নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। শুক্রবারের এ পদক্ষেপে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক বিরোধ আরো বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক বিচারক দক্ষিণ আফ্রিকার আইন বিশেষজ্ঞ নাভি পিল্লে শুক্রবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। আন্তর্জাতিক অপরাধবিচারে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আইসিসির আপিল বিভাগে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাভি পিল্লে।এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই আইসিসির বিরোধিতা করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন।এর আগে আদালতের কৌঁসুলি ও বিচারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ওয়াশিংটন। তবে এবারের পদক্ষেপের আওতায় আদালতকে সেবা দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমন তথ্য উঠে এসেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবেন না।এ কারণেই আজ যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। এই দুর্বৃত্ত আদালতের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে এর সম্পদ ও কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা সংকুচিত করা হবে।’রয়টার্স বলছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে আদালতের একটি তদন্ত নিয়েও ওয়াশিংটনের আপত্তি ছিল। ওই তদন্ত পরে বন্ধ করে দেয় আইসিসি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দৃশ্যত স্বাস্থ্যবান অথবা নীরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য। সুতরাং, কোনোভাবেই মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।আগামীকাল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’-এ মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে।তারেক রহমান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপনকারীদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা প্রকৃত পরিবর্তনের পূর্বশর্ত।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্ব পাবে। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।তারেক রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগলেও সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, সেবার সীমিত সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকে যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। এ কারণে সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা, গুণগত মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু-কিশোরদের মানসিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকেও সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে।মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শুনতে হবে, সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।তারেক রহমান বলেন, সরকার, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে কেউ সংকোচ বোধ করবে না, সহায়তা চাইতে কেউ লজ্জিত হবে না কিংবা নিজেকে একা বা অবহেলিত মনে করবে না। সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ মর্যাদা, আশা ও সম্ভাবনা নিয়ে সুস্থ ও অর্থবহ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে।‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশের ও বিশ্বের সব মানুষের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন এবং দিবসটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হারিকেন ‘ইসাইয়াস’। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানায়, এই হারিকেনের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরের জানালার ওপর কাঠের তক্তা লাগিয়ে ও বালির বস্তা সাজিয়ে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছেন। একই সময়ে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার ন্যাশনাল গার্ড সদস্য।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তীব্র গতির বাতাসসহ ধেয়ে আসা এই হারিকেনটি যুক্তরাষ্ট্রের গালফ কোস্ট বা উপসাগরীয় উপকূলে জলোচ্ছ্বাস ও ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টির হুমকি তৈরি করেছে।‘ইসাইয়াস’ হলো আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম হারিকেন; স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ অক্টোবর) গভীর রাতে স্থলভাগে আঘাত হানার সময় এটি ফ্লোরিডা প্যানহ্যান্ডেল, দক্ষিণ আলাবামা এবং দক্ষিণ মিসিসিপিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এর প্রভাবে টেনেসী ও নর্থ ক্যারোলিনার মতো উত্তরাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতেও ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার আশঙ্কা আছে।আলাবামার ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস-এর তথ্য অনুযায়ী, ক্যাটাগরি ২-এর এই হারিকেনটি আলাবামা ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের সীমানা বরাবর আঘাত হানার এবং পেনসাকোলা উপসাগর এলাকায় প্রাণঘাতী জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।হারিকেন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ‘ইসাইয়াস’-এর সর্বোচ্চ একটানা বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১০৫ মাইল (১৬৫ কিলোমিটার)। এটি ঘণ্টায় ১৪ মাইল (২২ কিলোমিটার) গতিতে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং মিসিসিপি নদীর মোহনা থেকে প্রায় ২৩০ মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থান করছে।এদিকে, মেক্সিকো উপকূলে বুধবার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় হিসেবে সৃষ্ট এবং বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হারিকেনে পরিণত হওয়া ‘সাইমন’-এর শক্তি বেড়ে ক্যাটাগরি ৪ হারিকেনে রূপ নেওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
