ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন

রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে এই প্রথম সর্বোচ্চ ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এসব বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হওয়ার পরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের।রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়।দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়।কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে।

মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী

মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী

বর্তমানে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে; মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে 'ইকোথন-২০২৬' গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, জিডিপি'র অনুপাতে কর আদায় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এদিকে, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়টিকেই সরকার সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। অনিশ্চয়তাই এখন স্বাভাবিক অবস্থা হয়ে দাড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক সংঘাত, জ্বালানি ও পরিবহন খরচকে অস্থির করে রেখেছে। অন্যদিকে বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদ ও শূল্ক-বাধা বাড়ছে।বাংলাদেশের মত আমদানি নির্ভর ও রফতানিমূখী অর্থনীতিতে এর প্রতিটি ধাক্কা সরাসরি এসে পড়ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান রিমান্ডে

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান রিমান্ডে

জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়।এ মামলায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।আখতারুজ্জামানকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজেদুল ইসলাম।পুলিশের আবেদনে বলা হয়, আসামি অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলে বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থানে সরকারি কর্মচারীর কর্তব্য পালনে বাধা প্রদান, হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো, আঘাত করার মাধ্যমে স্বাভাবিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করেন। এতে বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাভাবিক আগমন ব্যাহত হয়। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে কোনো কুচক্রী মহলের ইন্ধন ছিল কি না, তা উদ্‌ঘাটনের জন্য আসামিকে ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরে। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে আখতারুজ্জামানের জামিনের আবেদন জানান আসামিপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন।মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সৌদি আরবের মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ (বিজি-৩৩৮) থেকে যাত্রীরা নামার পর ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলির সংকট দেখা দেয়। এতে লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের আহ্বানে পরিস্থিতি দেখতে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করার সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান। ‘আমি কিন্তু পিটাবো ধইরা’, ‘ঘাড় ধরে বের করে দিবো’ বলে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে প্রকাশ্যে হুমকি দেন তিনি।গতকাল এক বিবৃতিতে আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিবৃতিতে তিনি বলেন, আখতারুজ্জামান ১ অক্টোবর পবিত্র ওমরা পালন শেষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর অন্যান্য যাত্রীর মতোই নানা ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হন। এর প্রতিবাদে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।বিএনপির মনোনয়নে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আখতারুজ্জামান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে নৌকার প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ২০২৪ সালেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় পাননি। তিনি একসময় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন আখতারুজ্জামান।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

  • শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

    শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু

  • ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম

    কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম

  • বাংলাদেশকে বিনিয়োগের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশকে বিনিয়োগের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য'

'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য'

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্য বলে দাবি করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের জামায়াতের ১৪ জন সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামায়াতে ইসলামীর নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে। আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন। তিনি সহযোগী সদস্য বা প্রাথমিক সদস্য হয়েছেন।জামায়াতে সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রাথমিক সদস্য হওয়ার পর কর্মী, এরপর সদস্য এবং পরে নেতা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে হিসেবে আখতারুজ্জামান ‘সিম্পল’ সদস্য মাত্র।এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের কোনো নেতা কোনো বক্তব্য দিলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না। কিন্তু এমন কোনো বক্তব্য বা তথ্য সামনে এলে, যার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব, তখন তাকে জামায়াতের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়।তিনি বলেন, টকশোতে যারা কথা বলেন, তারাই আবার বলেন যে জামায়াতে গেলেই নেতা হওয়া যায় না। অথচ আখতারুজ্জামানকে জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, বিমানবন্দরে প্রতিবাদ করার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন প্রতিবাদ করা হয়েছিল বা তার কী অপরাধ ছিল, তা তদন্তের আগেই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে। আইনের আশ্রয় নেয়ার নামে আইনকে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে দমনের পথ বেছে নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারের জন্য সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।বিএনপির উদ্দেশে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জেল-জুলুম দিয়ে বিরোধী দলকে দমন করা যাবে বলে যদি তারা মনে করে, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এর আগের রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।মামলাটির বাদী বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব। পরে আদালত শনিবার (৩ অক্টোবর) আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ডেগেরচালা এলাকায় মেট্রিক্স গার্মেন্টসের কারখানা ভবনে লাগা আগুন সোয়া প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ফকির মার্কেট এলাকার কারখানাটির তৃতীয় তলায় থাকা গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। সন্ধ্যা ছযটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডেগেরচালার মেট্রিক্স গার্মেন্টসের সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় গুদামে আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুনের শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।খবর পেয়ে ভোগড়া মডার্ন ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে আরও সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মোট নয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।আগুন নেভানোর সময় কারখানা ভবনের কাচ ও দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে ভেতরে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শুরুতে পানির কিছুটা সংকট দেখা দিলেও পরে আশপাশের ভবন ও পানিবাহী গাড়ির সহায়তায় পানি সরবরাহ করা হয়। টানা তিন ঘণ্টার বেশি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।ঢাকা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করে। পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল কারখানা ভবনের ছাদে উঠে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদে নামিয়ে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে ছাদ থেকে ৬৯ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।কারখানার শ্রমিকরা জানান, দুপুরে কাজ করার সময় তারা আগুনের ধোঁয়া দেখতে পান। এ সময় অনেকে দৌড়ে ছাদে উঠে যান, আবার কেউ কেউ হুড়োহুড়ি করে নিচে নেমে আসেন। এতে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ছাদে থাকা শ্রমিকদের নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনেন।সালেহ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, শুরুতে আগুন নেভাতে গিয়ে পানির কিছুটা স্বল্পতা ছিল। পরে আশপাশের ভবন ও পানিবাহী গাড়ির মাধ্যমে পানি সরবরাহ করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে নয়টি ইউনিটের সোয়া তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।আগুনে কারখানার গুদামে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে। তবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবরবাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য একটা বড় স্বস্তির খবর এসেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন একমাত্র টেস্ট ম্যাচের আগে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দলের সঙ্গে যোগ দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন। জ্বরের কারণে এশিয়ান গেমস মিশন থেকে ছিটকে যাওয়া এই অভিজ্ঞ ব্যাটার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৬ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা দেবেন।আবুধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে এই টেস্ট। শুরুতে শান্ত দলের সঙ্গে যেতে না পারায় তার অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সতীর্থরা আগেভাগে আমিরাতে চলে গেলেও তিনি জাপানে আটকে পড়েছিলেন। জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই তার জ্বর শুরু হয়। চার দিন ধরে জ্বর না কমলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বিসিবির পক্ষ থেকে পরীক্ষা করানো হয়। তাতে সংক্রমণ ধরা পড়ে, তবে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসে।বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, তিনি আশাবাদী যে শান্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই টেস্টে খেলতে পারবেন। বাশার বলেন, “এখনও তাকে বাদ দেওয়া হয়নি এবং তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এমন জ্বর হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। জাপানে সে হোটেলেই আটকে ছিল। বাইরে যেতে না পারায় হোটেলে খাবার খেতেও তার সমস্যা হচ্ছিল। তবে এখন সে ভালো বোধ করছে এবং সার্বিকভাবে ভালো অবস্থায় আছে।”বাশার আরও বলেন, “আমি আশাবাদী যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে সে খেলতে পারবে।”এই টেস্ট শেষে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েসহ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে। সেই সিরিজ চলবে ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর...

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর...

২০২৪ সালে বাংলাদেশের ৫৫ বছর বয়সী এক জেলের শরীরে জীবন্ত বাইম মাছ প্রবেশের ঘটনা আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মাছটি তার পায়ুপথ দিয়ে শরীরে ঢুকে অন্ত্রের দেয়াল ফুটো করে মারাত্মক সংক্রমণ সৃষ্টি করে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সার্জারি কেস রিপোর্টস-এ এ বিরল ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে।জার্নালে প্রকাশিত কেস রিপোর্ট অনুযায়ী, মাছ ধরার সময় ওই ব্যক্তির পায়ুপথ দিয়ে একটি জীবন্ত বাইম মাছ শরীরে ঢুকে যায়। বিষয়টি নিয়ে লজ্জায় তিনি প্রথমে কাউকে জানাননি। মাছটি নিজে থেকেই বের হয়ে যাবে— এমন আশায় ছিলেন তিনি। পরে তীব্র পেটব্যথা ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে যান।বাংলাদেশ ও নেপালের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিক্যাল টিম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে পায়, মাছটি অন্ত্রের দেয়াল ভেদ করেছে এবং পেটে গুরুতর সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কোলন থেকে প্রায় ২৬ ইঞ্চি লম্বা জীবন্ত বাইম মাছটি বের করে আনেন চিকিৎসকরা।গবেষণায় যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী মবিন ইবনে মকবুল, সৌমিক রায়, অমর্ত্য নারায়ণ রায় ও মোস্তফা নওয়াজ এবং নেপালের বিজ্ঞানী অমৃতা শ্রেষ্ঠা। তাদের কেস রিপোর্টে বলা হয়, বাইম মাছের মতো জীবন্ত প্রাণীর কারণে মানুষের অন্ত্রের দেয়াল ছিদ্র হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।অস্ত্রোপচারে দেখা যায়, রোগীর সিগময়েড কোলনে প্রায় ৫ সেন্টিমিটার বা ২ ইঞ্চি আকারের একটি ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এ কারণে প্রাণঘাতী পেরিটোনাইটিস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি কোলস্টমি করেন। এতে রোগীর অবস্থার দ্রুত উন্নতি হয় এবং চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।এর আগে ২০০৪ সালে হংকংয়ে একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মলদ্বারে বাইম মাছ প্রবেশ করালে তারও গুরুতর জটিলতা দেখা দেয়।চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগীরা অনেক সময় লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিকিৎসকদের কাছে গোপন করেন। এতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যাহত হতে পারে। তাই তীব্র পেটব্যথা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক কারণগুলোকেও বিবেচনায় রাখা জরুরি। দ্রুত রোগ নির্ণয় ও অস্ত্রোপচার না হলে এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যেতে পারে। সূত্র: লাইভ সায়েন্স

৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান

৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান

ছয়টির বেশি দেশ পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চুক্তিটি পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক এবং এর কোনো আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্য নেই।এদিকে, ছয়টির বেশি দেশের আগ্রহের কথা জানালেও কোন কোন দেশ জোটে যোগ দিতে চায়, তা জানাননি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। পরে এটি মক্কা প্রতিরক্ষা জোট নামে পরিচিত হয়। ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতো এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।দার জানান, ৩১ আগস্ট মক্কা চুক্তির আওতায় প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোটটির সদর দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করা হবে। পাকিস্তান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করেছে। দার তাকে ‘খুব ভালো ও ধার্মিক কর্মকর্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।সৌদিতে হামলা নিয়ে জরুরি বৈঠকইসহাক বলেন, মক্কা চুক্তির আওতায় আগামী সপ্তাহে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সর্বশেষ নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করাই হবে বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। তার দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব ১৭ থেকে ১৮টি হামলার মুখে পড়েছে।আমরা সৌদি আরবকে রক্ষা করতে বাধ্য, বলেন দার। এ ধরনের জোটকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি জাতিসংঘ সনদেও রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, ন্যাটোও একই ধরনের নীতির ভিত্তিতে কাজ করে।ইসহাক দার আরও জানান, মক্কা চুক্তির কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির পূর্ণাঙ্গ বৈঠক শিগগির রিয়াদে হবে। সেখানে সৌদি আরবের বর্তমান পরিস্থিতিসহ মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা পর্যালোচনা করা হবে এবং বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা পরে প্রকাশ করা হবে।হরমুজ প্রণালি নিয়ে যা বললেন ইসহাক দারকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়েও কথা বলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তার বক্তব্য, এই জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ থাকা উচিত নয়।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি- দুজনই বিষয়টির কোনোভাবে সমাধান চান বলে জানান দার। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই নিজেদের স্বার্থ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।আফগানিস্তান নিয়েও পাকিস্তানের বার্তাআফগানিস্তানের প্রসঙ্গে দার বলেন, প্রতিবেশী দেশটির প্রতি পাকিস্তানের ‘শুভকামনা’ রয়েছে। তবে কাবুলকে নিশ্চিত করতে হবে, আফগান ভূখণ্ড যেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়।তিনি বলেন, নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি), বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) ও পাকিস্তানের ভাষায় ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এমন প্রমাণ আফগানিস্তানকে দেখাতে হবে।ইসহাক দার আরও বলেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে ফসল নষ্ট হয়েছে- এ বিষয়টি পাকিস্তান অবগত বলেও জানান তিনি।সূত্র: জিও নিউজ

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর যোগ দেওয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ওপর সরকারের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।শনিবার (৩ অক্টোবর) বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।গোলাম পরওয়ার বলেন, একজন সিনিয়র সিটিজেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অদক্ষতা নিয়ে কথা বলতে পারেন। প্রয়োজনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের শাসাতেও পারেন। কিন্তু বিমানবন্দরের ঘটনাকে ইস্যু করে তাকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।তিনি বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, রিমান্ডের আদেশ বাতিল এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করে তিনি আবারও বীরত্বের সাহসিকতা দেখিয়েছেন।জামায়াতকে নিয়ে সরকারের বক্তব্যের সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াত-শিবিরকে গুপ্ত ও স্বাধীনতাবিরোধী বলার আগে বিএনপির নিজেদের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকানো উচিত। তিনি দাবি করেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সময় জামায়াতের সঙ্গে জোট ও রাজনৈতিক সহযোগিতা ছিল।তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের পক্ষে ভূমিকা রাখা শাহ আজিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী এবং আব্দুর রহমান বিশ্বাস প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। বিএনপি সরকারের আমলে তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছিল। তাই জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী বলার আগে বিএনপিকেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করা উচিত।অবিলম্বে মেজর (অব.) আখতারের মুক্তি চাইলেন জামায়াত আমিরসমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাতকড়া পরিয়ে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করেছে। অন্যায়, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ওপর বিএনপি সরকারের ক্ষোভের কারণ হলো, তিনি বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রবাসীদের হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, কোনো অপরাধ করেননি। বিমানমন্ত্রীর বক্তব্য অসত্য ও বাস্তবতাবিরোধী দাবি করে তিনি এ বিষয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদ করায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে বিমানবন্দরের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।সভাপতির বক্তব্যে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকার সমালোচনা সহ্য করতে পারছে না। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে সরকার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারবে না—এমন বার্তা দিতে চাচ্ছে।সমাবেশ শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড়, প্রেসক্লাব হয়ে মৎস্য ভবন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল

তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল

আগামী তিন মাসের মধ্যে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা জানান।ডিএমপি কমিশনার বলেন, চুনকুটিয়ার ঝিলমিল প্রজেক্টে ১০ একর জায়গায় ডিপো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে, কাজ শেষ হলেই ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাসগুলো সেখানে স্থানান্তর করা হবে।ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চুনকুটিয়াতে ঝিলমিল প্রজেক্টে ডিপো হিসেবে ১০ একর জায়গা পাওয়ার কথা রয়েছে। আমরা সেখানে ডিপোর কাজ শুরু করেছি। রাজউকের মাধ্যমে সেখানে আরও প্রায় ৭৫ একর জায়গা পাওয়া যাবে, যেখানে স্থায়ীভাবে টার্মিনাল এবং ডিপো করা হবে। সেখানে দক্ষিণবঙ্গগামী ১৯ জেলার সব পরিবহন, ট্রাক এবং বাদামতলী আড়তের ট্রাকসহ স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, চুনকুটিয়াতে মাল্টিমডেল একটি ট্রান্সপোর্ট হাব হবে। দক্ষিণবঙ্গের ১৯ জেলার বাস থেকে থেকে শুরু করে সকল পরিবহন পর্যায়ক্রমে সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। আপাতত স্থায়ী টার্মিনাল এবং ডিপো হওয়ার আগ পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে ১০ একর জায়গায় গুলিস্তান এবং ফুলবাড়িয়ার টার্মিনালটি আমরা সেখানে শিফট করবো।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সর্বোচ্চ তিন মাস সময় নিয়েছি। সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাস সেখানে শিফট করবো। সেখানে একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ নিয়মের মধ্য দিয়ে চলবে। এই নিয়মের বাইরে কেউ যেন সামান্যতম চেষ্টা না করেন অনিয়ম করার জন্য। এরকম যদি কেউ করেন বা করার চেষ্টা করেন, অবশ্যই আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।

ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক

ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্কের জেরে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে ‘তেলাপোকা’দের দলটির নেতা অভিজিৎ দিপকে এ ঘোষণা দেন। খবর এনডিটিভির।এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ককরোচরা দিল্লিতে মিছিল করে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করবে।’সিজেপির নেতা আরও বলেন, কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হবে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান—এমন প্রত্যেক নাগরিকের এতে যোগ দেওয়া উচিত।এর আগে শুক্রবার শিবাজি পার্কের বিক্ষোভে বক্তব্য দেওয়ার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ‘যন্তর মন্তর ২.০’ করার হুঁশিয়ারি দেন দিপকে। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে পুরো দেশের জেন–জিরা দিল্লিতে যাবে। যন্তর মন্তর ২.০ হবে।’ এ সময় তিনি ‘চলো দিল্লি’র ডাক দেন।মুম্বাইয়ের কেন্দ্রস্থলে প্রচণ্ড গরম ও পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ওই বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নেন, যদিও এ কর্মসূচির জন্য পুলিশ অনুমতি দেয়নি। শিবাজি পার্কের একাংশের বাসিন্দারাও এর বিরোধিতা করেছিলেন। এরপরও দাদর স্টেশন পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।বিক্ষোভকারীরা জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড সঙ্গে নিয়ে স্লোগান দেন। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘জ্ঞানু, তোমার কি গণতন্ত্রের ওপর আস্থা নেই?’, ‘জ্ঞানেশ ব্রো, জাস্ট রিজাইন’ এবং ‘গাদ্দার জ্ঞানু মাস্ট গো’।স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং অন্যান্য সংগঠনের কর্মী ও তরুণেরাও এ বিক্ষোভে অংশ নেন। পুনের এআইএসএফ-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কর্মীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।সিজেপি নেতা অজিঙ্ক্য শিন্ডে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করতে হবে।’ তিনি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা স্থগিত করা এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের পদ্ধতি নির্ধারণকারী ২০২৩ সালের আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।দিল্লিতে আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিধানসভা আসনে ৪০ হাজার ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি ৪ হাজার ভোটে হেরে যান বলে দাবি করেন দিপকে। তামিলনাড়ুতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের আসন থেকে প্রায় ১ লাখ ভোটার বাদ দেওয়ার পর তিনি ১০ হাজার ভোটে হেরে যান বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মমতার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন সিজেপির এই নেতা।দিপকের অভিযোগ, দুই বছরে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে ভারতে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৯৭ কোটি। লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ ও ইন্ডিয়া জোটের ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ শতাংশ। নির্বাচনের ১৫ দিন আগে জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ব্যবধান বাড়ানোর জন্য, এমন অভিযোগও করেন তিনি।মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ‘ভোট চুরি’ করেছে বলেও দাবি করেন দিপকে। তার ভাষ্য, ওই নির্বাচনে ভোটার তালিকায় ৪০ লাখ ভোটার যুক্ত করা হয়েছিল।তবে বিজেপির সমর্থকেরা বলছেন, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক ও ঝাড়খন্ডে বিরোধীরা জয় পেয়েছে। ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।এর জবাবে দিপকে বলেন, ‘ম্যাচ পাতানো হলে সব বল নো-বল হয় না এবং সব ক্যাচও ছেড়ে দেওয়া হয় না।’একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব প্রসঙ্গে দিপকে দাবি করেন, বিজেপির প্রকৃত লক্ষ্য হলো ‘এক দেশ, এক নির্বাচন, এক দল’। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি আঞ্চলিক দলগুলোকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপিকে দিয়ে যার শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনাকে তিনি ‘শেল কোম্পানি’ বলেও মন্তব্য করেন।সিজেপি মহারাষ্ট্র থেকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে উল্লেখ করে দিপকে বলেন, কথিত অনিয়মের সূত্রপাত এই রাজ্য থেকে। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দুই মাস আগে যন্তর মন্তরে হওয়া বিক্ষোভের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, সরকার এতটাই অযোগ্য যে দুই মাসের মধ্যেই আবার বিক্ষোভ করতে হচ্ছে।

রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন

রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে এই প্রথম সর্বোচ্চ ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এসব বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হওয়ার পরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের।রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়।দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়।কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে।

তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল

তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল

শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

অন্যের খেলার দাবার বোর্ড হতে চাই না : শামা ওবায়েদ

অন্যের খেলার দাবার বোর্ড হতে চাই না : শামা ওবায়েদ

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম

বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

ভিসা আবেদনকারীদের মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা

ভিসা আবেদনকারীদের মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর...

পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর...

৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান

৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান

ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক

ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক

হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি

হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি

জি-৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল বাজারে ছাড়বে

জি-৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল বাজারে ছাড়বে

'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য'

'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য'

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্য বলে দাবি করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের জামায়াতের ১৪ জন সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামায়াতে ইসলামীর নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে। আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন। তিনি সহযোগী সদস্য বা প্রাথমিক সদস্য হয়েছেন।জামায়াতে সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রাথমিক সদস্য হওয়ার পর কর্মী, এরপর সদস্য এবং পরে নেতা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে হিসেবে আখতারুজ্জামান ‘সিম্পল’ সদস্য মাত্র।এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের কোনো নেতা কোনো বক্তব্য দিলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না। কিন্তু এমন কোনো বক্তব্য বা তথ্য সামনে এলে, যার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব, তখন তাকে জামায়াতের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়।তিনি বলেন, টকশোতে যারা কথা বলেন, তারাই আবার বলেন যে জামায়াতে গেলেই নেতা হওয়া যায় না। অথচ আখতারুজ্জামানকে জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, বিমানবন্দরে প্রতিবাদ করার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন প্রতিবাদ করা হয়েছিল বা তার কী অপরাধ ছিল, তা তদন্তের আগেই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে। আইনের আশ্রয় নেয়ার নামে আইনকে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে দমনের পথ বেছে নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারের জন্য সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।বিএনপির উদ্দেশে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জেল-জুলুম দিয়ে বিরোধী দলকে দমন করা যাবে বলে যদি তারা মনে করে, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এর আগের রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।মামলাটির বাদী বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব। পরে আদালত শনিবার (৩ অক্টোবর) আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার

আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিতে বললেন জামায়াত সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার

আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিতে বললেন জামায়াত সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার

দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়: জামায়াত আমির

দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়: জামায়াত আমির

এমপি পদ ছাড়ার পর এবার দল থেকেও পদত্যাগ করতে হচ্ছে মিষ্টিকে

এমপি পদ ছাড়ার পর এবার দল থেকেও পদত্যাগ করতে হচ্ছে মিষ্টিকে

গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তায় যা বললেন জামায়াতনেতা আখতারুজ্জামান

গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তায় যা বললেন জামায়াতনেতা আখতারুজ্জামান

বিএনপি কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না, এটি প্রমাণিত: রাশেদ খাঁন

বিএনপি কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না, এটি প্রমাণিত: রাশেদ খাঁন

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র দুর্গন্ধ, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন

ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র দুর্গন্ধ, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ধামরাইয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ধামরাইয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ঢাকার ধামরাইয়ে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের বালিথা বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন বাবুল মিয়া, জাহিদুল ইসলাম বাবু, রাসেদা বেগম, চায়ের দোকানি খলিল ও শরীফ প্রমুখ।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে যান। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধামরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।শনিবার আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাথুলী এলাকায় একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বালিথা বাজার এলাকায় তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, সংঘর্ষের একপর্যায়ে চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে পাল্টা হামলায় সূতিপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ আহত হয়।ঘটনার পর বালিথা বাজার ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, “সূতিপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

গোপালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

গোপালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

অল্প পিচে দায়সারা কাজ, হার্ড শোল্ডারও বেহাল—ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

রামুতে পৃথক অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ ২ জনকে আটক করেছে এসআরবি-১৫

রামুতে পৃথক অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ ২ জনকে আটক করেছে এসআরবি-১৫

বগুড়ার সবজির বাজারে দামের ব্যবধান, কৃষক-ভোক্তার মাঝে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য

বগুড়ার সবজির বাজারে দামের ব্যবধান, কৃষক-ভোক্তার মাঝে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য

বগুড়ায় ৮১৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক

আইনি জট কাটলেও পদোন্নতির অপেক্ষায় সহকারী শিক্ষকরা বগুড়ায় ৮১৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর

আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবরবাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য একটা বড় স্বস্তির খবর এসেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন একমাত্র টেস্ট ম্যাচের আগে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দলের সঙ্গে যোগ দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন। জ্বরের কারণে এশিয়ান গেমস মিশন থেকে ছিটকে যাওয়া এই অভিজ্ঞ ব্যাটার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৬ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা দেবেন।আবুধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে এই টেস্ট। শুরুতে শান্ত দলের সঙ্গে যেতে না পারায় তার অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সতীর্থরা আগেভাগে আমিরাতে চলে গেলেও তিনি জাপানে আটকে পড়েছিলেন। জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই তার জ্বর শুরু হয়। চার দিন ধরে জ্বর না কমলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বিসিবির পক্ষ থেকে পরীক্ষা করানো হয়। তাতে সংক্রমণ ধরা পড়ে, তবে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসে।বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, তিনি আশাবাদী যে শান্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই টেস্টে খেলতে পারবেন। বাশার বলেন, “এখনও তাকে বাদ দেওয়া হয়নি এবং তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এমন জ্বর হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। জাপানে সে হোটেলেই আটকে ছিল। বাইরে যেতে না পারায় হোটেলে খাবার খেতেও তার সমস্যা হচ্ছিল। তবে এখন সে ভালো বোধ করছে এবং সার্বিকভাবে ভালো অবস্থায় আছে।”বাশার আরও বলেন, “আমি আশাবাদী যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে সে খেলতে পারবে।”এই টেস্ট শেষে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েসহ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে। সেই সিরিজ চলবে ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

আমরা বাজে ক্রিকেট খেলেছি: লিটন

আমরা বাজে ক্রিকেট খেলেছি: লিটন

এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ, ব্রোঞ্জটাও হাতছাড়া

এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ, ব্রোঞ্জটাও হাতছাড়া

ম্যাচ না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ম্যাচ না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

এবার মিষ্টি হাসির জয়া আহসানের ছবি ভাইরাল

এবার মিষ্টি হাসির জয়া আহসানের ছবি ভাইরাল

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন। ‘দ্য স্টিং’ ও ‘জ্যানাডু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি ‘স্টার ট্রেক’ সিরিজের বিভিন্ন পর্বে কাজ করে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গত ২২ জুলাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি জেমস স্লোয়েনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। সপ্তাহের শেষে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।‘স্টার ট্রেক’ ভক্তদের কাছে জেমস স্লোয়েন পরিচিত ছিলেন ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’, ‘ডিপ স্পেস নাইন’ ও ‘ভয়েজার’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য। ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ তিনি একজন রোমুলান অ্যাডমিরালের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে ক্লিঙ্গন চরিত্র ওয়ার্কের ছেলের ভূমিকাতেও দেখা যায় তাকে। ‘ডিপ স্পেস নাইন’-এ বিজ্ঞানী ড. মোরা এবং ‘ভয়েজার’-এ হাকোনিয়ান বিজ্ঞানী মা’বোর জেটরেল চরিত্রে অভিনয় করেন।১৯৭৩ সালে জর্জ রয় হিল পরিচালিত অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য স্টিং’-এ মোটোলা চরিত্রে অভিনয় করেন স্লোয়েন। সিনেমাটিতে তিনি অপরাধী ডয়েল লনেগানের হয়ে জুয়া পরিচালনাকারী এক কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া অলিভিয়া নিউটন-জন অভিনীত মিউজিক্যাল ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘জ্যানাডু’তেও অভিনয় করেন তিনি।১৯৪১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ানাপোলিসে জন্মগ্রহণ করেন জেমস স্লোয়েন। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বাবা জেমস ছিলেন নির্মাণ প্রকৌশলী। বিদেশে ও নিউইয়র্কের অ্যালবানিতে কিছু সময় কাটানোর পর দ্য আমেরিকান একাডেমি অব ড্রামেটিক আর্টস থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন তিনি। পরে তিন বছর মার্কিন সেনাবাহিনীতেও দায়িত্ব পালন করেন।সেনাবাহিনীর চাকরি শেষে নিউইয়র্কে ফিরে জোসেফ প্যাপের নিউইয়র্ক শেক্সপিয়ার ফেস্টিভ্যালে অভিনয়ের পাশাপাশি ফাইটিং দৃশ্যের কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৯ সালে আর্থার কপিটের ‘ইন্ডিয়ান’ নাটকের মাধ্যমে ব্রডওয়েতে অভিষেক হয় তার। ১৯৭০ সালের ‘দ্য ট্রাভেলিং এক্সিকিউশনার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি।১৯৭৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান জেমস স্লোয়েন। এরপর ‘দ্য গ্যাং দ্যাট কুডন্ট শুট স্ট্রেইট’, ‘দ্য ডক্টরস’, ‘দ্য স্ট্রিটস অব সান ফ্রানসিসকো’, ‘কোজাক’ ও ‘ডেলভেকিও’-সহ বিভিন্ন সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেন। ১৯৭৭ সালে এবিসির নাটক ‘ওয়েস্টসাইড মেডিকেল’-এ নিয়মিত চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন স্লোয়েন। ১৯৮৯ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর টয়োটার বিলাসবহুল ব্র্যান্ড লেক্সাসের বিজ্ঞাপনে ভয়েসওভার শিল্পী হিসেবে কাজ করেন তিনি।জেমস স্লোয়েন মৃত্যুকালে স্ত্রী অভিনেত্রী ডিআরড্রে লেনিগান, ছেলে সংগীতশিল্পী ড্যানিয়েল এবং মেয়ে অভিনেত্রী সামান্থা স্লোয়েনকে রেখে গেছেন। তার ভাই লেখক ও পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক প্যাট্রিক স্লোয়েন ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা যান।

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

দুই বছর মঞ্চে ফিরছে নাট্যদল ম্যাড থেটারের ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। তাও আবার পরপর দুই দিন দুটি প্রদর্শনী নিয়ে। শুক্র ও শনিবার (২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে হবে প্রদর্শনী।২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে এনএসডি আয়োজিত ‘ভারত রঙ মহোৎসব’-এ প্রদর্শিত হয়েছিল নাটকটি। এরপর আর মঞ্চে ওঠেনি ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। একক চরিত্রের নাটকটিতে অভিনয় করেন আর্য মেঘদূত। বর্তমানে তিনি স্কলারশিপে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে অধ্যয়নরত। ২০২৪ সালে তিনি দেশ ছাড়ার পর নাটকটির মঞ্চায়ন স্থগিত হয়ে যায়।সম্প্রতি দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ছুটিতে দেশে এসেছেন। সেই সুবাদেই নাটকের দুটি প্রদর্শনীতে অভিনয় করবেন।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। তখন মেঘদূত মাত্র দশম শ্রেণির ছাত্রী। কনিষ্ঠ একক অভিনেত্রী হিসেবে চমকে দেন সবাইকে। এ পর্যন্ত নাটকটির ৮টি প্রদর্শনী হয়েছে।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকের গল্পের শুরুটা এরকম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। হিটলারের বাহিনী একদিন দখল করে নেয় হল্যান্ড। ফ্রাঙ্ক পরিবার হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে আত্মগোপন করে। ১৯৪২ সালের ৬ জুলাই তারা আশ্রয় নেয় সিক্রেট অ্যানেক্সে। ফ্রাঙ্ক পরিবারের ছোট মেয়ে অ্যানা ফ্রাঙ্ক। সিক্রেট অ্যানেক্সে ফ্রাঙ্ক পরিবারের সাথে যোগ দেয় অ্যানা ফ্রাঙ্কের বাবার বন্ধুর পরিবার ও একজন ডাক্তার। সব মিলেয়ে সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় আটজন। সিক্রেট অ্যানেক্স! ছোট্ট, স্যাঁতস্যাঁতে একটা জায়গা। এসবের মধ্যে এতগুলো মানুষ। তবু অ্যানা নিঃসঙ্গ, তার মনের কথা বলার মতো সে কাউকে পায় না। তার সব কথা সে লিখে রাখে ডায়েরিতে, ডায়েরিটাই হয়ে ওঠে তার কাছে প্রিয় বন্ধু।

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতার কলম, তারপর ক্যামেরার সামনে অভিনয়—হাসান মাসুদের পেশাজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন তিনি। পরে অভিনয়ে এসে ছোট পর্দায় পরিচিতি পান। এবার তার কর্মজীবনে যুক্ত হলো কর্পোরেট দুনিয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি ও পরিচালনাতেও নিজেকে মেলে ধরেছেন। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। এবার সেই পথচলায় যুক্ত হলো নতুন পরিচয় কর্পোরেট পেশাজীবী হাসান মাসুদ।যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান জেইন গ্লোবাল -এ হেড অব স্টুডেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ব্র্যান্ড হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই অভিনেতা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন টেলিভিশন আয়োজনে নিয়মিত দেখা যেত হাসান মাসুদকে। অভিনয়ের নিজস্ব ধরন ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ব্যস্ততা। নাটক কিংবা সিনেমায় এখন আর নিয়মিত দেখা যায় না তাকে। বেছে বেছে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও অভিনয়কে আগের মতো পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেননি।অভিনয় থেকে দূরে থাকার সেই সময়েই পেশাগত জীবনে নতুন পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।জেইন গ্লোবালে নতুন দায়িত্বে হাসান মাসুদের কাজের পরিধি হবে শিক্ষার্থীসেবা, ব্র্যান্ডিং ও যোগাযোগ কার্যক্রম ঘিরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।জেইন গ্লোবালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসান মাসুদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে চায় তারা।হাসান মাসুদের ক্যারিয়ার বরাবরই ছিল গতানুগতিকতার বাইরে। সেনাবাহিনীর চাকরি দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতা। তারপর অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।অভিনয়ের ব্যস্ত দিনগুলো থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাওয়া হাসান মাসুদের সামনে এখন নতুন ধরনের দায়িত্ব। ক্যামেরার সামনে চরিত্র হয়ে ওঠার বদলে এবার তাকে কাজ করতে হবে ব্র্যান্ড, শিক্ষার্থী ও যোগাযোগ নিয়ে।পেশাজীবনে একাধিকবার পথ বদলেছেন হাসান মাসুদ। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়েছেন তিনি। এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নতুন এই অধ্যায়ে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগে, সেটিই দেখার বিষয়।

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরাধীন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চট্টগ্রামের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মহান আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষ্যে মঞ্চনাটক 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের অঙ্কিত প্রতিকৃতি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ঢাকা পদাতিক।ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবন-এর সহযোগিতায় আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হবে।রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় নাট্যদল ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'। এবার ঐতিহাসিক এই নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিয়োগান্তক বিষয়বস্তুকে উপজীব্য করে নাটকটি মঞ্চে আনে ঢাকা পদাতিক।স্থানীয় ট্যুর খুঁজুননাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নাটকটির নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি।নাটকটি মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম। এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, "ট্রায়াল অব সূর্যসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মাসুম আজিজ ভাই। তাঁর প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।"প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অপর্ণা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, আক্তার হোসেন, রবিউল ইসলাম মিলটন, শাহনাজ পারভীন জয়া, তারেক আলী মিলন, কাজী সম্রাট, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, নূর, খাজা ফরিদউল্লাহ, জাহিদ প্রমুখ। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।এবারের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনীর শুরুতে সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবন-এর শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন।মিলনায়তনের প্রবেশপথেই প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুবিবদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট যুদ্ধের ছবি। এছাড়া সেইসব যুদ্ধে শহীদ চট্টগ্রামের অমর বিপ্লবীদের ছবি এবং ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও এতে প্রদর্শিত হবে। অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরপরই শুরু হবে ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর মঞ্চায়ন। বিশেষ এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত।

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও বাবা হলেন বলিউড তারকা অভিনয়শিল্পী রণবীর সিং আর মা হলেন তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) তাদের ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ের জন্মের সুখবর জানিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।দীপিকা ও রণবীর যৌথভাবে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায় নবজাতকের পায়ের ছাপ। ছবির সঙ্গে লেখা রয়েছে, ‘ওয়েলকাম বেবি গার্ল! ১৯/৯/২০২৬। দোয়া, দীপিকা অ্যান্ড রণবীর।’এর মধ্য দিয়ে তাদের দুই বছরের মেয়ে দোয়া পেল ছোট বোন। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের আগে বেশ কিছুদিন ধরেই দীপিকা ও রণবীরের পরিবারে নতুন অতিথি আসার খবর নিয়ে আলোচনা চলছিল।চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয়বার বাবা-মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন দীপিকা ও রণবীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দোয়ার হাতে একটি ইতিবাচক গর্ভধারণ পরীক্ষার কিট। তখনই জানানো হয়েছিল, সেপ্টেম্বরেই আসছে তাদের দ্বিতীয় সন্তান। সন্তান জন্মের কয়েক দিন আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ২০২৪ সালে প্রথম সন্তান দোয়ার জন্মের আগেও একই মন্দিরে গিয়েছিলেন তারা। সেবার ৬ সেপ্টেম্বর মন্দিরে যাওয়ার দুই দিন পর, ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয়েছিল দোয়ার।এবারও সেই ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া গেল। তবে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের খবরটি এবার আর কোনো জল্পনা নয়; দীপিকা ও রণবীর নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছেন।২০১৮ সালে বিয়ে করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান দোয়ার জন্ম হয়। এবার পরিবারে যুক্ত হলো আরও এক কন্যাসন্তান।দীপিকা পাড়ুকোন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। যাকে বলা হতো বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭ টি সিনেমা উপহার দেওয়া প্রয়াত এই চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে পা দিতেন। সবার প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে, মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়েছিলেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে। ছবিটিতে অভিনয়ের পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি হয়ে ওঠেন কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭ সিনেমায় অভিনয় করে পেয়েছেন আকাশ সমান জনপ্রিয়তা। যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। এরপর কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সবশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি বলা হয়। ক্যারিয়ারে সালমানের করা ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ক্ষণজন্মা তুমুল জনপ্রিয় এই নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি

মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রি-আযহার প্রোগ্রামে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছেন রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৩ শিক্ষার্থী

মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রি-আযহার প্রোগ্রামে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছেন রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৩ শিক্ষার্থী

বিইউএফটি-র নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক এম কাফিল উদ্দিন আহমেদের দায়িত্ব গ্রহণ

বিইউএফটি-র নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক এম কাফিল উদ্দিন আহমেদের দায়িত্ব গ্রহণ

শিক্ষাখাতের নীতিমালা, পরিকল্পনা ও সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক ও মাহ্দী আমিনের বৈঠক

শিক্ষাখাতের নীতিমালা, পরিকল্পনা ও সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক ও মাহ্দী আমিনের বৈঠক

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর ৮৪তম জন্মবার্ষিকী, তার দীর্ঘদিনের অবদান ও দূরদর্শী চিন্তাকে স্মরণ করে দেশজুড়ে ৫০০টিরও বেশি স্টোরে ফাউন্ডার্স ডে উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে এপেক্সের সকল পণ্যে থাকছে ২৬ শতাংশ ছাড়।এই বিশেষ ছাড় উপভোগ করা যাবে এপেক্সের সবকটি রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটাতেও। ফলে জুতা, স্যান্ডেল, লেদার ব্যাগ, বেল্ট, অ্যাকসেসরিজ ও অ্যাপারেলসহ পরিবারের সব বয়সী সদস্যের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পাশাপাশি, বিশেষভাবে নারীদের জন্য বৈচিত্র্যময় কালেকশন থেকে ক্রেতারা পছন্দমত পণ্যটি বিশেষ ছাড়ে কিনতে পারবেন।নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন কালেকশন ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহের পাশাপাশি ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ ছাড়কে কেন্দ্র করে স্টোরগুলোতে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর কেনাকাটার পরিবেশ। গত কয়েক বছরের ফাউন্ডার্স ডে উদযাপনের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজনেও উৎসব, বিশেষ দিন, কিংবা বিভিন্ন মৌসুমকে মাথায় রেখে বাজারে নিয়ে আসা এপেক্স পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার দারুণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারছে ক্রেতারা। এপেক্সের সঙ্গে এ দেশের মানুষের দীর্ঘ পথচলাকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ২৬ সেপ্টেম্বর এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করে থাকে। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী গুণগত মান ও গ্রাহকের আস্থা ভিত্তির ওপর এপেক্সেকে গড়ে তুলেছিলেন। তার সেই স্বপ্নকে স্মরণ করে এবং বিশেষ এই কেনাকাটার অভিজ্ঞতার অংশ হতে এপেক্সের নিকটস্থ আউটলেটে আসার জন্য ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এপেক্স।

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী

মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী

বর্তমানে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে; মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে 'ইকোথন-২০২৬' গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, জিডিপি'র অনুপাতে কর আদায় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এদিকে, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়টিকেই সরকার সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। অনিশ্চয়তাই এখন স্বাভাবিক অবস্থা হয়ে দাড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক সংঘাত, জ্বালানি ও পরিবহন খরচকে অস্থির করে রেখেছে। অন্যদিকে বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদ ও শূল্ক-বাধা বাড়ছে।বাংলাদেশের মত আমদানি নির্ভর ও রফতানিমূখী অর্থনীতিতে এর প্রতিটি ধাক্কা সরাসরি এসে পড়ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বেড়েছে

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বেড়েছে

আবার কমেছে সোনার দাম

আবার কমেছে সোনার দাম

৯ মাসে বাংলাদেশিসহ আটক ৩৭ হাজার,  মালয়েশিয়ায় অবৈধদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

৯ মাসে বাংলাদেশিসহ আটক ৩৭ হাজার, মালয়েশিয়ায় অবৈধদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযান চলছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশজুড়ে ১০ হাজার ৩৭৪টি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৩৭ হাজার ৩১৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে (পিএটিআই) আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। একই সময়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০৩ জনকে যাচাই করা হয়েছে। তবে এসব অভিযানে কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।শুধু অবৈধ অভিবাসীদের আটকের মধ্যেই অভিযান সীমাবদ্ধ রাখেনি মালয়েশিয়া। তাদের নিয়োগ, আশ্রয় ও অবৈধভাবে অবস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ১ হাজার ৮০৯ জন নিয়োগকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৯২ জনই মালয়েশিয়ার নাগরিক।শুক্রবার (২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু অবৈধ অভিবাসীদের টার্গেট করা হচ্ছে না। যারা তাদের নিয়োগ দেয়, আশ্রয় দেয় কিংবা অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের সুযোগ করে দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ ও আশ্রয়দাতা নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৩ সালে ৩৪৬ জন নিয়োগকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও ২০২৪ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৫৯ জনে। ২০২৫ সালে গ্রেপ্তার করা হয় ২ হাজার ২০২ জনকে। আর চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ হাজার ৮০৯ জন।সাইফুদ্দিন বলেন, অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান শুধু বিদেশিদের আটক করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। যারা তাদের নিয়োগ, আশ্রয় ও অবৈধ অবস্থানকে উৎসাহিত করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।তার ভাষ্য, মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীর উপস্থিতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। অতীতের প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অনিয়মকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন চক্র এবং দায়িত্বহীন নিয়োগকর্তারা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন বিভাগ সারা দেশে প্রতিদিন আইন প্রয়োগকারী অভিযান চালিয়ে যাবে। এসব অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা কিংবা সাময়িক জনমতের চাপের ওপর নির্ভর করবে না।সাইফুদ্দিন স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটি মৌসুমি অভিযান নয়।’ কোনো ঘটনা জনসমক্ষে আলোচনায় এলেই শুধু অভিযান পরিচালনা করা হবে—এমন নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় অবৈধ অভিবাসনকে ঘিরে অপব্যবহারের পুরো চক্র ভেঙে দিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।তিনি বিদেশি নাগরিকদের বৈধ পথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ এবং দেশটির অভিবাসন আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। অবৈধভাবে প্রবেশ, জাল কাগজপত্র ব্যবহার কিংবা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।একই সঙ্গে আর্থিক লাভের আশায় অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ কিংবা আশ্রয় না দিতে নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করেছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সৌদি আরবে প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ সতর্কবার্তা

অক্টোবরে শুরু হবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা

অক্টোবরে শুরু হবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা

মালদ্বীপে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে হাইকমিশনে জামায়াত নায়েবে আমীরের মতবিনিময়

মালদ্বীপে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে হাইকমিশনে জামায়াত নায়েবে আমীরের মতবিনিময়

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র‍্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‌্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‌্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র‌্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

২ হাজার তরুণের অংশগ্রহণে বিইউপিতে স্ফূরণ ৬.০

২ হাজার তরুণের অংশগ্রহণে বিইউপিতে স্ফূরণ ৬.০

২ হাজারের বেশি তরুণের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত হয়েছে স্ফূরণ ৬.০। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজনে ফটোগ্রাফি, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং ও বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণসহ বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিযোগিতায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিইউপি ফটোগ্রাফি সোসাইটির আয়োজনে ও অপো বাংলাদেশের স্পনসরশিপে স্ফূরণের ষষ্ঠ আসরে সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের তরুণ ফটোগ্রাফার, সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের ডিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকসার খান। এই আয়োজন শিক্ষার্থী ও উদীয়মান সৃজনশীলদের ভাবনা বিনিময় এবং ভিজ্যুয়াল প্রকাশের বিভিন্ন ধারার সাথে পরিচিত হওয়ার এক অর্থবহ সুযোগ তৈরি করে দেয়।স্ফূরণ ৬.০-এ বেশ কয়েকটি সৃজনশীল বিভাগ ছিল, ক্যামেরা ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, মোবাইল ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট মেকিং কনটেস্ট এবং আর্ট ও কার্টুন প্রদর্শনী। ২,০০০-এরও বেশি অংশগ্রহণকারীর ২,০০০-এরও বেশি গল্প ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই আয়োজন তরুণ সৃজনশীলদের জন্য ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের বিভিন্ন রূপ খোঁজা ও তাদের সৃজনশীল কাজ আরও বড় পরিসরে উপস্থাপনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।দুইদিনের এই আয়োজন ফটোগ্রাফি ও মোবাইল প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা তুলে ধরেছে। কীভাবে তরুণেরা প্রতিদিনের অভিজ্ঞতাগুলো ধারণ করে এবং সেগুলোকে চমৎকার সব ভিজ্যুয়াল গল্পে রূপান্তরিত করে তা উঠে এসেছে। আয়োজনের অংশ হিসেবে অপোর ‘মেক ইওর মোমেন্ট’ ধারণাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হয়, যেখানে তরুণ সৃজনশীলরা কীভাবে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলো পর্যবেক্ষণ, ধারণ ও রূপান্তরিত করেন তা উঠে এসেছে।অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া বাছাইকৃত ছবিগুলো নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী অংশগ্রহণকারী ফটোগ্রাফারদের দর্শকদের সামনে তাদের কাজ উপস্থাপনের সুযোগ দেয়; একইসাথে, দর্শনার্থীরা তরুণ সৃজনশীলদের চোখে মানুষ, স্থান ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন আবেগ অনুভব করার সুযোগ পান।আয়োজনে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড ডিস্ট্রিবিউটরের মার্কেটিং ম্যানেজার মো. নাজিমউদ্দৌলা নিলয় ও ব্র্যান্ড প্রমোশন ম্যানেজার মো. নাজমুস সাকিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অপো বিশেষ অফার ও আফটার-সেলস সার্ভিস ডিসকাউন্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীদের সাথে যুক্ত হয় এবং তরুণ সৃজনশীলদের সহযোগিতা করার প্রতি তাদের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। আয়োজনে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি

অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি

শিক্ষার্থীদের সহায়তায় স্কিটো-আইডিপির যৌথ উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের সহায়তায় স্কিটো-আইডিপির যৌথ উদ্যোগ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

শিরোনাম
মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী ধামরাইয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর... ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬’ পেলেন সাংবাদিক নাঈম আবির ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র দুর্গন্ধ, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে 'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য' গোপালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার ৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করছে: অর্থমন্ত্রী ধামরাইয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন পায়ুপথ দিয়ে ঢুকে জেলের শরীরে ‘বাসা বাঁধল’ বাইম মাছ, অতঃপর... ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬’ পেলেন সাংবাদিক নাঈম আবির ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র দুর্গন্ধ, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবর তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে 'আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য' গোপালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানেই আখতারুজ্জামানের ওপর ক্ষোভ: গোলাম পরওয়ার ৬টির বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী, জানালো পাকিস্তান ককরোচ পার্টির ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক তিন মাসের মধ্যে সরছে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী