শেরপুরে ‘করোনা ভাইরাস’ প্রতিরোধে প্রস্তুত ১৫০ স্বতন্ত্র শয্যা

সোহেল রানা : ‘করোনা ভাইরাস’ প্রতিরোধে শেরপুরের নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থল বন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। পাশাপাশি আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেলায় একটি বিশেষ ‘আইসোলেশন’ ইউনিট চালু করা হয়েছে।

স্থল বন্দরের একটি রুমে বসানো হয়েছে তিন সদস্যের দুটি মেডিকেল টিম। তারা ইনফারেড থার্মোমিটার দিয়ে আগত যাত্রীদের দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তবে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি। নাকুগাঁও স্থল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারী যাত্রীদের করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ করছে।

যদি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায় তাহলে তাকে জেলা হাসাপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে এবং পরবর্তীতে ঢাকায় পরীক্ষা-নিরিক্ষা করার জন্য পাঠানো হবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস সর্ম্পকে জনসাধারণকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

শেরপুর সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনোয়ার রউফ বলেন, করোনা রোগীর চিকিৎসা ও আলাদা রাখার জন্য ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫০টি শয্যা প্রস্তুতিসহ নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যা, ঝিনাইগাতী উপজেলা হাসপাতালে ২০ শয্যা, শ্রীবরদী হাসপাতালে ২০ শয্যা, নালিতাবাড়ীর রাজনগর মা ও শিশু হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও নকলার উরফা হাসপাতালে ৫০ শয্যা। করোনা সন্দেহ হলে নালিতাবাড়ী ও নকলার দুটি প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টাইন কক্ষে রাখা হবে।