সৌম্যের ৮৮ রানেও শেষ রক্ষা হয়নি কুমিল্লার

দাসুন শানাকাসহ তিন শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড় চলে যাওয়ায় বড্ড বিপদে আছে কুমিল্লা। হঠাৎ করেই হারিয়ে গেছে দলটির ব্যাটিং গভীরতা।

রাজশাহীর দেয়া ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা না পেলেও উইকেট হারায় নি কুমিল্লা। তবে হাতে উইকেট রেখেও রানের চাকা ঘোরাতে পারে নি কুমিল্লা, থেমেছে ১৭৫ রানে। সৌম্য লড়েছেন একাই, করেছেন ৪৭ বলে ৮৮ রান। কিন্তু একজন প্লেয়ারও পারলেন না সৌম্যকে সঙ্গ দিতে। কুমিল্লার পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান করেছেন সাব্বির রহমান।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে রাজশাহী রয়্যালস। শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর ইনিংস দেখেশুনে শুরু করেন দলের দুই ওপেনার লিটন দাস ও আফিফ হোসেন। পাওয়ার প্লে’তে দুজনে মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ইনিংসের সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফিরে যান লিটন। সানজামুল ইসলামের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ১৯ বলে ২৪ রান করেন লিটন। লিটন ফিরলেও রান তোলার কাজ চালিয়ে যান আফিফ। যদিও বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। ৩০ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কায় ৪৩ রান করে সৌম্য সরকারের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি।

এরপর ইনিংসের হাল ধরতে আসেন রাজশাহীর দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক এবং রবি বোপারা। যদিও এ দিন ব্যর্থ হন বোপারা। ১২ বলে ১০ রান করে মুজিব-উর-রহমানের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। এরপর মাঠে আসেন উইন্ডিজ দানব এবং রাজশাহী অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল।

শোয়েব মালিক ইনিংসের শুরু ধীরে শুরু করলেও, রাসেলের ধামাকা সূচনার পর যেন তিনিও ছন্দ খুঁজে পান। চার ছক্কার ফুলঝুরি যেন আছড়ে পড়ে মিরপুরের সবুজ আঙিনায়। শোয়েব মালিকের ৩৮ বলে ৬১ এবং রাসেলের ২১ বলে ৩৭ রানের উপর ভর করে স্কোরবোর্ডে ১৯০ রানের পাহাড় গড়ে রাজশাহী।