লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ও কমলনগরে ভাঙছে নদী-কাঁদছে মানুষ

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে নামতে নতুন করে ভাঙছে মেঘনা। তছনছ হয়ে নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে বসতভিটা। ক্ষতিগ্রস্থরা চান জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ নয়। দ্রুত স্থায়ীভাবে হোক বেড়ীবাঁধ। এ দাবীতে মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা।

দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে মেঘনা তীরবর্তী উপজেলা রামগতি উপজেলা।ভয়াবহ ভাঙনে রামগতির সাড়ে ২১ কিলোমিটারের বেড়িবাধ ভেঙে রয়েছে সাড়ে তিন কিলোমিটার বেড়িঁবাধ এলাকা।

মেঘনা তীরবর্তী বেড়িবাঁধ না থাকায় সামান্য বাতাতে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে।এছাড়া প্রতিনিয়ত রামগতির মেঘনার ভাঙন অব্যাহত থাকায় ভাঙনে নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে গেসপা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসাতুল বানাত দাখিল মাদ্রাসা,দুটি স্ললুইস গেট, পশ্চিম আলেকজান্ডার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,আনোয়ার উল্যা শিকদার প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
আর এখন হাজারো মানুষকে থাকতে হচেছ বসতবাড়ি হারানোর আতঙ্কে। দ্রুত মেঘনা তীরবর্তী আরো ১৮ কিলোমিটার নির্মাণ না হলে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যাবে নদী গর্বে তলিয়ে ।

ভাঙ্গন কবলিত এলাকার লোজন জানায়,এর মধ্যে কয়েকদিন ধরে স্বাভাবিক জায়ার ও অতিবৃষ্টির কারণে পানিতে ওই এলাকা রাস্তাঘাট ও ফসলি জমিসহ বাড়ীর অঙ্গিনা গেছে তলিয়ে। এর মধ্যে মেঘনার তীব্র জোয়ার এসে আচড়ে খাচ্ছে তীরে। পানি বেড়ে যাওয়ার ক্ষতি হয়েছে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি ও ঘর-বাড়ী।

ইতোমধ্যে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে ঘর-বাড়ী সরিয়ে নিয়েছেন অনেকেই। এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে এ বর্ষায় বিলিন হয়ে যাবে আলেকজান্ডার সদরে থাকা থানা, কোস্টগার্ড ভবন, ফায়ার সার্ভিস ভবন, আবহাওয়া অফিস, বিদ্যুতের উপকেন্দ্র, পৌর ভবন, বালুর চর ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা, দক্ষিণ বালুর চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,চর বালুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।