সারিয়াকান্দিতে দু’গ্রুপ মুসল্লিদের মধ্য সংঘর্ষে মহিলাসহ ৮জন আহত

জাফরুল সাদিক, সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি : সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের কাঁশাহার জামে মসজিদে ফজরের নামাজের পরে দু’গ্রুপ মুসল্লিদের মধ্য সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ৮জন আহত হয়েছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার জামাতের সাথে ফজরের নামাজ শেষ হতেই একটি গ্রুপ মুয়াজ্জিন মেহেদী হাসানের নিকট থেকে মুসজিদের চাবি চেয়ে বসে। এতে মেহেদী হাসান চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভক্ত দুই গ্রুপ মুসল্লিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্য প্রথমে হাতাহাতি পরে লাঠিশোটা নিয়ে এলোপাথারী মারপিট শুরু হয়ে যায়। এতে মহিলা আঞ্জুয়ারা(২৬), তবিবর রহমান (৫০), আবু বক্কর(৭০), আরিফ ফোর (৪৫), সুবেল (৩৫), শাহ আলম (৫৫) নান্নু (৩০) ও সোলেমান (৫০) আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্য সুবেল মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমি মসজিদ কমিটির পদ থেকে এরইমধ্যে ইস্তফা দিয়েছি। তবে যতদূর শুনেছি আরিফ ফোরের লোকেরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এ সংঘর্ষ করেছেন। মসজিদের আশপাশে তাদের বাড়ি ঘর হওয়ায় তারা সহজেই লাঠিশোটার জোগাড় করে নিরীহ মুসল্লিদের পিটিয়েছেন। আমি মনে করি নাবুঝে তারা এ কাজটি করেছেন। ওপর দিকে অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে থাকা আরিফ ফোর বলেন, তারা যেহেতু আলাদা ভাবে কুরবানির গোশত ভাগ বাটোয়ারা করেছেন, আলাদা ভাবে আরেকটি মসজিদ ঘর নিমার্ণ কাজ শুরু করেছেন তাহলে আমাদের কাছে চাবি দিতে অসুবিধা কথায়।
উল্লেখ্য মসজিদটি নদী ভাঙ্গনের মুখে পড়ায় স্থনাান্তর করা নিয়ে দু’টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
ওসি মিজানুর রহমান বলেন, চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এসআইকে ঘটনাটি দেখার জন্য বলা হয়েছে।