সরাইলে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষ; আহত ২০

মোঃ মুরাদ খান, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ একদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব অন্যদিকে চলছে মাহে রমজান, এর মধ্যেও থেমে নেই সংঘর্ষ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কাটানিশার গ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বুধবার সকালে ঘন্টাব্যাপী চলে সংঘর্ষ। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাটানিশার গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজান মিয়া এবং একই এলাকার নুরু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। মসজিদে যাওয়া নিয়ে ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার লোকজন নুরু মিয়ার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।

এসময় তারা বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। এই বিষয়ে কাটানিশার গ্রামের মনসুর আহমেদ বলেন, আমরা সেহরি খাবার পর ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাৎ করে ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। আমাদের অনেকেই হামলায় আহত হয়েছে, আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

আহতদের মধ্যে নাজির মিয়া (২৮),হারিছ (২৬),মুছা মিয়া (৬০),শিরিনা আক্তার (২৫),রিনা আক্তার (৪৪) সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে। উল্লেখ্য গত কদিন আগেও ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার লোকজন ডোবার পানি সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে নুর মিয়ার লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এনিয়ে একটি মামলা চলছে। এই বিষয়ে ইউপি সদস্য মিজান মিয়া মুঠোফোনে বলেন, লুটপাটের কোন ঘটনা ঘটে নি। আর পুলিশ আমার ভাই মনির খান কে পায়ে গুলি করে মারধর করে নিয়ে যায়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এলাকা এখন শান্ত রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।