লোহাগাড়ায় সোলার লাইটের আলো সব জাগায় আছে, নাই সদর ইউনিয়নের দঃ সুখছড়ী দরবার শরীফ ষ্টেশনে

মোঃ রকসী সিকদার, লোহাগাড়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার সদর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীনতম ষ্টেশনের মধ্যে দঃ সুখছড়ী দরবার শরীফ হলো ঐতিহ্যবাহী ষ্টেশন এই ষ্টেশনে অবস্থিত দক্ষিণ চট্টগ্রামের তথা সারাদেশে সুপরিচিত আবদুল খালেক শাহ এর মাজার শরীফ যেখানে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে ধর্ম প্রাণ মানুষেরা।

বাণিজ্যিক দিক থেকে লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের দরবেশ হাটের পরেই দঃ সুখছড়ী দরবার শরীফ ষ্টেশন। এই ষ্টেশনের পাশেই অবস্থিত পোস্ট অফিস,দক্ষিণ সুখছড়ী শাহা সাহেব সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুখছড়ী স্বাস্থ্য ক্লিনিক, দক্ষিণ সুখছড়ী আব্দুল খালেক শাহ আমেরিয়া হোসেনিয়া হাফেজুল উলুম খালেকিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসা যেখানে আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও দূর দূরান্ত থেকে ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনার জন্য আসে।এই ষ্টেশনের পাশেই বসে কোরবানি পশুর হাট লোহাগাড়ার নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ জাগায় সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন হলেও এই ষ্টেশনে এখানে পড়েনি সোলার স্ট্রিট লাইটের আলো।

এবিষয়ে এক ব্যবসায়ির সাথে কথা বললে তিনি বলেন বিদ্যুৎ চলে গেলে দেখি বিভিন্ন জায়গায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সোলার লাইটের আলোয় আলোকিত করে কিন্তু আমাদের এত বড় ষ্টেশনের ব্যবসায়ি ও বাসিন্দারা এখনো এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত কেন আমরা এত বৈষম্যের শিকার আমি আমাদের সংসদ সদস্য ডক্টর আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল এবং আমাদের সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুচ্ছাফা চৌধুরীর কাছে অনুরোধ করি আমাদের ষ্টেশনের বিষয়টা যেন আপনাদের নজরে আসে। দরবার শরীফের শাহাজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল বাকীর সাথে কথা বলে তিনি বলেন আমাদের ষ্টেশনটি লোহাগাড়ায় প্রচীনতম ষ্টেশনের মধ্যে একটি।

এখানে অনেক সময় দেখা গেছে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প লাইন চালু করতে করতে দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে এবং গত ৩/৪ বছর আগে ষ্টেশনের নৈশপ্রহরীকে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে খুন করে সুতরাং এখানে যদি সোলার লাইটের ব্যবস্থা হয় অনেক অংশে ষ্টেশনে চুরি ডাকাতি কমে যাবে তাই আমি সংশ্লিষ্ট সবাইর কাছে অনুরোধ করবো বিষয়টি দেখার জন্য। উল্লেখ্য এলজিএসপি-৩ এর আওতায় ২০১৯-’২০ অর্থ বছর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সোলার স্ট্রিট লাইট উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হচ্ছে। ফলে রাতেও মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে এবং গ্রামের মানুষের জীবনেও শহরের ছোঁয়া লাগবে।