২৬শে মার্চের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ’

২৬শে মার্চের মধ্যে প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে আবারও জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

রবিবার ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ‘ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর বাস’ উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি।

প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ‘ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর বাস’ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাদের নিয়ে কোন প্রশ্ন বা বিতর্ক নেই তাদের তালিকা আমদের মহান স্বাধীনতার মাস ২৬ মার্চে আমরা প্রকাশ করবো। আর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে সিদ্ধান্ত হবে। ভূয়া প্রমাণিত হলে বাদ যাবে আর ঠিক থাকলে সংযুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি, আমরা এ বছরই সুবর্ণ জয়ন্তিতে ১৬ ডিসেম্বর রাজাকারের তালিকা প্রণয়ন করতে পারবো। আগে আমাদের তালিকা প্রণয়নে আমাদের নৈতিক অধিকার ছিল আইনগত কোন ভিত্তি ছিল না। ইতিমধ্যে কেবিনেটে জামুকাকে তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব দিয়ে আইন সংশোধন হয়েছে। তবে করোনার কারণে সংসদ অধিবেশন কম হওয়ায় তা উত্থাপিত হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি সরকার, বিষয়টি যাচাই বাছাই করা হচ্ছে, এরপরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি যাদের ফাঁসি বা অন্যান্য বিভিন্ন শাস্তি হয়েছে এক সভায় তাদের পদক বাতিল করা হয়। ওই সভায় জিয়াউর রহমান, মোস্তাক ও মাহবুবুল আলম চাষীসহ আরো খুনিদের বিষয়েও পদক বাতিলের আলোচনা হয়। কারণ তারা যে বঙ্গবন্ধু খুনের সঙ্গে জড়িত পুরো দেশবাসী ও বিশ্বও তা জানে। তবে জিয়াসহ তাদের পদক বাতিলের দালিলিক কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।