সিলেট নগরীর নাগরি চত্বর এর আশপাশ জুড়ে অপরাধীদের অভয়ারণ্য

সিহাব আহমদ, সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট নগরি চত্বর, সিলেটের গুরুত্তপূর্ন ও ব্যস্ততম স্থান। যার পশ্চিম দিকের ১০০গজের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখা, জেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস, পূর্ব দিকে ১০০গজের মধ্যে রয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ভবন, বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ি, সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয়,

জেলা প্রসাশন কার্যালয়, সিলেট জেলা পরিষদ কার্যালয়, দক্ষিন দিকের ১০০গজের মধ্যে রয়েছে সিলেট ভি, আই,পি সার্কিট হাউজ, জালালাবাদ পার্ক, সিলেটের ঐতিহাসিক স্থাপনা আলি আমজদের ঘড়ি, ক্বীন ব্রিজ, এবং উত্তর দিকে ১০ গজের মধ্যে রয়েছে সিলেট জজকোর্ট। বর্ণনা মোতাবেক এই স্থানটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকার কথা। কিন্তু বাস্থবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রতিদিন বিকাল থেকে এই এলাকার দখল চলে যায় পকেট চোর, ভ্রামমান পতিতা ও দালাল, হকার, আর নেশাখোর দের হাতে।

সার্কিট হাউসের রাস্থার পাশে প্রসাবের দুর্গন্ধ, ক্বিন ব্রিজের নিচে ও পাশে গাঁজার দুর্গন্ধে জনচলাচল দুর্বিসহ হয়ে উঠে। জজকোর্টের পাশের ফুটপাত দিয়ে চলাচলরত জনসাধারনকে পড়তে হয় পতিতা ও তাদের দালালদের খপ্পরে, বিশেষ করে মফস্বল থেকে আসা নিরিহ লোকজন এই হয়রানির শিকার বেশি হয়ে থাকে। আর এই কুকর্মে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনির কিছু অসাধু সদস্য ও সরাসরি জড়িত থাকে বলে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।

জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত সহ রাস্তার প্রায় অর্ধেক হকারদের দখলে থাকায় যান চলাচল সহ জনসাধারনের চলাফেরায় চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এছাড়াও পকেটমারের দৌড়াত্ব ও প্রখট। কয়েকজন ভুক্তভোগী আক্ষেপ করে বলেন এই এলাকায় এতো সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালতের অবস্থান থাকা সত্বেও এখানকার আইন শৃঙ্খলা ও পরিবেশের এই দুরঅবস্থা প্রমান করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির কিছু অসাধু সদস্যদের প্রত্যক্ষ মদদে এই নৈরাজ্য চলছে আর তা নাহলে এই নৈরাজ্য প্রতিহত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব সেলিম মিয়া এই প্রতিবেদক কে বলেন এই এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল অব্যাহত আছে, অনেক সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কারনে পুলিশ সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেনা, কিন্তু কখনোই পুলিশ কোন অপরাধী কে ছাড় দেবেনা। এবং এই অপরাধীদের দমনেপুলিশ আরও তৎপর হবে।