রাজধানীতে বেড়েছে মশার ঘনত্ব, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা

শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীতে গত বছরের তুলনায় বেড়েছে মশার ঘনত্ব। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ডেঙ্গু চিকনগুনিয়ার প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বলছেন, পুরোটাই নির্ভর করছে সিটি করপোরেশনের তৎপরতা ও জনসচেতনতার ওপর। কেননা, এখনই যে পরিমাণ এডিস লার্ভা জন্মেছে, তা আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমে ভোগান্তিরই ইঙ্গিত দেয়।
ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কি করণীয়, কিভাবে ধ্বংস করতে হবে এডিস মশার উৎস- এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরীর চেষ্টা সিটি করপোরেশনের। কিন্তু বাস্তব অবস্থা এই সাইনবোর্ডের মতোই ধূলি-ধূসর। রাজধানীতে সন্ধ্যা নামে মশার কামড় সঙ্গী করে।
কি যাত্রাবাড়ি, কি উত্তরা কিংবা গুলশান- বারিধারা এমন কোন জায়গা নেই যেখানে মশা নগরবাসীকে ছাড় দিচ্ছে। সিটি করপোরেশনের ফোকাস যখন এডিস মশায়। তখন মশার আরেক প্রজাতি- কিউলেক্স নগরবাসীকে জ্বালিয়ে মারছে। যদিও দেশে এই মশার রোগ ছড়ানোর নজির নেই।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে মার্চের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ কিউলেক্স মশার ঘনত্ব রেকর্ড ছাড়াবে। বর্ষা আসার আরো চার মাস বাকি। এরইমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (কন্ট্রোল রুম) ডা. আয়েশা আক্তার বলেন,  গতবছর যেহেতু প্রভাবটা বেশি ছিল সেটার রেশ কিছুটা রয়ে গেছে যার জন্য সারা বাংলাদেশে ২৪০ জন রোগী সারা বাংলাদেশে ভর্তি রয়েছে।
আসছে মৌসুমে এডিসের প্রকোপ আর এখন কিউলেক্সের। যদিও সিটি করপোরেশন সেই ওষুধ, মেশিন আর ক্র্যাশ প্রোগ্রামের নামে তোড়জোড়েই সীমাবদ্ধ। অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলছেন মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের পাশপাশি এগিয়ে আসতে হবে নগরবাসীকেও।
নগরবাসীর চাওয়া মশা নিয়ন্ত্রণে সদ্য নির্বাচিত মেয়ররা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা যেন শুধুই বুলি না হয় কাজে থাকে তার প্রমাণ।