ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটের কারণ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।১২ মে মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘হামের সংক্রমণ এবং বর্তমান সংকটসহ এ সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি তদন্ত হবে। এ নিয়ে তদন্ত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে হামের বিষয়ে তদন্ত কমিটি হবে।’ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘হামের কারণে চার শতাধিক শিশু মারা গেছে। এটি বড় বিষয়। কী কারণে হামের টিকার সংকট হয়েছে, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা ছিল কি না-- এসব নিয়েই তদন্ত করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘কোনো অপরাধ তদন্তে উঠে এলে অবশ্যই দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হবে। হামের চিকিৎসায় সরকারের পক্ষ থেকে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দেশে জ্বালানির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের জ্বালানি সংকট নেই।’

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হবে।১২ মে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর নিয়ে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, মেধা পাচার নয়, মেধা লালন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় সরকার। এমন একটি শিক্ষ ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হবেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন না করার কারণে বেকারত্ব বেশি। তাই একাডেমিক সিলেবাসকে সময়পোযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্রান্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার।সরকারপ্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব সাবেক শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত, তাদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার জন্য তিনি শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।তারেক রহমান বলেন, আরো একটি বিষয়ের দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমতএকাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিত মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে, প্রাথমিক সিলেবাসে থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না।

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পাইকারি কাঁচাবাজারে দোকান দখলদারিত্ব ও নীরব চাঁদাবাজি থাকলেও মুখ ফুটে কেউ কথা বলতে চায় না, সবার মুখ চেপে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি আফ্রিকার জঙ্গল থেকে এসে কেউ করে না, তাদের পরিচয় আমরা সবাই জানি। আমরা চাই চাদাবাজিটা বন্ধ হোক। আমরা মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের সিন্ডিকেড ভাঙতে চাই। জনগণের জন্য এ লড়াই অব্যাহত থাকবে। সংসদে ও সংসদের বাইরে আমাদের দাবি ও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। ১২ মে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুর এক নম্বরে পাইকারি কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, সংসদের বিগত অধিবেশনের শেষ দিবসে আমি পরিষ্কার বলেছি যে, সংসদের ৩০০ জন সদস্য যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না- তাহলে কেউ করার সাহস পাবে না। কিন্তু তারাই যদি আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় তাহলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা অসম্ভব।তিনি বলেন, আগের থেকেই বাজার অস্থির, ইদানিং মনে হচ্ছে আরো একটু বেশি অস্থির। মাঝখানে জ্বালানি সমস্যা ছিল, তার সাথে চাঁদার যন্ত্রণা ছিল। এই দুইটা মিলেই বাজার অস্থির হয়, এটাও আমরা জানি, এ ঘাটে ঘাটে সিন্ডিকেট এটাও আমরা জানি। এই বিশাল মার্কেটের দোকানগুলোতে স্বস্তিদায়কভাবে কেউ ব্যবসা করতে পারে না।তিনি আরও বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের কারণে ভোক্তারাও যেমন ন্যায্যমূল্যে পণ্য পায় না, তেমনি কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না, মাঝখানে অন্যদের পেটে ঢুকে যায়। আমরা ওটা ভাঙতে চাই। কোনদিন ভাঙতে পারব আল্লাহ ভালো জানেন, কিন্তু আমাদের লড়াই শুরু হয়েছে, এই লড়াই চলবে, আমরা থামবো না। এই দেশটা আমরা সবাই মিলেই ভালো করতে পারব, একা কেউ পারবে না, একা কোন দলও পারবে না। এতে জনগণের সহযোগিতা দরকার। দেশ তো জনগণের জন্য, দেশের মালিকও জনগণ। এই জনগণের জন্য আমাদের লড়াই সংগ্রাম ইনশাল্লাহ অব্যাহত থাকবে।তিনি বলেন, বাজারে পরিদর্শনের সময় ব্যবসায়ীদের সমস্যা শুনতে চান বিরোধীদলীয় নেতা। এ সময় একজন ব্যবসায়ী জানান যে, সরকারিভাবে যে ঘরগুলোর ভাড়া পাঁচ হাজার টাকা (১৩ টাকা স্কয়ার ফিট), বিগত সরকারের আমলের রাজনৈতিক নেতারা সেগুলো বরাদ্দ নিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে ৯০ হাজার থেকে এক লাখ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিচ্ছে।পণ্যে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে জিনিসটার দাম আজকে ১০ টাকা হওয়ার কথা, চাঁদা দেওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে এটা ১২ বা ১৩ টাকায় বিক্রি করতে হয়। অর্থাৎ এটার ভার গিয়ে পড়ছে জনগণের ঘাড়ে।তিনি ব্যবসায়ীদের ভীতি দূর করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক দিয়ে বলেন, বন্ধ করতে হলে একটা প্রতিরোধ করা লাগবে। আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ করব। চাঁদাবাজির তথ্য প্রকাশ করায় ওই ব্যবসায়ীর কোন ক্ষতি হলে তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিরোধীদলীয় নেতা।তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, যেন জনগণের এই দুঃখ-দুর্দশার চিত্র নিয়মিত মিডিয়ায় তুলে ধরা হয়, যাতে সামাজিক সচেতনতা বাড়ে এবং দুষ্কৃতিকারী ও চাঁদাবাজদের দমন করা সম্ভব হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ঢাকা-১৪ আসনের এমপি ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

  • ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে  যুক্তরাজ্য

    ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য

  • উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

    ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

  • ইরানের উপর আবারও হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

    ইরানের উপর আবারও হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

  • শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

    শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

  • রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

    রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২২৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচসহ দলের মোট ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১২ মে) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে এই হিসাব বিবরণী জমা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত ওই হিসাব বিবরণী অনুযায়ী, নির্বাচনে দলটির মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। এর মধ্যে ২২৫ জন প্রার্থীর বিপরীতে দলের পক্ষ থেকে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যেখানে গড়ে প্রতি প্রার্থী দল থেকে প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা করে পেয়েছেন।নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তথ্যে ব্যয়ের খাতগুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটির নির্বাচনী খরচের তালিকায় রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আইসিসিতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার খরচ।খাতওয়ারি ব্যয়ের বিবরণে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং পরিবহন খাতে ৮ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া জনসভা ও সফর বাবদ ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৯ টাকা, স্টাফ খরচ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০২ টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪ টাকা ব্যয় করেছে দলটি। বিবিধ খরচ হিসেবে আরও ২ লাখ টাকার হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বইমেলার বিভিন্ন আয়োজন, আমন্ত্রিত অতিথি তালিকা এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম জানান, এবারের মেলায় ১০ হাজারেরও বেশি নতুন বই প্রদর্শিত হবে। দেশ-বিদেশের অসংখ্য লেখক, কবি, গবেষক, প্রকাশক ও সাহিত্যপ্রেমীর অংশগ্রহণে মেলাটি প্রবাসী বাঙালিদের অন্যতম বৃহৎ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।এবারের বইমেলায় বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ২৫টি খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। উল্লেখযোগ্য প্রকাশনীগুলোর মধ্যে রয়েছে: অঙ্কুর প্রকাশনী, অন্বয় প্রকাশ, অভ্র প্রকাশন, অনন্যা, আহমদ পাবলিশিং হাউস, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, কথাপ্রকাশ, কাকলী প্রকাশনী, কাশবন প্রকাশন, কবি প্রকাশনী, গ্রন্থকুটির, জলধি, নালন্দা, প্রথমা প্রকাশন, বেঙ্গল বুকস, বাতিঘর, বিদ্যাপ্ৰকাশ, বিপিএল, মাওলা ব্রাদার্স, সময় প্রকাশন, সম্পর্ক পাবলিশার্স, সাহিত্যম, ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশন, পিজ্জা এন্ড পোয়েট্রি এবং মুক্তধারা নিউ ইয়র্ক।বইমেলার উদ্বোধন করবেন বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. রওনক জাহান এবং জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর, কবি বব হোলম্যান, পশ্চিমবঙ্গের কবি সুবোধ সরকার, লেখক ফারুক মঈনউদ্দীন, সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, বিজ্ঞান লেখক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী দীপেন ভট্টাচার্য এবং জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন।মেলায় অংশ নেবেন দেশ ও প্রবাসের বহু বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—ড. আবদুন নূর, মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী, গৌতম দত্ত, অধ্যাপক বিরূপাক্ষ পাল, নজরুল মিন্টো, অধ্যাপক সৌরভ সিকদার, রুমা মোদক, জাফর আহমদ রাশেদ, অধ্যাপক শামীম রেজা, রুদ্র শংকর, ফারুক হোসেন, আশিক মুস্তফা ও পারমিতা হিম।এবারের বইমেলার একটি বিশেষ তাৎপর্য হলো—বাংলা সাহিত্য ও সমাজচিন্তার দুই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব শামসুদ্দীন আবুল কালাম এবং মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষে তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। তাঁদের সাহিত্যকর্ম, মানবিক চেতনা এবং সমাজভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই আমাদের এই বিশেষ প্রয়াস।বইমেলার সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত শিল্পী অদিতি মহসিন। আয়োজকরা আরও জানান, বইপ্রেমীদের সুবিধার্থে বইয়ের নাম, লেখক পরিচিতি ও মূল্যসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। নতুন প্রকাশনা, গবেষণাধর্মী গ্রন্থ, কবিতা, উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই এবং প্রবাসী বাংলা সাহিত্যকে এবারের মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বইমেলার উদ্বোধক ইমদাদুল হক মিলন এবং সম্মানিত অতিথি ফরিদুর রেজা সাগর ইতোমধ্যে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন। তাঁদের অংশগ্রহণে বইমেলার অনুষ্ঠানমালা আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আয়োজকরা বিশ্বাস করেন।আয়োজকরা বলেন, বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিবছরের মতো এবারও এই আয়োজন করা হয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা প্রবাসে বাংলা সাহিত্যচর্চায় নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

বাংলাদেশে টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজের আনুষ্ঠানিক পথচলার দশদিন এর মধ্যে এই লাইনআপের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি। দৈনন্দিন ব্যবহারে এতটা মানানসই এই ফোনটি, যে এ নিয়ে কথা না বলে উপায় নেই। বড় মাপের হাই-রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, শক্তিশালী ফাইভজি প্রসেসর, ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, বড় ব্যাটারি আর প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য পারফেক্ট ডিজাইন, কী নেই এতে? আর এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণের জায়গাটি হচ্ছে এই যে, ফোনটি ব্যবহার করে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। তাই ব্যবহার করে পাওয়া যায় দারুণ অভিজ্ঞতা। তাই ফোনটির কয়েকদিন চালানোর পরেই যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি নজরে আসে, তা হলো সবমিলিয়ে এটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতাটাই। ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে থাকায় নিয়মিত ব্যবহার হয় একেবারে স্মুথ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, শর্ট ভিডিও দেখা, ওয়েব ব্রাউজিং বা এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়া, সবকিছুই হয় ঝামেলা ছাড়াই। গ্লোবালি বিভিন্ন রিভিউতে ফোনটির মজবুত ডিজাইন এবং নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের কথা বলা হয়েছে। এটি আসলে এমন একটি ডিভাইস, যা মাঝে মাঝে শো-অফ এর চেয়ে বরং নিয়মিত ও দীর্ঘসময় ব্যবহার করার জন্যই তৈরি। মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+ প্রসেসর সেই অভিজ্ঞতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। ফলে, দৈনন্দিন সকল কাজ, যোগাযোগ, বিনোদন এবং হালকা ধাঁচের গেমিংও বেশ ভালোভাবেই চালিয়ে নেওয়া যায়। পাওয়া যায় দারুণ দ্রুত পারফরম্যান্স।ব্যাটারি লাইফ হলো স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-এর অন্যতম বড় শক্তি। ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের ফলে ফোনটি ব্যবহারে চার্জিং নিয়ে মোটেও দুশ্চিন্তা করতে হয় না। দীর্ঘসময়ের যাতায়াত, টানা অনেকক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহার, স্ট্রিমিং, কল বা সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি ব্যবহারেও বারবার চার্জ দেওয়া নিয়ে ভাবতে হয় না। আর প্রয়োজনের সময় দ্রুত চার্জ হয়ে যাওয়ার সুবিধাও রয়েছে অনেকরকম। মোটকথা, চার্জিং নিয়ে ঝামেলা এড়িয়ে চলতে চান যারা, এই ব্যাটারি ব্যাকআপ ফিচারটি তাদের জন্য ফোনটিকে আরো বিশেষভাবে উপযোগী করে তোলে। ক্যামেরা সেটআপে ফোনটি চালানোর অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হয়। কেননা স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-তে থাকা ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকায় ভালো মানের ফটোগ্রাফি এখন সকলের হাতের মুঠোয়। সহজ ও কার্যকর পদ্ধতিতে তোলা যাবে স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত সব ছবি। ফোনটির বিভিন্ন রিভিউতেও ভালো ডে-লাইট ফটোগ্রাফির কথা উঠে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। ফলে নিজেদের পারিবারিক মুহূর্ত, সাধারণ পোর্ট্রেট বা দ্রুত সময়ের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট, সবক্ষেত্রেই খুব সহজে এই ক্যামেরাটিকে কাজে লাগানো যায়। স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-কে আরো আধুনিক করে তুলেছে এর বিভিন্ন ফিচার। এতে রয়েছে আইপি৬৪ ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, মিলিটারি-গ্রেড ডিউরেবিলিটি, সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, টেকনো এআই, ফ্রিলিংক ২.০ এবং আইওএস-এর সঙ্গে ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সফার ইত্যাদি বিশেষ সব সুবিধা। এগুলো শুধু ফোনটির স্পেসিফিকেশন তালিকার অংশই নয়, বরং পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতার পেছনের চাবিকাঠি। এই ফোনের ডিজাইনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে স্বাচ্ছন্দ্য, স্থায়িত্ব আর আরামদায়ক ব্যবহারের দিকে, যার ফলে ব্যালান্সড অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। স্পার্ক ৫০ ফোরজি মডেলটিও এক্ষেত্রে আলাদাভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এই সিরিজের অন্যতম আরেকটি শক্তিশালী দিক হচ্ছে এই ডিভাইসটি। যদিও ফাইভজি মডেলটিই এখন পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, তবে ফোরজি সংস্করণে রয়েছে এই সিরিজের সবচেয়ে বড়, অর্থাৎ ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি, ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার এবং আইআর রিমোট কন্ট্রোল, টেকনো এআই ও ফ্রিলিংক ২.০-এর মতো বেশ কিছু কার্যকর ফিচার। বিশেষ করে যারা ফোন কেনার সময় ব্যাটারির দিকটায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে সেরা একটি পছন্দ। বাংলাদেশের বাজারে এই সিরিজের দামও বেশ হাতের নাগালে রাখা হয়েছে। ৪জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে স্পার্ক ৫০ ফোরজি পাওয়া যাচ্ছে ১৭,৪৯৯ টাকায় এবং এটির ৬জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়ছে ১৯,৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-এর ৬জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের বর্তমান বাজারমূল্য ২৩,৯৯৯ টাকা। এত সাশ্রয়ী দামের মধ্যে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন, যা ব্যবহারে একইসঙ্গে পাওয়া যাবে দারুণ পারফর্ম্যান্স, আধুনিক মানের কানেক্টিভিটি এবং বাস্তবসম্মত ব্যবহারের একটি সামগ্রিক অভিজ্ঞতা।তাই এই ফোনটি এক সপ্তাহ ব্যবহারের পর বিষয়টা খুব সহজভাবে বলা যায়। টেকনো স্পার্ক ৫০ ফাইভজি আপনার দৈনন্দিন প্রয়োজনকে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারে। দেখতে খুব স্টাইলিশ, পারফর্ম্যান্সে শক্তিশালী কিন্তু ব্যবহারে একেবারেই জটিল নয়। তাই প্রতিদিনের ব্যবহারে আপনার ভরসার সঙ্গী হতে পারে এই ফোনটি। কেননা নতুন স্পার্ক ৫০ সিরিজের লাইনআপে তাই অন্য সব ফোনকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি উজ্জল স্পার্ক ৫০ ফাইভজি।

তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল

তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তাপাড়ের চরাঞ্চলের মানুষ ভাঙনের হাত থেকে বসতভিটা রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করে আসছেন নিজেদের শক্তিতে। সরকারি সহায়তার আশায় বারবার দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কার্যকর ব্যবস্থা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রম আর চাঁদার টাকায় বাঁধ নির্মাণ করেন তারা। তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই সেই বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়।‎‎স্থানীয়দের অভিযোগ, তিন বছর আগে ভয়াবহ বন্যার সময় তিস্তা নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। ওই সময় গঙ্গাচড়ার বাগডোহরা চরের নিচাপাড়া এলাকার তিন শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজন পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।‎‎শেষ পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নোহালী ও বাগডোহরা এলাকার কয়েকটি চরগ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে চাঁদা তোলেন। পরে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে দুটি বাঁধ নির্মাণ করেন তারা। এর মধ্যে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বৈরাতি থেকে বাগডোহরা মিনার বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি উজানে চর নোহালী এলাকায় ব্রিফ বাজার থেকে কাচারিপাড়া পর্যন্ত আরও দুই কিলোমিটার দীর্ঘ আরেকটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়।‎‎চরবাসীর ভাষ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যা ও নদীভাঙনে বাগডোহরা এলাকার দুই শতাধিক একর আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যায়। তবে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধ দুটির কারণে অন্তত বসতভিটা রক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর বর্ষা শুরুর আগেই ভারী বৃষ্টিতে বাঁধের বিভিন্ন অংশে ফাটল ও ভাঙন দেখা দিয়েছে।‎‎এতে গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী, বাগডোহরা এবং ভাটির দিকে কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল, মটুকপুর ও বিনবিনা এলাকার অন্তত ১২ হাজার পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষায় বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।‎‎স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ আলী বলেন, “তিস্তার ভাঙনে আমার জীবনে নয়বার বাড়ি হারিয়েছি।‎এখন চর বাগডোহরায় আছি। এই বাঁধটাই আমাদের শেষ ভরসা। এটি ভেঙে গেলে আর কোথাও দাঁড়ানোর জায়গা থাকবে না।”‎‎নোহালী ইউনিয়নের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মশিয়ার রহমান বলেন, “এই বাঁধ রক্ষা করতে না পারলে বাগডোহরা চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিস্তীর্ণ এলাকা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছি।”‎‎এদিকে গত বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ব্রিফ বাজার-কাচারিপাড়া বাঁধের অন্তত ২০০ ফুট অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।‎‎তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধে সরাসরি কাজ করার সুযোগ সীমিত। ‎‎রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, “স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু জিও ব্যাগ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।”

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিজ ফোরাম (WHRCF) ২০২৬”। আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ১১ মে সোমবার দক্ষিণ কোরিয়া এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন “এনসিপি ডায়াসপোরা এলায়েন্স-দক্ষিণ কোরিয়া” আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ মনে করেন, আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এবং মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জানা গেছে, সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সেখানে মানবাধিকার সুরক্ষা, নাগরিক স্বাধীনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যেও এ সফরকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। এনসিপি ডায়াসপোরা এলায়েন্স-দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সফর উপলক্ষে বিভিন্ন সংবর্ধনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে ১৭ই মে খিম্ফু সিটির, ফরেন সাপোর্ট সেন্টারে।

এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, মিলছে সুফল

এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, মিলছে সুফল

রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক মনিটরিংয়ে আটিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এতে ভালোই সুফল মিলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. সরওয়ার।‎তিনি জানিয়েছেন, ‘‎ট্রাফিক ব্যবস্থায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত এক সপ্তাহে তিন শতাধিক মামলা হয়েছে। নতুন করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে আরও ৩০ টি স্পটে এ প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে।’‎‎সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিমানবন্দর ক্রসিং সৌর শক্তির ‘ট্রাফিক সিগনাল লাইট’ উদ্বোধনের সময় এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার।‎‎তিনি বলেন, ‘আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকার সড়কে পূর্ণাঙ্গরূপে স্বয়ংক্রিয় মামলা চালু সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে সার্জেন্ট বা ট্রাফিক পরিদর্শকদের ম্যানুয়াল মামলা খুব একটা করা লাগবে না। যেকোনো স্থানে ট্রাফিক আইন বা মোটর ট্রান্সপোর্ট আইন ভাঙলে স্বয়ংক্রিয় মামলা হয়ে যাবে।’‎‎ডিএমপি কমিশনার জানান, ইতোমধ্যে ঢাকার ৩০টি পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সফটওয়ারের মাধ্যমে যানবাহনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল মামলা বা অটোমেটিক মামলা করা শুরু করেছে। এই সফটওয়্যারটি আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ তৈরি করছে। সেই ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে আমাদের সঙ্গে বিআরটিএ ডাটাবেজের যে কানেক্টিভিটি আছে, সেই কানেক্টিভিটির ঠিকানা থেকে মালিকদের ঠিকানা নিয়ে সেসব ঠিকানায় প্রসিকিউশন চিঠি পাঠানো হচ্ছে।’তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে বা মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হবে। সে অনুযায়ী তারা জরিমানা পরিশোধ করবে। এছাড়া বিভিন্ন পয়েন্ট সিগন্যাল লাইটের পোলগুলোতে পর্যায়ক্রমে এআই বেজড সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।বিমানবন্দর ক্রসিং সৌর শক্তির ‘ট্রাফিক সিগনাল লাইট’ উদ্বোধনকালে কথা বলছেন ডিএমপি কমিশনারডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত এক সপ্তাহে তিন শতাধিক মামলা হয়েছে। ভবিষ্যতে দেখা যাবে যে প্রতিদিন হয়তো এক হাজার মামলা হবে। সিটি করপোরেশন গত কয়েক মাসে জাহাঙ্গীর গেট থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত সাতটি ক্রসিংয়ে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে। এছাড়া গুলশান-১ নম্বরে আগে থেকেই ছিল, আর গুলশান-২ নম্বরেও সিটি করপোরেশন সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে।’‎তিনি জানান, ‎এর বাইরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হাইকোর্ট ক্রসিং থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং পর্যন্ত ছয়টি পয়েন্টে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করছে, যা কয়েকদিনের মধ্যে চালু হবে। এর বাইরে ১৫টি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে ডিএমপি।’‎ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২০২২ সাল থেকে অনেকেই ট্রাফিক ফাইন পরিশোধ করছিল না। এমন প্রায় ১ লাখ মামলা পুলিশের কাছে পড়ে ছিল। ডিএমপির ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রায় ৬৭ হাজার মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আরও ৩৮ হাজার এমন মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। সড়কে গতি আনতে ইতোমধ্যে ঢাকার প্রায় ৭০টি স্থানের কোথাও ইউটার্ন কাটিয়ে, কোথাও রাইট টার্ন বন্ধ করার মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’‎তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঢাকার গড় গতিবেগ ছিল ৫ কিলোমিটারের নিচে। কিন্তু ২৫-২৬ সালে আমরা মনে করি ঢাকায় মহানগরের গাড়ির গড় গতিবেগ এখন ১০ কিলোমিটারের উপরে হয়ে গেছে। পাশাপাশি অ্যালিভেডেট এক্সপ্রেসওয়েতে ক্যামেরা বসিয়ে মামলা করার ফলে ‘ওভার স্পিড কমেছে’। সে অনুযায়ী ৩০০ ফুট পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতেও ক্যামেরা বসিয়ে ‘ডিজিটালি কন্ট্রোল’ করা হবে।‎‎রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রসঙ্গে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কো-অর্ডিনেশন করে রাস্তাঘাট উন্নয়নের চেষ্টা করছি। বিভিন্ন সময় ডিপিডিসি, ডেসা তার সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা রাস্তা কাটে। এটাও আমরা সমন্বয় করছি।’তিনি বলেন, এর ফলে দেখবেন যে, গত এক বছর রাস্তায় কাটাকাটির ফলে ট্রাফিক জ্যাম খুব একটা চোখে পড়ে না। তারপর যেখানে প্রয়োজন সেখানে কাটবে। তবে সমন্বয় করে কাটবে। বাইপাস রোড করে কাটবে।

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই আগামীতে দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তিনি দেশ ও জাতির উন্নয়নের স্বপ্নসারথি। বর্তমান জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর কোনো বিকল্প নেই। তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দ্রুততম সময়ে বিশ্বে বাংলাদেশ শির উঁচু করে দাঁড়াবে। সেই লক্ষ্য অর্জন ও জনগণের স্বপ্ন পূরণে তাঁর নেতৃত্বে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সোমবার (১১মে) দাউদকান্দি উপজেলা সদরে নিজ বাসভবন 'মারুফ ভিলা' প্রাঙ্গণে দাউদকান্দি উপজেলা, পৌর এবং মেঘনা বিএনপির তিনি যৌথ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন।আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদপুর সফরে যাবার প্রাক্কালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা-১ আসনের ২০ কি.মি স্থানে মেঘনা, দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীগণ সংবর্ধনা জ্ঞাপনের লক্ষ্যে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেছে। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের দু:শাসনে নিষ্পেষিত জাতি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। দেশ ও জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতে তারেক রহমান অগ্রনায়ক হয়ে রাষ্ট্রের হাল ধরেছেন। ইনশাআল্লাহ, তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতই বিশ্বে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অসহায়, দু:স্থ এবং কৃষক পরিবারের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড,হেলথ কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করছেন। কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত কৃষি ও জনবান্ধব প্রকল্প- 'খাল খনন কর্মসূচি' আবারও চালু করেছেন। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। তিনি এরই মধ্যে রাষ্ট্রের প্রচুর জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দেশের মানুষ এখন তারেক রহমানকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছেন। জনগণ উদ্বেলিত, উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী হয়ে উঠেছে।দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকার। উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীণ বিএনপি নেতা একেএম শামসুল হক, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক মো.আক্তারুজ্জামান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভুইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহমেদ, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী, দাউদকান্দি বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সফর তালুকদার ও কামাল হোসেন, মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম.এম মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক দিলারা শিরীন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মাহামুদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব দলের সাবেক সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি বোরহানউদ্দিন ভুইয়া, মেঘনা যুব দলের আহবায়ক আতাউর রহমান ভুইয়া,দাউদকান্দি উপজেলা যুব দলের আহবায়ক শাহ আলম সরকার, সদস্য সচিব মো.রোমান খন্দকার, দাউদকান্দি পৌর যুব দলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী, দাউদকান্দি উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হাসিনা ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন,পৌর মহিলা দল সভাপতি আইরীন সরকার,সাধারণ সম্পাদক শিল্পী আক্তার,দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিমন খন্দকারসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। কর্মীসভায় ড.খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে। জনগণ নিশ্চিদ্র নিরাপদে,সুখ স্বাচ্ছ্যন্দে জীবন যাপন করতে পারে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। মানুষ এইসব গণমুখী কর্মকাণ্ডের সুফল ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছেন। তিনি বলেন,বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্টের জুলুম নিপীড়নে জাতি হয়েছিলো পথহারা।তারেক রহমান অগ্রপথিক হয়ে জাতিকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতই বিশ্বে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে।তিনি বলেন, দেশের শিশু,কিশোর ও যুবকদের মাদক ও জুয়ার নেশাকে 'না' বলতে এবং খেলাধুলার দিকে দৃষ্টি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নান্দনিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ সরকার পাবলিক পরীক্ষায় পাইকারী হারে কেবল পাশের সংখ্যা বাড়িয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের সরকার পাশের হার নয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে সততার রাজনীতি করার জন্য ড.খন্দকার মারুফ নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।যৌথসভায় গৃহীত প্রস্তাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মেঘনা উপজেলার ভাটের চর,দাউদকান্দি সেতু টোলপ্লাজা, বিশ্বরোড, শহীদনগর, গৌরীপুর, রায়পুর এবং ইলিয়টগঞ্জে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণ বিপুলভাবে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানাবেন।

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হওয়ার আগে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ১৭৯ রানে।বৃষ্টির কারণে দিনের দ্বিতীয় সেশনের খেলা পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়। লাঞ্চের পর খেলা পুনরায় শুরু হলেও দিনের শেষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় ৫০.৩ ওভারেই খেলা থামিয়ে দিতে হয়। দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২ রান।দিনের শুরুতে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৫) এবং সাদমান ইসলামকে (১০) হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মমিনুল হক মিলে ১০৫ রানের এক চমৎকার জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। দুজনেই ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দলীয় ১২৮ রানের মাথায় শাহীন আফ্রিদির বলে মমিনুল হক ৫৬ রান করে আউট হলে এই জুটি ভেঙে যায়।এদিকে এই ইনিংসসহ টেস্টে সবশেষ ৫ ইনিংসে টানা হাফ সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। এর আগে তামিম ইকবাল গড়েছিলেন এমন কীর্তি। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মার্চ থেকে জুনের মধ্যে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করেছিলেন তামিম ইকবাল। এর মধ্যে লর্ডস ও ম্যানচেস্টারে বিখ্যাত সেই দুই সেঞ্চুরিও আছে। মুমিনুল ফেরার পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৬ বলে ৫৮ রান করে অপরাজিত আছেন। তাঁর সাথে ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান সংগ্রহ করেছিল, যেখানে শান্ত ১০১, মমিনুল ৯১ এবং মুশফিক ৭১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রানে অলআউট হয়। অভিষিক্ত আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরি (১০৩) এবং আব্দুল্লাহ ফজলের (৬০) হাফ-সেঞ্চুরি সত্ত্বেও মেহেদী হাসান মিরাজের ৫ উইকেটের কারণে বড় লিড নিতে পারেনি পাকিস্তান। ফলে প্রথম ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশ এখন ম্যাচের চালকের আসনে। পঞ্চম ও শেষ দিনে দ্রুত কিছু রান তুলে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দেওয়ার অপেক্ষায় থাকবে চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটের কারণ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।১২ মে মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘হামের সংক্রমণ এবং বর্তমান সংকটসহ এ সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি তদন্ত হবে। এ নিয়ে তদন্ত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে হামের বিষয়ে তদন্ত কমিটি হবে।’ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘হামের কারণে চার শতাধিক শিশু মারা গেছে। এটি বড় বিষয়। কী কারণে হামের টিকার সংকট হয়েছে, টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা ছিল কি না-- এসব নিয়েই তদন্ত করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘কোনো অপরাধ তদন্তে উঠে এলে অবশ্যই দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হবে। হামের চিকিৎসায় সরকারের পক্ষ থেকে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দেশে জ্বালানির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের জ্বালানি সংকট নেই।’

ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড আর বসে বসে দেখা হবে না: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড আর বসে বসে দেখা হবে না: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, মিলছে সুফল

এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, মিলছে সুফল

পুলিশের ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন

ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীদের ছাড় নয়: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে  যুক্তরাজ্য

ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য

ইরানের উপর আবারও হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

ইরানের উপর আবারও হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানের চাকায় আগুন

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানের চাকায় আগুন

ইরানের জবাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

ইরানের জবাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩

শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২২৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচসহ দলের মোট ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১২ মে) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে এই হিসাব বিবরণী জমা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত ওই হিসাব বিবরণী অনুযায়ী, নির্বাচনে দলটির মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। এর মধ্যে ২২৫ জন প্রার্থীর বিপরীতে দলের পক্ষ থেকে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যেখানে গড়ে প্রতি প্রার্থী দল থেকে প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা করে পেয়েছেন।নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তথ্যে ব্যয়ের খাতগুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটির নির্বাচনী খরচের তালিকায় রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আইসিসিতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার খরচ।খাতওয়ারি ব্যয়ের বিবরণে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং পরিবহন খাতে ৮ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া জনসভা ও সফর বাবদ ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৯ টাকা, স্টাফ খরচ ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০২ টাকা এবং আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪৪ টাকা ব্যয় করেছে দলটি। বিবিধ খরচ হিসেবে আরও ২ লাখ টাকার হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

তারেক রহমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড.খন্দকার মারুফ

অপরাধের সঙ্গে দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: আমান

অপরাধের সঙ্গে দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: আমান

তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই গণতন্ত্র হত্যা করছেন: আসিফ মাহমুদ

তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই গণতন্ত্র হত্যা করছেন: আসিফ মাহমুদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এনসিপির ১০০ প্রার্থী ঘোষণা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এনসিপির ১০০ প্রার্থী ঘোষণা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

মতলবে লাম্পি স্কিন রোগে আতঙ্কে খামারিরা

মতলবে লাম্পি স্কিন রোগে আতঙ্কে খামারিরা

সাংবাদিকের সাথে অপেশাদার আচরণ: চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রকাশের পর মনোহরদী উপজেলা যুবদল নেতাকে শোকজ

সাংবাদিকের সাথে অপেশাদার আচরণ: চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রকাশের পর মনোহরদী উপজেলা যুবদল নেতাকে শোকজ

বগুড়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিটন গ্রেপ্তার

বগুড়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিটন গ্রেপ্তার

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য অরুন কান্তি রায় সিটনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সিটনকে আটক করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলা ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করা হবে।

তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল

তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল

সোনারগাঁওয়ে রাস্তার বেহাল দশা: উল্টে গেল আস্থাফিড কোম্পানির মালবাহী গাড়ি, তালতলা-বারদী সড়কে যান চলাচল বন্ধ

সোনারগাঁওয়ে রাস্তার বেহাল দশা: উল্টে গেল আস্থাফিড কোম্পানির মালবাহী গাড়ি, তালতলা-বারদী সড়কে যান চলাচল বন্ধ

নবীনগরে ডাকাত দলের হামলায় র‍্যাবের ৩ সদস্য আহত

নবীনগরে ডাকাত দলের হামলায় র‍্যাবের ৩ সদস্য আহত

গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১০

গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১০

লালপুরে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ তৎপর, গ্রিন ভ্যালি পার্কে বিদেশি পর্যটককে হেনস্তা, দুই টিকটকার গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত

লালপুরে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ তৎপর, গ্রিন ভ্যালি পার্কে বিদেশি পর্যটককে হেনস্তা, দুই টিকটকার গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত

গোপালগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে সংঘর্ষ, ইউপি সদস্যসহ আহত ১৩

গোপালগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে সংঘর্ষ, ইউপি সদস্যসহ আহত ১৩

অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ

অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ

অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই (ফিকি) ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর জমজমাট কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে নিশ্চিত হয়েছে সেমিফাইনালের চার দল। ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-র ব্যানারে নাটমেগ আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি কর্পোরেট ফুটবলে দারুণ উৎসাহ তৈরি করেছে।শেভরন বাংলাদেশকে ২–১ গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে কাপ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে এইচএসবিসি। ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য এইচএসবিসি-র শ্যারন ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন ।দ্বিতীয় কোয়ার্টার-ফাইনালটি টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তের জন্ম দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সিঙ্গার বাংলাদেশ এবং এসটিএস কোনো পক্ষই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি পেনাল্টি শুটআউটে গড়ায়। সেখানে সিঙ্গার বাংলাদেশের গোলরক্ষক ওমর আলী দলের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন। তার অসাধারণ গোলকিপিংয়ে সিঙ্গার জয় পেয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।এরপর রবি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক টানটান উত্তেজনায় ভরা ম্যাচ উপহার দেয়। ম্যাচটি যখন পেনাল্টির দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই একটি লং থ্রো থেকে আবিরের দারুণ ব্যাক হেডারে শেষ মুহূর্তে গোল পায় রবি এবং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড যখন সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, তখন রবি পাল্টা আক্রমণে আরও একবার গোল করে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়া নিশ্চিত করে। দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য নাফি টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচসেরা খেলোয়াড় হন।আরও একটি শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ডিএইচএল। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ধার দেখিয়ে ডিএইচএল, ইউনিলিভার বাংলাদেশের বিপক্ষে এক সহজ ও বড় জয় তুলে নেয়। জোড়া গোল করে আবারও উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন শাহিনুর, যিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেন। এছাড়া মাসুম, সৈকত এবং আরিফও গোল করেন।কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হওয়ায় এখন কাপ সেমিফাইনাল নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে, যেখানে বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচে এইচএসবিসি মুখোমুখি হবে ডিএইচএল-এর এবং আরেকটি হেভিওয়েট লড়াইয়ে রবি খেলবে সিঙ্গার বাংলাদেশের বিপক্ষে।এদিকে, প্লেট প্রতিযোগিতাও তার চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যেখানে প্লেট সেমি-ফাইনালে শেভরন বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে ইউনিলিভার বাংলাদেশের এবং এসটিএস গ্রুপ লড়বে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিপক্ষে।টুর্নামেন্টটি চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে, এই প্রতিযোগিতাটি ফুটবলের মাধ্যমে কর্পোরেট সম্পৃক্ততা জোরদার করার পাশাপাশি নিজ দেশের বাইরেও বিভিন্ন দেশ ও কর্পোরেট সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি প্রাণবন্ত ক্রীড়া পরিবেশ তৈরি করে চলেছে।এই টুর্নামেন্টে টাইটেল স্পনসর হিসেবে রয়েছে অ্যাক্সেন্টেক, কো-স্পনসর হিসেবে সিঙ্গার-বেকো, বেভারেজ পার্টনার হিসেবে স্প্রাইট মিন্ট, পিআর পার্টনার হিসেবে ব্যাকপেজ পিআর এবং এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে নভোএয়ার। আগামী ১৫ই মে ২০২৬ তারিখে ঢাকার নাটমেগ মাঠে গ্র্যান্ড ফাইনালের মাধ্যমে টুর্নামেন্টটি সমাপ্ত হবে।

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড বাংলাদেশের

মিরাজের ফাইফারে অলআউট পাকিস্তান, বাংলাদেশের লিড

মিরাজের ফাইফারে অলআউট পাকিস্তান, বাংলাদেশের লিড

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

ফিফা থেকে সুখবর পেল নারী ফুটসাল দল

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামলো ৪১৩ রানে

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের একশ

শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

শুরু হচ্ছে ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বাংলাদেশি মায়েরা

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বাংলাদেশি মায়েরা

মা—এই শব্দের আরেক নাম আশ্রয়, ভালোবাসা ও মমতা। একজন মা কর্মজীবী হোন কিংবা গৃহিণী, প্রতিদিনের অসংখ্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের জন্য খুব সামান্য সময়ই বের করতে পারেন। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো মায়েদের জন্য তৈরি করেছে নতুন এক সম্ভাবনার জগৎ।দিনের ব্যস্ততা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছুটা সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে অনেক মা এখন খুঁজে পাচ্ছেন বিনোদন ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ। শুধু দর্শক হিসেবেই নয়, অনেকেই হয়ে উঠছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। নিজেদের বাস্তব জীবনের গল্প, পরিবার, রান্নাবান্না কিংবা ছোট ছোট আনন্দঘন মুহূর্ত ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরছেন তারা, যা সহজেই জায়গা করে নিচ্ছে দর্শকদের মনে।নতুন প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ডিজিটাল ফিচার ব্যবহার অনেক অভিভাবকের জন্য এখনও কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। তবে TikTok-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করাকে সহজ করে দিয়েছে। সংসার ও পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি নিজেদের সৃজনশীলতা ধরে রাখছেন অনেক মা, যা তাদের ভিডিও কনটেন্টে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে।বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে সামিহা সাইয়ারা, আরিফা বেগম এবং মাসফিক হোসেন এখন সামাজিক মাধ্যমে বেশ পরিচিত মুখ। আন্তর্জাতিক মা দিবসে তাদের কনটেন্ট যেন মনে করিয়ে দেয়—জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো তৈরি হয় আপন মানুষদের ঘিরেই।সামিহা সাইয়ারা বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লাইফস্টাইল কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ফ্যাশন, স্কিনকেয়ার ও দেশীয় পোশাক নিয়ে তার ভিডিও তরুণীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তবে তার কনটেন্টকে আরও বিশেষ করে তোলে মেয়ের উপস্থিতি। মা-মেয়ের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, মিলিয়ে পোশাক পরা কিংবা উৎসবকেন্দ্রিক ভিডিও দর্শকদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।অন্যদিকে আরিফা বেগম তার রান্না ও পারিবারিক জীবনের নানা মুহূর্তকে ভিডিওতে তুলে ধরেন। বিশেষ উৎসবের আয়োজন, পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না এবং একসঙ্গে খাওয়ার আনন্দ তার কনটেন্টে ফুটে ওঠে আন্তরিকভাবে। সাধারণ ও স্বাভাবিক উপস্থাপনার কারণেই দর্শকদের কাছে তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে।এদিকে মাসফিক হোসেন, যিনি ‘লেইজি পান্ডা’ নামে পরিচিত, মাকে নিয়ে তৈরি করেন ভিন্নধর্মী কমেডি কনটেন্ট। মা-ছেলের খুনসুটি, ট্রেন্ডি চ্যালেঞ্জ ও হাস্যরসাত্মক অভিনয় তার ভিডিওগুলোকে করে তুলেছে দর্শকদের কাছে আরও আকর্ষণীয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় নিখুঁত জীবনের ছবিই বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই বাংলাদেশি মায়েরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তুলে ধরছেন বাস্তব জীবনের গল্প—রান্নাবান্না, ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্ত এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়। আর তাদের এই আন্তরিক উপস্থাপনাই সহজেই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে।

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

সৌদি গেলে অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব: মারিয়া মিম

মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম। পোশাক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি বেশ আলোচিত থাকেন সবসময়। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের ফ্যাশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন গণমাধ্যমে।মারিয়া মিম বলেন, তার পরনের লাল রঙের ওয়েস্টার্ন পোশাকটি ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে কেনা। ভবিষ্যতে সেখানে গেলে আরও এমন পোশাক কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তার। অনুষ্ঠানে নিজের সাজপোশাক প্রসঙ্গে মিম জানান, কোন ড্রেস পরবেন বা কোন লুকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তার আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকে।সৌদি আরবে অত্যন্ত চমৎকার সব ওয়েস্টার্ন পোশাক পাওয়া যায় উল্লেখ করে মিম বলেন, আমার রেড অনেক পছন্দ, আর রেড পরলে আমাকে অনেক সুন্দর লাগে। আমার এই ড্রেসটা আমি যখন ওমরাহ করতে গিয়েছিলাম, তখন জেদ্দা থেকে কিনেছিলাম। ওখানে ওয়েস্টার্ন ড্রেস অনেক সুন্দর সুন্দর পাওয়া যায়। সো এটা আমার জানা ছিল না। আর নেক্সট টাইম আমি সৌদি আরব গেলে অবশ্যই আরও আরও অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব। সো আমি ওখান থেকেই নিয়েছিলাম এই ড্রেসটা।তবে পোশাকের দাম কত, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিনেমার প্রস্তাব পেলেও চিত্রনাট্য ও সহ-শিল্পী মনের মতো না হওয়ায় কাজে নামা হয়নি। তিনি বলেন, আমি তো সিনেমার অফার অনেক আগে থেকেই পাচ্ছি। বাট ব্যাটে-বলে মিলে না। আরেকটা করছি আমি, ওটার তো শুটিং আরও বাকি আছে। সো হ্যাঁ, যখন আসবে তখন তো অবশ্যই তোমরা দেখতে পারবে।অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী মারিয়া মিম ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। শোবিজ অঙ্গনে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকলেও ব্যক্তিগত নানা জটিলতায় মাঝপথে তাকে থেমে যেতে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে সেই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানেই ব্যক্তিগত জীবন ও প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নে মেজাজ হারান মিম। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের বুম মাইক্রোফোন ছুঁড়ে ফেলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি, যা নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য  বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

‘মাগুরার ফুল’ গানের জন্য বাইফা অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকার মাহবুবুল খালিদ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম অ্যান্ড আর্টস (বাইফা) অ্যাওয়ার্ড পেলেন গীতিকবি মাহবুবুল খালিদ। ‘মাগুরার ফুল’ শিরোনামের আলোচিত গান রচনার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।শুক্রবার (৮ মে), বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাইফা পুরস্কারের পঞ্চম আসরের সূচনা হয়। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে মাহবুবুল খালিদ ছাড়াও এবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন- ‘তুমি’ গানের জন্য আইদিদ রশিদ, ‘বাজি’ গানের জন্য ইমন চৌধুরী ও হাশিম মাহমুদ, ‘গুলবাহার’ গানের জন্য ঈশান মজুমদার, ‘লং ডিসটেন্স লাভ’ গানের জন্য শুভেন্দু দাস শুভ।সমসাময়িক সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক সংকট ও সচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গান লিখে আসছেন গীতিকার, সুরকার মাহবুবুল খালিদ। তার লেখা পাঁচ শতাধিক গান ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘খালিদ সংগীত’ প্ল্যাটফর্মে। নিজের অধিকাংশ গানের সুরকারও তিনি। মাগুরায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত ৮ বছর বয়সি শিশু আছিয়াকে নিয়ে লেখা হৃদয়স্পর্শী গান ‘মাগুরার ফুল’-এর জন্য ‘সেরা গীতিকার’ বিভাগে বাইফা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন মাহবুবুল খালিদ।বাইফার জমকালো এ আয়োজনে দর্শক ভোট ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে গান, নাটক, চলচ্চিত্র, ওটিটি, নৃত্য ও ফ্যাশনসহ মোট ২৯টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবারের আসরে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা গানের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন এবং ঢালিউডের বরেণ্য অভিনেত্রী কোহিনূর আখতার সুচন্দা। তারকাদের পরিবেশনা, ফ্যাশন শো, রেড কার্পেট ও বিশেষ গ্ল্যামার সেগমেন্ট দিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়।বলে রাখা ভালো, বাইফা অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসর থেকে আজীবন সম্মাননা প্রদান শুরু হয়। এর আগে এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা, নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার শামীম আরা নীপা এবং শিবলী মহম্মদ।‘মাগুরার ফুল’ গানটি লেখা হয়েছে মাগুরার সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গত বছরের ৫ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী মাঠপাড়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে।এই নির্মম ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দেয় মাহবুবুল খালিদকে। সেই বেদনা থেকেই তিনি রচনা ও সুর করেন ‘মাগুরার ফুল’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মৌটুসী খান, মৌলি মজুমদার ও মৌমিতা বড়ুয়া। সংগীতায়োজন করেছেন শেখ পুলক ও রোমান রহমান।গানটির শুরুতেই উঠে এসেছে এক শিশুর অপূর্ণ স্বপ্ন আর সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা- “মাগুরার ফুল ছোট্ট মুকুল, ঝরে গেলো ফুটে ওঠার আগেই/ ডাক্তার হবার স্বপ্নটা তার, নিভে গেলো পিশাচের এক ছোবলেই...।” আবেগঘন এই গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে।গানটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যা পরিচালনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। ‘খালিদ সংগীত’ শিরোনামের ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

রাজধানীতে বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন

আগামী ১৬ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬’। দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে এদিন সকাল ১০টা থেকে এই সম্মেলন শুরু হবে। দিনব্যাপী আয়োজনে সারা দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, সংগঠক ও স্বাধীন চলচ্চিত্রকর্মীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- পলিসি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ডা. জাহেদ উর রহমান।আয়োজনের উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ আলোচনা সভা। এদিন অস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত লিসা গাজীর ‘বাড়ির নাম শাহানা’ এবং আকরাম খানের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘নকশিকাঁথার জমিন’ প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ‘ঢাকার বাইরের চলচ্চিত্র সংসদ’ এবং ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক চলচ্চিত্র সংসদ’—এই দুই বিষয়ের ওপর পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের সংগঠকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।চলচ্চিত্র আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বিএফএফএস পদক ২০২৫ (বর্ষসেরা সংগঠন)’ এবং ‘চলচ্চিত্র সংসদ সম্মাননা ২০২৬ (বিএফএফএস আজীবন সম্মাননা)’। সম্মেলন উপলক্ষে একটি বিশেষ স্মরণিকাও প্রকাশ করবে আয়োজক সংস্থাটি।উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। সুস্থ চলচ্চিত্র সংস্কৃতি গড়ে তোলা, দর্শক তৈরি ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি অস্কারের জন্য দেশীয় চলচ্চিত্র মনোনয়ন প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করে আসছে এই সংগঠনটি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সম্মেলন দেশের চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেম উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বারাকপুরের সাবেক বিধায়ক ও জনপ্রিয় নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে রাজের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে টলিউডের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে পরিচালক ও নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি নাম না করে রাজকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনা করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় এবং বিজেপির জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বারাকপুর আসন থেকে পরাজিত হওয়ার পরপরই সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ চক্রবর্তী। তার এই সিদ্ধান্তকে ইঙ্গিত করে সৌরভ পালোধি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, হেরে গেলে কি রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়? এদেরকে কি মৌলিক রাজনৈতিক শিক্ষার কোনো বই উপহার দেওয়া যায় না?সৌরভ পালোধির এই মন্তব্য রাজ চক্রবর্তীর ‘পরাজয় মেনে নিতে না পারা’র দিকেই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। টালিউড পাড়ায় বামপন্থী আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, জয় বা পরাজয় যা-ই হোক না কেন, তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শেই অবিচল থাকবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় থাকার বিষয় নয়, বরং রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নাম।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০২৬-এর নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন রাজ। টলিউডের এই হেভিওয়েট নির্মাতার এমন হঠাৎ প্রস্থানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। তবে রাজের পক্ষ থেকে সৌরভের এই সমালোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আটকে থাকা সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ মুক্তি পেলো। ইরফানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ইরফানের বিপরীতে ছবিটিতে বিদ্যা বালান অভিনয় করেছেন। এটি ইরফান খান এবং বিদ্যা বালনের ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে রূপালি পর্দায় সম্ভবত এটিই ছিল বিদ্যার প্রথম সিনেমা। এর চেয়েও বড় বিষয়, পুরো ক্যারিয়ারে এই একটি মাত্র সিনেমাতেই একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই দুই পাওয়ার হাউস পারফর্মার।২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এটি পরিচালনা করেছিলেন। তবে প্রতিকূলতা যেন পিছু ছাড়ছিল না। মূল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় দুই দশকেরও বেশি সময় ছবিটির মুক্তি আটকে ছিল। পরিচালক সার্থক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনাক্রমে ছবিটির একটি ভিএইচএস কপি খুঁজে পাওয়া যায়, যা বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে।পরিচালনার স্মৃতিচারণা করে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘তখন আমি একেবারে নতুন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই কেবল অনুভূতির ওপর ভর করে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট জীবন ছেড়ে আসা সেই তরুণের কাছে এটি ছিল বড় এক পরীক্ষা। আজ প্রিয় ইরফানের স্মরণে এটি মুক্তি দিতে পেরে আমি তৃপ্ত।’সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে নিস্তব্ধতা আর রহস্যের মাঝে ডানা মেলে স্মৃতি ও আকাঙ্ক্ষা। তবে সেই যাত্রা মোটেও প্রত্যাশামতো এগোয় না। শূন্য বাজেটের এই কাজটি বর্তমান দর্শকদের কাছে অন্যরকম এক নস্টালজিয়া তৈরি করেছে।নিজের প্রথম দিকের কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালনও। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে দেখে অবিশ্বাস্য লাগছে। তখন আমি নিজের জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ একজন সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র এই কাজটি ফিরে পাওয়া আমার কাছে দারুণ এক প্রাপ্তি।’গত ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটি ইউটিউবে প্রায় দুই লক্ষ ভিউ অর্জন করেছে। ইরফান ভক্তদের কাছে এই ছবি যেন এক হারিয়ে যাওয়া অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’ ও ‘২০০ হাল্লা হো’-এর মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’ পরিচালনা করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

কুমিল্লায় বিয়ে করছেন সাদিক কায়েম, পাত্রী ডাক্তার

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ

আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে এখন ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিল মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৫১৪ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। এতে ১০ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৪০ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার।আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৯ দশমিক ২৭ মিলিয়ন বা ২৯.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ৭ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন বা ৩৫.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ হাজার ৯৬০ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ৩০.৯৬ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আকু কী?আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার দখলে নিতে গার্মেন্টস জোন তৈরির পরিকল্পনা

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের বৃদ্ধি বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

ফের চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বইমেলার বিভিন্ন আয়োজন, আমন্ত্রিত অতিথি তালিকা এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম জানান, এবারের মেলায় ১০ হাজারেরও বেশি নতুন বই প্রদর্শিত হবে। দেশ-বিদেশের অসংখ্য লেখক, কবি, গবেষক, প্রকাশক ও সাহিত্যপ্রেমীর অংশগ্রহণে মেলাটি প্রবাসী বাঙালিদের অন্যতম বৃহৎ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।এবারের বইমেলায় বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ২৫টি খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। উল্লেখযোগ্য প্রকাশনীগুলোর মধ্যে রয়েছে: অঙ্কুর প্রকাশনী, অন্বয় প্রকাশ, অভ্র প্রকাশন, অনন্যা, আহমদ পাবলিশিং হাউস, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, কথাপ্রকাশ, কাকলী প্রকাশনী, কাশবন প্রকাশন, কবি প্রকাশনী, গ্রন্থকুটির, জলধি, নালন্দা, প্রথমা প্রকাশন, বেঙ্গল বুকস, বাতিঘর, বিদ্যাপ্ৰকাশ, বিপিএল, মাওলা ব্রাদার্স, সময় প্রকাশন, সম্পর্ক পাবলিশার্স, সাহিত্যম, ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশন, পিজ্জা এন্ড পোয়েট্রি এবং মুক্তধারা নিউ ইয়র্ক।বইমেলার উদ্বোধন করবেন বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. রওনক জাহান এবং জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর, কবি বব হোলম্যান, পশ্চিমবঙ্গের কবি সুবোধ সরকার, লেখক ফারুক মঈনউদ্দীন, সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, বিজ্ঞান লেখক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী দীপেন ভট্টাচার্য এবং জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন।মেলায় অংশ নেবেন দেশ ও প্রবাসের বহু বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—ড. আবদুন নূর, মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী, গৌতম দত্ত, অধ্যাপক বিরূপাক্ষ পাল, নজরুল মিন্টো, অধ্যাপক সৌরভ সিকদার, রুমা মোদক, জাফর আহমদ রাশেদ, অধ্যাপক শামীম রেজা, রুদ্র শংকর, ফারুক হোসেন, আশিক মুস্তফা ও পারমিতা হিম।এবারের বইমেলার একটি বিশেষ তাৎপর্য হলো—বাংলা সাহিত্য ও সমাজচিন্তার দুই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব শামসুদ্দীন আবুল কালাম এবং মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষে তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। তাঁদের সাহিত্যকর্ম, মানবিক চেতনা এবং সমাজভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই আমাদের এই বিশেষ প্রয়াস।বইমেলার সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত শিল্পী অদিতি মহসিন। আয়োজকরা আরও জানান, বইপ্রেমীদের সুবিধার্থে বইয়ের নাম, লেখক পরিচিতি ও মূল্যসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। নতুন প্রকাশনা, গবেষণাধর্মী গ্রন্থ, কবিতা, উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই এবং প্রবাসী বাংলা সাহিত্যকে এবারের মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বইমেলার উদ্বোধক ইমদাদুল হক মিলন এবং সম্মানিত অতিথি ফরিদুর রেজা সাগর ইতোমধ্যে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন। তাঁদের অংশগ্রহণে বইমেলার অনুষ্ঠানমালা আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আয়োজকরা বিশ্বাস করেন।আয়োজকরা বলেন, বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিবছরের মতো এবারও এই আয়োজন করা হয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা প্রবাসে বাংলা সাহিত্যচর্চায় নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ভেনিসে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ৩ মাসের নবজাতকের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ

ভেনিসে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ৩ মাসের নবজাতকের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী

বাংলাদেশে টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজের আনুষ্ঠানিক পথচলার দশদিন এর মধ্যে এই লাইনআপের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি। দৈনন্দিন ব্যবহারে এতটা মানানসই এই ফোনটি, যে এ নিয়ে কথা না বলে উপায় নেই। বড় মাপের হাই-রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, শক্তিশালী ফাইভজি প্রসেসর, ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, বড় ব্যাটারি আর প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য পারফেক্ট ডিজাইন, কী নেই এতে? আর এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণের জায়গাটি হচ্ছে এই যে, ফোনটি ব্যবহার করে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। তাই ব্যবহার করে পাওয়া যায় দারুণ অভিজ্ঞতা। তাই ফোনটির কয়েকদিন চালানোর পরেই যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি নজরে আসে, তা হলো সবমিলিয়ে এটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতাটাই। ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে থাকায় নিয়মিত ব্যবহার হয় একেবারে স্মুথ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, শর্ট ভিডিও দেখা, ওয়েব ব্রাউজিং বা এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়া, সবকিছুই হয় ঝামেলা ছাড়াই। গ্লোবালি বিভিন্ন রিভিউতে ফোনটির মজবুত ডিজাইন এবং নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের কথা বলা হয়েছে। এটি আসলে এমন একটি ডিভাইস, যা মাঝে মাঝে শো-অফ এর চেয়ে বরং নিয়মিত ও দীর্ঘসময় ব্যবহার করার জন্যই তৈরি। মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+ প্রসেসর সেই অভিজ্ঞতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। ফলে, দৈনন্দিন সকল কাজ, যোগাযোগ, বিনোদন এবং হালকা ধাঁচের গেমিংও বেশ ভালোভাবেই চালিয়ে নেওয়া যায়। পাওয়া যায় দারুণ দ্রুত পারফরম্যান্স।ব্যাটারি লাইফ হলো স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-এর অন্যতম বড় শক্তি। ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের ফলে ফোনটি ব্যবহারে চার্জিং নিয়ে মোটেও দুশ্চিন্তা করতে হয় না। দীর্ঘসময়ের যাতায়াত, টানা অনেকক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহার, স্ট্রিমিং, কল বা সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি ব্যবহারেও বারবার চার্জ দেওয়া নিয়ে ভাবতে হয় না। আর প্রয়োজনের সময় দ্রুত চার্জ হয়ে যাওয়ার সুবিধাও রয়েছে অনেকরকম। মোটকথা, চার্জিং নিয়ে ঝামেলা এড়িয়ে চলতে চান যারা, এই ব্যাটারি ব্যাকআপ ফিচারটি তাদের জন্য ফোনটিকে আরো বিশেষভাবে উপযোগী করে তোলে। ক্যামেরা সেটআপে ফোনটি চালানোর অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হয়। কেননা স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-তে থাকা ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকায় ভালো মানের ফটোগ্রাফি এখন সকলের হাতের মুঠোয়। সহজ ও কার্যকর পদ্ধতিতে তোলা যাবে স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত সব ছবি। ফোনটির বিভিন্ন রিভিউতেও ভালো ডে-লাইট ফটোগ্রাফির কথা উঠে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। ফলে নিজেদের পারিবারিক মুহূর্ত, সাধারণ পোর্ট্রেট বা দ্রুত সময়ের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট, সবক্ষেত্রেই খুব সহজে এই ক্যামেরাটিকে কাজে লাগানো যায়। স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-কে আরো আধুনিক করে তুলেছে এর বিভিন্ন ফিচার। এতে রয়েছে আইপি৬৪ ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, মিলিটারি-গ্রেড ডিউরেবিলিটি, সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, টেকনো এআই, ফ্রিলিংক ২.০ এবং আইওএস-এর সঙ্গে ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সফার ইত্যাদি বিশেষ সব সুবিধা। এগুলো শুধু ফোনটির স্পেসিফিকেশন তালিকার অংশই নয়, বরং পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতার পেছনের চাবিকাঠি। এই ফোনের ডিজাইনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে স্বাচ্ছন্দ্য, স্থায়িত্ব আর আরামদায়ক ব্যবহারের দিকে, যার ফলে ব্যালান্সড অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। স্পার্ক ৫০ ফোরজি মডেলটিও এক্ষেত্রে আলাদাভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এই সিরিজের অন্যতম আরেকটি শক্তিশালী দিক হচ্ছে এই ডিভাইসটি। যদিও ফাইভজি মডেলটিই এখন পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, তবে ফোরজি সংস্করণে রয়েছে এই সিরিজের সবচেয়ে বড়, অর্থাৎ ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি, ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার এবং আইআর রিমোট কন্ট্রোল, টেকনো এআই ও ফ্রিলিংক ২.০-এর মতো বেশ কিছু কার্যকর ফিচার। বিশেষ করে যারা ফোন কেনার সময় ব্যাটারির দিকটায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে সেরা একটি পছন্দ। বাংলাদেশের বাজারে এই সিরিজের দামও বেশ হাতের নাগালে রাখা হয়েছে। ৪জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে স্পার্ক ৫০ ফোরজি পাওয়া যাচ্ছে ১৭,৪৯৯ টাকায় এবং এটির ৬জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়ছে ১৯,৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-এর ৬জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের বর্তমান বাজারমূল্য ২৩,৯৯৯ টাকা। এত সাশ্রয়ী দামের মধ্যে স্পার্ক ৫০ ফাইভজি একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন, যা ব্যবহারে একইসঙ্গে পাওয়া যাবে দারুণ পারফর্ম্যান্স, আধুনিক মানের কানেক্টিভিটি এবং বাস্তবসম্মত ব্যবহারের একটি সামগ্রিক অভিজ্ঞতা।তাই এই ফোনটি এক সপ্তাহ ব্যবহারের পর বিষয়টা খুব সহজভাবে বলা যায়। টেকনো স্পার্ক ৫০ ফাইভজি আপনার দৈনন্দিন প্রয়োজনকে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারে। দেখতে খুব স্টাইলিশ, পারফর্ম্যান্সে শক্তিশালী কিন্তু ব্যবহারে একেবারেই জটিল নয়। তাই প্রতিদিনের ব্যবহারে আপনার ভরসার সঙ্গী হতে পারে এই ফোনটি। কেননা নতুন স্পার্ক ৫০ সিরিজের লাইনআপে তাই অন্য সব ফোনকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি উজ্জল স্পার্ক ৫০ ফাইভজি।

৬ বছরের ডিউরেবল ব্যাটারি সহ অপোর নতুন ফোন

৬ বছরের ডিউরেবল ব্যাটারি সহ অপোর নতুন ফোন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
বগুড়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিটন গ্রেপ্তার মতলবে লাম্পি স্কিন রোগে আতঙ্কে খামারিরা সাংবাদিকের সাথে অপেশাদার আচরণ: চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রকাশের পর মনোহরদী উপজেলা যুবদল নেতাকে শোকজ হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ সোনারগাঁওয়ে রাস্তার বেহাল দশা: উল্টে গেল আস্থাফিড কোম্পানির মালবাহী গাড়ি, তালতলা-বারদী সড়কে যান চলাচল বন্ধ বগুড়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিটন গ্রেপ্তার মতলবে লাম্পি স্কিন রোগে আতঙ্কে খামারিরা সাংবাদিকের সাথে অপেশাদার আচরণ: চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রকাশের পর মনোহরদী উপজেলা যুবদল নেতাকে শোকজ হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকটে গঠন হবে তদন্ত কমিটি: তথ্য উপদেষ্টা তিস্তার ভাঙনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধেই ফাটল, আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার চরাঞ্চল টেকনো স্পার্ক ৫০ সিরিজ: দৈনন্দিন ব্যবহারে ভরসার সঙ্গী নির্বাচন কমিশনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব জমা দিলো জামায়াত ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পরিচয় আমরা সবাই জানি: জামায়াত আমির অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল লাইন-আপ সোনারগাঁওয়ে রাস্তার বেহাল দশা: উল্টে গেল আস্থাফিড কোম্পানির মালবাহী গাড়ি, তালতলা-বারদী সড়কে যান চলাচল বন্ধ