রাণীনগরে ভাঙ্গা রাস্তার জন্য তিন মাস ধরে দূর্ভোগে গ্রামবাসি

সুকুমল কুমার প্রামানিক, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার একডালা ইউনিয়নের দামুয়া গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইট সোলিং রাস্তার মাত্র ২৫ গজ রাস্তা ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গত তিন মাস ধরে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন গ্রামবাসিরা। এমন দূর্ভোগে গ্রামবাসিরা পড়লেও রাস্তাটি মেরামতের কোন উদ্দ্যোগ নেয়নি কেউ। ফলে দিন দিন বেড়েই চলেছে দূর্ভোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গছে, উপজেলার দামুয়া গ্রামে প্রায় দুই হাজার মানুষ বসবাস করেন। আবাদপুকুর-কালগীঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে এই গ্রামের মধ্য দিয়ে একমাত্র সড়ক বয়ে গেছে। প্রায় ১৫ বছর আগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইট সোলিং করা হয় রাস্তাটি। এই রাস্তা দিয়ে গ্রামের প্রায় দুই হাজার মানুষ চলাচল ও কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করেন। চলতি বর্ষা মৌসুমে রাস্তার ইট উঠে গিয়ে প্রায় ২৫ গজ রাস্তার বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে একমাত্র পায়ে হেটে চলাচল ছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি মটরসাইকেল পর্যন্ত চলাচল করতে পারছেনা। ফলে গ্রামের ভিতর থেকে ধান, চালসহ বিভিন্ন কৃষিপন্য ও অন্যান্ন মালামাল পরিবহণ করতে পারছেনা গ্রামবাসি।
এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন গ্রামের লোকজন। স্থানীয় মেম্বার আজিজার রহমান বলেন, রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় গ্রামের লোকজনের দূর্ভোগের শেষ নেই। যে কোন মালামাল ওই পর্যন্ত এনে মাথায় বা কাঁধে করে পরিবহণ করতে হচ্ছে। আমি নিজেও কাঁধে করে মালামাল পরিবহণ করছি। অনেক বার চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেও কাজ করাতে পারিনি। অথচ ইচ্ছে করলে যে কোন সময় তিনি ভাঙ্গা ইট বা রাবিস দিয়ে আপাতত মেরামত করতে পারেন।
গ্রামের বাসিন্দা আফছার হোসেন, আব্দুল জলিলসহ অনেকেই জানান, রাস্তাটির এমন বেহাল অবস্থায় দীর্ঘ প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষি পণ্য পরিবহণ করতে পারছেনা গ্রামের লোকজন। রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ ব্যাপারে উপজেলার একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি আমি দেখেছি। বর্তমানে বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ আসার সাথে সাথেই রাস্তাটি মেরামত করা হবে।