১ম টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল

বাংলাদেশের সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারছে না জিম্বাবুয়ে। হোক টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি কোনোটিতেই না। ঢাকায় একমাত্র টেস্টে ১০৬ ও ইনিংস ব্যবধানে হারের পর সিলেটে ওয়ানডেতে হেরেছে ৩-০ ব্যবধানে।
দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান সফরকারী দলের অধিনায়ক শন উইলিয়ামস।ব্যাট করতে নেমে লিটন-তামিমের ওপেনিং জুটির রেকর্ড আর সৌম্য সরকারের ঝড়ো অর্ধশতকে দুইশ রান তোলে স্বাগতিক দল।
২০১৮ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তামিম-লিটনের ৭৪ রানের জুটিটাই এতদিন ছিল টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। আজ সেটি ভাঙলেন সেই তামিম-লিটনই। ১০ ওভার দুই বলের মাথায় তামিমের ৪১ (৩৩) রানে বিদায়ে জুটি ভাঙে ৯২ রানে। লিটন দাস খেলেন ৩৯ বলে ৫৯ রানের ইনিংস। যা তার ক্যারিয়ারে তৃতীয় অর্ধশতক।
এরপর সৌম্য সরকার ঝড় তোলেন ব্যাট হাতে। শেষ পর্যন্ত অপরাজির থেকে ৩২ বলে করেন ৬২ রান। এছাড়া মুশফিকুর রহিমের ১৭ আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ১৪ রানে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৩ উইকেটে বরাবর ২০০ রান।জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোস্তাফিজ-আমিনুলদের বোলিং তোপে কুল পায়নি সফরকারী ব্যাটাররা।ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই শফিউল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে ব্রেন্ডন টেলর ফেরেন মাত্র ১ রান করে। এরপর ক্রেগ আরভিনকে ৮ রানে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার তিনাশে কামুনহুকামাওয়ে। এছাড়া সমান ২০ রান করে নেন শন উইলিয়ামস, রিচমন্ড মুতুম্বামি ও ডোনাল্ড তিরিপানো।শেষদিকে কার্ল মুম্বার ১৬ বলে ২৫ রানের ইনিংস শুধু রানের ব্যবধানটাই কমিয়েছে। ১৯ ওভারে ১৫২ রানে রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। ৪৮ রানের জয় নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও টাইগাররা এগিয়ে গেল ১-০ তে।
বাংলাদেশের পক্ষে সমান ৩টি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজ ও আমিনুল। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন শফিউল ইসলাম, সাইফউদ্দিন ও আফিফ হোসেন।সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ আগামী ১১ মার্চ একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টায়।