ব্রিসবেনের অ্যালান বর্ডার ফিল্ডে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ নারী দলকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪.২ ওভার হাতে রেখেই অনায়াস জয় তুলে নেয় অজিরা।টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডের তোপের মুখে পড়ে নির্ধারিত ৪৯.৪ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ঋতু মনি সর্বোচ্চ ৪৫ রান (৬৩ বল) করেন। এছাড়া অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ২৯ এবং স্বর্ণা আক্তার ২১ রান যোগ করেন। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মেগান শুট ম্যাচের প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। সাদারল্যান্ড ৩০ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট এবং শুট ১০ ওভারে ১৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।জবাবে ব্যাট করতে নেমে তরুণ ওপেনার ফিবি লিচফিল্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। লিচফিল্ড ৫৭ বলে ১০টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন। জর্জিয়া ভল ১৯ ও বেথ মুনি ১৩ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হওয়া তরুণ বোলার হাবিবা ইসলাম পিঙ্কি ২টি উইকেট শিকার করেন।একই ভেন্যুতে আগামী রোববার (১১ অক্টোবর) সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল।
অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, তবে শেখ হাসিনা আর কখনোই দেশে ফিরে আসতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত নৈতিক পরাজয় ও রাজনৈতিক পতন ঘটেছে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদ মেহেদী হাসান রাব্বীর কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।কবর জিয়ারত শেষে রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনার কবর দেওয়ার মতো সাহসও বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কারও নেই। যে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে, তারা ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে বাংলাদেশে ফিরে আসবে—পাগল ছাড়া কোনো সুস্থ মানুষ তা বিশ্বাস করে না।এ সময় মাগুরা জেলা ছাত্রদল, যুবদলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা গানের ‘যুবরাজ’খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। দীর্ঘদিনের বিরতি শেষে নতুন একক গান নিয়ে ফিরেছেন নন্দিত এই কণ্ঠশিল্পী। ‘ভুলে গেছি তোমাকে’ শিরোনামের গানটি এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।‘মন থেকে উঠে গেছো তুমি, ভুলে গেছি আমি তোমাকে, নেই ভালোবাসা বলে কিছু, বুঝেছি ভালোবেসে ঠকে, তোমারই পিছে ছুটেছি মিছে, পড়েছে কালি তাই চোখের নিচে’ এমন কথায় সাজানো গানটি লিখেছেন স্নেহাশীষ ঘোষ।গানটির সুর করেছেন রাজেশ ঘোষ এবং সংগীতায়োজন করেছেন এম এম পি রনি। ইয়ামিন এলানের পরিচালনায় নির্মিত মিউজিক ভিডিওতে আসিফ আকবর নিজেই অংশ নিয়েছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর আর মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে ‘ভুলে গেছি তোমাকে’।এই গানটির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর রাজেশ ঘোষের সুরে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর। আসিফের সংগীতজীবনের অন্যতম জনপ্রিয় অনেক গানের সুরকার রাজেশ ঘোষ। দীর্ঘদিনের এই শিল্পী-সুরকার জুটির বোঝাপড়াও বেশ পুরোনো। নতুন গানটি নিয়ে তাই প্রত্যাশাও বেশি আসিফের।গানটি প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেন, “অনেক দিন পর রাজেশ ঘোষের সুরে গান গাইলাম। আমার সংগীত ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু গানের সুরকার তিনি। তার সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটাও অনেক দিনের। আশা করছি, আমাদের এই পুরোনো শিল্পী-সুরকার জুটির নতুন আয়োজনটি সংগীতপ্রেমীদের ভালো লাগবে এবং প্রত্যাশা পূরণ করবে।”এদিকে, নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি বিদেশ সফরের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন আসিফ আকবর। ইনছন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন কোরিয়া (আইবিসিকে)-এর আয়োজনে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২৬’-এ অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন তিনি।আগামী ১০ অক্টোবর ইনচিওনের সামসান ওয়ার্ল্ড জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। সেখানে সংগীত পরিবেশন করবেন আসিফ আকবর।
রাজধানীর সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলেরই ৭০০ অটোরিকশা থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একজনও অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে আন্দোলন করবে না। অথচ একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেল প্রকাশ্যে বলেন অটোরিকশা চলাচলের দাবি নাকি সরকারের মানা উচিত। বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর। পরে খোঁজ নিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, ওই নেতার নিজেরই ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে।ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে মিল্টন বলেন, ঢাকার প্রতিটি এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। দোকানের সামনে কিংবা ফুটপাতে যাতে কেউ অবৈধভাবে বসতে না পারে, ব্যবসায়ীদের সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। নগরবাসী যা চাইবে না, সিটি করপোরেশন কখনোই তা করবে না।দখলমুক্ত ফুটপাতে সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের কাজ চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব এলাকার ফুটপাত ভেঙে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করে পথচারীবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে।এ সময় অভিযোগ তুলে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ফুটপাতের হকারদের ডেকে নানা ধরনের উসকানিমূলক পরামর্শ দিচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনস্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ যদি নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, তবে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
দেশের নিপীড়িত, নির্যাতিত, অসহায় ও দুস্থ মানুষের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদ’ নামে নতুন একটি ইউনিট গঠন করেছে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি।নবগঠিত বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট তরুন লাল বেগী। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খুলনার কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট সফল দাশ। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট অজয় টিকাকর, অ্যাডভোকেট বিমল চন্দ্র রায় ও অ্যাডভোকেট আকাশ দাস।শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সম্মেলনে এ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।শ্রী অনুপ কুমার সাহার সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম। সম্মেলন সঞ্চালনা করেন এডভোকেট সুমন কুমার রায়।নবগঠিত এই পরিষদের মাধ্যমে দেশের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিয়ের দীর্ঘ চার বছর প্রতীক্ষার পর সন্তানের মুখ দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন এক দম্পতি। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। হাসপাতালেই নবজাতক চুরির অভিযোগে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থেকে এক ছেলে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে হাসপাতালের গাইনি বিভাগে এই ঘটনা ঘটে। চুরি হওয়া নবজাতকের মা মরিয়ম (১৯)। তার স্বামী শামীম বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের চান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি। এটি তাদের প্রথম সন্তান। মরিয়মের বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চানপুর এলাকায়। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে এক নারীকে নবজাতক কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। এ ঘটনায় নবজাতকের মা ও স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে মরিয়মের বিয়ে হয়।দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সে প্রথমবারের মতো গর্ভবতী হয়। তার মা মমতাজ বেগম মেয়ে মরিয়মকে গত ৪ অক্টোবর সকালে হাসপাতালে ভর্তি করান। পরদিন সকালে চিকিৎসক ডা. ইশরাত হোমায়েরা নীলার তত্ত্বাবধানে তার সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। সন্তান প্রসবের পর সে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে একনারী এসে নবজাতক ও মায়ের খোঁজ নেয়। সেই নারী নবজাতকটিকে কোলে নিয়ে আদর করে। এরই ফাঁকে তাকে নিয়ে উদাও হয়ে যায় ওই নারী। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথম সন্তানের মুখ দেখলেও সন্তানকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার আগেই এমন ঘটনায় ভেঙে পড়েছে পরিবারটি।মরিয়মের মা মমতাজ বেগম বলেন, “মরিয়মকে ভুলভাল বুঝিয়ে আমার নাতিকে চুরি করে নিয়ে গেছে। বিয়ের ৪ বছর পর নাতির মুখ দেখেছি, কিন্তু নাতিকে ধরে রাখার ভাগ্য হলো না। আমার কী হবে, আমি বুঝতে পারছি না।”হাসপাতালের গাইনি বিভাগের নার্সিং ইনচার্জ খাদিজা আক্তার সুবর্ণা জানান, বিকেলে মিডওয়াইফ নার্স নুসরাত জাহান এ্যানি, নার্স ফাতেমা আক্তার ও সাদিয়া খানম দায়িত্বে ছিলেন। তারা ঘটনাটি অবগত করার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আসি৷ রোগীর সংখ্যা অনেক থাকায় কে কার বাচ্চা কোলে নিয়েছে, সেগুলো খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। তবে রোগীদের একাধিকবার সাবধানে বাচ্চা রাখার জন্য বলা হয়। কিন্তু তারা তা শোনেন না। যে কারণে এ ঘটনা ঘটে।এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শাহিন ভূইয়া বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং পুলিশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।”ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা বলেন, ঘটনার পরপরই হাসপাতালে এসেছি। সদর থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা ও পুলিশের একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নবজাতক উদ্ধারে কাজ করছে।এদিকে সিসিটিভি ফুটেজে নবজাতক নিয়ে এক নারীকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যাওয়ায় তাকে শনাক্ত ও নবজাতক উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হঠাৎ করে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়েছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর ও ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে বাড়ছে রোগীর ভিড়। বর্তমানে হাসপাতালটিতে গেল ২৪ ঘন্টায় ২৫ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চলতি মৌসুমে এই প্রথমবার এত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। আক্রান্তদের অনেকেই প্রচণ্ড মাথাব্যথা, জ্বর,শরীরব্যথা, ক্ষুধামন্দাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতালেও বাড়ছে চাপ।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি ডেঙ্গু মৌসুমের শুরু থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জ্বর ও ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অনেকের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।চিকিৎসকেরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়াই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর আহমেদ বলেন, “জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করাতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়িঘর ও চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।”চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আগেই কার্যকর ও সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দেশের পরিচিত সামাজিক ও প্রমোশনাল সংগঠন ‘দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশন’ আয়োজিত বিশেষ সম্মাননা ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান। সমাজ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখা ব্যক্তি, সফল উদ্যোক্তা এবং গুণী গণমাধ্যমকর্মীদের উৎসাহিত করতে এই বিশেষ সম্মাননার আয়োজন করা হয়। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কচিকাচা মিলনায়তনে দেশবরেণ্য তারকা, বিশিষ্ট উদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে মনোনীতদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।এবারের আয়োজনে সমাজ সংস্কার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য সেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের। এরই ধারাবাহিকতায়, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং মহানগরে মাঠপর্যায়ের সাহসী রিপোর্টিংয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এস -এর দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল সিটি রিপোর্টার সীমা প্রধান।এসময় সম্মাননা প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় চ্যানেল এস-এর সিটি রিপোর্টার সীমা প্রধান বলেন, যেকোনো কাজের স্বীকৃতি সবসময়ই আনন্দের এবং এটি পেশাগত দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেয়। মহানগরের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর তুলে ধরার এই প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করার জন্য আমি দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশন পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আগামী দিনে আরও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার ক্ষেত্রে এই সম্মাননা আমাকে বড় অনুপ্রেরণা জোগাবে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমাজ বিনির্মাণ ও সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁদের এই কাজের মূল্যায়ন আগামীতে দেশের গণমাধ্যম সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশিষ্টজনদের মিলনমেলার মধ্য দিয়ে শেষ হয় তারকা, উদ্যোক্তা ও সাংবাদিকদের এই চমৎকার আয়োজনটি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন লেখক, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট রায়হান আহমেদ তামীম। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোঃ তারিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেলের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।রায়হান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম সারির একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী ছিলেন। আন্দোলনে পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছিলেন। হাসিনা পালিয়ে যাবার পর মুক্তি পান। রায়হান সাবেক মাদ্রাসা ছাত্র। পেশায় পিআর (পাবলিক রিলেশন) অ্যান্ড ব্রান্ডিং-মার্কেটিং এক্সপার্ট, একটি পিআর এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতা, সিইও হিসেবে কাজ করছেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানার হাঁসাড়া গ্রামে।পদপ্রাপ্তির পর কমিটিতে স্বাগত জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোঃ তারিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল। এছাড়াও বিভিন্ন নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।তামীম ইতোপূর্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যক্রম স্তিমিত হলে রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে মনোনিবেশ করেন। দীর্ঘদিন পর আবার কেন রাজনীতে সক্রিয় হলেন জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর রাজনীতিতে কাগজে-কলমে যুক্ত না থাকলেও চিন্তা-চেতনায়, মননে-মগজে রাজনীতির সাথে পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলাম। এই পর্যায়ে এসে জাতীয় যুবশক্তির সাথে ঘটা করে যুক্ত হলাম কারণ হলো, আমার মনে হয়েছে তরুণ-যুবকদের নিয়ে আমার কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে আমি আমার জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জের কিশোর-তরুণদের নিয়ে কাজ করতে চাই। রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়ার কাজের বাড়তি কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে।’রাজনীতি-এক্টিভিজমের পাশাপাশি প্রায় ৯ বছর যাবত জাতীয় গণমাধ্যমে লেখালেখির সাথে যুক্ত আছেন তিনি। দৈনিক আমার দেশ, সমকাল, জাগো নিউজসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত ফিচার লিখছেন তিনি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কিছু ছাত্রনেতার সরকারে যোগ দেওয়া ও নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সমালোচনা করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাঁর মন্তব্য, এসব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধা ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের টিটু মিলনায়তনে ‘জুলাই-২৪ গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।টুকু বলেন, দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৭ বছরের শাসনের পর ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক নেতাদের সম্মিলিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। এই গণতন্ত্র ধরে রাখতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের নিজ নিজ কাজে ফিরে গিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ এই পরিস্থিতি যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে না পারলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।তিনি বলেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দেশে আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে। সড়ক অবরোধ ও মবের মতো কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ব্রিসবেনের অ্যালান বর্ডার ফিল্ডে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ নারী দলকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪.২ ওভার হাতে রেখেই অনায়াস জয় তুলে নেয় অজিরা।টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডের তোপের মুখে পড়ে নির্ধারিত ৪৯.৪ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ঋতু মনি সর্বোচ্চ ৪৫ রান (৬৩ বল) করেন। এছাড়া অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ২৯ এবং স্বর্ণা আক্তার ২১ রান যোগ করেন। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মেগান শুট ম্যাচের প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। সাদারল্যান্ড ৩০ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট এবং শুট ১০ ওভারে ১৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।জবাবে ব্যাট করতে নেমে তরুণ ওপেনার ফিবি লিচফিল্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। লিচফিল্ড ৫৭ বলে ১০টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন। জর্জিয়া ভল ১৯ ও বেথ মুনি ১৩ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হওয়া তরুণ বোলার হাবিবা ইসলাম পিঙ্কি ২টি উইকেট শিকার করেন।একই ভেন্যুতে আগামী রোববার (১১ অক্টোবর) সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল।
ভারতীয় চলচ্চিত্রের শক্তিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ায় নিজ বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার জানান, টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন ফেরানোর চেষ্টা) দেওয়া হলেও তাকে আর ফেরানো সম্ভব হয়নি।এদিকে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নানা পাটেকারকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাকে সিপিআর দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা চালান; তবে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তার ছেলে মালহার পাটেকার তখন পুনেতে ছিলেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি গোয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।মৃত্যুর ঘটনায় একটি মেডিকেল-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রে জন্ম নান পাটেকারের। তার আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকার। তীব্র অভিনয়, শক্তিশালী সংলাপ বলার ধরন এবং জটিল ও ব্যতিক্রমী চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দক্ষতার জন্য ভারতীয় সিনেমায় আলাদা অবস্থান তৈরি করেছিলেন তিনি। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেতা ‘নাটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘অব তক ছাপ্পান’ ও ‘ইয়েশবন্ত’সহ একাধিক প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় নানার। পরে ধীরে ধীরে নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। বিশেষ করে ২০০০-এর দশকে ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ (২০০২), ‘অব তক ছাপ্পান’ (২০০৪), ‘অপহরণ’ (২০০৫) ও ‘ট্যাক্সি নাম্বার ৯২১১’ (২০০৬)-এ তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় আসেন নান পাটেকার। চরিত্রটির জনপ্রিয়তার কারণে ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এও তাকে একই ভূমিকায় দেখা যায়। পাশাপাশি ২০১০ সালের রাজনৈতিক থ্রিলার ‘রাজনীতি’ সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
বলিউডের অন্যতম তারকা জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। আবারও তাদের পরিবারে আসতে চলেছে নতুন অতিথি। কন্যাসন্তান সারায়াহর প্রথম জন্মদিনের আনন্দ কাটতে না কাটতেই আবারও মা হওয়ার ঘোষণা দিলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিশেষ ছবি শেয়ার করে জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের খবরটি ভক্তদের জানান কিয়ারা। যেখানে সিদ্ধার্থ ও মেয়ে সারায়াহর পাশাপাশি তিনজনের হাতে দেখা যায় এক জোড়া ছোট্ট শিশুর বোনা জুতো। গত বছর প্রথম সন্তান আসার সময় যেভাবে খবরটি ভাগ করেছিলেন তারা, এবারও প্রায় একই ধাঁচের ছবিতে ভরিয়ে তুলেছেন আবেগ। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘এমন এক অমূল্য আশীর্বাদে হৃদয় কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসায় ভরে উঠেছে।’২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমেরে জমকালো আয়োজনে চার হাত এক হয়েছিল এই তারকাদম্পতির। এরপর গত বছরের নভেম্বরে প্রথম সন্তান সারায়াহকে স্বাগত জানান তারা। মা হওয়ার পর খুব বেশি দিন ক্যামেরা থেকে দূরে ছিলেন না কিয়ারা। চলতি বছরেই সাউথ তারকা যশের বিপরীতে ‘টক্সিক’ সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি।মাতৃত্ব নিজের ভেতর কতটা রূপান্তর এনেছে, তা নিয়ে সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে কথা বলেন কিয়ারা। তার ভাষ্যমতে, মা হওয়ার পর জীবন সম্পূর্ণ নতুন এক মোড় নেয়। এমনকি নিজেকে আরও স্বাধীন ও শক্ত মানসিকতার বা ‘টাইগ্রেস’ মনে হয় বলে জানান তিনি।কাজের প্রতি কিয়ারার এই একাগ্রতার প্রশংসা করেছেন ‘টক্সিক’ সিনেমার সহ-অভিনেত্রী হুমা কুরেশিও। তিনি জানান, সিনেমাটির একটি ভারী বৃষ্টির দৃশ্যে শুটিং করার সময় কিয়ারা ছিলেন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শারীরিক নানান জটিলতা ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এতটুকু না দমে দৃশ্যটির কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করেছিলেন তিনি।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ব্যবসাসফল সিনেমা ‘শেরশাহ’-র সেটে প্রথম কাছাকাছি আসেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। সিনেমায় ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার চরিত্রে সিদ্ধার্থ এবং ডিম্পল চিমার চরিত্রে নজর কাড়েন কিয়ারা। পর্দার সেই প্রেম কালক্রমে বাস্তবে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন গোপন রাখার পর টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ সম্পর্কের কথা পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন তারা, যা পরবর্তীতে পরিণতি পায় ধুমধাম বিয়ের মাধ্যমে।
ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি অনন্য বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে বাংলার তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। প্যারিসের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার মসলিন ও অপ্সরা রূপে দেখা গেল এ অভিনেত্রীকে। তিনি রিয়া কাপুরের স্টাইলিং ও পোশাকের সমন্বয়ে ফ্যাশনে নিয়ে আসেন এক বৈচিত্র্য উপস্থাপনা।প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সেই অনুষ্ঠানে দেবীতুল্য ও মোহময়ী অবতারে ধরা দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন অভিনেত্রী। ফ্যাশন দুনিয়ার বিশ্ব সেরা ৫০০ প্রভাবশালী মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিত্বের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছেন তিনি। আর সেই উদযাপনের মঞ্চেই ভারতীয় ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি করে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান নিজেকে। বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরেন জাহ্নবী কাপুর।অভিনেত্রীর এই রাজকীয় স্টাইলিংয়ের নেপথ্যে ছিলেন কাপুর পরিবারের আরও এক কন্যা ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট রিয়া কাপুর। বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘পঙ্কজ এস হেরিটেজ’-এর কাস্টম ডিজাইনে নির্মিত এই পোশাকটিতে ঐতিহ্যবাহী শাড়ির আধুনিক রূপায়ণ ঘটানো হয়েছে।শাড়িটি তৈরি করা হয়েছে ৪৬০ কাউন্টের সুতা দিয়ে, যার মধ্যে ফুটে উঠেছে মসলিনের সূক্ষ্ম কারুকাজ আর ঐতিহ্যগতভাবে ‘বাফ-ই-হাওয়া’, ‘শবনমী’ বা ‘চাঁদনি’ নামে পরিচিত। আইভরি ক্যানভাসের ওপর পোখরাজ, পান্না, গার্নেট, মুক্তা ও সোনার পুঁতির চমৎকার কারুকাজ কাঁধ থেকে হাত পর্যন্ত ছড়ানো গহনার কাজ পোশাকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।২০২৬ সালের ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ তালিকায় বিশ্বজুড়ে আটটি ক্যাটাগরিতে ১০০ জন নতুন ব্যক্তিত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছেন আরও দুই ভারতীয় মডেল ভাবিতা মান্ডভা ও প্রীতিশা স্বরূপ।‘শানেল’-এর শো ওপেন করা প্রথম ভারতীয় নারী শানেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ভাবিতা মান্ডভা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মডেল, অপারেশন্স স্মাইলের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ও আয়ুর্বেদিক বিউটি ব্র্যান্ড ‘প্রাক্তি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রীতিশা স্বরূপ।
রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নির্মিত সিনেমা ‘মাস্টার’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে ইতালির ২২তম লুক্কা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে।নির্মাতা সুমিত খবরটি নিজেই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সুদূর তাসকানি থেকে কী দারুণ একটি খবর এলো কিছুক্ষণ আগে! লুক্কা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কারটি আমরা জিতে নিয়েছি! এই অর্জন ‘মাস্টার’ সিনেমাটির সর্বজনীনতা এবং প্রাসঙ্গিকতার আরেকটি প্রমাণ।’লুক্কা উৎসবে এ বছর বিশ্ব চলচ্চিত্রের দুই নক্ষত্র নান্নি মোরেত্তি এবং জুলিয়ান শ্নেবেলকে আজীবন সম্মাননা (লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড) দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পরিচালক নিকোলাস উইন্ডিং রেফন উপস্থিত ছিলেন তার নতুন সিনেমা নিয়ে, যেটা ‘গোল্ডেন প্যান্থার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে।এবারের উৎসবে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে বেশ কিছু শক্তিশালী সিনেমা ছিল। তার মধ্যে ‘মাস্টার’কে বেছে নেওয়ার জন্য জুরি সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সুমিত।‘মাস্টার’ নিয়ে জুরি বোর্ডের অফিশিয়াল বক্তব্যটি এরকম, ‘স্থানীয় একটি গল্পের মধ্য দিয়ে বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র যে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে, তা তুলে ধরার অসাধারণ সক্ষমতার জন্য (পুরস্কারটি দেওয়া হলো)। একটি সূক্ষ্ম ও বুদ্ধিদীপ্ত চিত্রনাট্যের মাধ্যমে দর্শক এমন এক শিক্ষকের মুখোমুখি হন, যার অন্তরে রয়েছে সৎ নীতি-আদর্শ আর সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি একনিষ্ঠ প্রতিশ্রুতি। তার এই আদর্শ হয়তো সমাজকে বদলে দিতে পারত, কিন্তু তা থমকে যায় সাধারণ মানুষের মঙ্গলের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া এক রাজনৈতিক ব্যবস্থার জটিল মারপ্যাঁচে। অত্যন্ত সাবলীল গতিতে এগিয়ে যাওয়া সিনেমাটি মূল চরিত্রের মুখোমুখি হওয়া নানা বৈপরীত্যকে দারুণ দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছে। আর শেষমেশ তিনি যে দুর্নীতির কাছে নতি স্বীকার করেন; আফসোস হলেও সত্যি—আমাদের এই ছোট্ট পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি কোণেই তা ভীষণভাবে চেনা।’সবশেষে নিজের টিমের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে সুমিত তার ফেসবুক বার্তায় লেখেন, ‘আমার পুরো কলাকুশলী টিমের প্রতি রইল অনেক অনেক ভালোবাসা; সত্যিই অসাধারণ ছিল আপনাদের ডেডিকেশন!’কিন্তু প্রশ্ন তো থেকে যায়, বিদেশের মঞ্চে একের পর এক বাজিমাৎ করে যাওয়া ‘মাস্টার’ দেশের প্রেক্ষাগৃহে কবে আসবে? সে প্রশ্নটা নির্মাতা সুমিতেরও। কারণ ‘মাস্টার’ এখনও দেশে মুক্তির অনুমতি পায়নি। সেটা মিললেই পর্দায় আসবে সিনেমাটি।‘মাস্টার’-এর নাম ভূমিকায় আছেন নাসির উদ্দিন খান। এছাড়াও অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরীফ সিরাজ, তাসনোভা তামান্না, মাহমুদ আলম প্রমুখ।
হলিউড অভিনেত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রাক্তন বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ইসরায়েলি আগ্রাসনের আগে ও পরের ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার স্যাটেলাইট চিত্র স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন, যা ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা এবং বাসিন্দাদের মানবিক চাহিদাকে তুলে ধরেছে। ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘এখন গুগল আর্থ খুললেই দেখা যাবে গাজার কী অবস্থা করা হয়েছে।’গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ এক পোস্টে জোলি ইসরায়েলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, গাজার ‘পুরো এলাকাজুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’। বেঁচে থাকার জন্য মানুষের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জোলি বলেন, গাজায় প্রায় ১৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ত্রাণ ও আশ্রয় সামগ্রী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এখনো নানা বিধিনিষেধ ও বিলম্ব রয়েছে।’তিনি লেখেন, ‘গুগল আর্থে অভূতপূর্ব স্পষ্টতায় ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা যাচ্ছে। শীত আসার আগেই মানুষের আশ্রয় প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ মানবিক সহায়তা বেসামরিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ করতে হবে।’
ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান মানেই ভক্তদের হৃদয়ে বাড়তি উন্মাদনা। বয়স বাড়লেও তার রূপের দ্যুতি আর চিরসবুজ স্টাইল যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে আবারও ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন এই নন্দিত অভিনেত্রী।প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, স্নিগ্ধ গোলাপী রঙের পোশাকে দারুণ ফুরফুরে মেজাজে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন জয়া। একটি টেবিলের সামনে বসে থাকা অবস্থায় তার মুখে ভেসে উঠেছে এক মায়াবী ও মিষ্টি হাসি, যা তার রূপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।ছবির এই বিশেষ মুহূর্তটি নিয়ে অভিনেত্রী নিজেই দিয়েছেন এক দারুণ ব্যাখ্যা। ছবিগুলোর ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন- ‘আ স্মাইল আই ডিডন্ট প্ল্যান’ (এমন একটি হাসি, যার কোনো পরিকল্পনা আমার ছিল না)। অর্থাৎ, হঠাৎ করেই ঠোঁটের কোণে ভর করা এই অনাবিল হাসিটি ছিল সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত।জয়ার এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। মন্তব্য ঘরে অনুরাগীরা তার সৌন্দর্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। কেউ তাকে ‘মায়াবতী’ বলে সম্বোধন করেছেন, আবার কেউ তার এই ঝকঝকে হাসির পেছনের ইতিবাচক শক্তির প্রশংসা করেছেন। কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের এমন সুন্দর ও সাবলীল মুহূর্তগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এই অভিনেত্রী।
এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর ৮৪তম জন্মবার্ষিকী, তার দীর্ঘদিনের অবদান ও দূরদর্শী চিন্তাকে স্মরণ করে দেশজুড়ে ৫০০টিরও বেশি স্টোরে ফাউন্ডার্স ডে উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে এপেক্সের সকল পণ্যে থাকছে ২৬ শতাংশ ছাড়।এই বিশেষ ছাড় উপভোগ করা যাবে এপেক্সের সবকটি রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটাতেও। ফলে জুতা, স্যান্ডেল, লেদার ব্যাগ, বেল্ট, অ্যাকসেসরিজ ও অ্যাপারেলসহ পরিবারের সব বয়সী সদস্যের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পাশাপাশি, বিশেষভাবে নারীদের জন্য বৈচিত্র্যময় কালেকশন থেকে ক্রেতারা পছন্দমত পণ্যটি বিশেষ ছাড়ে কিনতে পারবেন।নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন কালেকশন ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহের পাশাপাশি ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ ছাড়কে কেন্দ্র করে স্টোরগুলোতে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর কেনাকাটার পরিবেশ। গত কয়েক বছরের ফাউন্ডার্স ডে উদযাপনের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজনেও উৎসব, বিশেষ দিন, কিংবা বিভিন্ন মৌসুমকে মাথায় রেখে বাজারে নিয়ে আসা এপেক্স পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার দারুণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারছে ক্রেতারা। এপেক্সের সঙ্গে এ দেশের মানুষের দীর্ঘ পথচলাকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ২৬ সেপ্টেম্বর এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করে থাকে। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী গুণগত মান ও গ্রাহকের আস্থা ভিত্তির ওপর এপেক্সেকে গড়ে তুলেছিলেন। তার সেই স্বপ্নকে স্মরণ করে এবং বিশেষ এই কেনাকাটার অভিজ্ঞতার অংশ হতে এপেক্সের নিকটস্থ আউটলেটে আসার জন্য ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এপেক্স।
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেছেন ‘স্কুল অব লিডারশিপ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙালি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাকে দেশে ফিরে নেতৃত্ব উন্নয়ন ও সমাজগঠনমূলক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।সাম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ড. গোলাম রাব্বানী প্রথাগত রাজনীতির বদলে পরিবেশ ও শিক্ষার মতো বিষয়ে দক্ষ রাজনৈতিক সমাজকর্মী তৈরি এবং গ্রামীণ চায়ের দোকানগুলোকে সামাজিক যোগাযোগের হাব হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ভিলেজ কোর্টকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি।জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ড. গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন। একটি সুনির্দিষ্ট কাজের দর্শন নিয়ে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরে এই বহুমুখী নেতৃত্ব ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করতে চান।
আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘অল-রাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন’ সি-সিরিজের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি১০০ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের সবধরণের প্রয়োজন পূরণে দীর্ঘমেয়াদী পাওয়ার, উন্নত ডিউরেবিলিটি, ওয়াটার রেজিজট্যান্স ও স্মুথ পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে ডিভাইসটি এই সেগমেন্টের সবচেয়ে সেরা ব্যাটারি ব্যাকআপ ও পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।রিয়েলমি সি১০০-এ সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা, ১০ ওয়াট রিভার্স চার্জিং ও ৭ বছরের ব্যাটারি হেলথ প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আরও দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে এআই-পাওয়ার্ড অপটিমাইজেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও, সারাদিন ব্যবহার করার পরও ডিভাইসটি একইরকমভাবে চলতে সক্ষম। রিয়েলমির ল্যাব টেস্ট অনুযায়ী, একবার পূর্ণ চার্জে রিয়েলমি সি১০০ ১.৭ দিন সচল থাকার পাশাপাশি, ১১ ঘণ্টার বেশি অনলাইন গেমিং (ফ্রি ফায়ার, মোবাইল লিজেন্ডস ব্যাং ব্যাং), ২৪ ঘণ্টার বেশি অনলাইন স্ট্রিমিং, ২০ ঘণ্টার বেশি অনলাইন নেভিগেশন ও ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করতে সক্ষম।উন্নত ডিউরেবিলিটি নিশ্চিত করতে রিয়েলমি সি১০০-এ মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিজট্যান্স ও আর্মরশেল প্রোটেকশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম। ডিভাইসটিকে আরও ডিউরেবল করতে এতে আইপি৬৯ প্রো টেকনোলজির পাশাপাশি, ২ মিটার ড্রপ রেজিজট্যান্স ও ৬ মিটার ওয়াটার রেজিজট্যান্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রতিদিনের ব্যবহারের সময় টেবিলের ওপর থেকে পড়ে যাওয়া, পকেট থেকে ফোন বের করার সময় পড়ে যাওয়া বা ছবি তোলার সময় সুইমিংপুলে ফোন পড়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে ডিভাইসের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে শক্তিশালী ৮-কোর চিপসেট রয়েছে। ফটোগ্রাফি ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জন্য রিয়েলমি সি১০০-এ ৫০ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। রেয়ার ও ফ্রন্ট উভয় ক্যামেরাই ডুয়েল-ভিডিও শুটিং করতে সক্ষম।পাশাপাশি, প্রতিদিনের কাজে স্মুথ স্ক্রলিং ও অনবদ্য ভিউইং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রিয়েলমি সি১০০-এ ৯০.৪% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ও ১২০ হার্জ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সহ ৬.৮ ইঞ্চির এইচডি+ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে।০৮-১০ অক্টোবরের মধ্যে রিয়েলমি সি১০০ কেনার মাধ্যমে ক্রেতারা ৫০,০০,০০০ টাকা মূল্যের আকর্ষণীয় পুরষ্কার উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিবার স্মার্টফোন কেনার পর ব্যবহারকারীরা ১,০০,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা, বোগো অফার অথবা নিশ্চিত ৬ মাসের এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।গ্লোরি হোয়াইট, ভিক্টোরি পার্পল ও এনড্যুরেন্স ব্রাউন এই তিনটি অনন্য রঙে রিয়েলমি সি১০০ পাওয়া যাচ্ছে। ডিভাইসটি দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৭,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৮ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৯,৯৯৯ টাকা মাত্র।সুবিশাল ব্যাটারি, উন্নত ডিউরেবিলিটি, ওয়াটার রেজিজট্যান্স, স্মুথ পারফরম্যান্স ও অনন্য ফিচারের সমন্বয়ে রিয়েলমি সি১০০ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের জীবনে অল-রাউন্ড স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।
দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।