সম্রাটকে নিয়ে যা বললেন তার স্ত্রী

সম্রাট আমাকে ভয় পেত। ও ভাবতো আমি বোকা আমি সব কথা ফাঁস করে দিব। তাই আমার ক্যামেরার সামনে আসা পছন্দ করতো না।

সম্রাট যা আয় করতেন তা জুয়ার পিছনেই দিয়ে দিত। তার টাকা পয়সার কোন নেশা নেই, তার সব নেশা জুয়াকে ঘিরেই। রবিবার সম্রাটের মহাখালীর বাসায় র‌্যাবের অভিযানের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চোধুরী।

বিদেশে গেলে বিদেশি মেয়েদের সাথে থাকতো সম্রাট। সেখানে তার একজন গার্লফ্রেন্ড আছে মালয়েশিয়া বা চায়নার হবে। সম্রাটের একধিক অবৈধ সম্পর্কের কথা জানান দ্বিতীয় স্ত্রী, এমনকি তার এক কাছের বান্ধবীর সথেও সম্রাটের অবৈধ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন । সম্রাট তাকে কখনও বিদেশে নিয়ে যেত না বলে জানন শারমিন।

দুই বছর ধরে আলাদা থকেন শারমিন আর সম্রাট তবে ডিভোর্স এখনও হয়নি। আলাদা থাকলেও  সংসারের, মাসিক খরচ দিতেন সম্রাট।

সম্রাট জুয়াড়ী হলেও পরিবারের প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল, বলেন শারমিন। শারমিন ধর্মানুরাগী, তাই অবৈধ টাকা পছন্দ করতেন না। সম্রাট শারমিনের সংসারের জন্য অবৈধ কোন টাকা খরচ করতেন না।

ওপেনহার্ট সার্জারি করার কারণে দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিনের সাথে দেখা করতে আসতেন না সম্রাট এ কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি নামাজ পড়ি ঘরে থাকি এমনটাই চাইত আমার স্বামী তাই তিনি যেভাবে চেয়েছেন আমি সেভাবেই আমি থেকেছি।’

বিয়ের আগে জুয়া কি তাই আমি জানতাম না। আর এভাবে যে জুয়া খেলা যায় সেটা তার জানা ছিল না বলে উল্লেখ করেন শারমিন চৌধুরি।

প্রথম স্ত্রীর সাথে ডিভোর্স প্রসঙ্গে শারমিন জানান, সংসারে সময় না দেয়ার জন্যই প্রথম স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয় সম্রাটের। প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্রাটের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্রাট একজন ভালো নেতা। দল চালানোর জন্য তাকে ক্যাসিনো ব্যবসায় আসতে হয়। সম্রাট দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। ‘টাকা না দিলে তো ছেলেরা মিটিং-এ আসে না’-এমন কথা প্রায়ই শুনতাম তার মুখে, বলেন শারমিন।