ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার ‘সর্বাত্মক’ রাত-দিন কাজ করবে।সোমবার দিনাজপুর সার্কিট হাউজ মাঠে এক সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ বছর দেশে উন্নয়ন হয়নি। দেশের উন্নয়নের জন্য তার পরিকল্পনা রয়েছে। উন্নয়নের সুফল পেতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।নানি বাড়ির স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এই এলাকার উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী জানান, শিগগির দেশের শিল্প কারখানা মালিকদের সাথে বৈঠক করবেন তিনি। ওই বৈঠকে সারা দেশে শিল্প কারখানা স্থাপন করে কীভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করবেন। এ সময় দিনাজপুরে শিল্প কারখানা স্থাপন করে বেকাদের কর্মসংস্থানের ব্যবসা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকারের মেয়াদ এক মাসও হয়নি। এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু হয়েছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি ভাতা প্রদান ও খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী মাসে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।সরকারের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে দিনাজপুরসহ সারা দেশের পানির সমস্যার সমাধান হবে। কৃষি জমি আবাদে পানি সংকট থাকবে না। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ওপরে উঠলে আর্সেনিক সমস্যার সমাধান হবে।দিনাজপুর জেলা বিএনপি সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অ্যান্ড কর্মাসের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জেলা জমিয়তে ইসলামীর সভাপতি মতিউর রহমান কাশেমী ও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।

শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

হাজার মাস ইবাদাতের চেয়ে উত্তম লাইলাতুল কদর বা শবে কদরের রাতের ইবাদাত। বছর ঘুরে আবার এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আজ পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর। এ রাতে অধিক ইবাদাত এবং অধিক সওয়াবের আশায় এরইমধ্যে মসজিদে মসজিদে ভিড় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।মসজিদগুলোতে বিশেষ দোয়ার আয়োজন এবং তবারক বিতরণ করা হয়। এরপর মুসল্লিরা যে যার মতো করে সারারাত ইবাদাতে মশগুল থাকেন। কেউ নামাজ পড়েন অনবরত, জিকির করেন, কেউ করেন কোরআন তেলাওয়াত। মহিমান্বিত এ রাতে দোয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়ার মাধ্যমে নিজেকে পাপমুক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ লাইলাতুল কদরের রাত। তাই নামাজ পড়া এবং কোরআন তেলাওয়াতের পাশাপাশি মুসল্লিরা দুহাত তুলে কাঁদেন আর গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। আল্লাহ এ রাতের বরকতে বান্দার সকল গুনাহ মাফ করে দেন।মহান আল্লাহতায়ালা লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফেরাত। পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরেই পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। সে কারণে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ এই রাত। শবে কদরে মুসল্লিরা মসজিদে গিয়ে ইবাদাতে মশগুল থাকেন, তেমনি বাসাবাড়িতে ইবাদাত করেন নারীরা। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে পরেরদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে পবিত্র শবে কদর (লাইলাতুল কদর) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত কামনা করে এই রাতের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।তারেক রহমান পবিত্র লাইলাতুল কদরকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ও মহিমামণ্ডিত রাত হিসেবে অভিহিত করেন, যা মানবজাতির জন্য ক্ষমা ও রহমতের বার্তা নিয়ে আসে। তিনি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে রাতটি কাটানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে পবিত্র শবে কদরের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে সবাইকে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার অনুরোধও জানিয়েছেন।

দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

নাগরিকদের সব ধরনের তথ্য ও সুযোগকে একটি কার্ডের মাধ্যমে নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।সোমবার (১৬ মার্চ) ঢাকা নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিয়ে কথা বলার পর তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ভারতের আধার কার্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে, দেশেও ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর বিষয়ে চিন্তা করছে সরকার। এছাড়া ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, চীন ও ভারতের সঙ্গে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সংস্কৃতি চালু করতে চাই। ঋণ নয়, এখন থেকে বিনিয়োগে জোর দেবে সরকার। জ্বালানি বিষয়ে হওয়া চুক্তি বিষয়ে তিনি বলেন, অতীতের সরকার জ্বালানি বিষয়ে যেসব চুক্তি করেছিল সেগুলো অসম চুক্তি ছিল। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি বিষয়ে কী ধরনের চুক্তি করলে সেটি লাভজনক হয়, এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আগের সরকারের চুক্তিগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে, বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় এমনভাবেই চুক্তি করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা বিষয়ে তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে এর আগে। বিশেষ করে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা কী, তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে কীভাবে কৌশল নির্ধারণ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

  • ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

    ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

  • লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে

    লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে

  • মানুষের উপকারে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

    মানুষের উপকারে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • র‍্যাবের ডিজি আহসান হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ উদ্দিন

    র‍্যাবের ডিজি আহসান হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ উদ্দিন

  • বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

    বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

  • খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

    সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

  • বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

    বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

  • মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

    মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

  • এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

    এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

  • জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

  • টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

  • রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

  • নবীনগরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    নবীনগরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

  • নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

    নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

  • তারাগঞ্জে আলোচিত রুপলাল ও প্রদীপ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মাজেদুল গ্রেফতার

    তারাগঞ্জে আলোচিত রুপলাল ও প্রদীপ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মাজেদুল গ্রেফতার

সব খবর

  • শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

    শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

  • বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা

    বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা

  • নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি

    নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি

  • বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু

    বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু

  • দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু

    দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু

  • মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

    মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

  • সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

    সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

  • প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

  • মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

    মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

  • ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

    ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

  • দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

    দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

  • মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

  • ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার

    ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার

  • ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

    ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

  • স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

    স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

সব খবর

সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

সংস্কার ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আন্দোলন ও রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম।সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সরকার আবারও পুরোনো পথে হাঁটতে শুরু করেছে এবং সংস্কারের বিপক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সরকার যদি পুরোনো পথে হাঁটে, তাহলে আমাদের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে। সংস্কার বাস্তবায়নের লড়াইয়ের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। এছাড়াও এনসিপির কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, “পরিবর্তন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লড়াইয়ে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে।”ইফতার মাহফিলের সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সরদার আমিরুল ইসলাম সাগর। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

লোহিত সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় কমান্ডের এক মুখপাত্র এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।সোমবার (১৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ইরান জানিয়েছে, লোহিত সাগরে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে সহায়তা প্রদানকারী সব ধরনের লজিস্টিক ও সেবা স্থাপনা তাদের সশস্ত্র বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।ওই মুখপাত্র বলেন, লোহিত সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনকে ইরান নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে। ওই রণতরী বহরকে সহায়তা দেওয়া লোহিত সাগর অঞ্চলের লজিস্টিক ও সেবা কেন্দ্রগুলো ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।এদিকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশকে ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান। তার মতে, এতে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, ট্রাম্প যেসব দেশের কথা উল্লেখ করেছেন তাদের কয়েকটির সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে।তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। চীনের দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সবার দায়িত্ব এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে চীন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে।বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনী কার্যত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ছাড়া অন্য দেশের জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।এর আগে আজ সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি।পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করি। শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আমি কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি।এমতাবস্থায় আমার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনাপূর্বক বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।পাশাপাশি তিনি বলেন, সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদীগুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান পোস্টে লিখেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘনঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।‘কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ, অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে।’তিনি বলেন, বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয়, সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মতো পানি থাকে না।‘অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।’জামায়াত আমির বলেন, মনে রাখতে হবে- অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।

বিএনপি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

বিএনপি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

সারা দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল-জলধারা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা–হাসিমপুর এলাকায় প্রায় ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে এ খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।এর আগে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মোড়াগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুবউদ্দিন আহমেদ, খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ আমজাদ আলীসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। ভোটের কালি শুকানোর আগেই বিএনপি সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।” তিনি জানান, খাল পুনঃখনন হলে প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পুষ্টি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।তিনি আরও বলেন, খালে মাছ চাষের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের আমিষ ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে সরকার ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা ও দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা ও দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

রবিবার (১৬ মার্চ) রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে রাকিব নামের এক তরুণকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা, সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার এবং একই রাতে রাজধানীর উত্তরায় রাতভর ত্রিমুখী সংঘর্ষসহ সম্প্রতি দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ১৬ মার্চ (সোমবার) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ১৫ মার্চ রাতে শহীদ মিনারের সিঁড়িতে রাকিবুল ইসলাম নামের এক তরুণকে দুর্বৃত্তরা এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে। একই রাতে সাভারে ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার এবং উত্তরায় রিকশাচালক, পুলিশ ও এক বাণিজ্যিক ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই প্রতিটি ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নির্লিপ্ততা ও অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের সংস্কৃতিই দেশকে ক্রমেই অরাজক করে তুলছে। আমরা এই নৃশংসতার তীব্র নিন্দা এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”নেতৃবৃন্দ বলেন, “বর্তমান সরকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকরভাবে পরিচালনায় ব্যর্থতার কারণে প্রশাসনিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। রাজধানীই যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে প্রান্তিক জনপদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ—মাত্র এক সপ্তাহে দেশে ৫টি লোমহর্ষক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহীতে বিএনপির হাতে এক মোয়াজ্জিনকে পিটিয়ে হত্যা, কক্সবাজারের বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন পল্লাইন্যা কাটা এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় ‘গণেশ পাল’ নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা, চুয়াডাঙ্গায় দুই জামায়াত নেতাকে বিএনপি কর্তৃক হত্যা এবং কুরআন তালিমে হামলাসহ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ইত্যাদি নানা অপরাধমূলক ঘটনায় জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।”নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব যাদের হাতে থাকার কথা, সেই ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডই আজ জননিরাপত্তার প্রধান অন্তরায়। সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অন্তত ১৫টি খুন, ৫টি ধর্ষণ, ৪৮টি চাঁদাবাজি এবং ১১০টি হামলা-সংঘর্ষে জড়িত ছিল। এছাড়া ৫টি লুটপাট, ১৩টি দখলবাজি ও শিক্ষাঙ্গনে ১২টি সন্ত্রাসী হামলাসহ নারী নির্যাতন ও দুর্নীতির মতো অপরাধের সঙ্গে সরকারি দলের নেতাকর্মীদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত। মূলত ক্ষমতাসীনদের এই ‘অপরাধের মহোৎসব’ সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে এবং সন্ত্রাসীদের অভয় দিচ্ছে।”পরিশেষে নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অবিলম্বে দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনুন। আমরা শহীদ মিনারে রাকিবুল হত্যার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের দ্রুত বিচার এবং জাবি ছাত্রীর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।”

রয়া চৌধুরীর উইমেনস ইনস্পিরেশনাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন

রয়া চৌধুরীর উইমেনস ইনস্পিরেশনাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী রয়া চৌধুরী অর্জন করেছেন ফ্যাশন ম্যাগাজিন মিরর প্রদত্ত বাংলাদেশ উইমেনস ইনস্পিরেশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর আলোকিতে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে মিররের সম্পাদক শাহজাহান ভূঁইয়া রাজু তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।বাংলাদেশের নাম আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরা এবং আবৃত্তি শিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তোলার পাশাপাশি বহু তরুণীকে এই শিল্পচর্চায় অনুপ্রাণিত করার জন্যই তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। রয়া চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় অনেক তরুণী আবৃত্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে এখন নিয়মিত মঞ্চে পারফর্ম করছেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মঞ্চে আবৃত্তি পরিবেশন করে তারা পেশাগতভাবেও সফলতা অর্জন করছেন। ফলে আবৃত্তি শিল্প নারীদের আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার এক নতুন ক্ষেত্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে—যার পেছনে রয়া চৌধুরীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।গত কয়েক বছরে তার কবিতা আবৃত্তি দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার আবৃত্তির ভিডিও লাখো মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং বাংলা ভাষার কবিতাকে নতুনভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে। বাংলা ও দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ কাব্য-ঐতিহ্যকে ধারণ করে তিনি তার কণ্ঠের মাধ্যমে কবিতাকে পৌঁছে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে।তার আবৃত্তি অ্যালবাম ‘বেদনাদূতি’, ‘ইচ্ছামতী’ এবং ‘অভিসার’ শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া গ্র্যামি জয়ী শিল্পী পণ্ডিত বিশ্ব মোহন ভট্ট–এর সঙ্গে তার যুগল পরিবেশনায় ‘গীতাঞ্জলি’ আবৃত্তি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।রয়া চৌধুরী আমেরিকার নিউ জার্সির ফ্র্যাঙ্কলিন টাউনশিপ থেকে সার্টিফিকেট অব রেকগনিশন , ভারতের ২১তম টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডসহ পেয়েছেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ফেম অ্যাওয়ার্ড, বাইফা বেস্ট রেসিটেশন আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ চারদিকে সেলফ-রিলায়ান্ট অ্যাওয়ার্ড এবং বাংলাদেশ অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড।একাডেমিক জীবনেও তিনি সফল। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে জেন্ডার স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শিল্পীজীবনে তিনি কাজ করেছেন সামিউল ইসলাম পোলাক, রাজা দাস, স্বপ্নীল সজীব, ফ্র্যাঙ্ক আর্টাভিয়া, মাহিদুল ইসলাম এবং আইভি বন্দ্যোপাধ্যায়–এর মতো নন্দিত শিল্পীদের সঙ্গে।বর্তমানে তিনি রয়া ফাউন্ডেশন–এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

