সিটি কনভেনশন হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ক্রম অবনতিশীল করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মনোবল ও মানসিক শক্তিই প্রধান ভরসা। এই শক্তিতে বলিয়ান হয়ে ভয় ও আতংককে জয় করে চসিকের জনবল দিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সংকট একদিন কেটে যাবে।

বাংলাদেশ ও বিশ্ব অবশ্যই অতিতের সকল মহামারির মত চলমান মহামারি থেকেও মুক্ত হবে। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ কোভিড আইসোলেশন সেন্টার থেকে কোন রোগী বিনা চিকিৎসায় ফিরে যাবেন না। এমনকি নন কোভিড রোগিরাও। এই চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়োজিত সকল ডাক্তার,নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী,কর্মকর্তা-কর্মচারিরা নির্ধারিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম পাবেন।

যারা এখানে সেবা দিচ্ছেন তারা প্রত্যেকেই সরকারি চাকুরী বিধি অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের কোন ক্ষয়-ক্ষতি হলে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা পাবেন। মনে রাখতে হবে যে, কোন শর্ত দিয়ে মানব ও সমাজ সেবা করা যায় না। যারা অস্থায়ী তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থায়ী করণসহ পরিস্থিতি বিবেচনায় যখন যা কিছু করার প্রয়োজন তাই করা হবে বলে মেয়র প্রতিশ্রতি দেন।

আজ সকালে সিটি কনভেনশন হল কোভিট আইসোলেশন সেন্টারে জুমা পূর্ব মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত চিকিৎসক,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দ্যেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আগামী ২১ জুন (রবিবার) থেকে এই আইসোলেশন সেন্টারে রোগী ভর্তি শুরু হবে। সেবা দানের ক্ষেত্রে এমন কোন কথা বলা যাবে না যাতে সাধাারণ মানুষের মনে হতাশা ও আতংক বাড়াতে পারে।

কারণ হতাশা ও আতংক মৃত্যুর ভয় বাড়ায়। এবং প্রতিরোধ শক্তি কেড়ে নেয়। মৌলানা হারুনুর রশিদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর নামজুম হক ডিউক, মো. এরশাদ উল্লাহ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুশান্ত বড়ুয়া, উপ-পরিচালক ডা. মুজিবুল আলম চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সহকারি রায়হান ইউসুফ, বেলাল আহমদ, এস এম মামুনুর রশিদ, আনিসুর রহমান চৌধুরী প্রমূখ।

দোয়া মাহফিল শেষে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্থ লিংকরোডের পিসি রোড সংলগ্ন এলাকায় অতিবর্ষনের ফলে জলাবদ্ধতা নিন্মাঞ্চল পরিদর্শন করেন। এ সময় মেয়র স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন। মেয়র দ্রুত পানি নিস্কাশনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের নির্দেশনা দেন। এই কাজে কোন ধরনের ত্রুটি থাকলে তা সহসা নিরসন করে কাজ বুঝিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেন মেয়র।