ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্যাস পর্যাপ্ত সরবরাহ করা না গেলে পাওয়ার প্ল্যান্টে সংকট হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আশা করছি, আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এক্সিলারেট টার্মিনালটি আংশিক সক্ষমতায় চলছে। এটিকে পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে কথা বলছি। আজ দুপুরেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক আছে। কোন সময়ে টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। এ কারণে আমরা বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কারও কিছু করার থাকে না। আমরা অসহায়, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করতে পারব এবং সেই ক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে মিটিং করেছি, টিমও সেখানে গেছে। তাদের অফার নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব বলে আশা করছি। এটি একটি মধ্যমেয়াদি সমাধান। হাতে যতগুলো বিকল্প আছে, সবগুলো নিয়েই কাজ করছি।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে, সেটি দিনক্ষণ বেঁধে বলা সম্ভব নয়। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছে। এটি জনগণ নিশ্চয়ই বোঝেন। চেষ্টার ন্যূনতম কোনো ত্রুটি নেই। ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজির ব্যাপারে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজেনি; বরং তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে গেছে। এ কারণে হঠাৎ করে সংকট এসেছে। একটি সময়ে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তেই হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালীন সময়ে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার

চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার

সরকারি আদেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া এবং ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বাংলাদেশ পুলিশ ক্যাডারের ছয়জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত (চাকরিচ্যুত) করেছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সদয় অনুমোদন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে উদ্দেশ করে তার কথিত ‘স্যার, একটা গুলি করলে একটাই মরে’ মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন—ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিপিএম) মো. গোলাম রুহানী। গোলাম রুহানী ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর ছোট ভাই।কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড গোয়েন্দা-দক্ষিণ) বিপ্লব কুমার সরকার বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কোনো ধরনের লিখিত বা মৌখিক অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই তারিখ থেকেই তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ২২ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। একাধিক নোটিশ দিয়েও তাকে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও একই তারিখ থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীমকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে বদলি করা হলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। ১৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই তারিখ থেকেই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার এবং পরে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ২৮ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধেও ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস কক্সবাজারের ৮ এপিবিএনে কর্মরত অবস্থায় পাঁচ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি শেষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও আর ফিরে আসেননি। টানা ৬০ দিনের বেশি অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকায় তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং ওই তারিখ থেকেই তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিপিএম) মো. গোলাম রুহানী ডিএমপি থেকে খাগড়াছড়ির এপিবিএনে বদলি হওয়ার পর ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। তদন্ত এবং বিপিএসসির পরামর্শের ভিত্তিতে ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে কার্যকর করে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।তদন্ত শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তপ্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিযোগ তদন্তে পৃথক তদন্তকারী কর্মকর্তাও নিয়োগ করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউই অভিযোগের জবাবে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করেননি।পরবর্তীতে নিরপেক্ষ তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির সদয় অনুমোদনক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(৩)(১)(ঘ) বিধি অনুযায়ী তাদের চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।এতে বলা হয়েছে, এদিন থেকেই দেশের বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত স্মারকে বলা হয়, এর আগে ১১ জুন থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ আগস্ট থেকে এসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে।দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান এবং অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ, আলোকসজ্জা বন্ধ এবং মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।পাশাপাশি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও ঢাকা দোকান মালিক সমিতিকেও এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

  • চাঁদাবাজি মামলায় ডেভিড ইমন পাঁচদিনের রিমান্ডে

    চাঁদাবাজি মামলায় ডেভিড ইমন পাঁচদিনের রিমান্ডে

  • হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

  • আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরকে গুজব বললেন তথ্যমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরকে গুজব বললেন তথ্যমন্ত্রী

  • মার্কিন বাহিনী ‘আমাদের ধারণার চেয়েও দুর্বল’: আইআরজিসি

    মার্কিন বাহিনী ‘আমাদের ধারণার চেয়েও দুর্বল’: আইআরজিসি

  • অর্থনীতিতে হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

    অর্থনীতিতে হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

  • ভারত থেকে আসছে ১৯ রেল কোচ

    ভারত থেকে আসছে ১৯ রেল কোচ

সব খবর

উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ

উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ

আদালতে বিচারাধীন গভর্নিং বডি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষকে পদত্যাগের চাপ এবং নতুন গভর্নিং বডির দায়িত্ব গ্রহণের চেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতাকর্মীদের সঙ্গে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও মারামারির অভিযোগ উঠেছে। এতে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১০/বি রোডের ২৬ ও ২৬/এ নম্বর প্লটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এদিকে হাসপাতাল ‘দখলের চেষ্টা’র অভিযোগ তুলে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং চলমান বিরোধের আইনগত সমাধানের দাবি জানান।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে ড্যাবের ব্যানারে একদল নেতাকর্মী হাসপাতাল এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে নতুন গভর্নিং বডির দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি মারামারিতে রূপ নেয়। এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ-সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একপর্যায়ে মূল ফটক ভেঙে ৭০ থেকে ৮০ জন ব্যক্তি জোরপূর্বক হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। পরে তারা কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ড্যাব বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।খবর পেয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, গভর্নিং বডি নিয়ে বিরোধ যখন আদালতে বিচারাধীন, তখন কোনো পক্ষের প্রভাব বিস্তার বা শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা কাম্য নয়। এতে চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি জনমনে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হতে পারে।আগেও অধ্যক্ষকে পদত্যাগের চাপের অভিযোগঅনুসন্ধানে জানা গেছে, এর আগে গত ৪ আগস্ট দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি চিঠির অনুলিপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, ওই চিঠিকে কেন্দ্র করে একদল তরুণ অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক এ কে এম আমজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাসকে গভর্নিং বডির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।চিঠিতে বলা হয়, গভর্নিং বডি-সংক্রান্ত হাইকোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন করে গভর্নিং বডি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়।তবে সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের দাবি, গভর্নিং বডির বৈধতা-সংক্রান্ত বিষয়টি এখনো আদালতে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার আগেই নতুন গভর্নিং বডির দায়িত্ব গ্রহণের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবারের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর সেই উত্তেজনা প্রকাশ্যে আসে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিরোধের দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক সমাধান না হলে মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু

চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু

চীনের অর্থনীতিকে আমূল বদলে দিয়ে দেশটিকে ‘বিশ্বের কারখানা’ বানানো দূরদর্শী সংস্কারক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি মারা গেছেন। বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের গণমাধ্যমের খবরে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি লিখেছে, তুলনামূলক কম ধৈর্যের অধিকারী ও ক্ষুরধার বাকপটু এই সংস্কারক ১৯৯০-এর দশকে চীনের রাষ্ট্রীয় শিল্পে আমূল পরিবর্তন আনেন এবং দেশটিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ত্বরাণ্বিত করার কাজে সহায়তা করেন তিনি।চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বলেছে, বুধবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে বেইজিংয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ঝু। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।বিশ্বের অন্যান্য কমিউনিস্ট শাসিত দেশের সংস্কারের প্রশংসা করায় যাকে একসময় শারীরিক পরিশ্রমের জন্য প্রত্যন্ত গ্রামে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল, সেই ঝু ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের শীর্ষ অর্থনৈতিক ‘প্রধানমন্ত্রী’ পদে বসে চোখধাঁধানো পরিবর্তনের ধারা বাস্তবায়ন করেছিলেন।রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দক্ষ ও লাভজনক করে তোলার প্রক্রিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির রক্ষণশীল এবং রাষ্ট্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন ঝু। এর ফলে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারালেও ২০১০ সালে জাপানকে পেছনে ফেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর চীনকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করতে সহায়তা করে তার এই পদক্ষেপ।দেশটির সাবেক নেতা দেং শিয়াওপিংয়ের ১৯৭৯ সালের সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) চীনের সদস্যপদ লাভের মতো ইতিহাস সৃষ্টিকারী সব পরিবর্তন বাস্তবায়নে ঝুর বিচক্ষণতা ও দৃঢ়তাকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হয়; যা চীনকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তরে সাহায্য করে।এসব পরিবর্তন ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে চীনের বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ওপরে নিয়ে যায়। আর ২০০৭ সালে তা বেড়ে সর্বোচ্চ ১৪ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছায়।১৯৯৮ সালে ৬৯ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা ঝু কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ও দুর্নীতির সমালোচনা এবং সরকারের ব্যর্থতার দায় নিজে স্বীকার করে দেশটিতে ব্যাপক জনপ্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হন। কঠোর চাহিদাপূর্ণ কাজের শৈলী দেশটিতে তাকে ‘বস’ এবং ‘ঝু ফেংজি’ বা ‘পাগলা ঝু’ ডাকনাম এনে দিয়েছিল।চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র পিপলস ডেইলি বলেছে, ‘‘১৯৯৮ সালে ঝু বলেছিলেন, আমি এখানে ১০০টি কফিন প্রস্তুত রেখেছি; ৯৯টি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জন্য এবং একটি আমার নিজের জন্য।’’দলের শীর্ষ পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন এবং আলঙ্কারিক আইনসভা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান লি পেংয়ের পরই তিন নম্বরে ছিল ঝুর অবস্থান। যদিও নিজস্ব কোনো শক্ত রাজনৈতিক বলয় না থাকায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয় তাকে। ঝু প্রায়ই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলতেন, এই কারণে অনেক কর্মকর্তা তার আদেশ উপেক্ষা করতেন।১৯৯০-এর দশকে উপ-প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন চীনের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে ঝু নিজের পরিচিতি তৈরি করেন। তিনি মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিধি কার্যকর এবং লোকসানি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দেন। এ সময় স্থানীয় নেতাদের প্রতিরোধকে উপেক্ষা করেন তিনি। আর এই একই কৌশলে তিনি পরবর্তীতে সংস্কারের গতি নিয়ে রক্ষণশীলদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।১৯৮০-এর দশকে শুরু হওয়া দীর্ঘ আলোচনার পর ডব্লিউটিওর সদস্যপদ নিশ্চিত করার চীনা প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেন ঝু। বৈশ্বিক বাণিজ্য সংস্থায় চীনের অন্তর্ভূক্তির এই মর্যাদা মুক্ত বাণিজ্যকে দেশটিতে জাতীয় অঙ্গীকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে; যা পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া বন্ধে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বাধ্য করার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন ঝু।১৯৯৯ সালে ডব্লিউটিওতে চীনের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার আশায় ঝু যখন বাজার উন্মুক্ত করার বেশ কিছু প্রস্তাব নিয়ে ওয়াশিংটনে যান, তখন তার সেই প্রচেষ্টা প্রায় ভণ্ডুল হতে বসেছিল। ক্লিনটন প্রশাসন তার প্রস্তাবকে নাজুক বলে প্রত্যাখ্যান করে। অন্যদিকে নিজ দেশের রাজনৈতিক শত্রুরা তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। কিন্তু ঝু সেই সঙ্কট উতরে যান এবং ২০০১ সালের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউটিওতে যোগদান করে চীন।১৯৯৮ সালে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ফ্ল্যাট বিক্রি করার এক উদ্যোগের মাধ্যমে চীনে ব্যক্তিগত আবাসন খাতের জোয়ার আনেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। পরিবারগুলো সেসব কিনতে দ্রুত এগিয়ে আসে এবং এক দশকের মধ্যে শহরাঞ্চলের অধিকাংশ আবাসন ব্যক্তিগত মালিকানায় চলে আসে।তা সত্ত্বেও, মুক্ত উদ্যোগের সমর্থক হওয়ার চেয়ে পার্টির আদেশ বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রীয় শিল্পকে পুনর্গঠন করার মতো একজন দক্ষ আমলা বনে যান ঝু। অর্থনীতিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার বা বেসরকারীকরণের ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ দেখাননি তিনি। ১৯৯০-এর দশকে ব্যাংক, বিমান সংস্থা, তেল কোম্পানি এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারিকরণ বজায় রেখেই মুনাফামুখী কর্পোরেশনে রূপান্তর করার পরিকল্পনা তৈরিতে মূল ভূমিকা পালন করেন তিনি।১৯২৮ সালের ২৩ অক্টোবর মাও সেতুংয়ের নিজ প্রদেশ হুনানে জন্মগ্রহণকারী ঝু ঝুঁকি গ্রহণ এবং স্পষ্ট কথা বলার জন্য কর্মজীবনের শুরুতেই মাসুল গুনেছিলেন।অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ১৯৫৭ সালে হাঙ্গেরি ও যুগোস্লাভিয়ার সংস্কারের প্রশংসা করায় তাকে ‘ডানপন্থী’ তকমা দেওয়া হয়। এর ফলে তার ক্যারিয়ার ২২ বছরের জন্য স্থবির হয়ে পড়ে। ১৯৬৬-৭৬ সালের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় শারীরিক পরিশ্রম করার জন্য তাকে নির্বাসিত করা হয় গ্রামে।১৯৭৯ সালে পুনর্বাসিত হয়ে দ্রুত পদোন্নতি পান ঝু। তিনি ১৯৮৭ সালে সাংহাইয়ের ডেপুটি পার্টি সেক্রেটারি এবং পরের বছর মেয়র হন। ১৯৮৯ সালে মেয়র থাকাকালীন বিক্ষোভকারীদের দমন এবং সামরিক বাহিনী না ডাকার অঙ্গীকার করে পরিমিতিবোধ ও সহনশীলতার খ্যাতি অর্জন করেন ঝু।১৯৯১ সালের ‘দ্য প্রু-ডেমোক্রেসি প্রটেস্টস ইন চায়না: রিপোর্টস ফ্রম দ্য প্রভিন্সেস’ বইয়ে অস্ট্রেলীয় কূটনীতিক শেলি ওয়ার্নার লিখেছেন, সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হলে যে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্ম হতো, ঝু অত্যন্ত সূক্ষ্মতার সাথে তা নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।ঝুর উর্ধবতন কর্মকর্তা জিয়াং জেমিনকে শিগগিরই দেং জিয়াওপিং বেইজিংয়ে ডেকে নিয়ে পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেন। এরপর ১৯৯১ সালে উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন ঝু এবং ১৯৯৩ সালে পার্টির শাসন পরিচালনাকারী স্থায়ী কমিটিতে যোগ দেন তিনি।সরকারি ভুল স্বীকার ও দায় নেওয়ার মাধ্যমে নেতাদের ‘ভুল না করার’ প্রথাগত ধারণাকে ভেঙে দিয়েছিলেন ঝু।১৯৯৮ সালে গ্রীষ্মকালীন বন্যায় ৪ হাজার ১৫০ জন মারা যাওয়ার পর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের জন্য বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। সেই সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে ঝু বলেছিলেন, কিছু বাঁধ ‘সিমের বীজের গুড়ার’ চেয়েও দুর্বল।এই ঘটনার তিন বছর পর দক্ষিণ চীনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিস্ফোরণে অন্তত ৪২ জন নিহত হয়। প্রাণহানির এই ঘটনায় মন্ত্রিসভা জনগণকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতীয় টেলিভিশনে ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি।ঝু প্রকাশ্যে কৌতুক করে, এমনকি মাঝে মাঝে নিজেকে নিয়েও রসিকতা করে পার্টির একঘেয়ে ভাবমূর্তি দূর করেছিলেন। ১৯৯৯ সালের এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের একটি ছবি দেখিয়ে তিনি বলেছিলেন, ছবিতে আমাকে মরা মানুষের মতো লাগছে। তখন পুরো সভাকক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়।উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঝুর সবচেয়ে গর্ব করার মতো সাফল্যগুলোর একটি ছিল এমন এক কর ব্যবস্থা তৈরি করা; যা স্থানীয় কর্মকর্তাদের সংগৃহীত রাজস্বের বড় অংশ বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলে জমা দিতে বাধ্য করেছিল। ১৯৯৬ সালে তিনি বলেছিলেন, এই কাজের জন্য তার অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত।প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর চীনের অর্থনীতির এই রূপকার জনসম্মুখে আর খুব বেশি দেখা যায়নি।সূত্র: এপি, এনসিবিসি নিউজ।

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ  ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় দুই দিনব্যাপী বড় ধরনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান দেশটির বিভিন্ন এলাকায় পরিচালনা করা হয়।ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ‘অপ সাসার’ নামের এ অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ বিদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জনকে আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি। তাদের সংখ্যা ৩৭০ জন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ৩২৮ জন এবং মিয়ানমারের ১৮৩ জন রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই পুরুষ, যাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে।মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় সময় সুতেরামাস অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানের সময় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া শাবান বলেন, জনসাধারণের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিদেশিদের বসবাসের এলাকাগুলোতে এবারের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।তিনি জানান, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্র না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহারসহ ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযান চলাকালে তদন্তে সহায়তার জন্য ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে সমন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে বাড়ির মালিকরাও রয়েছেন।জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশিদের উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ বাড়ায় বর্তমানে সারা দেশে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়টির বেশি অভিযান পরিচালনা করছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।তিনি আরও জানান, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৩১ হাজারের বেশি বিদেশিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার বিদেশিকে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’ চালু রেখেছে বলে জানান তিনি।জাকারিয়া বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা পরিশোধ করলে তাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসী বা পিএটিআই সমস্যার নিয়ন্ত্রণ এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারীদের সংখ্যা কমাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ

আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, গাঁজা, মদসহ নানা ধরনের মাদকদ্রব্য। দিনদুপুরে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক বেচাকেনা ও সেবন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক সহজে পাওয়া যাওয়ায় স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিছু শিক্ষার্থীও এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। অনেকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মাদক সেবন করছে। তবে অনেক অভিভাবকই জানেন না, তাদের সন্তান ধীরে ধীরে মাদকের ভয়াবহ ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে।বিশেষ করে কিশোর গ্যাংরা বিভিন্ন স্থানে মাদক সেবনের আস্তানা গড়ে তুলেছে। ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। মাদকের এমন ভয়াবহ বিস্তারে অতিষ্ঠ ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন বড় মাদক কারবারি সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মাধ্যমে উপজেলার অন্তত ৪০টি স্পটে ইয়াবা, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।মাদক কারবারিরা বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নৌপথ ও সড়কপথে আনোয়ারায় মাদক পরিবহন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।খুচরা ও পাইকারি মাদক কারবারিরা নানা কৌশলে এসব মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া করে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, টং দোকান, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং কিছু বাড়িঘরে মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার পুলিশের হাতে আটক হওয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের কেউ কেউ দূর থেকে উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী এবং বয়স্ক নারীদের ব্যবহার করে মাদক পরিবহন করছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সন্দেহ এড়ানো সহজ হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।এ উপজেলার একাধিক মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগী অতীতে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও জামিনে বা কারামুক্ত হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মাদক কারবারিরা বিভিন্ন প্রভাবশালী ও ভদ্রবেশী ব্যক্তিকে চাঁদা দিয়েও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে মাদক ব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু ভয়ে অনেকেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। অথচ এলাকার অধিকাংশ মানুষই জানেন, কারা মাদক কারবারি এবং কারা সেবনের সঙ্গে জড়িত।স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদকবিরোধী অভিযানে অনেক সময় সেবনকারী ও খুচরা বিক্রেতারা গ্রেফতার হলেও মাদক ব্যবসার মূলহোতা ও বড় কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তাদের মতে, এভাবে ছোট কারবারিদের গ্রেফতার করা হলেও মাদকের মূল সরবরাহব্যবস্থা বন্ধ হচ্ছে না।মাদকাসক্তদের অনেকেই মাদকের টাকা জোগাড় করতে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানকে মারধর করার পাশাপাশি বিভিন্ন বাড়িঘর, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও মন্দিরে চুরির ঘটনাতেও মাদকাসক্তদের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয়দের আশঙ্কা, মাদক কারবারি ও সেবনকারীর সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে সামাজিক ও পারিবারিক অস্থিরতা আরও তীব্র হতে পারে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপোষ নেই। আমরা প্রতিনিয়ত মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছি।এ বিষয়ে আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল ও মাদকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু খুচরা বিক্রেতা বা সেবনকারীদের গ্রেফতার নয়, মাদকের মূল কারবারি ও নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (১২ অগাস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এদিন ডনের পক্ষে তার আইনজীবী এম ফরিদুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম জুয়েলসহ কয়েকজন জামিন চেয়ে আবেদন করেন। জামিন আবেদনে বলা হয়, হাজতি আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহার এবং গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। রাষ্ট্র পক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ডনের জামিনের বিরোধিতা করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।এর আগে ৯ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।আবেদনে বলা হয়, আসামি ডনকে বিমানবন্দর থেকে ভোর ৫টায় আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। দীর্ঘদিন তিনি এ মামলায় পলাতক ছিলেন। আসামিকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলমান। আসামি জামিন পেলে মামলা তদন্তে বিঘ্নসহ চিরপলাতক হতে পারে। এমতাবস্থায় তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওইদিন ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব যাওয়ার সময় ডনকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সিআইডির হেফাজতে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সে সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।সামীরা ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন— শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে।মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।মোহাম্মদ আলমগীর আরো উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।সালমানের বাবার মৃত্যুর পর আলমগীর তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এর আগে গত ২০ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত এই চিত্রনায়কের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে সালমান শাহ-এর মরদেহ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। এদিকে বাদীপক্ষ মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। পরে গত ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়। এদিকে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট ধার্য রয়েছে।

দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ভোলার মনপুরায় দাদার সাথে খেলার ফাঁকে নিজ বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের নাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮ টায় উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের গোমাতলী এলাকায় হারুন মিয়ার বাড়ির পুকুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।পুকুরে ডুবে মৃত্যুবরণ করা শিশুটি চরফৈজুদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা হারুন মিয়ার ছেলে মোঃ আলবি।জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে খাবার খেয়ে দাদার সাথে বাড়ির উঠানে খেলছিল নাতি আলবি। একপর্যায়ে দাদা নাতিকে রেখে বাড়ির পাশে ধান খেতে যায়। এই ফাঁকে শিশুটি বাড়ির পুকুরে পড়ে যায়। পরে দাদা ধান খেতে থেকে এসে শিশুটিকে বাড়ির পুকুরে ভাসতে দেখতে পায় আলবিকে। শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।এ ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিকুর রহমান অনিক জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে মৃত্যু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই নিয়ে ডিবি প্রধানের আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই নিয়ে ডিবি প্রধানের আশ্বাস

রাজধানীর উত্তরায় ব্যাংকে যাওয়ার পথে ডিএল পেট্রোল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শিগগিরই আসামিদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে ডিবি।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।তিনি বলেন, আমরা সবাই এটা নিয়ে কাজ করছি। অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করছি। আমরা আশাবাদী অচিরেই আমরা আসামিদের ধরে ফেলবো।ডিবিপ্রধান আরও বলেন, ঢাকা মহানগরে যে কয়টা ঘটনা ঘটেছে, অলমোস্ট সবগুলোই ডিবি অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে উদঘাটন করেছে এবং আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আমরা আশাবাদী, সোয়া কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাও আমরা উদঘাটন করবো। যারা অপরাধী তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।এর আগে, গত ৯ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে উত্তরা র‍্যাব-১ ব্যাটালিয়নের দক্ষিণ পাশে ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডিএল পেট্রোল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাতো ভাই তাসীন আক্তার হকের বলে জানা গেছে।পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন ব্যক্তি টাকা বহনকারী গাড়িটির গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে সেটি থামানোর পর ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান তারা।মামলার এজাহারে ছিনতাই হওয়া টাকা ডিএল পেট্রোল পাম্পের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএল প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত তাসীন আক্তার হক। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বোন, সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হকের ছোট ছেলে।পেট্রোল পাম্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএল পেট্রোল পাম্পে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিনের বিক্রির টাকা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য নেওয়া হতো। শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় ওই দুদিনের টাকা পরবর্তী কর্মদিবস রোববার একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। ফলে রোববার তুলনামূলক বেশি টাকা ব্যাংকে নেওয়া হয়।

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ। খবর বাসস।জন্মদিন উপলক্ষে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৫টায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (এসবিএনসিএস) মিডিয়া সেন্টারে তার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তি শেষ আজওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তি শেষ আজ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো। তিনি ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ায় মারা যান।তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।

চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার

চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার

সরকারি আদেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া এবং ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বাংলাদেশ পুলিশ ক্যাডারের ছয়জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত (চাকরিচ্যুত) করেছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সদয় অনুমোদন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে উদ্দেশ করে তার কথিত ‘স্যার, একটা গুলি করলে একটাই মরে’ মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন—ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিপিএম) মো. গোলাম রুহানী। গোলাম রুহানী ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর ছোট ভাই।কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড গোয়েন্দা-দক্ষিণ) বিপ্লব কুমার সরকার বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কোনো ধরনের লিখিত বা মৌখিক অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই তারিখ থেকেই তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ২২ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। একাধিক নোটিশ দিয়েও তাকে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও একই তারিখ থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীমকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে বদলি করা হলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। ১৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই তারিখ থেকেই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার এবং পরে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ২৮ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধেও ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস কক্সবাজারের ৮ এপিবিএনে কর্মরত অবস্থায় পাঁচ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি শেষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও আর ফিরে আসেননি। টানা ৬০ দিনের বেশি অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকায় তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং ওই তারিখ থেকেই তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিপিএম) মো. গোলাম রুহানী ডিএমপি থেকে খাগড়াছড়ির এপিবিএনে বদলি হওয়ার পর ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। তদন্ত এবং বিপিএসসির পরামর্শের ভিত্তিতে ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে কার্যকর করে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।তদন্ত শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তপ্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিযোগ তদন্তে পৃথক তদন্তকারী কর্মকর্তাও নিয়োগ করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউই অভিযোগের জবাবে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করেননি।পরবর্তীতে নিরপেক্ষ তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’ ও ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির সদয় অনুমোদনক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(৩)(১)(ঘ) বিধি অনুযায়ী তাদের চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ

উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই নিয়ে ডিবি প্রধানের আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই নিয়ে ডিবি প্রধানের আশ্বাস

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরকে গুজব বললেন তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবরকে গুজব বললেন তথ্যমন্ত্রী

অর্থনীতিতে হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

অর্থনীতিতে হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে কানাডা

বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে কানাডা

চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু

চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু

মার্কিন বাহিনী ‘আমাদের ধারণার চেয়েও দুর্বল’: আইআরজিসি

মার্কিন বাহিনী ‘আমাদের ধারণার চেয়েও দুর্বল’: আইআরজিসি

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলায় অচল জাহাজ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলায় অচল জাহাজ

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০

জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের দিকে

জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের দিকে

স্ত্রীকে জীবনের সবচেয়ে প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে জীবনের সবচেয়ে প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক জীবনের নানা কঠিন সময়ে স্ত্রীর সাহস, ত্যাগ ও সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেছেন তিনি।সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে পারিবারিক জীবন ও রাজনীতিতে স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন মির্জা ফখরুল।স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার সহধর্মণী (রাহাত আরা বেগম) আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় শুকরিয়া আদায় করি আমি খুব ভাগ্যবান। আমার তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সি কুড বিকাম মাই লাইফ পার্টনার। কারণ আমি আমার জীবনটা বিয়ের পরেই আমার ট্রান্সফার পোস্টিংটা। এরপর রাজনৈতিক জীবনে চলে আসা। পুরোপুরি একটা অনিশ্চিত জীবন।’মির্জা ফখরুল জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। মেয়েদের হলিক্রস স্কুলে পড়ানোর সময় পরিবারের সদস্যদের গণপরিবহনে যাতায়াতসহ নানা ধরনের কষ্টও করতে হয়েছে তাকে।তার ভাষ্যে, ‘তিনি নিজে চাকরি করেছেন, দীর্ঘদিন ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানিতে কাজ করেছেন। তার চেষ্টাতেই আমার মেয়েরা লেখাপড়া শিখেছে। হলিক্রসে পড়াশোনা করেছে এবং কষ্ট করেছেন। আমার মেয়েরা এবং আমার স্ত্রী এরা টেম্পোতে যাতায়াত করতো। এই কষ্টটা উনি করেছেন খুব প্রচুরভাবে। পরবর্তীতে যখন কিছুটা ভালো বেতন পেলেন, আমিও কিছুটা সেট হবার মতো অবস্থায় আসলাম।’রাজনৈতিক জীবনের সংকটময় সময়গুলোতে স্ত্রীর দৃঢ়তার কথাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসছে। তারপরে ভোরবেলা উনি দরজা খুলেছেন, আমাকে পুলিশ নিয়ে গেছে।’স্ত্রীর এমন সাহসিকতার প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি কখনো রাজনীতি করার কারণে তার ওপর বিরক্ত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সবসময় পাশে থেকেছেন। তার মতে, রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় তার স্ত্রীর এই সহযোগিতা ও ত্যাগের মূল্য অনেক।

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না: রিজভী

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না: রিজভী

নির্বাচনী সহিংসতা ও অনিয়ম ভবিষ্যতে আরও বাড়বে: এবি পার্টি

নির্বাচনী সহিংসতা ও অনিয়ম ভবিষ্যতে আরও বাড়বে: এবি পার্টি

রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন: জামায়াত আমির

রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন: জামায়াত আমির

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

স্যোশাল মিডিয়ায় উত্তেজনামূলক-আক্রমণাত্মক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

স্যোশাল মিডিয়ায় উত্তেজনামূলক-আক্রমণাত্মক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ধোবাউড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত

ধোবাউড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত

বক্তব্য প্রত্যাহারে রায়হান সিরাজীকে ২৪ ঘণ্টার সময় ছাত্রদলের

বক্তব্য প্রত্যাহারে রায়হান সিরাজীকে ২৪ ঘণ্টার সময় ছাত্রদলের

ছাত্রদলকে ‘বস্তির টোকাই’ মন্তব্য করার প্রতিবাদে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন উপজেলা ও গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।‎‎বুধবার (১২ আগষ্ট) বিকেলে গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় তাঁরা রায়হান সিরাজীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।‎‎সম্প্রতি রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া -আংশিক সিটি করপোরেশন) আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীর একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ছাত্রদলে ছাত্র নাই, সব বস্তির টোকাই।’ বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।‎‎মিছিলে নেতৃত্ব দেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান তিতাস। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহেদুজ্জামান নয়ন ও রাসেল মিয়া, গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম অয়ন, সাধারণ সম্পাদক রিফাত আহমেদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক হাসানুর আলম হাসানসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।‎‎প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছাত্রদলকে নিয়ে কোনো ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য মেনে নেওয়া হবে না। তাঁরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রায়হান সিরাজীকে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।‎

অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করলেন এমপি মান্নান

অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করলেন এমপি মান্নান

সাভারে প্রেসার কুকার সাদৃশ্য বোমার সন্ধান, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

সাভারে প্রেসার কুকার সাদৃশ্য বোমার সন্ধান, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

২৪ ঘন্টায় ১৬ঘন্টা লোডশেডিং এর মধ্যে গ্রাহকের ঘাড়ে ভূতুড়ে বিল

২৪ ঘন্টায় ১৬ঘন্টা লোডশেডিং এর মধ্যে গ্রাহকের ঘাড়ে ভূতুড়ে বিল

সিলেটে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঔষধ ব্যবসায়ীদের জরিমানা

নবীনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঔষধ ব্যবসায়ীদের জরিমানা

গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং, হামলার শঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে এসপির কাছে বিদ্যুৎ অফিসের চিঠি

গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং, হামলার শঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে এসপির কাছে বিদ্যুৎ অফিসের চিঠি

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় অনিশ্চয়তা। দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিরিজ আয়োজন এখন প্রায় অসম্ভবের পথে। বিসিবি কর্মকর্তারা এখনো আশা করছেন সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সেই দিকে যাচ্ছে না। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকবাজ।রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণগত ৫ আগস্ট দিল্লিতে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দলের কয়েকজন সদস্যকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়।৮ আগস্ট বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেখানে আশ্রয়ে থেকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাকে সরাসরি গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলো। বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার কেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর এই সুযোগ দিল?’বিসিবির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, হাসিনার এই সংবাদ সম্মেলনই ভারতের বাংলাদেশ সফরের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে।আগে যেভাবে আশা জেগেছিলএর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তখন ভারতে মৌলবাদী গোষ্ঠীর বাংলাদেশ বিরোধী সব কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার।ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা নেওয়ার পর নতুন করে আশা জেগেছিল যে দুই ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্কের উন্নতি হবে।বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সফর হলে বোর্ডের আর্থিক দিক থেকেও বড় লাভ হতো।যা ভাবছে বিসিবিহাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি যেভাবে এগিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, সেপ্টেম্বরে ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়া বাংলাদেশের জন্য এখন দূরের স্বপ্ন, প্রায় অসম্ভবও বলা যায়।নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে এই বিষয়ে একই মত জানিয়েছেন। শনিবার তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সব ঘটনার পর এই সিরিজ নিয়ে আমি সন্দিহান। আমার মনে হয় না অন্যপক্ষ থেকে (সিরিজ নিয়ে) কোনো সাড়া পাব। সত্যি কথা বলতে, এটি ২৮ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল, আমাদের হাতে আর কতদিন আছে?’তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না (সিরিজটি পরিকল্পনামতো এগোবে)। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখন এটি আমাদের সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’তিনি যোগ করেন, যতক্ষণ না আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল ঘোষণা করা হয়, ততক্ষণ তাদের করার আর কিছুই নেই, শুধু আশা করা ছাড়া।

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সারির দলের কাছে  বাংলাদেশ ইনিংস হার

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সারির দলের কাছে বাংলাদেশ ইনিংস হার

সাকিবের জন্য জাতীয় দলের দরজা বন্ধ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাকিবের জন্য জাতীয় দলের দরজা বন্ধ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া এক ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপন করলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। এর সঙ্গে পুরুষদের নিয়ে ক্যাপশনে দিলেন খোঁচা। ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার দেওয়া এই পোস্টে দখো গেলো গ্ল্যামারাস লুকে হাজির হয়েছেন তিনি। তার পোস্ট করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়- স্নিগ্ধ ও খানিকটা বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে ফারিয়ার শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল এবং ব্রেসলেট।ছবিগুলোতে ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিয়েছেন তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে তার পোস্টের ক্যাপশনটি। ফারিয়া লিখেছেন, ‘বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে।’ ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে অনুরাগী ও নেটিজেনদের ভিড় জমেছে। ফারিয়ার রূপের প্রশংসা করে এক অনুরাগী লিখেছেন, ‘একদম কুইন লুক!’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ অনেকেই আবার এই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন মুক্তকণ্ঠে।

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী হাতে মারাত্মক আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চোটের গভীরতা বেশি থাকায় জরুরি ভিত্তিতে তার হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসকরা তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আপাতত তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা। তবে ঠিক কীভাবে অভিনেতা হাতে চোট পেয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুটিং সেটে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।প্রিয় ‘মহাগুরু’র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তার অজস্র ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে তিনি বর্তমানে ভালো আছেন জেনে স্বস্তি মিলেছে সবার।

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। গত ২৯ জুলাই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত বোর্ডে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র গবেষক আবদুর রহমান। এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন অনুযায়ী এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু।মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করতে নতুন করে এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে।

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

'কিং' সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার সম্ভাব্য নতুন লুক সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি কাটানোর সময় এক ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কিং খান। এরপর সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদশাহ কালো রঙের হুডি ও ‘VR-46’ লেখা একটি কালো ক্যাপ পরে ছিলেন। মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করলেও ক্যাপের ফাঁক দিয়ে তার ব্লিচ করা চুল দেখা যায়। এ থেকেই নেটিজেনদের ধারণা— পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমার নতুন লুক আড়াল করতেই এমন সতর্ক ছিলেন শাহরুখ খান।‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে সম্পূর্ণ ধূসর চুলের ভিন্নধর্মী লুকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ঘুরতে বের হওয়ার সময় শাহরুখ খানের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। সাধারণ পোশাকে থাকলেও ভক্তদের আগ্রহ এড়াতে পারেননি তিনি। কয়েকজন ভক্ত-অনুরাগীর সঙ্গে ছবিও তুলেছেন এ অভিনেতা।এ ছাড়া লন্ডনে শাহরুখ খানের বাড়িও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তার বাড়ির সামনে ভিড় করছেন অসংখ্য ভক্ত। অনেকেই সেখানে ছবি ও সেলফি ভিডিও ধারণ করছেন। দৃশ্যটি মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভক্তদের ভিড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকার পর দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টা ১০ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।‎‎ঢাকার বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি দেশে এসেছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি সব সময় সবার জন্য দোয়া করি।‎‎এর আগে সোমবার সকালে তার দেশে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন এরশাদ। তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে ইলিয়াস কাঞ্চন আবারও লন্ডনে ফেরত যাবেন। আগামী ১৫ আগস্ট অভিনেতার শারীরিক পরিক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।‎‎গত বছরের প্রথম দিকে অভিনেতার শরীরে টিউমার ধরা পড়লেও পারিবারিক সিদ্ধান্তে গত ২৬ এপ্রিল ইলিয়াস কাঞ্চনকে লন্ডনে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা শুরু হয়। তিন মাসের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে প্রফেসর ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে তার ব্রেনে অস্ত্রোপচার করা হয়।

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক ঘটলো। 'গুলশানের চামেলী' সিনেমার মাধ্যমে তিনি যাত্রা শুরু করছেন ঢালিউডে।১ আগস্ট শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।মধুমিতা বলেন, 'আমি এখানকার সবার এতটা ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত। এত এত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে, এত গুণী মানুষদের নিয়ে আমার অভিষেক হচ্ছে ঢাকাই সিনেমায়। এর চেয়ে ভালো অভিষেক আর হতে পারে না।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা যে এনার্জি ও স্পিড নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, আশা করি সিনেমাটি খুব ভালো হবে। আমাকে এই সিনেমায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই।' মহরতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে এমডি ইকবাল পরিচালিত 'গুলশানের চামেলী'।সিনেমাটির মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে মধুমিতা সরকারকে, যা নিয়ে দুই বাংলার দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। জানা গেছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন এ অভিনেত্রী। এর আগে স্বামী দেবমাল্য চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল সকাল ১০টার দিকে ঢাকায় পৌঁছান মধুমিতা সরকার।‘গুলশানের চামেলী’ নির্মিত হচ্ছে এক যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটিতে বাংলাদেশ ও ভারতের দুই দেশের জনপ্রিয় একঝাঁক শিল্পী অভিনয় করবেন। ইতোমধ্যে সিনেমাটির শিল্পী তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ওমর সানী, আমিন খান, আশীষ খন্দকার ও কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে আজমেরী হক বাঁধনকে।

জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার

জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার

এসএসসিতে অকৃতকার্যদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসিতে অকৃতকার্যদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

টোফেল শিক্ষার মান আরও শক্তিশালী করতে সিলেটে ইটিএস-এর উদ্যোগ

টোফেল শিক্ষার মান আরও শক্তিশালী করতে সিলেটে ইটিএস-এর উদ্যোগ

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

এসএসসির রেজাল্টের অপেক্ষায়  সারাদেশ

এসএসসির রেজাল্টের অপেক্ষায় সারাদেশ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম স্কিন ক্যান্সারের হটস্পট, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ২,০০০ মানুষ স্কিন ক্যান্সার এবং মেলানোমায় মারা যায় এবং প্রতি ৩ জন অস্ট্রেলিয়ানের মধ্যে প্রায় ২ জনের জীবনে অন্তত একবার স্কিন ক্যান্সারের জন্য অস্ত্রোপচার করাতে হবে বলে ধারণা করা হয়। এমন একটি দেশে যেখানে সানস্ক্রিন একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস, সেখানে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া একটি বিতর্ক বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘চয়েস’ এর অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টিই তাদের লেবেলে উল্লিখিত এসপিএফ (SPF) সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘটনাটি ছিল এসপিএফ ৫০+ (SPF 50+) হিসেবে বাজারজাত করা একটি পণ্যকে ঘিরে, যা পরীক্ষায় প্রায় এসপিএফ ৪ (SPF 4) এর মতো কাজ করেছে বলে জানা যায়। ব্র্যান্ডটি এই ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানালেও পণ্যটি বাজার থেকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ার থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) একই ধরনের সানস্ক্রিনের বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফলে কেন এত বড় অমিল দেখা যাচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করে যে আমদানি করা পণ্য ত্বকের যত্নের জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্যের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। কিন্তু এই সংবাদটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে, শুধুমাত্র একটি পরিচিত ব্র্যান্ডের নামই এখন আর যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের হোক বা কোনো স্থানীয় কোম্পানির, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি তার লেবেলে লেখা সুরক্ষা সত্যিই প্রদান করে কি না । এই বিষয়টি ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, কারণ ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা আরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলেন, কারণ এটি ত্বককে তৈলাক্ত বা চিটচিটে করে ফেলে, অথবা ব্যবহারের পর ত্বকে হোয়াইট কাস্ট রেখে যায়। এছাড়া, অন্য দেশের জলবায়ুর জন্য তৈরি কোনো ফর্মুলা বাংলাদেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সবসময় স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। সানস্ক্রিনের আসল কার্যকারিতা তখনই, যখন সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। শুধু ভালো পরীক্ষার ফল থাকলেই হবে না। তাহলে গ্রাহকরা কীভাবে জানবেন যে একটি সানস্ক্রিন সত্যিই কাজ করে কিনা? প্রথম ধাপ হলো লেবেলের অর্থ বোঝা। এসপিএফ (SPF), বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর, ইউভিবি (UVB) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাত্রা পরিমাপ করে, যা মূলত সানবার্নের কারণ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে, একটি এসপিএফ ৫০ (SPF 50) সানস্ক্রিন এই রশ্মিগুলোর প্রায় ৯৮ শতাংশ আটকে দেয়। কিন্তু এসপিএফ হলো সম্পূর্ণ চিত্রের একটি অংশ মাত্র। পিএ (PA) রেটিং ইউভিএ (UVA) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা নির্দেশ করে, যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং ট্যানিং, পিগমেন্টেশন ও অকাল বার্ধক্যের সাথে সম্পর্কিত। এই দুটি রেটিং একত্রে দেখায় যে একটি সানস্ক্রিন সূর্যের তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ক্ষতি থেকে কতটা ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়। দ্বিতীয় ধাপটি হলো, এই সংখ্যাগুলো কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা। সব এসপিএফ (SPF) পরীক্ষা একই রকম নয়। ইন-ভিভো (In-vivo) পরীক্ষায় পণ্যটি মানব স্বেচ্ছাসেবকদের উপর প্রয়োগ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে ত্বক কখন লাল হতে শুরু করে তা পরিমাপ করা হয়; এটি এমন একটি পদ্ধতি যা বেশিরভাগ বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো চূড়ান্ত বলে মনে করে এবং অস্ট্রেলিয়ার গবেষণার ফলাফল বের করার ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ইন-ভিট্রো (In-vitro) পরীক্ষায় একটি স্পেকট্রোফটোমিটার ব্যবহার করে পণ্যের একটি পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে কী পরিমাণ ইউভি রশ্মি প্রবেশ করে তা পরিমাপ করা হয়েছিল। এটি দ্রুততর, সাশ্রয়ী এবং শিল্পজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি মানব গবেষণার পরিবর্তে একটি পরীক্ষাগারভিত্তিক বিকল্প পদ্ধতি। কিন্তু মূল বিষয় হলো কোনো পদ্ধতিই চূড়ান্ত নয়, এবং এমনকি একই পণ্যের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফল ভিন্ন হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে। ভোক্তাদের উচিত যে ব্র্যান্ডগুলো তাদের পরীক্ষাগার, পদ্ধতি এবং ফলাফল উল্লেখ করতে ইচ্ছুক সেই পণ্যগুলো কেনা, শুধুমাত্র নামী ব্র্যান্ডের বোতলের উপর একটি ছাপানো লেবেল দেখে না কেনা। বিশ্বব্যাপী সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির পর, কিছু স্থানীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও এখন বাহ্যিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পণ্যের কার্যকারিতা প্রমাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্কিন ক্যাফে এমনই একটি উদাহরণ। এই বাংলাদেশী ব্র্যান্ডটি তাদের ‘স্কিন ক্যাফে সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০ পিএ+++ উইথ ভিটামিন সি’ পণ্যটি তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষার জন্য ঢাকা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ (ISO/IEC 17025:2017) স্ট্যান্ডার্ডে স্বীকৃত ল্যাবরেটরি ওয়াফেন রিসার্চ ল্যাবরেটরি লিমিটেডে জমা দিয়েছে। এএনএ-২৪০৭২৪০০২/১ (ANA-240724002/1) রিপোর্ট রেফারেন্স অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এই পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ল্যাবভিত্তিক ইউভি স্পেকট্রোফোটোমেট্রি পদ্ধতি ব্যবহার করে সানস্ক্রিনের সুরক্ষা ক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। কোম্পানির শেয়ার করা ল্যাবরেটরি রিপোর্ট অনুযায়ী, সানস্ক্রিনটির এসপিএফ মান ৫২.৫১ পাওয়া গেছে , যা এর প্যাকেজিংয়ে উল্লিখিত এসপিএফ ৫০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানিটির মতে, পরীক্ষায় এসপিএফ ৫০-এর সামান্য বেশি ফল পাওয়া মানে এই নয় যে পণ্যটি দাবির চেয়ে বেশি কার্যকর। বরং এটি প্রমাণ করে যে প্যাকেজিংয়ে উল্লেখ করা এসপিএফ ৫০-এর দাবিটি সঠিক। কারণ এসপিএফ পরীক্ষায় এ ধরনের সামান্য পার্থক্য স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্তটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরে। একটি সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা শুধু পরীক্ষাগারের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর মানুষ তখনই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবে, যখন সেটি তাদের দেশের আবহাওয়ায় আরামদায়ক লাগবে। শীতল ও শুষ্ক বাজারের জন্য তৈরি কোনো পণ্যকে মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে, বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে ফর্মুলেশন ও পরীক্ষা করাস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এমন একটি উদ্যোগ, যা পরীক্ষাগারের ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের ব্যবহার, এই দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে। তবে কোন পরীক্ষার ফলকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া উচিত স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা একটি পণ্যের প্রতি আস্থা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও, সেটিই শেষ কথা নয়। একজন ভোক্তা হিসেবে কোন পদ্ধতিতে, কখন এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হয়েছে, তা জানার ও প্রশ্ন করার অধিকার সবারই রয়েছে। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কটি দেখিয়ে দিয়েছে যে, আকর্ষণীয় মোড়ক এবং উচ্চ এসপিএফ-এর দাবি এখন আর এককভাবে যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি আমদানি করা হোক বা স্থানীয়, ভোক্তাদের পরীক্ষার প্রমাণ ও স্বচ্ছতা জানার অধিকার রয়েছে, আর ব্র্যান্ডগুলোরও তা নিশ্চিত করা উচিত।

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।এতে বলা হয়েছে, এদিন থেকেই দেশের বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত স্মারকে বলা হয়, এর আগে ১১ জুন থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ আগস্ট থেকে এসব প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে।দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান এবং অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ, আলোকসজ্জা বন্ধ এবং মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।পাশাপাশি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও ঢাকা দোকান মালিক সমিতিকেও এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

আবারও বাড়লো সোনার দাম

আবারও বাড়লো সোনার দাম

বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ইয়ার্ন ও ফেব্রিক প্রদর্শনী

বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ইয়ার্ন ও ফেব্রিক প্রদর্শনী

কমেছে সোনার দাম

কমেছে সোনার দাম

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ  ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় দুই দিনব্যাপী বড় ধরনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান দেশটির বিভিন্ন এলাকায় পরিচালনা করা হয়।ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ‘অপ সাসার’ নামের এ অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ বিদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জনকে আটক করা হয়েছে।তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি। তাদের সংখ্যা ৩৭০ জন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ৩২৮ জন এবং মিয়ানমারের ১৮৩ জন রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই পুরুষ, যাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে।মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় সময় সুতেরামাস অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানের সময় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া শাবান বলেন, জনসাধারণের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিদেশিদের বসবাসের এলাকাগুলোতে এবারের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।তিনি জানান, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচয়পত্র না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, স্বীকৃত নয় এমন কার্ড ব্যবহারসহ ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযান চলাকালে তদন্তে সহায়তার জন্য ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে সমন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে বাড়ির মালিকরাও রয়েছেন।জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশিদের উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ বাড়ায় বর্তমানে সারা দেশে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়টির বেশি অভিযান পরিচালনা করছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।তিনি আরও জানান, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৩১ হাজারের বেশি বিদেশিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার বিদেশিকে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’ চালু রেখেছে বলে জানান তিনি।জাকারিয়া বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা পরিশোধ করলে তাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসী বা পিএটিআই সমস্যার নিয়ন্ত্রণ এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারীদের সংখ্যা কমাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

সহজ মোবাইলের স্মার্টফোন পাইলট প্রকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

সহজ মোবাইলের স্মার্টফোন পাইলট প্রকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহজ কিস্তি বা অর্থায়ন সুবিধায় স্মার্টফোন সহজলভ্য করার একটি পাইলট প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ নির্দিষ্ট নীতি ও শর্তের অধীনে এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেড’-কে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, এককালীন অর্থ পরিশোধ করে স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য না থাকায় গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের অনেক মানুষ এখনো ডিজিটাল সেবা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। এ বাধা কমানোই পাইলট প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষকে ডিজিটাল লেনদেন, মোবাইল আর্থিক সেবা, অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নায়েম ফয়েজ বলেন, বর্তমানে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; আর্থিক সেবা, শিক্ষা, তথ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ যেন এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবু আল মোতালিব বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে হলে শহরের বাইরের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদেরও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নীতি ও শর্ত মেনে পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর কার্যক্রম পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।উদ্যোক্তারা আশা করছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দায়িত্বশীল স্মার্টফোন অর্থায়ন এবং ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো

স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো

সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০এক্স

সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০এক্স

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

শিরোনাম
বক্তব্য প্রত্যাহারে রায়হান সিরাজীকে ২৪ ঘণ্টার সময় ছাত্রদলের শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক ধোবাউড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ ১,০৪৩ অভিবাসী আটক উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করলেন এমপি মান্নান সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর বক্তব্য প্রত্যাহারে রায়হান সিরাজীকে ২৪ ঘণ্টার সময় ছাত্রদলের শপিংমল-মার্কেট-দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ দাদার সাথে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক ধোবাউড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার চীনের অর্থনীতিকে আমূলে বদলে দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝুর মৃত্যু মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ ১,০৪৩ অভিবাসী আটক উত্তরায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে উত্তেজনা, ড্যাব নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করলেন এমপি মান্নান সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর