ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে জাপান সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি অর্থনৈতিক, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশিল্পের কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথমদিকের স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর একটি এবং স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দুইবার জাপান সফর এবং তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।এ ক্ষেত্রে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি এশিয়ায় জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ‘পার্টনারশিপ ফর পাওয়ার এশিয়া’ উদ্যোগের আওতায় সাম্প্রতিক ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো, দক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ গবেষণাপ্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতষ্ঠার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জাপানের কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণ মেধা, উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি খাতের দক্ষ জনশক্তির সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।প্রস্তাবিত টেক পার্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস এবং ইলেকট্রনিকস উৎপাদনের মতো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মহাকাশবিজ্ঞান, স্যাটেলাইট প্রকৌশল ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিতে জাপানের অগ্রসর সক্ষমতার সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।অবকাঠামো, দ্রুতগতির রেল ও যোগাযোগব্যবস্থাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে আধুনিক ও সমন্বিত যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে দেশের ছয়টি প্রধান বিভাগীয় শহরকে যুক্ত করে দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্ক এবং দেশব্যাপী উড়াল সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।এ ধরনের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা প্রণয়ন, কারিগরি সহায়তা, বিনিয়োগ ও অর্থায়নে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিক পরিবহনব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণবাংলাদেশে জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে তার সরকার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, করনীতি, শুল্ক ছাড়করণ এবং অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, পূর্বানুমানযোগ্যতা ও দক্ষতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এ চুক্তির সুফল দুই দেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে উভয় পক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে।জাতিসংঘ, ইন্দো-প্যাসিফিক ও রোহিঙ্গা সংকটআঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনায় বহুপাক্ষিকতা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নির্বাচনে জাপানের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। তার সভাপতিত্বে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।একটি অবাধ, উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।মিয়ানমারের ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতি সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ, নির্বিঘ্ন মানবিক সহায়তা নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানান।বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের মানবিক প্রচেষ্টায় জাপানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি। রাখাইনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সব পক্ষের সঙ্গে জাপানের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে দ্রুত নিজ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাব, সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয়বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি এ শীর্ষ বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এ অধ্যায় আরও গভীর আস্থা, বিস্তৃত অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শক্তিশালী বিনিয়োগ সম্পর্ক এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।দুই দেশের অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতগুলো চিহ্নিত করা, সেগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং সহযোগিতার সুযোগগুলোকে কার্যকর উদ্যোগে রূপ দিতে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি যৌথ কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বৈঠকে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা আরও সুদৃঢ় হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের প্রধানমন্ত্রীর

পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের প্রধানমন্ত্রীর

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (৬.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ৈবৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।জাপানের প্রধানমন্ত্রী ব‌লেন, দুই দেশের সহযোগিতার মূল ভিত্তি ‘বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি অঞ্চল’ বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশে জাপানি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল পাঠানো হ‌বে।অর্থনৈতিক সম্পর্ক ত্বরান্বিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (ইপিএ) কার্যকর করা এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার ওপর জোর দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দুই দেশের নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব মূলত চারটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে। এগুলো হলো-আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি ও নিয়মনীতি প্রণয়ন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা।তাকাইচি বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে জাপান। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওডিএর আওতায় বাংলাদেশকে টহল জাহাজ দেওয়ার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান সরকার। এ ছাড়া, অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অব্যাহত রেখে এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।ভৌগোলিক অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়াকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, তা জাপানের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাপানের প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান

জাপানের প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।এর আগে বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সানায়ে তাকাইচি।শীর্ষ বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানের সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী), বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী প্রমুখ।জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল সোমবার সকালে টোকিও এসে পৌঁছান।

  • এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

    এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

  • আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের

    আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের

  • দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ

    ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ

  • তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

    তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

  • ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৫ জনের

    ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৫ জনের

সব খবর

সব খবর

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহারের বার্তা বিপজ্জনক ও অপরিণামদর্শী বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে বক্তব্য প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানায় টিআইবি। বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজেদের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহার করতে চাওয়ার প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়ার পথ দেখানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশের দায়িত্ব পেশাদারত্ব, অপরাধী শনাক্তকরণ এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিচার নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে অপরাধ দমনে ব্যর্থতার দায় এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে সুরক্ষিত আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার কোনোভাবেই খর্ব করা যায় না। অভিযোগ যত গুরুতরই হোক, বিচারপ্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে কাউকে হত্যার এখতিয়ার পুলিশের নেই। অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশ সদস্যদের দণ্ড এবং ওই মামলার রায় কার্যকরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল। নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগের বিচার এবং পুলিশের পেশাগত জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে এমন বক্তব্য অতীতের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। টিআইবির মতে, পুলিশের পেশাদারত্বের ঘাটতি, জবাবদিহির অভাব এবং অপরাধ দমনে ব্যর্থতার দায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আড়াল করা যায় না। বরং অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়েই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব। সংস্থাটি আরও বলেছে, পুলিশকে আইনানুগ, প্রমাণভিত্তিক ও মানবাধিকারসম্মত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলেই বিচারবহির্ভূতভাবে শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং পুলিশের কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি। আইজিপির বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা গ্রহণ, প্রকাশ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও দুঃখ প্রকাশ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন (তিন হাজার ৬৪১ কোটি ১৮ লাখ) ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন (তিন হাজার ১৬০ কোটি চার লাখ) ডলারে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। গত ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।এরও আগে গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার।গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।

এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।সোমবার (২৬ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব জেতী পু। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আহসান হাবিব বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায় সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পদে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, অবসর গ্রহণের আগে তাকে নিজ ক্যাডারে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।প্রসঙ্গত, আহসান হাবিব বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। বিসিএস পরীক্ষায় নিজ ব্যাচে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকেও প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।কর্মজীবনে এনবিআর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

১১০০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

‎সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১ শত কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রমাণ পেয়েছে দু্র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এাবি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন করতে শ্যালকের হিসাবে এসব সম্পদ জমা করেন। এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা এবং শ্যালকসহ চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছে দুদক।‎সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুদকের উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন এসব তথ্য জানান।‎এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের শাসনামলজুড়ে প্রভাবশালী সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির দায়িত্ব পালন করেন। যিনি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালানো এই কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধান করতে গিয়ে দুদক তার নামে তেমন কোনো সম্পদ খুঁজে পায়নি। তবে, অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তার শ্যালক রেজাউল করিম শাহীনের খোঁজ পায়। ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য পায়। এছাড়া ২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মিললেও কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পারেনি শাহীন।‎দুদকের এ কর্মকর্তা জানান, মনিরুল ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা তাদের সম্পদ গোপন করতে শ্যালককে হস্তান্তর করেন। সিপাহী পিতা শাহীনকে ২৫ কোটি টাকা দান করেছেন, যার কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ মেলেনি।একইভাবে মনিরুলের শ্যালক শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার হিসাবেও দুদক খুঁজে পেয়েছে ৫৮ কোটি টাকার বেশি মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য। এছাড়া অবৈধ সম্পদ পেয়েছে ১৫ কোটি টাকার বেশি।‎এছাড়াও, সাবেক এই এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি এনজিওতে অর্থ পাচার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরও দুটি অনুসন্ধান দুদকে চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রতিরক্ষা সম্মেলনে আমন্ত্রণ আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রতিরক্ষা সম্মেলনে আমন্ত্রণ আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের

আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ও সম্মেলনের (আইডিইএক্স ২০২৭) ১৮তম সংস্করণে অংশ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী, দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। একইসময়ে অনুষ্ঠেয় নেভাল ডিফেন্স অ্যান্ড মেরিটাইম সিকিউরিটি এক্সিবিশনের (এনএভিডিইএক্স ২০২৭) অষ্টম সংস্করণেও অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস এই তথ্য জানায়। দুটি ইভেন্ট আগামী বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ২৫ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (এডিএনইসি) অনুষ্ঠিত হবে।স্থল, নৌ ও আকাশপ্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সর্বশেষ অগ্রগতি ও উদ্ভাবন উপস্থাপনের জন্য আইডেক্স এবং এনএভিডিইএক্স আন্তর্জাতিক মঞ্চ। এই প্রদর্শনীতে বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি একত্রিত হয়।ক্রাউন প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করবে এবং প্রদর্শনীর সাফল্যে অর্থবহ অবদান রাখবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তার সর্বোচ্চ বিবেচনা ও গভীর কৃতজ্ঞতার আশ্বাস জ্ঞাপন করেন।

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার (২৬ অক্টেবর) ইরানে রাজধানী তেহরানে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।গতকাল রোববার ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাঘেরি কানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন অংশ নেবেন। ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি। কানি আরও বলেন, ‘এ বৈঠকটি দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক নিরাপত্তা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পদক্ষেপ হতে পারে। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগটি একটি স্থিতিশীল অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে।’এদিকে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাইদ ক্রিমলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, সফরে মক্কা জোটের প্রতিনিধিরা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতে পারেন। ক্রিমলি আরও বলেন, আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, ফিলিস্তিন ও লেবাননের পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের পরিণতি। পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে এই যোগাযোগের পেছনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। গত সপ্তাহেও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করেন এবং প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানসহ ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রেও ইসলামাবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।এর আগে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় জুনে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা হয়েছিল, কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হওয়ায় সেই উদ্যোগ ভেঙে পড়ে। ফলে নতুন এই বৈঠকে কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে হুথিদের সম্পর্ক থাকায় এই সংঘাত বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের গুরুত্বও বেড়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মূল নীতি হলো, কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তির আওতায় সদস্যদের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্বীকৃত সীমান্তের বিরুদ্ধে হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

৭৫ হাজার টাকার শাড়িকাণ্ডের জেরে করা মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে মামলাটি করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ও ভেলমেট-ইয়ুথ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত আগামী ২৩ নভেম্বর তানজিন তিশাকে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় করা ওই মামলার পর বিভিন্ন সময়ে তানজিন তিশা তাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেন এবং ক্ষতি করার ভয় দেখান বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর মুঠোফোনে বাদীকে হুমকি দিয়ে তানজিন তিশা বলেন, ‘আমি যদি তোমার পেছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না।’ এছাড়া ডিবি পুলিশ নিয়ে বসার কথাও তিনি বলেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।বাদীর দাবি, আগের মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হলে তদন্ত কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন তিনি।আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, তদন্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তানজিন তিশা ক্ষিপ্ত হন। এরপর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়। মামলা তুলে না নিলে তাকে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাদী।এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে নিকটস্থ থানায় মামলা করতে গেলে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে : রাষ্ট্রপতি

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তোমরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তোমাদের মধ্যেই আমরা দেখতে পাই নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন।আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বঙ্গভবন পরিদর্শনে আসা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।সম্প্রতি জারি হওয়া ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণ সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬’-এর আওতায় প্রথমবারের মতো মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবন পরিদর্শন করলেন। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানটির ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির বাছাই করা সেরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা পরিদর্শনে অংশ নেন।এ সময় শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন এবং তাদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন। নতুন প্রজন্মকে বঙ্গভবন ও রাষ্ট্রের ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে অভিনব এ আয়োজনে পরিদর্শনে আসা শিক্ষার্থীরা এই প্রথম রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় ও অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতার সুযোগ পান।রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে গুরুজন ও শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান করার পাশাপাশি সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের আত্মত্যাগের কথা স্মরণে রেখে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, বাবা-মা, শিক্ষক, মুরুব্বিদের সবসময় সম্মান করতে হবে। নিজেদের সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে যেমন বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ হবে, তেমনি জাতির প্রত্যাশাও পূরণ হবে।রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গভবন শুধু একটি ভবন নয়, এটি রাষ্ট্রের প্রতীক, ইতিহাসের স্বাক্ষী। ভবিষ্যতে পালাক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বঙ্গভবন পরিদর্শন করবে। বঙ্গভবন নিয়ে, রাষ্ট্র নিয়ে, ভবিষ্যতের নেতৃত্ব নিয়ে যেন তোমাদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়, সে জন্যই আজ তোমাদের এই পরিদর্শন।এ সময় রাষ্ট্রপতি বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ হয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহারের বার্তা বিপজ্জনক ও অপরিণামদর্শী বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে বক্তব্য প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানায় টিআইবি। বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজেদের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহার করতে চাওয়ার প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়ার পথ দেখানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশের দায়িত্ব পেশাদারত্ব, অপরাধী শনাক্তকরণ এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিচার নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে অপরাধ দমনে ব্যর্থতার দায় এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে সুরক্ষিত আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার কোনোভাবেই খর্ব করা যায় না। অভিযোগ যত গুরুতরই হোক, বিচারপ্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে কাউকে হত্যার এখতিয়ার পুলিশের নেই। অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশ সদস্যদের দণ্ড এবং ওই মামলার রায় কার্যকরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল। নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগের বিচার এবং পুলিশের পেশাগত জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে এমন বক্তব্য অতীতের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। টিআইবির মতে, পুলিশের পেশাদারত্বের ঘাটতি, জবাবদিহির অভাব এবং অপরাধ দমনে ব্যর্থতার দায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আড়াল করা যায় না। বরং অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়েই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব। সংস্থাটি আরও বলেছে, পুলিশকে আইনানুগ, প্রমাণভিত্তিক ও মানবাধিকারসম্মত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলেই বিচারবহির্ভূতভাবে শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং পুলিশের কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি। আইজিপির বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা গ্রহণ, প্রকাশ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও দুঃখ প্রকাশ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।

ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ

ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও পদ্মা সেতু রক্ষায় হাইকোর্টে রিট

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও পদ্মা সেতু রক্ষায় হাইকোর্টে রিট

কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে একজনের মৃত্যু, আহত ২

কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে একজনের মৃত্যু, আহত ২

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে : রাষ্ট্রপতি

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে : রাষ্ট্রপতি

সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান

সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর

এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

আদালতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে রাহুল গান্ধীর গাড়ি বহর

আদালতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে রাহুল গান্ধীর গাড়ি বহর

রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের পাল্টা হামলা

রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের পাল্টা হামলা

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির।সোমবার (২৭ অক্টোবর) পৃথক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি এ প্রতিবাদ ও দাবি জানায়।আইজিপির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। পুলিশ নাগরিকের সেবক, শাসক নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান হিসেবে আইজিপি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।বিবৃতিতে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এ দেশের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা এবং বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। বিনা বিচারে মানুষ হত্যা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে নাগরিকদের তুলে নিয়ে হত্যা, ক্রসফায়ার ও গুমের ঘটনা ঘটেছে। আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যে সেই একই কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তির হুমকি ও ইঙ্গিত রয়েছে। এ বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থি। এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।জামায়াতের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে বিএনপির সন্ত্রাসীদের দমন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং মাদক নির্মূলে ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম অদক্ষতার পরিচয়। নাগরিকদের জীবনযাত্রা স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করতে বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।অন্যদিকে, সরকারের অনুমতি পেলে প্রয়োজনে পুলিশ ‘ক্রসফায়ার’ করবে- আইজিপির এমন বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।সোমবার সংগঠনটির সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।বিবৃতিতে তারা বলেন, ক্রসফায়ারের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য ঘোষণা সংবিধান, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের ওপর চরম আঘাত। অপরাধ দমনের দায়িত্বে থাকা বাহিনীর প্রধান যখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন, তখন তা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার ও আইনের শাসনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।শিবির নেতারা আরও বলেন, সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিকের আইনি সুরক্ষা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়। এসব অধিকার উপেক্ষা করে কারও জীবন কেড়ে নেওয়ার অধিকার পুলিশের নেই।বিবৃতিতে বলা হয়, আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতেও তার বক্তব্যকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের মনোভাব ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।শিবির নেতারা বলেন, কে অপরাধী এবং তার কী শাস্তি হবে, তা নির্ধারণের এখতিয়ার আদালতের। পুলিশের দায়িত্ব অপরাধ তদন্ত করা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করা।এর আগে সোমবার সকালে রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের চকবাজার ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘যেখানে ক্রসফায়ার প্রয়োজন হয়, সরকার যদি এলাউ করে, তাহলে আমরা সেটাই করব’।তবে আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইজিপি তার বক্তব্যে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে তিনি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন।

এনসিপির ডায়াস্পোরা উপকমিটির প্রধান আসিফ, উপপ্রধান মনিরা

এনসিপির ডায়াস্পোরা উপকমিটির প্রধান আসিফ, উপপ্রধান মনিরা

পুলিশকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের লাইসেন্স দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই: এবি পার্টি

পুলিশকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের লাইসেন্স দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই: এবি পার্টি

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে গণবিক্ষোভের ডাক এনসিপির

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে গণবিক্ষোভের ডাক এনসিপির

আমার দেশ কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় এবি পার্টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আমার দেশ কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় এবি পার্টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে সরকার: অভিযোগ নাহিদের

ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে সরকার: অভিযোগ নাহিদের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

বগুড়ায় পাঠদানকালে ৬ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাইরে, তিন শিক্ষিকাকে শোকজ

তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ; সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা বগুড়ায় পাঠদানকালে ৬ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাইরে, তিন শিক্ষিকাকে শোকজ

কক্সবাজারে ২০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

উখিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান কক্সবাজারে ২০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

ধামরাইয়ে কাকরান এলাকায়  হামলার ঘটনায় আহত আবুল হোসেনের মৃত্যু

মোঃ সিরাজুল ইসলাম ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি ধামরাইয়ে কাকরান এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত আবুল হোসেনের মৃত্যু

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কাকরান এলাকায় খাল ভরাট ও গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দুই পক্ষের হামলায় আহত আবুল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর আগে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান এলাকায় খাল ভরাট ও গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মান্নান ও রানার পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে আবুল হোসেনসহ ৪ থেকে ৫ জন আহত হন। পরে গুরুতর আহত আবুল হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।স্থানীয়রা জানান, মান্নান ও রানাসহ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল হামলা চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন গ্রামবাসী অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেন। এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি তদন্ত মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান এঘটনায় পূর্বে থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে, আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ২ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে ।

বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, ধস্তাধস্তি

বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, ধস্তাধস্তি

প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে পাঠাগার হবে: জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে পাঠাগার হবে: জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

জলাবদ্ধতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভাসমান কৃষিতে বিপ্লব

জলাবদ্ধতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভাসমান কৃষিতে বিপ্লব

অটোরিকশা চুরির অভিযোগে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা, ৪০০-৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অটোরিকশা চুরির অভিযোগে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা, ৪০০-৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রূপগঞ্জে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও আখের খেত ভাঙচুরের অভিযোগ

রূপগঞ্জে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও আখের খেত ভাঙচুরের অভিযোগ

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: বন্দরগুলোতে সতর্কসংকেত জারি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: বন্দরগুলোতে সতর্কসংকেত জারি

বাধ্য হয়ে অবসরে যাচ্ছেন অ্যান্ডারসন

বাধ্য হয়ে অবসরে যাচ্ছেন অ্যান্ডারসন

ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে ২৬ বছরের সম্পর্ক শেষ হচ্ছে জেমস অ্যান্ডারসনের। আগামী মৌসুমের জন্য ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পেসারের চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্টি ক্লাবটি। তবে ৪৪ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনের পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অন্য কোনো কাউন্টি বা বিদেশি দলের প্রস্তাব এলে তিনি খেলা চালিয়ে যেতে পারেন বলে জানা গেছে। অ্যান্ডারসনের চুক্তি না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে হতাশ সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, ল্যাঙ্কাশায়ারের সাম্প্রতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অ্যান্ডারসন কোনোভাবেই অন্যতম সমস্যা নন। বরং গত মৌসুমে ৫০ উইকেট নিয়েছেন তিনি, গড় ছিল মাত্র ১৭। চোটের কারণে কয়েকটি ম্যাচ মিস করলেও যখনই খেলেছেন, ভালো পারফরম্যান্স করেছেন।হুসেইন বলেন, অ্যান্ডারসন এখনো ভালো বোলিং করছেন এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণ, বলের গতিপথ বদলানোর দক্ষতা, ফিটনেস ও দীর্ঘ ক্যারিয়ার অসাধারণ। তাঁর মতে, ৪৪ বছর বয়স হলেও ইংল্যান্ডের প্রায় সব কাউন্টিই অ্যান্ডারসনকে দলে নিতে চাইবে। হুসেইনের ধারণা, ল্যাঙ্কাশায়ারের পুনর্গঠনের যাত্রায় অ্যান্ডারসনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বরং সম্পদ হিসেবে কাজে লাগানো যেত।ল্যাঙ্কাশায়ারের নতুন ক্রিকেট পরিচালক পল ফারব্রেস অবশ্য ক্লাবকে নতুন পথে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। চলতি মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয়-সর্বশেষ স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে ল্যাঙ্কাশায়ার। সাদা বলের দুই প্রতিযোগিতাতেও দলটি গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নতুন খেলোয়াড় নেওয়া ও দল পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে ক্লাবটি।ইংল্যান্ডের হয়ে ২০০২ সালে অভিষেক হওয়া অ্যান্ডারসন ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। টেস্টে ৭০৪ উইকেট নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এবং টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম দলের অভিষেক হয়েছিল ২০০১ সালে। এখন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর উইকেট ১ হাজার ১৯৩টি, আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ৪০০-এর বেশি।অ্যান্ডারসনকে নিয়ে অবসরের গুঞ্জন থাকলেও নাসের হুসেইন তাঁর বিদায়ের সম্ভাবনার চেয়ে বরং ২৬ বছরের অসাধারণ ক্যারিয়ারকে স্মরণ করতে চান। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড ও ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে এত দীর্ঘ সময় ধরে অ্যান্ডারসনের অবদানই এখন সবচেয়ে বড় বিষয়।

বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ: উদ্বোধনী ম্যাচ সিলেটে, ফাইনাল চট্টগ্রামে

বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ: উদ্বোধনী ম্যাচ সিলেটে, ফাইনাল চট্টগ্রামে

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ

হাসানের ইতিহাস গড়া বোলিংয়ে একশ’র বেশি লিড পেল বাংলাদেশ

হাসানের ইতিহাস গড়া বোলিংয়ে একশ’র বেশি লিড পেল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে  টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের নারীরা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের নারীরা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

শোবিজ অঙ্গনে বেশ কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন, ভাঙনের মুখে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সংসার। সত্যিই আলাদা হয়ে যাচ্ছেন এই তারকা দম্পতি?মোস্তফা সরয়ার ফারুকী দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে উড়ো খবর বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না তিনি বা তিশা।ফারুকী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে তো নানা প্রোপাগান্ডা, মিথ্যা নিউজ প্রচার শুরু হয়েছে আরও আগে থেকে। এখন চলছে ব্যক্তিগত আক্রমণ। আসলে মিথ্যা নিউজে তো ঘটনা সত্য হয় না। আর এসব নিয়ে কথা বলা মানে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই এ বিষয়ে আমি বা তিশা কেউই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নতুন আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে মিটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিশা। সিনেমাটি নিয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি ফারুকী। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন তিশা। অন্যদিকে, ফারুকী বর্তমানে তিনটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের কাজে ব্যস্ত। পাশাপাশি লিখছেন নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য। এর মধ্যে একটি সিনেমার নাম আপাতত রেখেছেন ‘টু হেল, উইথ লাভ’। আরেকটি সিনেমার গল্প সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, যার নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

অস্কারের জন্য বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

অস্কারের জন্য বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একাডেমি (অস্কার) অ্যাওয়ার্ডসের ৯৯ তম আসরে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সিনেমা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে।বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশ অস্কার কমিটি দীর্ঘদিন নিজেদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যা ইচ্ছা তাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রত্যেক বছর বাংলাদেশ থেকে অস্কারের জন্য একটি সিনেমা সিলেকশন করে প্রেরণ করে।সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ থেকে অস্কারে চলচ্চিত্র পাঠানো উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ফেডারেশন এর সদস্য ফিল্ম সোসাইটি, চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাব গুলোকে এই বিষয়ে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অস্কার চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ ও মতামত কেন গ্রহণ করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশের অস্কার চলচ্চিত্র নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফেডারেশনের একাংশ বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের (বিএফএসএফ) সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন বলেন, 'চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা কিংবা অস্বচ্ছতা গ্রহণযোগ্য নয়। অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত্র নির্বাচনে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। চলচ্চিত্র সমতা উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকা উচিত নয়।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে গণতান্ত্রিক চর্চা, সাংগঠনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। চলচ্চিত্রের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট ও আপসহীন। ফেডারেশনের একাংশ যদি দেশের সুনামহানি করে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করে, সেটি বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব। আমি মনে করি এটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের (বিএফএসফফ) সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিক বলেন, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএসএফ) প্রায় দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটির নেতৃত্ব ও কার্যক্রমে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দখলে ছিল। নিজেদের দলীয় ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন, চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক অনিয়মের বিষয় বার বার ফুটে ‍উঠেছে। সরকারিভাবে অস্কারে সিনেমা পাঠাতে হবে, আমরা এই অনিয়মের বিষয়টি অস্কার কমিটিকে অভিযোগ করবো।চলচ্চিত্র সংসদ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এর সদস্যদের না জানিয়ে গোপনে হোটেল সোনারগাঁয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রত্যেক বছর অর্থ হাতিয়ে নেয়। সদস্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিবর্তে অভিযুক্ত ফেডারেশনের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। বছরে একবার সদস্যদের সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোই যদি ফেডারেশনের প্র্রধান কার্যক্রম হয়ে থাকে, তাহলে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বিকাশ, সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং অস্কার বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কীভাবে পালিত হচ্ছে এমন প্রশ্নও তুলেছেন চলচ্চিত্র সংসদ কর্মীরা।চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত্র নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক সিদ্ধান্তের বিষয় হতে পারে না। এ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নীতিমালা, স্বচ্ছ নির্বাচন পদ্ধতি, যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কমিটির গঠন, সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব, চলচ্চিত্র নির্বাচনের মানদন্ড এবং অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।এ অবস্থায় চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাব-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশ অস্কার কমিটির গঠন ও কার্যক্রম, চলচ্চিত্র নির্বাচনের প্রক্রিয়া, সদস্য সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত হওয়া উচিত।চলচ্চিত্র অঙ্গনের স্বার্থে অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংগঠন ও চলচ্চিত্রকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা।

আজ যমুনা ফিউচার পার্কে জেমসের কনসার্ট

আজ যমুনা ফিউচার পার্কে জেমসের কনসার্ট

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং কমপ্লেক্স রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আজ শুক্রবার গান শোনাবেন দেশের ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় তারকা মাহফুজ আনাম জেমস। এই শপিং কমপ্লেক্সের কার্নিভাল অ্যারেনায় বসছে ‘রক এন রিদম ৫.০ : নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ শীর্ষক কনসার্ট। এতে নিজ দল নগরবাউল নিয়ে পারফর্ম করবেন জেমস। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশে অনেকদিন পর টিকিট কনসার্ট করছি। আশা করি শ্রোতা-দর্শক নতুন কিছু শুনতে ও দেখতে পাবেন।’আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশন’ এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, বিশেষ এই আয়োজনে নগরবাউল ও আর্ক ছাড়াও দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য পারফর্ম করবে। পাশাপাশি, গিটারিস্ট ওনি হাসান ওয়ারফেজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। সঙ্গে একক পরিবেশনাতেও থাকবেন তিনি। একে রাহুলও ওই কনসার্টে পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে।

কেমন কাটছে তারকাদের পূজা

কেমন কাটছে তারকাদের পূজা

শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনের উৎসব ঘিরে সাধারণ মানুষের মতো আনন্দে মেতেছেন শোবিজ তারকারাও। কেউ পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরেছেন মণ্ডপে মণ্ডপে, কেউ ব্যস্ত ছিলেন গানের অনুষ্ঠান ও শুটিংয়ে। আবার কারও উৎসব কেটেছে প্রিয়জনকে স্মরণ করে।অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন। দুর্গাপূজাতেও পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটিয়েছেন তিনি। শারদীয় সাজে তোলা নিজের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।একসময় দুর্গাপূজায় মায়ের সঙ্গে মণ্ডপে যেতেন অভিনেত্রী পূজা চেরী। মা মারা যাওয়ার পর থেকে একাই পূজামণ্ডপে যান তিনি। এবারও পূজার প্রথম দিন থেকেই নিয়ম করে মণ্ডপে ঘুরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতেও তাকে একা দেখা গেছে।মা দুর্গার কাছে পূজা চেরীর প্রার্থনা, সবার দুঃখের অবসান হোক, অন্ধকার দূর হয়ে আলো ছড়িয়ে পড়ুক এবং প্রতিটি হৃদয়ে জেগে উঠুক নতুন আশার আলো। ব্যস্ততায় কেটেছে বাঁধন সরকার পূজার উৎসবসংগীতশিল্পী বাঁধন সরকার পূজার এবারের দুর্গোৎসব কেটেছে ব্যস্ততায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পূজামণ্ডপেও গেছেন তিনি।বিয়ের পর এটিই তার প্রথম দুর্গাপূজা। পূজার ইচ্ছা ছিল উৎসবের অন্তত এক দিন শ্বশুরবাড়ির এলাকা মুন্সিগঞ্জে যাওয়ার। তবে শাশুড়ির অসুস্থতার কারণে পুরো পূজার সময় তাকে ঢাকাতেই কাটাতে হয়েছে।চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরীর কাছে দুর্গাপূজা মানেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। উৎসবের প্রথম দিকে ঢাকায় থাকলেও শেষ দুই দিন নিজের শহর নারায়ণগঞ্জে কাটিয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস, দুর্গাপূজার নবমী ও দশমীর সেরা আয়োজন হয় নারায়ণগঞ্জে।তবে এবারের পূজায় মাকে খুব মনে পড়ছে বাপ্পীর। দুই বছর আগে তার মা মারা যান। গত বছর পূজার সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় মায়ের অভাব তেমন অনুভব করেননি। কিন্তু এবার নিজ শহরে, নিজের বাড়িতে প্রতিটি মুহূর্তেই মায়ের কথা মনে পড়েছে তার।সারা বছর নাচ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও দুর্গোৎসবের সময় পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটিয়েছেন নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত। তার মতে, শৈশব হোক কিংবা বড়বেলা—উৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয়ে যায় না।দুর্গাপূজার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে বিসর্জনই তার বেশি পছন্দ। পূজা সেনগুপ্ত মনে করেন, কোনো কিছুর সমাপ্তি মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়; বরং সেখান থেকেই নতুন কিছু শুরু হওয়ার বা নতুনভাবে কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।গত বছর দুর্গাপূজার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে ছিলেন অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক। এবার তার ইচ্ছা ছিল গ্রামের বাড়িতে গিয়ে উৎসব কাটানোর। তবে একটি বাস্তবধর্মী অনুষ্ঠানমালার শুটিং থাকায় ঢাকাতেই থাকতে হয়েছে তাকে। দিনের বেলা শুটিং করেছেন, আর সন্ধ্যায় সময় বের করে গেছেন পূজামণ্ডপে।শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্ধ্যার পর নিয়মিত পূজামণ্ডপে গেছেন অভিনেত্রী সুষমা সরকার। সন্ধ্যা ও রাতে মণ্ডপে অনুষ্ঠিত আরতি তার বিশেষ পছন্দের। আর বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলাও উপভোগ করেন তিনি।দুর্গাপূজার আনন্দে মানুষের মধ্যে যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়, তা মুগ্ধ করে সুষমাকে।সব মিলিয়ে এবারের দুর্গোৎসব তারকাদের জীবনে বয়ে এনেছে নানা রকম অভিজ্ঞতা। কারও উৎসব কেটেছে ঘোরাঘুরি ও আনন্দে, কারও ব্যস্ততায়, আবার কারও মনে ছিল প্রিয়জন হারানোর বেদনা। আনন্দ, স্মৃতি আর আবেগের মধ্য দিয়েই বিদায় নিচ্ছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

পূজা মণ্ডপ, খাবার আর সাজগোজ নিয়ে তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর

পূজা মণ্ডপ, খাবার আর সাজগোজ নিয়ে তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর

দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালির ঐতিহ্য, ও সংস্কৃতিরও অন্তর্গত। পূজার সময় মণ্ডপ, প্রতিমা, সাজসজ্জা, অঞ্জলি, প্রসাদ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন; এই সবকিছুতেই থাকে আলাদা আবেগ। এখন সেই উৎসবের আনন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে। তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটররা দুর্গাপূজার বিভিন্ন দিক নতুনভাবে তুলে ধরছেন।দুর্গাপূজাকে ঘিরে তৈরি ভিডিওগুলোতে দেখা যায় সাজসজ্জা, ফ্যাশন, এবং পূজার আনন্দ। #Durgapuja হ্যাশট্যাগে ইতোমধ্যে ৫ লাখেরও বেশি ভিডিও টিকটকে পোস্ট করেছেন ইউজাররা। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমানের মতো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এখন তুলে পূজার ফ্যাশন নিয়ে তুলে ধরছেন বিশেষ কনটেন্ট।ইজা (@itss.eza) মূলত মেকআপ, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন। টিকটকে তিনি বিভিন্ন উৎসব ও মৌসুমকে কেন্দ্র করে টিউটোরিয়াল দেন। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, কিংবা কেমন মেকআপ কখন করতে হবে, সেটি তার ভিডিওতে উঠে আসছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি নানা ধরনের ফ্যাশন ও মেকআপ লুকের ভিডিও বানিয়েছেন। শাড়ি পরার ধরন, নানান স্টাইলে চুলে ফুল গোঁজা, আর নতুন চুড়িতে পূজার সাজপোশাক তুলে ধরছেন ইজা। এছাড়া, পূজার ছুটিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়, কিংবা বন্ধুদের সাথে কোথায় সময় কাটানো যায়, এসবও তিনি তুলে ধরছেন।প্রত্যাশার (@protyasha_zh) কনটেন্টে সাজগোজ ও ফ্যাশনের বিষয়বস্তু বেশি দেখা যায়। বেশ কিছু ভিডিও তিনি স্কিনকেয়ার নিয়ে বানিয়েছেন। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ লুক, ফ্যাশন ও ট্রেন্ড নিয়ে তিনি ভিডিও দিয়েছেন। সেসব ভিডিওতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, পূজার প্রাণকেন্দ্র পুরান ঢাকা আর বিভিন্ন ধাঁচের ফ্যাশনও উঠে এসেছে। গয়না, সাজ আর পোশাকের ফিউশন তাঁর ভিডিওগুলোকে সবার থেকে আলাদা করে তোলে। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা শাড়ি, কপালের টিপের সাথে শাঁখা-পলা, ফুলের গয়না ও চুলের সাজ দেখা যায় তার ফ্যাশন কনটেন্টে। পাশাপাশি আবহাওয়া অনুযায়ী আরামদায়ক ও মানানসই সাজের পরামর্শও মিলবে তার কনটেন্টে।শার্লি রহমান (@iamthedemig0d) একজন মেক আপ এবং ফ্যাশন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কেনাকাটার ভিডিওসহ প্রতিদিনের জন্য "গেট রেডি উইথ মি", কিংবা কম খরচে বেস্ট লুকের জন্য "অ্যাফোর্ডেবল গ্ল্যাম" এর মতো কনটেন্ট তুলে ধরেন শার্লি। দূর্গাপুজাকে মাথায় রেখেও তিনি বেশ কিছু ফ্যাশন এবং মেক আপ কনটেন্ট বানিয়েছেন। শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ দুই ধরনের পোশাকের সাথে কেমন সাজ, হেয়ারস্টাইল, গয়না এবং অন্যান্য এক্সেসরিজ পরতে হবে সেটিও তিনি তুলে ধরেন। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমান-এর মতো বর্তমানের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা উৎসবের গল্প বলার ধরন বদলে দিয়েছেন। তাদের কনটেন্টের মাঝে ধর্মীয় উৎসব ঘিরে সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণের বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পূজার রঙ ও আনন্দ নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

ডাউন সিনড্রোম সোসাইটির উদ্যোগে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ডাউন সিনড্রোম সোসাইটির উদ্যোগে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাস ২০২৬ উপলক্ষে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে এক সেমিনার ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন সোসাইটির চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সরদার এ নাঈম, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজি কনসাল্টেন্ট প্রফেসর ডাঃ এম. এ. বাকি, ভিজুয়ালি ইম্পেয়ার্ড পিপলস সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান চৌধুরী, সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মুনির, তরি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশফাক উল কবির, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করীম সিদ্দিকী, জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার বশির আল হোসাইন, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হোসেন খান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ কাজী খলিলুর রহমান, টিম গ্রুপ বিডি’র উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহিল নাকিব, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক অমিতাভ বড়ুয়া এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিগণ ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দৃশ্যমান কার্যক্রম ও উদ্যোগ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। তারা বলেন, সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে তাদের উপযোগী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতি জোর দেন বক্তারা।অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ঢাকার আটটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত ড্যান্স সেলিব্রিটি গ্রুপ পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা মোঃ শাহদাত হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোসাইটির প্রোগ্রাম অফিসার ও সেলফ অ্যাডভোকেসি লিড আহমাদ ইবনে সালেহ।

চুয়েটের অবরুদ্ধ ভিসিকে উদ্ধার করলো পুলিশ

চুয়েটের অবরুদ্ধ ভিসিকে উদ্ধার করলো পুলিশ

এসএসসিতে ১/২ বিষয়ে ফেলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসিতে ১/২ বিষয়ে ফেলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

২৬ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য

২৬ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য

জানা গেল এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

জানা গেল এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা তৃতীয়বার এনএসইউ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খান

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা তৃতীয়বার এনএসইউ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খান

প্রযুক্তিকে দেশের সমস্যা সমাধানে কাজে লাগাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রযুক্তিকে দেশের সমস্যা সমাধানে কাজে লাগাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা

অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন স্থায়ী ঠিকানা না থাকা সেই মিশন আচার্য

অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন স্থায়ী ঠিকানা না থাকা সেই মিশন আচার্য

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

টানা কাজ করা, শারীরিক ও মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা, শুষ্ক ত্বক, বয়স বাড়া ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। আর এটি সৌন্দর্য কমিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে উপকারী। চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার দুই উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।১. শশাশশার মধ্যে রয়েছে ত্বক উজ্জ্বলকারী উপাদান এবং হালকা অ্যাসট্রিসজেন্ট উপাদান। এগুলো চোখের নিচের কালো দাগ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।একটি শশাকে গোল করে কেটে ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে দিন। আক্রান্ত ত্বকে ১০ মিনিট এটি রাখুন। এবার জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।এ ছাড়া সমপরিমাণ শশা ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।২. কাঁচা আলুআলুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং অ্যাজেন্ট। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে উপকারী। পাশাপাশি এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায়।একটা বা দুইটা আলুর খোসা ছিলে, কুচি করে এর রস বের করুন। একটি তুলার বলের মধ্যে ভেজান এবং বলটি চোখের ওপর দিন। এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখের পাতা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের জন্য দিনে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন (তিন হাজার ৬৪১ কোটি ১৮ লাখ) ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন (তিন হাজার ১৬০ কোটি চার লাখ) ডলারে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। গত ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।এরও আগে গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার।গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ও বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।

এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

মিরপুরে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ১৯তম শাখার উদ্বোধন

মিরপুরে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ১৯তম শাখার উদ্বোধন

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শ্রমবাজারে সহযোগিতা জোরদারে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি।সিউলে ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন—এনইএসএ এবং কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়া—সিএকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, কোরীয় ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাণশিল্পে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি।এ সময় বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কোরিয়ার শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে দেশটিতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রেও এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকবে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস

দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকবে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান: ১৯৯ বাংলাদেশিসহ ৬৩০ অভবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান: ১৯৯ বাংলাদেশিসহ ৬৩০ অভবাসী আটক

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র‍্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‌্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‌্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র‌্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে লাখ টাকা আয় মাইনুলের

চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে লাখ টাকা আয় মাইনুলের

বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার সন্ধানে চাকরি খুঁজেছেন নারায়ণগঞ্জের মাইনুল ইসলাম খান। একপর্যায়ে মাসে ৯ হাজার টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাব পেলেও অসুস্থ মাকে রাতে একা রেখে যেতে হবে বলে তাতে যোগ দেননি। পরে মায়ের জোগাড় করে দেওয়া ৪০ হাজার টাকায় কম্পিউটার কিনে শুরু করেন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ। নানা বাধা পেরিয়ে এখন তিনি কাজ করছেন মিডিয়া বায়ার ও গ্রোথ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে। মাইনুল জানান, বর্তমানে তাঁর মাসিক আয় প্রায় তিন থেকে চার হাজার মার্কিন ডলার।২০১২ সাল থেকে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল মাইনুলের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যায় পড়া ব্যক্তিদের সহযোগিতার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও বিনোদনজগতের মানুষের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। তবে নিয়মিত উপার্জনের পথ তৈরি হয় বাবার মৃত্যুর পর।২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল বাবাকে হারানোর পর সংসারের দায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন মাইনুল। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি খুঁজেও সুবিধা করতে পারেননি। তখন আগে থেকে জানা প্রযুক্তির কাজকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর পরিকল্পনায় সংশয় থাকলেও মা ৪০ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন। মায়ের কথাটি এখনো মনে রেখেছেন তিনি—‘তুই পারবি বাবা।’সেই টাকা দিয়ে কেনা ল্যাপটপটি এক মাসের মাথায় নষ্ট হয়ে যায়। পরে মায়ের সহযোগিতায় পুরোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনে আবার কাজ শুরু করেন। ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গুগল অ্যাডস, মেটা অ্যাডস ও ওয়েব অ্যানালিটিক্সে দক্ষতা বাড়ান। ফাইভার ও আপওয়ার্কে কাজের অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন।২০২৩ সালের আগস্টে একটি জাতীয় দৈনিকে সিনিয়র ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যান্ড কনটেন্ট ডেভেলপার হিসেবে যোগ দেন। মাসিক বেতন ছিল ৩০ হাজার টাকা। পরে এক সহপাঠীকে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরে মার্কেটিং এজেন্সি চালু করেন। সেখানে একপর্যায়ে প্রায় ১৫ জন কাজ করতেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্লায়েন্ট কাজ বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে এজেন্সির কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে হয়।এরপর দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যান মাইনুল। ২০২৪ সালের শেষ দিকে একটি বহুজাতিক প্রসাধনী প্রতিষ্ঠানে মিডিয়া বায়ার হিসেবে কাজের সুযোগ পান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের বিজ্ঞাপন বাজেট পরিচালনা করতেন।বর্তমানে দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টদের জন্য মাসে প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ হাজার মার্কিন ডলারের বিজ্ঞাপন বাজেট পরিচালনা করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যবসার প্রবৃদ্ধির কৌশল নির্ধারণ ও ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করছেন। এসব কাজ থেকে তাঁর মাসিক আয় তিন থেকে চার হাজার মার্কিন ডলার বলে জানান তিনি।প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারও শিখেছেন মাইনুল। এখন নেক্সট জেএস, ওয়ার্ডপ্রেস ও শপিফাই ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরির কাজেও এআইকে সহায়ক হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন।মাইনুল জানান, প্রযুক্তিনির্ভর পেশায় টিকে থাকতে হলে নিয়মিত শিখতে হবে এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। এআই আমার শত্রু নয়, এআই এখন আমার পরম বন্ধু।’

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

পাঁচ বছরে আইসিটি খাতের রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী, নিরাপদ ও আস্থাশীল করার লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ‘শিশু সুরক্ষা নীতিমালা’ বা চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। এ ছাড়া শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি ও অনুপযুক্ত স্পর্শের কঠোর সমালোচনা করে শিক্ষকদের নিয়মিত মনস্তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ এবং অপরাধে জড়িতদের ব্ল্যাকলিস্টিংয়ের আহ্বান জানান তিনি।আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা বলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী।ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, এ দেশে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে হাজারো আলিম, আলিমা ও দ্বীনদার প্রজন্ম গড়ে তোলার নেপথ্যে মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জনমনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমন বাস্তবতায় প্রভাবশালী আলিম, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং মাদ্রাসা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত খোলামেলা ও আত্মসমালোচনামূলক আলোচনা করা। ভুলগুলো নিজেরা সংশোধন না করলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পক্ষ সেই সুযোগ নেবে, যার ফলে পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই অযাচিত চাপ ও সংকটের মুখে পড়তে পারে।মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে ওঠা অসংখ্য সিসি ক্যামেরাহীন, অনিবন্ধিত ও তদারকিহীন প্রতিষ্ঠানের অপ্রীতিকর ঘটনার চিত্র উঠে আসার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার অর্থ এই নয় যে তা জবাবদিহিতা, সুশাসন ও মানোন্নয়নের ঊর্ধ্বে থাকবে। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনুমোদন, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিরাপদ অবকাঠামো, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষকদের আচরণ ও পাঠদান পদ্ধতির বিষয়ে আজহারী বলেন, শিশুদের বয়স, মানসিক বিকাশ ও আবেগের ধরণ বুঝে শিক্ষকদের বয়সোপযোগী ও মানবিক আচরণ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত বা ভয় দেখানোর ঘটনা শিশুর মনে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমা সৃষ্টি করে, যা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা নয়, শিক্ষা হলো সন্তানের স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিকাশ।বিশেষ করে আবাসিক মাদ্রাসাগুলোর সুরক্ষায় কার্যকর নীতিমালার তাগিদ দিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, প্রতিটি মাদ্রাসায় চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির নিরাপদ ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর গোপনীয়তা রক্ষার স্পষ্ট নির্দেশ থাকতে হবে। শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গুরুতর নির্যাতনের ঘটনা অভ্যন্তরীণভাবে ধামাচাপা না দিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।গুরুতর অপরাধে জড়িত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আজহারী জানান, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা যাতে পুনরায় অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ না পান, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে অভিযোগ ও প্রমাণিত অপরাধের পার্থক্য বজায় রেখে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।পরিশেষে মিজানুর রহমান আজহারী স্পষ্ট করেন, এই পর্যালোচনা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নয়; বরং ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রেখে দ্বীনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই। আলেম-ওলামা, পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

শিরোনাম
এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের প্রধানমন্ত্রীর ধামরাইয়ে কাকরান এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত আবুল হোসেনের মৃত্যু বগুড়ায় পাঠদানকালে ৬ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাইরে, তিন শিক্ষিকাকে শোকজ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ২০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের জাপানের প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, ধস্তাধস্তি এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের প্রধানমন্ত্রীর ধামরাইয়ে কাকরান এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত আবুল হোসেনের মৃত্যু বগুড়ায় পাঠদানকালে ৬ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাইরে, তিন শিক্ষিকাকে শোকজ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ২০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যের প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি জামায়াত-শিবিরের জাপানের প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তারেক রহমান সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার এনবিআর চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় টিআইবি ক্রসফায়ার বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বোঝাননি আইজিপি: পুলিশ বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, ধস্তাধস্তি এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা