রংপুরে পরিবারের পাঁচ প্রতিবন্ধী নিয়ে মানবেতর জীবন পার করছে আব্দুল আহাদ

মাহফুজ আলম, রংপুর: দুঃসহ মানবেতর জীবন সংগ্রামে এখন বেঁচে থাকাটাই যেন কঠিন হয়ে পড়েছে রংপুর নগরীর ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব রণচন্ডি ডাক্তারপাড়ার মৃত শহিদার রহমানের দুই ছেলে, এক মেয়ে, বোন ও বৃদ্ধা মায়ের।অমোঘ নিয়তি একে একে কেঁড়ে নিয়েছে শহিদার রহমানের বড় ছেলে আব্দুল আহাদ,ছোট ছেলে আনিছুল হক,মেয়ে শাহনাজ পারভীন ,মা মর্জিনা বেওয়া ও বোন হোসনে আরার চোখের আলো।আহাদের আকুতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি প্রতিশ্রুতি আছে দেশের শতভাগ প্রতিবন্ধীদের
ভাতার আওতায় আনা হবে। সেটি হলেই কেবল তার পরিবারের সবাইকে ভাতা দেয়া সম্ভব হবে।
উলেখ্য,ওই এলাকার ওসমান গণির ৩ ছেলের মধ্যে দিনমজুর শহিদার ছিলেন সবার বড়। ২০১৫ সালের ২ ফেব্র“য়ারি মারা যান শহিদার।চোখের আলো থাকতে ২০০৮ সালে মর্জিনা বেওয়ার মেয়ে হোসনে আরার বিয়ে হয় পানাপুকুর এলাকার আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে। দুই মাসের সংসার যেতে না যেতেই এক চোখের আলো নিভে যায় হোসনে আরার। অন্ধত্বের কারণে সংসার টেকেনি তার। ফিরে আসতে হয় মায়ের কাছে।মা মর্জিনা বেগমও অন্ধ হয়ে গেছেন। লাঠিতে ভর করে অন্যের সহায়তায় পথ চলেন।