মোবাইলে কথা বলে গৃহবধুর আত্মহত্যা

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

রবিবার সন্ধ্যার পরে পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ডের ভারাটিয়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাকি আক্তার এর মাহিন নামে দেড় বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, বাউফল ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের লিটন প্যাদার কন্যা লাকি আক্তার (২০) এর সাথে তিন বছর পূর্বে পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ডের মেহেদী হাসান তোহা’র সাথে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবীতে স্বামী সংসারে বনিবনা না হওয়ার বাবা মো. লিটন হোসেন’র দেয়া খরচে পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ডের খলিল ব্যাপারীর ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে।

কলহপূর্ণ দাম্পত্য জীবনে দেড় বছর পূর্বে লাকি-তোহা দম্পত্তির ছেলে মাহিন ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।

রাজধানী ঢাকায় বেসরকারী ফার্মে চাকুরজীবী তোহা স্ত্রী-সন্তানের খোরপোষ ও খোঁজ খবর না রাখায় চলতি মাসের ১২ তারিখ

স্ত্রী লাকি বাদি হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে স্বামীকে প্রধান করে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় স্বামী তোহা রবিবার সন্ধ্যার পরে স্ত্রীর সাথে মোবাইলে কথা বলেন। এর অধাঘন্টার মধ্যে ভাড়াটিয়া বাসার সিলিংফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন লাকি।

স্বজনরা দরজা ভেঙে লাকির ঝুলন্ত মরদেহ ও খাটে শোয়ানো শিশুপুত্র মাহিনকে উদ্ধার করে থানা পুলিশে খবর দেয়।

বাউফল থানার ওসি মো. আল-মামুন জানান, লাকি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।