ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় রাজধানীর হযরত শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। এমনকি সকল গুরুত্বপূর্ণ স্খাপনাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ২৭ এপ্রিল সোমবার বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে এ সব তথ্য।সূত্র জানায়, পুলিশ সদরদপ্তর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।সূত্র আরও জানায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সবধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অ্যরাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনো কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা মাঝে মাঝে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। যে সকল বিমানবন্দরে রাতে বিমান উঠানামা করেনা সেগুলোকেও রাতের বেলাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।ওই কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ সদরদপ্তর যে চিঠি দিয়েছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এমনটি না, আমরা মাঝে মাঝে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করি। এরই অংশ বলা যায়।তিনি আরও বলেন, সিকিউরিটি পার্সন ছাড়া বিমানবন্দরে অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিতে যে কোনও ঘাটতি না করা হয় সেজন্যও আমরা বলেছি। শাহজালাল বিমানবন্দরের নানা স্থানে এন্ট্রি পয়েন্ট সেগুলোতেও নিরাপত্তা ঘাটতি যেন না থাকে তার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অস্বাভাবিক চোখে পড়লে দ্রুততার সঙ্গে সেটি মোকাবেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি সাধারণ ও নারী প্রধান পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সরকার এবার ‘এলপিজি কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ এপ্রিল সোমবার যশোরের শার্শায় ঐতিহাসিক উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানিয়েছেন তিনি।মা-বোনদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মা-বোনদের একটি কারণে খুব কষ্ট হয়, রান্নাবাড়ির ব্যাপারে কষ্ট হয়; সেটি গ্রামের মা-বোনই হোক, সেটি শহরের মা-বোনই হোক। আমরা যেমন সারা দেশের মায়েদের কাছে আমরা যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছি, সেরকম আরেকটি কাজ দিতে চাই সেটি হবে এলপিজি কার্ড। এলপিজি গ্যাস এটি আমরা মা-বোনদেরকে পৌঁছে দিব যাতে করে মা-বোনদেরকে রান্নাবান্নার জন্য কষ্ট করতে না হয়।’খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হলে দেশে আমরা শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া সেই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। ইনশাল্লাহ আগামী ৫ বছরে আমরা চেষ্টা করব সারাদেশে এই উলশী খালের মতো প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করতে চাই যাতে করে গ্রামের মানুষ, গ্রামে বসবাসকারী মানুষ, কৃষক ভাই-বোনেরা, এলাকাবাসী এবং তরুণ সমাজের সদস্যরা তরুণরা হোক বিভিন্ন রকম আয় রোজগারের সুবিধা সেখান থেকে করতে পারে আমরা খাল খনন সেই জন্য করতে চাই।’নারীদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই যে প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যা, এর অর্ধেক হচ্ছে নারী। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই নারীদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ফ্রি করে দিয়ে গেছেন। প্রথমবার করেছেন স্কুল পর্যায়, দ্বিতীয়বার করেছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচির অংশকে আমরা আরও সামনে নিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, খালেদা জিয়া ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত করে দিয়ে গিয়েছেন, আমরা মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ ডিগ্রি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চতর পর্যন্ত ইনশাল্লাহ বিনামূল্যে ব্যবস্থা করব। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করব না, একই সঙ্গে আমাদের যে মেয়েরা ভাল রেজাল্ট করতে পারবে তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থা করব সরকার থেকে যাতে করে তারা আরও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে।’নারী প্রধান পরিবারের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম খাল খনন করব, আমরা কিন্তু আমাদের ওয়াদা রেখেছি। মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব। ইনশাল্লাহ আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা চেষ্টা করব সকল গ্রাম, দেশের সকল গ্রামে সকল মায়েদের হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মায়ের কাছে প্রতি নারী পরিবারের প্রধানের কাছে আমরা মাসের পক্ষ থেকে ইনশাল্লাহ আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব যাতে করে তারা তাদের সন্তানদের দেখভাল করতে পারে, তাদের সন্তানের পড়াশোনা দেখাশুনা করতে পারে ভাল করে। তাদের সন্তানকে দু-চারটি ভাল ফল খাওয়াতে পারে যাতে করে তারা মা-বোনেরা একই সাথে সেই আড়াই হাজার টাকা থেকে ছোট ছোট উদ্যোক্তা গ্রহণ করতে পারেন—হাঁস পালন, মুরগি পালন, গরু-ছাগল পালন এরকম কাজের মাধ্যমে যাতে মা-বোনদের একটা নিজের রুজি রোজগারের ব্যবস্থা হয় সেটি আমরা করতে চাই।’কৃষক ও শ্রমিকদের কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের জন্য আমরা কৃষি কার্ড দেব। কৃষক ভাইদের আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ যেটা আছে সেটা আমরা মওকুফের ব্যবস্থা করব। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই কাজও শুরু করেছি এবং সরকার গঠনের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই আমরা কৃষকদের যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ ছিল তাদের সেই কৃষি ঋণ আমরা মওকুফ করেছি। এছাড়া বিভিন্ন চিনিকল ও কলকারখানা যেগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বহু মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছে, সেই কলকারখানাগুলো চালুর ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমরা করব। আগামী দুই-চার মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের অনেক বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা আবার চালু করা সম্ভব হবে যার ফলে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।’বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে—মসজিদের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারিভাবে সম্মানীর ব্যবস্থা করব। আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আমরা ইতিমধ্যেই শুরু করেছি। দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে বিএনপি যতদিন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, ইনশাআল্লাহ, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি জবান আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা করব।’

লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি ভালো হবে বলে জানিছেন। এ সময় তিনি লোডশেডিং কমে আসবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।২৭ এপ্রিল সোমবার সিপিডি আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের আলোচনায় এ আশ্বাস দেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় সরকার। আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশে বিদ্যুতের অবস্থা ভালো হবে। কমে আসবে লোডশেডিং।এসময় তেলের আমদানি খরচ ২ বিলিয়ন ডলার বেড়ে গেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এখনও ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ বাকি বিদ্যুৎ খাতে।প্রসঙ্গত, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে দেশজুড়ে চলছে লোডশেডিং। গত কয়েকদিনে তীব্র আকার ধারণ করেছে এ পরিস্থিতি। এ অবস্থায় গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। যে কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না।এছাড়া ঢাকাতেও পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং করার কথা জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সংসদে তিনি বলেন, ‘বৈষম্যমুক্ত করার জন্য আমরা শহরেও প্রয়োজনে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, গ্রামে ঘাটতি কমিয়ে আনতেই ঢাকায় লোডশেডিংয়ের এই পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত রাখাই লক্ষ্য।

  • হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী, জড়িত একাধিক ব্যক্তি: র‍্যাব

    হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী, জড়িত একাধিক ব্যক্তি: র‍্যাব

  • যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের

    যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের

  • বাবার কাটা উলশী খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    বাবার কাটা উলশী খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • মানহানির মামলায় এমপি আমির হামজা জামিন পেলেন

    মানহানির মামলায় এমপি আমির হামজা জামিন পেলেন

  • খাল পুনঃখনন করতে যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    খাল পুনঃখনন করতে যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

    রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

সব খবর

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা রাফিনহাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময় এই ঘোষণা দিলো ব্র্যান্ডটি। তরুণ দর্শকদের সাথে রিয়েলমির সংযোগ আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এটি।গতি, সৃজনশীলতা ও ম্যাচ জেতানোর দক্ষতার জন্য পরিচিত রাফিনহা আধুনিক ফুটবলের অন্যতম গতিশীল খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি এফসি বার্সেলোনা ও ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলছেন। আভাই ফুটবল ক্লাবে তার পেশাদার ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়েছিল।মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও, রাফিনহা কমিউনিটির উন্নয়ন ও তরুণদের জন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহায়তা করার জন্য পরিচিত। যা তরুণদের ক্ষমতায়ন ও সীমানা অতিক্রম করার অনুপ্রেরণা দেওয়ার ক্ষেত্রে রিয়েলমির ভিশনের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। আর এর মধ্য দিয়ে আবেগপ্রবণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ ব্যবহারকারীদের সাথে আরও গভীরভাবে কাজ করতে চায় রিয়েলমি।এ বিষয়ে রাফিনহা বলেন, “ফুটবলের জন্য এমন একটি বিশেষ সময়ে রিয়েলমির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। আমাদের শক্তি একই, নতুন প্রজন্মের সাথে সংযুক্ত হওয়া; যারা এই খেলাটিকে আবেগ ও সীমাহীন উদ্দীপনা নিয়ে যাপন করে। সামনে ফ্যানদের জন্য আরও অনেক অনুপ্রেরণাদায়ক বিষয় আসছে। এই যাত্রার অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত।”এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে রাফিনহা ‘দ্য আর প্রফেসি’ ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত ‘মেক ইট রাফিনহা, মেক ইট রিয়েলমি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দেবেন। ক্যাম্পেইনটি প্রতিভা ও দৃঢ় সংকল্প কীভাবে রোনালদো, রোমারিও ও পেলের মতো কিংবদন্তি ফুটবল তারকাদের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের জন্য অসাধারণ সাফল্যের পথ তৈরি করতে পারে তা তুলে ধরবে।

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া: অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্য কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। “২০২৬ অভিবাসী শ্রমিক মে দিবস সমাবেশ” শিরোনামে এই কর্মসূচি আয়োজন করেছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।সমাবেশটি দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিউলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে—সিউল আঞ্চলিক কর্মসংস্থান ও শ্রম দপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবন ব্লু হাউসের দিকে পদযাত্রা করেন। সমাবেশের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জবরদস্তিমূলক শ্রম বন্ধ, অভিবাসী শ্রমিকদের কর্মস্থল পরিবর্তনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, শ্রম নিরাপত্তা জোরদার করা এবং মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা।আয়োজক সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে KCTU, KMWU, এবং MTU শ্রমিক ইউনিয়ন, যারা দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছে। তারা মনে করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিবাসী শ্রমিকরা নানা ধরনের বৈষম্য ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশের শিকার হচ্ছেন, যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।সমাবেশে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক,সচেতন নাগরিকসহ মানবাধিকার কর্মী ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন। এই সমাবেশকে ঘিরে সিউলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি

খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ফার্মের (বয়লার) মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০–২২০ টাকা, আর ‘সোনালী’ মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০–৩৮০ টাকা দরে। দাম, স্বাদ ও গুণগত পার্থক্যের কারণে ক্রেতাদের কাছে এই দুই ধরনের মুরগির চাহিদাও ভিন্ন। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ফার্মের মুরগি দ্রুত বড় হয়, মাংস নরম এবং দাম তুলনামূলক কম—যার ফলে এটি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বেশি সহজলভ্য। অন্যদিকে সোনালী মুরগি তুলনামূলক ধীরে বড় হয়, মাংস শক্ত ও স্বাদে দেশি মুরগির কাছাকাছি—এ কারণে এর দামও বেশি এবং অনেক ক্রেতা এটিকেই পছন্দ করেন। তবে এই পার্থক্যই এখন তৈরি করছে বিভ্রান্তি। বাজারে ঘুরে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হওয়া সব মুরগি আসলে সোনালী নয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কালার বার্ড বা অন্যান্য হাইব্রিড জাতের মুরগি সোনালী হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের এক বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সোনালী মুরগির চাহিদা বেশি, কিন্তু সব সময় সরবরাহ থাকে না। তখন অনেক সময় অন্য জাতের মুরগিই সোনালী বলে বিক্রি করতে হয়।” দেখতে প্রায় একই হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে ফার্মের মুরগি, সোনালী ও অন্যান্য হাইব্রিড জাতের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন। তবে অনেক ক্রেতা বলছেন, রান্নার পর স্বাদ ও গঠনে পার্থক্য ধরা পড়ে। এক ক্রেতার ভাষায়, “সোনালী ভেবে কিনেছিলাম, কিন্তু খাওয়ার পর মনে হয়েছে স্বাদটা বয়লারের মতো।” বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব ও চাহিদা-সরবরাহের অসামঞ্জস্যের সুযোগেই এই ধরনের অনিয়ম ঘটছে। এতে একদিকে ক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন, অন্যদিকে বাজারে আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, সুপারশপগুলোতে ‘ক্লাসিক সোনালী’ নামে মুরগি তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করা হলেও সেখানে উৎস, প্রজাতি ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। ফলে অনেক ক্রেতা আস্থার কারণে কিছুটা বেশি দাম দিয়েও সেখান থেকে মুরগি কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। সব মিলিয়ে, ফার্মের মুরগি ও সোনালীর স্পষ্ট পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও খোলা বাজারে এই দুইয়ের মধ্যে বিভ্রান্তি এখন বড় উদ্বেগ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী

নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী

মিথ্যা মামলা দেয়ার সংস্কৃতি থেকে মানুষকে বের হবার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।২৭ এপ্রিল সোমবার সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা জানান আইনমন্ত্রী। লিগ্যাল এইড সেবা থেকে কেউ বঞ্চিত হলে আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথা জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে যাওয়ার আগে কোনো সমস্যার সমাধানে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মিমাংসা করার চেষ্টা করুন। যারা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কিন্তু আদালতে যেতে পারছেন না, তারা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পাবেন বলেও আশ্বাস দেন মন্ত্রী।এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা মামলা জট কমাতে চাই তাই লিগ্যাল এইড কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আবার কেউ মামলার মাঝামাঝিতে সমঝোতা করতে চাইলে তারও ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ২ মে (শনিবার) সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে তিনি সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সিলেটের পূর্ণাঙ্গ সফরসূচী প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করবেন।বেলা ১১টায় নগরের চাঁদনীঘাট এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প এবং সুরমার দুই পাড়ে ১৫ কিলোমিটারজুড়ে তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তার।দুপুর ১২টায় সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয়ে বাসিয়া খাল (বাসিয়া নদী) খননকাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভায় অংশ নেবেন তিনি। দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করার কথা রয়েছে।এদিকে, রোববার দুপুরে সিলেটের কিনব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম সিলেট সফর। সফরকে ঘিরে নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মারা যাওয়া চারজনই পুরুষ এবং তারা সবাই পবিত্র মক্কায় ইন্তেকাল করেছেন। মদিনা, জেদ্দা বা মিনায় এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।তারা হলেন- মোঃ নইম উদ্দীন মন্ডল, মোঃ আবুল কাশেম, মোঃ সেরাজুল হক ও মোঃ খলিলুর রহমান।বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ২৬ এপ্রিল (সৌদি সময়) পর্যন্ত মোট ৩৫ হাজার ৭৬৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ২৮৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩২ হাজার ৪৮২ জন হজযাত্রী রয়েছেন। মোট ৮৯টি ফ্লাইটে তারা সৌদি আরবে পৌঁছেছেন, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ৩৮টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৩৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৮টি ফ্লাইট।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ১৫ হাজার ৭৪৮ জন হজযাত্রী, সৌদি এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ১২ হাজার ৪৬৯ জন হজযাত্রী এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৭ হাজার ৫৪৯ জন হজযাত্রী।সৌদি আরবে অবস্থানরত হজযাত্রীদের চিকিৎসাসেবা দিতে স্থাপিত চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৫০টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্ক থেকে ৬,৯২২টি সেবা প্রদান করা হয়েছে বলে বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়।

আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ২৭ এপ্রিল সোমবার বেলা ১১টার দিকে শুনানির পর নির্বাচন কমিশন আপিল খারিজ করে দেয়।এল আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে এই আপিল আবেদন জমা দেন তিনি। আপিল আবেদন জমা দেওয়া শেষে মনিরা শারমিন সাংবাদিকদের বলেছেন, আমার মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আমি আপিল করেছি।তিনি বলেন, ‘যে আইন উল্লেখ করে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হলো, সেটি একেবারে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে মূলত আমার আইনি লড়াই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি, যে কারণে আইনটি করা হয়েছিল, সে জায়গা থেকে সরে আইনটি সংরক্ষিত নারী আসনের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে। কারণ একজন এন্ট্রি লেভেলের ব্যাংক কর্মকর্তা যার চাকরির বয়স দুই বছর, তার পক্ষে কাউকে সুবিধা প্রদান বা প্রশাসনিক কোনও দায়িত্বে আমি ছিলাম না।’সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ায় কারণে গত ২৩ এপ্রিল ইসিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।গত ২২ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

জামালপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

জামালপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

কালবৈশাখী ঝড়ে জামালপুরের মেলান্দহে গাছ ভেঙে চাপা পড়ে মা ও দুই মেয়েসহ নিহত হয়েছেন তিনজন। ২৭ এপ্রিল সোমবার ভোর ৪টার দিকে মেলান্দহের পূর্বদাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত তিনজন হলেন- পূর্বদাগী এলাকার আব্দুল গনির স্ত্রী খুকি বেগম (৭০), মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৪৫) ও ফরিদা আক্তার (৩৭)।স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ে ৩টি গাছ ঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। ঘরে থাকা মা ও দুই মেয়ে ঘরের মধ্যেই চাপা পড়ে মারা যায়। পরে সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রহিম বলেন, আমাদের এখানে রাতে অনেক ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ে মেহেগুনি গাছ ভেঙে ওদের ঘরের ওপরে এবং তারা গাছের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়। পরে সকালে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই। ফায়ার সার্ভিস এবং আমরা ভাঙা ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করি।স্থানীয় নুরজাহান বেগম (৫৫) বলেন, আমাদের এলাকায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটায় এলাকা জুড়ে শোক নেমে এসেছে। এখন যারা নিহত হয়েছে তাদেরও তো কোনো দোষ নেই। মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার জন্য ঘরে যায়। এখন সেই ঘরের ওপর যদি গাছ ভেঙে পড়ে, তবে মানুষের আর কি করার আছে। এটা আল্লাহ ইচ্ছা।মেলানন্দ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে গাছ ভেঙে ঘরের ওপরে পড়ে মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছে। ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা

জঙ্গি হামলার শঙ্কায় রাজধানীর হযরত শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। এমনকি সকল গুরুত্বপূর্ণ স্খাপনাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ২৭ এপ্রিল সোমবার বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে এ সব তথ্য।সূত্র জানায়, পুলিশ সদরদপ্তর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।সূত্র আরও জানায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সবধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অ্যরাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনো কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা মাঝে মাঝে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। যে সকল বিমানবন্দরে রাতে বিমান উঠানামা করেনা সেগুলোকেও রাতের বেলাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।ওই কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ সদরদপ্তর যে চিঠি দিয়েছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এমনটি না, আমরা মাঝে মাঝে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করি। এরই অংশ বলা যায়।তিনি আরও বলেন, সিকিউরিটি পার্সন ছাড়া বিমানবন্দরে অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিতে যে কোনও ঘাটতি না করা হয় সেজন্যও আমরা বলেছি। শাহজালাল বিমানবন্দরের নানা স্থানে এন্ট্রি পয়েন্ট সেগুলোতেও নিরাপত্তা ঘাটতি যেন না থাকে তার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অস্বাভাবিক চোখে পড়লে দ্রুততার সঙ্গে সেটি মোকাবেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী

নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী

সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা লাভলুর জামিন

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা লাভলুর জামিন

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন সাংবাদিক আবদাল আহমেদ

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন সাংবাদিক আবদাল আহমেদ

বজ্রপাতে ৭ জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে ৭ জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বাবার কাটা উলশী খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাবার কাটা উলশী খাল পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খাল পুনঃখনন করতে যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

খাল পুনঃখনন করতে যশোরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোমবার যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের

যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের

শান্তি আলোচনা থেমে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম

শান্তি আলোচনা থেমে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম

অজ্ঞাত স্থান থেকে মোজতবা খামেনির চিঠিতে চলছে ইরান

অজ্ঞাত স্থান থেকে মোজতবা খামেনির চিঠিতে চলছে ইরান

ফের পাকিস্তানে আসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফের পাকিস্তানে আসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শর্তের বেড়াজালে আটকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

শর্তের বেড়াজালে আটকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ২৭ এপ্রিল সোমবার বেলা ১১টার দিকে শুনানির পর নির্বাচন কমিশন আপিল খারিজ করে দেয়।এল আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে এই আপিল আবেদন জমা দেন তিনি। আপিল আবেদন জমা দেওয়া শেষে মনিরা শারমিন সাংবাদিকদের বলেছেন, আমার মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আমি আপিল করেছি।তিনি বলেন, ‘যে আইন উল্লেখ করে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হলো, সেটি একেবারে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে মূলত আমার আইনি লড়াই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি, যে কারণে আইনটি করা হয়েছিল, সে জায়গা থেকে সরে আইনটি সংরক্ষিত নারী আসনের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে। কারণ একজন এন্ট্রি লেভেলের ব্যাংক কর্মকর্তা যার চাকরির বয়স দুই বছর, তার পক্ষে কাউকে সুবিধা প্রদান বা প্রশাসনিক কোনও দায়িত্বে আমি ছিলাম না।’সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ায় কারণে গত ২৩ এপ্রিল ইসিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।গত ২২ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

মানহানির মামলায় এমপি আমির হামজা জামিন পেলেন

মানহানির মামলায় এমপি আমির হামজা জামিন পেলেন

ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে সেচ কার্যক্রম ও ধান কাটার কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে: এনসিপি কৃষক উইং

ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে সেচ কার্যক্রম ও ধান কাটার কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে: এনসিপি কৃষক উইং

শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু জাতীয় যুব শক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু জাতীয় যুব শক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

সহমত নয়, দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

সহমত নয়, দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিরোধীদলের সমালোচনা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

বিরোধীদলের সমালোচনা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি হচ্ছে

নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি হচ্ছে

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

রাউজানে ফের বিএনপি কর্মী খুন

বগুড়া-নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নীত

দেশের ১৩টি সড়কের শ্রেণি পরিবর্তন বগুড়া-নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নীত

জামালপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

জামালপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

কালবৈশাখী ঝড়ে জামালপুরের মেলান্দহে গাছ ভেঙে চাপা পড়ে মা ও দুই মেয়েসহ নিহত হয়েছেন তিনজন। ২৭ এপ্রিল সোমবার ভোর ৪টার দিকে মেলান্দহের পূর্বদাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত তিনজন হলেন- পূর্বদাগী এলাকার আব্দুল গনির স্ত্রী খুকি বেগম (৭০), মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৪৫) ও ফরিদা আক্তার (৩৭)।স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ে ৩টি গাছ ঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। ঘরে থাকা মা ও দুই মেয়ে ঘরের মধ্যেই চাপা পড়ে মারা যায়। পরে সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রহিম বলেন, আমাদের এখানে রাতে অনেক ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ে মেহেগুনি গাছ ভেঙে ওদের ঘরের ওপরে এবং তারা গাছের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়। পরে সকালে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই। ফায়ার সার্ভিস এবং আমরা ভাঙা ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করি।স্থানীয় নুরজাহান বেগম (৫৫) বলেন, আমাদের এলাকায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটায় এলাকা জুড়ে শোক নেমে এসেছে। এখন যারা নিহত হয়েছে তাদেরও তো কোনো দোষ নেই। মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার জন্য ঘরে যায়। এখন সেই ঘরের ওপর যদি গাছ ভেঙে পড়ে, তবে মানুষের আর কি করার আছে। এটা আল্লাহ ইচ্ছা।মেলানন্দ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে গাছ ভেঙে ঘরের ওপরে পড়ে মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছে। ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া

জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নরসিংদীর রোমান মিয়া

বড়লেখায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

বড়লেখায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

কুলাউড়ায় ভোজ্য তেলে ওজনে কমসহ নানা অনিয়ম: ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কুলাউড়ায় ভোজ্য তেলে ওজনে কমসহ নানা অনিয়ম: ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নবীনগরে ঘুষিতে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নবীনগরে ঘুষিতে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

কুলাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৪,৬০৮ প্যাকেট ভারতীয় অবৈধ সিগারেট আটক

কুলাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৪,৬০৮ প্যাকেট ভারতীয় অবৈধ সিগারেট আটক

দুঃসাহসিক অভিযানে গোপলা নদী থেকে ডাকাত রজব আলী গ্রেফতার

দুঃসাহসিক অভিযানে গোপলা নদী থেকে ডাকাত রজব আলী গ্রেফতার

সেঞ্চুরি করেই মাঠ ছাড়লেন শান্ত

সেঞ্চুরি করেই মাঠ ছাড়লেন শান্ত

শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশের হাল ধরেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে খেললেন ৪২ ওভার পর্যন্ত। বিপর্যয় সামলে মাঝে তুলে নিলেন সেঞ্চুরি। এরপর অবশ্য তার পথচলা আর বেশি দূর যায়নি।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ওয়ানডেতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ।শুরুতে দেখেশুনে খেলতে থাকা শান্ত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রান বাড়িয়ে নিয়েছেন। ম্যাচের ৪১তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি।এরপর অবশ্য আর বেশি সময় উইকেটে স্থায়ী হতে পারেননি শান্ত। ৪৩তম ওভারের শেষে বলে লিনক্সের শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ধরা পড়েন বাউন্ডারির কাছে। ফেরা আগে ১১৯ বলে করেন ১০৫ রান। ৯ চার আর ২ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস।হাফসেঞ্চুরি করে ফিরলেন লিটন, দুইশর পথে বাংলাদেশলিটনকে দাসকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির পথে ছুটছেন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দিতে এসে লিটনও খেলেছেন দায়িত্বশীল ইনিংস। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির পথে ছুটছিলেন তিনিও। কিন্তু আর আগেই কাটা পড়লেন লিটন।৩৩তম ওভারের প্রথম বলে এক রান নিয়ে ওয়ানডেতে নিজের ১৩তম ফিফটি তুলে নেন লিটন। দুটি চারে ৭১ বলে ফিফটি করেছেন তিনি। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম ওয়ানডেতে হাফসেঞ্চুরি পেলেন বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৩৯তম ওভারে প্রথম বলে জেডেন লিনক্সের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। ফেরা আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৯১ বলে ৭৬ রান।শান্ত-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশশুরুতেই নিউজিল্যান্ডের পেসার উইল ও’রোর্ক ভয় ধরে দিয়েছিল বাংলাদেশের সমর্থকদের মনে। পাওয়ার-প্লেতেই তিন উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। এরপর অবশ্য নিউজিল্যান্ডের কোনো বোলারকেই সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশের দুই ব্যাটার লিটন দাস আর নাজমুল হোসেন শান্ত। স্বাগতিকদের পথ দেখাচ্ছেন তারা।তৃতীয় উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন লিটন আর শান্ত। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সুযোগ না দিয়ে এগিয়ে চলছেন তারা। শতরান ছাড়িয়েছে তাদের জুটি। ইতোমধ্যে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন শান্ত। লিটনও ছুটছেন সেই পথেই।বিপর্যয় সামলে এগোচ্ছে বাংলাদেশদুই ওপেনার সাইফ হাসান আর তানজিদ হাসান তামিম ফেরার পর ভালোই খেলছিলেন সৌম্য সরকার। শুরুটাও ভালো পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইনিংস আর বড় করতে পারলেন কোথায়! পাওযার প্লেতেই আরও এক উইকেট হারাল বাংলাদেশ।নবম ওভারে ও’রোর্কের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সৌম্য। ফেরার আগে ২৬ বলে ১৮ রান করেন তিনি। বাংলাদেশের ইনিংসের প্রথম তিন উইকেটই শিকার করেন এই কিউই পেসার।শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশব্যাটিংয়ে নেমে চোখে যেন সর্ষেফুল দেখলেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। দলকে বিপদে ফেলে বিদায় নিলেন দুজনই।ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট বিলিয়ে দিলেন সাইফ। উইল ও’রোর্কের ডেলিভারিতে উইকটের পেছনে টম লাথামকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ। স্কোরবোর্ডে কোনো রান জমা হওয়ার আগেই উইকেট নেই। তৃতীয় ওভারে আবার রোর্কের আঘাত। ৫ বলে ১ রান করে বোল্ড হলেন তামিম। ৯ রানে ঘটে দ্বিতীয় উইকেটের পতন।টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তনঅলিখিত ফাইনালে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে নিউজিল্যান্ড।শেষ ম্যাচের একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন স্পিনার তানভীর ইসলাম। দুজনকে জায়গা করে দিতে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেনকে।বাংলাদেশ একাদশমেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, সাইফ হাসান, তানভীর ইসলাম, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।

আজ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাকার জন্মদিন

আজ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাকার জন্মদিন

শান্ত-তানজিদের ব্যাটিং বীরত্বে সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ

শান্ত-তানজিদের ব্যাটিং বীরত্বে সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ

সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল বাংলাদেশ

সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল বাংলাদেশ

নাহিদের গতির তোপে ২০০’র আগেই শেষ নিউজিল্যান্ড

নাহিদের গতির তোপে ২০০’র আগেই শেষ নিউজিল্যান্ড

আজ বাংলাদেশের সিরিজ রক্ষার মিশন

আজ বাংলাদেশের সিরিজ রক্ষার মিশন

শত বছরের পুরোনো গাবতলী মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

শত বছরের পুরোনো গাবতলী মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

চুম্বন দৃশ্য নিয়ে যা বললেন কাজল

চুম্বন দৃশ্য নিয়ে যা বললেন কাজল

বলিউড ইন্ডাস্ট্রি মাতিয়েছেন ‘সিমরান’ আর ‘অঞ্জলি’সগ অসংখ্য দর্শক নন্দিত সিনেমা দিয়ে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘কভি খুশি কভি গম’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে নিজেকে এতোটা বোল্ড হননি কাজল। পর্দায় চুম্বন দৃশ্য নিয়ে আপোষ করেননি কখনো। তবে ২০২৩ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখতেই ঘটেছে সেই দীর্ঘদিনের নিয়মের ব্যত্যয়। ‘দ্য ট্রায়াল: লাভ, কানুন, ধোকা’ সিরিজে সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে তার একটি চুম্বন দৃশ্য শোরগোল ফেলে দেয় নেটদুনিয়ায়। ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগে, ক্যারিয়ারের এত বছর পর কেন নিজের নীতি ভাঙলেন এই অভিনেত্রী?সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা চরিত্রের দাবিতেই করা। সিরিজে আমার অভিনীত ‘নয়নিকা সেনগুপ্ত’ যা হতে চায়, যা ভাবে কিংবা যা পায় না সেই লড়াইয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল ওই মুহূর্তটি। এটা কেবল একটি চুমুর দৃশ্য ছিল না; বরং সে কাকে বিশ্বাস করত আর কাকে বিশ্বাস করতে পারত না, এটি ছিল তার প্রতিফলন।’চিত্রনাট্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কাজল আরও বলেন, ‘দৃশ্যটি চিত্রনাট্যের জন্য এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে আমি বাদ দিতে পারিনি। ওটা বাদ দিলে চরিত্রটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অপূর্ণ থেকে যেত।’তবে দৃশ্যটি করার আগে মনে বেশ দ্বিধা ছিল কাজলের। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল। সেটে দাঁড়ানোর আগে পর্যন্ত ধারণাটা আমার কাছে অদ্ভুত লাগছিল। নিশ্চিত ছিলাম না যে আদৌ কাজটা করতে পারব কি না, নাকি ‘কাট’ বলে বেরিয়ে আসব। তবে শেষ পর্যন্ত সব স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি ছিল সম্পূর্ণ একটি পেশাগত সিদ্ধান্ত।’উল্লেখ্য, ‘দ্য ট্রায়াল’ একটি কোর্টরুম ড্রামা যেখানে স্বামীর স্ক্যান্ডালের পর একজন নারীর পুনরায় আইনি পেশায় ফিরে আসার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। সিরিজটিতে কাজলের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন টলিউড সুপারস্টার যিশু সেনগুপ্ত। এর দ্বিতীয় সিজনটি ২০২৫ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব

বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব

রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই অভিনেত্রীকে।ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশে গম পাঠানোকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত।ধারণা করা হচ্ছে, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।তবে সূত্রের খবর, ২২ এপ্রিল কলকাতায় ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তদন্তকারীদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন নুসরাত জাহান। তিনি কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চান। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাঁচ বছরের জন্য বসিরহাট লোকসভা আসনের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান। সেই সময় দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হলেও পরবর্তী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।তবে দলটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এখনও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ইডির এই তলবের পর নুসরাত কী পদক্ষেপ নেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। একইসঙ্গে তার আইনজীবীরা কী অবস্থান নেন, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

কথায় নয়, কাজেই পরিচয: তানজিন তিশা

কথায় নয়, কাজেই পরিচয: তানজিন তিশা

তানজিন তিশা অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ফ্যাশন সেন্স নিয়েও বেশ সচেতন। সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই নিজেকে মেলে ধরেন নানা রূপে ও সাজে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একগুচ্ছ নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। সেখানে তার সাজ ও আভিজাত্য ভক্ত-অনুরাগীদের বেশ নজর কেড়েছে। বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা মাঝেমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে থাকেন। কখনো অভিনয়ের প্রশংসা, আবার কখনো ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের জেরে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনায় থাকেন এ তারকা। বর্তমানে তানজিন তিশা বিভিন্ন ইভেন্ট ও ফটোশুটে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এর আগে ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকে অভিনয় করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। যদিও এ নাটকটি ঘিরে তিশার বিরুদ্ধে একটি বিতর্কও দানা বেঁধেছিল। এদিকে ছবিতে দেখা গেছে, অভিনেত্রীকে একটি প্যাস্টেল শেডের কারুকাজ করা শাড়িতে। হালকা গোলাপি রঙের এ শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে ফুল স্লিভ ব্লাউজ ও গলায় ভারি চকার তার লুকে এনেছে রাজকীয় আভা। কানের দুল আর খোঁপা করা চুল তার এই বিশেষ সাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মেকআপেও ছিল তানজিন তিশার স্নিগ্ধতার ছাপ। গোলাপি আইশ্যাডো ও লিপস্টিকে তাকে বেশ প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল।পোস্ট করা ছবিতে আরও দেখা গেছে, অভিনেত্রীর নানা ঢঙে পোজ ছিল বেশ নজরকাড়া। কখনো বসে, আবার কখনো দাঁড়িয়ে মিষ্টি হেসে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন তিনি। কোনো ছবিতে তার চোখের মায়াবী চাহনি দিতেও দেখা যাচ্ছে। নিজের এই লুক তানজিন তিশার কতটা পছন্দ হয়েছে তা বোঝা যায় তার দেওয়া ক্যাপশনেও। অভিনেত্রী ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন— এই সাজকে ভীষণ ভালোবেসে ফেলেছি। একই ফটোশুটের ছবি আরও একটি পোস্টে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন— কথায় নয়, কাজেই পরিচয়।তানজিন তিশার এ ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করতেই মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। অসংখ্য লাইক ও কমেন্ট করেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসায় মেতে উঠেন নেটিজেনরা। বেশ কয়েকজনের মন্তব্য এমন— দেখে সুন্দর, অনন্য লাগছে, শাড়িতে মানিয়েছে।

আমেরিকায় রেকর্ড করলো বনলতা এক্সপ্রেস

আমেরিকায় রেকর্ড করলো বনলতা এক্সপ্রেস

উত্তর আমেরিকার (কানাডা ও আমেরিকা) বক্স অফিসে আয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে এবার ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। সেখানে মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় ছবিটি ছাড়িয়ে গেছে এ যাবৎকালে আয়ের শীর্ষে থাকা সিনেমা ‘হাওয়া’-র লাইফটাইম গ্রস কালেকশনকে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিনেমাটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক ‘স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো’ ও বক্স অফিস ট্র্যাকার ‘কমস্কোর’। জানিয়েছে, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহেই ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার আয় করে সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বর্তমানে ৫৪টি থিয়েটারে প্রদর্শিত হওয়া সিনেমাটি ইতোমধ্যেই বক্স অফিসে শীর্ষস্থান দখল করেছে।এর আগে উত্তর আমেরিকার বাজারে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি মোট ৩ লাখ ৫৮ হাজার ডলার আয় করেছিল; এবার তার রেকর্ড ভেঙেছে বনলতা এক্সপ্রেস।সিনেমাটির অভাবনীয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সিনেমার অন্যতম অভিনেত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টও দিয়েছেন। অন্যদিকে সিনেমার পরিচালক তানিম নূর দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, এই অর্জন আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলা সিনেমার সম্ভাবনাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে। উল্লেখ্য, তানিম নূর পরিচালিত ও বুড়িগঙ্গা টকিজ প্রযোজিত এই সিনেমাটি গেল শুক্রবার থেকে উত্তর আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যে মোট ২২টি থিয়েটারে তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। তারকাবহুল এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, ইন্তেখাব দিনার, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর ও শরীফুল রাজসহ আরও অনেকে। সিনেমাটির সহ-প্রযোজনায় রয়েছে হইচই প্রোডাকশন।

গোপনে বিয়ে করলেন ভারতীয় তারকা জুবিন নটিয়াল

গোপনে বিয়ে করলেন ভারতীয় তারকা জুবিন নটিয়াল

জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী জুবিন নটিয়াল জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। ব্যক্তিগত জীবন সবসময় আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন এই তারকা। তাই তার বিয়ের খবরটিও সামনে এসেছে অনেকটা নিভৃতেই।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডে একেবারে সাদামাটা ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন করেন তিনি। কোনো জাঁকজমক নয় পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন হয় এই শুভ আয়োজন। শোনা যাচ্ছে, যাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন জুবিন, তিনি তার শৈশবের ভালোবাসার মানুষ। তবে কনের নাম-পরিচয় এখনো গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও দেননি এই গায়ক। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।দেরাদুনের এই শিল্পী ২০১১ সালে ‘এক্স ফ্যাক্টর ইন্ডিয়া’ অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন। এরপর ২০১৪ সালে ‘সোনালি কেবল’ সিনেমার ‘এক মুলাকাত’ গানের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তার। তবে ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ‘জিন্দেগি কুছ তো বাতা’ এবং ‘কাবিল’এর টাইটেল ট্র্যাক গেয়ে। পরবর্তীতে ‘লুট গায়ে’, ‘তুম হি আনা’ এবং ‘রাতা লম্বিয়া’র মতো জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি বর্তমানে ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিশেষ করে ‘শেরশাহ’ সিনেমার ‘রাতান লম্বিয়াঁ’ গানটি তাকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। প্রিয় গায়কের নতুন জীবনের জন্য ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

আবারও সংসার ভাঙার গুঞ্জনের কবলে রণবীর-দীপিকা

আবারও সংসার ভাঙার গুঞ্জনের কবলে রণবীর-দীপিকা

বলিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোনকে ঘিরে আবারও ছড়িয়েছে বিচ্ছেদের গুঞ্জন। দীর্ঘ প্রেম আর আট বছরের দাম্পত্য জীবন কি তবে শেষের পথে—এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্তদের মনে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায়, রেডিটে একটি ভাইরাল পোস্ট থেকেই এই জল্পনার শুরু। সেখানে দাবি করা হয়, রণবীর ও দীপিকার সম্পর্কে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নাকি আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে পারেন এই তারকা দম্পতি।এই গুঞ্জনের প্রভাব পড়েছে ভক্তদের মধ্যেও। বিশেষ করে তাদের কন্যা দুয়া’র ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে এখনও পর্যন্ত এই নতুন গুঞ্জন নিয়ে সরাসরি মুখ খোলেননি রণবীর বা দীপিকা কেউই।এই সিনেমা সাফল্যের সময় দীপিকার নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। প্রিমিয়ারেও তাকে না দেখা যাওয়ায় জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও পরে সমালোচনার জবাবে দীপিকা স্পষ্টই জানান, তিনি সিনেমাটি সবার আগেই দেখে ফেলেছেন।এদিকে তারকা দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, এই বিচ্ছেদের খবর পুরোপুরিই ভিত্তিহীন। এর আগেও ২০২৪ সালে একই ধরনের গুজব ছড়িয়েছিল, যা পরে নাকচ করেন রণবীর নিজেই। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা নেই। সংসার জীবনে তারা ভালো আছেন।ভক্তদের একাংশ মনে করছেন, গ্ল্যামার দুনিয়ায় এ ধরনের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়—বাস্তবের সঙ্গে যার মিল অনেক সময়ই থাকে না।সব মিলিয়ে, ‘বাজিরাও-মাস্তানি’ জুটির সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও, সত্যিটা জানতে এখন অপেক্ষাই ভরসা।

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অতিরিক্ত থেকে মাউশি ডিজির চলতি দায়িত্ব পেলেন ড. সোহেল

অতিরিক্ত থেকে মাউশি ডিজির চলতি দায়িত্ব পেলেন ড. সোহেল

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

শিক্ষা অফিসারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত

শিক্ষা অফিসারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য মাউশির নির্দেশনা

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য মাউশির নির্দেশনা

প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮, বহিষ্কার ৬

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ হাজার ৪০৮, বহিষ্কার ৬

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি

খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ফার্মের (বয়লার) মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০–২২০ টাকা, আর ‘সোনালী’ মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০–৩৮০ টাকা দরে। দাম, স্বাদ ও গুণগত পার্থক্যের কারণে ক্রেতাদের কাছে এই দুই ধরনের মুরগির চাহিদাও ভিন্ন। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ফার্মের মুরগি দ্রুত বড় হয়, মাংস নরম এবং দাম তুলনামূলক কম—যার ফলে এটি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বেশি সহজলভ্য। অন্যদিকে সোনালী মুরগি তুলনামূলক ধীরে বড় হয়, মাংস শক্ত ও স্বাদে দেশি মুরগির কাছাকাছি—এ কারণে এর দামও বেশি এবং অনেক ক্রেতা এটিকেই পছন্দ করেন। তবে এই পার্থক্যই এখন তৈরি করছে বিভ্রান্তি। বাজারে ঘুরে ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হওয়া সব মুরগি আসলে সোনালী নয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কালার বার্ড বা অন্যান্য হাইব্রিড জাতের মুরগি সোনালী হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের এক বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সোনালী মুরগির চাহিদা বেশি, কিন্তু সব সময় সরবরাহ থাকে না। তখন অনেক সময় অন্য জাতের মুরগিই সোনালী বলে বিক্রি করতে হয়।” দেখতে প্রায় একই হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে ফার্মের মুরগি, সোনালী ও অন্যান্য হাইব্রিড জাতের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন। তবে অনেক ক্রেতা বলছেন, রান্নার পর স্বাদ ও গঠনে পার্থক্য ধরা পড়ে। এক ক্রেতার ভাষায়, “সোনালী ভেবে কিনেছিলাম, কিন্তু খাওয়ার পর মনে হয়েছে স্বাদটা বয়লারের মতো।” বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব ও চাহিদা-সরবরাহের অসামঞ্জস্যের সুযোগেই এই ধরনের অনিয়ম ঘটছে। এতে একদিকে ক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন, অন্যদিকে বাজারে আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, সুপারশপগুলোতে ‘ক্লাসিক সোনালী’ নামে মুরগি তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করা হলেও সেখানে উৎস, প্রজাতি ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। ফলে অনেক ক্রেতা আস্থার কারণে কিছুটা বেশি দাম দিয়েও সেখান থেকে মুরগি কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। সব মিলিয়ে, ফার্মের মুরগি ও সোনালীর স্পষ্ট পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও খোলা বাজারে এই দুইয়ের মধ্যে বিভ্রান্তি এখন বড় উদ্বেগ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

এই গরমে উপভোগ করুন স্কিন ক্যাফের “সান ফান ডে”

এই গরমে উপভোগ করুন স্কিন ক্যাফের “সান ফান ডে”

তেল বিক্রি করে ইরানের আয় ৪০ শতাংশ  বেড়েছে

তেল বিক্রি করে ইরানের আয় ৪০ শতাংশ বেড়েছে

অ্যাকসেন্টেক এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো কর্পোরেট ফুটবলের উন্মাদনা

অ্যাকসেন্টেক এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো কর্পোরেট ফুটবলের উন্মাদনা

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া: অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্য কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। “২০২৬ অভিবাসী শ্রমিক মে দিবস সমাবেশ” শিরোনামে এই কর্মসূচি আয়োজন করেছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।সমাবেশটি দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিউলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে—সিউল আঞ্চলিক কর্মসংস্থান ও শ্রম দপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবন ব্লু হাউসের দিকে পদযাত্রা করেন। সমাবেশের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জবরদস্তিমূলক শ্রম বন্ধ, অভিবাসী শ্রমিকদের কর্মস্থল পরিবর্তনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, শ্রম নিরাপত্তা জোরদার করা এবং মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা।আয়োজক সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে KCTU, KMWU, এবং MTU শ্রমিক ইউনিয়ন, যারা দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছে। তারা মনে করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিবাসী শ্রমিকরা নানা ধরনের বৈষম্য ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশের শিকার হচ্ছেন, যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।সমাবেশে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক,সচেতন নাগরিকসহ মানবাধিকার কর্মী ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন। এই সমাবেশকে ঘিরে সিউলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

দক্ষিণ কোরিয়ায় অভিবাসী শ্রমিক নির্যাতন

দক্ষিণ কোরিয়ায় অভিবাসী শ্রমিক নির্যাতন

স্পেনের প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে হয়রানি বন্ধের দাবি

স্পেনের প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে হয়রানি বন্ধের দাবি

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা রাফিনহাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময় এই ঘোষণা দিলো ব্র্যান্ডটি। তরুণ দর্শকদের সাথে রিয়েলমির সংযোগ আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এটি।গতি, সৃজনশীলতা ও ম্যাচ জেতানোর দক্ষতার জন্য পরিচিত রাফিনহা আধুনিক ফুটবলের অন্যতম গতিশীল খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি এফসি বার্সেলোনা ও ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলছেন। আভাই ফুটবল ক্লাবে তার পেশাদার ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়েছিল।মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও, রাফিনহা কমিউনিটির উন্নয়ন ও তরুণদের জন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহায়তা করার জন্য পরিচিত। যা তরুণদের ক্ষমতায়ন ও সীমানা অতিক্রম করার অনুপ্রেরণা দেওয়ার ক্ষেত্রে রিয়েলমির ভিশনের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। আর এর মধ্য দিয়ে আবেগপ্রবণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ ব্যবহারকারীদের সাথে আরও গভীরভাবে কাজ করতে চায় রিয়েলমি।এ বিষয়ে রাফিনহা বলেন, “ফুটবলের জন্য এমন একটি বিশেষ সময়ে রিয়েলমির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। আমাদের শক্তি একই, নতুন প্রজন্মের সাথে সংযুক্ত হওয়া; যারা এই খেলাটিকে আবেগ ও সীমাহীন উদ্দীপনা নিয়ে যাপন করে। সামনে ফ্যানদের জন্য আরও অনেক অনুপ্রেরণাদায়ক বিষয় আসছে। এই যাত্রার অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত।”এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে রাফিনহা ‘দ্য আর প্রফেসি’ ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত ‘মেক ইট রাফিনহা, মেক ইট রিয়েলমি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দেবেন। ক্যাম্পেইনটি প্রতিভা ও দৃঢ় সংকল্প কীভাবে রোনালদো, রোমারিও ও পেলের মতো কিংবদন্তি ফুটবল তারকাদের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের জন্য অসাধারণ সাফল্যের পথ তৈরি করতে পারে তা তুলে ধরবে।

বাংলার সবচেয়ে বড় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’ শুরু

বাংলার সবচেয়ে বড় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬’ শুরু

দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করল ইলেকট্রিক মোটরবাইক 'ভি মটো'

দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করল ইলেকট্রিক মোটরবাইক 'ভি মটো'

আসুস বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে নতুন চারটি ল্যাপটপ

আসুস বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে নতুন চারটি ল্যাপটপ

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা এবং নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে একটি মসজিদের ইমামের মাদরাসাছাত্রী মেয়েকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং লুটপাটের ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এ ঘটনা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনকভাবে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারা চরম উদ্বেগজনক। আমি অবিলম্বে অপহৃত মেয়েটিকে অক্ষত উদ্ধার, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরো বলেন, যাদের ছত্রছায়ায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে, সামাজিকভাবে এদেরকে বয়কট করতে হবে এবং দেশবাসীকে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়ে কোনোভাবেই এ ধরনের বর্বরতা চলতে দেওয়া যায় না।

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

শিরোনাম
জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী, জড়িত একাধিক ব্যক্তি: র‍্যাব ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী ২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল জঙ্গি হামলার শঙ্কায় বিমানবন্দরগুলোতে জারি হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক খোলা বাজারে ‘সোনালী’ নামে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন জাতের মুরগি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী, জড়িত একাধিক ব্যক্তি: র‍্যাব ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি ‘এলপিজি কার্ডও’ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী ২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে তিন স্তরের নতুন প্রস্তাব ইরানের আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল