রায়পুরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ১২ গ্রাম প্লাবিত

নুরুল আমিন ভূঁইয়া দুলাল, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক ভাবে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে উপকূলীয় এলাকার ৪টি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম ইতো মধ্যে প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি আটকে থাকার কারণে বেড়িবাঁধের বাইরের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

গত ৩ দিনের মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় ৪টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রায় অর্ধকোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এবং ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হয়েছে ফসলের।জানা যায়, প্লাবিত গ্রামগুলো হলো, চর আবাবিল, চরভৈরবী, হাজীমারা, চর কাচিয়া, জালিয়ার চর, কুচিয়ামোড়া, চরলক্ষ্মী, চরবংশী, চর ঘাশিয়া ও টুনুরচরসহ ১২টি গ্রাম। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন গৃহপালিত পশু ও বৃদ্ধ এবং শিশুরা।

অস্বাভাবিক জোয়ারে কারণে নিন্মাঞ্চল এলাকার সংযুক্ত খাল, বসতঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট হাঁটু পরিমাণ, কোথাও কোমর পরিমাণ পানিতে ডুবে আছে।

জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পুকুর, অনেক মাছের ঘের ভেসে গেছে। এসব এলাকার বেশীরভাগ অঞ্চল জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এদিকে ওই অঞ্চলের অন্তত ৩ হাজার পানের বরজ কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে।

পনিবন্দী হয়ে পড়ায় ওই অঞ্চলের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। তবে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানাতে পারেননি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। এদিকে টানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুত না থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে বিপর্যয়।
এসব সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরীন চৌধুরী বলেন, জোয়ারের পানি বৃদ্ধির কারণে বেশ কিছু কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ও সড়কের গাছসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি।