রাজিবপুর বন্যায় শতভাগ প্লাবিত, অসহনীয় দুর্ভোগ বন্যার্তদের

রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর প্রতিনিধি : করোনায় থমকে যাওয়া জীবন-জীবিকার প্রভাব না কাটতেই রাজিবপুরে ২য় দফা বন্যায় আঘাত হেনেছে প্রতিটি মানুষের দারপ্রান্তে। পানিবন্ধী হয়েছে উপজেলা চত্ত্বরসহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাড়া-মহল্লা, অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কোন উঁচু জায়গায়।

অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বন্যার্তরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক অফিসিয়াল নথি সরিয়ে উঁচু স্থানে রাখতে। রাজিবপুর উপজেলা চত্বরে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয় প্রত্যেকটি সরকারী-বেসরকারী অফিস। এতে ব্যবত হতে পারে প্রায় অফিসিয়াল কার্যক্রম। রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রিত সোনা মিয়া ও ভানু বেওয়াসহ চরাঞ্চলীয় বানভাসী অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগিসহ রাস্তার ধারে, স্কুল-কলেজ বা কোন উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে তারা।

দেখা দিয়েছে খাদ্য, পশু খাদ্য, নিরাপদ পানির অভাব। এতে চরম ভোগান্তিতে দিন যাচ্ছে বন্যার্তদের। এ বিষয়ে রাজিবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল জানান, “উপজেলার সবগুলো এলাকার ১ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্ধী। যে ত্রাণ সামগ্রী সরকার দিচ্ছে, এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ না। আরো বেশি ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহব্বান জানাচ্ছি।” উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো জানান, “রাজিবপুর উপজেলা শতভাগ পানিবন্ধী।

এই মুহুর্তে শুকনো খাবার ও গবাদি পশুর খাদ্যের অভাব। সরকার প্রদত্ত ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।” এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নবীরুল ইসলাম জানান, “বন্যার্তদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত্ম আমার কাছে ১৬ মেঃটন চাল বরাদ্দ এসেছে। আমরা এগুলো দিচ্ছি।