লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নতুন করে ৫ পুলিশ সহ করোনা আক্রান্ত ৬, এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৪৪

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:   লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় নতুন করে রায়পুর থানায় কর্মরত ৫ পুলিশ সদস্য সহ ৬ জন আক্রান্ত হয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা গিয়েছে।

এ নিয়ে রায়পুর উপজেলায় আক্রান্তের হার ৪৪ জন। ইতোপূর্বে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার, নার্স ও জন প্রতিনিধিসহ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। রায়পুরে উপসর্গবিহীন আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক বিরাজ করছে প্রতিনিয়তই।

কার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ হচ্ছে সেটা বোঝাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এবং হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সসহ কর্মচারীদের বাধ্যতামূলকভাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এ দিকে রায়পুর হাসপাতাল সুত্রে জানা গিয়াছে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে  সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৪জন, মৃত্যু হয়েছে ১ জনের বর্তমানে চিকিৎসাধিন আছে ৯ জন। রায়পুর উপজেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৪ঠা মে ১৩ বছরের এক শিশুর।

সে রায়পুরেই থাকতেন। বিদেশ, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকেও ওই বাড়ীতে কেউ আসেনি। ওই শিশু ছেলের কোনও উপসর্গও ছিল না। কি ভাবে ছেলেটি করোনা আক্রান্ত হলো এটা আজও শনাক্ত হয়নি। প্রথম ১৩ বছরের ওই শিশুর সংস্পর্শে এসে আরও ১৪ জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

তারা একই বাড়ির আত্মীয়স্বজনসহ আশপাশের বাসিন্দা। কিন্তু তাদের মধ্যে কারও উপসর্গ নেই। ১২ মে উপসর্গ বিহীন রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান, ৪ জন ডাক্তার ও নার্সসহ মোট ৮ জন করোনা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন। পরদিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দু’জন আক্রান্ত হন।

এর পর করোনা শনাক্ত হয় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। রায়পুরে প্রতিদিনই বাড়তে থাকে করোনা আক্রান্তের হার। তবে কারও কোনও ধরনের উপসর্গ ছিল না। সন্দেহের বসে পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে ২৬ জনের উল্লেখযোগ্য ধরনের কোন উপসর্গ না থাকায় তারা বাড়িতেই আইসোলেশনের রয়েছেন। উপসর্গ বিহীন আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে অনেকের মাঝেই আতঙ্ক বিরাজ করছেন।