সরকারের এক বছর: চমক পাশাপাশি বিব্রত হওয়ার ঘটনা

নিজ দল থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু আর মাদক-সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে বর্তমান সরকারের প্রথম বছরের অন্যতম সাফল্য বলছেন বিশ্লেষকরা। তবে ধর্ষণ, খুন আর সুশাসনের অভাবে সে অর্জন কিছুটা ম্লান হয়েছে।
একদল তরুণ আর নতুন মুখ নিয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে চমক সৃষ্টি করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিসভার ৩১ জনই নতুন।
দায়িত্ব নেয়ার প্রথম বছরে প্রবৃদ্ধির হার আট শতাংশের ওপরে রেখে নজির সৃষ্টি করে সরকার বাড়ে মাথাপিছু আয়ও। আর বছরের শেষ ভাগে ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে সাড়া ফেলে সরকার। নিজ দল থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু সব মহলে প্রশংসিতে।
 ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দলের মধ্য থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করে। এটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাজ। একই সময় বাংলাদেশের দুটি চমক পদ্মা সেতু এবং মেট্রোরেলের কাজের অগ্রগতি হয়েছে আশাব্যাঞ্জকভাবে।
তবে রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতাসহ আরও কিছু ঘটনায় বিব্রত হতে হয় সরকারকে। রুপপুর বালিশকাণ্ডসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম রোধ করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
নতুন বছরে তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠাকেই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ডক্টর আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২০ সালে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ছাত্রলীগকে ছাত্রলীগ হতে হবে। বৈষম্য কমাতে হবে।