ইউজিসির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে অধ্যাপক ফায়েজের আবেদন

ইউজিসির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে অধ্যাপক ফায়েজের আবেদন

‎শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে অব্যাহতি চেয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অব্যাহতিপত্র পাঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‎অধ্যাপক ফায়েজ চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতির আবেদনে উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করি। শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আমি কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন, ‎এ অবস্থায় আমার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনাপূর্বক বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ফায়েজ প্রতিষ্ঠানটির মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। এস এম এ ফায়েজ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনেরও সাবেক চেয়ারম্যান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।

দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

নাগরিকদের সব ধরনের তথ্য ও সুযোগকে একটি কার্ডের মাধ্যমে নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।সোমবার (১৬ মার্চ) ঢাকা নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিয়ে কথা বলার পর তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ভারতের আধার কার্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে, দেশেও ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর বিষয়ে চিন্তা করছে সরকার। এছাড়া ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, চীন ও ভারতের সঙ্গে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সংস্কৃতি চালু করতে চাই। ঋণ নয়, এখন থেকে বিনিয়োগে জোর দেবে সরকার। জ্বালানি বিষয়ে হওয়া চুক্তি বিষয়ে তিনি বলেন, অতীতের সরকার জ্বালানি বিষয়ে যেসব চুক্তি করেছিল সেগুলো অসম চুক্তি ছিল। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি বিষয়ে কী ধরনের চুক্তি করলে সেটি লাভজনক হয়, এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আগের সরকারের চুক্তিগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে, বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় এমনভাবেই চুক্তি করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা বিষয়ে তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে এর আগে। বিশেষ করে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা কী, তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে কীভাবে কৌশল নির্ধারণ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

সরকার লটারি বাদ দিয়ে আবার ভর্তি পরীক্ষার দিকে যেতে চায়: মাহাদী আমিন

সরকার লটারি বাদ দিয়ে আবার ভর্তি পরীক্ষার দিকে যেতে চায়: মাহাদী আমিন

র‍্যাবের ডিজি আহসান হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ উদ্দিন

র‍্যাবের ডিজি আহসান হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ উদ্দিন

তেলের দাম বাড়ানোর প্রশ্নই উঠে না: পরিবহনমন্ত্রী

তেলের দাম বাড়ানোর প্রশ্নই উঠে না: পরিবহনমন্ত্রী

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের উপকারে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের উপকারে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের

বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

ট্রাম্পকে ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে বললেন সৌদি যুবরাজ

ট্রাম্পকে ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে বললেন সৌদি যুবরাজ

একদিনেই সৌদি আরবে ৬০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত

একদিনেই সৌদি আরবে ৬০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম

সংস্কার ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আন্দোলন ও রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম।সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সরকার আবারও পুরোনো পথে হাঁটতে শুরু করেছে এবং সংস্কারের বিপক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সরকার যদি পুরোনো পথে হাঁটে, তাহলে আমাদের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে। সংস্কার বাস্তবায়নের লড়াইয়ের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। এছাড়াও এনসিপির কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, “পরিবর্তন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লড়াইয়ে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে।”ইফতার মাহফিলের সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সরদার আমিরুল ইসলাম সাগর। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা ও দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা ও দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু

বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা

বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা

বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির–এর যোগদান উপলক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসক বলেন, তিনি এর আগেও জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি নতুন দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে চান।তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে অনেক সাংবাদিককে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল। কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকদের কোণঠাসা করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করেছে এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির আরও বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি জেলা পরিষদের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতেও তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন।

মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার

ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার

স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে, এখনো নেই যানজট

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে, এখনো নেই যানজট

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চরফ্যাশনের প্রবাসী যুবকের মৃত্যু, গ্রামে শোকের ছায়া

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চরফ্যাশনের প্রবাসী যুবকের মৃত্যু, গ্রামে শোকের ছায়া

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

টান টান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ২৯১ রানের টার্গেটে সফরকারীদের তারা থামিয়ে দেয় ২৭৯ রানে। জয় পায় ১১ রানে।এদিন শেষ দুই ওভার থেকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। আর বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল দুটি উইকেট।এই অবস্থায় ৪৯তম ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানকে দুটি ছক্কা হাঁকান বাঁ-হাতি পাক ব্যাটার শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে তিনি এক রান নিয়ে ননস্ট্রাইকে এলেই ঘুরে যায় খেলার মোড়। ওভারের শেষ বলে আফ্রিদির সঙ্গে থাকা হারিস রউফকে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে পাঠান মুস্তাফিজ।ইনিংসের শেষ ওভার করতে আসেন ডান-হাতি টাইগার স্পিনার রিশাদ হোসাইন। তিনি মাত্র দুই রান দিয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠা শাহিন মাহ আফ্রিদিকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে পাক শিবিরে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।এর মধ্যদিয়ে ১১ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেন মিরাজ-মুস্তাফিজরা।এই ইনিংসে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৬ রান করেন দলটির অধিনায়ক সালমান আলি আগা। ৯টি ছয় এবং চারটি ছক্কার মারে ৯৮ বল থেকে এই রান করেন তিনি। এছাড়া আব্দুল সামাদ ৩৪ এবং শাহিন মাহ আফ্রিদি ৩৭ রান করেন।বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ। তিন উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি এবং রিশাদ হোসাইন একটি উইকেট পান।এর আগে রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভার থেকে তানজিদ হাসানের অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা ২৯০ রানের পুঁজি পায়। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯১।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান করেন ১০৭ বল থেকে ১০৭ রান। যার মধ্যে ছয়টি চার এবং সাতটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ৩৬, নাজমুল হাসান শান্ত ২৭, লিটন দাশ ৪১ এবং তাওহিদ হৃদয় অপরাজিত ৪৮ রান করেন।এ ইনিংসে পাক বোলারদের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন শাহিন মাহ আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে সেরা খেলায়াড়ের খেতাব জিতে নেন টাইগার সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান।

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

ঐতিহ্যবাহী জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ এর ২০২৬ সেশনের জন্য কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ এম আবু মুসা এবং সহকারী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাকির হোসাইন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা, মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা রেখে আসছে।আজ (শনিবার) রাজধানীর মগবাজারে সসাসের অফিসে সসাসের নির্বাহী কমিটিদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ২০২৬ সেশনের জন্য নির্বাহী পরিচালক এবং সহাকারী নির্বাহী পরিচালক মনোনীত করা হয়। নতুন এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছর সংগঠনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে।

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

দেশের শোবিজ অঙ্গনের চর্চিত খবর দ্বিতীয়বারের মতো মা হচ্ছে অভিনেত্রী শবনম বুবলী। কিন্তু তিনি বারবার অস্বীকার করেছেন। চিত্রনায়িকা নিজে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও তার হাটা চলাফেরা সন্দেহ জাগিয়েছে ভক্তদের মনে। এবার এক দাফ এগিয়ে তার মা হওয়ার গুঞ্জন। দেশের একটি গণমাধ্যমে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, সন্তান জন্ম দিতে চলতি মাসেই আমেরিকায় উড়াল দিয়েছেন বুবলী। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন তিনি। বেশকিছু দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন এই নায়িকা। পরনে ছিল ঘাগরা। এ সময় উৎসুক ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখা বুবলী। দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন অভিনেত্রী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এই খবরে প্রায় ঝড় ওঠে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়। তার নাম শেহজাদ খান বীর।

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময় সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। কিন্তু ভালোবেসে গড়া সংসার হঠাৎ করেই ভেঙে যায়। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে দুই তারকাই নীরব থেকেছেন। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথাও বলেছেন রবি চৌধুরী। সেখানে তিনি ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন।এবার সেই অভিযোগের বিপরীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ডলি সায়ন্তনী। মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না।’বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা না করার অনুরোধ জানিয়ে এই গায়িকা বলেন, ‘সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় বানাবেন না। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’বিচ্ছেদের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে ডলি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে; স্পষ্ট করে বলতে চাই, ডিভোর্স আমিই দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।’  ‘অতএব এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’ সবশেষে পবিত্র মাসের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘মাহে রমজানে আল্লাহ সবাইকে পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান করুক।’

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

শাহরুখকন্যা সুহানা খান দক্ষিণ কোরিয়ান কে-পপ তারকা কিম জুন মিয়নের প্রেমে পড়েছিলেন। ডেটেও যেতে চেয়েছিলেন কিম জুন মিয়নের সঙ্গে। সুহানা সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে সরাসরি তা স্বীকারও করেছেন।শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারের ঘরে জন্মগ্রহণ করায় বলিউড নেপোকিড সুহানাকে সুবিধা-অসুবিধা সবকিছুর মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সুহানা তার পারিবারিক প্রভাব না খাটিয়ে সব সময় নিজের পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আর সে চর্চা এখনও তিনি করে যাচ্ছেন। এ কারণে তিনি নিজের দক্ষতা বাড়াতে তায়কোয়ান্দো শেখা এবং অভিনেত্রী হিসেবে যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন।সামাজিকমাধ্যমে বরাবর সরব শাহরুখকন্যা বিভিন্ন সময় লাইভে ভক্তদের সামনে আসেন এবং তাদের অনেক প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দেন। ইনস্টাগ্রামে এরকমই এক সেশন ‘আস্ক মি এনিথিং’য়ে এক ভক্ত প্রশ্ন করেন, তিনি কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেট করতে চান। সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সুহানা কোরিয়ান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেতা কিম জুন-মিয়নের নাম বলেন। এ সময় সুহানা কে-পপ তারকার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন—‘তাকে’। সূত্র: পিঙ্কভিলাশাহরুখ খান ও গৌরী খানের ঘরে জন্ম নেওয়া সুহানা খান গ্ল্যামার জগতের বাইরে খেলাধুলাও আগ্রহী। সৃজনশীলতা তার শিরায় প্রবাহিত হয়। তাই গান-নৃত্য এবং লেখালেখি সবকিছুই তাকে আকর্ষণ করে।এ বছরের একদম শেষ দিকে সুহানা খান তার বাবা শাহরুখ খানের সঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমায় দেখা যাবে বাবা-মেয়ের অ্যাকশন। এতে বলিউডের দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চনের মতো বড় তারকারাও অভিনয় করেবেন।

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ দিনে নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সব ধরনের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। দিনটি তাই গানে গানে পালন করতে চান দেশের তিনজন নারী সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল, অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলাম। তারা তাই নারী দিবস উপলক্ষে নতুন গান তৈরি করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘নারী যায় বাড়ি’।অসংখ্য জনপ্রিয় গানের নেপথ্যের দুই কারিগর শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান রয়েছেন এই গানের পেছনে। শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর লেখা গানটিতে সুর দিয়েছেন পিলু খান। সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম। ৮ মার্চ নারী দিবসে গানটি প্রকাশ করবে আজব রেকর্ডস। গানটির অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন মীর হিশাম ও সারাফ চিশতী।নারী যায় বাড়ি গান প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘নারীরা আজীবন তাঁদের নিজের ঘর খুঁজে বেড়ান। কখনো বাবার ঘর, কখনো স্বামীর ঘর, কখনো ছেলেন ঘর। তাঁর নিজের ঘর কি তিনি কখনো খুঁজে পান? চিরন্তন এই প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে গানটি।’পিলু খান বলেন, ‘জঙ্গী ভাইয়ের সঙ্গে চার দশকে নানা বিষয়ভিত্তিক গান করেছি। এবার সে তালিকায় আরেকটি বিষয় যুক্ত হলো। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে এ গান।’গানটি নিয়ে কোনাল বলেন, ‘কিংবদন্তি দুজন মানুষের গান করতে পেরে আমি আনন্দিত। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সংগীতজীবনের অনন্য অর্জন।’একই ধরনের অনুভূতি ফুটে উঠেছে অন্তরার কথায়, ‘একজন নারী হিসেবে এমন কথার গানে নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের মতো বরেণ্য মানুষের সান্নিধ্য আমার জন্য পরম পাওয়া।’অন্যদিকে মাশা ইসলাম বলেন, ‘শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান আমাদের গানের জগতে দুই মহিরুহ। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে পারা দারুণ ব্যাপার। সবার সঙ্গে গানটি করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আশা করি, যাঁরা শুনবেন তাঁদেরও ভালো লাগবে।’ ৮ মার্চ নারী যায় বাড়ি গানের ভিডিও আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলসহ শিল্পীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে। শোনা যাবে একাধিক আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও।

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল ও চনমনে প্রেমকে ঘিরে নির্মিত নাটক ‘গুডলাক’। ঈদের বিশেষ আয়োজনে ফারহান আহমেদ জোভান ও নাজনীন নীহা অভিনীত নাটকটি নির্মাণ করেছেন ইমরোজ শাওন। রায়হান মাহমুদের চিত্রনাট্যে নির্মিত নাটকের চিত্রগ্রহণ করেছেন নাঈম ফুয়াদ। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দিলারা জামান।গল্প নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাইছেন না নির্মাতা কিংবা অভিনয়শিল্পীরা। তবে নির্মাতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, এক সরলমনা প্রেমিকের আবেগ, ভুলভাল সিদ্ধান্ত আর ভালোবাসার চেষ্টাকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে কাহিনি। ক্যাম্পাসের হালকা আবহ থেকে পারিবারিক টানাপোড়েন—দুটো জায়গাতেই গল্পের বিস্তার রয়েছে।এদিকে জোভানের চরিত্রে থাকছে ভিন্নমাত্রা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার উপস্থিতি ও মোড় ঘোরানো মুহূর্ত দর্শকদের চমকে দেবে।প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘গুডলাক’সহ এবারের ঈদে প্রস্তুত হয়েছে ২০টি বিশেষ নাটক। চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে সেগুলো মুক্তি পাবে ইউটিউব চ্যানেলে।

ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

ঢাবির নতুন ভিসি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

ঢাবির নতুন ভিসি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

ইউজিসির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে অধ্যাপক ফায়েজের আবেদন

ইউজিসির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে অধ্যাপক ফায়েজের আবেদন

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে

ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি  পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু

দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু

ফ্যাশন সচেতন ও রুচিশীল ক্রেতাদের বিপুল উপস্থিতিতে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে চলছে দেশের শীর্ষস্থানীয় লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের ‘গ্র্যান্ড ওপেনিং’ উৎসব। আনুষ্ঠানিকভাবে গত ১৩ মার্চ উদ্বোধন হওয়া এ আয়োজন চলবে আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত। আয়োজন ঘিরে এই সুবিশাল স্টোরে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।এই বিশেষ ‘গ্র্যান্ড ওপেনিং’ উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও রুচিশীল ক্রেতাদের সামনে অনন্য ও লাক্সারি রিটেইল অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। একটি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর হিসেবে এটি কেবল কেনাকাটার জন্য নয়, বরং রুচিশীল ক্রেতাদের জন্য শৈল্পিক অভিজ্ঞতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। আধুনিক নকশা ও পরিমিত আভিজাত্যের সমন্বয়ে সাজানো এই স্টোরে আগত দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ ইন-স্টোর সারপ্রাইজ।আয়োজনে শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্র্যান্ডটির মেন্সওয়্যার, উইমেন্সওয়্যার, কিডসওয়্যার, ফুটওয়্যার, ফ্র্যাগরান্স ও অ্যাকসেসরিজ কালেকশন দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিটি বিভাগ এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পছন্দের কালেকশন ঘুরে দেখতে পারেন।এ বিষয়ে ইল্লিয়ীনের সেলস অপারেশনস ম্যানেজার শাহিন আলম বলেন, “বনশ্রী এলাকার ক্রেতাদের পক্ষ থেকে আমরা যে অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছি, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। ক্রেতাদের জন্য আভিজাত্য আর আন্তর্জাতিক মানের রিটেইল কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই গ্র্যান্ড ওপেনিং উৎসবের মাধ্যমে আমরা ফ্যাশনপ্রেমীদের সাথে আরও নিবিড়ভাবে সংযুক্ত হতে পেরেছি।”আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী এই বিশেষ উৎসব সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এরপর থেকে নিয়মিত সময়ে সেবা প্রদান করবে স্টোরটি। সংশ্লিষ্টদের মতে, দক্ষিণ বনশ্রীতে এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটির উদ্বোধন ইল্লিয়ীনের পথচলায় একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

ঈদুল ফিতরের আমেজ ধরে রাখতে দারাজের ‘গ্লোবাল ফিয়েস্তা’ ও এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডে’র ঘোষণা

ঈদুল ফিতরের আমেজ ধরে রাখতে দারাজের ‘গ্লোবাল ফিয়েস্তা’ ও এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডে’র ঘোষণা

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মির্জা মেহেদী (২৫) নামে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর রাতে সাহরির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নিহত মির্জা মেহেদীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায়। প্রায় ৩ বছর আগে তিনি স্টুডেন্ট ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আসেন। প্রথমে ডি-৪ ভিসায় কিয়ংডং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা সম্পন্ন করার পর পরবর্তীতে ডি-২ ভিসায় সেজং বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন।প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী দক্ষিণ কোরিয়ার সকচো এলাকায় বসবাস করতেন। শনিবার ভোর রাতে তিনি দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের টানে অনেকেই ছুটে যান দক্ষিণের পর্যটন শহর কুয়াকাটায়। তবে এই সমুদ্রকন্যার পাশেই রয়েছে আরেক অপার বিস্ময়- নিঃশব্দ, নির্জন ও স্বপ্নময় চর হেয়ার। বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল বুকে স্বপ্নের মতো জেগে ওঠা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার।দূর থেকে দেখলে মনে হয়, দিগন্তজোড়া জলরাশির মাঝখানে সৃষ্টিকর্তা যেন নিভৃতে গড়ে তুলেছেন এক টুকরো স্বর্গভূমি। কাছে গেলে সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়। অসীম আকাশ আর অনন্ত সাগরের মিলনরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা। সোনালি বালুকাবেলা, ঢেউয়ের ছন্দময় আছড়ে পড়া আর বাতাসের স্নিগ্ধ স্পর্শ সব মিলিয়ে চর হেয়ার এক অনাবিল প্রশান্তির ঠিকানা।দ্বীপের ভেতরে পা রাখলেই মেলে আরেক ভিন্ন জগতের দেখা। গহীন বনের ছায়াঘেরা পথ, পাখিদের নিরন্তর কলকাকলি আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সব মিলিয়ে এখানে বিরাজ করে এক অপার্থিব নির্জনতা। মনে হবে, কোলাহলমুখর পৃথিবী থেকে আপনি অনেক দূরে, যেখানে সময়ও যেন ধীর হয়ে যায়। এখানে শত শত পাখির কলরবে ভোরের নীরবতা ভাঙে, বিস্তীর্ণ বালুচরে লাল কাঁকড়ার দল ছুটে বেড়িয়ে আঁকে জীবনের চঞ্চল রেখাচিত্র। ঢেউয়ের ফেনায় ভেজা তটরেখা, দূরে ভাসমান মাছধরা নৌকা আর আকাশজুড়ে সাদা মেঘ সব মিলিয়ে চর হেয়ার স্বপ্নীল জগৎ।সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কুয়াকাটা ভ্রমণের সঙ্গে চর হেয়ার হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য। এই ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে দক্ষিণের এই নিভৃত দ্বীপে কাটাতে পারেন এক ভিন্ন রকম সময়। যেখানে প্রকৃতি নিজেই আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।ভৌগোলিক অবস্থান পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর হেয়ার। কেউ কেউ একে ‘হেয়ার চর’ নামেও ডাকেন। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কলা গাছিয়ার চর’ নামেও পরিচিত। চরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ‘সোনার চর’, যেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির প্রাণীর দেখা মেলে। পূর্বে চর আন্ডা, পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগার দ্বীপ ও তার পাশেই চর কাশেম। এসব চরের নান্দনিক দৃশ্যও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে এই চরের দূরত্ব ৩৫.১৯ কিলোমিটার। আর রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে চরটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার।ভ্রমণের আদর্শ সময়বঙ্গোপসাগর তুলনামূলক শান্ত থাকায় এখানে ভ্রমণের আদর্শ সময় শীতকাল। এ সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে বেশি। তবে এই সময়েও চরটির সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।যেসব সুবিধা রয়েছেচর হেয়ারে রাত্রিযাপনের জন্য রয়েছে ছোট ছোট তাবু ও কটেজ। তাবু প্রতি ভাড়া এক রাতের জন্য ৪০০ টাকা। সমুদ্রের ঢেউয়ের কলকল ধ্বনি শুনতে শুনতে নির্জন রাতে তাবুতে কাটানো সময় হয়ে উঠতে পারে অনন্য অভিজ্ঞতা। এছাড়া সৈকতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ছাতাসহ আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা। বনভূমির ভেতরে গাছের সঙ্গে বাঁধা দোলনা শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সব বয়সীদের জন্য আনন্দদায়ক।খাবারের জন্য রয়েছে সাগরের তাজা মাছ, মুরগি, ভাতসহ বিভিন্ন প্যাকেজ। থাকা, খাওয়া, ট্রলার সার্ভিস, তাবু ও কটেজসহ ভ্রমণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘সোনার চর ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেলস’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চর হেয়ার ট্যুরিস্ট নিরাপত্তা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান। তার সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর ০১৭১৯৩৬৮১৭৮।তবে এখানে পর্যাপ্ত দোকান বা ফার্মেসি না থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়া ভালো। মোবাইল চার্জিংয়ের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাও রাখলে সুবিধা হবে।যেভাবে যাবেননৌপথে: ঢাকার সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায়। ডেকের ভাড়া ৬৫০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। সেখান থেকে ১৫০০ টাকায় ট্রলার (রিজার্ভ) বা ২০০০ টাকায় স্পিডবোটে চর হেয়ারে যাওয়া যায়। কয়েকজন মিলে গেলে ভাড়া ভাগাভাগি করা সম্ভব।সড়কপথে: ঢাকার সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে পটুয়াখালী চৌরাস্তা পর্যন্ত বাসভাড়া প্রায় ৬৫০ টাকা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ২৫০ টাকায় ৪০ মিনিটে হরিদেবপুর ফেরিঘাট। ট্রলারে ১০ টাকায় গলাচিপা শহরে উঠে মোটরসাইকেলে ১৫০ টাকায় পানপট্টি লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায় (সময় প্রায় ২৫ মিনিট)। পানপট্টি থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা ও বিকেল ৩টায় লঞ্চ চরমোন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। প্রায় ৩ ঘণ্টার নদীপথে আগুনমুখা ও তেতুলিয়া নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। চরমোন্তাজ থেকে ট্রলারে আধাঘণ্টা এবং স্পিডবোটে ১৫ মিনিটে পৌঁছে যাবেন চর হেয়ারে।বিকল্প পথ: গলাচিপার বোয়ালিয়া স্পিডবোট ঘাট থেকে ১০ হাজার টাকায় স্পিডবোট ভাড়া করা যায়। এছাড়া কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকেও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসা যায়। মাত্র ৩০০০-৩৫০০ টাকায় আপনি চলে আসতে পারবেন চর হেয়ারে।যা যা দেখবেনচর হেয়ারে রয়েছে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত,যেখানে আচড়ে পড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশি। দ্বীপের বুকে আছে ঝাউগাছ আর পেয়ারাগাছের বন। এছাড়া আছে নানা আকারের ছইলা, কেওড়া, গেওয়া, বাইন, গোলপাতা, হারগুজি, তাম্বুরা কাঁটার ঝোপঝাড়। সবুজ বনভূমির গাছগুলোতে বিচরণ করে হাজারো দেশীয় ও বিদেশী অতিথি পাখি যার মধুর কণ্ঠে কিচিরমিচির গানে ভুলে যাবেন শহুরে কোলাহলের অবসাদ।দোলনায় শুয়ে দুলতে দুলতে পাখিদের গানে মুগ্ধ হবেন আপনি। সারস, বক, শামুকখোল, মদনটাকেরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে আশ্রয় নেয় এখানকার গাছের মগডালে। আর ঝোপগুলো ডাহুক, কোড়াসহ নাম না জানা পাখিদের অভয়ারণ্য সৈকতে বসে সাগরের গর্জন আন্দোলিত করে তোলে মন। এখান থেকে দেখা যায় জেলেদের মাছ ধরা। সূর্যোদয়ের সময় লাল আভায় রাঙা দিগন্ত আর সূর্যাস্তের ক্ষণে সোনালি-কমলা রঙে ঢেকে যাওয়া জলরাশি হৃদয়ে ছড়িয়ে দেয় এক অনির্বচনীয় মায়া। বালুকাময় সৈকত এর চারদিকে দেখা যাবে লাল কাঁকড়া। এছাড়া এই চরটি চমৎকার এক পিকনিক স্পট। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা ব্যবস্থা। চর হেয়ার শুধু একটি দ্বীপ নয় এ এক অনুভূতি, বিস্ময়, নিঃশব্দ সৌন্দর্যের ঘোষণা। ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতি, নির্জনতা ও সমুদ্রের মিলিত রূপ উপভোগ করতে চাইলে দক্ষিণের এই স্বর্গভূমি হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও আজ (৮ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানান কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অন্যতম।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অদম্য নারী পুরস্কারের আওতায় বিশেষ অবদান রাখা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান, দেশজুড়ে নারী অধিকার, সমতা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন। এ বছর বিশ্বব্যাপী ‘গিভ টু গেইন’ (দিয়ে অর্জন) প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে, যা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। এই কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে তাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।উল্লিখিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মহিলা অধিদফতর। এ ছাড়া, বিভিন্ন অফিস ও সংগঠন দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।সারা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ এ দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধরা প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারও সারা বিশ্বের সব দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি পালনে প্রতিবছরই একটি প্রতিপাদ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়।

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

আধুনিক ইতিহাসের পাতায় যে কয়েকজন নেতা একক সিদ্ধান্তে একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি কেবল একটি দেশের শাসক নন, বরং পুরো শিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও শৈশব: অভাবের মাঝেও শিক্ষার আলো১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে আলী খামেনেইর জন্ম। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জাভাদ খামেনেই ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ আলেম, যিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। খামেনেই পরবর্তীকালে তার শৈশব সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে আমাদের রাতের খাবারে শুধু রুটি আর কিশমিশ জুটত।’ অভাব থাকলেও পড়াশোনায় খামেনেই ছিলেন মেধাবী। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআন শিক্ষা শুরু করেন এবং ১১ বছর বয়সে ধর্মীয় লেবাস (পাগড়ি ও জাব্বা) ধারণ করে মাদ্রাসায় ভর্তি হন।বিপ্লবের আগুন ও কারাবরণ১৯৬০-এর দশকে তিনি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে আসেন এবং শাহ শাসিত রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। এই অপরাধে তাকে অন্তত ছয়বার গ্রেপ্তার করা হয়। সাভাক (তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থা) তাকে নির্মম নির্যাতন করেছিল এবং তিনি তিন বছরের জন্য নির্বাসিতও হয়েছিলেন। কিন্তু এই কারাবাসই তাকে একজন আপসহীন নেতায় পরিণত করে।প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও হত্যাচেষ্টা১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর খামেনেই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ সব পদে আসীন হন। ১৯৮১ সালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে সেই বছরই একটি বোমা হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন, যার ফলে তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে সম্মান দিতে শুরু করে। তার আট বছরের প্রেসিডেন্সি ছিল মূলত ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধ’-এর কঠিন সময় পার করার গল্প।সুপ্রিম লিডার: ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩৭ বছর১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনেইকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তার দীর্ঘ শাসনামলের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো:* আইআরজিসি (IRGC)-এর উত্থান: তিনি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে কেবল একটি সামরিক বাহিনী নয়, বরং একটি বিশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন।* প্রতিরোধের অক্ষ: লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের সমর্থন দিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে এক বিশাল প্রভাব বলয় তৈরি করেছেন, যাকে তিনি ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বলেন।* পারমাণবিক কর্মসূচি: পশ্চিমা বিশ্বের প্রচণ্ড নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সত্ত্বেও তিনি ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন।দর্শনের দর্পণ: খামেনেইর অবিনশ্বর কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত তার আদর্শিক অবস্থানের প্রতিফলন। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:* পশ্চিম প্রসঙ্গে: “আমেরিকা হলো ‘বড় শয়তান’। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই হলো নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।”* আঞ্চলিক সংঘাত ও ইসরায়েল: ‘ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।’* পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ফতোয়া: ‘আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, আমাদের জনগণের ঈমানের মধ্যে।’* তরুণ প্রজন্মের প্রতি: ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’ব্যক্তিগত জীবন ও বিচিত্র পছন্দখামেনেইর জীবনযাপন অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি নিয়মিত কবিতা পড়েন এবং ফারসি সাহিত্যের গভীর অনুরাগী। এমনকি ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ তার অন্যতম প্রিয় বই। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর জীবন, আদর্শ এবং তার প্রভাবশালী বক্তব্যগুলোকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিস্তারিত ফিচার নিউজ নিচে দেওয়া হলো:আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: পারস্যের ক্ষমতার ধ্রুবতারা ও তিন দশকের আপসহীন নেতৃত্বতেহরান, ইরান — আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে যদি কোনো একজন ব্যক্তির ছায়া সবচেয়ে দীর্ঘ হয়, তবে তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর, যখন দেশটি এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন খামেনেই হাল ধরেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কেবল ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নন, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে এক অটল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও বৈপ্লবিক উত্থান১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল মাশহাদ শহরের এক অতি সাধারণ ধর্মীয় পরিবারে খামেনেইর জন্ম। শৈশবে চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া খামেনেইর প্রধান সম্পদ ছিল তার মেধা ও ধর্মীয় নিষ্ঠা। মাত্র ১১ বছর বয়সে মাদ্রাসায় শিক্ষা শুরু করা এই তরুণ ১৯৬০-এর দশকে আয়াতুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে এসে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।বিপ্লবের আগে শাহের শাসনামলে তাকে অন্তত ছয়বার কারাবরণ করতে হয়। নির্বাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত রাজনৈতিক নেতৃত্বের শিখরে আরোহণ করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।‘জীবন্ত শহীদ’ ও অদম্য মনোবল১৯৮১ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় খামেনেই এক ভয়াবহ বোমা হামলার শিকার হন। এই হামলায় তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জানবাজ’ বা ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করে। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তা তাকে ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসায়।আদর্শিক স্তম্ভ: খামেনেইর বিখ্যাত কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:আমেরিকা ও পশ্চিম প্রসঙ্গে: তিনি সবসময়ই আমেরিকার আধিপত্যবাদের কট্টর বিরোধী। তার বিখ্যাত উক্তি:"আমেরিকা হলো 'বড় শয়তান'। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।"ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্বকে তিনি কখনোই মেনে নেননি। তার ভাষায়:"ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।"পারমাণবিক অস্ত্র ও ইসলাম: আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তিনি তার ধর্মীয় ফতোয়ায় অটল ছিলেন: "আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, জনগণের ঈমানের মধ্যে।"ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও আঞ্চলিক প্রভাবখামেনেইর শাসনামলে ইরান কেবল টিকে থাকেনি, বরং আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তার নেতৃত্বে গঠিত ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের অক্ষ আজ লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে (IRGC) তিনি এমন এক সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছেন যা সরাসরি তার কাছে দায়বদ্ধ।ধর্মীয় পণ্ডিত ও সাহিত্যের অনুরাগী এক রাষ্ট্রনায়ককঠোর প্রশাসক এবং ধর্মীয় নেতার বাইরেও খামেনেইর একটি ভিন্ন সত্তা রয়েছে। তিনি ফারসি সাহিত্যের একনিষ্ঠ অনুরাগী এবং শৌখিন কবি। ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য তার নখদর্পণে। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ ছিলো। তিনি প্রায়ই তরুণদের বলতেন, ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তিদীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের নাটাই শক্ত হাতে ধরে রাখার পর, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তার এই দীর্ঘ সফর কেবল ইরানের ইতিহাস নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে স্থায়ীভাবে প্রভাবিত করে গেছে। তিনি যেমন একদিকে আধ্যাত্মিক গুরু, অন্যদিকে তেমনই ছিলেন এক অকুতোভয় রণকৌশলী। তেহরানের এই লৌহমানবের শাহাদাৎ বরণের মাধ্যমে এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তি ঘটলো।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে একটি নতুন মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল শোরুম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ (Mingle in Style)। প্রতিষ্ঠানটি একটি অভিনব রিটেইল কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে যেখানে একই ছাদের নিচে চারটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের সমাহার ঘটানো হয়েছে—যা লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ফ্যাশনের এক অনন্য মিলনস্থল।প্রথাগত শোরুমের ধারণা ছাড়িয়ে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ আধুনিক জীবনযাত্রার এক প্রতিফলন, যেখানে স্টাইল সরাসরি আরাম, সুস্থতা এবং আত্মপ্রকাশের সঙ্গে যুক্ত। এই প্ল্যাটফর্মটি আভাসা (Avasaa), পিওর নর্থ (Pure North), বিদজার (Vidjar) এবং মিঙ্গেল (Mingle)-কে একত্রিত করেছে, যাদের প্রতিটি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক একটি অনন্য দিককে উপস্থাপন করে।এই নতুন যাত্রা সম্পর্কে মিঙ্গেল ইন স্টাইলের কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স নাসরিন করিম বলেন, “মিঙ্গেল আসলে আমার কাছে একটা প্যাশন প্রজেক্ট। আমাদের মূল ভিশন হচ্ছে মডার্ন ফ্যাশনকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিঙ্গেল করা। আমরা চাই মিঙ্গেল একটা ওয়ান স্টপ ওয়ার্ডরোব সলিউশন হোক যেখানে একজন মানুষ তার আইডেন্টিটি, কালচার এবং পার্সোনাল স্টাইল একসাথে খুঁজে পায়।”তিনি আরও যোগ করেন, “মিঙ্গেল ব্র্যান্ডে আমরা সবার কথা চিন্তা করে চারটা সাব-ব্র্যান্ড তৈরি করেছি যাতে সবাই একই ছাদের নিচে সব কালেকশন খুঁজে পায়। এর মধ্যে আভাসাতে থাকছে লাউঞ্জ অ্যান্ড কমফোর্ট ওয়্যার, পিওর নর্থে পাওয়া যাবে জিম অ্যান্ড স্পোর্টস ওয়্যার, ভিদজার-এ থাকছে ক্যাজুয়াল অ্যান্ড ক্লাসিক ওয়্যার এবং মিঙ্গেল নিজে একটি এথনিক ওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করছে।”শোরুমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এর আরামদায়ক এবং বিলাসবহুল পরিবেশ দর্শকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্র্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ করে দেয়। উত্তরা বেলি কমপ্লেক্সে অবস্থিত এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি বর্তমানে ফ্যাশন প্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।উত্তরাবাসীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নাসরিন করিম বলেন, “আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি উত্তরার খুব প্রাইম লোকেশনে করা হয়েছে। উত্তরার ফ্যাশন লাভারদের আমি ইনভাইট করব তারা এসে আমাদের স্টোরটি ঘুরে যাওয়ার জন্য। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আমাদের পুরো কালেকশনের ওপর আমরা ফ্ল্যাট ৩০% অফ দিচ্ছি। আমরা সবাইকে এই অফারটি উপভোগ করার জন্য মিঙ্গেলে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”এই কিউরেটেড মাল্টি-ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশে লাইফস্টাইল রিটেইল খাতের নতুন সংজ্ঞা দিতে চায় ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’। যেখানে আরাম, সংস্কৃতি, সুস্থতা এবং ব্যক্তিগত স্বকীয়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে একই সুতোয় গাঁথা।

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।পাশাপাশি তিনি বলেন, সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদীগুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান পোস্টে লিখেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘনঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।‘কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ, অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে।’তিনি বলেন, বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয়, সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মতো পানি থাকে না।‘অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।’জামায়াত আমির বলেন, মনে রাখতে হবে- অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

শিরোনাম
শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শবে কদরে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় বগুড়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকের যোগদান ও সংবর্ধনা নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে তোফাজ্জল হোসেনকে নিয়োগের দাবি বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা শুরু দক্ষিণ বনশ্রীতে ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের যাত্রা শুরু মতলব উত্তরে শসা চাষে লোকসান, খিরা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা সংস্কার বাস্তবায়নে এনসিপির লড়াই অব্যাহত থাকবে: নাহিদ ইসলাম প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সরকার রাত-দিন কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী মার্কিন রণতরীকে সহায়তাকারীদেরও নিশানার হুঁশিয়ারি ইরানের ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ মতলব দক্ষিণে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভাই হত্যার ঘটনায় পলাতক হানিফ অবশেষে গ্রেফতার ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী স্বৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে যায় খাল কাটার কাজ: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী