ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এই বাজেট প্রণয়ন করেছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি যারা জনকল্যাণমুখী এই বাজেটকে ‘চানাচুর’ বা ‘গণবিরোধী’ বলে আখ্যায়িত করছেন, তাদের তীব্র সমালোচনা করে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।১৭ জুন বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্টভাবে এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল অংশজুড়ে ছিল বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শন এবং বাজেটের জনকল্যাণমুখী দিকসমূহ। বাজেট নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘এই বাজেট জনগণের বাজেট। যে বাজেটের মাধ্যমে, অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে আমরা জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই, সেই বাজেটকে যারা ‘চানাচুর’-এর সাথে তুলনা করে, যে বাজেটে আমরা সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ড এবং আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছি, সেই বাজেটকে তারা ‘গণবিরোধী’ বলে প্রচার করছে। আপনারা নিশ্চয়ই বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন।’তিনি তার বক্তব্যে বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমরা যে বাজেট পেশ করেছি, সেখানে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি। আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—গ্রাম ও উপজেলার মানুষ যেন ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা পায়। এর পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার জন্য বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। কয়েক মাস আগে নির্বাচনের প্রচার অভিযান শুরু করেছিলাম সিলেটের পবিত্র মাটি থেকে। হবিগঞ্জের জনসভায় আমি কথা দিয়েছিলাম, বিএনপি সরকার গঠন করলে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন করব। আজ মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি আমার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি। আজ চা বাগানের নারী শ্রমিকদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়েছি এবং ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা চা বাগানের সকল নারী শ্রমিকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেব।’’নারীর ক্ষমতায়ন ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল আমাদের ওপর আস্থা রেখে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে আমরা পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার যে অঙ্গীকার করেছি, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’চা শ্রমিকদের সহায়তায় সরকারের অন্যান্য উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের ৫০ জন নারী শ্রমিককে গৃহনির্মাণের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। এছাড়া প্রায় ১৫০ জন শ্রমিকের মেধাবী সন্তানদের পড়াশোনার জন্য বিশেষ স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী মানুষদের চিকিৎসার জন্যও আমরা আর্থিক চেক তুলে দিয়েছি এবং প্রশাসনের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইমাম, মোয়াজ্জেম, খতিবসহ সকল ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য মাসিক সম্মানির ব্যবস্থাও আমরা নিশ্চিত করেছি।’ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই দেশের কৃষকদের পাশেও দাঁড়াতে চাই। আগামী জুলাই থেকে এক বছরের মধ্যে আমরা দেশের ৪০ লক্ষ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেব। মূলত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই, আর এই কাজগুলো আগামী পাঁচ বছর যেন অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশাই করি।’’দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘দেশের শিল্পোদ্যোক্তা ও মিল-কারখানাগুলোকে রক্ষার জন্য আমরা বিশেষ সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের সুরক্ষায় বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সমজাতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছি, যাতে স্থানীয় কারখানাগুলো সচল থাকে। আর এই কারখানাগুলো চললে আমাদের বেকার যুবক-যুবতীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। আমাদের দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার এই ব্যবস্থাগুলোও আমরা বাজেটের অন্তর্ভুক্ত করেছি।’বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ‘আপনারা কি চান এই উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত থাকুক? আপনারা কি চান দেশের সকল মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাক?’ উপস্থিত হাজারো মানুষের সমস্বরে ইতিবাচক সাড়ায় প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়নের এই ধারা বজায় রাখতে দলের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন।বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছায়। এ কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথে সিলেট পৌঁছানোর পর তিনি বাসে করে শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান বেলা ১টার পর। তিনি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের মঞ্চে পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠান শেষে দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।সেখান থেকে বিকেলে দুসাই রিসোর্টের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এক সভায় যোগ দেবেন।সভা শেষে সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়ক থেকে শহরের ভেতরে এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান।এমন সময় বিমানবন্দর সড়কের পাশের চা বাগান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চৌকিদেখি এলাকায় সবুজ চা বাগানের পাশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাওয়ার সময় গাড়িতে ফুলের মালা ও পাপড়ি ছিটিয়ে দেন লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা।চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। চৌকিদেখি পয়েন্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।এছাড়াও সিলেট নগরোর আরও তিনটি পয়েন্টে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও সিলেটের সাধারণ মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন।সিলেট থেকে সেখান থেকে সড়ক পথে যাত্রা করে বেলা একটায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় দেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় বাড়ির পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে অপহরণ করে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অপহরণের পর শিশুটিকে কোথাও লুকিয়ে রাখার সুযোগ না পেয়ে আবীর শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।ঘটনার ১৬ দিন পর, ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে শিশুটির দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত মাথা।ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

  • প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

    প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

  • শুরু হলো আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার

    শুরু হলো আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার

  • মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

    মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

  • ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

    ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

সব খবর

সব খবর

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে ফুরফুরে মেজাজে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তারা এবার নেমেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে। আর তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে তাওহীদ হৃদয়ের। চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশের ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন টি-টোয়েন্টির নিয়মিত অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তার টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলা নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। অবশেষে সেই শঙ্কাই সত্যি হলো। প্রথম ম্যাচের একাদশে নেই এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।এদিকে বাংলাদেশের হয়ে আজ অভিষেক হতে যাচ্ছে ডানহাতি পেসার আবদুল গাফফার সাকলাইনের। ২০০৫ সালে প্রথমবার অজিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে দুই দশকের বেশি সময়। এবার শুধু জয় নয়, সদ্য শেষ হওয়ার ওয়ানডে সিরিজটাই নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। টানা দুই ম্যাচ জিতে আগে-ভাগেই সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে সান্তনার জয় পায় সফরকারীরা। এবার টাইগারদের চোখ টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের লারেডো শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। ১৬ জুন মঙ্গলবার রাতে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হলেও মহাসড়কে চলাচলরত কোনো যানবাহনের যাত্রী আহত হওয়ার খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।লারেডো পুলিশ বিভাগের তদন্তকারী হোসে বায়েজা বলেন, রাত ১০টার কিছু পর বিমানটি লুপ-২০ মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মহাসড়কের উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি সড়কের একটি ব্যারিয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে কাত হয়ে পড়ে আছে এবং এতে আগুন জ্বলছে।প্রত্যক্ষদর্শী জাইরা গারজা জানান, সহকর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পথে তিনি দুর্ঘটনাটি দেখেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন, বিমানের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি ককপিটের জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় আশপাশের লোকজনও উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন।তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর বিমানের দরজা খুলে গেলে কিশোর-কিশোরী বলে মনে হওয়া তিনজন দ্রুত বেরিয়ে আসে। তাদের পেছনে একজন পাইলট বলে ধারণা করা ব্যক্তিও বের হন। পরে আরেকজন ক্রু সদস্য অচেতন অবস্থায় থাকা একজনকে বিমান থেকে বের করার চেষ্টা করেন।ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরে গারজা বলেন, ‘দৃশ্যটা যেন সিনেমার মতো ছিল। আগুন দেখে আমি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ বিমানটি যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারত।’দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানটি কেন মহাসড়কে বিধ্বস্ত হলো, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া তিন শিশু হলো রাইয়ান, তাউসিফ ও আমায়রা। তাদের তিনজনের বয়সই ১ বছরের নিচে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে।এদিকে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৮৪ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে একজন এবং এই সময়ে ৫৬ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আজ ১৭ জুন পর্যন্ত বিভাগে মোট ৩২৩ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চারজন নিশ্চিত হামের রোগী ছিলেন সেটি নিশ্চিত করা গেছে। বাকিরা সন্দেহভাজন।

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের  কড়া হুঁশিয়ারি

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ এলাকায় দুটি গাড়িকে লক্ষ্য করে পৃথক হামলা চালানো হয়। একই সময়ে শৌকিন গ্রামেও আরেকটি গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।ইরান দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় লেবাননসহ সব এলাকায় সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকলে তা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, দখল করা এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার না হলে যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।এদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডও সতর্ক করে জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনা অবস্থান বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আবারও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর পর দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৫১ জন আহত হয়েছেন।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর লিওনেল মেসি কেন বুটজড়ো তুলে রাখেননি? এমন প্রশ্ন যারা করেছিলেন- তার উত্তর প্রথম ম্যাচেই দিয়ে দিলেন কিংবদন্তি।আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি। বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক স্পর্শ করেছেন কয়েকটি মাইলফলক, গড়েছেন অনেকগুলো রেকর্ড।কনসাস সিটি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। তিনটি গোলই মেসির।ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলেতে নামেন মেসি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাভার পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করলেন এই ম্যাচ দিয়ে।এমন দিনে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের (১৬টি) রেকর্ড স্পর্শ করেছেন ৩৯ ছুঁই ছুঁই ক্ষুদে জাদুকর। আর এক গোল করলেই এককভাবে রেকর্ডটা নিজের করে নিবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।সবচেয়ে কম বয়সী (২০০৬) এবং সবচেয়ে বেশি বয়সী (২০২৬) খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও এখন মেসির। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোল বেড়ে হয়েছে ১২০টি।ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই জালে বল পাঠিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু অফসাইডের কারণে উদযাপন করতে পারেননি।উৎসবের জন্য খুব বেশি সময় নেননি রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পলের পাস পেয়ে ২৫ গজ দূর থেকে করেন চোখধাঁধানো প্রথম গোল।ব্রাজিলের কিংবদন্তি রিভেলিনোর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন এই গোল দিয়ে। বিশ্বকাপে ডি বক্সের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ গোল এই দুজনের। এই রেকর্ডটাও নিজের করে নেওয়ার সুযোগ মেসির সামনে।একই সঙ্গে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ছাড়া পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার হলেন মেসি।বিশ্বকাপে ২৭তম ম্যাচে মেসি নিজের দ্বিতীয় গোলটি পান ৬০তম মিনিটে। আর ৭৬তম মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত গোলে আদায় করে নেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক।সেই সঙ্গে রোনালদোর আরও একটি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন মেসি- বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক। সব মিলিয়ে ‘বুড়ো’ মেসির বার্তাটাও যেন স্পষ্ট। কাতারে স্বপ্নপূরণ হলেও ক্ষুধাটা আছে আগের মতোই।

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

বিদ্যুৎ গতি আর ক্ষীপ্রতায় রেকর্ড ভেঙ্গে সবচেয়ে কম বয়সে ফাইনালে গোল করার রেকর্ড করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জেতা ও ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ আসর জমিয়েছিলেন এমবাপ্পে। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে এমবাপ্পে শুরুটা করেছেন দু্দান্ত। তার জোড়া গোলে সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপে রাজসিক শুরু করেছে ফ্রান্স।নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে আই গ্রুপের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে ফরাসিরা। ফ্রান্সের হয়ে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাতে ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেছেন এমবাপ্পে। ফরাসিদের অন্য গোলটি ব্র্যাডলি বারকোলার। অন্যদিকে সেনেগালের হয়ে একটি গোল শোধ দিয়েছেন ইব্রাহিম এমবায়ে। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধেক কেমন যেন নিষ্প্রভ ছিল ফ্রান্স। সেনেগাল একের পর এক আক্রমণের বিপরীতে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ২০১৮ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শুরু থেকে ফ্রান্স-সেনেগাল সমানতালে খেলতে থাকে। তবে ফ্রান্সের চেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছে সেনেগাল। ম্যাচের ২৫ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হওয়ায় অল্পের জন্য গোল বঞ্চিত হয় সেনেগাল। তারকা ঠাঁসা দল নিয়ে ভালো খেলতে পারেনি ফ্রান্স। তাদের চেয়ে সেনেগাল বরং বেশি উজ্জ্বল ছিল। গোলের একাধিক সুযোগও পেয়েছিল তারা। কিন্তু পোস্টের বাধা এবং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় প্রথমার্ধে গোল পায়নি আফ্রিকান দেশটি।তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক। ম্যাচের ৮২ মিনিটে ফ্রান্সের লিড দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। আদ্রিয়াঁ রাবিওর লম্বা করে বাড়ানো থ্রু পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান এই পিএসজি তারকা।যোগ করা সময়ে এমবায়ে একটি গোল ফেরত দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার আভাস দিয়েছিল। তবে শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে নিজের দ্বিতীয় ও ফ্রান্সের তৃতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে এটি এমবাপ্পের ১৪তম গোল। এছাড়া জাতীয় দলের জার্সিতে ৫৮ গোল হয়ে গেল ফরাসি তারকার। ফ্রান্সের হয়ে এখন এমবাপ্পেই সর্বোচ্চ গোলের মালিক।

মাতৃমৃত্যু রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে নার্সিং বিভাগ

মাতৃমৃত্যু রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে নার্সিং বিভাগ

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হলো দক্ষ সেবিকা ও ধাত্রী, তথা নার্স এবং মিডওয়াইফ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর বিছানার পাশে থেকে চব্বিশ ঘণ্টা যিনি পরম মমতায় সেবা দেন, তিনিই নার্স। বাংলাদেশের সরকারি নার্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি নার্সিং কলেজগুলো শুরু থেকেই অত্যন্ত সুনামের সাথে দক্ষ জনবল তৈরি করে আসছে। দেশের চিকিৎসা খাতকে সচল রাখতে এবং মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে আনতে এই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান এখন অনস্বীকার্য। তবে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এই খাতের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বা ব্যবহারিক শিক্ষা এবং ভাতাসহ কিছু ক্ষেত্রে এখনো রয়ে গেছে নানা সীমাবদ্ধতা।নার্সিং কোনো সাধারণ তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে হাতে-কলমে শেখার পেশা। বরিশালের রাজধানী নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার জানান, আমাদের কারিকুলাম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে তিন দিন কলেজে তাত্ত্বিক ক্লাস করতে হয় এবং বাকি তিন দিন হাসপাতালে গিয়ে সরাসরি রোগীদের সাথে প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক কাজ করতে হয়।তিনি জানান, বিএসসি ইন নার্সিং চার বছরের কোর্স, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি তিন বছরের এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি তিন বছরের কোর্স। এছাড়া উচ্চতর শিক্ষার জন্য এমএসসি নার্সিংও রয়েছে। এই দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীদের টানা ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়। এরপর বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC) আয়োজিত চূড়ান্ত লাইসেন্সিং পরীক্ষায় পাস করার পরেই কেবল তারা পেশাগত জীবনে প্রবেশের সুযোগ পান।এই ব্যবহারিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল সরকারি নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ হোসনেরা আখতার এবং একই কলেজের শিক্ষক ডাঃ মোঃ আলী আজগর জানান, নার্সিং শিক্ষার মূল কথাই হলো ‘কাজের মাধ্যমে শেখা’। ল্যাবে পুতুলের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে শেখানো সম্ভব হলেও, মানবদেহ বা জীবন্ত মানুষ নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। হাসপাতালে সরাসরি কাজ করলেই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা স্থায়ী রূপ নেয়।শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডাঃ এ.কে.এম. নাজমূল আহসান বলেন, দক্ষ নার্সের কোনো বিকল্প নেই। সিসিইউ বা আইসিইউ-র মতো সংবেদনশীল জায়গায় কাজ করতে হলে উচ্চমানের দক্ষতা প্রয়োজন। আমাদের হাসপাতালে সরকারি ও বেসরকারি উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্র্যাকটিস করছে, যার ফলে রোগীরাও উপকৃত হচ্ছে, শিক্ষার্থীরাও কাজ শিখছে।ঘাটতি পূরণে বেসরকারি শিক্ষার্থীদের অবদান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় সংকট হলো নার্সের স্বল্পতা। বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম একটি বড় বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিগত দিনে দেশে প্রচুর চিকিৎসক নিয়োগ হলেও সেই তুলনায় নার্স নিয়োগ হয়নি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, যে হাসপাতালে ৬০ জন চিকিৎসক থাকবেন, সেখানে তার অন্তত তিন গুণ নার্স থাকা উচিত।এই জনবল সংকটের মাঝে বেসরকারি নার্সিং শিক্ষার্থীরা সরকারি হাসপাতালগুলোতে এক বিশাল সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। বরিশাল সরকারি নার্সিং কলেজের সিনিয়র স্টাফ নার্স বাসন্তী রানী বিশ্বাস অকপটে স্বীকার করেন, হাসপাতালে অনেক সময় ৫ জনের কাজ ২ জনকে করতে হয়। সরকারি নার্সদের কাজের এত চাপ থাকে যে শিক্ষার্থীদের আলাদা করে সময় দেওয়া কঠিন হয়। তবে এই শিক্ষার্থীরা যখন হাসপাতালে ডিউটি করে, তখন আমাদের কাজের কষ্ট অনেকটাই কমে যায়। তারা না থাকলে হাসপাতাল চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরাও এই শিক্ষার্থীদের সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা জানান, সিনিয়র নার্সরা যখন অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই শিক্ষার্থীদের ডাকলেই তারা সাধ্যমতো এগিয়ে আসেন এবং পরম যত্নে সেবা দেন।নার্সিংয়ের পাশাপাশি ‘মিডওয়াইফারি’ বা ধাত্রীবিদ্যা এখন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার বলেন, মিডওয়াইফদের দায়িত্ব অনেক বেশি, কারণ এখানে একটি নয়, দুটি জীবন জড়িয়ে থাকে—মা এবং শিশু। একজন দক্ষ মিডওয়াইফই পারেন প্রসবকালীন জটিলতা দূর করে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে।তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র তুলে ধরে বরিশাল সরকারি নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ হোসনেরা আখতার বলেন, আমাদের সমাজে একজন নার্স বা মিডওয়াইফকে একা ৮০ জন পর্যন্ত রোগীর দেখাশোনা করতে হয়। প্রসব বেদনায় কাতর একজন মায়ের পাশে যখন ৫-৬ জন দর্শনার্থী এসে ভিড় করেন, তখন ভিড়ের কারণে সেবা ব্যাহত হয়। মানুষ ভাবে মিডওয়াইফ অবহেলা করছে, কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে এমনটা ঘটে। তাই প্রতিটি প্রসূতি মায়ের জন্য আলাদা মিডওয়াইফ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।বেসরকারি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের এই কঠোর পরিশ্রমের পেছনে কোনো সরকারি আর্থিক সহায়তা বা ভাতা নেই। রাজধানী নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নিয়াম এবং সানজিদা আক্তার মিম জানান, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের মাধ্যমে তারা রোগীদের একদম কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পান, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। কিন্তু সরকারি শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সময় ভাতা পেলেও বেসরকারি শিক্ষার্থীরা কোনো টাকা পান না। শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ নিজেদের বা অভিভাবকের খরচে এই পড়াশোনা ও হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করতে হয়।একই কলেজের শিক্ষার্থী অঙ্কিতা হালদার এবং ৩য় বর্ষের ছাত্রী সাথী আক্তার বলেন, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস আমাদের শিক্ষাক্রমের বাধ্যতামূলক অংশ। এটি করতে না পারলে আমাদের দক্ষতার ঘাটতি থেকে যাবে, যা পরবর্তীতে পূরণ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই সরকার যেন বেসরকারি শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ আরও সহজ ও উন্নত করে দেয়।অন্যদিকে, বরিশালের ডিডাব্লিউএফ (DWF) নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের তৈরি দক্ষ নার্সরা দেশের স্বনামধন্য বড় বড় হাসপাতাল ছাড়িয়ে আজ বিদেশের মাটিতেও সুনামের সাথে কাজ করছেন। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করে বলেন, সরকার যদি প্রতিটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের জন্য নিজস্ব হাসপাতাল বা প্র্যাকটিস ফিল্ডের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়, তবে শিক্ষার্থীরা আরও নির্বিঘ্নে শিখতে পারবে।তবে এই পেশার মর্যাদা ও সেবার মান আরও বাড়াতে নার্সিং নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকেরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অধ্যক্ষ হোসনেরা আখতার বলেন, আমরা নার্সরা সমাজে এখনো কিছুটা অবহেলিত। আমাদের সঠিক মূল্যায়ন ও সমতা দরকার। মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রথম দুটি হলো খাদ্য ও বস্ত্র। নার্সদের বেতন ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করলে তাদের মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, যার ফলে তারা রোগীদের আরও শতভাগ উজাড় করে সেবা দিতে পারবেন।বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকারি সুবিধার পাশাপাশি বেসরকারি নার্সিং শিক্ষার এই অগ্রযাত্রাকে টিকিয়ে রাখা এবং তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করা এখন সময়ের দাবি।বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হালিমা আক্তার বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্ষেত্রে নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস এবং ইন্টার্নশিপ অত্যন্ত জরুরি।তিনি পাঠ্যক্রমের ওপর জোর দিয়ে বলেন, কারিকুলাম ও সিলেবাস অনুযায়ী ল্যাব প্র্যাকটিসসহ সশরীরে (হাতে-কলমে) প্রশিক্ষণ নেওয়াটা অত্যন্ত আবশ্যক। একজন শিক্ষার্থীর যদি শতভাগ (১০০%) ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস না থাকে, তবে পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে সে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। তাই নার্সিং শিক্ষায় ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের গুরুত্ব অপরিসীম।শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যখন ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে যাবে, তখন তারা হাসপাতালের সকল স্টাফদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং তা নিজেরা অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করবে।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নার্সদের চাহিদা ও যোগ্যতার বিষয়ে রেজিস্ট্রার বলেন, আমরা যদি আন্তর্জাতিক নার্সিং মার্কেট ধরতে চাই, তবে থিওরিক্যাল (তাত্ত্বিক) জ্ঞানের পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস সমানভাবে জরুরি। এর বাইরে অন্যান্য যে ফ্রি সার্ভিস বা আনুষঙ্গিক সেবাগুলো রয়েছে, সেগুলোও তাদের শিখতে হবে।এই লক্ষ্য অর্জনে সামাজিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিতে আমাদের সমাজের সকলের সাপোর্ট প্রয়োজন। তাদের জন্য হাসপাতালে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেই উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। অন্যথায়, শিক্ষার্থীরা নিজেদের মাঝে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে পারবে না।

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

দেশের আকাশে আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মুহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে পবিত্র মুহররম মাস গণনা করা শুরু হবে। এই হিসাবে আগামী ২৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় ও সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্ব) মো. ফজলুর রহমান।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মুহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মাহবুব আলম, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হাবিবুর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. খোরশেদ আলম খান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাইম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ প্রমুখ।

প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহানের নেতৃত্বে এ দায়িত্ব গ্রহণকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ১৯৫৯ সালে সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এই প্রথম বাংলাদেশ ব্যুরোর কোনো পদে দায়িত্ব পালন করছে।চার সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির ব্যুরো কমিটির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করে এবং বৈশ্বিক শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়তা করে। ফলে এই নেতৃত্ব কাঠামোয় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি দেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ পরামর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সর্বসম্মত আঞ্চলিক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়। পরে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেই মনোনয়ন সমর্থন করে। পরবর্তীতে নির্বাহী কমিটির ১১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন লাভ করে বাংলাদেশের প্রার্থিতা।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশের নির্বাচন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে দেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। তিনি রোম, জেনেভা ও কলকাতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক থাকাকালে তিনি ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। একই সময়ে তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (এফডিএমএন) বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য-সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক পরিসরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এই বাস্তবতায় ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম তহবিল সংকটের মুখে পড়েছে। এমন সময়ে বাংলাদেশের এই দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক সংকট মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সংহতি এবং দায়িত্ব ভাগাভাগির প্রশ্নে দেশটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করবে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব লাভ মানবিক মূল্যবোধ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অবদানের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন মির্জা ফখরুল

রাজধানীতে ওসি ও এসআইকে কুপিয়ে জখম করল ছিনতাইকারী

রাজধানীতে ওসি ও এসআইকে কুপিয়ে জখম করল ছিনতাইকারী

তাজিয়া মিছিলে দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার

তাজিয়া মিছিলে দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার

নতুন ১০ জেলায় রেলসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ সরকারের

নতুন ১০ জেলায় রেলসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ সরকারের

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় খেলাধুলা-সংস্কৃতিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় খেলাধুলা-সংস্কৃতিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারের তোষামোদ নয়, জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকারের তোষামোদ নয়, জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের  কড়া হুঁশিয়ারি

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

ট্রাম্প না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতো না, নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী চুক্তির বিষয়ে ফাঁস করল ইসরায়েলি গণমাধ্যম

হরমুজ প্রণালি খুলছে শুক্রবার: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি খুলছে শুক্রবার: ট্রাম্প

‘সরকারকে অন্ধ সমর্থন বা অযৌক্তিক বিরোধিতা করবে না জামায়াত’

‘সরকারকে অন্ধ সমর্থন বা অযৌক্তিক বিরোধিতা করবে না জামায়াত’

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে অন্ধ সমর্থন, আবার তাদের অযৌক্তিক বিরোধিতাও জামায়াতে ইসলামী করবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি এও জানিয়েছেন, তার দল (জামায়াত) সংসদে ‘যৌক্তিক ও গঠনমূলক বিরোধী দলের’ ভূমিকা পালন করবে। জনকল্যাণ, জবাবদিহিতা ও জাতীয় সংস্কারের প্রশ্নে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে।মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের এলডি হলে সংসদ বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান জামায়াত আমির।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরবে। তবে তা হবে সংসদীয় শালীনতা ও গঠনমূলক রাজনৈতিক আচরণের মধ্য দিয়ে। আমরা না হবো সরকারপন্থী অনুগত বিরোধী দল, না হবো অযৌক্তিকভাবে বাধাদানকারী বিরোধী দল। আমরা হবো যৌক্তিক ও বিবেকনির্ভর বিরোধী দল।’তিনি বলেন, সংসদে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে কেন্দ্র করে। ইতোমধ্যে তারা সংসদে ভোটারদের সমর্থিত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন, ব্যাংকিং খাতের সংকট, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করেছেন।চলমান বাজেট অধিবেশনে আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা উন্নত করার লক্ষ্যে তাদের দল কিছু নির্দিষ্ট সুপারিশ উপস্থাপন করবে বলেও জানান জামায়াত আমির।অর্থবছরের শেষ দিকে তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন ব্যয় সম্পন্ন করার প্রবণতার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের বর্তমান জুলাই-জুন অর্থবছর পরিবর্তন করে জানুয়ারি-ডিসেম্বর ক্যালেন্ডারভিত্তিক অর্থবছর চালুর প্রস্তাব দেন।তার মতে, ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে অর্থবছর সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ হবে, পরিকল্পনা ও তদারকি আরও কার্যকর হবে এবং অর্থবছরের শেষ দিকে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমে আসবে।তিনি বলেন, ‘সরকারি ব্যয়ের একটি বড় অংশ অর্থবছরের শেষ কয়েক সপ্তাহে সম্পন্ন হয়। এতে কাজের মান, জবাবদিহিতা ও অর্থের যথাযথ ব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’বিরোধী দলীয় নেতা সম্পূরক বাজেট অনুমোদনের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং সরকারি ব্যয়ে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদের উচিত জনগণের প্রত্যাশা ও ম্যান্ডেটের প্রতিফলন ঘটিয়ে অর্থবহ সাংবিধানিক সংস্কারে মনোনিবেশ করা, শুধু নিয়মিত সংশোধনীতে সীমাবদ্ধ না থাকা।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সংসদকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা ও জনমতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকতে হবে। সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা দলীয় নাটকীয়তায় জড়ানো নয়।’তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি জনগণের কথা বলার জন্য। দেশ ও দেশের মানুষই আমাদের অগ্রাধিকার।’তবে জামায়াত আমির সতর্ক করেন, জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষিত হলে সংসদের বাইরেও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে এসব দাবি আদায়ে তাদের দল কাজ করে যাবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্য, সাংবাদিক ও নাগরিকদের মধ্যে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করবে এবং দেশের সুশাসন উন্নয়নে সহায়ক হবে।মতবিনিময় সভায় বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।এছাড়া অন্য সংসদ সদ্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এটিএম আজহারুল ইসলাম, সাইফুল আলম খান মিলন, শাহজাহান চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান, গাজী নজরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এবং ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানসহ অন্যরা।

সংসদে হিজাব নিয়ে কটূক্তিকারীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: হেফাজত

সংসদে হিজাব নিয়ে কটূক্তিকারীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: হেফাজত

সীমান্তে হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে বিকেলে ১১ দলের বিক্ষোভ

সীমান্তে হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে বিকেলে ১১ দলের বিক্ষোভ

শিবিরনেতা গ্রেফতার ইস্যুতে সংসদে হট্টগোল

শিবিরনেতা গ্রেফতার ইস্যুতে সংসদে হট্টগোল

বিএনপি কোনো রেজিমেন্ট দল নয় উদারপন্থী রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল

বিএনপি কোনো রেজিমেন্ট দল নয় উদারপন্থী রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল

প্রস্তাবিত বাজেট অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী ও বিদেশি ঋণনির্ভর: গোলাম পরওয়ার

প্রস্তাবিত বাজেট অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী ও বিদেশি ঋণনির্ভর: গোলাম পরওয়ার

প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে ভুল-ভাল কথা বের হতে থাকলে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে ভুল-ভাল কথা বের হতে থাকলে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর

মোংলায় স্কুল কমিটি নিয়ে তোলপাড়, অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

মোংলায় স্কুল কমিটি নিয়ে তোলপাড়, অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় দেন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় বাড়ির পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে অপহরণ করে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অপহরণের পর শিশুটিকে কোথাও লুকিয়ে রাখার সুযোগ না পেয়ে আবীর শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।ঘটনার ১৬ দিন পর, ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে শিশুটির দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় খণ্ডিত মাথা।ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিশাল শোভাযাত্রা

গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিশাল শোভাযাত্রা

বাহুবলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ট্যাংকি ফেটে দুর্গন্ধের রাজত্ব, নাক-মুখ চেপে চলছে পাঠদান

বাহুবলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ট্যাংকি ফেটে দুর্গন্ধের রাজত্ব, নাক-মুখ চেপে চলছে পাঠদান

পদ্মার চরে আবারও রক্তাক্ত লাশ, গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

পদ্মার চরে আবারও রক্তাক্ত লাশ, গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রাজার বাজার–একডালা–বাসুল্লা সড়কের বেহাল দশা, প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা

রাজার বাজার–একডালা–বাসুল্লা সড়কের বেহাল দশা, প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা

গোপালগঞ্জে দুই বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬০

গোপালগঞ্জে দুই বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬০

টিকটক নিয়ে দাম্পত্য কলহ: লোহাগড়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

টিকটক নিয়ে দাম্পত্য কলহ: লোহাগড়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে ফুরফুরে মেজাজে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তারা এবার নেমেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে। আর তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে তাওহীদ হৃদয়ের। চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশের ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন টি-টোয়েন্টির নিয়মিত অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তার টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলা নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। অবশেষে সেই শঙ্কাই সত্যি হলো। প্রথম ম্যাচের একাদশে নেই এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।এদিকে বাংলাদেশের হয়ে আজ অভিষেক হতে যাচ্ছে ডানহাতি পেসার আবদুল গাফফার সাকলাইনের। ২০০৫ সালে প্রথমবার অজিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে দুই দশকের বেশি সময়। এবার শুধু জয় নয়, সদ্য শেষ হওয়ার ওয়ানডে সিরিজটাই নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। টানা দুই ম্যাচ জিতে আগে-ভাগেই সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে সান্তনার জয় পায় সফরকারীরা। এবার টাইগারদের চোখ টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

এমবাপ্পের রেকর্ডে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রাজসিক শুরু

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয়

আইসিসি বিশ্বকাপ: নানা চাপেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইরানের ড্র

আইসিসি বিশ্বকাপ: নানা চাপেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইরানের ড্র

তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নিলো সুইডেন

তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নিলো সুইডেন

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারল না বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারল না বাংলাদেশ

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

হাসি মুখের কারিনা কায়সার গত ১৬ মে প্রয়াত হয়েছেন। তার এ অকাল প্রয়াণে স্তব্ধ শোবিজের অঙ্গনের মানুষ। সদ্যপ্রয়াত এই তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করার পরিকল্পনা করছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘চরকি কার্নিভাল’। এতে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে চরকিতে মুক্তি পাওয়া কনটেন্টগুলো থেকে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে।এরই মধ্যে সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের (২০২৪) মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে ’৩৬-২৪-৩৬’ ওয়েব ছবির জন্য বেস্ট অ্যাক্টরের (ফিমেল) মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারিনা। তবে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে তাকে।চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, ’কারিনার অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে। তাই প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।’এদিকে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে সেরা ছবির মনোনয়ন পেয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’, ’৩৬-২৪-৩৬’। রয়েছে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সিরিজ, সেরা গানসহ বিভিন্ন বিভাগ। চরকির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কনটেন্ট বা শিল্পীকে ভোট দিতে পারবেন সাবস্ক্রাইবাররা। আজ থেকে শুরু হয়েছে ভোট। সমালোচক বিভাগ এবং ২০২৩ সালের কনটেন্টে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নামও প্রকাশ করা হবে শিগগির।

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ  ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

নব্বই দশকের পর দেশের সংগীতাঙ্গনে ভাটিয়ালি ধারার গানকে জনপ্রিয় করে তোলা শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগ। ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানটির মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করা ভাটিয়ালি ব্যান্ডের এই প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী একসময় দেশের যুবসমাজের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর কণ্ঠে পরিবেশিত একাধিক গান দেশজুড়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নেয় এবং সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোড়ন। সেই জনপ্রিয় শিল্পী এবার তাঁর গানের রয়্যালটি আত্মসাৎ, চুক্তিভঙ্গ, কপিরাইট লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগে ঢাকার এক ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেনগণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নোটিশ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগের পক্ষে জজ কোর্ট, সাতক্ষীরার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন গত ৮ জুন রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোঃ আহসানুল হাবিব অনিকের কাছে এ নোটিশ প্রেরণ করেন।লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ৫ নভেম্বর শিল্পী শরীফুজ্জামান সোহাগের সঙ্গে ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দেন আহসানুল হাবিব অনিক। সে সময় তিনি শিল্পীর মৌলিক গান আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ, বিপণন ও মনিটাইজেশনের প্রস্তাব দেন এবং অর্জিত আয়ের ৮০ শতাংশ শিল্পীকে রয়্যালটি হিসেবে প্রদানের আশ্বাস দেন।পরবর্তীতে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির স্বাক্ষরিত কপি আজ পর্যন্ত শিল্পীকে প্রদান করা হয়নি। একই সঙ্গে গত চার বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাতে হিসাব ও রয়্যালটির অর্থ প্রদান থেকে বিরত থেকেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।নোটিশে আরও বলা হয়, শিল্পীর জনপ্রিয় গান ‘ফুল তো ফোটে না’, ‘ওলো আমার পরান সখী’, ‘ও বন্ধুরে’, ‘যায়রে যায় কন্যা যায়’, ‘দোহাই তোমার প্রথম চিঠি’ ও ‘জেলে চাঁদের মোমবাতি’সহ প্রায় দুই শতাধিক গান Spotify, Apple Music, YouTube Music, YouTube Content ID, TikTok, Facebook Music Library, Shazam, Beatport এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ ও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।শিল্পীর দাবি, এসব গান থেকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে স্ট্রিমিং, বিজ্ঞাপন, ডাউনলোড, লাইসেন্সিং ও কনটেন্ট আইডির মাধ্যমে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি আয় হয়েছে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্য রয়্যালটির একটি টাকাও তাকে প্রদান করা হয়নি।লিগ্যাল নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৩, ৪০৬, ৪১৫ ও ৪২০ ধারাসহ কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর বিভিন্ন বিধানের লঙ্ঘনের শামিল।নোটিশে ৩০ দিনের মধ্যে সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পূর্ণাঙ্গ আয়ের হিসাব, রেভিনিউ স্টেটমেন্ট, প্রাপ্য রয়্যালটি পরিশোধ, স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন, ২০২৩ এবং প্রচলিত ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ঘিরে। অনেকে বলছেন তিনি আর দেশে ফিরবেন। স্যোশাল মিডিয়ায় এ সব আলোচনার উত্তর দিয়ে ফারুকী বললেন, আমাদেরকে নিয়া এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও আমাদের ইজ্জত থাকেনা।তিনি বলেন, উইথ অল রেসপেক্ট টু দেম, এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিলো না। এদের নিয়া কথা বলা তো দুরের কথা, এদের নামও আমাদের আড্ডায় কেউ কোনোদিন একবারও উচ্চারণ করে নাই। এরা এতোটাই অপ্রাসঙ্গিক ছিল। আর এখন সাংবাদিক ভাই-বোনরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে, ভাই, অমুক আপনার সম্পর্কে এই কথা বলছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কী? ৭ জুন রোববার সকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, তাদের নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কখনোই সিলেবাসে ছিলো না। ফারুকীর ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয় এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিই। কিন্তু সেটা যে এইরকম ভয়াবহ হবে এটা ভাবি নাই। বুঝেন অবস্থা! এখন এদের কথার উত্তর দিতে হইবো আমার? এটাই কাফফারা। যাই হোক, এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বলে দেয় আমি আমার কাজটা ঠিকমত করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান। পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র নির্মাণ, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হাসিবুর রেজা কল্লোল সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেছেন।ভারতের দিল্লি শহরে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও গণমাধ্যম অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত হাসিবুর রেজা কল্লোল নির্মাতা, সংগঠক এবং গণমাধ্যম ব্যবস্থাপক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি তিনি নাটক, তথ্যচিত্র এবং বিভিন্ন সৃজনশীল প্রযোজনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।পরিচালক হিসেবে তাঁর নির্মিত সত্তা চলচ্চিত্রটি ব্যাপক আলোচিত হয় এবং দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। বর্তমানে তিনি চ্যানেল নাইন টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর এই অর্জন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আন্তর্জাতিক পরিচিতি আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।প্রতিক্রিয়ায় হাসিবুর রেজা কল্লোল বলেন, সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশে তিনি ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান। পাশাপাশি তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলার ১০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে সোমবার (১ জুন) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে গত ৩০ মে অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একটি মহল ধর্মীয় আবেগের ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালায়। এর প্রেক্ষিতে ভেন্যু কর্তৃপক্ষ পূর্বানুমতি প্রত্যাহার করায় প্রদর্শনীটি স্থগিত করা হয়।একই দিন কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামে স্থানীয় তরুণরা চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের উদ্যোগ নিলে স্থানীয় প্রশাসনের অযাচিত হস্তক্ষেপে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই দুটি ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ, আল মাহমুদসহ অসংখ্য গুণীজনের স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি। বছরের পর বছর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সাংস্কৃতিক চর্চায় অনবদ্য অবদান রেখে আসছেন এ জেলার কৃতিসন্তানরা। সাংস্কৃতিক রাজধানীখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিতের ঘটনা আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ ফিল্ম সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রদর্শনের অনুমতিপ্রাপ্ত। ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে এর প্রদর্শনী প্রশংসিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা তানিম নূরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিসন্তান। নিজ জন্মভূমিতে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক।আমরা চলচ্চিত্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করি, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আমরা সুস্থ, সুন্দর ও সৃজনশীল চলচ্চিত্রধারার পক্ষে। চলচ্চিত্র দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমস্যা, দেশপ্রেম, বাস্তবতা এবং মানবিক মূল্যবোধ জনগণের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের অনুমতি নিয়েই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রটি জনসমক্ষে প্রদর্শিত হচ্ছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর কন্যাসহ প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে একটি চলচ্চিত্র উপভোগ করেছেন, যা চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ। এমন বাস্তবতায় চলচ্চিত্রের প্রতি কারও বৈরি দৃষ্টিভঙ্গি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।আমরা সকলের মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো মহলবিশেষের অগণতান্ত্রিক আচরণ, অসহনশীলতা ও উগ্রতাকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”বিবৃতিদাতারা হলেন--১. সাংবাদিক আবদুন নূর, আহ্বায়ক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র; অ্যাডভোকেট নাসির মিয়া, সদস্যসচিব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।২. নীহাররঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক, খেলাঘর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৩. জহিরুল ইসলাম, সভাপতি, উদীচী জেলা সংসদ; ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক, উদীচী জেলা সংসদ।৪. অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, সভাপতি, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি; অধ্যাপক মাসুদ-উর-রহমান, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি।৫. শোভা সেন, সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা; সাথী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৬. হাবিবুর রহমান পারভেজ, জেলা পরিচালক, আবরণী; শারমিন সুলতানা, সহকারী পরিচালক, আবরণী।৭. হুমায়ুন কবির, সভাপতি, কবির কলম; আব্দুল মতিন শিপন, সাধারণ সম্পাদক, কবির কলম।৮. ডা. প্রেমানন্দ দাস, সংগঠক, চারণ।৯. ফাহিম মুনতাসির, সভাপতি, সোনালি সকাল; সানিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, সোনালি সকাল।১০. মুস্তাফা জাফরি হামিম, জেলা সভাপতি, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন; সর্পা মিত্র ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন।

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠনের

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠনের

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

জুনের ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬২ কোটি ডলার

জুনের ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৪৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৩৮ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

আতঙ্কে আমানত তোলা গ্রাহকদের সুসংবাদ দিলো ইসলামী ব্যাংক

আতঙ্কে আমানত তোলা গ্রাহকদের সুসংবাদ দিলো ইসলামী ব্যাংক

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাবো: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাবো: অর্থমন্ত্রী

নবম পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’  বাতিল হচ্ছে

নবম পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ বাতিল হচ্ছে

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটকে জনকল্যাণমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর, আত্মনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করে বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির জার্মানি শাখা। দলটির নেতারা বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানের প্রস্তাবিত এই বাজেট প্রমাণ করেছে যে তিনি বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের একজন অকৃত্রিম দেশবন্ধু।শুক্রবার (১২ জুন) জার্মানির মানহাইমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির জার্মানি শাখার সাবেক সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য দেওয়ান শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “দেশবন্ধু তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নতুন বাজেট কেবল একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি আধুনিক, উন্নত, আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের সুস্পষ্ট রূপরেখা। এই বাজেটে তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকনির্দেশনা রয়েছে।”তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, স্টার্টআপ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা, বিনিয়োগ সহায়তা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের মেধাবী ও উদ্ভাবনী তরুণরা নতুন নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য এই বাজেটে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপকে তিনি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় উন্নয়নের এই যাত্রায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে অংশীদার হতে হবে। ঐক্য, উদ্ভাবন, সুশাসন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, যা হবে জনকল্যাণমূলক, প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাশীল।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা নতুন বাজেটকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও প্রবাসীদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপবাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। একই সাথে তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।দারাজ কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার কিংবা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।গত এক বছরে দারাজের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দারাজ। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, “দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশ দারাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করি, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।”বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে কাজ করছে।বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনাও প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!

অপোর সাথে আপনার ‘ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট’ একদম নিশ্চিত!

সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো, অফার শেষ ২৫ জুন

সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো, অফার শেষ ২৫ জুন

টেক্সটাইল সোর্সিংয়ের বিশ্ব আসছে ঢাকায়: ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ উন্মুক্ত করছে নতুন বৈশ্বিক সুযোগ

টেক্সটাইল সোর্সিংয়ের বিশ্ব আসছে ঢাকায়: ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ উন্মুক্ত করছে নতুন বৈশ্বিক সুযোগ

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১ শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর শুরু হলো আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ‘চানাচুর’ বলায় সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহাসড়কে, নিহত-১ শিশু আয়াত হত্যায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর শুরু হলো আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার প্রথমবারের মতো ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি বাংলাদেশ লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড মেসির বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ মৌলভীবাজার যেতে সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী