মোহনপুর কেশরহাটে দোকান ঘর জবর দখলের অভিযোগ

নুর কুতুবুল আলম, বাগমারা প্রতিনিধি, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় দোকান ঘর জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটের পশ্চিম দিকে ১৪/১৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রায় তিন যুগ ধরে ব্যবসা বাণিজ্য করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক সম্প্রসারণের ফলে সি. এ্যান্ড বি ব্যবসায়ীদের স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে দেয়। বিবাদমান জমির মালিক সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীরা টং ও ঢোপ দোকান তুলে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।হঠাৎ মোহনপুর উপজেলার ফুলশো গ্রামের প্রভাব প্রতিপত্তিশালী সাবের আলী কাউন্সিলর, কেশর গ্রামের ফজলুর রহমান, বাকশৈল গ্রামের মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েক জন সংবদ্ধ হয়ে বালি রাখার নামে জায়গাগুলো জবর দখলের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তাঁদের দাবী তাঁরা জমিগুলো ক্রয় করেছেন। আজ রবিবার বিকেলে সরজমিন বিবাদমান জমিতে বেশ কিছু লোকজনকে জটলা পাকাতে দেখা গেছে। স্থাানীয়দের ভাস্য, যে কোন সময় উভয় পক্ষ দ্বন্দ্ব ফ্যাসাদে জড়িয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে।

এলাকার শান্তিকামী মানুষ জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘ লক ডাউন,ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা তার উপর রাতের অন্ধকারে জায়গাগুলো জবর দখল হওয়ায় শিক্ষার্থী সন্তান-সন্ততি,পরিবার পরিজন নিয়ে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, আমরা পিরপাল, বাঁশ, বেড়া-টাটি দিয়ে ঘর নির্মাণ করি, প্রভাবশালীরা রাতের অন্ধকারে তা ভেঙ্গে চুরমার করেন। নিরুপায় হয়েব্যবসায়ী, কহিনূর বেওয়া, মাহাতাব, মোস্তফা কামাল, ইসাহাক আলী, জালাল,মুছা, মোজাম,সমশের, আমজাদ হোসেন, প্রদীপ কুমার, মোহনপুর থানা পুলিশ,কেশরহাট পৌর মেয়র এবং মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে সুবিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানোয়ার হোসেন অভিযোগ প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছেন।