ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

৩৩৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

৩৩৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৯ নম্বর জেটিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরে দুটি আধুনিক জেটি নির্মাণের পাশাপাশি কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বছরে চার লাখ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট বন্দর হিসেবে মোংলাকে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বন্দরের আধুনিকায়ন এবং কনটেইনার পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০ ও ১১ নম্বর জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কনটেইনার লোডিং-আনলোডিং ইয়ার্ড, বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক ইয়ার্ড এবং প্রয়োজনীয় ৪৯টি যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ হিসেবে ৩৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪০ মিটার প্রস্থের জেটি নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে একসঙ্গে দুটি ২০ হাজার ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার জাহাজ অথবা একটি ৫০ হাজার ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার জাহাজ ভেড়ানো যাবে। প্রকল্পের মোট আয়তন ২ লাখ ২৭ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার, খালি কনটেইনার ইয়ার্ড ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার, বিপজ্জনক কনটেইনার ইয়ার্ড ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার, অভ্যন্তরীণ সড়ক ৫০ হাজার ৪০০ বর্গমিটার, প্রশাসনিক ভবন ২ হাজার ৫১৭ বর্গমিটার এবং কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) ৩ হাজার ৯০৯ বর্গমিটার।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় ৩০ টিইইউতে উন্নীত হবে। বার্ষিক চার লাখ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জিত হবে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ব্যয় কমার পাশাপাশি নিরাপদে কনটেইনার সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি হবে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগ কার্যক্রম সহজীকরণেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।ইতোমধ্যে মোংলা বন্দরে বহুমাত্রিক পরিবহন সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে তৈরি পোশাকশিল্প, নিটওয়্যার, খাদ্যপণ্য, পাটকল ও শিপিং খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পৃথক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রকল্পটির পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর চীনের রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তিতে প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০২১ সালের ২৬ আগস্ট চীনা অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে। একই বছরের ২৫ মার্চ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসির মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২৫ জুন চীন সফরকালে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি (সিআইডিসিএ) এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকার সমপরিমাণ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরে জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ সম্প্রসারণেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে। আধুনিক বন্দর অবকাঠামোর সঙ্গে প্রস্তাবিত চীনা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সমন্বয়ে মোংলাকে সামুদ্রিক বাণিজ্য, শিল্প বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক লজিস্টিকস কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন ফারুক, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, নৌপরিবহন সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।চীনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিসিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন, বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কাউন্সেলর সং ইয়াং এবং সিসিইসিসির চেয়ারম্যান লি চংইয়াং। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলের কাছে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। পরে প্রকল্পের বাস্তবায়নসহ দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ জন।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন এবং খুলনা বিভাগে একজন রয়েছেন।নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৫৯৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে (ঢাকা মহানগরসহ) সর্বোচ্চ ৫৮৮ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৫ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৩ জন, খুলনা বিভাগে ২২১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৬৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আরও পড়ুন: হামের টিকা নিয়ে অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠনস্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৪৫২ জনের। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ জন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫ হাজার ৮৩৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২ হাজার ৫৯৮ জন, খুলনা বিভাগে ৯৭৩ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৯১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৬৫২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ২২৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৬০ জন রয়েছেন।ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এক দিনে সাতজনের মৃত্যু এবং দেড় হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেছেন।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনেও সারা দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসরেরও উদ্বোধন করেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং প্রতিযোগিতার ১০টি শ্রেণিতে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা স্টেডিয়ামে পৌঁছলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজুল আলম খান প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।এ সময় গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদরা প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। শিশু-কিশোররা তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে।প্রধানমন্ত্রী মাঠের ভেতর দিয়ে গ্যালারির কাছাকাছি গিয়ে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের হাত নেড়ে তার শুভেচ্ছা জানান।‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এবারের প্রতিযোগিতায় আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে, মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ক্ষুদে খেলোয়াড়রা। অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১৪ বছর।শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গত ২ মে সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করা হয়েছিল। দ্বিতীয় আসরে নতুন কুঁড়ির এই কর্মসূচিতে খুলনায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে।এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই ও তাদের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় সরকার।বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া পরিদপ্তর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

    ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

  • হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু

  • বাংলাদেশ-চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ-চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

  • নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

    নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

  • ব্যাংককজুড়ে অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবলয়: পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা, কে-নাইন স্কোয়াড ও বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

    আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ব্যাংককজুড়ে অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবলয়: পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা, কে-নাইন স্কোয়াড ও বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

  • আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা কাটাতে পুনঃঅর্থায়নের উদ্যোগ: তিতুমীর

    আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা কাটাতে পুনঃঅর্থায়নের উদ্যোগ: তিতুমীর

সব খবর

সব খবর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার ( ৫ নভেম্বর) নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্তের কথা জানান ৪১ বছর বয়সি এই তারকা।পর্তুগালের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচ খেলে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।গত মাসে পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধে জড়ান রোনালদো। নেশন্স লিগের একটি ম্যাচে তাকে মাঠে নামাতে অস্বীকৃতি জানান কোচ। এর পরপরই দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান এই ফরোয়ার্ড। সেই ঘটনার পর থেকেই জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। এবার বড় সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেললেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় এই তারকা।

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দফায় দফায় জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে সমাবেশ শেষে মিছিলটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মিছিলে শত শত নারী হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।সমাবেশে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি। মানুষের আয় ও দ্রব্যমূল্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। অবিলম্বে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। তাদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতি বন্ধ করে যথাসময়ে বেতন পরিশোধ করতে হবে। ন্যায্য আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাঙচুর বা কারখানায় অগ্নিসংযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পিপিপি পদ্ধতিতে ঢাকার পাঁচ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পিপিপি পদ্ধতিতে ঢাকার পাঁচ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রথম পর্যায়ে ঢাকার পাঁচটি তৃতীয় স্তরের হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য শহরেও এ সেবা সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) এসজেডএমসি ডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পিপিপি পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা চালুর বিষয়ে ঢাকার পাঁচটি তৃতীয় স্তরের হাসপাতালের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। তবে সেবার বিপরীতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ অর্থ নেবে, তা নিয়ে আগামী সপ্তাহে আরেকটি বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হলে কার্যক্রম শুরু করা হবে।তিনি বলেন, ‘প্রথমে ঢাকার পাঁচটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম চালু করব। এরপর যথাসম্ভব অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে দেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে আগ্রহী এবং আমরা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছি।’বগুড়া উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম কেন্দ্র উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে ক্যানসার ও লিভারসহ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। হাসপাতালের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে দিতে বলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধান করা হবে।শজিমেকে শিশুদের জন্য পৃথক আইসিইউ না থাকা এবং চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে নতুন করে প্রায় ২০টি আইসিইউ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়াও রয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন যোগ দেওয়া ৫০০ চিকিৎসকের মধ্যে ১৭ জনকে বগুড়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে পদায়ন করা হয়েছে। আরও চিকিৎসক দেওয়া হবে। এ ছাড়া পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে, বর্তমানে পিএসসির মাধ্যমে সাক্ষাৎকারের প্রক্রিয়া চলছে।হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বড় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১৫টি স্থানে এ কার্যক্রম রয়েছে। বগুড়াসহ যেসব হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই, সেগুলোও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে।স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে স্বাস্থ্য খাতের অবনতি হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ খাতকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এ নিয়ে গতকালও বৈঠক হয়েছে।

অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন উপলক্ষে রাজধানীর সংসদ ভবন ও আশপাশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী ৯ নভেম্বর রবিবার রাত ১২টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সের ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত। বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত এলাকাও এর অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে আসাদগেট পর্যন্ত এলাকা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।পাশাপাশি খামারবাড়ি থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং উল্লিখিত সীমানার ভেতরে থাকা সব সড়ক ও গলিপথেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময় থেকে এসব এলাকায় কোনো ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় পদার্থ বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সংসদের অষ্টম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডিএমপির এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‌‌'Visa Undertaking Form' বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এ তথ্য জানানো হয়।অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে:হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ফর্মে কী কী তথ্য লাগবেপ্রকাশিত এক পাতার 'Visa Undertaking Form' অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক। এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো- পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন- ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি।৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনও অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না। ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনও কাজে জড়াবেন না। কোনও আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে।সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক

পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক

আদালত থেকে জামিন পেয়ে বের হওয়ার সময় মেজাজ হারিয়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর চড়াও হয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পাওয়ার পর আদালত চত্বর ত্যাগ করার সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় পরীমণি ওই সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলতে শোনা যায়, ‘তুই আমার গায়ে হাত দিলি কেন?’ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িতে ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর বেজায় চটে যান অভিনেত্রী এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তবে যাকে উদ্দেশ্য করে পরীমণি এই অভিযোগ করেন, সেই সাংবাদিক তাৎক্ষণিকভাবে তা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কেন আপনার গায়ে হাত দেব? আমার ট্রাইপড ভেঙে দিলেন কেন?’ এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা অন্য এক ব্যক্তির কণ্ঠেও প্রতিবাদ করতে শোনা যায়, যিনি বলেন, ‘আপনি টেনে হাত ছিলে ফেলছেন।’ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হেনস্তার শিকার ওই জাতীয় দৈনিকের ডিজিটাল বিভাগের সাংবাদিক বলেন, ‘তিনি মূলত একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতেই আদালতে এসেছিলেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার সময় অন্য সংবাদকর্মীদের পাশাপাশি আমিও তাঁর ফুটেজ ধারণ করছিলাম। ঠিক যে মুহূর্তে তিনি লিফটে উঠছিলেন, তাঁর বডিগার্ডরা আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এর পরও আমি ফুটেজ নেওয়া চালিয়ে গেলে, তিনি হঠাৎ আমার ফোনে হাত দেন এবং খামচে ধরে ফোনটি কেড়ে নেন। পরে আমি তাঁর হাত থেকেই ফোনটি উদ্ধার করি।’তিনি আরও যোগ করেন, ‘মামলার শুনানি শেষ করে নিচে নামার পর আমাকে দেখে তিনি আবারও তেড়ে আসেন। এ সময় তিনি চরম ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এলোপাতাড়ি অকথ্য ও গালিগালাজপূর্ণ ভাষায় কথা বলতে থাকেন।’এর আগে আজ সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন পরীমণি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন দেন আদালত।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান

ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান

শেষ দল হিসেবে আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ওমান। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ ২-এর আট দলের পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানে থাকায় বাছাই পর্বের টিকিট পায় ওমান।বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে লিগ-২ এর শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ৪২ রানে হারে ওমান। ৩৬ ম্যাচ খেলে ৩৩ পয়েন্ট আছে ওমানের। একই চিত্র নামিবিয়ারও। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে থাকায় চতুর্থ স্থানে থেকে ওমান বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে জায়গা করে নেয়।ওমানের রান রেট -০.২২৪। পঞ্চম স্থানে থাকা নামিবিয়ার রান রেট -০.২২৪। তবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে খেলবে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক নামিবিয়া। লিগ ২-এ পয়েন্ট টেবিলের শেষ চার দল হিসেবে নামিবিয়ার সঙ্গে প্লে-অফে খেলবে- নেপাল, আরব আমিরাত ও কানাডা।লিগ-২ এর পয়েন্ট টেবিলের প্রথম চার দল সরাসরি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলবে। সেরা চারের মধ্যে থেকে ওমানের পাশাপাশি বাছাই পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস।সমান ৩৬ ম্যাচ খেলে যুক্তরাষ্ট্র ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, স্কটল্যান্ড ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় এবং নেদারল্যান্ডস ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিল।আগামী বছর ২ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ১৪টি দল নিয়ে ১২টি ভেন্যুতে মোট ৫৭ ম্যাচ হবে

লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম

লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম

লংমার্চ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে সরকারই সবচেয়ে বড় লংমার্চের আয়োজন করত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, লংমার্চ কিংবা ফাঁকা সিলিন্ডার দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ সরকারকে পাঁচ বছর সময় দিয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় ১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।মীর শাহে আলম বলেন, হুমকি-ধমকি বা আন্দোলনের পথে না গিয়ে বিরোধীদের সংসদে এসে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া উচিত।গবেষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে মেধাবী ব্যক্তিরা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। কিন্তু দেশে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে তিন-চার নম্বর বেঞ্চে বসা ব্যক্তিরা একসময় মহাপরিচালক (ডিজি) হন। গবেষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পর দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মেলা ও বাজারব্যবস্থাপনা পণ্য উৎপাদক ও ক্রেতাদের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। আগের সরকারের সময়ে সঠিক জরিপ না হওয়ায় দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা, পরিবারের সংখ্যা ও কৃষকের সংখ্যা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।কৃষিতে আমদানিনির্ভরতা কমছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টমেটো, কাঁচামরিচ, চিনি ও সয়াবিন তেল ছাড়া তেমন কিছু আমদানি করতে হয় না। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে সার খাতে সরকারকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খনন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, গত ২০ বছরে কেন নতুন গ্যাসকূপ খনন করা হয়নি, তার জবাব দিতে হবে। ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি আগেই কেন বিবেচনা করা হয়নি, সেই প্রশ্নও রয়েছে। বর্তমানে ভোলার সঙ্গে গ্যাস সংযোগ তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি নতুন করে ৫২টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাতে ভোট করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচন করার ইচ্ছা তারেক রহমানেরও নেই। সফল হয়েই ২০৩১ সালের নির্বাচনে জনগণের কাছে যাবে সরকার।বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলকে অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, পুষ্টিগুণ বাড়াতে ফর্টিফাইড বা পুষ্টিসমৃদ্ধ আটা-ময়দা বাজারজাতের জন্য নীতিমালা করা হচ্ছে। ভোজ্যতেলে ভিটামিন এ যোগ করার মতো চাল ও আটাকেও পুষ্টিসমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‌‌'Visa Undertaking Form' বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এ তথ্য জানানো হয়।অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে:হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ফর্মে কী কী তথ্য লাগবেপ্রকাশিত এক পাতার 'Visa Undertaking Form' অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক। এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো- পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন- ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি।৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনও অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না। ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনও কাজে জড়াবেন না। কোনও আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে।সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরে ৬, নারায়ণগঞ্জে ৪ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন

গাজীপুরে ৬, নারায়ণগঞ্জে ৪ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন

অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: হুমায়ুন কবির

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: হুমায়ুন কবির

লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম

লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম

শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

নির্বাচনে বিপুল অর্থ ঢেলে ব্যর্থ হয়ে ইলন মাস্কের উপহাস

নির্বাচনে বিপুল অর্থ ঢেলে ব্যর্থ হয়ে ইলন মাস্কের উপহাস

‘ট্রাম্প এখনও আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, কেন লিখলো হোয়াইট হাউস

‘ট্রাম্প এখনও আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, কেন লিখলো হোয়াইট হাউস

ট্রাম্পের ফলাফল বিপর্যয়ে তেহরানের সমাবেশে হাজারো মানুষের উপহাস

ট্রাম্পের ফলাফল বিপর্যয়ে তেহরানের সমাবেশে হাজারো মানুষের উপহাস

সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় চীন

সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় চীন

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দফায় দফায় জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে সমাবেশ শেষে মিছিলটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মিছিলে শত শত নারী হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।সমাবেশে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি। মানুষের আয় ও দ্রব্যমূল্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। অবিলম্বে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। তাদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতি বন্ধ করে যথাসময়ে বেতন পরিশোধ করতে হবে। ন্যায্য আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাঙচুর বা কারখানায় অগ্নিসংযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দায় সরকারকেই নিতে হবে: মজিবুর রহমান মঞ্জু

শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দায় সরকারকেই নিতে হবে: মজিবুর রহমান মঞ্জু

এই সংবিধান ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়: মজিবুর রহমান মঞ্জু

এই সংবিধান ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়: মজিবুর রহমান মঞ্জু

সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো: মজিবুর রহমান মঞ্জু

এবি স্বেচ্ছাসেবক পার্টির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো: মজিবুর রহমান মঞ্জু

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কূটনীতিকদের বৈঠক, আলোচনায় গণভোট

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কূটনীতিকদের বৈঠক, আলোচনায় গণভোট

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: জামায়াত আমির

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: জামায়াত আমির

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের কারামুক্তি

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের কারামুক্তি

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

নেত্রকোনার মদনে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৭০ বছরের আনোয়ারা বেগম নিহত

নেত্রকোনার মদনে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৭০ বছরের আনোয়ারা বেগম নিহত

৩৩৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

মোংলা বন্দরে চার বছরে যুক্ত হচ্ছে দুটি আধুনিক জেটি ৩৩৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

গোপালগঞ্জের ক্লাসরুমে জয় বাংলা স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

গোপালগঞ্জের ক্লাসরুমে জয় বাংলা স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

‎গোপালগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।‎‎বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলাজুড়ে বইছে আলোচনা-সমালোচনা। এদিকে এ ঘটনায় স্কুলটির নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ‎‎ছাড়পত্র পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- স্কুলের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আলীরাজ, শাহজালাল মুন্সি, কাজী সাইদুল ইসলাম সাইদ, শ্রান্ত মজুমদার। শেখ আব্দুল্লাহ তাসীন, রাইয়ান খান, রিয়াজুল মুন্সি, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেজাউল করীম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ কাজী। ‎‎জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর স্কুল ছুটির সময় শ্রেণিকক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয় স্কুলটির বিভিন্ন শ্রেণির ৯ শিক্ষার্থী। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এঘটনায় পরদিন স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বুধবার স্কুল থেকে ওই শিক্ষার্থীদের বদলির ছাড়পত্র দেওয়া হয়।‎বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিয়াউর হক বলেন, গত ৬ অক্টোবর দুপুরে ছুটির সময় স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা, শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে’সহ নানা ধরনের রাজনৈতিক স্লোগান দেয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাকে ঘটনার তদন্ত করতে নির্দেশ দেন। পরে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটিগঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে এ ঘটনার সাথে জড়িত শিক্ষার্থীদের টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হয়। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করেছি মাত্র।

গাজীপুরে ঝুট গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরে ঝুট গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ধামরাইয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সোলার সিস্টেম স্থাপনে অবহিতকরণ সভা

ধামরাইয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সোলার সিস্টেম স্থাপনে অবহিতকরণ সভা

গাজীপুরে শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন পোশাক শ্রমিকরা

গাজীপুরে শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন পোশাক শ্রমিকরা

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে বড় ছেলের ঘরে ঠাঁই পেলেন ৯৫ বছর বয়সী বাবা

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে বড় ছেলের ঘরে ঠাঁই পেলেন ৯৫ বছর বয়সী বাবা

বগুড়াকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগরী করতে নাগরিকদের নানা দাবি

ফুটপাত দখলমুক্ত, সড়ক প্রশস্তকরণ ও যানজট নিরসনের আহ্বান • বড় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব • উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস এমপির বগুড়াকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগরী করতে নাগরিকদের নানা দাবি

বগুড়ায় অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্টসহ গ্রেপ্তার ৩

ডিবির অভিযানে ছয় মোবাইল ফোন জব্দ, বিকাশ-নগদ ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বড় অঙ্কের লেনদেনের তথ্য বগুড়ায় অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্টসহ গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার ( ৫ নভেম্বর) নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্তের কথা জানান ৪১ বছর বয়সি এই তারকা।পর্তুগালের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচ খেলে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।গত মাসে পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধে জড়ান রোনালদো। নেশন্স লিগের একটি ম্যাচে তাকে মাঠে নামাতে অস্বীকৃতি জানান কোচ। এর পরপরই দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান এই ফরোয়ার্ড। সেই ঘটনার পর থেকেই জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। এবার বড় সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেললেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় এই তারকা।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান

ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান

নতুন দায়িত্বে ইশরাক হোসেন

নতুন দায়িত্বে ইশরাক হোসেন

প্রথমবার বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজ, খেলবেন মেলবোর্ন রেনেগেডসে

প্রথমবার বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজ, খেলবেন মেলবোর্ন রেনেগেডসে

মিরপুর টেস্ট: বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজের

মিরপুর টেস্ট: বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজের

নাঈমের ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংয়ে দেড়শ পেরোল বাংলাদেশের লিড

নাঈমের ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংয়ে দেড়শ পেরোল বাংলাদেশের লিড

আরচারিতে তিন স্বর্ণ জিতে এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ

আরচারিতে তিন স্বর্ণ জিতে এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ

পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক

পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক

আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে পরীমণি

আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে পরীমণি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে হাজির হয়েছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বুধবার পরীমণির মনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত। এই মামলায় পরীমনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন। এজন্য সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরীমনি আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন। আশা করি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করবেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার এ মামলায় সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। আসামি পরীমণির পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। সেখানে বলা হয় এলার্জি জনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।এর আগে, গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ২০২৪ সালে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। একইসঙ্গে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২৪ সালের ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।এ মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমণি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন এবং দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।এতে আরও বলা হয়, বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাসিরকে ডাক দেন। তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসারও অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে পরীমণি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসিরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাকে গালমন্দ করেন। নাসির এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে পরীমণি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন।বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমণি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য, পরীমণি সাভার থানায় বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন।২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর, হত্যাচেষ্টা ও হুমকির অভিযোগে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন।মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন তারা। রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় পরীমনি তাকে ডাক দেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন।এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন, যা তার মাথা ও বুকে আঘাত করে বলে অভিযোগ করেন নাসির উদ্দিন।মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের এপ্রিলে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।পুলিশ ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তদন্তে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পিবিআই। পাশাপাশি পরীমনির ছোড়া মদের গ্লাসে নাসির উদ্দিনের আঘাত পাওয়ার ঘটনারও সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলার পথে অনেক ভুল করেছি: মৌসুমী

চলার পথে অনেক ভুল করেছি: মৌসুমী

চিত্রনায়িকা মৌসুমী ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় ও প্রিয় মুখগুলোর মধ্যে অন্যতম। গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে রুপালি পর্দায় পা রাখার পর থেকেই নিজের অসাধারণ অভিনয়, অনবদ্য সৌন্দর্য আর সাবলীল অঙ্গভঙ্গিতে কোটি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। আজ এ নন্দিত অভিনেত্রীর জন্মদিন।দীর্ঘ অভিনয়ের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক ব্লকবাস্টার ও জনপ্রিয় সিনেমা। বর্তমানে এ অভিনেত্রী অবস্থান করছেন আমেরিকায়। পেয়েছেন দেশটিতে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি। মৌসুমী বলেন, মানুষ চলার পথে অনেক ভুল করে। সেই ভুলগুলোই একসময় জীবনে অনুশোচনা হয়ে ফিরে আসে। আবার ভুলও মানুষের জীবনে প্রয়োজন আছে। ভুল করলে মানুষ একসময় বুঝতে পারে যে তার ভুল হয়েছে, সেই ভুল থেকে শেখারও চেষ্টা করে একসময়। আমি নিজেও হয়তো চলার পথে ভুল করেছিলাম, সেসব ভুল শুধরে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছি বলেই আমি আজ এত দূর আসতে পেরেছি। এটাও সত্যি, ভুল একজন মানুষকে খাঁটি মানুষে পরিণত করে উপলব্ধি থেকে।এই অভিনেত্রী বলেন, ভুল করলে ঝামেলায় পড়তে হয়, তবে ভুল ফেস করাটাও জীবনের অংশ। ভুল-ভ্রান্তি, আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না এই নিয়েই তো আসলে জীবন। যে জীবনের যোদ্ধা আমি, আমরা সবাই।তিনি বলেন, আমরা যখন একসঙ্গে কাজ করতাম, তখন সিনিয়র জুনিয়ররা একটা টিম হয়ে কাজ করতাম। যে কারণে আমরা খুব বেশি যে নিরাপত্তহীনতায় ভুগতাম এমনটা নয়। তবে হ্যাঁ ইন্ডাস্ট্রির মধ্য থেকে আমাকে, আমাদের শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেনি। নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেদেরই করে নিতে হয়েছে সবসময়।অভিনেত্রী বলেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি একটা রাজনীতির জায়গা। ছোট ছোট বিষয় নিয়েও রাজনীতি হয় এখানে। সেসব নোংরা রাজনীতির মধ্যে পড়ে যেতাম আমি, আমরা। যে কারণে এসব ঝামেলা এড়ানোর জন্য নিজেরাই গ্রুপ মেইনটেইন করতাম, যাতে বিপদে পড়লেও তা থেকে উত্তরণ হওয়া যায়। আমরা যারা একসঙ্গে কাজ করতাম আমাদের মধ্যে কোনো জেলাসি ছিল না। আর ইন্ডাস্ট্রি নারী শিল্পীদের যে খুব বেশি সম্মান দিয়েছে তা বলব না, নারী শিল্পীরা যতটুকুই পেয়েছে তাদের যোগ্যতার কারণেই পেয়েছে। হোক সেটা শ্রদ্ধেয় শাবানা, ববিতা ম্যাডাম কিংবা আমিসহ অন্যদের ক্ষেত্রে। আমি মনে করি তারা নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই সম্মান আদায় করে নিয়েছেন।

তানিয়া বৃষ্টির আয়ু আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর, জানান চিকিৎসক

তানিয়া বৃষ্টির আয়ু আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর, জানান চিকিৎসক

মস্তিষ্কে টিউমার, অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি, এমনকি লাইফ সাপোর্টেও থাকতে হয়েছে তাকে। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। ভারতের চেন্নাইয়ের চিকিৎসকরা একপর্যায়ে জানিয়েছিলেন, তার আয়ু হয়তো আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর। এমন পূর্বাভাসে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও হাল ছাড়েননি অভিনেত্রী। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অনিশ্চয়তার দিন পেরিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। প্রায় ১০ মাসের বিরতি কাটিয়ে সম্প্রতি ফিরেছেন শুটিংয়েও। তার ভাষায়, নতুন করে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো যেন দ্বিতীয় জন্মের মতো।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অসুস্থতা, চিকিৎসার অভিজ্ঞতা ও কাজে ফেরার অনুভূতি নিয়ে কথা বলেছেন তানিয়া বৃষ্টি। জানিয়েছেন, সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এখন আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো আছেন। দীর্ঘ ১০ মাস পর আবার স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া, হালকা ব্যায়াম ও হাসিখুশি সময় কাটাতে পারছেন।অস্ত্রোপচারের পর নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগতে হয়েছে তাকে। মাথার ডান পাশের সমস্যার কারণে বাঁ দিকে কাত হয়েও ঘুমাতে পারতেন না। ছিল প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথা ঘোরা ও নিয়মিত বমির সমস্যা। রেডিওথেরাপির কঠিন সময় পার করে এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন এই অভিনেত্রী। দীর্ঘ বিরতির পর ইকসান রনির পরিচালনায় ‘অংশীদার’ নাটকের মাধ্যমে শুটিংয়ে ফিরেছেন তানিয়া।এতে ‘সুমি’ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। পারিবারিক সম্পত্তি ও আর্থিক লেনদেনের টানাপড়েন নিয়ে নির্মিত নাটকটির গল্পে বাবার মৃত্যুর পর চাচার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে তার চরিত্রটি।দীর্ঘদিন শুটিং থেকে দূরে থাকায় কাজের পরিবেশকে ভীষণ মিস করছিলেন তানিয়া। সহকর্মীদের নিজের পরিবারের মতো মনে করেন তিনি। তাই শুটিংয়ে ফেরাটা তার কাছে শুধু পেশাগত প্রত্যাবর্তন নয়, মানসিকভাবেও স্বস্তির। প্রথম দিনের শুটিংয়ে পরিচালক, চিত্রগ্রাহক ও প্রযোজনা দলের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় রেখে বিশেষ যত্ন নিয়েছেন।তবে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় কাজে ফেরার সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। চিকিৎসকরা প্রথমে তাকে শুটিংয়ের অনুমতি দিতে চাননি। কারণ, এখনো কেমোথেরাপির চিকিৎসা চলছে। এ অবস্থায় কাজের চাপ থেকে শারীরিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ঘরে বসে থাকতে থাকতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলেন তানিয়া। শেষ পর্যন্ত অনেক অনুরোধ করে একটি নাটকে কাজ করার অনুমতি নেন। এখনো তার দুই মাসের কেমোথেরাপি বাকি। চিকিৎসা শেষ হলে এমআরআই ও সিটি স্ক্যান করে টিউমারের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন চিকিৎসকরা।তানিয়ার অসুস্থতার শুরু গত বছরের ডিসেম্বরে। একটি নাটকের শুটিং চলাকালে হঠাৎ তীব্র মাথা ব্যথা শুরু হয় তার। টানা চার দিন অসুস্থতা নিয়েই কাজ চালিয়ে যান। পঞ্চম দিনে শুরু হয় প্রচণ্ড বমি। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরদিনই জানা যায়, মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে।শুরুতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার আশা থাকলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে পড়ে। ভারতের চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক অনকোলজিস্টের কাছ থেকে আয়ু নিয়ে ভয়াবহ পূর্বাভাস শুনতে হয় তাকে। চিকিৎসক জানান, তার আয়ু হয়তো আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর। এমন কথা শোনার পর মানসিকভাবে বড় ধাক্কা খান অভিনেত্রী।প্রথম অস্ত্রোপচারের আগে ঢাকায় থাকতেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তানিয়া। পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের সঙ্গে কথাবার্তাতেও ছিল বিদায়ের সুর। পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের সময় শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হয়। একপর্যায়ে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখতে হয়। জ্ঞান ফেরার পর আইসিইউর পরিবেশ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে পাশে মা ও বোনকে দেখে কিছুটা সাহস পান।অসুস্থতার পুরো সময়ে মায়ের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তানিয়া। বাবা না থাকায় রাত জেগে মেয়ের সেবা করেছেন মা। পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনা ও ভালোবাসা তাকে কঠিন সময় পার করার শক্তি জুগিয়েছে। এ ছাড়া সহকর্মী মোশাররফ করিম, নিলয় আলমগীর এবং প্রযোজক আলী বশীরসহ নাট্যাঙ্গনের অনেকেই নিয়মিত তার খোঁজখবর নিয়েছেন।অসুস্থতার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল তার মৃত্যুর গুজবও। তবে সব প্রতিকূলতা পেছনে ফেলে এখন নতুন করে জীবন ও কাজের স্বপ্ন দেখছেন তানিয়া। ২০১২ সালে ভালোবাসা থেকেই অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। এবারও সেই ভালোবাসা আর আগের উদ্দীপনা নিয়েই ক্যারিয়ারকে নতুন করে এগিয়ে নিতে চান।জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের উদ্দেশেও দিয়েছেন সাহসী বার্তা। তার মতে, রোগের নাম শুনেই মনোবল হারালে চলবে না। মানসিক দৃঢ়তা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং পরিবারের সঙ্গে ইতিবাচক সময় কাটানো জরুরি। কঠিন সময়েও আশা না হারিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

৭৫ হাজার টাকার শাড়িকাণ্ডের জেরে করা মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে মামলাটি করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ও ভেলমেট-ইয়ুথ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত আগামী ২৩ নভেম্বর তানজিন তিশাকে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় করা ওই মামলার পর বিভিন্ন সময়ে তানজিন তিশা তাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেন এবং ক্ষতি করার ভয় দেখান বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর মুঠোফোনে বাদীকে হুমকি দিয়ে তানজিন তিশা বলেন, ‘আমি যদি তোমার পেছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না।’ এছাড়া ডিবি পুলিশ নিয়ে বসার কথাও তিনি বলেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।বাদীর দাবি, আগের মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হলে তদন্ত কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন তিনি।আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, তদন্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তানজিন তিশা ক্ষিপ্ত হন। এরপর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়। মামলা তুলে না নিলে তাকে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাদী।এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে নিকটস্থ থানায় মামলা করতে গেলে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

শোবিজ অঙ্গনে বেশ কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন, ভাঙনের মুখে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সংসার। সত্যিই আলাদা হয়ে যাচ্ছেন এই তারকা দম্পতি?মোস্তফা সরয়ার ফারুকী দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে উড়ো খবর বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না তিনি বা তিশা।ফারুকী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে তো নানা প্রোপাগান্ডা, মিথ্যা নিউজ প্রচার শুরু হয়েছে আরও আগে থেকে। এখন চলছে ব্যক্তিগত আক্রমণ। আসলে মিথ্যা নিউজে তো ঘটনা সত্য হয় না। আর এসব নিয়ে কথা বলা মানে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই এ বিষয়ে আমি বা তিশা কেউই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নতুন আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে মিটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিশা। সিনেমাটি নিয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি ফারুকী। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন তিশা। অন্যদিকে, ফারুকী বর্তমানে তিনটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের কাজে ব্যস্ত। পাশাপাশি লিখছেন নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য। এর মধ্যে একটি সিনেমার নাম আপাতত রেখেছেন ‘টু হেল, উইথ লাভ’। আরেকটি সিনেমার গল্প সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, যার নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল, যেভাবে করবেন

এইচএসসি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল, যেভাবে করবেন

মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে সড়ক অবরোধ শেকৃবির

মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে সড়ক অবরোধ শেকৃবির

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

তারেক রহমানের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের রিপোর্ট করাই কি কাল হলো চবি শিক্ষক শাহ আলমের?

তারেক রহমানের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের রিপোর্ট করাই কি কাল হলো চবি শিক্ষক শাহ আলমের?

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আসন প্রায় ১১ লাখ, মূল ক্যাম্পাসে মাত্র ৬৪ হাজার

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আসন প্রায় ১১ লাখ, মূল ক্যাম্পাসে মাত্র ৬৪ হাজার

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, যা জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, যা জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতায় কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতায় কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

টানা কাজ করা, শারীরিক ও মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা, শুষ্ক ত্বক, বয়স বাড়া ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। আর এটি সৌন্দর্য কমিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে উপকারী। চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার দুই উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।১. শশাশশার মধ্যে রয়েছে ত্বক উজ্জ্বলকারী উপাদান এবং হালকা অ্যাসট্রিসজেন্ট উপাদান। এগুলো চোখের নিচের কালো দাগ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।একটি শশাকে গোল করে কেটে ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে দিন। আক্রান্ত ত্বকে ১০ মিনিট এটি রাখুন। এবার জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।এ ছাড়া সমপরিমাণ শশা ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।২. কাঁচা আলুআলুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং অ্যাজেন্ট। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে উপকারী। পাশাপাশি এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায়।একটা বা দুইটা আলুর খোসা ছিলে, কুচি করে এর রস বের করুন। একটি তুলার বলের মধ্যে ভেজান এবং বলটি চোখের ওপর দিন। এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখের পাতা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের জন্য দিনে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

সোনার দাম ফের ‍বৃদ্ধি

সোনার দাম ফের ‍বৃদ্ধি

তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারের স্বর্ণের দামে পড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। এরআগে, গত বুধবার ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়েছে বাজুস।নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৩৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৬৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৭ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়।

মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকে রাখার সুযোগ

মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকে রাখার সুযোগ

তিন দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৬৪৬০ কোটি টাকা

তিন দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৬৪৬০ কোটি টাকা

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম

যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপে নির্বাচিত বাংলাদেশের ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম

যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপে নির্বাচিত বাংলাদেশের ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া প্রফেশনাল ফেলোস প্রোগ্রাম (পিএফপি) অন ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্টে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পোশাক ব্র্যান্ড ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম।বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে চার হাজারের বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে ২২ জনকে এ কর্মসূচির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের ছয়জন রয়েছেন। একাধিক ধাপের মূল্যায়ন ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের নির্বাচন করা হয়।কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমার গেইলর্ড কলেজ অব জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন। বাংলাদেশে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি)।এ কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি ও ওকলাহোমায় পেশাগত প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত ফেলোরা। এর মাধ্যমে দেশটির ব্যবসায়িক পরিবেশ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পেশাগত যোগাযোগ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ ইয়াসির আলম বলেন, এ কর্মসূচিতে নির্বাচিত হওয়া তাঁর জন্য সম্মানের। তিনি এটিকে শুধু ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখছেন না; বরং বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক পরিবেশ থেকে শেখা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।২০১৭ সালে হোম সার্ভিস টেইলারিংয়ের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ফিয়েরো। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বেসপোক, মেড-টু-মেজার ও কাস্টম পোশাক তৈরি করছে। দেশীয় গ্রাহকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রাহকদেরও সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে ফিয়েরোর।এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অতিথি বক্তা হিসেবেও আমন্ত্রণ পেয়েছেন ইয়াসির। সেখানে ‘বিয়ন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং: ডিজাইন, ইনোভেশন অ্যান্ড গ্লোবাল পারস্পেকটিভস ফ্রম বাংলাদেশ’ শীর্ষক বক্তৃতায় বাংলাদেশের ফ্যাশনশিল্প, ডিজাইন, উদ্ভাবন এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলবেন তিনি। পাশাপাশি ফ্যাশন উদ্যোক্তা বিষয়ক একটি আলোচনা অধিবেশনেও অংশ নেবেন।ফেলোশিপ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে অর্জিত অভিজ্ঞতা ফিয়েরোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কাজে লাগানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর রানওয়েতে বাংলাদেশের রাকিব হাসান

লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর রানওয়েতে বাংলাদেশের রাকিব হাসান

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র‍্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‌্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‌্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র‌্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

দেশের প্রথম অপারেটর হিসেবে বাংলা কিউআর চালু করল গ্রামীণফোন

দেশের প্রথম অপারেটর হিসেবে বাংলা কিউআর চালু করল গ্রামীণফোন

বাংলাদেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর সাথে পার্টনারশিপের ভিত্তিতে তাদের ব্র্যান্ডেড রিটেইল স্টোরগুলোতে বাংলা কিউআর পেমেন্ট চালু করলো দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এর ফলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন গ্রাহকরা, যা আরও সহজ ও সুবিধাজনক। গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের অ্যাপের মাধ্যমে গ্রামীণফোন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারগুলোতে রাখা বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।এই জাতীয় কিউআর স্ট্যান্ডার্ডটি ব্যবহার করছে এমন সকল প্রতিষ্ঠানে একটি একক মার্চেন্ট কোডের মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করতে পারেন গ্রাহকরা, যা নগদ টাকার ওপর নির্ভরতা কমায় এবং অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের পরিধিটাও বাড়িয়ে দেয়। ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ভিশনের আওতায় বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা জোরদার করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেয়া পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে। সেবাটি প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুলশান ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ের গ্রামীণফোন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারগুলোতে পাওয়া যাবে। আজ (০৪ নভেম্বর, বুধবার) গুলশান গ্রামীণফোন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাটি উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মোঃ হাবিবুর রহমান। এ সময় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক এবং চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও চৌধুরী আখতার আসিফ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মোঃ শাফকাত হোসেন এবং চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, “অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অন্যতম চালিকাশক্তি হচ্ছে সংযোগ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। দেশে আরও সমন্বিত ও দক্ষ ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে গ্রামীণফোনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই এবং এ উপলক্ষ্যে এখানে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। আর্থিক সেবাকে আরও সহজলভ্য করতে, তরুণদের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ক্রমবর্ধমান ক্যাশলেস অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে শিল্প-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও এই উদ্যোগে যুক্ত হবে বলে আমার প্রত্যাশা।” গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রামীণফোনে গ্রাহক-কেন্দ্রিকতা আমাদের গ্রাহকদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাগুলোকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে আমাদের প্রেরণা জোগায়। আমরা বিশ্বাস করি, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা উদ্ভাবনকে আরও বেগবান করে। আর এমটিবির সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব বাংলা কিউআরের মাধ্যমে এই অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। গ্রাহকরা এখন নগদ টাকার এবং ভাঙতি টাকার জন্য অপেক্ষার বিষয়টি ছাড়াই ফোনের মাধ্যমে সহজে স্ক্যান করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। এটি ডিজিটাল পেমেন্টকে বাস্তবসম্মত দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করবে, যা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে বিস্তৃত করতে এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে আরও বেশি মানুষকে যুক্ত হতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের জন্য আরও নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়ে তোলা; পাশাপাশি দেশের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির ভিশনে অবদান রাখা।”মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আরও বেশি গ্রাহকের কাছে স্ক্যান-টু-পেমেন্টের মতো সহজ সুবিধা পৌঁছে দিতে গ্রামীণফোনের সাথে পার্টনারশিপ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। পেমেন্ট সম্পর্কে আমাদের বিশেষ অভিজ্ঞতার সাথে গ্রামীণফোনের বিস্তৃত রিটেইলের সমন্বয়ে আমরা দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সুবিধাজনক করে তুলেছি এবং দেশজুড়ে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যাপক প্রসার ও ব্যবহারে অবদান রাখছি।”দৈনিক এক কোটি লেনদেনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, গ্রাহকের দৈনন্দিন কেনাকাটায় এ সেবাটি চালু করে সেই জাতীয় লক্ষ্যকেই বেগবান করছে গ্রামীণফোন। বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের কাছে সেবাটি পৌঁছে দিয়ে গ্রামীণফোনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাপকভাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা।

দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে

দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে

‘স্বপ্নের ওমরাহ ২০২৬’ ক্যাম্পেইনের আওতায় তিন জন ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনারকে ওমরাহ প্যাকেজ পুরস্কার দিল

‘স্বপ্নের ওমরাহ ২০২৬’ ক্যাম্পেইনের আওতায় তিন জন ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনারকে ওমরাহ প্যাকেজ পুরস্কার দিল

স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি

স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী, নিরাপদ ও আস্থাশীল করার লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ‘শিশু সুরক্ষা নীতিমালা’ বা চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। এ ছাড়া শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি ও অনুপযুক্ত স্পর্শের কঠোর সমালোচনা করে শিক্ষকদের নিয়মিত মনস্তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ এবং অপরাধে জড়িতদের ব্ল্যাকলিস্টিংয়ের আহ্বান জানান তিনি।আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা বলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী।ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, এ দেশে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে হাজারো আলিম, আলিমা ও দ্বীনদার প্রজন্ম গড়ে তোলার নেপথ্যে মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জনমনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমন বাস্তবতায় প্রভাবশালী আলিম, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং মাদ্রাসা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত খোলামেলা ও আত্মসমালোচনামূলক আলোচনা করা। ভুলগুলো নিজেরা সংশোধন না করলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পক্ষ সেই সুযোগ নেবে, যার ফলে পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই অযাচিত চাপ ও সংকটের মুখে পড়তে পারে।মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে ওঠা অসংখ্য সিসি ক্যামেরাহীন, অনিবন্ধিত ও তদারকিহীন প্রতিষ্ঠানের অপ্রীতিকর ঘটনার চিত্র উঠে আসার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার অর্থ এই নয় যে তা জবাবদিহিতা, সুশাসন ও মানোন্নয়নের ঊর্ধ্বে থাকবে। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনুমোদন, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিরাপদ অবকাঠামো, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষকদের আচরণ ও পাঠদান পদ্ধতির বিষয়ে আজহারী বলেন, শিশুদের বয়স, মানসিক বিকাশ ও আবেগের ধরণ বুঝে শিক্ষকদের বয়সোপযোগী ও মানবিক আচরণ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত বা ভয় দেখানোর ঘটনা শিশুর মনে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমা সৃষ্টি করে, যা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা নয়, শিক্ষা হলো সন্তানের স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিকাশ।বিশেষ করে আবাসিক মাদ্রাসাগুলোর সুরক্ষায় কার্যকর নীতিমালার তাগিদ দিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, প্রতিটি মাদ্রাসায় চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির নিরাপদ ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর গোপনীয়তা রক্ষার স্পষ্ট নির্দেশ থাকতে হবে। শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গুরুতর নির্যাতনের ঘটনা অভ্যন্তরীণভাবে ধামাচাপা না দিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।গুরুতর অপরাধে জড়িত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আজহারী জানান, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা যাতে পুনরায় অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ না পান, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে অভিযোগ ও প্রমাণিত অপরাধের পার্থক্য বজায় রেখে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।পরিশেষে মিজানুর রহমান আজহারী স্পষ্ট করেন, এই পর্যালোচনা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নয়; বরং ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রেখে দ্বীনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই। আলেম-ওলামা, পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

শিরোনাম
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা গোপালগঞ্জের ক্লাসরুমে জয় বাংলা স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক গাজীপুরে ৬, নারায়ণগঞ্জে ৪ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা গোপালগঞ্জের ক্লাসরুমে জয় বাংলা স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পেল ওমান ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী পরীমণির সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন হেনস্তার শিকার সাংবাদিক গাজীপুরে ৬, নারায়ণগঞ্জে ৪ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