রামগঞ্জে ধর্ষিতিা তরুনীর মৃত্যর ঘটনায় যুবক আটক

নুরুল আমিন দুলাল ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ধর্ষণের শিকার ফাতেমা আক্তার প্রিয়া (১৪) নামের এক তরুনীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে কবরে দাফন করার পর ধৌতকারির মাধ্যমে জানাজানি হলে তখনই প্রকাশ হয়ে পড়ে ধর্ষনের ঘটনা।

জানা যায় লাশ দাফন শেষে পালানোর সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত ধর্ষনকারি বাহারুল আলম বাহার (২৯) নামের যুবককে আটক করেছে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় ধর্ষন মামলা হয়েছে বলে জানা যায়। তথ্য সূত্রে জানা যায় ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুনী রামগন্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের বাউরখাড়া গ্রামের গ্রামপুলিশ সদস্য লোকমান হোসেনের মেয়ে।

আটক বাহারুল আলম বাহার একই ইউনিয়নের বাউরখাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৮ আগষ্ট) বিকেল ৩টায় উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের বাউরখাড়া গ্রামের আবুল কালামের বসতঘরে। এ ঘটনায় নিহত তরুনীর বাবা গ্রামপুলিশ লোকমান হোসেন বাদী হয়ে রোববার রাতে (৯ আগষ্ট) রামগঞ্জ থানায় বাহারুল আলম বাহার ও তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তারসহ দু’জনকে আসামি করে ধর্ষন ও হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার সুত্রে জানাযায়, শনিবার বাড়ির সম্পর্কৃত নাতনি রাবেয়া আক্তার ও তার স্বামী বাহারুল আলম মেয়ে ফাতেমা আক্তার প্রিয়াকে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যান। বিকেলে মেয়েটি হৃদরোগে মারা গেছে বলে পরিবারকে খবর দেয়। ধর্ষক ও তার স্ত্রী নিজেরাই ফাতেমা আক্তার প্রিয়ার লাশ তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে বাড়ির লোকজনসহ মেয়েটির লাশ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেন অভিভাবকরা। মৃত তরুনীর দাফনের গোছল দিতে আসা একই গ্রামের সেলিনা আক্তার ও সেলিনা বেগম নিহত তরুনীর পরিবারকে জানান মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্নসহ গোপনাঙ্গে রক্ষক্ষরণ হয়েছে বলে জানান। বিষয়টি বাড়ীর লোকজনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করলে তাদের পরামর্শে পুলিশকে জানানো হয়।

রাতে এলাকার লোকজনসহ পাহারা বসিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাহারুল আলম বাহারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তরুনীর ধর্ষন ও মৃত্যুর ব্যপারে জানতে চাইলে রামগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন,

ঘটনার সাথে জড়িত বাহারুল আলমকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠেনো হয়েছে। অন্য আসামিকে ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে মেয়েটির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।