হাসপাতালে গিয়ে করোনা আক্রান্তদের খোঁজ নিলেন গাজীপুরের মেয়র

 মোঃ আল-আমিন, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ সবাই যখন ঘরে বসে নিজের কথা ভাবছে অথবা পরিবার নিয়ে অলস সময় পার করছে।করোনা রোগীর কথা বলাতো মানা।আর সেবা করা করা তো দূরের কথা,দেখলেও যে জাত যাবে।এমনটিই যখন সারা দেশের বেশিরভাগ মানুষের চিন্তাধারা। ঠিক তখন যেন স্বপ্নপূরী থেকে একজন মানুষ ত্রানকর্তা হিসেবে হাজির হলেন।অসম্ভব ভালোবাসা আর সাহস নিয়ে ছুটে গেলেন করোনা রোগীর খুব কাছে। নিজের নিরাপত্তা বা প্রটোকল সবকিছু ভেঙ্গেই কথা বললেন করোনায় আক্রান্ত মানুষের সাথে।এ যেনো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মত মনে হলো করোনা আক্রান্তো রোগীদের কাছে।
গল্পের মত করে এতক্ষণ যা শুনলেন সেটিই বাস্তবে ঘটেছে।বলছি গাজীপুর সিটিকর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এর কথা। করোনা জ্বরে যখন মানুষ ভয়ে বিহ্বল তখন শত ব্যবস্তার মাঝে মেয়র ছুটে গেলেন করোনা রোগীর কাছে।খোঁজখবর নিলেন তারা কেমন আছেন।বললেন, আমি আছি আপনাদের পাশে, আশ্বস্ত করলেন চিকিৎসার ব্যাপারে।মনস্তাত্ত্বিক সেবা দিলেন করোনা আক্রান্ত রোগীদের। সাহস পেলো রোগীরা। যখন জানতে পাড়লেন, করোনায় আক্রান্ত এসব রোগীরা গার্মেন্টস শ্রমিক,তখন কয়েকদিন আগের কথা মনে পড়লো সবার।কারন মেয়র বলেছিলেন আরও কিছুদিন গাজীপুর লকডাউন থাক।
কেউ বিজিএমইএ শোনেনী তার কথা।আজ মেয়রের কথার প্রতিফলস ঘটলো। করোনা ঠুকে গেলো গার্মেন্টেসে। কিন্তু হায় মেয়র ভেঙ্গে পড়লেন না। মনোবল ঠিক রেখেই বললেন, সামেনর ঈদ উপলক্ষে ১০ দিন গার্মেন্টস বন্ধ থাকে সেই ১০ দিনের সাথে আর ও ৫দিন বাড়িয়ে ১৫ দিন কঠোরভাবে লকডাউন করলে অন্তত গাজীপুরে এর সংক্রমন কমানো সম্ভব। গাজীপুরবাসীর পাশে আমি আছি। দেশের ক্রান্তিকালে গাজীপুর সিটিকর্পোরেশনের আওতায় সকল জনগনকে চিকিৎসা সেবার আওতায় আনারও কথা বলেন।টঙ্গীতে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল পরদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। টঙ্গী গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার নাজিমুদ্দিন জানান, এই হাসপালের যাবতীয় কর্মকান্ডে মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সার্বিকভাবে সহোযোগিতা করছেন।প্রতবনিয়ত খোঁজখবরও নিচ্ছেন। এমন মানবিক মেয়র পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত।