ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন বলে এমন তথ্য দিয়েছেন তাঁর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌল্লা (সুজন মাহমুদ)।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাঁদের বক্তব্য শুনেছেন।সুজন মাহমুদ বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এবং তাঁর সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্রভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণসুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত। আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।উপপ্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপটা এসেছে আমাদের সরকারের ওপরে। এই সরকারের ওপরে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন বলে জানান উপপ্রেস সচিব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওরা একটা জেনারেশনকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর সময়ে ৩১ বেডের হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছে। তারপর আমাদের সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই সেটার উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটা ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১০১ বেডে উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিং-প্রভৃতি জরুরি মেডিকেল যন্ত্রাংশের ওপর আরোপিত কর হ্রাস করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, দেশে ফিরলেই গ্রেফতার বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে হলে ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈ‌তিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করব- শেখ হাসিনাসহ যেসব আসামি ওখানে রয়েছেন, বাংলাদেশে যাদের বিচার হয়েছে এবং বিচার হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ সরকার থেকে আমরা যে বারবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, চিঠি দিচ্ছি; সেগুলো তারা রেসপন্ড করবে এবং ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে আরও ত্বরান্বিত করে তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।‘শেখ হাসিনা ইস্যুতে আমি মনে করি না যে এখানে ভারত আর বাংলাদেশের সম্পর্কের কোনো ব্যাঘাত ঘটবে’ উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, সম্পর্ক সম্পর্কের জায়গায় থাকবেই এবং একটি দেশের সঙ্গে আরেকটি দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক হয়।তিনি বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ থাকবে, ডায়লগ চলমান থাকবে। আপনারা দেখেছেন যে বিমসটেকের একটি মিটিংয়ে আমাদের উপদেষ্টা ভিজিট করছেন। এটা তো একটা চলমান প্রক্রিয়া, সেটা থাকবেই। কিন্তু এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য, বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ জুলাই মাসে এটা বলতেই হবে, যারা রক্ত দিয়েছে, যারা মারা গেছে, যারা আহত অবস্থায় আছে, তাদের পরিবারের জন্য একটা ক্লোজার দরকার। তারাও দেখতে চায় যে, যারা তাদের ছেলেমেয়েদের খুন করেছে, আহত করেছে, তাদের বিচার হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে এবং আমরা চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এগুলো ত্বরান্বিত হোক।তিনি বলেন, হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গেছেন। এ যে জুলাই মাসটা চলছে- যেখানে এখন দাবিটা আরও জোরালো হচ্ছে যে— দের সাজা হয়ে গেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের মানুষ তাদের সাজার কার্যকর হওয়াটা দেখতে চায়।

আন্দোলনে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্দোলনে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ব্যানারে চলমান ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কিছু মহল সরকারকে বিব্রত করতে এবং ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। এ আন্দোলনে অনেক অছাত্রও এসেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার এখন পর্যন্ত বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না।’১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দুএকটি জেলায় ও ঢাকায় দুএকটি স্পটে দেখেছি, তাদের সংখ্যা বেশি না যারা এগুলো নিয়ে কথা-বার্তা বলছে। হয়তো মিডিয়াতে এসেছে, এ জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এগুলোতে আমরা মনোযোগ দিচ্ছি না।’সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সরকারকে বিব্রত করতে চায় এ রকম কিছু মহল তো আছেই। বিভিন্ন ইস্যুতে তারা নিজেদের পরিচয় গোপন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়—সেটা দৃশ্যমান হয়েছে। যারা আন্দোলন করছে, তাদের মধ্যে অনেকেই দেখা গেছে আসলে ছাত্রই না, পরীক্ষার্থীই না।’তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এমন আন্দোলনের প্রবণতা দেখা গিয়েছিল।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি চলছে। আর শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।’জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করা হচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • ৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি  জিয়াউর রহমান হত্যার মূল ঘাতক মেজর (অব.) মোজাফফর গ্রেফতার

    ৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার মূল ঘাতক মেজর (অব.) মোজাফফর গ্রেফতার

  • হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

  • লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০

    লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০

  • লঘুচাপের প্রভাব বিদ্যমান, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

    লঘুচাপের প্রভাব বিদ্যমান, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

  • মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায়: মা

    মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায়: মা

  • বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

    বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

সব খবর

সব খবর

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই। তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এ সময় সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি (সুবিধাভোগী) বিএনপি হলেও দলটি এখন জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে বিপ্লবীদের সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, বিএনপির কাছে জুলাই ‘আননেসেসারি’ হলেও জনগণের কাছে জুলাই ‘নেসেসারি’।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এ সমাবেশ ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পর থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপি কোনোদিন বলেনি যে গণভোট সংবিধানে নেই বা রাষ্ট্রপতি গণভোটের অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না। কিন্তু নির্বাচনের পর ক্ষমতায় বসেই তারা উল্টো অবস্থান নিয়েছে। একই অধ্যাদেশে সংসদ নির্বাচনকে বৈধ দাবি করে গণভোটকে অবৈধ বলা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।’তিনি বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ থাকলেও সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বন্ধ হয়নি। জুলাইকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলে জনগণ তার জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রার সুবিধার্থে প্রশাসনের অনুরোধে ১১ দলীয় ঐক্য পূর্বনির্ধারিত স্থান পরিবর্তন করে শাহবাগে সমাবেশের আয়োজন করেছে।’সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পথ বিএনপিকেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানান তিনি। গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ১১ দলীয় ঐক্য কঠোর কর্মসূচিতে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দিয়েই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে দলটি গণভোটের রায় উপেক্ষা করে পুরোনো ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে।আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, সরকার এখনো জুলাই শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। তিনি দ্রুত একটি কমিটি গঠন করে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানান।নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী এবং এনডিএম চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানও বক্তব্য দেন। তারা গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানান।অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন, মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এলডিপির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, শহীদের পিতা মোশারফ হোসেন এবং জুলাইযোদ্ধা কামরুল ইসলাম।সমাবেশ শেষে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত জুলাইযোদ্ধা ও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি শাহবাগ চত্বর থেকে শুরু হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) গেটে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৩০৬ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৮জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৮ জন, খুলনা বিভাগে ৩৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন এবং রংপুর বিভাগে ২৩ জন রয়েছেন।চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯ হাজার ৬৭৬ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।গত ২৪ ঘণ্টায় দুজনসহ চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৭৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডকে অন্যান্য সরকারি সেবার কার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) ব্যবস্থা চালু, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং ভোক্তাদের জন্য আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে টিসিবির কার্যক্রম মূল্যায়ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডব্লিউটিও) খাদিজা নাজনীন, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।বাণিজ্য সচিব বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে টিসিবি দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ক্রয়ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও তথ্যনির্ভর হওয়া প্রয়োজন।তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় অফিসিয়াল কস্ট এস্টিমেট ও চূড়ান্ত চুক্তিমূল্যের মধ্যে ব্যবধান যত কম হবে, ততই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও কস্ট নির্ধারণের দক্ষতা প্রতিফলিত হবে। এজন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার, প্রতিবেশী দেশের মূল্যপ্রবণতা এবং অতীতের বাজারতথ্য বিশ্লেষণ করে আরও নির্ভুল কস্ট এস্টিমেট প্রস্তুত করা হবে।আতাউর রহমান খান বলেন, সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। এতে একদিকে যেমন একচেটিয়া প্রবণতা কমবে, অন্যদিকে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে।তিনি আরও জানান, বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় এআইভিত্তিক বিশ্লেষণ যুক্ত করার লক্ষ্যে একটি কনসেপ্ট নোট প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, টিসিবি, অর্থ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।অনুষ্ঠানে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল আজাদ বলেন, টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডকে অন্যান্য সরকারি কার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য পণ্যের বাস্কেটে আরও প্রয়োজনীয় পণ্য যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি জানান, বরিশাল, রাজশাহী ও ঢাকায় মডেল স্টোর স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে এরই মধ্যে ই-জিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ব্যবস্থা চালু হলে কার্ড স্ক্যানের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব হবে।টিসিবির ভর্তুকিপ্রাপ্ত পণ্যের সঙ্গে সাবান ও ডিটারজেন্ট পণ্য ক্রয় সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক; ভোক্তাদের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না বলেও এ অনুষ্ঠানে জানানো হয়।এছাড়া টিসিবির ডিজিটাল রূপান্তর, ক্রয়ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা।

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস, দায়িত্বে অনীক রুশদ হক

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস, দায়িত্বে অনীক রুশদ হক

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুসের ৯ দিনের যুক্তরাজ্য সফরের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। তাঁর অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলের রুটিন দায়িত্ব ও কার্যাবলি পালন করবেন।১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উপসচিব এ.এফ.এম. গোলাম রহমান স্বাক্ষরিত ওই আদেশ অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল পারিবারিক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তিনি তাঁর কন্যার লিঙ্কনস ইনে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘কল টু দ্য বার’ (Call to the Bar) অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফর শেষে ২২ জুলাই অথবা নিকটবর্তী সময়ে দেশে ফিরবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন সহধর্মিণী ফারজানা বেগম এবং দুই কন্যা আদিবা রুহুল ও আরীবা রুহুল। সফরের সম্পূর্ণ ব্যয় তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন। এ সফরে সরকারের স্থানীয় বা বৈদেশিক মুদ্রার কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।অ্যাটর্নি জেনারেলের বিদেশ সফরকালে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হককে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সরকারি আদেশের অনুলিপি পররাষ্ট্র সচিব, সলিসিটর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আর্জেন্টিনার খেলা দেখে ফেরার পথে ২ সাংবাদিক নিহত

আর্জেন্টিনার খেলা দেখে ফেরার পথে ২ সাংবাদিক নিহত

রাজধানীর উত্তরায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখে বাসায় ফেরার পথে বাসের চাপায় দুই সাংবাদিক নিহতi হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের জসিমউদ্দীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহতরা হলেন প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক রবিউল আলম রাজু এবং সংবাদ দিগন্তের সাংবাদিক সাকিবুল হাসান।সাকিবুল হাসান উত্তরা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক এবং রবিউল আলম রাজু আপ্যায়ন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখা শেষে তারা মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন। পথে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের জসিমউদ্দীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস তাদের চাপা দেয়।গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ এবং চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আবারও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ম্যাচের একেবারে শুরুতেই ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে দুই দল শারীরিকভাবে বেশ আক্রমণাত্নক ছিল। মোট ১৯টি ফাউল করেছে দুই দল। আর্জেন্টিনার ১২টির বিপরীতে ৭টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ড। অন টার্গেটেও কোনো শট নিতে পারেনি কোনো দল। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে লিড নেয় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের স্মরণে নেত্রকোনায় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের স্মরণে নেত্রকোনায় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ এবং আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণ সভা।১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে ছোটবাজারস্থ বিএনপির দলীয় কার্যলয়ে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা ২ সদর ও বারহ্রাটা আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক।জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনীক মাহবুব চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা শামীমের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট নুরুজ্জামান নুরু।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেহেরুল আলম রাজু,নেত্রকোনা সদর উপজেলা বিএরপির সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন ফারাস সেন্টু,নেত্রকোনা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নের্তবৃন্দ।স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।বক্তারা আরও বলেন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ মানবাধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই। তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এ সময় সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।

শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস, দায়িত্বে অনীক রুশদ হক

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস, দায়িত্বে অনীক রুশদ হক

৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি  জিয়াউর রহমান হত্যার মূল ঘাতক মেজর (অব.) মোজাফফর গ্রেফতার

৪৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার মূল ঘাতক মেজর (অব.) মোজাফফর গ্রেফতার

নিজের ছোট দানে অন্যের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশনের জয় অফ গিভিং অনুষ্ঠিত

নিজের ছোট দানে অন্যের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশনের জয় অফ গিভিং অনুষ্ঠিত

আন্দোলনে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্দোলনে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায়: মা

মানুষ যেন আবু সাঈদকে ভুলে না যায়: মা

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আইসিটি উদ্যোক্তাদের  সরকার  ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আইসিটি উদ্যোক্তাদের সরকার ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মার্কিন হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৩৫

মার্কিন হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৩৫

আর্জেন্টিনার খেলা দেখে ফেরার পথে ২ সাংবাদিক নিহত

আর্জেন্টিনার খেলা দেখে ফেরার পথে ২ সাংবাদিক নিহত

মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত

মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত

মার্কিন শয়তানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

মার্কিন শয়তানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করছেন ট্রাম্প

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করছেন ট্রাম্প

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি (সুবিধাভোগী) বিএনপি হলেও দলটি এখন জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে বিপ্লবীদের সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, বিএনপির কাছে জুলাই ‘আননেসেসারি’ হলেও জনগণের কাছে জুলাই ‘নেসেসারি’।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এ সমাবেশ ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পর থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপি কোনোদিন বলেনি যে গণভোট সংবিধানে নেই বা রাষ্ট্রপতি গণভোটের অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না। কিন্তু নির্বাচনের পর ক্ষমতায় বসেই তারা উল্টো অবস্থান নিয়েছে। একই অধ্যাদেশে সংসদ নির্বাচনকে বৈধ দাবি করে গণভোটকে অবৈধ বলা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।’তিনি বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ থাকলেও সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বন্ধ হয়নি। জুলাইকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলে জনগণ তার জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রার সুবিধার্থে প্রশাসনের অনুরোধে ১১ দলীয় ঐক্য পূর্বনির্ধারিত স্থান পরিবর্তন করে শাহবাগে সমাবেশের আয়োজন করেছে।’সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পথ বিএনপিকেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানান তিনি। গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ১১ দলীয় ঐক্য কঠোর কর্মসূচিতে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দিয়েই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে দলটি গণভোটের রায় উপেক্ষা করে পুরোনো ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে।আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, সরকার এখনো জুলাই শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। তিনি দ্রুত একটি কমিটি গঠন করে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানান।নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী এবং এনডিএম চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানও বক্তব্য দেন। তারা গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানান।অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন, মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এলডিপির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, শহীদের পিতা মোশারফ হোসেন এবং জুলাইযোদ্ধা কামরুল ইসলাম।সমাবেশ শেষে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত জুলাইযোদ্ধা ও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি শাহবাগ চত্বর থেকে শুরু হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) গেটে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র   নতুন আহ্বায়ক কমিটি

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

বন্যা-দুর্যোগে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

নির্বাচন ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারনী বৈঠক

নির্বাচন ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারনী বৈঠক

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

এতিমখানার চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মতলব উত্তরে বরাদ্দের বড় অংশ গায়েব

এতিমখানার চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মতলব উত্তরে বরাদ্দের বড় অংশ গায়েব

সাভারে গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের সভা, দোয়া ও আর্থিক অনুদান

সাভারে গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের সভা, দোয়া ও আর্থিক অনুদান

সাভারে রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান

সাভারে রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান

সাভারে শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউ বিগ্রহ মন্দিরের উদ্যোগে রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাভারের ১১৯ কাতলাপুর এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউ বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবদুল্লাহ আল আমিন এবং শেরপুর, ময়মনসিংহের উপকমিশনার বাবু দীপঙ্কর সরকার।অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শ্রীপাদ নিতাই দয়াল দাস ব্রহ্মচারী, সাধারণ সম্পাদক, শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউ বিগ্রহ মন্দির (ইসকন), কাতলাপুর, সাভার। আলোচনা সভায় বক্তারা ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে ভক্তদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিপুলসংখ্যক ভক্ত, সুধীজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নবীনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব শুরু

নবীনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব শুরু

কসবায় কৃষিজমি ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় ১ বছরের কারাদণ্ড

কসবায় কৃষিজমি ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় ১ বছরের কারাদণ্ড

বাঁধ রক্ষায় গঙ্গাচড়ায় মানববন্ধন, ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে মহাসড়ক অবরোধ

বাঁধ রক্ষায় গঙ্গাচড়ায় মানববন্ধন, ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে মহাসড়ক অবরোধ

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের স্মরণে নেত্রকোনায় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের স্মরণে নেত্রকোনায় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০

লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০

লঘুচাপের প্রভাব বিদ্যমান, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

লঘুচাপের প্রভাব বিদ্যমান, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

দলের খুব দরকারি সময়ে আবারও জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের আরেকটি গল্প লিখে আর্জেন্টিনা যে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল তা তো ক্ষুদে জাদুকরের কল্যানেই। নজরকাড়া পারফরম্যান্সে আসরের গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে উঠে এলেন ৩৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি।আতালান্তা স্টেডিয়ামে বুধবার বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। দলের দুই গোলেরই যোগানদাতা ছিলেন মেসি।গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থ্যনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। আক্রমণের জোয়ার তুলে ৮৫তম মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ডান প্রান্ত খেবে মেসির বাড়ানো বল ডি বক্সের বাইরে থেকে উঁচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফের্নান্দেজ।মেসির নেতৃত্বে আক্রমণ চালিয়ে যায় গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ফলও পেয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মেসির ডান পায়ের ভয়ঙ্কর ক্রস গোলমুখ থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভাসান লাওতারো মার্তিনেজ।আসরে এনিয়ে টানা দুই ম্যাচ গোলহীন থাকলেন মেসি। তবে গোলের সঙ্গে সংযোগ ছেদ হয়নি কিংবদন্তির। আট গোলের পাশাপাশি আসরে তার অ্যাসিস্ট হলো ৪টি।আসরে আট গোল আছে প্রথম সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়া ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপেরও। তবে ফরাসি তারকার চেয়ে গোলে সহায়তায় এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন মেসি। এমবাপের গোলে সহায়তা তিনটিতে।মেসি এখনও বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা তালিকায় শীর্ষেই আছেন ২১ গোল নিয়ে, এমবাপে ২০ গোল নিয়ে ঠিক তার পিছনে।সাত গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও দলটির আরেক তারকা জুড বেলিংহ্যামের গোল ৬টি করে।টুর্নামেন্ট শেষে সর্বাধিক গোল করা খেলোয়াড়কে গোল্ডেন বুট দেওয়া হয়। যদি দুই খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করেন, তবে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড় জয়ী হন। গোল ও অ্যাসিস্ট সমান হলে, কম সময়ে গোল করা খেলোয়াড়কে পুরস্কার দেওয়া হয়।বর্তমান শীর্ষ গোলদাতারা (বিশ্বকাপ ২০২৬):লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ৮ গোল, ৪ অ্যাসিস্টকিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স) – ৮ গোল, ৩ অ্যাসিস্টআর্লিং হালান্ড (নরওয়ে) – ৭ গোল, ০ অ্যাসিস্টজুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড) – ৬ গোল, ১ অ্যাসিস্টহ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড) – ৬ গোল, ১ অ্যাসিস্ট উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) – ৫ গোল, ২ অ্যাসিস্ট মিকেল ওয়ারজাবাল (স্পেন) – ৪ গোল, ১ অ্যাসিস্টপূর্বে গোল্ডেন বুট জয়ীরাএমবাপে (২০২২, কাতার) হ্যারি কেইন (২০১৮, রাশিয়া) হামেস রদ্রিগেজ (২০১৪, ব্রাজিল) এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় একাধিকবার গোল্ডেন বুট জিততে পারেননি।এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল জাস্ট ফন্টেইন (ফ্রান্স) – ১৩ গোল (১৯৫৮, সুইডেন) শানদর কচিস (হাঙ্গেরি) – ১১ গোল (১৯৫৪, সুইজারল্যান্ড) গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১০ গোল (১৯৭০, মেক্সিকো) বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতা লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ২১ কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স) – ২০ মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) – ১৬ রোনালদো (ব্রাজিল) – ১৫ হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড) ও গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১৪

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বাংলাদেশকে যে উপহার দিতে চান আর্জেন্টিনা কোচ

বাংলাদেশকে যে উপহার দিতে চান আর্জেন্টিনা কোচ

স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্সের বিদায়

স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্সের বিদায়

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হত্যার হুমকি কলম্বিয়ার মিডফিল্ডারকে

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

উইম্বলডনে শিরোপা ধরে রাখলেন সিনার

বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে সেমিতে ইংল্যান্ড, নিষ্প্রভ হালান্ডের বিদায়

বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে সেমিতে ইংল্যান্ড, নিষ্প্রভ হালান্ডের বিদায়

অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে, আমিরকে হত্যা করতে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণা

অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে, আমিরকে হত্যা করতে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণা

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় ঝুঁটি বাঁধছেন আরিফিন শুভ-কেয়া পায়েল

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় ঝুঁটি বাঁধছেন আরিফিন শুভ-কেয়া পায়েল

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় জুঁটি বেঁধে অভিনয় করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ও ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ দেখা যাবে তাদের। তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম সিনেমাটি নির্মাণ করছেন। এই চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চরকির কোনো কনটেন্টে কামব্যাক করছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের জন্য এটিই চরকির সাথে প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ (এমওএল) প্রজেক্টের ব্যানারে নির্মিতব্য এই সিনেমাটি হতে যাচ্ছে সপ্তম চলচ্চিত্র, যা সহ-প্রযোজনা করছে খ্যাতনামা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ছবিয়াল’।নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং আধুনিক জীবনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবকে এই সিনেমার গল্পে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাছাকাছি সময়ের দুটি সময়ের মানুষের গল্প এটা। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটা প্রতিফলন পাওয়া যাবে ফিল্মে। আমি আশাবাদী যে দর্শকদের মধ্যে একটা উপলব্ধি আমি তৈরি করতে পারব।’সাধারণত পর্দায় আরিফিন শুভকে অ্যাকশন হিরো কিংবা ‘আলফা মেইল’ চরিত্রে দেখে দর্শক অভ্যস্ত। তবে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় আনিস নামের একটি চরিত্রে একদম ভিন্নরূপে হাজির হবেন তিনি। এখানে তাকে দেখা যাবে একজন ‘সিগমা মেইল’ হিসেবে।নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘উনিশ২০-এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’সিনেমার গল্পটি গড়ে উঠেছে বর্তমান যুগের এক মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে রয়েছেন সহজ-সরল ও সৎ যুবক আনিস (শুভ), আর অন্য প্রান্তে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা। এই অনামিকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যার চরিত্রটি সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে আবর্তিত।নতুন এই প্রজেক্ট নিয়ে উচ্ছ্বসিত কেয়া পায়েল বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে খুব ভালো লাগছে, প্রথমত আমার সহশিল্পী আরিফিন শুভ ভাই। দ্বিতীয়ত চরকির সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ, তৃতীয়ত এর নির্মাতা জাহিদ প্রীতম। আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন। ‘চরকির ব্যতিক্রমী প্রজেক্ট ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ মূলত সম্পর্কের নানা রূপ নিয়ে গল্প বলে। এই প্রজেক্ট নিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ প্রজেক্টটের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন লেয়ার তুলে আনা হয়েছে। এই গল্পেও তেমন একটা সম্পর্কের গল্প দর্শকরা দেখতে পারবেন।’গল্পের ভিন্নতার কারণেই এই প্রজেক্টের সাথে সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। সিনেমাটি নিয়ে নিজের ভালো লাগা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ভাবনার ভিন্নতার কারণে দুইজন মানুষের যে দ্বন্দ্ব, খুনসুটি, নিজেদের ভাবনাগুলোকে মেলানোর চেষ্টা– গল্পের এই বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে। সে জন্যই কাজটার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। আর গল্পের মতো করেই আমরা মূল দুই শিল্পীকে কিছুটা ভিন্নভাবে দেখতে পাব। সেটা দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করি।’উল্লেখ্য, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে আরিফিন শুভ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় কনটেন্ট ছিল ২০২৩ সালের ‘উনিশ২০’। অন্যদিকে, নির্মাতা জাহিদ প্রীতম ‘ঘুমপরী’র পর তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র নিয়ে চরকিতে ফিরছেন। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ প্রজেক্টের আওতায় এর আগে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অফ মনোগামী’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘৩৬-২৪-৩৬’ এবং ‘ডিমলাইট’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পেয়েছে।

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তির আওতায় অভিনয় শিল্পী সংঘের সব সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁরা এক্সিকিউটিভ হেলথ চেক-আপ, কার্ডিয়াক হেলথ চেক-আপসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।চুক্তিতে ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এবং অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষে সভাপতি আজাদ আবুল কালাম যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন।এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু এবং আইনবিষয়ক সম্পাদক সূচনা সিকদারও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তির আত্নহত্যা

হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তির আত্নহত্যা

ব্রডওয়ে ও টেলিভিশন অঙ্গনের জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আর নেই। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানায়, গত ১০ জুলাই আত্মহত্যা করেন এই অভিনেতা। পরে তার সহ-অভিনেতা রব ম্যাকব্লুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।রব ম্যাকব্লুর লিখেছেন, এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তিনি জশের স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিও প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, জশ গ্রিসেত্তিকে ছাড়া অভিনয়জগত আর আগের মতো থাকবে না। তাকে সবাই গভীরভাবে মিস করবেন।মৃত্যুর আগে নিজের শেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জশ জানান, ব্যক্তিগত কারণে একটি নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আগেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।তার মৃত্যুর পর উৎসব কর্তৃপক্ষও শোক প্রকাশ করে জানায়, জশ গ্রিসেত্তি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক, স্নেহশীল ও নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষ। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের কাছে তিনি ছিলেন খুবই প্রিয়।ব্রডওয়েতে নাইজেল বটম চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান জশ গ্রিসেত্তি। এছাড়া ইট শুডা বিন ইউ, ব্রডওয়ে বাউন্ড, রেন্ট, পিটার অ্যান্ড দ্য স্টারক্যাচার ও এন্টার লাফিং-সহ একাধিক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।টেলিভিশনেও সফল ছিলেন জশ। তিনি দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেজেল, দ্য নাইটস অব প্রসপারিটি, নার্স জ্যাকি এবং দ্য গুড ফাইট-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র ও সংগীতনির্ভর নাটকের পরিচালনাও করেছেন।১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় জন্ম নেওয়া জশ গ্রিসেত্তি ছোটবেলা থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে হলিউড ও ব্রডওয়ের অভিনয় অঙ্গনে।

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

চার বছর আগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার বছর পর প্রথমবারের মতো বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তিনি দাবি করেছেন, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার কারণে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন, হারিয়ে যাওয়া সম্মান ও মানসিক শান্তি আদৌ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব কি না।শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন এই অভিনেত্রী।স্ট্যাটাসে র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরীমনি বলেন, সম্প্রতি একটি অনলাইন টক শোতে দেওয়া তার বক্তব্যের মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পেরেছে, বনানীর বাসায় দীর্ঘ অভিযান শেষে তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশে তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।নিজের জীবনের সেই অধ্যায়কে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে পরীমনি লেখেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’তিনি আরও দাবি করেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারও পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।’পরীমনির ভাষ্য, গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি আজও সেই ঘটনার ভুক্তভোগী হয়ে আছেন। তার ভাষ্য, ‘যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’রাষ্ট্রের উদ্দেশে কয়েকটি প্রশ্নও তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানতে চান, হারিয়ে যাওয়া সময়, সম্মান এবং মানসিক শান্তি কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? তিনি লেখেন, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’তবে অতীতের ঘটনার প্রতিশোধ নয়, বরং সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই তার প্রত্যাশা বলে উল্লেখ করেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’স্ট্যাটাসের শেষাংশে কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধারের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ঢাকার আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, ঢাকা বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনা মূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে পরীমনি তাকে গালাগাল করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। মামলাটিও বর্তমানে বিচারাধীন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, দর্শকদের জন্য থাকছে তারকাখচিত আয়োজনও। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে সুপার বোলের আদলে আয়োজিত হবে বিশেষ হাফটাইম শো। সেখানে এক মঞ্চে পারফর্ম করবেন বিশ্বের জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই বর্ণাঢ্য পরিবেশনায় আরও অংশ নেবেন তাদের মধ্যে অন্যতম নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না বয়, বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, কোল্ডপ্লের অংশগ্রহণে পিএস২২ কোরাস এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘সিসেমি স্ট্রিট’-এর মাপেট চরিত্রগুলো। অনুষ্ঠানটি ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশে আয়োজিত হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে জাস্টিন বিবার বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি আসর, যা পৃথিবীর মানুষকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি একত্রিত করে।’স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ‘জাস্টিস’ ওয়ার্ল্ড ট্যুর বাতিলের চার বছর পর চলতি বছরের বসন্তে ক্যালিফোর্নিয়ার কোচেলা উৎসবে মঞ্চে ফিরেছিলেন বিবার। সেখানে তিনি ‘বেবি’, ‘নেভার সে নেভার’, ‘ওয়ান টাইম’ এবং ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিট’-সহ তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করেন। ফিফার এই ঐতিহাসিক হাফ-টাইম শোর কিউরেশন করেছেন কোল্ডপ্লের ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করা কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয়ও আবারও একসঙ্গে মঞ্চে উঠবেন। তাদের যৌথ গান ‘দাই দাই’ টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সংগীত চার্টে শীর্ষে রয়েছে এবং বিভিন্ন ম্যাচেও ব্যাপকভাবে বাজানো হচ্ছে।এদিকে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই আসরের আয়োজক তিন দেশের দলই এরই মধ্যে বিদায় নিয়েছে।বৃহস্পতিবার বোস্টনে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব আবার শুরু হচ্ছে। শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। শনিবার মিয়ামিতে খেলবে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড, আর একই দিনে কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল করে অবস্থান করছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এরলিং হালান্ড। এছাড়া ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোলসংখ্যা ছয়।

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের প্রতি প্রতারণার অভিযোগ দেশের জনপ্রিয় ও বরেণ্য চিত্রনায়িকা রোজিনার। অভিমানের সুরে তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এ সব কথা জানান তিনি।অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাবো কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারবো না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাবো। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।ৎরোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আল্টিমেটাম, না হলে ফের ‘লংমার্চ’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আল্টিমেটাম, না হলে ফের ‘লংমার্চ’

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব ৫ উদ্যোগ

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব ৫ উদ্যোগ

মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি থেকে সরে এলেন শিক্ষার্থীরা, নতুন ৬ দফা

মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি থেকে সরে এলেন শিক্ষার্থীরা, নতুন ৬ দফা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফের জড়ো হয়েছেন রাজধানীর শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফের জড়ো হয়েছেন রাজধানীর শিক্ষার্থীরা

সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, পথে পুলিশি বাধা

সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, পথে পুলিশি বাধা

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের

ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের

ফ্রি ট্রেড জোন কেন্দ্রিক আমদানি বাণিজ্য পরিচালনায় নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ নীতিমালার মাধ্যমে এফটিজেডে আমদানি, অর্থায়ন, কনসাইনমেন্ট ব্যবস্থাপনা, বিলম্ব মূল্য পরিশোধ এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এফটিজেডভিত্তিক বাণিজ্য আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালার আওতায় এফটিজেড-সংক্রান্ত সব ধরনের লেনদেন পরিচালনা করবে। এ সুবিধার আওতায় থাকবেন উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অনুমোদিত ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী আমদানিকারক এবং ফ্রি ট্রেড জোনে কার্যরত লজিস্টিকস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।নির্দেশনায় কনসাইনমেন্ট ভিত্তিক আমদানির সুযোগও রাখা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার বা বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত মালিকানা বিদেশি সরবরাহকারীর কাছেই থাকবে। ফলে মালিকানা হস্তান্তরের আগে এসব পণ্যকে ব্যাংকগুলো নিজেদের মজুদ হিসেবে গণ্য করবে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো ঋণঝুঁকিও বহন করতে হবে না।এফটিজেড-সংশ্লিষ্ট পণ্য লেনদেনের ধরনও নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরের কোনো ক্রেতা এফটিজেড থেকে পণ্য কিনলে সেটি আমদানি হিসেবে বিবেচিত হবে। অন্যদিকে, এফটিজেডে থাকা প্রতিষ্ঠানের জন্য সেই বিক্রয় হবে রপ্তানি এবং স্থানীয় ক্রেতার জন্য তা আমদানি হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে এক্সপি ও আইএমপি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি সব ধরনের অর্থপ্রদান অবাধে রূপান্তরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রায় সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ফ্রেমওয়ার্কে কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে আমদানিকৃত পণ্য এফটিজেডে সর্বোচ্চ ৪৮ থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া বিলম্ব মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে আমদানি, যার মধ্যে বায়ার্স ক্রেডিট ও সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট অন্তর্ভুক্ত, তা সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো এফটিজেডে কার্যরত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন সুবিধা দিতে পারবে। একই সঙ্গে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটগুলোও প্রচলিত বিধিমালা অনুসারে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়নের সুযোগ পাবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এ ফ্রেমওয়ার্ক কার্যকর হলে ফ্রি ট্রেড জোনভিত্তিক আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক সরবরাহ শৃঙ্খলার দক্ষতা বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় এক হাজার নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত ৬ হাজার ২৩৭টি অভিযানে মোট ৮৪ হাজার ৪৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৯০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯৭৮ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, শুধু জুন মাসেই দেশব্যাপী ১ হাজার ১৫৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৩ হাজার ৭৮ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৩৩ জন নিয়োগকর্তাকে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।জাকারিয়া জানান, আটক বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার অপরাধ। এছাড়া ইমিগ্রেশনের দেওয়া পাসের অপব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে শনাক্ত হয়েছে।রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার আইনগত অবস্থান ও নথিপত্রের ভিত্তিতে।তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অধিকাংশ রোহিঙ্গার কাছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্র রয়েছে। তাই শুধু বৈধ পাস না থাকা বা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।তবে রোহিঙ্গারা দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন থেকে অব্যাহতি পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হন বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।এছাড়া কেউ অবৈধভাবে সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনা করলে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান মহাপরিচালক।

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

প্রতিটি ফুটবলপ্রেমী দেশের এমন একজন খেলোয়াড় থাকেন, যাকে সে দেশের মানুষ নিজেদের গর্ব হিসেবে দেখে। আর্জেন্টিনার আছে মেসি, পর্তুগালের রোনালদো, ব্রাজিলের নেইমার। আর বাংলাদেশের আছে নিজেদের ফুটবল নায়ক, জামাল ভূঁইয়া। ফিফা বিশ্বকাপ এলে কোটি কোটি বাংলাদেশি যেমন বিশ্বের সেরা ফুটবল তারকাদের সমর্থন করেন, তেমনি লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া নিজেদের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার প্রতিও সমান গর্ব অনুভব করেন। দেশের ফুটবলপ্রেম ও এই গর্বকে উদযাপন করতেই বিশ্বকাপ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সাথে অংশীদারিত্ব করেছে অপো।বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি মেসি, রোনালদো কিংবা নেইমারের মতো তারকারা যেমন কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন, তেমনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে জামাল ভূঁইয়া নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের প্রতীক। বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার অসংখ্য তরুণ ফুটবলারের মনে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন জাগিয়েছে।এ বছরের বিশ্বকাপ উদযাপনকে আরও অনন্য করে তুলতে অপো দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ফিফা ম্যাচ স্ক্রিনিং ক্যাম্পেইন ‘কোন বিশ্ববিদ্যালয় পাবে জামাল ভূঁইয়ার সাথে সেমিফাইনাল দেখার সুযোগ?’-এর আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসের পক্ষে ভোট ও সমর্থন জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করা ও সমর্থন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে বিশেষ স্ক্রিনিং আয়োজনের সুযোগ পাবে, যেখানে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সাথে একসাথে খেলা উপভোগ করবেন শিক্ষার্থীরা এবং উদযাপন করবেন ফুটবলের সবচেয়ে বড় উৎসব। এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “ফুটবল এমন একটি খেলা, যা সীমান্ত পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব ফুটবল নায়ক রয়েছে, আর্জেন্টিনার মেসি, পর্তুগালের রোনালদো, ব্রাজিলের নেইমার আর বাংলাদেশের জামাল ভূঁইয়া। অপোর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ফুটবলকে সমর্থন করতে পেরে এবং কোটি বাংলাদেশির ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকে উদযাপন করতে পেরে।”এ বিষয়ে জামাল ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ। এই আবেগ উদযাপনে অপোর সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করার ও বিজয়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল উপভোগ করার অপেক্ষায় আছি।” এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে অপো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট https://www.oppo.com/bd/ ভিজিট করুন বা অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ফলো করুন।

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের  চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের চুক্তি স্বাক্ষর

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ সাভারে রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান এতিমখানার চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মতলব উত্তরে বরাদ্দের বড় অংশ গায়েব সাভারে গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের সভা, দোয়া ও আর্থিক অনুদান শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবীনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব শুরু ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ সাভারে রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান এতিমখানার চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মতলব উত্তরে বরাদ্দের বড় অংশ গায়েব সাভারে গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের সভা, দোয়া ও আর্থিক অনুদান শেখ হা‌সিনা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবীনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব শুরু ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী