লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুল ছাত্রীকে হত্যার চেষ্টা প্রশাসনের কাছে নিরীহ পরিবারের বিচারের দাবি

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্কুল পড়ুয়া অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মিতু আক্তার (১৫) কে বেধম মারধর করার পর অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে শিক্ষার্থীকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর অবস্থা আশঙ্খাজনক দেখে জরুরীভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধায় উপজেলার ২নং চরবংশী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডস্থ মৃধা বাড়ীর সম্মুখে। শিক্ষার্থী মিতু আক্তার খাশেরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ আলমের মেয়ে।

আহত শিক্ষার্থীর মা ছায়েরা বেগম জানান, স্থানীয় ইব্রাহীম তার স্ত্রী সেফালী বেগম ও তার ছেলে কিরন, এমরান সহ পূর্ব থেকে শত্রুতার জের ধরে, একাধিকবার আমার পরিবারের উপর শত্রুতা পোষণ করে আসছে এবং আমার মেয়েকে বাড়ীর সামনে নির্জন স্থানে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে বেধম মারধর শুরু করে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হলে মেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে থাকে।

ঘটনা জানাজানি শুরু হলে লোকজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। ঘটনার পর থেকে প্রশাসনিক আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য অভিযুক্তরা বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

ক্ষতিগ্রস্থরা আরো জানান, এ ঘটনায় প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ২নং চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হোসেন মাষ্টার বলেন, পূর্ব শক্রতা জের ধরে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে এভাবে মারধর করা আইনগত বহির্ভুত নয়।

এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোগীর বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি জানতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, রোগীর মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় অবস্থা আশঙ্খাজনক, রোগীর মাথায় জরুরী ভিত্তিতে সিটস্কিন করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।