লকডাউন উপেক্ষা করে মাওলানা আনসারীর জানাজায় মুসল্লীদের ঢল

বাবুল সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: করোনা সংক্রমণের ভয় উপেক্ষা করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমীর ও প্রখ্যাত মুফস্সিরে কুরআন আল্লামা হাফেজ জুবায়ের আহমদ আনসারীর জানাজায় শরীক হয়েছেন হাজার হাজার মুসল্লী।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মরহুমের প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদরাসায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মাদরাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত। দেশের শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক ও সাধারণ তাওহীদী জনতা শরীক হন জানাযায়।

মরহুম মাওলানার প্রতি ভালবাসায় করোনার যেন তুচ্ছ মনে হয় তাদের কাছে। জানাজায় ইমামতি করেন জুবায়ের আহমেদ আনসারীর ছেলে হাফেজ মাওলানা আসাদ উল্লাহ। জানাজায় যোগ দেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির ইসমাইল নূরপুরী, মহাসচিব মাহফুজুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক, মাওলানা জালাল উদ্দিন, আতাউল্লাহ আমিন, কেন্দ্রীয় নেতা মহসিনুল হাসান, জেলার শীর্ষস্থানীয় আলেম মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা মোবারক উল্লাহ, জেলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবদুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাঈনুল ইসলাম।

এছাড়াও দেশের নামকারা বিভিন্ন মাদরাসার শির্ক্ষাথী ও শিক্ষকরা জানাজায় যোগ দেন। মাদরাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় জেলা শহরের মার্কাস পাড়ায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন এই প্রখ্যাত আলেমে দীন। ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছিলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। জুবায়ের আহমদ আনসারীর বাড়ি জেলার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন।