স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পিছিয়ে গেল উ চহ্লা ভান্তের মরদেহ আনার দিনক্ষন

রানা মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পিছিয়ে গেল উ চহ্লা ভান্তের মরদেহ আনার দিনক্ষন। কাল সোমবার বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু শ্রীমৎ জোত মহাথের উ চহ্লা ভান্তের ‘র মরদেহ বান্দরবানে নিয়ে আসার কথা থাকলেও দেশে করোনা সংক্রামণ পরিস্থিতির কারনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পিছিয়ে গেছে উ চহ্লা ভান্তের মরদেহ আনার দিনক্ষন এর মধ্যে দিয়ে ভান্তের লাশ কখন আনা হবে সেই বিষয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতির উপর সিন্ধান্ত নেওয়া হবে ।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সুত্র জানায় , আজ রোববার দুপুর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা এর সভাপতিত্বে মরদেহ বান্দরবান আনার বিষয়ে পুবনির্ধারিত একটি সভা হয় ।সেখানে জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: শামীম হোসেন ,সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজা সরওয়ার ,ভান্তের পরিবারের সদস্য ,খিয়ংওয়া কিয়ং রাজ বিহারের সাধারন সম্পাদক বাঁচা মং মারমা ,কালাঘাটা ,জামছড়ি ও ক্যামলং থেকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুরা উপস্থিত ছিলেন।দেশব্যাপিক করোনা পরিস্থিতির কারনে সেই সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফোনে এই নির্দেশনা পর ভান্তে কে আনার দিনক্ষন পিছিয়ে তাত ।

সভায় আপাতত মরদেহ রাউজানের খৈয়াখালী বৌদ্ধ বিহারেই রাখার সিদ্ধান্ত হয়। গত ১০ এপ্রিল শারিরীক অসুস্থতা নিয়ে ভান্তে বান্দরবান থেকে নিয়ে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । সেই দিন তার মৃত্যু হয়েছে বলে বান্দরবানের সিভিল সার্জন দাবী করলেও তার শিষ্যরা দাবি করেন ,তিনি ১৩ এপ্রিল সকালে মারা যান। এর পর অনেকটা গোপনে তার মরদেহ বান্দরবান না এনে চট্টগ্রামের রাউজানের উপজেলা খৈয়াখালী বৌদ্ধ বিহারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মরদেহ রাখা হলে করোনা আতংকের কারনে তার রাউজান থেক সরাতে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন । যার ফলে ভান্তের মরদেহ বান্দরবানে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়