ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়।সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও সীমান্ত সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে নতুন শিশুদের খেলার জায়গা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।সেখানে তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ়। এই আন্তরিকতা সরকারি পর্ষদেও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশাবাদী।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে হাইকমিশনার আরও বলেন, ‘তারেক রহমান একজন জনবান্ধব নেতা, অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও জনবান্ধব। দুই প্রতিবেশী দেশের প্রধানেরা একসঙ্গে কাজ করলে বিদ্যমান আলোচনার মাধ্যমে অনেক জটিল সমস্যারই সহজ সমাধান সম্ভব।’এ সময় ভিসা দেওয়া ও প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, আবেদনকারীদের সুবিধার্থে খরচ কমানোসহ সেবার মান উন্নত করার জন্য একাধিক পদক্ষপ নেওয়া হচ্ছে।

এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন

এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জনাব মাহদী আমিন।সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, আজকে আমরা ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার যে ফলাফল দেখছি, এটি সরকার গঠনের মাত্র দুই মাস পর শুরু হওয়া একটি প্রক্রিয়া। পরীক্ষাটির কার্যক্রম গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল।তিনি জানান, এবার পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। খাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ কিংবা পাসের হার বাড়িয়ে দেখানো হতো। আমরা সেই সংস্কৃতি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে এসেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকৃত যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা নিয়ে বের হয়ে আসবে। যে শিক্ষার্থী যেভাবে পড়াশোনা করেছে, সেভাবেই শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল এবং সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। তাই আমাদের ভালো বা মন্দের বিতর্ক না তুলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখা উচিত। যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করেছে, আমাদের সবার উচিত তাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো। মাহদী আমিন, যারা ভালো ফলাফল করেছে তাদের পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে না পারা শিক্ষার্থীদেরও হতাশ না হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।পাশাপাশি যারা ভালো ফলাফল করেছে, তাদের সঙ্গে তাদের পরিবার যেমন গর্বিত, আমরাও তেমনি গর্বিত। তবে অনেকে হয়তো প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এটাই জীবনের শেষ সুযোগ নয়। সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতে তারা যেন সব বাধা পেরিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।তাই পরীক্ষায় ভালো বা খারাপ, প্রত্যাশিত বা অপ্রত্যাশিত—যে ফলই হোক না কেন, সব শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।পরীক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক, পরীক্ষার্থী, শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, মাঠ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশার মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া এবং শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছে কি না—এগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।গণতান্ত্রিক সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। শুধু পাস-ফেল নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা ও যোগ্যতার নিরপেক্ষ মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ।গণমাধ্যমের প্রতি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলধারায় তুলে ধরে তাদের অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই সমাধান বের করতে হবে।মাহদী বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনে রাষ্ট্রকাঠামোর বিভিন্ন অংশের মতো শিক্ষাব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখান থেকে শিক্ষা খাতকে পুনঃসংগঠিত ও পুনরুজ্জীবিত করার কাজ চলছে। একাডেমিক কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংযোজন, বিয়োজন ও সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেই সব পরিবর্তন একসঙ্গে বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও নতুন করে বেশ কিছু কারিকুলাম পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং চারটি নতুন বই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এসএসসি ২০২৬: বেশি ফেল ইংরেজি ও গণিতেএসএসসি ২০২৬: বেশি ফেল ইংরেজি ও গণিতেবৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তৃণমূল থেকে ঢাকাসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীদের একই প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।মাহদী আমিন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ইনোভেশন গ্রান্ট ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে মূলধারায় তুলে ধরতে হবে। ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি যেসব ক্ষেত্রে সমস্যা বা ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো সবাই মিলে চিহ্নিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষা খাতায় মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, শিক্ষকেরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।’ চলতি বছরের সার্বিক ফলাফলকে বস্তুনিষ্ঠ ও সুন্দর উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন? রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবে, এবার তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে।পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা বোর্ডের ১৯৯৮ সালের যে আইন ছিল, সেখানে খাতা পুনর্মূল্যায়ন বা বিস্তারিত পরিদর্শনের কোনো সুযোগ ছিল না। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছি। এখন পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদনকারীদের খাতা পুরোপুরি রি-চেক করা হবে। মূল্যায়নে কোথাও কোনো ভুলত্রুটি বা বিচ্যুতি ধরা পড়লে তা শুধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’উল্লেখ্য, আজ প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের তথ্যানুযায়ী, এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।

  • সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

    সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

    রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

  • রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি

    রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি

  • কমেছে সোনার দাম

    কমেছে সোনার দাম

সব খবর

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী।সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়।ফলাফল দেখবেন যেভাবেশিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনলাইনে দেখতে পারবে। ফলাফল পাওয়া যাবে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে।এসএমএসে SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকেফলাফলে সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে।এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে না।

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা যায়, এবার দেশের ৭৪১টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন।এ বছর দাখিল পরীক্ষা থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৭৬ জন শিক্ষার্থী। ফল প্রকাশের পরপরই পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও নির্ধারিত মোবাইল এসএমএস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।

তিন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তিন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেছেন তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি।কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন হলেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আয়শা আক্তার, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নীলা খাতুন এবং নড়াইল সদর উপজেলার মো. হাসমত আলী।প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের জন্য দিনটি ছিল নতুন কর্মজীবনের পাশাপাশি নতুন স্বপ্নেরও সূচনা।আয়শা আক্তার ও নীলা খাতুন দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা নীলা খাতুন পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তাকে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।আয়শা আক্তারও পা দিয়ে লিখে সম্পন্ন করেন স্নাতকোত্তর। হাত না থাকায় মুখ দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন তিনি। তাকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এসময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল। নিয়োগপত্র প্রদানের পরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, গ্রেফতার ভাইরাল মিজান

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, গ্রেফতার ভাইরাল মিজান

মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে ভাত বিক্রি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাফরুল থানা পুলিশ।রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।কাফরুল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে যান। তখন মিজান তাদের ওপর চড়াও হন।তিনি বলেন, এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সদস্যদেরও আঘাত করেন মিজান। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তরুণ নারীরা নেতৃত্ব পেলে পুরো দেশের ভবিষ্যৎকেই শক্তিশালী করে: ডা. জুবাইদা

তরুণ নারীরা নেতৃত্ব পেলে পুরো দেশের ভবিষ্যৎকেই শক্তিশালী করে: ডা. জুবাইদা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান কিশোরী ও তরুণীদের অদম্য সাহসিকতা ও অর্জনের প্রশংসা করে বলেন, "যখন তরুণ নারীরা নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ ও ক্ষমতায়ন পায়, তখন তারা কেবল তাদের নিজ সমাজকেই নয়, বরং পুরো দেশের ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করে তোলে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তাদের কণ্ঠস্বর, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং নেতৃত্ব অপরিহার্য।"রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘শি লিডস টুমরো’ শীর্ষক জাতীয় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান। নতুন প্রজন্মের নারী নেতৃত্ব, দৃঢ়তা ও ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষাকে উদযাপন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়, ইউএন উইমেন এবং ইউএনওপিএস বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।‘জয়েন্ট এসডিজি ফান্ড’-এর সহায়তায় এবং "এসডিজি ৫ ও এসডিজি ১৬ স্থানীয়করণের মাধ্যমে বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃদ্ধি" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১,০০০-এরও বেশি কিশোরী ও তরুণীকে নেতৃত্ব প্রদান এবং নিজ নিজ সম্প্রদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আউয়াল।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, "বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আজকের তরুণ নারীদের নেতৃত্বের আসনে বসানোর অর্থ হলো আগামী দিনের জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।"প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আউয়াল বলেন, "এসডিজি স্থানীয়করণের মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় প্রতিশ্রুতিগুলোকে তৃণমূল মানুষের জীবনে বাস্তবায়ন করা। বাংলাদেশের আগামীর সিদ্ধান্ত ও সমাধান তৈরিতে তরুণ নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।"অনুষ্ঠানে ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং নারীদের নেতৃত্ব ও অধিকার সুরক্ষায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারোল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক এসডিজি বাস্তবায়নে সমন্বিত অংশীদারিত্বের ওপর জোর দেন।অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রধান অতিথি কর্তৃক ‘শি লিডস টুমরো’ বিশেষ কফি টেবিল বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, যেখানে অংশগ্রহণকারী তরুণীদের জীবন পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কূটনীতি, রাজনীতি এবং লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনটি পৃথক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১২ মাসব্যাপী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এই প্রকল্প পরিচালিত হয়। সরকারি স্কুল, মাদরাসা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নাগরিক শিক্ষা এবং নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি এটি 'এসডিজি স্থানীয়করণের জন্য বাংলাদেশ মডেল' গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি অভিনেতা ডন হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার চ্যানেল এসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে সিআইডির একটি দল এসে তাকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং তারাই বিষয়টি তদন্ত করছে।’সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর এ ঘটনায় হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ সংক্রান্ত আদেশ দেন।পুরোনো নথি অনুযায়ী, সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক তদন্ত সংস্থা কাজ করেছে। একপর্যায়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করা হয়। তবে তার পরিবার ও ভক্তদের একটি অংশ ওই তদন্তের ফল মেনে নেয়নি।এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। ডন হককে গ্রেফতারের পর মামলার তদন্তে নতুন করে অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাত্র কয়েক বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা এই অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর থেকে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলে আসছে।

উপহার পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরলেন দৃষ্টিহীন বৃদ্ধ

উপহার পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরলেন দৃষ্টিহীন বৃদ্ধ

বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের হাতে নতুন টিনের ঘরের ঠিকানা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় দৃষ্টিহীন এক বৃদ্ধ উপহার পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন।শনিবার (০৯ আগস্ট) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে নতুন টিনের ঘর ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে তুলে দেন সরকারপ্রধান বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষদের পুর্নবাসনে সরকারের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। তিনি সেখান একটি মেহগনি গাছের চারা রোপন করেন।এই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন— অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ত্রাণ ও দুযোর্গ প্রতি মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু প্রমুখ।পরে প্রধানমন্ত্রী আসেন বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এক অনুষ্ঠানে আসেন।গত ৭ জুলাই থেকে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছিলো। বন্যায় জলাবদ্ধতার এসব এলাকায় শত শত মানুষের ঘর-বাড়ি, পুকুর, জলাশয় ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে যায়।এখানে কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন হেলিকপ্টারে। সেখানে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান আতিকুর রহমান রুমন।

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় অনিশ্চয়তা। দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিরিজ আয়োজন এখন প্রায় অসম্ভবের পথে। বিসিবি কর্মকর্তারা এখনো আশা করছেন সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সেই দিকে যাচ্ছে না। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকবাজ।রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণগত ৫ আগস্ট দিল্লিতে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দলের কয়েকজন সদস্যকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়।৮ আগস্ট বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেখানে আশ্রয়ে থেকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাকে সরাসরি গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলো। বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার কেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর এই সুযোগ দিল?’বিসিবির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, হাসিনার এই সংবাদ সম্মেলনই ভারতের বাংলাদেশ সফরের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে।আগে যেভাবে আশা জেগেছিলএর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তখন ভারতে মৌলবাদী গোষ্ঠীর বাংলাদেশ বিরোধী সব কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার।ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা নেওয়ার পর নতুন করে আশা জেগেছিল যে দুই ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্কের উন্নতি হবে।বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সফর হলে বোর্ডের আর্থিক দিক থেকেও বড় লাভ হতো।যা ভাবছে বিসিবিহাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি যেভাবে এগিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, সেপ্টেম্বরে ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়া বাংলাদেশের জন্য এখন দূরের স্বপ্ন, প্রায় অসম্ভবও বলা যায়।নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে এই বিষয়ে একই মত জানিয়েছেন। শনিবার তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সব ঘটনার পর এই সিরিজ নিয়ে আমি সন্দিহান। আমার মনে হয় না অন্যপক্ষ থেকে (সিরিজ নিয়ে) কোনো সাড়া পাব। সত্যি কথা বলতে, এটি ২৮ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল, আমাদের হাতে আর কতদিন আছে?’তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না (সিরিজটি পরিকল্পনামতো এগোবে)। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখন এটি আমাদের সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’তিনি যোগ করেন, যতক্ষণ না আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল ঘোষণা করা হয়, ততক্ষণ তাদের করার আর কিছুই নেই, শুধু আশা করা ছাড়া।

এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন

এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জনাব মাহদী আমিন।সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, আজকে আমরা ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার যে ফলাফল দেখছি, এটি সরকার গঠনের মাত্র দুই মাস পর শুরু হওয়া একটি প্রক্রিয়া। পরীক্ষাটির কার্যক্রম গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল।তিনি জানান, এবার পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। খাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ কিংবা পাসের হার বাড়িয়ে দেখানো হতো। আমরা সেই সংস্কৃতি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে এসেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকৃত যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা নিয়ে বের হয়ে আসবে। যে শিক্ষার্থী যেভাবে পড়াশোনা করেছে, সেভাবেই শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল এবং সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। তাই আমাদের ভালো বা মন্দের বিতর্ক না তুলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখা উচিত। যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করেছে, আমাদের সবার উচিত তাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো। মাহদী আমিন, যারা ভালো ফলাফল করেছে তাদের পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে না পারা শিক্ষার্থীদেরও হতাশ না হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।পাশাপাশি যারা ভালো ফলাফল করেছে, তাদের সঙ্গে তাদের পরিবার যেমন গর্বিত, আমরাও তেমনি গর্বিত। তবে অনেকে হয়তো প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এটাই জীবনের শেষ সুযোগ নয়। সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতে তারা যেন সব বাধা পেরিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।তাই পরীক্ষায় ভালো বা খারাপ, প্রত্যাশিত বা অপ্রত্যাশিত—যে ফলই হোক না কেন, সব শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।পরীক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক, পরীক্ষার্থী, শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, মাঠ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশার মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া এবং শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছে কি না—এগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।গণতান্ত্রিক সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। শুধু পাস-ফেল নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা ও যোগ্যতার নিরপেক্ষ মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ।গণমাধ্যমের প্রতি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলধারায় তুলে ধরে তাদের অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই সমাধান বের করতে হবে।মাহদী বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনে রাষ্ট্রকাঠামোর বিভিন্ন অংশের মতো শিক্ষাব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখান থেকে শিক্ষা খাতকে পুনঃসংগঠিত ও পুনরুজ্জীবিত করার কাজ চলছে। একাডেমিক কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংযোজন, বিয়োজন ও সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেই সব পরিবর্তন একসঙ্গে বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও নতুন করে বেশ কিছু কারিকুলাম পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং চারটি নতুন বই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এসএসসি ২০২৬: বেশি ফেল ইংরেজি ও গণিতেএসএসসি ২০২৬: বেশি ফেল ইংরেজি ও গণিতেবৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তৃণমূল থেকে ঢাকাসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীদের একই প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।মাহদী আমিন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ইনোভেশন গ্রান্ট ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে মূলধারায় তুলে ধরতে হবে। ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি যেসব ক্ষেত্রে সমস্যা বা ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো সবাই মিলে চিহ্নিত করে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

আমি কিছুই জানি না, দল থেকেও বলা হয়নি: ফখরুল

আমি কিছুই জানি না, দল থেকেও বলা হয়নি: ফখরুল

আবারও হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়: আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

আবারও হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়: আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

তরুণ নারীরা নেতৃত্ব পেলে পুরো দেশের ভবিষ্যৎকেই শক্তিশালী করে: ডা. জুবাইদা

তরুণ নারীরা নেতৃত্ব পেলে পুরো দেশের ভবিষ্যৎকেই শক্তিশালী করে: ডা. জুবাইদা

রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি

রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি

‘মক্কা চুক্তি’ ইরানের বিরুদ্ধে নয়: তুরস্ক

‘মক্কা চুক্তি’ ইরানের বিরুদ্ধে নয়: তুরস্ক

হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শর্ত

হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শর্ত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, সীমিত হয়ে পড়েছে সামরিক বিকল্প

ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, সীমিত হয়ে পড়েছে সামরিক বিকল্প

রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন: জামায়াত আমির

রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষায় ১১ দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা মনে করি যে সর্বক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া উচিত। তাহলে গণতন্ত্রের গতি এবং তার সুস্বাস্থ্য ফিরে আসবে।’রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করার কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জোটের পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শফিকুর রহমান বলেন, ‘ইতোমধ্যে যাকে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্ট ক্যান্ডিডেট হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার নাম আপনারা জেনেছেন।’এর আগে জোটের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে নেতারা জানান, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া প্রয়োজন।বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ, এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

স্যোশাল মিডিয়ায় উত্তেজনামূলক-আক্রমণাত্মক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

স্যোশাল মিডিয়ায় উত্তেজনামূলক-আক্রমণাত্মক বক্তব্য বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

জ্বালানি খাতের বেসরকারীকরণ লুটপাটের নতুন লাইসেন্স: গোলাম পরওয়ার

জ্বালানি খাতের বেসরকারীকরণ লুটপাটের নতুন লাইসেন্স: গোলাম পরওয়ার

৩১ দফার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করাই কি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালনের নমুনা?: মজিবুর রহমান মঞ্জু

৩১ দফার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করাই কি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালনের নমুনা?: মজিবুর রহমান মঞ্জু

জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জুলাই শেষ হবে না: জামায়াত আমির

জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জুলাই শেষ হবে না: জামায়াত আমির

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত, সবার বাড়ি নওগাঁ

সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত, সবার বাড়ি নওগাঁ

রামপালে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

রামপালে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

জামালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, সহকারী জজ নিহত

জামালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, সহকারী জজ নিহত

জামালপুরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় একেএম ছামিউল হক নামে এক সহকারী জজ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ইদ্রিস আলী গুরুতর আহত হয়েছেন।১০ আগষ্ট সোমবার ভোর চারটায় জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়কের লাহিড়ীকান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত একেএম ছামিউল হক জামালপুর জজ আদালতের ইসলামপুর আদালতের সহকারী জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রাইভেটকারে করে ঢাকার লালমাটিয়া থেকে জামালপুর ফিরছিলেন।পুলিশ জানায়, রডবোঝাই ট্রাকটির একটি চাকা ফুটো হয়ে গেলে চালক ও হেলপার ট্রাকটি সড়কের ওপর রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় পেছন থেকে প্রাইভেটকারটি ট্রাকটিতে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সহকারী জজ ছামিউল হক নিহত হন। গুরুতর আহত হন চালক ইদ্রিস আলী।জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থল পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত চালককে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।নিহত ছামিউল হক সাবেক সচিব ফজলুল হকের ছেলে। তিনি ঢাকার লালমাটিয়ায় বসবাস করতেন।

নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন গ্রেপ্তার

নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন গ্রেপ্তার

তিলে তিলে জমানো ২ লাখ টাকা উইপোকার পেটে, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা বৃদ্ধ দম্পতি

তিলে তিলে জমানো ২ লাখ টাকা উইপোকার পেটে, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা বৃদ্ধ দম্পতি

ইলিশ মাছ ধরতেও বিএনপির নেতাকে দিতে হবে চাঁদা

ইলিশ মাছ ধরতেও বিএনপির নেতাকে দিতে হবে চাঁদা

মাদারীপুরে গ্যারেজে কেমিক্যালযুক্ত ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু

মাদারীপুরে গ্যারেজে কেমিক্যালযুক্ত ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু

কসবার ইউএনওসহ ৮৩ কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

কসবার ইউএনওসহ ৮৩ কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

প্রতীক্ষার অবসান, ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন সার্ভিস চালু

প্রতীক্ষার অবসান, ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন সার্ভিস চালু

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় অনিশ্চয়তা। দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিরিজ আয়োজন এখন প্রায় অসম্ভবের পথে। বিসিবি কর্মকর্তারা এখনো আশা করছেন সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সেই দিকে যাচ্ছে না। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকবাজ।রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণগত ৫ আগস্ট দিল্লিতে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দলের কয়েকজন সদস্যকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়।৮ আগস্ট বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেখানে আশ্রয়ে থেকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাকে সরাসরি গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলো। বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার কেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর এই সুযোগ দিল?’বিসিবির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, হাসিনার এই সংবাদ সম্মেলনই ভারতের বাংলাদেশ সফরের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে।আগে যেভাবে আশা জেগেছিলএর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তখন ভারতে মৌলবাদী গোষ্ঠীর বাংলাদেশ বিরোধী সব কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার।ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা নেওয়ার পর নতুন করে আশা জেগেছিল যে দুই ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্কের উন্নতি হবে।বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সফর হলে বোর্ডের আর্থিক দিক থেকেও বড় লাভ হতো।যা ভাবছে বিসিবিহাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি যেভাবে এগিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, সেপ্টেম্বরে ভারতকে আতিথেয়তা দেওয়া বাংলাদেশের জন্য এখন দূরের স্বপ্ন, প্রায় অসম্ভবও বলা যায়।নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে এই বিষয়ে একই মত জানিয়েছেন। শনিবার তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সব ঘটনার পর এই সিরিজ নিয়ে আমি সন্দিহান। আমার মনে হয় না অন্যপক্ষ থেকে (সিরিজ নিয়ে) কোনো সাড়া পাব। সত্যি কথা বলতে, এটি ২৮ আগস্টের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল, আমাদের হাতে আর কতদিন আছে?’তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না (সিরিজটি পরিকল্পনামতো এগোবে)। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখন এটি আমাদের সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’তিনি যোগ করেন, যতক্ষণ না আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিজ বাতিল ঘোষণা করা হয়, ততক্ষণ তাদের করার আর কিছুই নেই, শুধু আশা করা ছাড়া।

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সারির দলের কাছে  বাংলাদেশ ইনিংস হার

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় সারির দলের কাছে বাংলাদেশ ইনিংস হার

সাকিবের জন্য জাতীয় দলের দরজা বন্ধ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাকিবের জন্য জাতীয় দলের দরজা বন্ধ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া এক ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপন করলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। এর সঙ্গে পুরুষদের নিয়ে ক্যাপশনে দিলেন খোঁচা। ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার দেওয়া এই পোস্টে দখো গেলো গ্ল্যামারাস লুকে হাজির হয়েছেন তিনি। তার পোস্ট করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়- স্নিগ্ধ ও খানিকটা বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে ফারিয়ার শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল এবং ব্রেসলেট।ছবিগুলোতে ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিয়েছেন তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে তার পোস্টের ক্যাপশনটি। ফারিয়া লিখেছেন, ‘বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে।’ ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে অনুরাগী ও নেটিজেনদের ভিড় জমেছে। ফারিয়ার রূপের প্রশংসা করে এক অনুরাগী লিখেছেন, ‘একদম কুইন লুক!’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ অনেকেই আবার এই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন মুক্তকণ্ঠে।

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী হাতে মারাত্মক আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চোটের গভীরতা বেশি থাকায় জরুরি ভিত্তিতে তার হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসকরা তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আপাতত তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা। তবে ঠিক কীভাবে অভিনেতা হাতে চোট পেয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুটিং সেটে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।প্রিয় ‘মহাগুরু’র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তার অজস্র ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে তিনি বর্তমানে ভালো আছেন জেনে স্বস্তি মিলেছে সবার।

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। গত ২৯ জুলাই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত বোর্ডে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র গবেষক আবদুর রহমান। এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন অনুযায়ী এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু।মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করতে নতুন করে এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে।

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

'কিং' সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার সম্ভাব্য নতুন লুক সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি কাটানোর সময় এক ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কিং খান। এরপর সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদশাহ কালো রঙের হুডি ও ‘VR-46’ লেখা একটি কালো ক্যাপ পরে ছিলেন। মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করলেও ক্যাপের ফাঁক দিয়ে তার ব্লিচ করা চুল দেখা যায়। এ থেকেই নেটিজেনদের ধারণা— পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমার নতুন লুক আড়াল করতেই এমন সতর্ক ছিলেন শাহরুখ খান।‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে সম্পূর্ণ ধূসর চুলের ভিন্নধর্মী লুকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ঘুরতে বের হওয়ার সময় শাহরুখ খানের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। সাধারণ পোশাকে থাকলেও ভক্তদের আগ্রহ এড়াতে পারেননি তিনি। কয়েকজন ভক্ত-অনুরাগীর সঙ্গে ছবিও তুলেছেন এ অভিনেতা।এ ছাড়া লন্ডনে শাহরুখ খানের বাড়িও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তার বাড়ির সামনে ভিড় করছেন অসংখ্য ভক্ত। অনেকেই সেখানে ছবি ও সেলফি ভিডিও ধারণ করছেন। দৃশ্যটি মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভক্তদের ভিড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকার পর দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টা ১০ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।‎‎ঢাকার বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি দেশে এসেছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি সব সময় সবার জন্য দোয়া করি।‎‎এর আগে সোমবার সকালে তার দেশে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন এরশাদ। তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে ইলিয়াস কাঞ্চন আবারও লন্ডনে ফেরত যাবেন। আগামী ১৫ আগস্ট অভিনেতার শারীরিক পরিক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।‎‎গত বছরের প্রথম দিকে অভিনেতার শরীরে টিউমার ধরা পড়লেও পারিবারিক সিদ্ধান্তে গত ২৬ এপ্রিল ইলিয়াস কাঞ্চনকে লন্ডনে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা শুরু হয়। তিন মাসের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে প্রফেসর ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে তার ব্রেনে অস্ত্রোপচার করা হয়।

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক ঘটলো। 'গুলশানের চামেলী' সিনেমার মাধ্যমে তিনি যাত্রা শুরু করছেন ঢালিউডে।১ আগস্ট শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।মধুমিতা বলেন, 'আমি এখানকার সবার এতটা ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত। এত এত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে, এত গুণী মানুষদের নিয়ে আমার অভিষেক হচ্ছে ঢাকাই সিনেমায়। এর চেয়ে ভালো অভিষেক আর হতে পারে না।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা যে এনার্জি ও স্পিড নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, আশা করি সিনেমাটি খুব ভালো হবে। আমাকে এই সিনেমায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই।' মহরতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে এমডি ইকবাল পরিচালিত 'গুলশানের চামেলী'।সিনেমাটির মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে মধুমিতা সরকারকে, যা নিয়ে দুই বাংলার দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। জানা গেছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন এ অভিনেত্রী। এর আগে স্বামী দেবমাল্য চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল সকাল ১০টার দিকে ঢাকায় পৌঁছান মধুমিতা সরকার।‘গুলশানের চামেলী’ নির্মিত হচ্ছে এক যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটিতে বাংলাদেশ ও ভারতের দুই দেশের জনপ্রিয় একঝাঁক শিল্পী অভিনয় করবেন। ইতোমধ্যে সিনেমাটির শিল্পী তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ওমর সানী, আমিন খান, আশীষ খন্দকার ও কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে আজমেরী হক বাঁধনকে।

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

এসএসসির রেজাল্টের অপেক্ষায়  সারাদেশ

এসএসসির রেজাল্টের অপেক্ষায় সারাদেশ

এসএসসি ও সমমানের ফলাফল আগামীকাল সোমবার

এসএসসি ও সমমানের ফলাফল আগামীকাল সোমবার

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ সোমবার সকাল ১০টায়, যেভাবে জানা যাবে

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ সোমবার সকাল ১০টায়, যেভাবে জানা যাবে

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম স্কিন ক্যান্সারের হটস্পট, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ২,০০০ মানুষ স্কিন ক্যান্সার এবং মেলানোমায় মারা যায় এবং প্রতি ৩ জন অস্ট্রেলিয়ানের মধ্যে প্রায় ২ জনের জীবনে অন্তত একবার স্কিন ক্যান্সারের জন্য অস্ত্রোপচার করাতে হবে বলে ধারণা করা হয়। এমন একটি দেশে যেখানে সানস্ক্রিন একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস, সেখানে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া একটি বিতর্ক বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘চয়েস’ এর অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টিই তাদের লেবেলে উল্লিখিত এসপিএফ (SPF) সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘটনাটি ছিল এসপিএফ ৫০+ (SPF 50+) হিসেবে বাজারজাত করা একটি পণ্যকে ঘিরে, যা পরীক্ষায় প্রায় এসপিএফ ৪ (SPF 4) এর মতো কাজ করেছে বলে জানা যায়। ব্র্যান্ডটি এই ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানালেও পণ্যটি বাজার থেকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ার থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) একই ধরনের সানস্ক্রিনের বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফলে কেন এত বড় অমিল দেখা যাচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করে যে আমদানি করা পণ্য ত্বকের যত্নের জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্যের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। কিন্তু এই সংবাদটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে, শুধুমাত্র একটি পরিচিত ব্র্যান্ডের নামই এখন আর যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের হোক বা কোনো স্থানীয় কোম্পানির, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি তার লেবেলে লেখা সুরক্ষা সত্যিই প্রদান করে কি না । এই বিষয়টি ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, কারণ ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা আরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলেন, কারণ এটি ত্বককে তৈলাক্ত বা চিটচিটে করে ফেলে, অথবা ব্যবহারের পর ত্বকে হোয়াইট কাস্ট রেখে যায়। এছাড়া, অন্য দেশের জলবায়ুর জন্য তৈরি কোনো ফর্মুলা বাংলাদেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সবসময় স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। সানস্ক্রিনের আসল কার্যকারিতা তখনই, যখন সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। শুধু ভালো পরীক্ষার ফল থাকলেই হবে না। তাহলে গ্রাহকরা কীভাবে জানবেন যে একটি সানস্ক্রিন সত্যিই কাজ করে কিনা? প্রথম ধাপ হলো লেবেলের অর্থ বোঝা। এসপিএফ (SPF), বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর, ইউভিবি (UVB) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাত্রা পরিমাপ করে, যা মূলত সানবার্নের কারণ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে, একটি এসপিএফ ৫০ (SPF 50) সানস্ক্রিন এই রশ্মিগুলোর প্রায় ৯৮ শতাংশ আটকে দেয়। কিন্তু এসপিএফ হলো সম্পূর্ণ চিত্রের একটি অংশ মাত্র। পিএ (PA) রেটিং ইউভিএ (UVA) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা নির্দেশ করে, যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং ট্যানিং, পিগমেন্টেশন ও অকাল বার্ধক্যের সাথে সম্পর্কিত। এই দুটি রেটিং একত্রে দেখায় যে একটি সানস্ক্রিন সূর্যের তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ক্ষতি থেকে কতটা ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়। দ্বিতীয় ধাপটি হলো, এই সংখ্যাগুলো কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা। সব এসপিএফ (SPF) পরীক্ষা একই রকম নয়। ইন-ভিভো (In-vivo) পরীক্ষায় পণ্যটি মানব স্বেচ্ছাসেবকদের উপর প্রয়োগ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে ত্বক কখন লাল হতে শুরু করে তা পরিমাপ করা হয়; এটি এমন একটি পদ্ধতি যা বেশিরভাগ বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো চূড়ান্ত বলে মনে করে এবং অস্ট্রেলিয়ার গবেষণার ফলাফল বের করার ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ইন-ভিট্রো (In-vitro) পরীক্ষায় একটি স্পেকট্রোফটোমিটার ব্যবহার করে পণ্যের একটি পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে কী পরিমাণ ইউভি রশ্মি প্রবেশ করে তা পরিমাপ করা হয়েছিল। এটি দ্রুততর, সাশ্রয়ী এবং শিল্পজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি মানব গবেষণার পরিবর্তে একটি পরীক্ষাগারভিত্তিক বিকল্প পদ্ধতি। কিন্তু মূল বিষয় হলো কোনো পদ্ধতিই চূড়ান্ত নয়, এবং এমনকি একই পণ্যের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফল ভিন্ন হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে। ভোক্তাদের উচিত যে ব্র্যান্ডগুলো তাদের পরীক্ষাগার, পদ্ধতি এবং ফলাফল উল্লেখ করতে ইচ্ছুক সেই পণ্যগুলো কেনা, শুধুমাত্র নামী ব্র্যান্ডের বোতলের উপর একটি ছাপানো লেবেল দেখে না কেনা। বিশ্বব্যাপী সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির পর, কিছু স্থানীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও এখন বাহ্যিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পণ্যের কার্যকারিতা প্রমাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্কিন ক্যাফে এমনই একটি উদাহরণ। এই বাংলাদেশী ব্র্যান্ডটি তাদের ‘স্কিন ক্যাফে সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০ পিএ+++ উইথ ভিটামিন সি’ পণ্যটি তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষার জন্য ঢাকা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ (ISO/IEC 17025:2017) স্ট্যান্ডার্ডে স্বীকৃত ল্যাবরেটরি ওয়াফেন রিসার্চ ল্যাবরেটরি লিমিটেডে জমা দিয়েছে। এএনএ-২৪০৭২৪০০২/১ (ANA-240724002/1) রিপোর্ট রেফারেন্স অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এই পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ল্যাবভিত্তিক ইউভি স্পেকট্রোফোটোমেট্রি পদ্ধতি ব্যবহার করে সানস্ক্রিনের সুরক্ষা ক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। কোম্পানির শেয়ার করা ল্যাবরেটরি রিপোর্ট অনুযায়ী, সানস্ক্রিনটির এসপিএফ মান ৫২.৫১ পাওয়া গেছে , যা এর প্যাকেজিংয়ে উল্লিখিত এসপিএফ ৫০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানিটির মতে, পরীক্ষায় এসপিএফ ৫০-এর সামান্য বেশি ফল পাওয়া মানে এই নয় যে পণ্যটি দাবির চেয়ে বেশি কার্যকর। বরং এটি প্রমাণ করে যে প্যাকেজিংয়ে উল্লেখ করা এসপিএফ ৫০-এর দাবিটি সঠিক। কারণ এসপিএফ পরীক্ষায় এ ধরনের সামান্য পার্থক্য স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্তটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরে। একটি সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা শুধু পরীক্ষাগারের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর মানুষ তখনই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবে, যখন সেটি তাদের দেশের আবহাওয়ায় আরামদায়ক লাগবে। শীতল ও শুষ্ক বাজারের জন্য তৈরি কোনো পণ্যকে মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে, বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে ফর্মুলেশন ও পরীক্ষা করাস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এমন একটি উদ্যোগ, যা পরীক্ষাগারের ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের ব্যবহার, এই দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে। তবে কোন পরীক্ষার ফলকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া উচিত স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা একটি পণ্যের প্রতি আস্থা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও, সেটিই শেষ কথা নয়। একজন ভোক্তা হিসেবে কোন পদ্ধতিতে, কখন এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হয়েছে, তা জানার ও প্রশ্ন করার অধিকার সবারই রয়েছে। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কটি দেখিয়ে দিয়েছে যে, আকর্ষণীয় মোড়ক এবং উচ্চ এসপিএফ-এর দাবি এখন আর এককভাবে যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি আমদানি করা হোক বা স্থানীয়, ভোক্তাদের পরীক্ষার প্রমাণ ও স্বচ্ছতা জানার অধিকার রয়েছে, আর ব্র্যান্ডগুলোরও তা নিশ্চিত করা উচিত।

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

কমেছে সোনার দাম

কমেছে সোনার দাম

মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদহারের দিকে নজর থাকায় বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম। এর আগে গত শুক্রবার সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল মূল্যবান এই ধাতুটির দাম।বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ কমে যায়। এতে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩২২.২৮ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৮১.৬০ ডলারে।গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল কর্মসংস্থান তথ্য প্রকাশের পর স্বর্ণের দাম ১৭ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। জুলাইয়ে মার্কিন অর্থনীতি অপ্রত্যাশিতভাবে কর্মসংস্থান হারিয়েছে। পাশাপাশি আগের দুই মাসের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হিসাবও বড় ধরনের সংশোধন করে কমানো হয়েছে।এতে সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বাজারের প্রত্যাশাও বদলে গেছে। ১৫-১৬ সেপ্টেম্বরের ফেড বৈঠকে সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা এখন ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।সাধারণত সুদহার কমার সম্ভাবনা বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে। কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদহার কমলে সুদ-আয়কারী সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ ব্যয়ও কমে যায়।কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, গত সপ্তাহে দুর্বল মার্কিন কর্মসংস্থান তথ্যের প্রভাবে স্বর্ণের দাম শক্তিশালীভাবে বাড়ার পর এখন কিছুটা মুনাফা তুলে নেওয়া হচ্ছে। তবে এটি বাজারের বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়। তার মতে, কাছাকাছি সময়ে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের ওপরে শক্ত অবস্থানে থাকতে পারে।চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের মধ্যে বুধবার ভোক্তা মূল্যসূচক এবং বৃহস্পতিবার উৎপাদক মূল্যসূচক প্রকাশিত হবে। মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হলে ফেডের সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনা বাড়তে পারে, যা স্বর্ণের দাম আরও বাড়ার পথ তৈরি করতে পারে।তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ইরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ নির্ধারণের বিষয়ে তারা একটি চূড়ান্ত চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে তেহরান বলেছে, কৌশলগত এই জলপথ পুনরায় খুলে দিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে।এদিকে সোমবার স্পট রুপার দাম ০.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৩.৪৫ ডলার, প্লাটিনাম ০.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৪২.৫০ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ১.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৬২.৯৭ ডলারে নেমেছে।

বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম

বাণিজ্য বিশ্লেষণ ও নীতি প্রণয়নে এআই ব্যবহারে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

বাণিজ্য বিশ্লেষণ ও নীতি প্রণয়নে এআই ব্যবহারে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সিরামিক শিল্পের সহযোগিতার আহ্বান

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সিরামিক শিল্পের সহযোগিতার আহ্বান

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদি আরবের রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তিদের সবাই বাংলাদেশি।রোববার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানান, রোববার দুপুর আনুমানিক ২টায় রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা গেছেন বলে সেখানে কর্মরত ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন নিহতদের সবাই বাংলাদেশি। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এখনো উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়ায় মৃতদেহগুলো শনাক্ত করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।এ ঘটনায় রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক জানিয়েছে। এছাড়া দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় শনাক্তকরণে স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে। এর আগে, রোববার রাতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক শোকবার্তায় জানায়, সৌদি আরবের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, জীবিকার তাগিদে সুদূর সৌদি আরবে কর্মরত আমাদের এই প্রবাসী ভাইদের এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের এই আকস্মিক প্রয়াণে আমি গভীর শোকাহত এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।তিনি জানান, সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নিহত প্রবাসী ভাইদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অসীম কষ্ট সহ্য করার শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন স্মার্টফোন রেডমি ১৭ উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসে ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ও কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি সহনশীলতা ও স্থায়িত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম লুক দেওয়ার জন্য ডায়নামিক আরজিবি লাইট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের সাথে তালমিলিয়ে চলতে, রেডমি ১৭-এ ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ও এই সেগমেন্টের শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে ভিডিও স্ট্রিম, অনলাইন ক্লাস ও গেমিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, ডিভাইসটি একবার ফুল চার্জে ব্যবহারকারীদের দুই দিনেরও বেশি সময় পর্যন্ত কানেক্টেড রাখতে সক্ষম হবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিংয়ের সুবিধা রয়েছে, যা ৪৫ মিনিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ সম্পন্ন করে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচার পাশাপাশি, তারা ঘন ঘন চার্জিংয়ের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। রেডমি ১৭-এ ৬.৯ ইঞ্চির ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্রলিং, ব্রাউজিং ও বিনোদনের ক্ষেত্রে অনবদ্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। প্রতিদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্ক্র্যাচ ও ড্রপ থেকে ফোনকে সুরক্ষিত রাখতে এর ডিসপ্লেতে শক্তিশালী কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে। স্মার্টফোনে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৯১-আলট্রা প্রসেসর ও শাওমি হাইপারওএস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের ব্যবহার, বিনোদন ও মাল্টিটাস্কিংয়ে চার বছর পর্যন্ত স্মুথ ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, রেডমি ১৭-এ ৫০ মেগাপিক্সেল এআই ডুয়েল ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিনের অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে পারবেন। এছাড়াও, ডিভাইসকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড স্প্ল্যাশ রেজিজট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রেডমি ১৭ তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ, কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন, ফাস্ট চার্জিং, টেকসই ফিচার, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের সমন্বয়ে এই ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে; যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখনকার দ্রুততম লাইফস্টাইলের সাথে তালমিলিয়ে চলতে পারবেন; এবং একইসাথে, কোনোপ্রকার ছাড় না দিয়েও প্রতিদিনের কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে সম্পন্ন করতে পারবেন।” ওক গ্রিন, ডিপ ব্লু, ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি ১৭। ডিভাইসটি ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ও ৬ জিবি + ১২৮ জিবি, দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম ২২, ৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) ও ২৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) টাকা মাত্র। অনবদ্য ব্যাটারি সক্ষমতা, ফাস্ট চার্জিং, নির্ভরযোগ্য স্থায়িত্ব ও প্রতিদিনের স্মুথ পারফরম্যান্সের নিশ্চিত করতে তৈরি রেডমি ১৭ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স

শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স

প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কিউডি-ওএলইডি মনিটর আনলো গিগাবাইট

২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কিউডি-ওএলইডি মনিটর আনলো গিগাবাইট

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

শিরোনাম
মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান জামালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, সহকারী জজ নিহত কমেছে সোনার দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী এসএসসিতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হয়েছে: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা পাচ্ছে ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান জামালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, সহকারী জজ নিহত কমেছে সোনার দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি