স্বপ্নের এক্সপ্রেসওয়ের দুয়ার উন্মোচিত হচ্ছে আগামীকাল

মানুষের স্বপ্নের ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের দুয়ার উন্মোচিত হচ্ছে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার)। কাল সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক্সপ্রেসওয়েটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর ফলে রাজধানীর সাথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। ব্যবহারকারীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন বিশ্বমানের নবনির্মিত এই সড়ক উদ্বোধনের।

 

রাজধানী থেকে মাওয়া, এরপর পদ্মা পার হয়ে দেশের দক্ষিনাঞ্চলে যেতে পরিবহণ ও যাত্রীদের যে ভোগান্তি, তার অবসান হবে আর মাত্র কয়েকঘন্টা পর।

দৃষ্টিনন্দন এই সড়ক অবকাঠামোটি মূলত ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকা প্রান্তের দিকে। মহাসড়কটি ধরে যতই সামনে যাওয়া হবে, পাওয়া যাবে নতুন অভিজ্ঞতা। চার লেনের সড়কে ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলবে যানবাহন। এছাড়াও দুধারে রয়েছে আরো দুটি লেন যেখানে চলবে ধীরগতির যানবাহন। তাইতো থাকবেনা কোন যানযট।

 

দেশের একমাত্র এই এক্সপ্রেসওয়েটি যারা নিয়মিত ব্যবহার করবেন তাদের এখন প্রশান্তির সময়। দিনের কাজ দিনেই শেষ করতে পারবেন তারা।

স্থানীয়রা বলছেন, তাদের শুধু কর্মঘন্টাই সাশ্রয় হবে না অর্থনৈতিকভাবেও তারা লাভবান হবেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, পদ্মাসেতু চালু হবার পর এই মহাসড়কটি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা মিলবে। মহাসড়কটির আয়ুকাল ধরা হয়েছে ২০ বছর। এর পর বড় ধরনের রক্ষনাবেক্ষন প্রয়োজন পড়বে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মহাসড়কটিতে রয়েছে ৫টি ফ্লাইওভার, ৪টি রেলওয়ে ওভারপাস, ২৯টি বড় সেতু, ১৯টি আন্ডারপাস আর ৫৪টি কালভার্ট। প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।

 

সড়কও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কাস অর্গানইজেশন এসডবি¬উওর-পশ্চিম এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করেছে।