ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল

আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার পর প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারবেন।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ রাত ৮টার পর একাদশ ভর্তির ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।এর আগে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয় ২ সেপ্টেম্বর। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অনলাইন আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনকারীরা তাদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছেন।নীতিমালা অনুযায়ী, যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং তার আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা— যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ—মোট ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধাতালিকা থেকেই ওই আসন পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাওয়া নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে সমান নম্বর হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।ভর্তির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য ঢাকা মহানগরে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার, জেলা সদরে ২ হাজার এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা, জেলা সদরে যথাক্রমে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।শিক্ষার্থীর প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।

একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন

রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো—মেট্রোরেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রোরেল লাইন-১ এবং মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট।সংশ্লিষ্টরা জানান, তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, শুরুতে একনেকের মূল এজেন্ডায় শুধু এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটি উপস্থাপনের কথা ছিল। তবে পরে সমন্বিত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাবও একই সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।আর ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পাতালপথসহ মোট ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা।

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়ায় আটকে পড়া এবং বন্দি বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ ১৬৮ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বেনগাজি শহরের একটি ডিটেনশন সেন্টারে থেকে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা এসব বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে (ইউজেড-২২২) করে আজ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার অবৈধ চেষ্টা করতে গিয়ে অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।এতে আরও বলা হয়, লিবিয়ায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান।অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করারও আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।আইওএম দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত ব্যয়, খাদ্য সহায়তা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম সমন্বিতভাবে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

  • পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

    পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

  • হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

    হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

  • বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

  • মক্কায় হুথিদের ওড়ানো ড্রোন ধ্বংস করল সৌদি

    মক্কায় হুথিদের ওড়ানো ড্রোন ধ্বংস করল সৌদি

  • বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস

    বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস

  • ইয়েমেনে সহিংসতায় লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ

    ইয়েমেনে সহিংসতায় লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ

সব খবর

সব খবর

বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েই চলেছে। উর্ধ্বমূখী দামের মধ্যেই সোনা কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩২৮ দশমিক ৩৯ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে গত সোমবার ধাতুটি গত এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচকে নেমেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বরের ডেলিভারির ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৯ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৪ হাজার ৩৬৯ দশমিক ৫০ ডলারে লেনদেন হয়।নাগা ডটকমের বাজার বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক ওয়ালবাম জানান, ট্রেডাররা মূলত ইউএস ফেডের সিদ্ধান্ত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। ফেড প্রধান কেভিন ওয়ারশ সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে কঠোর বার্তা দিলে স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটতে পারে। তবে নমনীয় বার্তা পাওয়া গেলে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা কেটে বাজার ঘুরে দাঁড়াবে।সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্যানুযায়ী, আজকের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অন্তত ২৫ বেসিস পয়েন্ট (০.২৫ শতাংশ) বাড়াবে— এমন সম্ভাবনা ৯২ দশমিক ৪ শতাংশ বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সাধারণত উচ্চ সুদের হার থাকলে সুদহীন স্বর্ণের ওপর বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়।এর বাইরে কমার্স ব্যাংকের বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঝুঁকি ও সরকারি বন্ডের ক্রমবর্ধমান সুদের হারের মুখেও স্বর্ণের বাজারের শক্ত অবস্থান বজায় থাকা কিছুটা চমকপ্রদ।এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে আউন্স প্রতি ৬৪ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্ল্যাটিনামের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৭৮৮.২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৩০৯ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মেয়র প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। কমিশনকে নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো হবে না।মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম। পোস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সরকারের তালবাহানা ও সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়েছে। সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা জানান। প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির দেওয়া তারিখ চূড়ান্ত নয়।সাদিক কায়েমের দাবি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের বক্তব্যেও সরকারের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এতে বোঝা যায়, সরকার নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ মানছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, সরকারকে সুযোগ করে দিতে নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করানো হচ্ছে। ফলে জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট যে সরকার নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে সাদিক কায়েম বলেন, সরকার একদিকে দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি ও জুলুমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের রায়কে ভয় পাচ্ছে।তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকারের সব স্তরে, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রশাসক হিসেবে বসিয়ে সরকার কুখ্যাত স্বৈরাচার আইয়ুবশাহীর পথ অনুসরণ করছে।নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় না। এর উদাহরণ গত স্বৈরাচার সরকার।সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে বিএনপিও স্বৈরাচার আমলের মতো দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে ‘কন্ট্রোলড ডেমোক্রেসি’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।

মনপুরায় জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির বিশাল পাঙ্গাস, আড়তে হাঁকানো হলো ২০ হাজার টাকা

মনপুরায় জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির বিশাল পাঙ্গাস, আড়তে হাঁকানো হলো ২০ হাজার টাকা

ভোলার মনপুরায় মেঘনায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৫ কেজি ওজনের বিশাল এক পাঙ্গাস মাছ। নিলামে মাছটি এক হাজার তিনশত চল্লিশ টাকা কেজি দরে বিশ হাজার একশত টাকায় বিক্রি করা হয়।মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্যঘাটে মোমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে বিক্রি করেন জেলে আরিফ মাঝি।জেলে আরিফ মাঝি জানান, মেঘনায় পাঙ্গাস জাল পেতে মাছ শিকার করছিলাম। এই সময় ১৫ কেজি ওজনের পাঙ্গাস মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি রামনেওয়াজ মোমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে বিশ হাজার একশত টাকা বিক্রি করা হয়।মৎস্য ব্যাপারি ফিরোজ ও নাহিদ জানান, ১৫ কেজি ওজনের পাঙ্গাস মাছটি ভ্যাটসহ প্রতি কেজি এক হাজার তিনশত চল্লিশ টাকা কেজি দরে নিলামে ক্রয় করেন মৎস্য আড়তদার মোমিন তালুকদার।এই ব্যাপারে মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদার মমিন তালুকদার জানান, পাঙ্গাস মাছটি লঞ্চযোগে ঢাকার যাত্রাবাড়ি পাঠানো হবে। আরও বেশি দামে মাছটি বিক্রি করা যাবে।

ওসমান হাদি হত্যা মামলা : তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আসামির জামিনের চেষ্টা

ওসমান হাদি হত্যা মামলা : তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আসামির জামিনের চেষ্টা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে আইনজীবীকে সতর্ক করেছেন আদালত।গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানির সময় বিষয়টি ধরা পরে। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে পারেন।আমিনুল ইসলাম রাজুর জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী বাচ্চু মিয়া। নিয়ম অনুযায়ী, জামিন আবেদনের শুরুতে থাকা কজ টাইটেলে আসামির বিরুদ্ধে থাকা মামলার ধারাগুলো উল্লেখ করার কথা। কিন্তু রাজুর আবেদনে তার বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলার দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।শুনানির শুরুতে আদালত আসামিপক্ষের আইনজীবী মশিউর রহমানের কাছে জানতে চান, রাজু কোনো হত্যা মামলার আসামি কি না। এ প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী নীরব থাকেন। পরে আদালত মামলার ভুক্তভোগীর নাম জানতে চাইলে তিনি শুধু ‘ওসমান’ বলে উত্তর দেন।এতে আদালতের সন্দেহ হয়। পরে জামিন আবেদনের সঙ্গে থাকা নথি পর্যালোচনা করে আদালত জানতে পারেন, আবেদনকারী আমিনুল ইসলাম রাজু শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার আসামি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আদালত তার জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন এবং তথ্য গোপনের বিষয়ে আইনজীবীকে সতর্ক করেন।এর আগে হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তার অভিযোগে আমিনুল ইসলাম রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আমিনুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের নাম-ঠিকানা জানান এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য তিনি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।এ মামলায় এর আগে ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার, মারিয়ার শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী, মোটরসাইকেলের মালিক মো. কবির এবং ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ফয়সালের মা-বাবা দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে হাদির মৃত্যু হলে ওই মামলায় হত্যার ধারা ৩০২ যুক্ত করা হয়।

সমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার উন্নয়নকাজ করার সিদ্ধান্ত, ১৫ দিন পরপর হবে সভা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার উন্নয়নকাজ করার সিদ্ধান্ত, ১৫ দিন পরপর হবে সভা

ঢাকা শহর ও আশপাশের এলাকার উন্নয়নকাজ সমন্বিতভাবে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাকে নিয়ে প্রতি ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেন, একটি সংস্থা কাজ করার পর একই জায়গায় আরেকটি সংস্থা যেন আবার খোঁড়াখুঁড়ি না করে, সে জন্য চলমান উন্নয়নকাজগুলো সমন্বয় করা হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় ও সময় কমার পাশাপাশি নগরবাসীর ভোগান্তিও কমবে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা শহরের মেগা প্রজেক্টের কারণে উদ্ভূত যানজট রোধ সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় এমআরটি, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, ডেসকোসহ বিভিন্ন সংস্থার বড় বড় উন্নয়নকাজ চলছে। এসব কাজ যাতে সুসমন্বিতভাবে হয়, সেজন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ডিটিসিএর নেতৃত্বেও সমন্বয় সভা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আজকের সভায় সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ ও ক্ষেত্রবিশেষে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা পর্যায়েও প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় সভা হবে। এজন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।'আমরা আবার ১৫ দিন পরে বসব, যাতে বাস্তবায়নের অগ্রগতিটা আমরা দেখতে পারি', বলেন তিনি।এক সংস্থা এক সময়ে এবং অন্য সংস্থা অন্য সময়ে কাজ করলেও রাস্তার ওপর বাস্তবে কাজ করার সময় যেন সমন্বয় করা যায়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনো বিদ্যুৎ সংস্থা একটি রাস্তা খুঁড়ে কাজ করে সেটি মেরামত করে চলে গেল। পরে গ্যাস বিভাগ এসে একই জায়গা খুঁড়ল। এ ধরনের পরিস্থিতি বন্ধ করতে একই সময়ে করা সম্ভব এমন কাজগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে করার চেষ্টা হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমআরটি নির্মাণের ক্ষেত্রে সড়কের পাশে বেশ কিছু ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ করতে হচ্ছে। সেগুলো সুন্দরভাবে করা হচ্ছে। এসব কাজের সঙ্গে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগেরও সমন্বয় করতে হচ্ছে, কারণ সড়কের যান চলাচল ট্রাফিক বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। এতে নগরবাসী স্বস্তি পাচ্ছে এবং যান চলাচল একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আসছে।উন্নয়নকাজও এমনভাবে করতে হবে যাতে ট্রাফিক হ্যাজার্ড তৈরি না হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের ব্যয় ও সময় কমানো, জনদুর্ভোগ কমানো এবং মানুষকে স্বস্তি দেওয়াই এসব উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের জন্য একই সড়ক বারবার খোঁড়ার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে সব লাইন রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজন অনুযায়ী সব বিষয় ইনভেন্টরি করবেন। এটাই সমন্বয়ের অংশ।দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে ১০ থেকে ২০ বছরের জন্য প্রকল্প নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, রাতারাতি এর মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।'আমরা শুরু করেছি, আশা করি একদিন আমরা এই সিস্টেমে যেতে পারবো। আমরা শুরু করেছি', বলেন তিনি।ছোট ছোট সাব কমিটির মাধ্যমে সমন্বয়সমন্বয়ের জন্য জাতীয় কোনো টিম বা কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ে, বিআরটিসি, সড়ক ও জনপথ, সেতু কর্তৃপক্ষ, ডিটিসিএ, ওয়াসা, ডেসকো, বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, ছোট ছোট সাব কমিটির মতো করে ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা নিজেদের মধ্যে ফোনে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে পারবে। প্রতিটি উন্নয়নকাজ করার আগে এই সমন্বয় করার কথা।'আগে এই সমন্বয়টা ছিল না বলে হয়তো রেলওয়ে একটা কাজ করে গেল, পরে রোড ডিভিশন আরেকটা কাজ একই জায়গায় করল। এই সমন্বয়টা আগে ছিল না', বলেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সমন্বয়ের জন্য অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাসস্ট্যান্ডগুলো স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সময়ের গ্যাপের মধ্যে বাসগুলো কোথায় থাকবে, সে সিদ্ধান্তও দেওয়া হয়েছে।মহাখালী বাসস্ট্যান্ড ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড নিয়ে উন্নয়ন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাসস্ট্যান্ডগুলো শহরের বাইরে নেওয়ার জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন করা হবে।তিনি বলেন, এসব পরিকল্পনা দৃশ্যমান হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে পরিকল্পনা এখন চূড়ান্ত করা হচ্ছে।অটোরিকশাকে শৃঙ্খলায় আনার উদ্যোগরাজধানীতে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলোকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছুদিন আগে এ বিষয়ে একটি নীতিমালাও করা হয়েছে।অবৈধ বিদ্যুৎ চার্জিং পয়েন্টের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে নেওয়া চার্জিং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। বেশ কিছু অবৈধ সংযোগ ইতোমধ্যে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।'আমরা চাই না ওভারনাইট অনেক মানুষ বেকার হয়ে যাক। সেজন্য একটা ডিসিপ্লিনে আনতে হচ্ছে। কেউ হয়তো মহানগর থেকে বাইরে যাবে, কেউ হয়তো অন্যান্য শহরে যাবে। কিন্তু আমরা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করব', বলেন তিনি।মূল সড়কে অটোরিকশা চলাচল ও এর কারণে যানবাহনে ব্যাঘাত সৃষ্টি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ছোট থ্রি হুইলার মূল সড়কে চলার কথা নয়। আগে সিএনজি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোর সংখ্যা এখন কম এবং এগুলো অনেক আগের লাইসেন্স দেওয়া।তিনি বলেন, 'এখন সবচেয়ে বেশি পীড়াদায়ক হচ্ছে ব্যাটারি চালিত রিকশাগুলো। এগুলো নিয়েই আমরা ডিসিপ্লিন করার চেষ্টা করছি।'অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট বিচ্ছিন্ন করার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য নীতিমালা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন বিষয়টি দেখছে।

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ

প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে ইলিশ পরিবহন ও মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকা এবং সংশ্লিষ্ট নদ-নদীতে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হবে।আমিন উর রশিদ বলেন, ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধভাবে ধরা ইলিশের বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত ও বাজারেও নজরদারি বাড়াতে হবে। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালাতে হবে। নিষিদ্ধ সময়ে কোনো অবস্থাতেই মাছ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। কার্যক্রমের কোথায় দুর্বলতা বা ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি জেলে প্রতিনিধিদেরও এসব জাল না কেনার বিষয়ে জেলেদের সচেতন করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে দেওয়া সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানো হবে।সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, বিমান বাহিনী, নৌ পুলিশ ও বিজিবির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

কেরানীগঞ্জে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

কেরানীগঞ্জে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ঢাকার কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে মো. ফরহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বসিলা ব্রিজসংলগ্ন আরশিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।গুরুতর আহত অবস্থায় ফরহাদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের বন্ধু সাকিবের দাবি, মঙ্গলবার দুপুরে চুল কাটানোর জন্য বসিলা ব্রিজসংলগ্ন আরশিনগরের একটি সেলুনের সামনে গিয়েছিলেন ফরহাদ। এ সময় সাব্বিরের নেতৃত্বে সাগর, হাবিব, আরমানসহ আরও কয়েকজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।সাকিব জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফরহাদকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।তিনি আরও জানান, নিহত ফরহাদ মাছ ও কাপড়ের ব্যবসা করতেন। তিনি ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার দুলারহাট গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় বসবাস করতেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ফরহাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

লাইনে কাপড় পড়ায় মেট্রোরেল বন্ধ, ৪০ মিনিট পর স্বাভাবিক

লাইনে কাপড় পড়ায় মেট্রোরেল বন্ধ, ৪০ মিনিট পর স্বাভাবিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মেট্রোরেলের লাইনের তারে কাপড় পড়ায় প্রায় ৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর আবার স্বাভাবিক হয়েছে মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটের দিকে এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে কাপড়টি সরিয়ে লাইন ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা পরীক্ষা শেষে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।তবে এ সময় উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল চালু ছিল। এতে উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজারগামী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারলেও মতিঝিলমুখী যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।নজরুল ইসলাম জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মেট্রোরেলের লাইনের তারে একটি কাপড় পড়ে যাওয়ার কারণে মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। কাপড়টি লাইন থেকে সরানোর পর লাইনের যান্ত্রিক বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে উভয় দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল

আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার পর প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারবেন।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ রাত ৮টার পর একাদশ ভর্তির ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।এর আগে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয় ২ সেপ্টেম্বর। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অনলাইন আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনকারীরা তাদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছেন।নীতিমালা অনুযায়ী, যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং তার আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা— যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ—মোট ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধাতালিকা থেকেই ওই আসন পূরণ করা হবে। এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাওয়া নম্বর বিবেচনা করা হবে। এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে সমান নম্বর হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।ভর্তির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য ঢাকা মহানগরে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মহানগরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার, জেলা সদরে ২ হাজার এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা, জেলা সদরে যথাক্রমে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।শিক্ষার্থীর প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।

একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন

নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ইনক্রিমেন্ট হবে যেভাবে

নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ইনক্রিমেন্ট হবে যেভাবে

বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস

বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস

ওসমান হাদি হত্যা মামলা : তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আসামির জামিনের চেষ্টা

ওসমান হাদি হত্যা মামলা : তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আসামির জামিনের চেষ্টা

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় ৩ সদস্যের কমিটি

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় ৩ সদস্যের কমিটি

কেরানীগঞ্জে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

কেরানীগঞ্জে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব

বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

ইয়েমেনে সহিংসতায় লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ

ইয়েমেনে সহিংসতায় লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ

মক্কায় হুথিদের ওড়ানো ড্রোন ধ্বংস করল সৌদি

মক্কায় হুথিদের ওড়ানো ড্রোন ধ্বংস করল সৌদি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে মুখ খুলল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে মুখ খুলল ভারত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় চীনা রাষ্ট্রদূত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দুই দেশের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কাজ আরো গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, রাজনৈতিক এটাচে লিং শুয়ান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম, এপিএস জাহেদুল আলম।

ঢাকার উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

ঢাকার উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

যেকোনো মূল্যে বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হবে: জামায়াত আমির

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণভোটের রায় সরকারকে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণভোটের রায় সরকারকে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে: এটিএম আজহারুল ইসলাম

সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি: এবি পার্টি

সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি: এবি পার্টি

দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন, উত্তর সিটি নির্বাচনে আসিফ মাহমুদ মেয়র প্রার্থী

দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন, উত্তর সিটি নির্বাচনে আসিফ মাহমুদ মেয়র প্রার্থী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

আজ জমি, কাল বসতভিটা—তিস্তার ভাঙনে আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার মানুষ

আজ জমি, কাল বসতভিটা—তিস্তার ভাঙনে আতঙ্কে গঙ্গাচড়ার মানুষ

মনপুরায় জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির বিশাল পাঙ্গাস, আড়তে হাঁকানো হলো ২০ হাজার টাকা

মনপুরায় জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির বিশাল পাঙ্গাস, আড়তে হাঁকানো হলো ২০ হাজার টাকা

কসবা সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযান

কোটি টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ কসবা সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কসবা উপজেলার মঈনপুর বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল বিওপির টহলদল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এসব মালামাল জব্দ করে।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, ইনজেকশন, বাজি, বিভিন্ন ধরনের ঔষধ, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, পন্ডস পাউডার, আমল বাটার ও ডাবর আমলা তেলসহ বিভিন্ন পণ্য। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৫০ টাকা।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি-এর দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।বিজিবি জানায়, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি পুশ-ইন, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়।

নবীনগরে ১৭২ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

নবীনগরে ১৭২ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

আলোচিত নুসরাত হত্যা, ৭ বছর পর মায়ের সাথে  মুক্তি পেলেন মোবাশ্বেরা খানম রাথী

আলোচিত নুসরাত হত্যা, ৭ বছর পর মায়ের সাথে মুক্তি পেলেন মোবাশ্বেরা খানম রাথী

কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল জব্দ কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির অভিযান

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ৬ জন নিহত

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ৬ জন নিহত

হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো, বাস্তবে ভোগান্তি

হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো, বাস্তবে ভোগান্তি

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

এশিয়ান গেমসে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচেই এক অসম লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে টাইগ্রেসদের। প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া। সেই ম্যাচের শুরুর একাদশেও বড় চমক রেখেছেন বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় চীনের নাগাই স্টেডিয়ামে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। নিয়মিত একাদশ থেকে পরিবর্তন এনে একাদশ সাজিয়েছেন বাটলার।বাটলারের শুরুর একাদশের সবচেয়ে বড় চমক বাংলাদেশ নারী দলের সুপারস্টার ঋতুপর্ণা চাকমার একাদশে না থাকা। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড লাইনের ভরসার নাম ঋতুপর্ণা। তবে কোনো তাকে একাদশে রাখা হয়নি সেটি জানানো হয়নি বাফুফের পক্ষ থেকে।অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রতিযোগীতামূলক ম্যাচে একাদশ থেকে বাদ পড়া সাবেক অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারকে আবারও শুরুর একাদশে ফিরিয়েছেন বাটলার। এ ম্যাচেও শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি গোলরক্ষক রূপনা চাকমার।এ ম্যাচে অনেকটা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন বাটলার। বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছে আক্রমণভাগ মাঝ মাঠের নিয়মিত ফুটবলারদের। ঋতুপর্ণা ছাড়াও নেই ফরোয়ার্ড মোসাম্মৎ সাগরিকা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র এবং মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।তবে সবচেয়ে বড় চমকটা বোধহয় আইরিন খাতুনের একাদশে সুযোগ পাওয়া। মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শুরুর একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।একাদশে এমন পরিবর্তনের আভাস অবশ্য আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বাটলার। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসে বাটলার বলেছিলেন, ‘ম্যাচের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আমি বেশ কিছু তরুণ মেয়েক সুযোগ দেব। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো এই বড় মঞ্চের সুযোগগুলো থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা, শেখা এবং নিজেদের ফুটবলের উন্নয়ন ঘটানো।’মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, আইরিন খাতুন, সুরভি আক্তার আরফিন, অর্পিতা বিশ্বাস, মমিতা খাতুন, কোহাতি কিসকু, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, তহুরা খাতুন, মোসাম্মাৎ সুলতানা।

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

'জুলাই যোদ্ধাদের ভয় দেখিয়ে বা হামলা করে নিরাপদ হওয়া যাবে না; বরং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে হামলাকারীরাই নিজেদের আরও অনিরাপদ করে তুলছেন ' বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও জুলাই যোদ্ধা আজমেরী হক বাঁধন।সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ইতালিতে তাকে হেনস্থার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালি গিয়েছিলেন বাঁধন। সেখানে মেস্ত্রে শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মী পরিচয়ে কয়েকজন বাংলাদেশির দ্বারা হামলা ও হেনস্তার শিকার হন তিনি।ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাঁধনের দাবি, তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।এ সময় বাঁধন বলেন, বিদেশের মাটিতে এমন ঘটনায় শুধু তিনি নন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি দলকানা না হয়ে পরিবারের কথা ভাবার আহ্বান জানান।বাঁধন আরও জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে এ ঘটনায় মামলা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইতালি সরকারের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।বাঁধনের ওপর হামলার বিষয়টি জাতীয় সংসদেও আলোচনায় আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেন।

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

কেশকিছুদিন ধরে বাংলাদেশের দুষ্টু কোকিল খ্যাত টালিউডের সুপারস্টার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের খবর বেশ চাউর হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, আগামী ডিসেম্বরেই বিয়ের পরিকল্পনা করছেন অভিনেত্রী। শীতের আবহে পাহাড়ি শহর কালিম্পংয়ে বসতে পারে বিয়ের আসর।তবে বিয়ের খবরের চেয়েও বেশি কৌতূহল তৈরি হয়েছে মিমির কথিত জীবনসঙ্গীকে ঘিরে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তাঁর নাম সিদ্ধার্থ। তিনি চলচ্চিত্রজগতের কেউ নন, নৌবাহিনীতে কর্মরত।এরই মধ্যে সিদ্ধার্থের সঙ্গে মিমির একটি ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে বলে জানা গেছে। পূজার সময় বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডার মধ্যেই ছবিটি তোলা হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। ছবিতে দুজনকে হাসিখুশি দেখা গেছে।সূত্রের বরাতে আরও দাবি করা হচ্ছে, পূজার আবহেই তাঁদের সম্পর্ক নতুন ধাপে এগিয়েছে। এমনকি বিয়ের কেনাকাটা ও নিমন্ত্রণপত্র বিলির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।যদিও মিমি চক্রবর্তী কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত বিয়ে বা সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। ফলে ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি এখনো গুঞ্জন হিসেবেই রয়েছে।জলপাইগুড়ির মেয়ে মিমি ২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি পান। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর ‘বোঝে না সে বোঝে না’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৯ সালে যাদবপুরের সাংসদও নির্বাচিত হয়েছিলেন মিমি।বর্তমানে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। পূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। এখন দেখার, সত্যিই কি ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি, নাকি এই খবর শুধুই জল্পনা।

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা কিংবা পার্শ্বচরিত্র যে ভূমিকাতেই তিনি হাজির হয়েছেন নিজের অভিনয়গুণে সেটিকে করে তুলেছেন অনন্য। আজ ১০ সেপ্টেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, যিনি দর্শকের কাছে এটিএম শামসুজ্জামান নামেই পরিচিত। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময়ের কর্মজীবনে রেখে গেছেন এমন সব চরিত্র, যেগুলো বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে আজও আলাদা করে মনে রাখা হয়।অভিনেতা শুরু কিন্তু অভিনয় দিয়ে নয়। সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করে পরে কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম বহুমাত্রিক শিল্পী।চলচ্চিত্রে এটিএম শামসুজ্জামানের পথচলা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার সামনে নয়, পেছনে। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর চলচ্চিত্রের নানা কাজে যুক্ত হন। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখাতেও ছিল তার দক্ষতা। ‘জলছবি’ সিনেমার জন্য কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার মাধ্যমে দর্শকের কাছে নতুন করে পরিচিত হন। পরবর্তী সময়ে শতাধিক চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্যের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি হয় অভিনয়ের মাধ্যমে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। এটিএমকে প্রথম পর্দায় দেখা যায় ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায়। শুরুতে কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করলেও পরে নিজেকে নানা ধরনের চরিত্রে মেলে ধরেন। এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে ১৯৭৬ সালে। আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। এই সিনেমার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। খলনায়ক চরিত্রে তাঁর অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন দর্শকের কাছে তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘স্বপ্নের নায়ক’-এর মতো সিনেমায় খলচরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। কিন্তু তাঁকে শুধু খলনায়কের গণ্ডিতে আটকে রাখা যায়নি।এটিএম শামসুজ্জামানের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল চরিত্র বদলে ফেলার ক্ষমতা। একদিকে যেমন ভয়ংকর বা কঠিন চরিত্রে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছেন, অন্যদিকে কৌতুক চরিত্রেও হয়েছেন সমান জনপ্রিয়। ‘রামের সুমতি’, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘ম্যাডাম ফুলি’ ও ‘চুড়িওয়ালা’তে তার হাস্যরসাত্মক অভিনয় দর্শককে আনন্দ দিয়েছে। বিশেষ করে কৌতুক অভিনয়ের জন্যও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে স্বীকৃতি পেয়েছেন।এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে দারুণ সব সিনেমা আর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘গেরিলা’র মতো সিনেমায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র মতো সাহিত্যনির্ভর সিনেমায় তার অভিনয় দেখিয়েছে, কমেডি বা খলচরিত্রের বাইরেও কতটা শক্তিশালী অভিনেতা ছিলেন তিনি। নিজেও এক সাক্ষাৎকারে সাহিত্যনির্ভর গল্পের সিনেমায় অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছিলেন।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন একাধিকবার। ‘দায়ী কে?’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ ও ‘চোরাবালি’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১৫ সালে পান একুশে পদক। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে আজীবন সম্মাননাও দেওয়া হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গল্প ও চিত্রনাট্য লেখা এবং পরিচালনাতেও তাঁর অবদান ছিল। ২০০৯ সালে ‘এবাদত’ সিনেমা পরিচালনা করেন তিনি। এ টি এম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তকারীদের দাবি, ডনের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।সিআইডির পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ডন কী কারণে এবং কার সহযোগিতা বা ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে সিআইডি।সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মজিবুর রহমানের করা ওই আবেদনে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশের পর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

ঢালিউডের রাজপুত্র বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তা আজও অমলিন। সকলের প্রিয় এই নায়কের চলে যাওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হলো আজ।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। সেই হিসেবে আজ তাঁকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি এখনো দর্শকের মনে সমানভাবে জায়গা করে আছে।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে পা রাখার পর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ নামেই পরিচিতি পান তিনি।চলচ্চিত্রে আসার আগে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’সহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন তিনি।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শকের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। এই জুটিকে দেখা গেছে ১৪টি সিনেমায়। পাশাপাশি মৌসুমী, শাবনূর, শাহনাজ, সোনিয়া ও অন্যান্য নায়িকার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।তবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। ওই দিন রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসভবনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়। ময়নাতদন্তে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যুর রহস্য নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি।সালমান শাহ চলে গেছেন তিন দশক আগে। কিন্তু তাঁর সিনেমা, অভিনয় আর অনন্য ফ্যাশন এখনো নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান আকর্ষণের। ‘স্বপ্নের নায়ক’ বাস্তবের পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের হৃদয়ে তিনি আজও ‘অন্তরে অন্তরে’।৩০ বছর পরও তাই সালমান শাহ যেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, যেখানে সময় থেমে আছে—কিন্তু ভালোবাসা ফুরায়নি।

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী। শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিনই আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হলেন, অথচ দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় পড়তে হলো হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে। আপাতদৃষ্টিতে ধকলটা শুধু আমাদেরই মনে হলেও, প্রতিদিনের এই আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে আমাদের ত্বককেও কম ধকল পোহাতে হয় না। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ ঠান্ডা এসি রুমে ঢোকা, আবার বেরিয়ে আসা, সব মিলিয়ে প্রতিদিনই নানা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে।কোনো দিন ত্বক থাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত, আবার কোনো দিন মুখ ধোয়ার পরই টানটান লাগে, দেখতে মলিন মনে হয়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই হয়ে যায় অতিরিক্ত তেলতেলে। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে পরামর্শটা ছিল খুবই সহজ, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, আর ভালোভাবে ব্যবহার করুন।কিন্তু এমন এক শহরে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার মুখে ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে। কারণ বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক ঠিকভাবে হাইড্রেটেড থাকবে, এমনটা নয়। ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ায় যে ক্রিম বেশ আরামদায়ক মনে হয়, ঢাকার গরমে সেটিই হয়তো ততটা স্বস্তিদায়ক নয়। বরং ঘাম আর তেলের সঙ্গে মিশে গিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে অস্বস্তি।তবুও আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে ত্বকের যত্নের জন্য আমদানি করা পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়। এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি হয়তো ততটা আরামদায়ক নাও হতে পারে।আর এখানেই বাড়ছে লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা। এখন ভালো ময়েশ্চারাইজার মানেই শুধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করা নয়, বরং আরও কিছু প্রশ্ন সামনে আসে। এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে?কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশের আবহাওয়ায় আসলে কোন ধরনের ফর্মুলা ও উপাদান ভালো কাজ করবে, সেদিকেও এখন নজর দিচ্ছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। আর এর ফলে দেশীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ।যেমন ধরুন, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজার। নামের মতোই এর টেক্সচারও হালকা, অনেকটা জেলের মতো। কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকে এনে দেয় সতেজ ও প্রাণবন্ত একটি গ্লো। এতে রয়েছে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত কিছু উপাদান, যেমন রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্ট। রাইস ওয়াটার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ও ত্বক নরম রাখতে ব্যবহৃত হয়, আর লিকোরিস সাধারণত ত্বককে উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয়।হালকা, আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই এবং মাত্র ২৯৫ টাকা দামের কারণে বাজেট-ফ্রেন্ডলি হওয়ায়, তরুণদের মধ্যে এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে। কারণ, ভালো ময়েশ্চারাইজার হলো সেটিই, যা ত্বককে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিয়ে সতেজ রাখে এবং সারাদিন ব্যবহারের পরও চিটচিটে অনুভূতি দেবে না।

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েই চলেছে। উর্ধ্বমূখী দামের মধ্যেই সোনা কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩২৮ দশমিক ৩৯ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে গত সোমবার ধাতুটি গত এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচকে নেমেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বরের ডেলিভারির ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৯ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৪ হাজার ৩৬৯ দশমিক ৫০ ডলারে লেনদেন হয়।নাগা ডটকমের বাজার বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক ওয়ালবাম জানান, ট্রেডাররা মূলত ইউএস ফেডের সিদ্ধান্ত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। ফেড প্রধান কেভিন ওয়ারশ সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে কঠোর বার্তা দিলে স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটতে পারে। তবে নমনীয় বার্তা পাওয়া গেলে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা কেটে বাজার ঘুরে দাঁড়াবে।সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্যানুযায়ী, আজকের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অন্তত ২৫ বেসিস পয়েন্ট (০.২৫ শতাংশ) বাড়াবে— এমন সম্ভাবনা ৯২ দশমিক ৪ শতাংশ বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সাধারণত উচ্চ সুদের হার থাকলে সুদহীন স্বর্ণের ওপর বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়।এর বাইরে কমার্স ব্যাংকের বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঝুঁকি ও সরকারি বন্ডের ক্রমবর্ধমান সুদের হারের মুখেও স্বর্ণের বাজারের শক্ত অবস্থান বজায় থাকা কিছুটা চমকপ্রদ।এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে আউন্স প্রতি ৬৪ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্ল্যাটিনামের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৭৮৮.২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৩০৯ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার

ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার

পেপসিকো কর্মীদের বীমা সুরক্ষা দেবে মেটলাইফ বাংলাদেশ

পেপসিকো কর্মীদের বীমা সুরক্ষা দেবে মেটলাইফ বাংলাদেশ

কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত হলো ‘রেডমিন হরাইজন -২০২৬’

কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত হলো ‘রেডমিন হরাইজন -২০২৬’

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়ায় আটকে পড়া এবং বন্দি বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ ১৬৮ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বেনগাজি শহরের একটি ডিটেনশন সেন্টারে থেকে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা এসব বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে (ইউজেড-২২২) করে আজ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার অবৈধ চেষ্টা করতে গিয়ে অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।এতে আরও বলা হয়, লিবিয়ায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান।অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করারও আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।আইওএম দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত ব্যয়, খাদ্য সহায়তা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম সমন্বিতভাবে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

ইলেকট্রিক বাইক ও স্বর্ণের বার পেলেন উপায় ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা

ইলেকট্রিক বাইক ও স্বর্ণের বার পেলেন উপায় ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) উপায় সম্প্রতি তাদের বিভিন্ন গ্রাহক ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে ও অভিনন্দন জানাতে একটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।উপায়-এর পেমেন্ট ক্যাম্পেইনের বিজয়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. সোহেল রানা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন একটি রাইডো ইলেকট্রিক বাইক।অন্যদিকে, উইকেন্ড ক্যাম্পেইন (লাভ সামলাও) উইক ৪-এর বিজয়ী রাজশাহীর মো. আইনুল হক এবং ফরিদপুরের শিহাব মাহমুদ সজল প্রত্যেকে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন একটি করে স্বর্ণের বার।পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপায়-এর প্রতিনিধিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান।এ ধরনের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের বাড়তি সুবিধা ও পুরস্কারের সুযোগ দিতে চায় উপায়।

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

প্রিয়শপ পরিবারের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো প্রিয়শপ স্কলারশিপ

প্রিয়শপ পরিবারের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো প্রিয়শপ স্কলারশিপ

বে ওয়েভের সফটওয়্যার উদ্বোধন ও কর্পোরেট মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বে ওয়েভের সফটওয়্যার উদ্বোধন ও কর্পোরেট মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মেয়র প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। কমিশনকে নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো হবে না।মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম। পোস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সরকারের তালবাহানা ও সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়েছে। সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা জানান। প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির দেওয়া তারিখ চূড়ান্ত নয়।সাদিক কায়েমের দাবি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের বক্তব্যেও সরকারের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এতে বোঝা যায়, সরকার নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ মানছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, সরকারকে সুযোগ করে দিতে নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করানো হচ্ছে। ফলে জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট যে সরকার নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে সাদিক কায়েম বলেন, সরকার একদিকে দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি ও জুলুমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের রায়কে ভয় পাচ্ছে।তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকারের সব স্তরে, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রশাসক হিসেবে বসিয়ে সরকার কুখ্যাত স্বৈরাচার আইয়ুবশাহীর পথ অনুসরণ করছে।নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে দেশে সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় না। এর উদাহরণ গত স্বৈরাচার সরকার।সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে বিএনপিও স্বৈরাচার আমলের মতো দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে ‘কন্ট্রোলড ডেমোক্রেসি’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবিধিবদ্ধ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ ও নিয়ন্ত্রণের ফল কখনোই ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

শিরোনাম
আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী অনলাইন বেটিং ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের আরও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি ‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি কসবা সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযান পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ইনক্রিমেন্ট হবে যেভাবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস আজ রাতে প্রকাশ হবে একাদশে ভর্তির ফল একনেকে তিন মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন বিশ্ববাজারে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী অনলাইন বেটিং ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের আরও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি ‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি কসবা সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযান পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে হুথিদের মোকাবিলায় ইসরাইলের সহায়তা চাইছে সৌদি আরব বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ইনক্রিমেন্ট হবে যেভাবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস