয়কে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালের নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজুর মৃত্যু হয়। আহত অপর বাংলাদেশি চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয় রকঅ্যাওয়ে এভিনিউ ও নিউপোর্ট স্ট্রিটের কাছাকাছি অবস্থিত রেস্তোরাঁয় দুর্বৃত্তদের হামলায় দুইজন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রাজুকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত রাজুর দেশের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।রাজুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তার ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, মাত্র কয়েক বছর আগে উন্নত ও নিরাপদ জীবনের প্রত্যাশায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। কিন্তু প্রবাসজীবন শুরু করার অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হলো।এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত বন্দুকধারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে পথচলার ১২ বছর পূর্ণ করেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মোটরসাইকেল ও স্কুটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিরো মোটোকর্প। এ উপলক্ষে যশোরের পদ্মবিলা এলাকায় অবস্থিত এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের (এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ) প্ল্যান্টে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল হিরো মোটোকর্প ও নিলয় মোটরস বাংলাদেশে যৌথভাবে কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘ এই সময়ে গ্রাহকের আস্থা ও ভালোবাসায় দেশের মোটরসাইকেল বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে হিরোর মোট গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি, মানসম্মত পণ্য, গ্রাহকসেবা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে এই আস্থা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।হিরোর বাংলাদেশে উৎপাদন সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ প্ল্যান্ট। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই কারখানায় বছরে দেড় লাখের বেশি ইউনিট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দেশের মোটরসাইকেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্ল্যান্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে হিরো। প্ল্যান্টটিতে সৌরশক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেকসই উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্ল্যান্টের কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৫ হাজারের বেশি মানুষ যুক্ত রয়েছেন।অনুষ্ঠানে নিটল নিলয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুসাব্বির আহমেদ বলেন, ১২ বছরের যাত্রায় প্ল্যান্টের সাফল্যের পেছনে পুরো দলের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে ছোট ছোট উন্নতিই বড় সাফল্য তৈরি করে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, বাজারে নেতৃত্বের অবস্থান ধরে রাখতে প্ল্যান্টটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এক্সট্রিম সিরিজ, নতুন স্প্লেন্ডার মডেল এবং জুম সিরিজসহ নতুন মডেলগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে হিরো মোটোকর্প ও এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থান, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।বক্তারা জানান, স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, নির্ভরযোগ্য পণ্য এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের দুই চাকার যানবাহনের বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চান তারা।আগামী দিনগুলোতে নতুন পণ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের চলাচলকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি দেশের মোটরসাইকেল শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছে হিরো।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি