রায়পুরে এনজিও কর্মীরা কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া সতর্ক করলেন ইউএনও

নুরুল আমিন দুলাল ভঁইয়া, জেলা লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কিস্তির টাকা আদায়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এনজিও সংস্থাগুলোর কর্মচারি ও কর্মকর্তাগন। বৈশ্বয়ীক মহামারি করোনায় লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া হত দরিদ্র মানুষ গুলি যেখানে সরকারের দেয়া ত্রান সামগ্রীর উপর নির্ভর শীল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই কর্মহীন মানুষ কোন রকম খেয়ে পরে বেঁচে থাকা যেখানে কষ্টকর হয়ে পড়ছে, এই অবস্হায় সেখানে গ্রাহকদেরকে নানাভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করার জন্য চাপ অব্যাহত রেখেছে এনজিও গুলো । তাঁরা প্রতিদিন মুঠোফোনেও কল করে কিস্তির টাকা পরিশোধের তাগিদ দিয়ে যাচ্চে।

গত কয়েকদিনের হয়রানীর শিকার গ্রাহকদের অভিযোগের আলোকে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরীন চৌধুরী রায়পুরে অবস্হিত ১৬ এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরী সভা করেন। এসময় ইউএনও গ্রাহকদেরকে কিস্তির টাকা পরিশোধে চাপ না দেয়ার জন্য এনজিও কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

তিনি বলেন, করোনার এই মহামারী পরিস্থিতি থাকা পর্যন্ত কোনো গ্রাহককে কিস্তির টাকার জন্য কোনো প্রকার চাপ দেয়া যাবে না এবং ফোন দিয়ে কিস্তির টাকার জন্য হয়রানি করা যাবে না।

যে সকল গ্রাহকের কিস্তির টাকা দেয়ার সামর্থ আছে তারা এনজিওর অফিসে গিয়ে কিস্তির টাকা জমা দিবে। আর যারা পারবে না তাদের কোনো প্রকার চাপ দেয়া যাবে না। যাতে গ্রাহকরা কোনো প্রকার হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য সকল এলাকায় মাইকিং করারও নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, কোনো এনজিও কর্মকর্তা যদি এ নির্দেশ মোতাবেক কাজ না করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।