’স্ক্রাবিং’ নিয়ে কিছু কথা

আমাদের ত্বক অনেক সংবেদনশীল। আর সংবেদনশীল ত্বকের জন্য স্ক্রাব ভীষণ প্রয়োজনীয়। তবে তা না বুঝে ব্যবহার করলে হতে পারে নানা রকম স্কিন প্রব্লেম। ত্বকের পরিচর্চায় স্ক্রাব অনেক ধরনের হয়ে থাকে। ব্যবহারের আগে অবশ্যই সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে-বুঝে ব্যবহার করা উচিত। স্ক্রাব সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করা যায়।

কেন স্ক্রাব ব্যবহার করবেন

১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে।
২. ত্বক মসৃণ করে।
৩. ব্ল্যাক ও হোয়াইটহেডস দূর করে।
৪. ত্বকের রোদে পোড়া দাগ দূর করে।
৫. ত্বকে জমে থাকা মরা চামড়া দূর করে।
৬. ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে।

কোন স্কিনে কেমন স্ক্রাব ইউজ করা যাবে :

যাদের মুখে খুব বেশি ব্রণের সমস্যা ভুলেও স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারবেন না। এতে জীবাণু আরও জড়িয়ে পড়তে পারে।
যারা সেনসেটিভ বা সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী তারা বাড়িতে স্ক্রাব ব্যবহার না করাই ভালো। একান্তই ফেস ক্লিনআপের জন্য বিউটি ক্লিনিকে চলে যান। এক্সপার্ট বা কসমোলজিস্টরা আপনার ত্বকের ধরন বুঝে ট্রিটমেন্ট দেবেন।
এ ছাড়া যাদের চামড়া বেশ পুরু আর প্রতিদিনই ব্ল্যাক হেডস বা হোয়াইট হেডসের মতো সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য স্ক্রাব একটি নিত্যনৈমিত্তিক উপাদান। এক্ষেত্রে তারা ব্যবহার করতে পারেন মাইল্ড এবং মাইক্রো স্ক্রাব।
স্ক্রাব নিয়মিত করলে ত্বকের মৃত কোষ ভালোভাবে দূর হয়ে যায়। ত্বক হয় সজীব, সতেজ, উজ্জ্বল। ব্ল্যাক হেডস, হোয়াইট হেডসও দূর হয়ে যায় ভালোভাবে স্ক্রাব করতে পারলে। তবে খুব হালকা হাতে ৩/৪ মিনিট স্ক্রাব করতে হবে।
এ ছাড়া স্ক্রাব কখনোই চোখের আশপাশে ব্যবহার করবেন না।

ব্যবহারের সঠিক সময়

সকালে বা রাতে যে কোনো সময়ই স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব করার পর অবশ্যই ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে

স্ক্রাব ব্যবহারে ত্বকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ওই স্ক্রাব ব্যবহার না করাই ভালো। কিছুদিন ত্বকে হালকা ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।