ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে তিনি গুলশানের বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, ব্যতিক্রমী এই পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। তার পরিদর্শনের রুট ছিল– রাজধানীর ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা সেক্টর ৩, ৪, ৫ ও ৬, এয়ারপোর্ট রোড হয়ে কাকলী মোড়, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, সলিমুল্লাহ রোড, ইকবাল রোড, তাজমহল রোড, জাপান গার্ডেন সিটি, শ্যামলী মোড়, গণভবন মোড়, জিয়া উদ্যান, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, সৈনিক ক্লাব, কাকলী ও বনানী।তিনি জানান, ঢাকার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কেমন, তা দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে ঘুরেছেন।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন, তিনি ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চান। সেজন্য সরেজমিন ঘুরে দেখছেন।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী।এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতেও ডিএনসিসি প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন। তিনি রাজধানীর সড়কগুলোর সার্বিক অবস্থা, গভীর রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাতের পরিস্থিতি, সড়কবাতির কার্যকারিতা, রাতের যান চলাচল এবং নগরসেবার সামগ্রিক চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের

উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে আশ্রিত রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরার দাবি জানিয়েছেন।শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় সার্জিও গোরের গাড়িবহরের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন রোহিঙ্গারা। শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানান।এসময় উপস্থিত রোহিঙ্গা যুবক আহমদ উল্লাহ বলেন, বছরের পর বছর ধরে ক্যাম্পে অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছি। নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে দ্রুত আমরা নিজ দেশে ফিরতে চাই। শরণার্থী হিসেবে আর জীবন কাটাতে চাই না।রোহিঙ্গা অধিকারকর্মীরা বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস ঘটনাকে প্রথমবারের মতো ‘গণহত্যা’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিসীম।ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (ইউসিআর)-এর সংগঠক মাস্টার সৈয়দ উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তবে কোনো মানুষ চিরকাল নিজের দেশ ছেড়ে অন্যের আশ্রয়ে থাকতে চায় না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে আমরা নিরাপদে মাতৃভূমিতে ফিরতে পারি।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হলে সেখানে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব, সমঅধিকার, ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে।এর আগে শুক্রবার দুপুরে সার্জিও গোরের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে উখিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। দুপুর ১টার দিকে উখিয়ায় পৌঁছে সংক্ষিপ্ত বিরতির পর তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শুরু করেন। প্রতিনিধিদলে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতও ছিলেন।শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয় জানায়, প্রতিনিধি দল উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি ৮ ওয়েস্ট (৮ ডব্লিউ) ও ৬ নম্বর ক্যাম্পও ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধিদলটির কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।উল্লেখ্য, ৩ দিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গোর। সফরের শেষ দিন শনিবার (১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে তার বাংলাদেশ সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল

যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা ’৭১ কে ভুলে যেতে চায় এবং ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনো বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না।শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন মন্ত্রী। সম্মিলিত সনাতন পরিষদ এ সভার আয়োজন করে।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপির লোকেরা দুর্গাপূজায় আপনাদের সঙ্গে থেকেছে, যাতে কোনো রকমের দুর্বৃত্ত কোনো সুযোগ না পায় সমস্যা তৈরি করার। আপনারা দেখেছেন, রথযাত্রায় আমি নিজে গিয়েছিলাম। আমাদের সরকার সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকছে, যাতে করে নিরাপদ বোধ করেন।বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি পেছনে ফিরে তাকাতে চাই না। আমরা সামনের দিকে এগোতে চাই। আপনাদের আমাদের সঙ্গে যেন কোনো বিভেদ সৃষ্টি না হয়, সেটি দেখতে চাই। একটি মহল খুব সচেতনভাবে ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করতে উঠে পড়ে লেগেছে। আপনারা নিশ্চয়ই সেটা লক্ষ্য করেছেন। নিশ্চয়ই সেটা দেখেছেন। আমি আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, বিগত নির্বাচনে আপনাদের সনাতন ধর্মের মানুষেরা আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিকে, তারেক রহমান সাহেবের রাজনীতিকে যে অত্যন্ত সমর্থন দিয়েছেন, এজন্য আমরা আপনাদের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা এই পরিবেশটা ধরে রাখতে চাই।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের একটা স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশটা মানুষের জন্য। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলতেন, আমি কখনোই আপনাদেরকে সংখ্যালঘু মনে করি না। আমি মনে করি, আপনারা এদেশের সন্তান, এদেশে আপনাদের সমান অধিকার। আজকে আমাদের অনেক সমস্যা আছে, অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, অনেক চড়াই উতরাই পার হতে হচ্ছে, একটা ক্রিটিক্যাল মোমেন্ট পার হতে হচ্ছে। ১৫ বছরে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। একটা ভয়াবহ অবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। এখন আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি—গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার। আসুন আমরা সেই চেষ্টা করি।মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের কৃষ্টি, আমাদের সংস্কৃতিকে সামনে রেখে, আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে সঙ্গে রেখে, আমরা ২০২৪-কেও সামনে রেখে এগিয়ে যাব। আমরা কোনোটাকেই বাদ দিতে চাই না। একটা কথা বলি, যারা ’৭১ কে ভুলে যেতে চায়, ভুলিয়ে দিতে চায় তারা কখনো বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না। ১৯৭১ সালকে অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই সামনে আনতে হবে এবং সেটাকে নিয়েই আমরা। এটাকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। এজন্যই আমাদের অসংখ্য সন্তান বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছে এবং একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য করেছে। এ বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কোনোটাই আমরা ছোট করে দেখি না। ধর্মের ভিত্তিতে যারা দেশকে বিভাজন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা এখানে উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারি না। মৌলবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারি না। আমরা এখানে এক উদারপন্থি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই।

  • শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা

    শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা

  • টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার

    টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার

  • বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ৩৪, নিখোঁজ  ৮

    বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ৩৪, নিখোঁজ ৮

  • রাজধানীতে ৫ আগস্ট মহাসমাবেশ  করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট

    রাজধানীতে ৫ আগস্ট মহাসমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট

  • দেশে সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

    দেশে সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

  • নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

    নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

সব খবর

আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা

আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা

সিলেটের জৈন্তাপুরে জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে আবারও হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা গাড়ির কাঁচ ভাঙচুর করে।এতে ভাঙা কাঁচে আহত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং তার সঙ্গে থাকা আরও একজন; দুজনেরই হাত থেকে রক্তপাত হয়।এর আগে হবিগঞ্জে প্রথমবার ও দ্বিতীয়বার ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদেরবিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী।

বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী

বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর শিল্প উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তার সব বাস্তবায়ন করবে।শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম জাগরণের কবি। তিনি সব সময়ই প্রাসঙ্গিক। আমরা কাজী নজরুলের সাহিত্য থেকে ন্যায়-অন্যায় বোধ শিখছি। ১৯৪৭, ১৯৭১ এমনকি ২০২৪-এর আন্দোলনে নজরুলের গানেই জাতি জেগে উঠেছে। তিনি শুধু বিদ্রোহী কবিই নন, প্রেমের কবি, আধ্যাত্মিকতার কবি। সকলের কবি। শুধু শহর নয়, প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে নজরুলের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী নজরুল বর্ষ ঘোষণা করেছেন। রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিরোধী দল গঠনমূলক সমালোচনা করবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু মিথ্যা প্রচারণা চালাবেন না। বিএনপি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তার সব বাস্তবায়ন করবে। ইতোমধ্যে খাল কাটা ও সব কার্ড দেয়া শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, বিরোধী দল বুঝতে পারে না বিএনপি সরকার কী পরিবর্তন করেছে। বিএনপির সরকার ক্ষমতায় আসায় গত কয়েক মাস ধরে গুম হচ্ছে না, বিচারবিহীন হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না, শেয়ার বাজার কেলেংকারি হচ্ছে না, এটাই পরিবর্তন। আগে পাটের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কৃষক আত্মহত্যা করত। এখন কৃষক পাটসহ অন্যান্য শস্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে। বিএনপি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তার সব বাস্তবায়ন করবে জানিয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। সারা দেশে খাল খনন করা হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ অন্যান্য কার্ড প্রবর্তন করা হচ্ছে। দেশের বন্ধ কলকারখানা চালু করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে সরকার।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ৭ হাজার টাকা মূল্যের বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালংকার, নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম ও বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।গত ৩০ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট এ-শিফটের কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করেন।কাস্টমস সূত্র জানায়, দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট BG-148-এর যাত্রীদের ব্যাগেজ গ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সময় ১ নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন তিনটি সন্দেহজনক ব্যাগ পাওয়া যায়। পরে তল্লাশি করে সেখান থেকে Mond ব্র্যান্ডের ৩৭০ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অন্যান্য ফ্লাইটে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১১১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে অভিযানে মোট ৪৮১ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়েছে।আটক সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা হলেও প্রযোজ্য শুল্ক-কর ও ৬২১ শতাংশ টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স (TTI) বিবেচনায় এর মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার টাকা।এদিকে একই ফ্লাইটে আগত যাত্রী মো. তাজুল ইসলামের হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পাসপোর্ট যাচাই করে দেখা যায়, তিনি চলতি বছরের ১০ জুন শুল্ক-কর পরিশোধ ছাড়াই ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আমদানি করেছিলেন। ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী একই বছরে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত স্বর্ণালংকার শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ না থাকায় নতুন করে আনা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। শুল্ক-করসহ এর মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।অভিযানে আরও ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া কলকাতা থেকে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১ লিটার বিদেশি মদ বা হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। শুল্ক-করসহ এসব মদের মোট মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা।কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযানে আটক পণ্যগুলোর শুল্ক-করসহ মোট আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ৭ হাজার টাকা। আটক পণ্যের বিষয়ে কাস্টমস আইন, ব্যাগেজ বিধিমালা এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।সংস্থাটি আরও জানায়, চোরাচালান, শুল্ক-কর ফাঁকি এবং নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ

প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাঁটি দেশপ্রেম, সততা এবং ডায়নামিক নেতৃত্ব' আগামীর উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার 'নিয়ামক শক্তি'। তিনি দেশ ও জনগণের উন্নয়নের 'বাতিঘর'। তিনিই পারবেন বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে সন্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দিতে। সেই লক্ষ্যেই জনগণের স্বপ্ন পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। ড.খন্দকার মারুফ আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে দাউদকান্দি পৌর সদরে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত 'স্কয়ার এইড হসপিটালে'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন। তিনি ফিতা কেটে নবনির্মিত হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। মানবিক মূল্যবোধকে অক্ষুণ্ন রেখে মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত থাকার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।।বিএনপি নেতা খন্দকার মারুফ বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তিনি গত ৫ মাসে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গণমুখী সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টি কেড়েছেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারেক রহমানকে ঘিরে মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখছে, বিপুলভাবে উচ্ছ্বসিত এবং উজ্জীবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অসহায়, দু:স্থ এবং কৃষক পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে ফ্যামিলি কার্ড,কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ড দিচ্ছেন। প্রবাসীদের কল্যাণে প্রবাসী কার্ড ও বিমানবন্দরে প্রবাসী লাউঞ্জ করছেন। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত 'ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচী' চালু করেছেন। দেশের মানুষ মনে করেন,তারেক রহমানই পারবে- উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে।হসপিটালের চেয়ারম্যান মো.কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম,পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মো. সেলিম সরকার,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী,সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকার,বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান হিরণ, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, পৌর যুবদলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী ও শ্রমিক দল নেতা জামাল হোসেন প্রমুখ। খন্দকার মারুফ আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের অর্থনীতি ও সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে পালিয়েছে। তাদের দু:শাসনে নিষ্পেষিত জাতির কল্যাণে অগ্রনায়ক হয়ে তারেক রহমান রাষ্ট্রের হাল ধরেছেন। ইনশাআল্লাহ, তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতই বিশ্ব মানচিত্রে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে।খন্দকার মারুফ বলেন,সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বাজেটে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নতুন জনবল নিয়োগ এবং সেবা বিকেন্দ্রীকরণের বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালকে ১০১শয্যায় উন্নীত এবং আধুনিক প্যাথলজি সুবিধা চালু করা হচ্ছে। মেডিক্যাল কলেজে ৫০ এবং জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হচ্ছে।

হুথিদের বিরুদ্ধে সমুদ্র-স্থলপথে সৌদির অভিযানের প্রস্তুতি

হুথিদের বিরুদ্ধে সমুদ্র-স্থলপথে সৌদির অভিযানের প্রস্তুতি

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সমুদ্র ও স্থলপথে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। বিভিন্ন ইয়েমেনি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, লোহিত সাগর দিয়ে সৌদির তেল রপ্তানি কার্যক্রমে হুথিদের সম্ভাব্য বাধা মোকাবিলায় এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চল থেকে সৌদি বাহিনীর কিছু সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে। একই সময়ে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে একটি বহুজাতিক নৌ জোট গঠনেরও চেষ্টা করছে রিয়াদ।সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তুরস্ক, পাকিস্তান, মিসর, সুদান ও জিবুতিসহ ১৪টি দেশ যৌথভাবে একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোট গঠনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।ইরান-সমর্থিত হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং লোহিত সাগর উপকূলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। ২০ জুলাই তারা সৌদি জাহাজের ওপর অবরোধের ঘোষণা দেয়। তবে সব জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনার কথা তারা অস্বীকার করেছে।হুথিদের দাবি, সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নিলেই তারাও সৌদি জাহাজের অবরোধ প্রত্যাহার করবে। তাদের মতে, এটি ইরানকে ঘিরে নয়; বরং ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ। ২০১৫ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ায় সৌদি আরব।লোহিত সাগরে নিরাপত্তা জোটে যোগ দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ইতালিকেও আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদ। যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘অ্যাসপিডেস’ নামে একটি নৌ মিশন ইতোমধ্যেই ওই অঞ্চলে টহল দিচ্ছে।গত ২৫ জুলাই হুথিরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে লোহিত সাগরের রপ্তানি বন্দরে যাওয়া তেল পরিবহণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, যদি লোহিত সাগরের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিও সৌদি তেলবাহী জাহাজের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে দেশটির তেল রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়বে। ইরান-সংকট শুরুর আগে সৌদি তেলের প্রায় ৮০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি হতো। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে লোহিত সাগরপথে রপ্তানির গুরুত্ব অনেক বেড়েছে।গত দুই সপ্তাহে হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যকার সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। হুথিরা সৌদি আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব হিসেবে সৌদি বাহিনী হুথি নিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বন্দরে বিমান হামলা চালায়। একই সময়ে লোহিত সাগরে একটি সৌদি বাণিজ্যিক জাহাজও হামলার শিকার হয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে ইয়েমেনে প্রভাব বিস্তার নিয়ে চলা এই সংঘাত সাম্প্রতিক সময়ে আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে।তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

অস্ত্র ফেলে দিচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী, চুক্তি সই

অস্ত্র ফেলে দিচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী, চুক্তি সই

গাজায় অসামরিকীকরণ ও অস্ত্র হস্তান্তরের শর্ত মেনে নিয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। কাতার, তুরস্ক ও মিসরের সরাসরি মধ্যস্থতায় আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চুক্তির ধারা অনুযায়ী, হামাস তাদের সব অস্ত্র ইন্টারন্যাশনাল স্টাবিলাইজেশন ফোর্সের (আইএসএফ) কাছে হস্তান্তর করবে। একই সঙ্গে গাজার বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ করা হবে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংস্থা সরেজমিনে অসামরিকীকরণের বিষয়টি যাচাই করার পর পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হবে।শুক্রবার (৩১ জুলাই) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তির অধীনে গঠিত আইএসএফ বাহিনী তিনটি প্রধান কাজ সম্পাদন করবে। প্রথম: ফিলিস্তিনের জন্য একটি নতুন ও দক্ষ পুলিশ বাহিনী গঠনে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে। দ্বিতীয়: ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার শুরু করলে তারা ইসরায়েল ও সাধারণ গাজাবাসীর মাঝে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।তৃতীয়: গাজায় হামাসের বিস্তৃত সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয়করণসহ সার্বিক অস্ত্র বাতিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে।যুক্তরাষ্ট্র এবং ‘বোর্ড অব পিস’-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদক্ষেপ গাজায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে। কর্মকর্তাদের মতে, গাজাকে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ করতে ২০০ থেকে ৩০০ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।জানা গেছে, একজন মার্কিন জেনারেলের পরিচালনায় এই বাহিনী কাজ করবে। প্রায় ৫ হাজার সেনার যৌথ এই বাহিনী গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে সৈন্য পাঠানোর সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়া গেছে।এদিকে আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের প্রতিনিধি দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য গাজী হামাদ জানান, নিরস্ত্রীকরণের পুরো বিষয়টি গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং গাজা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপর নির্ভরশীল।তিনি বলেন, নিরস্ত্রীকরণের মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইসরায়েল কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। গঠিত জাতীয় কমিটিই এই কাজ পরিচালনা করবে।চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, আলোচনাগুলো অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিকূল ছিল। তবে হামাস ফিলিস্তিনিদের জন্য সেরাটি নিশ্চিত করতে আলোচনা চালিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় হামাস তাদের জাতীয় লক্ষ্যে সবসময় অটল রয়েছে।ইসরায়েলকে সতর্ক বার্তা দিয়ে গাজী হামাদ আরও বলেন, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী যদি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও দায়িত্ব পালন না করে, তবে হামাসও গাজা শান্তি চুক্তির কোনো পদক্ষেপ বা শর্ত বাস্তবায়ন করবে না।

ফেসবুকে মোদির বিকৃত ছবি-ভিডিওকে ঘিরে মেটার ভারত প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা

ফেসবুকে মোদির বিকৃত ছবি-ভিডিওকে ঘিরে মেটার ভারত প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকৃত ছবি ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেটার ভারত প্রধানসহ একাধিক ব্যক্তি ও পেজ পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে সম্পাদিত ও আপত্তিকর ভিডিও এবং বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে এ মামলা করা হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় এসব পোস্ট প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৯ জুলাই দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোরাঘুরির সময় বিজেপির তেলেঙ্গানা শাখার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সেলের সদস্য টি. সাইকিরণ গৌড় ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে একাধিক আপত্তিকর পোস্ট ও ছোট ভিডিও দেখতে পান। পরে একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।অভিযোগে তিনি বলেন, এসব পোস্ট ও ভিডিও প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছে এবং দেশের ঐক্য ও সংহতির জন্য ক্ষতিকর বার্তা ছড়িয়েছে। পাশাপাশি এগুলো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।অভিযোগের সঙ্গে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ২০টি পোস্ট ও ছোট ভিডিওর ঠিকানা যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারীদের পরিচয় শনাক্ত এবং মেটার সহযোগিতায় তাদের তথ্য সংগ্রহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, আপত্তিকর ও বিকৃত ভিডিওগুলো প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত থাকতে দেওয়ায় মেটার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন থানার সহকারী উপপরিদর্শক কে. হরি রাম তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা নথিভুক্ত করেন।পরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন থানার পরিদর্শক পি. জয়শঙ্করের কাছে। তিনি এ বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত পরিচালনা করবেন।এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক ভিডিও সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায়ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশ্নের মুখে পড়ে মেটা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে মোদির ভিডিওটি সাময়িকভাবে দেখা যাচ্ছিল না।এ ঘটনায় ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মেটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তলব করে ব্যাখ্যা চায়। পরে মেটা জানায়, কারিগরি ত্রুটির কারণে ভুলবশত ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই প্রকাশিত ওই ভিডিওটি ছিল নিট-২০২৬ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টির ৩৬ দিনের শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম বার্তা।

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

বহু প্রতীক্ষিত ‘জুমানজি: ওপেন ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার প্রথম ট্রেইলার প্রকাশ করেছে সনি। জনপ্রিয় এই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ পর্বে আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন ডোয়েন জনসন, কেভিন হার্ট, জ্যাক ব্ল্যাক ও কারেন গিলান।২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া জুমানজি: ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল এবং ২০১৯ সালের জুমানজি: দ্য নেক্সট লেভেলের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নির্মিত হচ্ছে নতুন এই সিনেমা। আগের দুই পর্ব বিশ্বজুড়ে ১৭০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলার আয় করে।নতুন সিনেমাতেও আগের মতোই থাকছে রোমাঞ্চ, হাস্যরস, অ্যাকশন এবং চরিত্র বদলের মজার সব ঘটনা। ভিডিও গেমের ভেতরের চরিত্রগুলোতে আবারও অভিনয় করেছেন ডোয়েন জনসন, কেভিন হার্ট, জ্যাক ব্ল্যাক ও কারেন গিলান।প্রধান চার তারকার পাশাপাশি এবারও অভিনয় করেছেন ড্যানি ডিভিটো, নিক জোনাস, অকওয়াফিনা, মারিন হিঙ্কল, বেবে নিউওয়ার্থ, লামর্ন মরিস ও রিস ডার্বি। নতুন মুখ হিসেবে যোগ দিয়েছেন ড্যান হিলডেব্র্যান্ড ও জ্যাক জুকস।সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জেক কাসদান। চিত্রনাট্য লিখেছেন জেক কাসদান, জেফ পিঙ্কনার ও স্কট রোজেনবার্গ। প্রযোজনায় রয়েছেন ম্যাট টলম্যাচ, ডোয়েন জনসন, ড্যানি গার্সিয়া, হিরাম গার্সিয়া এবং জেক কাসদান।প্রথমে আগামী ১১ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও পরে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বড়দিন উপলক্ষে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।উল্লেখ্য, নতুন এই সিনেমাটি ১৯৯৫ সালের জনপ্রিয় জুমানজি চলচ্চিত্রের আধুনিক সংস্করণের ধারাবাহিকতা। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন প্রয়াত রবিন উইলিয়ামস ও কিরস্টেন ডানস্ট। নতুন সিরিজে বোর্ড গেমের পরিবর্তে ভিডিও গেমকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বড়দিনে মুক্তি পাওয়ায় এটি ডিউন: পার্ট থ্রি এবং অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে-এর মতো বড় বাজেটের সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ৭ হাজার টাকা মূল্যের বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালংকার, নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম ও বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।গত ৩০ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট এ-শিফটের কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করেন।কাস্টমস সূত্র জানায়, দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট BG-148-এর যাত্রীদের ব্যাগেজ গ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সময় ১ নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন তিনটি সন্দেহজনক ব্যাগ পাওয়া যায়। পরে তল্লাশি করে সেখান থেকে Mond ব্র্যান্ডের ৩৭০ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অন্যান্য ফ্লাইটে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১১১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে অভিযানে মোট ৪৮১ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়েছে।আটক সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা হলেও প্রযোজ্য শুল্ক-কর ও ৬২১ শতাংশ টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স (TTI) বিবেচনায় এর মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার টাকা।এদিকে একই ফ্লাইটে আগত যাত্রী মো. তাজুল ইসলামের হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পাসপোর্ট যাচাই করে দেখা যায়, তিনি চলতি বছরের ১০ জুন শুল্ক-কর পরিশোধ ছাড়াই ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আমদানি করেছিলেন। ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী একই বছরে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত স্বর্ণালংকার শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ না থাকায় নতুন করে আনা ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। শুল্ক-করসহ এর মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।অভিযানে আরও ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া কলকাতা থেকে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১ লিটার বিদেশি মদ বা হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। শুল্ক-করসহ এসব মদের মোট মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা।কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযানে আটক পণ্যগুলোর শুল্ক-করসহ মোট আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ৭ হাজার টাকা। আটক পণ্যের বিষয়ে কাস্টমস আইন, ব্যাগেজ বিধিমালা এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।সংস্থাটি আরও জানায়, চোরাচালান, শুল্ক-কর ফাঁকি এবং নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ

৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ

৩ দিনের সফরে ঢাকায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

৩ দিনের সফরে ঢাকায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার

মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার

দেশে ঢুকলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হবে: আইনমন্ত্রী

দেশে ঢুকলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হবে: আইনমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ভূমিকম্প মোকাবিলায়  ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করা হচ্ছে

ভূমিকম্প মোকাবিলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করা হচ্ছে

নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিল্পখাতে তীব্র গ্যাস সংকট: সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিল্পখাতে তীব্র গ্যাস সংকট: সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা সেই তাহসিন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা সেই তাহসিন

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা

ফেসবুকে মোদির বিকৃত ছবি-ভিডিওকে ঘিরে মেটার ভারত প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা

ফেসবুকে মোদির বিকৃত ছবি-ভিডিওকে ঘিরে মেটার ভারত প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা

হুথিদের বিরুদ্ধে সমুদ্র-স্থলপথে সৌদির অভিযানের প্রস্তুতি

হুথিদের বিরুদ্ধে সমুদ্র-স্থলপথে সৌদির অভিযানের প্রস্তুতি

বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ৩৪, নিখোঁজ  ৮

বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ৩৪, নিখোঁজ ৮

অস্ত্র ফেলে দিচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী, চুক্তি সই

অস্ত্র ফেলে দিচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী, চুক্তি সই

আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা

আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা

সিলেটের জৈন্তাপুরে জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে আবারও হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা গাড়ির কাঁচ ভাঙচুর করে।এতে ভাঙা কাঁচে আহত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং তার সঙ্গে থাকা আরও একজন; দুজনেরই হাত থেকে রক্তপাত হয়।এর আগে হবিগঞ্জে প্রথমবার ও দ্বিতীয়বার ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদেরবিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী।

বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী

বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী

যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল

যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল

রাজধানীতে ৫ আগস্ট মহাসমাবেশ  করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট

রাজধানীতে ৫ আগস্ট মহাসমাবেশ করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট

নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

এনসিপি নেতাদের উপরে হামলা: ১১ দলীয় জোটের তীব্র নিন্দা, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

এনসিপি নেতাদের উপরে হামলা: ১১ দলীয় জোটের তীব্র নিন্দা, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

হবিগঞ্জের পর এবার সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা

হবিগঞ্জের পর এবার সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের

উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের

প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ

প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ

জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম নির্বাচিত

জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম নির্বাচিত

ঢাকায় বসবাসকারী বৃহত্তর সিলেটবাসীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন এর ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক কামরুল ইসলাম তরফদার। এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদ।৩১ জুলাই শুক্রবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম তরফদার বিজয়ী হয়েছেন ৯৮৯ ভোটে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সি এম কয়েস সামী পেয়েছেন ৫৮৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদ ৮৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ড. জিয়াউল ইসলাম মুন্না পেয়েছেন ৭২১ ভোট।এই নির্বাচনে সহ-সভাপতি (জালালাবাদ) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো: এহছানে এলাহী -৮৭৬ ভোট ও ইঞ্জি: আজিজুর রহমান-৬৬৯ ভোট। সহ-সভাপতি (সিলেট) হয়েছেন তোফায়েল খান-৮৭৩ ও ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী-৬৫৭।সহ-সভাপতি (মৌলভীবাজার) হয়েছেন আব্দুল মজিদ চৌধুরী-৮১৮, সৈয়দ মুসতাক আহমদ-৭১০, সহ-সভাপতি (সুনামগঞ্জ) আকবর হোসেন মঞ্জু-৮৬৬, ডা: সৈয়দ উমর খৈয়াম-৬৬৪, সহ-সভাপতি (হবিগঞ্জ) আনোয়ার হোসেন চৌধুরী-১০৫৮ ও সফিকুল বারী-৪৯০। সহ-সভাপতি (মহিলা) ডা: সামিয়া মুবিন-১০৪৭, শাহনাজ আহমদ মালিক-৪৮৪কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রিপন কবির লস্কর-৭৮৭, সৈয়দ লোকমান আহমদ-৭৩৯। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক-১ হয়েছেন জাকির হোসেন-৮২২, লায়ন দেলওয়ার হোসেন-৭০১।যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক-০২ এড: আবুল কালাম-৮১৫ ও কুতুব উদ্দিন সোহেল-৭০০। দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সজল-৯০৭ ও আনহার আহমদ সমশাদ-৬১১।সাংগঠনিক ও জনসংযোগ সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দা সীমা করীম-৯৫০ ও আলী মুর্শেদ খান-৫৮২। শিক্ষা, সাহিত্য ও ছাত্রকল্যাণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন নেছার আলী-৯২৫ ও ইবনে জামান-৫৮০।ক্রীড়া, চিত্তবিনোদন ও সংস্কৃতি সম্পাদক ক্যাপ্টেন মিজানুর রহমান-৮৮৮ ও আসিফ হোসেন-৬১৯। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন আক্তার শীলা-৭৮৭ ও তাসনিম লায়লা জোতি-৭৫৯।আন্তর্জাতিক ও প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মো: মিজানুর রহমান-৭৬২ ও আব্দুল মজিদ চৌধুরী মিন্টু-৭৩৩। চিকিৎসা ও স্বাস্হ্য সেবা সম্পাদক হয়েছেন ডা: আবুল কালাম চৌধুরী-৯০৯ ও ডা: সাকিল আহমদ-৬৩৩।

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার

টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ: নিহত ৩

টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ: নিহত ৩

ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে মেডেল  ও সনদ বিতরণ

ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে মেডেল ও সনদ বিতরণ

কুমিল্লা প্রেসক্লাব নির্বাচন নিয়ে আদালতের রুল

কুমিল্লা প্রেসক্লাব নির্বাচন নিয়ে আদালতের রুল

বগুড়ার ধুনট সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

বগুড়ার ধুনট সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

স্বনির্ভর,সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়তে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড.খন্দকার মারুফ

দাউদকান্দিতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা স্বনির্ভর,সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়তে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড.খন্দকার মারুফ

এমবাপ্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী

এমবাপ্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী

রিয়াল মাদ্রিদ ও ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার এক্সপোসিটোর প্রেম নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক ও স্প্যানিশ গণমাধ্যমে তোলপাড় চলছে। ফিফা বিশ্বকাপের আগে ও পরে বিভিন্ন স্থানে তাদের একান্তে সময় কাটানোর ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।যদিও এখন পর্যন্ত এক্সপোসিটো বা এমবাপ্পে কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। এর মাঝে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে ভিত্তিহীন সংবাদের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় এই অভিনেত্রী লিখেছেন, গত কয়েক মাস ধরে, এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে ও আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু মিথ্যা ও মানহানিকর খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার বা আমার কোনো সম্পর্ক নেই।তিনি বলেন, সবকিছুরই একটা সীমা থাকে। এবার আমি বাধ্য হয়েই এখানে একটি রেখা টেনে দিচ্ছি এবং যারা এসবের জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি।সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া গল্পগুলোকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, দুই ব্যক্তির সুন্দর একটি সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এসব তৈরি করা হয়েছে। তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পের নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও নিজেদের সম্পর্কের গুঞ্জনকে তিনি খণ্ডন বা অস্বীকার করেননি।বিশ্বকাপের পর ছুটিতে রয়েছে এমবাপ্পে। এ সময় বেশকয়েক এস্টার এক্সপোসিটোর দেখা গেছে এই ফরাসি ফুটবলারকে। সম্প্রতি একটি ছবি দেখা যায়, দুজনে একটি প্রবেশ করছেন। সেই সঙ্গে সমুদ্রে বেশ কয়েকবার এস্টার-এমবাপ্পে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে। এ ছাড়াও বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ম্যাচে গ্যালারিতে ছিলেন এই স্প্যানিশ অভিনেত্রী।

ব্রাজিলকে নিয়ে আনচেলত্তির নতুন পরিকল্পনা

ব্রাজিলকে নিয়ে আনচেলত্তির নতুন পরিকল্পনা

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ!

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ!

ব্রাজিল খেলবে কলকাতায়, সমর্থকদের দাবি বাংলাদেশে সফরের

ব্রাজিল খেলবে কলকাতায়, সমর্থকদের দাবি বাংলাদেশে সফরের

মেসির শরীরে ব্রাজিলের রক্ত, খেলতে পারতেন ব্রাজিলের হয়েও!

মেসির শরীরে ব্রাজিলের রক্ত, খেলতে পারতেন ব্রাজিলের হয়েও!

বৈচিত্র্যময় বিশ্বকাপের গল্প তুলে ধরেছে দ্য গার্ডিয়ান

বৈচিত্র্যময় বিশ্বকাপের গল্প তুলে ধরেছে দ্য গার্ডিয়ান

জিম্বাবুয়ে থেকে ব্যর্থ মিশন শেষে ফিরল বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে থেকে ব্যর্থ মিশন শেষে ফিরল বাংলাদেশ

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

স্থগিত হলো অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট

স্থগিত হলো অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট

সব ধরনের প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড উইথ অনুপম রায়’ আয়োজন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।আয়োজক প্রতিষ্ঠান ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন জানিয়েছে, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘অনিবার্য কারণ’ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করার নির্দেশনা দেয়।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আয়োজকরা বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি ও অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কনসার্টটি আপাতত স্থগিত করতে হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে শুধু দর্শকই নন, শিল্পী, স্পন্সর, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই হতাশ হয়েছেন।টিকিট ক্রয়কারী দর্শকদের আশ্বস্ত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, কনসার্টের জন্য কেনা সব টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। অফিসিয়াল টিকিটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং আগামী রোববারের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হবে।সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনিবার্য কারণ উল্লেখ করলেও কনসার্ট স্থগিতের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

অপু-বুবলী না, যে তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন শাকিব

অপু-বুবলী না, যে তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন শাকিব

শাকিব খানের ব্যক্তিজীবন অনেকটা খোলা বইয়ের মতো। অনেক পাতা-ই পড়া নেটিজেনদের। একটি পৃষ্ঠা যেন উল্টানো বাকি ছিল। যেটি কিং খান নিজেই উল্টালেন। চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে জানালেন অপু-বুবলী না, ইংলিশ মিডিয়ামের এক তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন অভিনেতা।বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন শাকিব খান। উপস্থাপনার কাজটি সামলাচ্ছিলেন পূর্ণিমা। দীর্ঘদিনের সহকর্মীর কাছেই মনের গোপন জানিয়েছেন মেগাস্টার।জানান একসময় গুলশানের ইংরেজি মাধ্যমের এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। দুজনের সম্পর্কটি খুব বেশি দূর এগোয়নি। তবে সেই অসমাপ্ত ভালোবাসার স্মৃতি এখনও তাকে নাড়া দেয়।শাকিব বলেন, ‘আমার বাসার কাছাকাছি ছিল ওর বাড়ি। দেখতেও ভীষণ সুন্দর ছিল। আমি কিন্তু তার সঙ্গেই সেটেলড হতে চেয়েছিলাম। আমি মনে মনে সিরিয়াসলি তাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। আমাকে মেয়েটি খুব ভালোবাসত। আমি সত্যিই তার সঙ্গেই সংসার করতে চেয়েছিলাম। মাঝে মাঝে একা বসে ভাবি— আমি চাইলাম কাকে, ভালোবাসলাম কাকে, আর কোথায় গেলাম!’সেই তরুণীকে এখনও মিস করেন বলে পূর্ণিমাকে জানান শাকিব। বলেন, ‘আমি এখনও তাকে মিস করি। মাঝেমাঝেই যখন একা থাকি তখন ভাবি যে, কেন এরকম হলো! সম্পর্কে যখন ভালোবাসাবাসি বেশি হয়ে যায় তখন মনে হয় এরকম হয়ে যায়।’ উপস্থাপকের আসনে পূর্ণিমা বরাবরই দক্ষ। শাকিবের বেলায়ও একই রকম ছিলেন। নায়কের পেট থেকে কথা বের করতে মোক্ষম প্রশ্ন ছোড়েন। প্রশ্ন করেন, সেই তরুণী যদি আবার জীবনে ফিরে আসেন, তাহলে তাকে গ্রহণ করবেন কি না। উত্তরে শাকিব বলেন, ‘সে অনেক ভালো কিছু ডিজার্ভ করে। আমি চাই, সে অনেক ভালো থাকুক।’

আন্দোলনে প্রিজন ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে আলোচনায় ভারতীয় যে তারকা

আন্দোলনে প্রিজন ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে আলোচনায় ভারতীয় যে তারকা

ভারতের মুম্বাইয়ের ২৭ বছর বয়সী মডেল ও থিয়েটারশিল্পী রিয়া আহির বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়মের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে পুলিশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করলে, তাদের মুক্তির দাবিতে তিনি নিদ্বির্ধায় পুলিশের ভ্যানের সামনে গিয়ে দাঁড়ান।সেই সাহসী অবস্থানের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা তাকে ‘সাহসী’ ও অকুতোভয় আখ্যা দিয়ে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ সম্পর্কে রিয়া জানান, তার বাবা-মা মেয়ের এই সাহসিকতায় ভীষণ খুশি হয়েছেন এবং তাকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন।মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে জাতীয় মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার (NEET) প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে জোরপূর্বক পুলিশের ভ্যানে তোলে, যার মধ্যে নারী আন্দোলনকারীও ছিলেন।রিয়া আহির জানান, আটক হওয়া সেই ব্যক্তিদের কাউকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন না। তবে যেভাবে গাদাগাদি করে মানুষকে ভ্যানে তোলা হচ্ছিল, তা দেখে নাগরিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি চুপ থাকতে পারেননি। তিনি বলেন, ভ্যানে অনেককে তুলে দেওয়া দেখে তিনি এক নারীকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশ বাধা দেয়। শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে তিনি চলন্ত ভ্যানের ঠিক সামনে গিয়ে দাঁড়ান এবং আটকে থাকা সবাইকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রিয়া অবিচলভাবে পুলিশের ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং সেখান থেকে সরে যেতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। রিয়ার অভিযোগ, তাকে ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভ্যানচালক বেশ কয়েকবার জোরে ইঞ্জিন চালিয়ে গাড়ি সামনে নেওয়ার ভয় দেখান, কিন্তু তিনি একচুলও নড়েননি।রিয়ার এই অদম্য অবস্থান দেখে অন্য আন্দোলনকারীরাও তার পাশে এসে কাঁধ মেলান। তীব্র প্রতিবাদ ও তোপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশ আটক ব্যক্তিদের শিবাজি পার্কেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।রিয়া জানান, এটিই ছিল তার জীবনের প্রথম কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ। ২১ জুলাই তিনি প্রথমবার শিবাজি পার্কে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ অনেককে আটক করায় তিনি পরদিন ২২ জুলাই আবার সেখানে যান। আর সেদিনই ঘটে যায় সেই অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, যা তাকে এক লহমায় পরিচিত মুখ বানিয়ে তোলে। রিয়া বলেন, আন্দোলনটির অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না; পুলিশি পদক্ষেপের মুখোমুখি হয়ে সে মুহূর্তে নিজের বিবেকের তাড়না থেকেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন।এমন বিপদের মুখেও সাহসের পরিচয় দেওয়া প্রসঙ্গে রিয়া জানান, তার পরিবারের সঙ্গে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘ ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তার বাবা ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশে (ITBP) দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যও প্রতিরক্ষাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। রিয়া মুচকি হেসে বলেন, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস হয়তো তাঁর রক্তেই প্রবাহিত হচ্ছিল।রিয়া মনে করেন, এই সংগ্রাম কেবল প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে নয়, বরং গোটা শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের পক্ষে। মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও পেশাগত ব্যাস্ততায় গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে পারেননি রিয়া। বর্তমানে তিনি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করছেন।নিজের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা থেকে অভিযোগ তুলে রিয়া বলেন, নিয়মিত কোর্স ফি পরিশোধ করা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া যায় না এবং সরকারি যোগাযোগের নম্বরগুলোতেও কেউ সাড়া দেয় না। তার ভাষায়, এটি শুধু বিশেষ একটি পরীক্ষার বিষয় নয়, পুরো ব্যবস্থার যে গলদ রয়েছে—এ আন্দোলন তারই এক সম্মিলিত প্রতিবাদ।প্রতিবাদের মুখ হয়ে ওঠার পাশাপাশি পেশাগত জীবনে রিয়া আহির প্রায় ১৩ বছর ধরে নিয়মিত হিন্দি থিয়েটারে যুক্ত রয়েছেন এবং দাপটের সাথে মডেলিং করছেন। এর বাইরে গত বছর তিনি ‘রিয়াসত’ নামে নিজস্ব একটি উদ্যোগ চালু করেন, যার মূল কাজ হলো স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্য সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড প্রাডার কোলহাপুরি চপ্পলের নকশা বিতর্কের পর দেশের প্রান্তিক কারিগরদের কাজকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই এই সামাজিক উদ্যোগের জন্ম দেন তিনি।

খুরশীদ আলমকে নিয়ে প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করলেন শাইখ সিরাজ

খুরশীদ আলমকে নিয়ে প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করলেন শাইখ সিরাজ

অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী মো. খুরশীদ আলমকে নিয়ে এবার একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন টিভি ব্যাক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। দেশের বরেণ্য এই সংগীতশিল্পীর জীবন, সংগীতচর্চা ও শিল্পীসত্তাকে তুলে ধরা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে।‘হৃদয়ে কী সুর বাজে’ শিরোনামের প্রামাণ্য চিত্রটিতে খুরশীদ আলমের দীর্ঘ সংগীতজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, স্মৃতি, সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। প্রামাণ্য চিত্রটিতে খুরশীদ আলমের সংগীতজীবনের বিভিন্ন দিকের পাশাপাশি তার ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা গল্প, স্মৃতিচারণ এবং বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে তার অসামান্য অবদান উঠে এসেছে।দেশের সংগীতপ্রেমী দর্শকদের জন্য প্রামাণ্য চিত্রটি হবে একজন বরেণ্য শিল্পীকে নতুনভাবে জানার ও তার বর্ণাঢ্য জীবন-সংগীতের পথচলা উপভোগ করার একটি বিশেষ আয়োজন। আগামী ১লা আগস্ট খুরশীদ আলম ৮১ বছরে পা রাখবেন। তার এই জন্মদিন উপলক্ষে সেদিন বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে প্রামাণ্য চিত্র ‘হৃদয়ে কী সুর বাজে’।

বন্যার্তদের সহায়তায় রুনা লায়লার কনসার্ট

বন্যার্তদের সহায়তায় রুনা লায়লার কনসার্ট

দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত পরিবেশনায় হাজির হচ্ছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। একই অনুষ্ঠানে তাকে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মাননা। তবে এবারের আয়োজনটি শুধু সম্মাননা ও সংগীত পরিবেশনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; রুনা লায়লার একক সংগীতানুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় দেওয়া হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘রুনা লায়লা’ শীর্ষক এই সম্মাননা ও একক সংগীত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই। রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে অনুষ্ঠানটি। এতে নিজের জনপ্রিয় কয়েকটি গান পরিবেশন করবেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই শিল্পী।বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি জানিয়েছে, অনুষ্ঠানের টিকিটের শুভেচ্ছা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তিনটি শ্রেণিতে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির টিকিটের দাম ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণির ৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণির টিকিটের দাম ২ হাজার টাকা। টিকিট বিক্রির অর্থ বন্যার্তদের সহায়তায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হবে।টিকিট সংগ্রহের জন্য আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে অর্থ, হিসাব ও পরিকল্পনা বিভাগের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায়।জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং ডা. জাহেদ উর রহমান (উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা)।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

সিয়ামকে নিয়ে আদনান আল রাজীবের প্রথম সিনেমা

সিয়ামকে নিয়ে আদনান আল রাজীবের প্রথম সিনেমা

ছোটপর্দা ও বিজ্ঞাপন নির্মাণে সাফল্য অর্জন করে ফেলেছেন। এরপর এখন যাত্রা শুরু করলেন বড় পর্দার নির্মাণ। নির্মাতা আদনান আল রাজী কয়েক দিন আগে দিয়েছেন নিজের প্রথম সিনেমার ঘোষণা। তখন সিনেমার নাম কিংবা অভিনয়শিল্পীদের পরিচয় প্রকাশ না করলেও তিনি এখন জানিয়েছেন এটি হবে একটি প্রেমের গল্প। আর সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন সিয়াম আহমেদ।সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাতা ও সিয়ামের মধ্যে বেশ কিছুদিন আগেই মৌখিক কথাবার্তা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে রাজি নন আদনান আল রাজীব কিংবা সিয়াম। দুজনই এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছেন।যদিও নায়ক হিসেবে সিয়ামের নাম চূড়ান্ত হয়েছে, সিনেমাটির নায়িকা কে হবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য জানা যায়নি।এ বিষয়ে আদনান আল রাজীবের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।সিয়াম আহমেদকে সর্বশেষ গত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘রাক্ষস’-এ দেখা গেছে। নতুন এই সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর আবারও একটি রোমান্টিক চরিত্রে বড় পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।অন্যদিকে ‘কাছে আসার গল্প’, ‘বিকেল বেলার পাখি’ ও ‘মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট’-এর মতো আলোচিত নাটক নির্মাণের পর পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা পরিচালনায় অভিষেক হতে যাচ্ছে আদনান আল রাজীবের।

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ

১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা পুনরায় শুরু

চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা পুনরায় শুরু

এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষায় পুনরায় নিবন্ধন: আন্তশিক্ষা বোর্ড

এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষায় পুনরায় নিবন্ধন: আন্তশিক্ষা বোর্ড

ইকনের পাশে শিক্ষামন্ত্রী, পরীক্ষাকালে চাকরি নয়

ইকনের পাশে শিক্ষামন্ত্রী, পরীক্ষাকালে চাকরি নয়

গ্লোবাল উইমেন অব ইনফ্লুয়েন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ পাচ্ছেন প্রিন্সিপাল মরিয়ম নূর ইউনুস

গ্লোবাল উইমেন অব ইনফ্লুয়েন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ পাচ্ছেন প্রিন্সিপাল মরিয়ম নূর ইউনুস

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নাজমুস সাদাত

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নাজমুস সাদাত

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম স্কিন ক্যান্সারের হটস্পট, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ২,০০০ মানুষ স্কিন ক্যান্সার এবং মেলানোমায় মারা যায় এবং প্রতি ৩ জন অস্ট্রেলিয়ানের মধ্যে প্রায় ২ জনের জীবনে অন্তত একবার স্কিন ক্যান্সারের জন্য অস্ত্রোপচার করাতে হবে বলে ধারণা করা হয়। এমন একটি দেশে যেখানে সানস্ক্রিন একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস, সেখানে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া একটি বিতর্ক বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘চয়েস’ এর অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টিই তাদের লেবেলে উল্লিখিত এসপিএফ (SPF) সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘটনাটি ছিল এসপিএফ ৫০+ (SPF 50+) হিসেবে বাজারজাত করা একটি পণ্যকে ঘিরে, যা পরীক্ষায় প্রায় এসপিএফ ৪ (SPF 4) এর মতো কাজ করেছে বলে জানা যায়। ব্র্যান্ডটি এই ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানালেও পণ্যটি বাজার থেকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ার থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) একই ধরনের সানস্ক্রিনের বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফলে কেন এত বড় অমিল দেখা যাচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করে যে আমদানি করা পণ্য ত্বকের যত্নের জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্যের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। কিন্তু এই সংবাদটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে, শুধুমাত্র একটি পরিচিত ব্র্যান্ডের নামই এখন আর যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের হোক বা কোনো স্থানীয় কোম্পানির, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি তার লেবেলে লেখা সুরক্ষা সত্যিই প্রদান করে কি না । এই বিষয়টি ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, কারণ ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা আরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলেন, কারণ এটি ত্বককে তৈলাক্ত বা চিটচিটে করে ফেলে, অথবা ব্যবহারের পর ত্বকে হোয়াইট কাস্ট রেখে যায়। এছাড়া, অন্য দেশের জলবায়ুর জন্য তৈরি কোনো ফর্মুলা বাংলাদেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সবসময় স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। সানস্ক্রিনের আসল কার্যকারিতা তখনই, যখন সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। শুধু ভালো পরীক্ষার ফল থাকলেই হবে না। তাহলে গ্রাহকরা কীভাবে জানবেন যে একটি সানস্ক্রিন সত্যিই কাজ করে কিনা? প্রথম ধাপ হলো লেবেলের অর্থ বোঝা। এসপিএফ (SPF), বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর, ইউভিবি (UVB) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাত্রা পরিমাপ করে, যা মূলত সানবার্নের কারণ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে, একটি এসপিএফ ৫০ (SPF 50) সানস্ক্রিন এই রশ্মিগুলোর প্রায় ৯৮ শতাংশ আটকে দেয়। কিন্তু এসপিএফ হলো সম্পূর্ণ চিত্রের একটি অংশ মাত্র। পিএ (PA) রেটিং ইউভিএ (UVA) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা নির্দেশ করে, যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং ট্যানিং, পিগমেন্টেশন ও অকাল বার্ধক্যের সাথে সম্পর্কিত। এই দুটি রেটিং একত্রে দেখায় যে একটি সানস্ক্রিন সূর্যের তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ক্ষতি থেকে কতটা ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়। দ্বিতীয় ধাপটি হলো, এই সংখ্যাগুলো কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা। সব এসপিএফ (SPF) পরীক্ষা একই রকম নয়। ইন-ভিভো (In-vivo) পরীক্ষায় পণ্যটি মানব স্বেচ্ছাসেবকদের উপর প্রয়োগ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে ত্বক কখন লাল হতে শুরু করে তা পরিমাপ করা হয়; এটি এমন একটি পদ্ধতি যা বেশিরভাগ বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো চূড়ান্ত বলে মনে করে এবং অস্ট্রেলিয়ার গবেষণার ফলাফল বের করার ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ইন-ভিট্রো (In-vitro) পরীক্ষায় একটি স্পেকট্রোফটোমিটার ব্যবহার করে পণ্যের একটি পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে কী পরিমাণ ইউভি রশ্মি প্রবেশ করে তা পরিমাপ করা হয়েছিল। এটি দ্রুততর, সাশ্রয়ী এবং শিল্পজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি মানব গবেষণার পরিবর্তে একটি পরীক্ষাগারভিত্তিক বিকল্প পদ্ধতি। কিন্তু মূল বিষয় হলো কোনো পদ্ধতিই চূড়ান্ত নয়, এবং এমনকি একই পণ্যের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফল ভিন্ন হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে। ভোক্তাদের উচিত যে ব্র্যান্ডগুলো তাদের পরীক্ষাগার, পদ্ধতি এবং ফলাফল উল্লেখ করতে ইচ্ছুক সেই পণ্যগুলো কেনা, শুধুমাত্র নামী ব্র্যান্ডের বোতলের উপর একটি ছাপানো লেবেল দেখে না কেনা। বিশ্বব্যাপী সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির পর, কিছু স্থানীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও এখন বাহ্যিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পণ্যের কার্যকারিতা প্রমাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্কিন ক্যাফে এমনই একটি উদাহরণ। এই বাংলাদেশী ব্র্যান্ডটি তাদের ‘স্কিন ক্যাফে সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০ পিএ+++ উইথ ভিটামিন সি’ পণ্যটি তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষার জন্য ঢাকা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ (ISO/IEC 17025:2017) স্ট্যান্ডার্ডে স্বীকৃত ল্যাবরেটরি ওয়াফেন রিসার্চ ল্যাবরেটরি লিমিটেডে জমা দিয়েছে। এএনএ-২৪০৭২৪০০২/১ (ANA-240724002/1) রিপোর্ট রেফারেন্স অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এই পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ল্যাবভিত্তিক ইউভি স্পেকট্রোফোটোমেট্রি পদ্ধতি ব্যবহার করে সানস্ক্রিনের সুরক্ষা ক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। কোম্পানির শেয়ার করা ল্যাবরেটরি রিপোর্ট অনুযায়ী, সানস্ক্রিনটির এসপিএফ মান ৫২.৫১ পাওয়া গেছে , যা এর প্যাকেজিংয়ে উল্লিখিত এসপিএফ ৫০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানিটির মতে, পরীক্ষায় এসপিএফ ৫০-এর সামান্য বেশি ফল পাওয়া মানে এই নয় যে পণ্যটি দাবির চেয়ে বেশি কার্যকর। বরং এটি প্রমাণ করে যে প্যাকেজিংয়ে উল্লেখ করা এসপিএফ ৫০-এর দাবিটি সঠিক। কারণ এসপিএফ পরীক্ষায় এ ধরনের সামান্য পার্থক্য স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্তটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরে। একটি সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা শুধু পরীক্ষাগারের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর মানুষ তখনই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবে, যখন সেটি তাদের দেশের আবহাওয়ায় আরামদায়ক লাগবে। শীতল ও শুষ্ক বাজারের জন্য তৈরি কোনো পণ্যকে মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে, বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে ফর্মুলেশন ও পরীক্ষা করাস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এমন একটি উদ্যোগ, যা পরীক্ষাগারের ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের ব্যবহার, এই দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে। তবে কোন পরীক্ষার ফলকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া উচিত স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা একটি পণ্যের প্রতি আস্থা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও, সেটিই শেষ কথা নয়। একজন ভোক্তা হিসেবে কোন পদ্ধতিতে, কখন এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হয়েছে, তা জানার ও প্রশ্ন করার অধিকার সবারই রয়েছে। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কটি দেখিয়ে দিয়েছে যে, আকর্ষণীয় মোড়ক এবং উচ্চ এসপিএফ-এর দাবি এখন আর এককভাবে যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি আমদানি করা হোক বা স্থানীয়, ভোক্তাদের পরীক্ষার প্রমাণ ও স্বচ্ছতা জানার অধিকার রয়েছে, আর ব্র্যান্ডগুলোরও তা নিশ্চিত করা উচিত।

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

দেশে সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশে সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।সোনার দাম বাড়ানোর হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

দেশের বাজারে সোনার দাম ফের কমেছে

দেশের বাজারে সোনার দাম ফের কমেছে

দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম

দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম

ব্যাংক কর্মীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে দুই মাসে

ব্যাংক কর্মীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে দুই মাসে

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী মালয়েশিয়ায় আসতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর মুখপাত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে স্বল্প খরচে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় মালয়েশিয়া সফররত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তিনদিনের মালয়েশিয়া সফরের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু করতে দুই দেশের সরকারের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে একাধিক ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এসব আলোচনায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনার বিষয়ে উভয় পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।মাহদী আমিন জানান, নতুন কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য হবে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমিয়ে আনা। এজন্য বোয়েসেলের মাধ্যমে স্বল্প খরচে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন কর্মীরা মালয়েশিয়ায় আসা শুরু করবেন এবং পর্যায়ক্রমে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।তিনি বলেন, “সরকার শ্রমবাজারকে সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বদ্ধপরিকর। সাধারণ কর্মীরা যাতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় আসতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতেও দুই দেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি বিষয়গুলো দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, চলমান আলোচনা শুধু নতুন কর্মী পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।প্রেস ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন একটি কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে যোগ্য কর্মীরা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং অযৌক্তিক খরচ বা দালালচক্রের হয়রানির শিকার হবেন না।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোর ফল বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে।সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কর্মীবান্ধব নীতি নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে  ১০০ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে ১০০ বাংলাদেশি আটক

শ্রমবাজার ইস্যুতে আলোচনায় মালয়েশিয়া আসছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

শ্রমবাজার ইস্যুতে আলোচনায় মালয়েশিয়া আসছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

রিয়াদে দুই দিনের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প, ই-পাসপোর্টসহ মিলবে নানা সেবা

রিয়াদে দুই দিনের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প, ই-পাসপোর্টসহ মিলবে নানা সেবা

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীল কনটেন্ট তৈরিতে এনএসইউতে টিকটকের মাস্টারক্লাস

ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীল কনটেন্ট তৈরিতে এনএসইউতে টিকটকের মাস্টারক্লাস

সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিং নিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহযোগিতায় “টিকটক মাস্টারক্লাস অন জার্নালিজম অ্যান্ড ডিজিটাল স্টোরিটেলিং” শীর্ষক দুই দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করে টিকটক। নর্থ সাউথ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই ওয়ার্কশপে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অংশ নেন। এই আয়োজনে ছিল আলোচনা, টিকটক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একটি জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ।সংবাদ প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলভাবে টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার, ব্যাখ্যামূলক ভিডিও, জনসচেতনতামূলক এবং তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির বিষয়গুলো এতে উঠে আসে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক সাংবাদিকতা, দর্শকের সাথে সংযোগ, তথ্য যাচাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং নৈতিকভাবে কনটেন্ট তৈরির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন শিক্ষার্থীরা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “আমাদের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সাথে টিকটক এমন একটি আয়োজন করায় আমরা আনন্দিত। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল যোগাযোগে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি।”ওয়ার্কশপের প্রথম দিন বক্তব্য দেন মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারিসুর রহমান, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ডিন ড. মো. রিজওয়ানুল ইসলাম এবং উপাচার্য ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। এছাড়া, ‘ভবিষ্যতের সাংবাদিকতা কেমন হবে?’ শিরোনামের একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ড. মো. হারিসুর রহমান, টিকটকের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম, বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারান পারিহার। এই আলোচনায় ভবিষ্যতের সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, নির্ভরযোগ্য কনটেন্টের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।ড. মো. হারিসুর রহমান বলেন, “সাংবাদিকতার পড়াশুনা এখন আর শুধু প্রচলিত রিপোর্টিং ও যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শুধু নিউজরুমের জন্য নয়, মিডিয়া, কমিউনিকেশন এবং তথ্য ভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির জন্যও প্রস্তুত করা।"ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় দিনে নিউজরুম ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। যমুনা টেলিভিশনে গবেষক এবং নর্দান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মো. জাহিদ হোসেন খান, সংবাদ বা কনটেন্টের বিষয়বস্তু নির্বাচন, তথ্য যাচাই, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সাংবাদিকতার সামাজিক প্রভাব এবং ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া, ‘ম্যাজিক রাজিক’ নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাশিক মোহতাসিন, এবং সাবা চৌধুরী কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কনটেন্ট তৈরি, দর্শক তৈরি, ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ এবং এই পেশার আরও দিকগুলো তারা তুলে ধরেন।টিকটকের এপ্যাক ও মেটাপিএসএইই অঞ্চলের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি অ্যান্ড টেক কমিউনিকেশন লিড, ইমাদ জাফরের সাথে গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে একটি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যমে সফল হতে কী কী দক্ষতা ও মানসিকতা দরকার, সেটিও উঠে আসে। ইমাদ জাফর বলেন, "মানুষ নতুন আইডিয়া জানতে, শিখতে এবং নতুন গল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে টিকটক ব্যবহার করছে। এই মাস্টারক্লাসের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের এমন দক্ষতা শেখাতে চেয়েছি, যেন তারা সাংবাদিকতার মূল নীতি, নির্ভুলতা, তথ্য যাচাই, জবাবদিহি এবং জনস্বার্থ মেনে সৃজনশীল ও দায়িত্বশীলভাবে শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারে।” এই ওয়ার্কশপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ডিজিটাল স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারীরা #growwithtiktok এবং #nsu হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজেদের ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় নিয়ে শর্ট ভিডিও তৈরি করেন। সেরা তিনটি কনটেন্টকে এতে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সমাপনী বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য ড. নাসার ইউ. আহমেদ। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীরা একটি জাতীয় টিভির নিউজরুম ঘুরে দেখার সুযোগ পান। সেখানে তাঁরা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবং সংবাদ সংগ্রহ, প্রযোজনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়া বোঝার সুযোগ পায়।

‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ উদ্যোগের ২য় পর্যায় শুরু করলো গ্রামীণফোন

‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ উদ্যোগের ২য় পর্যায় শুরু করলো গ্রামীণফোন

দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির নতুন অধ্যায়, আলোচনায় রিয়েলমি সি১০০আইয়ের টাইটান ব্যাটারি

দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির নতুন অধ্যায়, আলোচনায় রিয়েলমি সি১০০আইয়ের টাইটান ব্যাটারি

‘মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড পেল গ্রামীণফোন

‘মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড পেল গ্রামীণফোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম নির্বাচিত আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম নির্বাচিত আবারও নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা বিএনপি তার দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে: রিজভী যারা ৭১ কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল নিজে গাড়ি চালিয়ে নগর ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উখিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের কাছে ঘরে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক প্রধানমন্ত্রীর সততা, ডায়নামিক নেতৃত্ব সমৃদ্ধ দেশ গড়ার নিয়ামক শক্তি: ড.খন্দকার মারুফ টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের সাগরে নৌকাডুবি, ১৮ জন জীবিত উদ্ধার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারতের লোকসভা