সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে ইতিবাচক অগ্রগতি

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন করা হয় সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনিকে। ঘটনার পর দিন রুনির ভাই শেরেবাংলা থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ৯ বছরেও বিচার হয়নি সাংবাদিক এ দম্পতি হত্যাকাণ্ডের। এ পর্যন্ত ৭৮ বার সময় নিয়েও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। প্রিয়জনের খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় ক্ষুব্ধ স্বজনহারা পরিবার। মামলার বিচার নিয়েও সন্দিহান তারা।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। জার্মানী ও যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো ২৫ জনের সবারই ডিএনএ রিপোর্ট পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব। তারা জানায়, তদন্ত শেষ পর্যায়ে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই জমা দেয়া হবে প্রতিবেদন। ৮ আসামির মধ্যে জামিনে ২ জন, বাকিরা জেল হাজতে।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির একমাত্র ছেলে মাহির সারওয়ার মেঘ। সেই ছোট্ট মেঘ এখন চৌদ্ধ পেরিয়ে। জমাট বাধা কষ্ট এখনো চোখে মুখে।

নানি ও মামার কাছে বেড়ে উঠলেও, মেঘের জীবনে ছন্দপতন স্পষ্ট। বাবা-মাকে হত্যার সেই ভয়াবহ স্মৃতি নিজের মধ্যেই লুকিয়ে রেখেছে মেঘ। এছাড়া ঘটনার নয় বছর পরও, তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় সুষ্ঠু বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয়ে স্বজনরা।

ডিএনএ রিপোর্ট ও আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুতই চার্জশিট জমা দেয়ার কথা জানায় র‌্যাব। যদিও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে এর আগে আদালতের কাছে ৭৮ বার সময় নিয়েছে তারা।

 

এই মামলায় ২৫ জনের ডিএনএ রির্পোট পাঠানো হয় জার্মানী ও যুক্তরাষ্ট্রে। সবারই রিপোর্ট এখন র‌্যাবের হাতে। হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় র‌্যাব।

এতো বছরেও হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনাতো দূরের কথা, তদন্তই শেষ হয়নি। বার বার সময় নিয়েও চার্জশিট জমা না দিতে পারা দু:খজনক বলছেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।