১০ দিন পর আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু

জহিরুল ইসলাম সাগর, আখাউড়া প্রতিনিধিঃ টানা ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আটকে থাকা ১০টি ট্রাকের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। বুধবার থেকে চলতে পারে স্বাভাবিকভাবে।

বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার অব কর্মাসের ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের সাধারন সম্পাদক সুজিত রায় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দরে কর্মরত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) জওয়ানসহ ইমিগ্রেশনে কর্মরত কিছু কর্মীর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। করোনা রোগী শনাক্তের পরই ভারত সরকার আগরতলা স্থলবন্দরকে লকডাউন ঘোষণা করে।

রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করে ত্রিপুরা সরকারের তরফে আগরতলা স্থলবন্দরকে স্যানিটাইজ করতে ৪৮ ঘন্টার জন্য আমদানী রফতানী বানিজ্য বন্ধ করা হয়। পরে বন্দরে কর্মরত বিএসএফসহ তিনশতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ শুরু হওয়ায় আমদানী রফতান বানিজ্য চালু করা যায়নি। আখাউড়া স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ফোরকান আহাম্মদ খলিফা জানান, গত ৬ জুন আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দরে কর্মরত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্যসহ ইমিগ্রেশনে কর্মরত বেশ কয়েকজনের করোনা শনাক্ত হয়।

তাদেরকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে ত্রিপুরা সরকারের তরফে আগরতলা স্থলবন্দরকে জীবানুমুক্ত করার জন্য ৪৮ ঘন্টার জন্য আমদানী রপ্তানি বানিজ্য বন্ধ রাখা হয়। পরে জানানো হয় ১৬ জুন পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। এ অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে পণ্য রপ্তানির কথা জানানো হয়। এ কারণে শুধুমাত্র আটকে পড়া ১০টি ট্রাকের পণ্য ভারতে যাচ্ছে। বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে রপ্তানি কার্যক্রম চলবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৪০টি ট্রাকে করে পণ্য ভারতে পাঠানো হবে।