যমুনায় পানির স্রোতে বেতিল বাঁধের ৭০ মিটার ধস

পারভেজ আলী, বেলকুচি প্রতিনিধি: যমুনা তীব্র স্রাতের ফলে সিরাজগঞ্জর এনায়েতপুর থানার বেতিল বাঁধের প্রায় ৭০ মিটার এলাকা ধস নেমেছে । সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাঁধের মাটির অংশ আকস্মিক ধস নামায় এলাকা জুড় আতংক ছড়িয় পড়েছ।

তবে ধসের বিস্তৃতি ঠেকাতে পাউবি জরুরী ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে মেরামত কাজ শুরু করেছে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এনায়তপুর থানার তাঁত শিল্প কারখানা সহ বহুঘর বাড়ি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যমুনার ভাঙন থেকে রক্ষায় ২০ বছর আগে সিরাজগঞ্জ পানি উনয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে বেতিল বাঁধ নির্মান করা হয়। এ বছর বন্যার শুরুতে যমুনা নদীত পানি বদ্ধির পর থেকে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ন হয়। তবে কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি কমতে থাকায় নদীতে প্রচন্ড স্রাত সৃষ্টি হয়।

সোমবার সকাল সাড় ৮টার দিকে তীব্র স্রোতে আকস্মিক ভাবে বাঁধটির ডান আংশে মাটির প্রায় ৭০ মিটার এলাকা জুড় ভয়াবহ ধস নামে। একারনে এনায়তপুর-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক আজুগড়া-বেতিল এলাকা, বাঁধ সংলগ্ন সিরাজগঞ্জ ভেটরিনারী কলজ ও মৎস্য ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউড সহ বহু তাঁত কারখানা ও অসংখ্য ঘর-বাড়ি হুমকির মুখে পড়ার আতঙ্ক রয়েছে । এদিকে ধস হওয়ার খবর পাওয়ায় সিরজগঞ্জ পানি উনয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকশলী শফিকুল ইসলাম তাৎক্ষনিকভাবে বাঁধটির ধসে যাওয়া অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু করেছেন।

এছাড়াও ধসে যাওয়া স্থানে দ্রুত মেরামত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাঁদ পরিদর্শন করেন বেলকুচি উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল ও ইউএনও আনিছুর রহমান। এসময় পাউবির উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন ও এনায়েতপুর থানা যুবলীগর সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলন। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উনয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকশলী শফিককুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীত প্রবল স্রাতর কারনে সাউয়ারিংয়ের ফলে বেতিল বাঁধের প্রায় ৭০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। খবর পেয়ে সকাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে জিও ব্যাগ ফল বাঁধ মলরামতর কাজ চলছে , আতঙ্কিত হবার কিছু নাই, মেরামত কাজ শেষ হলে আশা করছি ঝুঁকি কমে যাবে।