লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ নতুন করে আক্রান্ত আরও ১০

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ গত বৃহস্পতিবারে ৬ জন ও শুক্রবার ৪ জনসহ নতুন করে মোট ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে রায়পুর উপজেলায় সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬০ জনে। এরই মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো আক্রান্ত ১১ ব্যক্তির মধ্যে ৫ জন রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ৬জন হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়াছে।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় তথ্যসূত্রে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রতিদিনই করোনা রোগীর আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্হিতি কে মোকাবেলা করার জন্য গত ১৬ জুন থেকে রায়পুর পৌরসভা এলাকা লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। এ লকডাউনকে কার্যকর করার জন্য রায়পুর পৌর মেয়েরের নেতৃত্বে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রায়পুরে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে রায়পুর উপজেলার ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান কামাল আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্তমানে তিনি ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রায়পুরে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে রায়পুর পৌর শহরে ৬ জন, চরপাতা ইউনিয়নে ৩ জন, চরমোহনা এবং বামনী ইউনিয়নে ১ জন রয়েছেন। সুস্থ্যদের মধ্যে রয়েছেন চর আবাবিল ইউপিতে ১ জন, চরমোহনায় ২ জন, সোনাপুরে ১৭ জন, কেরোয়া ইউপিতে ১ জন ও রায়পুর পৌরসভায় ২৭ জন। রায়পুর উপজেলায় এই পর্যন্ত ৬৭৫ লোকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রায়পুরের বর্তমান পরিস্হীতি বিবেচনায় ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রেড জোন হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে লক ডাউন ঘোষণা করা হয়, রায়পুর পৌরসভা এলাকায়।

এ সময় শুধূ ঔষধের দোকান ছাড়া সকল দোকান পাট মাছ ও কাঁচা বাজার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গেছে ইতোমধ্যে রায়পুরে ১৭ জুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে করোনামুক্তের ছাড়পত্র পেয়ে কাজে যোগদান করেছেন রায়পুর থানার ৯ পুলিশ সদস্য। চলমান লকডাউ সমন্ধে জানতে চাইলে রায়পুর পৌরসভার মেয়র হাজী ইসমাইল খোকন বলেন, করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রায়পুর পৌরসভায় কঠোর লকডাউন নিশ্চিত করার লক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি নীজে উপস্থিত থেকে পৌর কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ওয়ার্ড ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে শহরের প্রবেশমুখের সকল সড়কগুলোতে কঠোর নজরদারির মাধ্যেমে কাজ করে যাচ্ছে সবাই।