রোগী ফিরিয়ে দিলেই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা -তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ

 মোঃরাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সরকারী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। চিকিৎসা দিতে অপারগতা জানালেই অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ। 
চট্টগ্রামে সার্কিট হাউজে ২০-২১ অর্থ বছরের বাজেট ও সাইফ পাওয়ার টেক এর পক্ষে থেকে শতাধিক অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান অনুষ্টানে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়েল হাসপাতাল, হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতাল, এবং ইউএসটিসির বঙ্গবন্ধু হাসপাতাল -এ চারটি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রয়োজন হলে আরো হাসপাতাল অধিগ্রহণ করা হবে।
’ এসব হাসপাতালের বাইরে চট্টগ্রামে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনের জন্যও সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এজন্য নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে অবস্থিত সিটি কমিউনিটি হলে তিন’শ বেডের একটি আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। এরপরও প্রয়োজন হলে চট্টগ্রামের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্বলিত কমিউনিটি হলগুলোকে আইসোলেশন ইউনিটে রূপান্তর করা হবে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন বলেন, এ মুহূর্তে কঠিন পরিস্থিতি চট্টগ্রামে। সবদিকেই নাজুক চিকিৎসা ব্যবস্থা। নেই আর নেই হবে হচ্ছে’। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি এ পর্যন্ত যতদূর জোড়াতালি ও দায় সারাভাবে ‘পূরণ’ হয়েছে তাতে কি আদৌ কেউ সন্তুষ্ট হয়েছে? এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ এনডিসি, সাইফ পাওয়ার টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিন, সিভিল সার্জন ডাঃ ফজলে রাব্বিসহ অন্যান্যরা।